Mamun's Rare Collection.

Mamun's Rare Collection. শিকড়ের স্বাদ পেতে চাই, এবং সবার মাঝে সেটা ছড়িয়ে দিতে চাই। অর্থ উপার্জন নয়, স্মৃতিচারণ করা এবং স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখাই এই পেজের উদ্দেশ্যে।
(1)

'হারানো দিন' সিনেমার একটি দৃশ্যে অভিনব ভঙ্গিতে থাকা খ্যাতিমান  দুজন তারকা গোলাম মোস্তফা ও শবনম।১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হ...
09/08/2026

'হারানো দিন' সিনেমার একটি দৃশ্যে অভিনব ভঙ্গিতে থাকা খ্যাতিমান দুজন তারকা গোলাম মোস্তফা ও শবনম।

১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হারানো দিন হলো একটি প্রখ্যাত বাংলা চলচ্চিত্র, যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) নির্মিত হয়েছিলো। এটি পরিচালনা করেছিলেন মুস্তাফিজ। চলচ্চিত্রের মুক্তির তারিখ ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট (মতান্তরে ২৮ এপ্রিল)।পরিচালক মুস্তাফিজ। প্রধান অভিনয় শিল্পীরা হলেন রহমান, শবনম, গোলাম মোস্তফা, রেখা প্রমুখ। চলচ্চিত্রের বিশেষত্ব হলো এটি ছিলো অভিনেত্রী শবনমের অভিনীত অন্যতম জনপ্রিয় এবং সাড়া জাগানো একটি চলচ্চিত্র। ঢাকাই সিনেমার সোনালী যুগের শুরুর দিকের একটি মাইলফলক কাজ হিসেবে এটি বিবেচিত হয়। এই সিনেমার মাধ্যমে রহমান-শবনম জুটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

আলাউদ্দিন আলীঃ বাংলাদেশের এক কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালকের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি। আলাউদ্দিন আলী বাংলা গানের অনন...
09/08/2026

আলাউদ্দিন আলীঃ বাংলাদেশের এক কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালকের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

আলাউদ্দিন আলী বাংলা গানের অনন্য এক সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গীতিকার। তিনি গীতিকার হিসাবেও বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তার সুর করা গানের সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। আট বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। আলাউদ্দিন আলী ২০২০ সালের ৯ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। আজ এই কিংবদন্তির পঞ্চম প্রয়াণ দিন।

তার সুরে গান গাওয়া ছিলো শিল্পীদের জন্য স্বপ্নের! তাঁর হাতে সৃষ্টি হয়েছে বহু বিখ্যাত ও কালজয়ী গান। আলাউদ্দিন আলীর দর্শকপ্রিয় ও কালজয়ী গানের তালিকায় রয়েছে- যে ছিলো দৃষ্টির সীমানায়, একবার যদি কেউ ভালবাসতো, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, হয় যদি বদনাম হোক আরও, ভালবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়, আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার বারিস্টার, সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী, এমনও তো প্রেম হয় চোখের জলে কথা কয়, সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি, বন্ধু তিনদিন তোর বাড়িত গেলাম, জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো, আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা, পারি না ভুলে যেতে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

কীর্তিমান সুরস্রষ্টা আলাউদ্দিন আলী ১৯৫২ সালের ২৪শে ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী থানার বাঁশবাড়ী গ্রামের এক সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জাবেদ আলী ও মাতা জোহরা খাতুন। আলাউদ্দিন তাঁর পিতা ওস্তাদ জাবেদ আলী ও ছোট চাচা সাদেক আলীর কাছে প্রথম সঙ্গীতে শিক্ষা নেন। ১৯৬৮ সালে তিনি যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি প্রখ্যাত সুরকার আনোয়ার পারভেজসহ বিভিন্ন সুরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।

আলাউদ্দিন আলী ১৯৭৫ সালে চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করে বেশ প্রশংসিত হন। তিনি গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৯), সুন্দরী (১৯৮০), কসাই এবং যোগাযোগ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ১৯৮৫ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি খ্যাতিমান পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত পদ্মা নদীর মাঝি চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। তিনি শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসাবে সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এবং শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসাবে একবার।

বর্ণাঢ্য সংগীত জীবনের অধিকারী আলাউদ্দিন আলী সহধর্মিণী বিশিষ্ট নজরুলসংগীত শিল্পী সালমা সুলতানা; যিনি ২০১৬ সালে প্রয়াত হন। তাঁদের একমাত্র সন্তান আলিফ আলাউদ্দীনও একজন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী।

বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের শক্তিমান গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলীর জীবনাবধি ঘটে ২০২০ সালের ৯ আগস্ট। তাঁর অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালবাসা।

একই সড়ক, একই ভয়াবহতা শেষবার আর ফিরলেন না পেহেলি ভৈরবী! বিগত ৩–৪ বছর আগে সিলেট থেকে যাওয়ার পথে পরিবারসহ হবিগঞ্জের বাহুবল ...
07/08/2026

একই সড়ক, একই ভয়াবহতা শেষবার আর ফিরলেন না পেহেলি ভৈরবী!

বিগত ৩–৪ বছর আগে সিলেট থেকে যাওয়ার পথে পরিবারসহ হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন পেহেলি ভৈরবী। ভাগ্যক্রমে সেবার জীবন ফিরে পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কে জানতো, কয়েক বছর পর আবারও সেই সড়কই কেড়ে নেবে তাঁর জীবন!

সিলেটে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন শেষে ভৈরবে বাড়ি ফেরার পথে ওসমানীনগর এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পেহেলি ভৈরবীসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়—পেহেলি ভৈরবীর বাবা গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, তিনি একটি স্লিপার কোচে যাত্রা করছিলেন। বাসের সামনের স্লিপার সিটে তার সঙ্গে ছিলেন তার প্রিয় বাবা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতরেই ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন পেহেলি ভৈরবী।

মাত্র কিছুক্ষণ আগেও যিনি সুরের মূর্ছনায় শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেছিলেন, সেই কণ্ঠ আজ চিরতরে স্তব্ধ। তার অকাল প্রয়াণে পরিবার, স্বজন, সহশিল্পী এবং অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

একটি পরিবারকে এক মুহূর্তে এমন শোকের সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন। পেহেলি ভৈরবীর আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাঁর বাবার দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। 🤲

'ওগো প্রিয়তমা ওরা জানতে চেয়েছে- তোমার আমার ভালোবাসা হলো কেমনে'.... জনপ্রিয় গানের বরেণ্য শিল্পী মীনা বশির' এর ১২তম মৃত্...
07/08/2026

'ওগো প্রিয়তমা ওরা জানতে চেয়েছে-
তোমার আমার ভালোবাসা হলো কেমনে'.... জনপ্রিয় গানের বরেণ্য শিল্পী মীনা বশির' এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা অপার ভালোবাসা'....
দেশের প্রখ্যাত শিল্পী বশির আহমেদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁর কন্যা শিল্পী হুমায়ারা বশির ও ছেলে রাজা বশির দুজনেই সঙ্গীতাঙ্গনের পরিচিত শিল্পী।
১৯৫৯ সালের ১৬ মে ভারতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ৫৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

জিল্লুর রহমান পরিচালিত 'মোহন বাঁশি' (২.০৯.১৯৯০) সিনেমার একটি দৃশ্যে অভিনেত্রী সুচরিতা ও সাত্তার।
07/08/2026

জিল্লুর রহমান পরিচালিত 'মোহন বাঁশি' (২.০৯.১৯৯০) সিনেমার একটি দৃশ্যে অভিনেত্রী সুচরিতা ও সাত্তার।

এক ফ্রেমে বাংলা গানের দুই কিংবদন্তিফেরদৌসী রহমান ও শাহনাজ রহমতুল্লাহ।দু'জন কিংবদন্তী শিল্পীর স্মৃতিময় আলোকচিত্র'....সত্...
07/08/2026

এক ফ্রেমে বাংলা গানের দুই কিংবদন্তি
ফেরদৌসী রহমান ও শাহনাজ রহমতুল্লাহ।
দু'জন কিংবদন্তী শিল্পীর স্মৃতিময় আলোকচিত্র'....
সত্তর দশকে অনন্য আলোকচিত্রের অন্তরঙ্গ মুহূর্তে শিল্পী ফেরদৌসী রহমান ও শাহনাজ রহমতুল্লাহ'....

কখনও কখনও একটি আলোকচিত্র কেবল একটি মুহূর্তকে ধারণ করে না; বরং একটি যুগ, একটি ঐতিহ্য এবং একটি জাতির সাংস্কৃতিক ইতিহাসকে নিজের মধ্যে ধারণ করে রাখে। এই দুর্লভ ছবিটি তেমনই এক মূল্যবান দলিল, যেখানে একই ফ্রেমে স্থান পেয়েছেন বাংলা সংগীতের দুই কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী—ফেরদৌসী রহমান ও শাহনাজ রহমতুল্লাহ। দু'জন শিল্পীর মধ্যে বয়সের পার্থক্য ১১ বছর অথচ ৭ বছর আগেই অনন্তলোকে চলে গেছেন শাহনাজ রহমতুল্লাহ। তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর গভীর শ্রদ্ধা'...

বাংলা গানের সুবিশাল ভুবনে এই দুই শিল্পীর অবদান অনন্য, অনস্বীকার্য এবং চিরস্মরণীয়। তাঁদের কণ্ঠে বাংলা গান পেয়েছে নতুন মাত্রা, নতুন আবেদন এবং এক অনির্বচনীয় আবেগ। আধুনিক গান, দেশাত্মবোধক গান, চলচ্চিত্রের গান কিংবা টেলিভিশনের সংগীত—প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁদের শিল্পসাধনা বাংলা সংস্কৃতিকে করেছে আরও সমৃদ্ধ ও মর্যাদাবান।

ফেরদৌসী রহমান তাঁর সুরেলা, মাধুর্যমণ্ডিত কণ্ঠ এবং বহুমাত্রিক সংগীতচর্চার মাধ্যমে কয়েক প্রজন্মের শ্রোতার হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। অন্যদিকে শাহনাজ রহমতুল্লাহ তাঁর আবেগঘন, শক্তিশালী এবং হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়ে বাংলা সংগীতকে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছেন। তাঁদের গান শুধু বিনোদনের উপকরণ নয়; বরং জাতির আবেগ, দেশপ্রেম, ভালোবাসা এবং সাংস্কৃতিক চেতনার এক উজ্জ্বল প্রকাশ।

একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় তাঁর সৃষ্টিতে। সময়ের প্রবাহে মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান, কিন্তু তাঁদের শিল্পকর্ম যুগ থেকে যুগান্তরে বেঁচে থাকে। সেই অর্থে ফেরদৌসী রহমান ও শাহনাজ রহমতুল্লাহ কেবল দুইজন শিল্পী নন; তাঁরা বাংলা সংগীতের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ, আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র।

এই ছবিটি আমার কাছে শুধু একটি আলোকচিত্র নয়; এটি বাংলা গানের এক স্বর্ণালি অধ্যায়ের জীবন্ত স্মারক। একই ফ্রেমে দুই কিংবদন্তিকে দেখা সত্যিই এক বিরল সৌভাগ্যের বিষয়। আমার বিশ্বাস, এমন দৃশ্য দেখার সুযোগ অনেক সংগীতপ্রেমীরও হয়নি।
যতদিন বাংলা ভাষা বেঁচে থাকবে, যতদিন বাংলা গান মানুষের হৃদয়ে অনুরণিত হবে, ততদিন গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে উচ্চারিত হবে ফেরদৌসী রহমান ও শাহনাজ রহমতুল্লাহর নাম। তাঁদের কণ্ঠ, তাঁদের শিল্পসাধনা এবং তাঁদের অমর সৃষ্টি বাংলা সংস্কৃতির আকাশে চিরকাল দীপ্তিমান হয়ে থাকবে।

এই দুই মহান শিল্পীর অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং অফুরন্ত ভালোবাসা। তাঁদের উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের শিল্পী ও সংগীতপ্রেমীদের পথ দেখাবে, অনুপ্রাণিত করবে এবং বাংলা গানের ঐশ্বর্যকে চিরকাল সমুন্নত রাখবে।
এই দুর্লভ আলোকচিত্র বাংলা সংগীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্রকে একসঙ্গে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে এক অমূল্য ঐতিহাসিক স্মারক।

আর শিল্পী ফেরদৌসী রহমানের দীর্ঘ সুস্থ জীবন কামনা করি। তাঁদের অম্লান স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালোবাসা। সংগ্রহে রাখার মত অসাধারণ দুর্লভ আলোকচিত্র'..

দেশে ফিরলেন কিংবদন্তি চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।দীর্ঘ ১৫ মাস লন্ডনে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা নেওয়ার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন ব...
06/08/2026

দেশে ফিরলেন কিংবদন্তি চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।
দীর্ঘ ১৫ মাস লন্ডনে ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা নেওয়ার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের প্রিয় মুখ, কিংবদন্তি অভিনেতা এবং 'নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)' আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। তার দেশে ফেরার খবরে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর হুইলচেয়ারে দেখা যায় ইলিয়াস কাঞ্চনকে। সে সময় তাকে বেশ দুর্বল ও ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। তারপরও উপস্থিত স্বজন, শুভাকাঙ্খী ও ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি। শরীরও ভালো আছে। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া চাই। আমিও সবার জন্য দোয়া করছি।

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ইলিয়াস কাঞ্চনের নাম এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ছোটবেলা থেকে গ্রামবাংলার অসংখ্য মানুষ তার সিনেমা দেখে বড় হয়েছেন। অ্যাকশন, রোমান্স কিংবা পারিবারিক গল্প—সব ধরনের চরিত্রেই তিনি নিজের অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। কয়েক দশক ধরে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়ে।
তবে তিনি শুধু একজন সফল অভিনেতাই নন, একজন মানবিক মানুষও। স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর তিনি ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে রূপ দিয়ে শুরু করেন 'নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)' আন্দোলন। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে নিরলসভাবে কাজ করে তিনি লাখো মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবর ভক্তদের জন্য আশার বার্তা। আমরা সবাই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি এবং আবারও তাকে সুস্থভাবে মানুষের মাঝে সক্রিয় দেখতে চাই।
ইলিয়াস কাঞ্চন শুধু একজন অভিনেতা নন—তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের এক জীবন্ত ইতিহাস এবং সামাজিক সচেতনতার এক অনন্য প্রতীক।
🙏 মহান আল্লাহর কাছে তার দ্রুত ও পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি।

আয়েশা আখতার; কিছু স্মৃতি কিছু কথাঃ-মায়ের মুখে শুনেছি, শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে খ্যাতিমান অভিনেত্রী আয়েশা আখতার যখন তৎকালীন র...
06/08/2026

আয়েশা আখতার; কিছু স্মৃতি কিছু কথাঃ-

মায়ের মুখে শুনেছি, শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে খ্যাতিমান অভিনেত্রী আয়েশা আখতার যখন তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানে যোগ দেন, তখন আমাদের গোটা এলাকায় একটা রিরি পড়ে যায়। তখনকার পশ্চাৎপদ সমাজ তাঁর এহেন কাজকে এক মহা-কেলেঙ্কারী ছাড়া অন্যকিছু ভাবতে পারেনি। এ থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায় তখনকার সময়ে একজন আত্মমর্যাদাশীল ও সাহসী নারী নিজেকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠার জন্য কতটা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন।

একটি ঘটনা বললে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। আমাদের উল্টোদিকের পাড়ায় বিয়ে হয়েছিলো আয়েশা আখতারের এক ভাতিজির। তিনি আমার সম্পর্কে জেঠি। আমার মায়ের সাথে ছিল তাঁর আন্তরিক সম্পর্ক; অনেকটা গলায় গলায় ভাব বলা যায়। জেঠি বেশ নরম-কোমল স্বভাবের মানুষ ছিলেন। কিন্তু গ্রামীণ সমাজে এ বাড়ি ও বাড়িতে নানা বিষয়ে টুকটাক ঝগড়াঝাটি অস্বাভাবিক নয়। তো, এই জেঠির সাথে যখন পড়শি মহিলাদের কথা কাটাকাটি হতো এবং অনেকে যখন তাঁর সম্ভ্রান্ত বাপের বাড়ির খবরটি জানতো, তখন আর খুব একটা যুত করতে পারতো না। আর তখনই প্রতিপক্ষ মোক্ষম অস্ত্রটি ছুঁড়ে মারতো 'অত ভালা দেইখ্যাই-তো ফুপু রেডু সেন্টারঅ গেছে।' তখন আমার সেই জেঠিমা একদম চুপ মেরে যেতেন। আর কোনো কথাই তাঁর মুখে উঠতো না।

শ্রদ্ধেয় আয়েশা আখতারের সাথে চেনাপরিচয় আমার উপস্থাপক জীবনের শুরুর দিকেই ১৯৯৬ কি ১৯৯৭ সালে। তখন তিনি বেতারের জাতীয় অনুষ্ঠান 'আমার দেশ' করতে বিকেল দিকটায় আগারগাঁও স্টেশনে আসতেন। প্রথম পরিচয়েই এলাকার ছেলে হিসাবে তিনি আমায় আপন করে নেন। আমি মুগ্ধ হয়ে যাই তাঁর আন্তরিক ব্যবহারে। সবচেয়ে বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, যখনই দেখা হতো, সালাম দেওয়ার সাথে সাথেই মনোহরদীর আঞ্চলিক উচ্চারণে বলে উঠতেন, 'অ্যায় উবাইদুর কেমুন আছত? বাইত যাসটাস নাকি-আমার মানিকের লগে তর দ্যাহা অয়?' এমন আরও কত কথা-কত গল্প। মানিক তাঁর এক পুত্র যিনি গ্রামে থাকতেন। একবার মাত্র এলাকার একটি অনুষ্ঠানে তাঁর সাথে আমার আলাপ-পরিচয় হয়েছিল। আমার নামটিও তিনি প্রিয় সাগরদীর মানুষদের মতো 'উবাইদুর' বলতেন। কখনো ওবায়েদ বলতেন না(নাগরিক জীবনে আমি ওবায়েদ নামে পরিচিত)। একমাত্র এই মহীয়সী নারীর সাথে কথা বললেই আমার গ্রামীন জীবনের স্বাদটি পুরো মাত্রায় পেতাম।

আয়েশা আখতারের জন্ম আমার বাড়ি থেকে মাইল দেড়েকের মাথায় চক তাতারদী গ্রামে ১৯৩১ সালের ১ জানুয়ারি। তাঁর জন্মস্থানটি বর্তমান নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত। যতদূর জানা যায়, এসএসসি পাশের পর আয়েশা আখতার এলাকার একটি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি নিয়েছিলেন এবং সেখান থেকেই শিল্পী মনের অধিকারী এই মানুষটি কী এক দুর্নিবার আকর্ষণে ছুটে যান তৎকালীন রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা স্টেশনে। আর ষাটের দশকের শুরুতে এই রেডিও-ই তাঁকে এনে দেয় আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও সম্মান। আইয়ুব শাসনামলে বেতারের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'বুনিয়াদি গণতন্ত্রের আসর-এ তাঁর 'মজিদের মা' নামটি তখন মানুষের মুখে মুখে। সত্তর দশকের শুরুতে সিনেমায় যোগ দেবার আগ পর্যন্ত এই নামেই বহুবছর তিনি পরিচিত ছিলেন। বলা যায়, মজিদের মা'র দোর্দন্ড প্রতাপের কাছে হেরে যায় তাঁর পিতৃদত্ত আয়েশা আখতার নামটি। এ অনুষ্ঠানটি স্বাধীনতা পরবর্তীকালে 'আমার দেশ' নামে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। আয়েশা আখতার দীর্ঘকাল বাংলাদেশ বেতারে স্টাফআর্টিস্ট হিসাবে চাকরিরত ছিলেন।

সত্তর দশকের শুরুর দিকে আয়েশা আখতার তাঁর বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। একনাগাড়ে অভিনয় করতে থাকেন- আসিয়া, লালন ফকির, ঝড়ের পাখি, সংগ্রাম, জানোয়ার, ওয়াদা, নয়নমনি, অমর প্রেম, তুফান, অলংকার, দিন যায় কথা থাকে, জীবন নৌকা, মানসী, সওদাগর, দুই পয়সার আলতা, আলী আসমা, নতুন বউ, জাদু মহল, জীবন ধারা, মায়ের দোয়া, ভাই ভাই, সেলিম জাভেদ, রাজা সাহেব, ভাঙ্গাগড়া, স্বামীর ঘর, জবাব, চাষীর মেয়ে, সেতু, নোলক, অলংকার, অনুরাগ, মাটির ঘর, বন্দুক, ঈমান, দি ফাদার, বৌরানী, সংঘর্ষ, বাদল, সুলতানা ডাকু, সাক্ষী, জন্ম থেকে জ্বলছি, ভাঙাগড়া, স্বামীর ঘর, গাঁয়ের ছেলে, মাটির কোলে, ভাগ্যলিপি, নওজোয়ান, শুভরাত্রি, সানাই , আশার আলো, নতুন বউ, রজনীগন্ধা, বৌ মা, এই নিয়ে সংসার, নরম গরম, নদীর নাম মধুমতী, সিপাহীসহ বহুসংখ্যক ছবিতে। প্রতিটি ছবিতে মমতাময়ী মা বা অন্য যেকোনো নারী চরিত্রে এক অপরিহার্য অভিনেত্রী হয়ে উঠেন তিনি। তাঁর অনবদ্য ও দরদমাখা অভিনয়শৈলী মুগ্ধ ও মোহিত করে এদেশের আপামর সিনেমাপ্রেমী মানুষকে।

আয়েশা আখতার ১৯৮২ সালে ‘রজনীগন্ধা’ ছবিতে অভিনয় করে, পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
আয়েশা আখতারের পুত্র আফতাব আহমেদ বেতার-টেলিভিশনের একজন খ্যাতিমান ইংরেজি সংবাদ পাঠক ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্ণাঢ্য শিল্পী-জীবনের অধিকারী আয়েশা আখতারের জীবনাবসান ঘটে ২০০৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী। তাঁর অম্লান স্মৃতির উদ্দেশে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালবাসা।

এম ওবায়দুর রহমান
উপস্থাপক, ঘোষক, সংবাদ পাঠক
০৭/০৭/২০২৬ইং

কৃতজ্ঞতাঃ আয়েশা আখতারের এই সুন্দর ছবিটি করে দিয়েছেন মেজবা খান- আমার প্রিয় মেজবা ভাই। ফেইসবুকে তিনি গুণীজনদের নিয়ে অসম্ভব সুন্দর কাজ করে চলেছেন; যা সুধীমহলে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। মেজবা ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

05/08/2026

গানঃ সুবহানাল্লাহ ইয়ে চেহরা
কন্ঠেঃ আহমদ রুশদী ও রুনা লায়লা
সঙ্গীতঃ লাল মোহাম্মদ ইকবাল
কথাঃ মাশরুর আনোয়ার
ছবিঃ লাডলা (উর্দু)
মুক্তির সালঃ ১৯৬৯
স্ক্রীন প্রেজেন্সঃ ওয়াহিদ মুরাদ ও শবনম

Song: SubhanAllah Yeh Chehra
Singers: Ahmad Rushdi & Runa Laila
Music: Lal Mohammad Iqbal
Lyrics: Masroor Anwar
Film: Ladla (1969)
Actors: Waheed Murad & Shabnam

আমিতো গরুর রাখাল মাঠে মাঠে থাকি...বাসোরী বাজাইয়া পালের গরু বাছুর ডাকিরে  কান্দে বাঁশী কার লাগালে...এইনা চরের শেষ সীমানা...
05/08/2026

আমিতো গরুর রাখাল মাঠে মাঠে থাকি...
বাসোরী বাজাইয়া পালের গরু বাছুর ডাকিরে কান্দে বাঁশী কার লাগালে...
এইনা চরের শেষ সীমানায় আমার বসত গাও বাবলা বনে ঘুইরা যাইতে লাগে ডিঙ্গা নাও...
১৯৮৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'রঙিন রাখাল বন্ধু' ছায়াছবির গানের দৃশ্যে সাত্তার। এতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন সুনয়না জিনাত।

Address

Villege/Uzgram
Bogura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mamun's Rare Collection. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mamun's Rare Collection.:

Shortcuts

Share

Category