Mamun's Rare Collection.

Mamun's Rare Collection. শিকড়ের স্বাদ পেতে চাই, এবং সবার মাঝে সেটা ছড়িয়ে দিতে চাই। অর্থ উপার্জন নয়, স্মৃতিচারণ করা এবং স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখাই এই পেজের উদ্দেশ্যে।
(1)

15/06/2026

গানঃ এক চোরের রাজা এক রুপের রাণী,
কন্ঠঃ রুনা লায়লা,
ছবিঃ রুপের রাণী চোরের রাজা (১৯৭৯)
স্ক্রীন প্রেজেন্সঃ রোজিনা, ইলিয়াস জাভেদ ও অন্যান্য
গীতিকারঃ গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সুর ও সঙ্গীতঃ আনোয়ার পারভেজ
পরিচালনাঃ শহিদুল আমিন।

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিছু নাম সময়কে অতিক্রম করে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। সেই নক্ষত্রদের অন্যতম, বরেণ্য অভিনেত্রী শা...
15/06/2026

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিছু নাম সময়কে অতিক্রম করে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। সেই নক্ষত্রদের অন্যতম, বরেণ্য অভিনেত্রী শাবানা। যার নাম উচ্চারণ করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সোনালি দিনের বাংলা সিনেমা, অসংখ্য কালজয়ী চরিত্র আর দর্শকের অগাধ ভালোবাসা। চার দশকেরও বেশি সময়ের অভিনয় জীবনে শাবানা নিজেকে নিয়ে গেছেন এমন এক উচ্চতায়, যেখানে তাকে শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবে নয়, বরং বাংলা চলচ্চিত্রের একটি যুগের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। আজ (১৫ জুন) কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা’র জন্মদিন।

১৯৫২ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। মাত্র ৯ বছর বয়সেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে তার।​ ১৯৬১ সালে পরিচালক এহতেশাম (যিনি সম্পর্কে তার চাচা ছিলেন) 'নতুন সুর' চলচ্চিত্রের জন্য একজন শিশুশিল্পী খুঁজছিলেন। বাবা ফয়েজ চৌধুরীর হাত ধরে এফডিসিতে যাওয়া ছোট্ট রত্নাকে পছন্দ করে ফেলেন তিনি। এভাবেই শুরু হয় তার অভিনয় জীবন। ​

​👉'রত্না' যেভাবে হলেন শাবানাঃ ​১৯৬২ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে অতিরিক্ত শিল্পী হিসেবে 'রত্না' নামেই বড় পর্দায় তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। ​এরপর ‘তালাশ’, ‘সাগর’, ও ‘ভাইয়া’র মতো ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন।

​তবে ভাগ্যের চাকা ঘোরে ১৯৬৬ সালে। বিখ্যাত উর্দু সিনেমা ‘চকোরী’-তে কাজ করার সময় চলচ্চিত্রকার এহতেশাম নিজেই তার নতুন নাম দেন 'শাবানা'। ব্যস, এই একটি নামই পরবর্তীতে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক বিশাল ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। (নিচে চকোরী চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে অভিনেত্রী শাবানা)

​​✈️ ১৯৬৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রায় তিন দশক ঢালিউডের শীর্ষাসনে ছিলেন শাবানা। তবে জনপ্রিয়তার একদম তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ১৯৯৮ সালে চলচ্চিত্র জগতকে বিদায় জানিয়ে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি।

​আজ তিনি রূপালি পর্দা থেকে বহু দূরে, কিন্তু কোটি ভক্তের হৃদয়ে তিনি এখনো সমানভাবে সিংহাসন পেতে আছেন।

​🎂 কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানার জন্মদিনে রইলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা! 💖

15/06/2026

১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'বিজলী' চলচ্চিত্রের একটি রোমাঞ্চকর দৃশ্যে অভিনেত্রী দিলারা ও অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ।

14/06/2026

গানঃ আগে আগে নাচে রানী পিছে ঢোলক ওয়ালা।
ছায়াছবিঃ নাদিরা (১৯৮৫)
অভিনয়ঃ জাভেদ ও রোজিনা।
কণ্ঠশিল্পীঃ এ্যন্ড্রুকিশোর ও রুনা লায়লা।
গীতিকারঃ এম এ মালেক।
সংগীতঃ আনোয়ার পারভেজ।
পরিচালনায়ঃ ফকরুল হাসান বৈরাগী।

14/06/2026

আলমগীর ও শাবানার মধ্যে অসাধারণ খুনসুটি, ছবিঃ মরণের পরে (২৭.০৪.১৯৯০), পরিচালনায়ঃ আজহারুল ইসলাম খান।

মরণের আগে জীবনের অবশ্য কর্তব্যকে পালন করে যে জীবন ধন্য হয়ে ওঠে তারই এক বেদনার আখ্যান এ সিনেমা। সন্তানদের ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে অসুস্থ মায়ের দায়িত্ব মরণের পরের জীবন নিয়ে আলাদা জীবনদর্শন দাঁড় করিয়েছে।

সিনেমায় স্তরে স্তরে অনেক কিছু আছে যাকে আপনার-আমার দর্শক ক্ষুধাকে প্রবল করে তুলবে। সেটা ঘটবে এ সিনেমার অভিনয় শিল্পীদের নিখুঁত অভিনয় এবং ডিরেক্টরস ইমোশন মিলিয়ে। স্টোরি টেলিং-কে টাচি করতে এ দুটি বিষয় একসাথে কাজ করেছে। ক্লাইমেক্স বা ফিনিশিং এ গিয়ে দর্শকের চোখের জল বাঁধ মানবে না। ঠিক তখনই স্টোরি টেলিং ও ডিরেক্টরস ইমোশন সাংঘাতিকভাবে সফল হয়ে ওঠে।

সিনেমা নিয়ে বলতে গেলে গল্প বলতেই হয়। শাবানা ও আলমগীরের মধ্যবিত্ত সংসার ভালোই চলছিল। শাবানা এর মধ্যে একদিন জানতে পারে তার লাঞ্চ ক্যান্সার এবং ডাক্তার আনোয়ারা জানিয়েছে আর অল্পদিনই বেঁচে থাকবে শাবানা। বড় পরিবারে ছেলেমেয়েদের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতের কথা ভেবে চোখের জল মোছে শাবানা। এর ভেতর আলমগীর দুর্ঘটনায় দুই হাত হারায়। শাবানা-আলমগীর ছেলেমেয়েদের দত্তক দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। একে একে দত্তক নিতে আসে সন্তানহীন অভিভাবকরা।

13/06/2026

গানঃ এই জীবনকে আরও কাছে নাও টেনে।
ছায়াছবিঃ অনির্বাণ (১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত)
অভিনয়ঃ নৃত্য শিল্পী।
কণ্ঠশিল্পীঃ সাবিনা ইয়াসমিন, আঞ্জুমান আরা বেগম।
গীতিকারঃ মোঃ মনিরুজ্জামান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও মাসুদ করিম।
সংগীতঃ সুবল দাস।
পরিচালনায়ঃ কামাল আহমেদ।

মায়ের প্রতি ভালবাসার অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে "আম্মাজান"। ছবির প্রধান চরিত্র অভিনয় করেন মান্না, মৌসুমী, আমিন খান, শবনম। মায়...
13/06/2026

মায়ের প্রতি ভালবাসার অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে "আম্মাজান"। ছবির প্রধান চরিত্র অভিনয় করেন মান্না, মৌসুমী, আমিন খান, শবনম। মায়ের প্রতি সন্তানের ভক্তি, শ্রদ্ধাবোধ,আত্মত্যাগ ও সম্পর্কের এক কালজয়ী সৃষ্টি হচ্ছে এই সিনেমা।

"আম্মাজান" বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এটি ১৯৯৯ সালে মুক্তির পরপরই এক আলাদা উন্মাদনা সৃষ্টি করে পুরো বাংলাদেশে। সেই সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া সিনেমাটি এখনো ফিরে দর্শকের মুখে মুখে। মুক্তির পর কিশোর, যুবক, প্রবীণ, বৃদ্ধ--- সব বয়সের মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে সিনেমা হলে। দর্শকের মনে এতটাই সাড়া ফেলেছিলো যে, মুক্তির প্রথম দিনেই আয় করে কোটি টাকা।
বিশেষ করে এই ছবিতে নায়ক মান্নার 'আমার আম্মাজান আমার লগে কথা কইছে' সংলাপটি দর্শকদের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে। ছবির নায়িকা মৌসুমী বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ বিতরণের সময় মান্নার মা তাকে দেখে, এবং মনে মনে ছেলের বউ হিসেবে পছন্দ করে। আর আম্মাজানের এই কথাটি জানার পর মৌসুমীকে মায়ের পুত্রবধূ বানানোর জন্য মান্না ভয়ংকর বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সেই থেকে আমিন খান ও মৌসুমী'র ভালবাসার মাঝে মান্না বাধা হয়ে দাঁড়ায়। মৌসুমী আমিন খানের ভালোবাসার মাঝে প্যারালাল মান্নার অভিনয় ছিল দুর্দান্ত। এরপরই সিনেমার গল্পে নতুন মোড় নেয় নানা নাটকীয়তায় এগিয়ে চলে ছবি। কাজী হায়াতের দক্ষ নির্মাণে 'আম্মাজান' হয়ে ওঠে ঐতিহাসিক কালজয়ী এক ছবি।

13/06/2026

'মনের মানুষ' (১৯৭৭) চলচ্চিত্রের একটি রোমাঞ্চকর দৃশ্যে বিউটি কুইন শাবানা ও অভিনেতা আলগীর।

বাংলাদেশী অভিনেত্রী শবনম, প্রাসঙ্গিক কিছু কথাঃ-পাকিস্তানের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় এ লেডি সুপারস্টারের নাম ছিলো ঝর্ণা বসা...
12/06/2026

বাংলাদেশী অভিনেত্রী শবনম, প্রাসঙ্গিক কিছু কথাঃ-

পাকিস্তানের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় এ লেডি সুপারস্টারের নাম ছিলো ঝর্ণা বসাক, পরিচালক এহতেশাম তার নাম শবনম রাখেন। ১৯৬১ সালে 'হারানো দিন' এ নায়িকা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটলেও তার অভিনীত প্রথম উর্দু চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ১৯৬২ সালে। তারপর সেখানে তিনি একে একে ১৫২ টি উর্দু ও ৪টি পাঞ্জাবী চলচ্চিত্র করেছিলেন। ভারতের ফিল্মফেয়ারের মত পাকিস্তানের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পুরষ্কার নিগার শবনম পেয়েছিলেন ১৩ বার যে রেকর্ড আজও কোন পাকিস্তানি নায়িকা ভাংতে পারেনি। তিনবার পাকস্তানের জাতীয় পুরষ্কারও জিতেন তিনি। পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে তখনও তাঁর ও অভিনেতা নাদিমের জুটি পাকিস্তানে রাজ কাপুর-নার্গিস, ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনী, উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেনের জুটির মতো জনপ্রিয়তা পায়৷ শবমন-নাদিমের ‘আয়না’ পাক বক্স অফিসে সব রকম রেকর্ড ভেঙে দেয়৷ পাকিস্তানের একমাত্র ‘ক্রাউন জুবিলি’ ফিল্ম এই আয়না৷ করাচির দুটো সিনেমা হল ‘ব্যাম্বিনো’ ও ‘স্কালা’তে মুক্তি পায় প্রথমে টানা ৪৮ সন্তাহ চলে৷ গোটা দেশে সব মিলিয়ে ৪০১ সপ্তাহ চলেছিল৷ এখনও সেই রেকর্ড ভাঙতে পারেনি কোনও পাক ছবি । সে বছরই এ অভিনেত্রীর ৬টি ছবি রূপালি পর্দায় আসে। পরের বছর এ সংখ্যা হয় ৯টি। এমনকি সাত বছর পর ১৯৮৪ সালে এ অভিনেত্রীর রেকর্ড পরিমাণ ১০টি ছবি মুক্তি পায়।

এভাবে ৭৭ সাল থেকে পরবর্তী দশ বছর অর্থাৎ ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ছবি মুক্তি পেতেই থাকে। এমনকি তারও পরবর্তী ১০ বছর এ অভিনেত্রীর নতুন নতুন ছবি পাকিস্তানে মুক্তি পেয়েছে, যার শুটিং তিনি অনেক আগেই করেছিলেন! টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মতে শবনম যখন পাকিস্তানের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তখন সেখানে ধ্বস নামে। মাঝে অমিতাভ বচ্চন, ঋষি কাপুরের সঙ্গেও অভিনয়ের প্রস্তাব আসে তার কাছে। সেখানে প্রযোজক জানান, ছবিতে মূল চরিত্র চার- শবনম, অমিতাভ, রেখা ও ঋষি। তবে নির্মাতারা তাকে ছবির গল্প বলতে না পারায় প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন এ অভিনেত্রী! শবনমের এ সাফল্যের মূলে ছিল দুর্দান্ত অভিনয়, বৈচিত্র্য ও ফ্যাশন সেন্স। এখনো সেদেশের অনেক তারকার আইকন তিনি। পাকিস্তানে ‘লাক্স স্টাইল অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ এওয়ার্ডে যখন তাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়ায় হয় তখন পাকিস্তানের অনেক বড় বড় তারকা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে।

12/06/2026

আদৌ কি ফিরবেন মৌসুমী...?

মৌসুমী ওমর সানি নব্বই দশকের জনপ্রিয় একটি জুটির নাম। বৈবাহিক জীবনে গত ৩০ বছর যাবত একসাথে বসবাস করছেন তারা।

কিন্তু বর্তমানে বিগত প্রায় তিন বছর ধরে মৌসুমি ওমর সানিকে ছেড়ে প্রবাসী জীবনে নিজেকে আবদ্ধ করছেন। আর এটা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সমালোচনা পাবলিকের গল্প রচনারও শেষ নেই। মেয়ে ফাইজা মৌসুমীর সাথে আছেন, ছেলে ফারদিন নিজের ব্যবসায়িক কাজে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। আর ওমর সানি দেশে উনার রেস্টুরেন্ট এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সম্পূর্ণ একাকী জীবন যাপন করছেন।

ঈদের দিন এক ভিডিও বার্তায় দেখা গেলো ওমর সানি মৌসুমীর সাথে কথা বলছেন। দু'জনের কুশল বিনিময়, ঈদ মোবারক খুব ভালো লাগলো। মেয়ে ফাইজাকে বারবার দেখতে চাইলো ওমর সানি কিন্তু মেয়ে তখন মৌসুমীর পাশে ছিলেন না।

যদিও ফ্রন্ট ক্যামেরায় ওমর সানি মৌসুমিকে দেখায়নি শুধুমাত্র তার ভয়েসটা দর্শকদেরকে শুনিয়েছেন। এবং ওমর সানি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবারের ঈদুল আজহায় তারা একসাথে ঈদ করতে পারলেন না। এবং ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যেনো আগামী বছর ঈদ দু'জনে এই দেশে একসাথে করতে পারেন।

জানা গেছে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আমেরিকায় মৌসুমীর কাছে যেতে পারছেন না ওমর সানি। এখন কথা হলো মৌসুমী কেনো আসছেন না? তিনি কি পুরোপুরি আমেরিকায় থেকে যাবার প্ল্যান করছেন?

ওমর সানির অনেক ইচ্ছা থাকলেও মৌসুমিকে নিয়ে ঈদ উদযাপন তিনি করতে পারছেন না। ইচ্ছা আগামী বছর একসাথে ঈদ করবেন দুজন মিলে।

তবে আদৌ কি মৌসুমী দেশে ফিরবেন? ফিরে আসবেন কি ওমর সানির কাছে? নাকি আমেরিকাতে তিনি গ্রীন কার্ড নিয়ে সেটেল হওয়ার চেষ্টা করছেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Address

Villege/Uzgram
Bogura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mamun's Rare Collection. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mamun's Rare Collection.:

Share

Category