Mamun's Rare Collection.

Mamun's Rare Collection. শিকড়ের স্বাদ পেতে চাই, এবং সবার মাঝে সেটা ছড়িয়ে দিতে চাই। অর্থ উপার্জন নয়, স্মৃতিচারণ করা এবং স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখাই এই পেজের উদ্দেশ্যে।
(1)

👑 এক ফ্রেমে চার কিংবদন্তি! ❤️​আলমগীর • বুলবুল আহমেদ • ববিতা • সুচরিতাতাঁদের অভিনয় আমাদের হাসিয়েছে, কাঁদিয়েছে আর শিখিয়েছে...
15/05/2026

👑 এক ফ্রেমে চার কিংবদন্তি! ❤️
​আলমগীর • বুলবুল আহমেদ • ববিতা • সুচরিতা

তাঁদের অভিনয় আমাদের হাসিয়েছে, কাঁদিয়েছে আর শিখিয়েছে ভালোবাসতে। রুপালী পর্দার সেই মায়াবী দিনগুলোর কথা মনে পড়লে এই চারজন কিংবদন্তির মুখ সবার আগে ভেসে ওঠে।

​🎬 চিত্রনায়ক আলমগীর: পারিবারিক ড্রামা কিংবা অ্যাকশন—সবখানেই তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী সম্রাট।

🎬 চিত্রনায়ক বুলবুল_আহমেদ: আমাদের পর্দার 'দেবদাস', যাঁর আভিজাত্য আর গভীর চাহনি আজও মুগ্ধ করে।

🎬 চিত্রনায়িকা ববিতা: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সেই 'অপু', যাঁর অভিনয় প্রতিভা বিশ্ব জয় করেছে।

🎬 চিত্রনায়িকা সুচরিতা: মায়াবী চেহারার সেই প্রিয়দর্শিনী, যাঁর হাসিতে লুকিয়ে থাকতো হাজারো গল্প।

"বুলবুল আহমেদ" ১৯৯৮ সালে এই তিনজনকে নিয়ে নির্মান করেছিলেন 'কত যে আপন' নামের একটি সিনেমা🌹

"ম'রে গেলে মরণোত্তর অ্যাওয়ার্ড দিয়ে কোনো লাভ নেই" — নূতনের আক্ষেপ ও আহ্বান! 🏆👉​ঢাকাই সিনেমার সোনালী দিনের জনপ্রিয় নায়িকা...
15/05/2026

"ম'রে গেলে মরণোত্তর অ্যাওয়ার্ড দিয়ে কোনো লাভ নেই" — নূতনের আক্ষেপ ও আহ্বান! 🏆

👉​ঢাকাই সিনেমার সোনালী দিনের জনপ্রিয় নায়িকা নূতন এবার সরব হলেন শিল্পীদের যথাযোগ্য সম্মান নিয়ে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণ করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনের ভেতরের একরাশ আক্ষেপ আর বাস্তব সত্য তুলে ধরেন এই প্রবীণ অভিনেত্রী। 🎬

​বেঁচে থাকতেই মূল্যায়ন জরুরি: তিনি স্পষ্ট জানান, একজন শিল্পী সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি করে কাজের স্বীকৃতির জন্য। সেই স্বীকৃতি যদি মৃ'ত্যু'র পর আসে, তবে তার কোনো মূল্য নেই।
শিল্পীরা যেনো তাদের সম্মাননা জীবিত অবস্থায় নিজের চোখে দেখে যেতে পারেন এবং হাসিমুখে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারেন—এমনটাই নূতনের চাওয়া।

​✍️সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, "ম'রে গেলে তো শুধু একটা ছবি দিয়ে সব শেষ হয়ে যায়। যতদিন বেঁচে আছি, আমাদের কাজ নিয়ে লিখুন।"

​"যে শিল্পী সম্মাননা পেলো, সে যদি জানতেই না পারলো যে সে সম্মান পেয়েছে—তবে সেই মরণোত্তর অ্যাওয়ার্ডের কী লাভ?" > — নূতন

❤️ ​নূতনের এই কথার সাথে আপনি কি একমত? আমাদের দেশের গুণী শিল্পীদের কি আমরা সঠিক সময়ে মূল্যায়ন করতে পারছি?

14/05/2026

এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা অনজু ঘোষের বর্তমান অবস্থা দেখলে আপনার চোখে জল এসে যাবেঃ-

১৯৮২ সালে 'সওদাগর' ছবির মুক্তির পরে অঞ্জু ঘোষের নাম ছড়িয়ে পড়র দেশ জুড়ে। ছবিটি সুপার হিট হলো। তখন সবার মুখে মুখে ছিল অঞ্জু ঘোষে নামটি।
'আশির দশক' তখন শাবানা, ববিতা, কবরীর মতো জনপ্রিয় অভিনেত্রীরা দাপিয়ে অভিনয় করে যাচ্ছেন। প্রখ‍্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক 'এফ কবির চৌধুরী' সব সময় ফোক ফ‍্যান্টাসি এর রোমান্টিক ছবির নির্মাণ করে থাকেন। তার ছবিতে দর্শকদের তিনি সব সময়ই নতুনত্ব দিতে চান। এই চিন্তা থেকেই ১৯৮২ সালে এফ কবির চৌধুরী যখন সওদাগর ছবিটি নির্মাণ করার সিন্ধান্ত নিলেন তখন ঠিক করলেন এতে নায়িকা হিসেবে নতুন মখ উপহার দেবেন তিন। এরই মধ্যে অনেক মেয়ে দেখা হয়ে গেছে তার, কিন্তু মনে ধরল চট্টগ্রামে মঞ্চ নাটকের জয়জয়কার। চট্টগ্রাম মুসলিম হল মিলনায়তনে আঞ্চলিক নাটক তখন দর্শক মন কাঁপিয়ে চলছে। আর এসব নাটকের অন‍্যতম অনুষঙ্গ ছিলেন অঞ্জু ঘোষ ও পংকজ জুটি। পংকজ বদ‍্য পরে সুজন নামে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
নির্মাতা 'এফ কবির চৌধুরী' চট্টগ্রামে গিয়ে বেশ কিছু আঞ্চলিক নাটক দেখেন এবং অভিনয় মুগ্ধ হন। ব‍্যস ১৯৮২ সালে অঞ্জু ঘোষ আর তখনকার পোশাকি ছবির জনপ্রিয় নায়ক ওয়াসিমকে জুটি করে নির্মাণ করলেন 'সওদাগর' ছবিটি।
মুক্তি পরে ছবিটি দেখতে সিনেমা হলে দর্শক রীতিমতো হুমড়ি খেয়ে পড়ল। অঞ্জুর ভিন্নমাত্রর আবেদনময়ী অভিনয়, নাচ আর তির্যক চাহনিতে কুপোকাত দর্শক। ফলশ্রুতিতে সওদাগর সুপারহিট আর অঞ্জু ঘোষ প্রথম ছবিতে ঢাকাই সিনেমা জগতে নিজের স্বতন্ত্র ও পোক্ত আসন গড়ে নিলেন। তার মোহময়ী হাসিতে পুরুষরা ছিল পাগল পারা। যাত্রা পালার মাধ্যমে পথচলা শুরু হলেনও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি খ‍্যাতির চূড়ায় আরোহণ করে। ওই সময় গ্রামে-গঞ্জে, শহর-বন্ধরে অঞ্জু ঘোষে মানেই সিনেমা হিট। তাকে দেখার এবং তার মন ভোলানো হাসির জন‍্য সিনেমা হলে ভির লেগে থাকত। তার চলচ্চিত্র ক‍্যারিয়ারে ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া তোজাম্মেল হক বকুল নির্মিত 'বেদের মেয়ে জোসনা' ছবিটি এখনো মাইলফলক হয়ে আছেন। চলচ্চিত্র জীবনের প্রধান রেকর্ড বেদের মেয়ে জোসনা করে রাতারাতি খ‍্যাতির চূড়ায় পোঁছে যান অঞ্জু ঘোষ।
এই ছবির ব‍্যবসায়িক রেকর্ড আজ পযর্ন্ত অন্য কোনো ছবি ভাঙতে পারেনি। বাংলাদেশের শহর-বন্দর থেকে একবারে গ্রামে-গঞ্জে মানুষের মুখে ছিল বেদের মেয়ে জোসনা আর অঞ্জু বন্দনা ছবিটি এই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার কারণে পরে এটি।
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় জুটি ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু। এই জুটিকে নিয়ে....
অঞ্জু ঘোষ এর অদ্বিতীয় ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র কথা।
১৯৮৯ সালে মুক্তি পায় 'বেদের মেয়ে জোসনা'। দর্শকপ্রিয়তায় মাইলফলক তৈরি করে ছবিটি।ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু জুটিকে দর্শকরা তাদের মনের মণিকোঠায় জায়গা দেয়। এই জুটির খ্যাতি এ ছবি থেকেই তুঙ্গস্পর্শ করে।
'বেদের মেয়ে জোসনা'র পর আরো কিছু সুপারহিট উপহার দেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু।
বলাই বাহুলা, ছবিগুলোর প্রায় প্রতিটিই ফোক-ফ্যান্টাসি ছবি। এ ধারার ছবির এক দুর্দান্ত জুটি হয়ে ওঠেন ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু।
তারা কিন্তু এক ধারাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি।
সামাজিক, রোমান্টিক, অ্যাকশন; সব ধারার ছবিই ইলিয়াস কাঞ্চন ও অঞ্জু ঘোষ করেছেন।
ইলিয়াস কাঞ্চনের নিজস্ব প্রযোজনায় কাজ করেছেন অঞ্জু ঘোষ।
'শিবলী সাদিক পরিচালিত 'খুনী আসামী' নামের এ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯৯৩ সালে।
যে কোনো ধারার ছবিতেই কাঞ্চন-অঞ্জু সাবলীলভাবে অভিনয় করেছেন। দুজনেই ছিলেন সব রকম অভিনয়ে দক্ষ। তারা কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডির অভিনয়ে আটকে থাকেননি।
১৯৮৭ সালে অঞ্জু ঘোষের সর্বাধিক ১৪ টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৮৯ সালে তার অভিনীত 'বেদের মেয়ে জোসনা' অবিশ্বাস্য রকমের ব‍্যবসা করে এবং সৃষ্টি করে নতুন রেকর্ড। চলচ্চিত্রটি মাধ্যম তিনি ব‍্যাপক পরিচিত লাভ করেন। একের পর এক হিট-সুপারহিট-ঐতিহাসিক 'বেদের মেয়ে জোসনা'-ব্যস্ততম নায়িকার তকমা-শিডিউলের খাতা কানায় কানায় পূর্ণ-আজ ঢাকা তো কাল কক্সবাজার।নাচ-গান-গ্ল্যামারের ঝলকানি।বাংলা চলচ্চিত্রের গৌরবময় ইতিহাসে অঞ্জু নিজেই এক খন্ড ইতিহাস।
অঞ্জু ঘোষ ইন্ডাস্ট্রিকে দিয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি অঞ্জুকে কতটুকু দিয়েছে? অপব্যবহার করেছে অঞ্জুর চোখ ধাধানো গ্ল্যামারের। অঞ্জুর অভিনয় প্রতিভা দেখানোর চেয়ে অঞ্জুর আবেদন দেখিয়ে পয়সা কামানোই বেশি গুরুত্বপূর্ন ছিল প্রযোজক-পরিচালকের কাছে। তারপরেও অঞ্জু স্বীয় যোগ্যতায় প্রমাণ করেছে নিজের অভিনয় প্রতিভা। ফোক ছবির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে সোস্যাল ছবিতেও অঞ্জু অনবদ্য।
ঐতিহাসিক 'আলেয়া' চরিত্রে 'পথ হারা পাখি' গানে অঞ্জুর পারফেক্ট অভিব্যক্তি এখনো চোখে লেগে আছে।রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছবিতে অঞ্জুর অভিনয় ভুলে যাওয়া অসম্ভব। কাজী হায়াতের পলিটিক্যাল ড্রামা 'যন্ত্রনা' ছবিতে ধর্ষিতা মেয়ের আর্তনাদ অঞ্জু'র নিখুঁত অভিনয়ে মন ভারী করেছে সিনেপ্রেমীদের।
গাজী মাযহারুল আনোয়ারের 'শর্ত' ছবিতে অঞ্জুর সংলাপ প্রক্ষেপন বিশেষ বিশ্লেষণের দাবী রাখে। বাংলা ছবিতে শাবানার পরে এত বলিষ্ঠ সংলাপ প্রক্ষেপণ খুব কম অভিনেত্রীই করতে পেরেছে। সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকি 'আয়না বিবির পালা'য় তৃষ্ণার্ত নায়ক যখন নদীর জলে তৃপ্ত হতে যায় তখন তার আজলা ভরে উঠে আসে অঞ্জু ঘোষ। সব্যসাচী সৈয়দ হকের এই কাব্যিক চিত্রনাট্যে অনন্য অঞ্জু ঘোষ।'ছলনা' ছবিতে অঞ্জুর ট্র‍্যাজিক অভিনয় এখনো মনে দাগ কেটে আছে। 'চন্দনা ডাকু' ছবির সেই প্রতিবাদী মেয়ের চরিত্রেও অঞ্জু অসাধারন। প্রাণ স্বজনীর সাদাকালো থেকে রঙ্গীন দুই ভার্সনেই ছিলেন স্বপ্রতিভ উপস্থিতি,এই এক ইতিহাস। 'মন টা যদি খোলা যেত' খ্যাত চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা তো আরেক আলোচিত ছবি। সুপারহিট ছবি 'নরম গরম' তো তিনি একাই চালিয়ে নিয়েছিলেন।
দেশের গন্ডি পেরিয়ে ওপার বাংলায়ও অঞ্জু পেয়েছেন তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা।যৌথ প্রযোজনা ছাড়াও অনেক ভারতীয় ছবিতে আলো ছড়িয়েছেন তিনি।ইন্দ্রানী হালদার,ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শতাব্দী রায়সহ কলকাতার প্রথম সারির নায়িকারা অঞ্জু'র সাথে একই ছবিতে সেকেন্ড লিড করেছে অনায়াসে।

অঞ্জু ঘোষ ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতা চলে যান এবং সেখানকার চলচ্চিত্র নিয়মিত অভিনয় করে যান। পাশাপাশি সেখানকার যাত্রাপালাতেও অভিনয় করতে থাকে।
২০০৪ সালে দিকে কলকাতা বড় পর্দায় তার চাহিদা কমলেও যাত্রাপালায় সরব ছিলেন এই অভিনেত্রী। ২০০৮ সাল পযর্ন্ত যাত্রা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তিন। কাজের ফাঁকে ২০০২ সালে বিয়ে করেন সহশিল্পী সঞ্জীব কে।
২০০৬ সাল পযর্ন্ত টিকেছিল অঞ্জু ও সঞ্জীবের সংসার।
একদিকে বিবাহ বিচ্ছেদ, অন্য দিকে বয়সের কারণে যাত্রামঞ্চে চাহিদা ও কমে যাওয়া, এসব নিয়ে একসময় অসহায় ও একাকী জীবন কাটাতে থাকেন অঞ্জু ঘোষ। বতর্মানে অঞ্জু ঘোষের সময় কাটে ধর্মচর্চা আর সংগীত চর্চা করে। তিনি কলকাতা সল্টলেকে ফ্ল‍্যাট কিনেছেন। ঘরের কাজকর্ম তিনি নিজে করতে পছন্দ করেন। অবসর সময়টা ভাগ করেনেন নিজের ভাইয়ের বাচ্চাদের সঙ্গে। অঞ্জু ঘোষ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অর্থ, বিত্ত খ‍্যাতি, মানুষের ভালোবাসা সব পাওয়ার পর ভারতের কলকাতা গিয়ে বসবাস করছে ও দিলীপ ঘোষের হাতে ফুল দিয়ে ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক দল বিজেপিতে যোগদান করেছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দুঃসময়ে অঞ্জু ঘোষে কি কোন দায়বদ্ধা ছিলনা। তার জন্মভূমি বাংলাদেশের জন‍্য তার কি কোন ভালোবাসা নেই।
'অঞ্জু কেন দেশ ছাড়লেন'
অল্প সময়ে ঈর্ষনীয় নাম-যশ- টাকা অঞ্জুকে অনেকের চক্ষুশূল বানিয়ে দেয়।অনেক শত্রু তৈরি হয় তার ইন্ডাস্ট্রিতে।ফিল্মি পলিটিক্সের শিকার হন তিনি।'ছায়াছন্দ' পত্রিকায় অঞ্জুর ঘুমন্ত অবস্থার ছবি ছাপিয়ে দেয়া হয়।'চিত্রালী' পত্রিকায় হাটু'র উপরে শাড়ি পরা ছবি ছাপিয়ে অশ্লীলতার তকমা দেয়া হয়।অথচ তখন ফোক ছবিতে হাটু'র উপরে শাড়ি পরাই ছিল ট্রেন্ড। জাতীয় পুরস্কার থেকে বাচসাস পুরস্কার কোনোকিছুই তার পাওয়া হয় নি। এছাড়াও ছিল ব্যক্তিজীবনের কিছু হতাশা।জনৈক নায়ককে ভালবেসে প্রতারিত হন। প্রতারনার কষ্ট ভুলতে জিদ করে বিয়ে করেন। সেই বিয়েও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
মানসিকভাবে ভেঙে পড়া অঞ্জুকে নিয়ে নতুন ছবি নির্মাণের উদ্যোগ নেন কাজী হায়াৎ। দুই নায়িকা'র সেই ছবিতে অন্য নায়িকা দিতির পাশাপাশি অঞ্জুর চরিত্রটিও ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রযোজক মান্না পরিচালককে চাপ দেন সেই চরিত্রে মৌসুমিকে নিতে।বাদ পড়েন অঞ্জু।আরো ভেঙে পড়েন তিনি। নির্মাণাধীন মাদক বিরোধী 'নেশা' ছবিটি অসমাপ্ত রেখেই কলকাতায় পাড়ি জমান অঞ্জু ঘোষ।
চলচ্চিত্র ক‍্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকাকলীনই দেশ ছাড়তে ব‍াধ‍্য হন অঞ্জু ঘোষ। কেন তিন দেশ ছেড়েছিলেন। এমন প্রশ্নে কখনই এই অভিনেত্রী মুখ না খুললেও তার অভিনয় জীবনের অন‍্যতম একজন গুরু প্রখ‍্যাত চিত্র পরিচালক সাইদুর রহমান সাইদ জানান তার জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকেই নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। 'র' আদ‍্যাক্ষরের এক নায়কের সঙ্গে তা দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। সেই নায়ক হঠাৎ অন‍্যত্র বিয়ে করে বসলে হতাশ হয়ে পড়েন অঞ্জু।
ক্ষোভের বাশে বিয়ে করেন চিত্র পরিচালক এফ কবির চৌধুরী। সেই বিয়ে বেশিদিন টেকেনি। তাছাড়া কতিপয় কিছু মাস্তান তার পিছু নেই। শেষ পযর্ন্ত কোনো উপায় না দেখে কলকাতায় পাড়ি জমান অঞ্জু। তবে অঞ্জু বলেন 'ওই সময় যে ধরনের অভিনয় জন‍্য প্রস্তাব আসছিল সেটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। সাজ পোশাক সবকিছু একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। তাই সিনেমা করা ছেড়ে দিলাম। দীর্ঘদিন পর ২০১৮ সালে তিনি ঢাকা আসেন এবং প্রখ‍্যাত চিত্র পরিচালক সাইদুর রহমান সাইদ পরিচালিত চলচ্চিত্র 'মধুর ক‍্যান্টিনে' অভিনয়ে চুক্তিবদ্ধ হন। ছবিটি নির্মাণ কাজ এখনো শুরু হয়নি।

🕯আজ ১৪ মে, বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের এক অবিস্মরণীয় নাম রওশন জামিল-এর ২৪তম মৃ'ত্যু'বার্ষিকী। ২০০২ সালের এই দিনে তিনি আ...
14/05/2026

🕯আজ ১৪ মে, বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের এক অবিস্মরণীয় নাম রওশন জামিল-এর ২৪তম মৃ'ত্যু'বার্ষিকী। ২০০২ সালের এই দিনে তিনি আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।🥲

বাংলাদেশের অভিনয় ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক অনন্য অধ্যায়—যার অভিনয় ছিল এতটাই বাস্তব ও জীবন্ত যে অনেক সময় দর্শকরা তাকে বাস্তব চরিত্র ভেবে প্রতিক্রিয়া দেখাতেন। পরে হাসিমুখে তিনি সবাইকে বুঝিয়ে বলতেন—“এটা তো অভিনয়, পরিচালক যেভাবে বলেছেন আমি সেভাবেই করেছি।”
রক্ষণশীল সমাজের বাধা পেরিয়ে তিনি অভিনয়জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। ১৯৬৫ সালে ‘রক্ত দিয়ে লেখা’ নাটকের মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু, আর ১৯৬৭ সালে ‘আলিবাবা চল্লিশ চোর’ চলচ্চিত্রে কাজের মাধ্যমে বড় পর্দায় আগমন। তবে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি পান ব্যাপক পরিচিতি।

বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র রওশন জামিল ১৯৩১ সালের ৮ মে ঢাকা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর অভিনয় এতোটাই শক্তিশালী ছিল যে, শৈশবে আমি তাকে খারাপ মানুষ হিসেবে ভাবতাম। এর কারণ, তিনি চলচ্চিত্রের পর্দায় খারাপ বা নেতিবাচক চরিত্র এতোটা নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতেন যে, কোমল হৃদয়কেও তা স্পর্শ করতো।

রওশনের কর্মজীবন শুরু হয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি অভিনয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় স্থান অধিকার করে নেন।

শৈশব ও শিক্ষা:
রওশনের পিতার নাম আব্দুল করিম। ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স স্কুল এবং পরবর্তীতে ইডেন মহিলা কলেজে তিনি পড়াশোনা করেন।

ম্যাট্রিকুলেশন পাসের পর ওয়ারীর শিল্পকলা ভবনে নৃত্য শিখতে ভর্তি হন। সেখানেই নৃত্য প্রশিক্ষক গণেশ নাথের (পরবর্তীতে গওহর জামিল) সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। ১৯৫২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

এই দম্পতি ১৯৫৯ সালে ‘জাগো আর্ট সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮০ সালে গওহর জামিলের অকালমৃত্যুর পর রওশন জামিল একাই এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।

কর্মজীবন:
পঞ্চাশের দশকে মঞ্চনাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে রওশন জামিলের কর্মজীবন শুরু হয়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবদাস’ নাটকে তিনি নারী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন; যখন পুরুষরাই সাধারণত মেয়েদের ভূমিকায় অভিনয় করতেন।

১৯৬৫ সালে টেলিভিশনে ‘রক্ত দিয়ে লেখা’ নাটকের মাধ্যমে তার পেশাদার অভিনয় জীবন শুরু হয়। দুই বছর পর ১৯৬৭ সালে ‘আলী বাবা চল্লিশ চোর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন।

নৃত্যশিল্পী হিসেবেও রওশন জামিলের অবদান অনস্বীকার্য। তবে সময়ের সাথে সাথে তিনি নৃত্যের চেয়ে অভিনয়ে বেশি মনোযোগ দেন এবং একজন শক্তিশালী চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র:
প্রায় ২০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন রওশন জামিল। তাঁর অভিনীত কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো:
* জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০)
* সূর্য সংগ্রাম
* ওরা ১১ জন (১৯৭২)
* তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩)
* নয়নমনি (১৯৭৬)
* গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮)
* সূর্য দীঘল বাড়ী (১৯৭৯)
* বেদের মেয়ে জোসনা (১৯৮৯)
* চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯)
* শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০)
* লালসালু (২০০১)
‘জীবন থেকে নেয়া’ এবং ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

অর্জন ও স্বীকৃতি:
রওশন জামিল তাঁর দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
* বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে (নয়নমনি - ১৯৭৬, চিত্রা নদীর পাড়ে - ১৯৯৯)
* বাংলাদেশ ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড
* তারকালোক পুরস্কার
* একুশে পদক (নৃত্যকলায় ১৯৯৫)

ব্যক্তিগত জীবন:
রওশন জামিলের দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল। স্বামী গওহর জামিলের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক ছিল এবং তাঁদের হাত ধরেই ‘জাগো আর্ট সেন্টার’-এর প্রতিষ্ঠা হয়, যা আজও শিল্পচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

প্রয়াণ:
২০০২ সালের ১৪ মে ৭১ বছর বয়সে ঢাকায় এই কিংবদন্তী অভিনেত্রীর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর অনবদ্য অভিনয় এবং শিল্পকলার প্রতি dedication তাঁকে আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমর করে রেখেছে।

রওশন জামিল কেবল একজন অভিনেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনুপ্রেরণা; যাঁর কাজ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখবে।

🌹মৃত্যুবার্ষিকীতে এই গুণী অভিনয়শিল্পীর কর্মবহুল অমর স্মৃতির প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি বাংলা চলচ্চিত্রের এই কিংবদন্তিকে🌹।

#রওশনজামিল #মৃত্যুবার্ষিকী #বাংলাচলচ্চিত্র #শ্রদ্ধাঞ্জলি

উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে Jugnu সিনেমায় প্লেব্যাক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন...
13/05/2026

উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে Jugnu সিনেমায় প্লেব্যাক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে সমান জনপ্রিয়। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ ও ‘O Mera Babu Chhail Chhabila’।
বাংলা, উর্দু, হিন্দিসহ প্রায় ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন। মাত্র ৩ দিনে ৩০টি গান রেকর্ড করে তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন।

[উপরের ছবিতে ১৯৮২ সালে লন্ডনের এ্যাবে রোডস স্টুডিওতে তোলা ছবিতে উপমহাদেশের সংগীতের দুই মহারথী রুনা লায়লা ও বাপ্পি লাহিড়ী। আর নিচের ছবিতে ১৯৭৫ সালে ভারতের মুম্বাইয়ে লতা মুঙ্গেশকরের সাথে রুনা লায়লা]

১৯৯৩ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার শ্যুটিং মুহূর্তে এভাবেই একটি ম্যাগাজিন প্রচ্ছদে প্রচ্ছদ মুখ হয়েছিলেন তৎকালীন ন...
13/05/2026

১৯৯৩ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার শ্যুটিং মুহূর্তে এভাবেই একটি ম্যাগাজিন প্রচ্ছদে প্রচ্ছদ মুখ হয়েছিলেন তৎকালীন নবাগত সালমান শাহ এবং গুণী অভিনেত্রী চম্পা।

12/05/2026

স্বামী ওমর সানির জন্মদিনে কেঁদে কেঁদে যা বললেন নায়িকা মৌসুমী।

১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমজাদ হোসেন পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচিত্র "নয়নমনি" চরিত্রে ববিতা ও ফারুক।
12/05/2026

১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমজাদ হোসেন পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচিত্র "নয়নমনি" চরিত্রে ববিতা ও ফারুক।

🌸✨ স্মৃতিতে আজও অমলিন 🌸✨ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য নক্ষত্র —যিনি শুধু একজন অভিনেত্রী নন, ছিলেন এক ভালোবাসার নাম, এক মা...
11/05/2026

🌸✨ স্মৃতিতে আজও অমলিন 🌸✨ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য নক্ষত্র —যিনি শুধু একজন অভিনেত্রী নন, ছিলেন এক ভালোবাসার নাম, এক মায়ার প্রতিচ্ছবি 💖
⭐ ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে যিনি লক্ষ-কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন, আজও তার সেই কোমল হাসি, মায়াভরা চোখ আর অসাধারণ অভিনয় আমাদের মনে গভীরভাবে গেঁথে আছে 🌿 তার প্রতিটি চরিত্র যেন জীবন্ত হয়ে উঠত—একজন মা, এক প্রেমিকা, এক সংগ্রামী নারী—সব রূপেই তিনি ছিলেন অনবদ্য 🎬💫
🌸 জীবনের এক সুন্দর মুহূর্ত—তার চতুর্থ ছেলে জয়নাল চিশতীর বিয়ের দিন। পুত্রবধূ রোয়েনা আহসানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই হাসিমাখা ছবি আজও হৃদয় ছুঁয়ে যায়… এই এক ছবিতেই যেন ধরা পড়ে তার মাতৃত্ব, ভালোবাসা আর জীবনের আনন্দময় রূপ 💞
✨ সময় বয়ে যায়, বছর পেরিয়ে যায়… তবুও কিছু মানুষ কখনো হারিয়ে যান না—তারা থেকে যান স্মৃতিতে, অনুভবে, ভালোবাসায় 💖 আজ এই কিংবদন্তির পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা অনুভব করি—তিনি নেই, তবুও আছেন… আমাদের প্রতিটি ভালো লাগার মুহূর্তে, প্রতিটি পুরোনো সিনেমার দৃশ্যে 🎥
🕊️ তিনি চলে গেছেন, কিন্তু রেখে গেছেন অগণিত স্মৃতি, ভালোবাসা আর অনুপ্রেরণা… তার অবদান বাংলা চলচ্চিত্রকে করেছে সমৃদ্ধ, আর আমাদের হৃদয়কে করেছে আরও আবেগময় 🌺
🌟 শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও গভীর মমতায় স্মরণ করছি আমাদের প্রিয় কবরীকে আপনি ছিলেন, আছেন, থাকবেন চিরকাল 💫
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸 ⭐

⭐ ⭐ ⭐ ⭐ ⭐ ⭐

হাতজোড় করেও টেকানো যায়নি সংসার.....সময়টা ১৯৭৩ সাল, দেশের জনপ্রিয় চিত্র নায়ক আলমগীরের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সম্ভা...
10/05/2026

হাতজোড় করেও টেকানো যায়নি সংসার.....
সময়টা ১৯৭৩ সাল, দেশের জনপ্রিয় চিত্র নায়ক আলমগীরের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সম্ভাবনাময়ী কবি গীতিকার উপস্থাপক খোশনুর আলমগীর। শুরু হয় এক নতুন পথের পথ চলা। এক নতুন গল্পের শুরু। এক নতুন ভোর। নিজের সম্ভাবনায় ক্যারিয়ারকে বিসর্জন দিয়ে তিনি পুরোদমে একজন সাংসারিক স্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।

তারপরও ঘর সংসার সামলে তিনি বহু গান বহু সাহিত্য রচনা করেছেন। চিত্রনায়ক আলমগীরের জন্য তিনি অনেক জনপ্রিয় গান লিখেছেন। চলচ্চিত্রে তার লিখা গান প্রায় ২৫ - ৩০টির মতো।

বিবাহিত জীবনে কোলজুড়ে আসে তিনটি সন্তান। দুই মেয়ে এক ছেলে আঁখি, তুলতুল ও তাজবির। কিন্তু সে সুখের সংসার বেশিদিন টিকেনি তার। হঠাৎ সেই সুখের সংসারে নেমে আসে এক কালো ঝড়। পুড়ে ছাই হয়ে যায় সুখের সংসার।

১৯৯৯ সালে "শিল্পী" ছবির শ্যুটিং করতে গিয়ে নায়ক আলমগীরের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনার সাথে। একে অপরকে বোঝাপড়া ভালোবাসা ভালোলাগা এবং পরিণতি অবশেষে বিয়ে।

জানা যায় খুসনুর আলমগীর তার সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য রুনা লায়লার কাছে হাতজোড় করে মিনতি করেছিলেন। কিন্তু তিনি থামাতে পারেননি রুনা-আলমগীরের ভালোবাসা। অবশেষে প্রেমের জয় হয়। মাঝখানে খুসনুর আলমগীর এক নিরব নিস্তব্ধ অধ্যায়ের মধ্যে পড়ে যান।

তার বর্তমান চেহারা বর্তমান অবস্থা দেখলে মনে হবে সত্যি তিনি খুব অসহায় মন-মানসিকতা নিয়ে স্বামী ছাড়া কেবলমাত্র সন্তানদের নিয়ে আছেন। আলমগীর হয়তো রুনাকে বিয়ে করে অনেক সুখে শান্তিতে বসবাস করছেন। কিন্তু খুসনুর আলমগীরের হৃদয়ে এখনো রয়ে গেছেন চিত্রনায়ক আলমগীর। এবং খুসনুর আলমগীর উনার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন তিনি রুনা লায়লাকে কখনোই ক্ষমা করবেন না।

শুধু সময়ের ব্যবধান! ২০ বছর আগে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রয়াত সুপারস্টার নায়ক মান্নার সাথে সেই বিজয় থালাপাতি আজ তামিলনাড়ুর আগা...
09/05/2026

শুধু সময়ের ব্যবধান! ২০ বছর আগে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রয়াত সুপারস্টার নায়ক মান্নার সাথে সেই বিজয় থালাপাতি আজ তামিলনাড়ুর আগামীর মুখ্যমন্ত্রী। নায়ক মান্না নেই, কিন্তু স্মৃতিগুলো আজও যেনো জীবন্ত। নায়ক মান্না ছিলেন গন মানুষের নায়ক। তার সিনেমায় ফুটে উঠতো গরীব অসহায় মানুষের জীবনী, আইনের সুশাসন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্হান, অপরাজনীতির বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ আওয়াজ, সুস্থ রাজনীতি ও সাধারণ খেটে খাওয়া মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন। আজ নায়ক মান্না থাকলে তিনি রাজনীততে আসতেন হয়তো, তিনি কথা বলতেন অভাগা মানুষের জন্য। অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দুই কিংবদন্তিকে।

Address

Villege/Uzgram
Bogura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mamun's Rare Collection. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mamun's Rare Collection.:

Share

Category