26/05/2026
#গল্প_আমার_ভালোবাসার_প্রিয়া_তুমি
#লেখিকা_ফারিয়া_ইসলাম
হেরে যাওয়া শব্দটা মাফিয়া কুইন পরির ডিকশনারিতে নেই, পরি হয় জিতবে নয় তো সব ধ্বংস করে দিবে। আজ ও তার ব্যতিক্রম হয়নি সবাই ভেবেছে মাফিয়া কুইন পরি হয়তো হেরে গিয়েছে! তাই তো সবাই মিলে মাঠে বলে নামি দামি ওয়াইন, মদ, হুইস্কির বোতল নিয়ে মাজায় মেতে উঠেছে সব মাফিয়া রা বসে গল্প আড্ডায় বস্তু।
পরির গাড়ি হসপিটালের সামনে দাঁড়াতেই ওর গাড়ির সামনে পুলিশের গাড়ি এসে দাঁড়ায়। পরি গাড়ির দরজা খুলে বের হয়ে আসে পুলিশ ও গাড়ি থেকে পরির দিকে বন্দুক তাক করে এগিয়ে আসে পরি চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে না উচ্চ সুরে বলে উঠে।
~" আমার গাড়িতে ইমারজেন্সি রোগি আছে
পরি কথা শুনে পুলিশ অফিসারের হয়তো বিশ্বাস হলো না তাই তো গাড়ির দরজা খোলার জন্য হাত দিতেই ভিতর থেকে কেউ দরজা খুলে বের হয়ে আসে। আহিল বের হয়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ কে ভিতরে দেখার সুযোগ করে দেয় পুলিশ গাড়ির ভিতরে আয়াজের ফেঁকাসে মুখ ও রক্তাক্ত শরীর দেখে উনার সাথে থাকা পুলিশ ও নার্স দের নিয়ে ভিরাজ ও আয়াজ কে হসপিটালে নার্সদের নিয়ে ইমারজেন্সি পটিতে ওটিতে ঢুকিয়েছেন ওটি শুরু হতেই ওটির সামনের লাল বাতি জ্বলে উঠলো। ভিতরে শুরু হলো এক মায়ের পেটে দুই ভাইকে বাঁচানোর যুদ্ধ ডাক্তাররা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে আয়াজ ও ভিরাজ প্রাণ বাঁচানোর।
ভিরাজের ক্ষত গুরুতর না হলেও আয়াজের ক্ষত বেশ গুরুতর বাঁচা মরার আসন তো রয়েছে ওর। পুলিশ এখন আয়াজ ও বিরাজ কে ভর্তি করানোর জন্য কথা না বাড়ালে ও। ওদের ওটিতে নেওয়ার পরি কে একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছে বাদ যাচ্ছে না আহিল ইমা আরশি ও। পরি পুলিশ কে বলে
---" ওদের প্রশ্ন না করে আমাকে করুন অফিসার কারণ গাড়ি আমি চালিয়েছি
-" এতো রাতে আপনারা এতো জন কোথা থেকে আসছিলেন....? উনার আঘাত পেয়েছে কীভাবে....? আপনারা কী অনৈতিক কিছু করেছেন....? _____পুলিশ কে থামিয়ে পরি বলে
----" আরে অফিসার উত্তর জানার এতো তাড়া কিসের ধৈর্য ধরুন একে একে সব প্রশ্নের উত্তর দিব
-" ok সমস্যা নেই আপনি এক এক করে উত্তর দিন আমি অপেক্ষা করছি
---" আমার হাজব্যান্ড ও তার ছোট ভাই এক সাথে হাঁটতে বেরিয়েছিল তখনই পথে তারা চিন্তাইকারীর খপ্পরে পড়ে ছিল। 🥺🥺 ___ ওদের আসতে দেরি দেখে আমরা বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি! পথে ওদের রক্তাক্ত অবস্থায় রেখে দ্রুত হসপিটালে আসার সময় আপনার আমার পিছু নিয়েছেন 🥹🥹
পরি কথা টা এতটাই সিরিয়াস ভাবে বলেছে যে পুলিশদের বিশ্বাস না করে উপায় নেই।কথাগুলো বলার সময় মাফিয়া কুইন পরির চোখ থেকে দু ফোটা চোখের পানি গড়িয়ে পরল পরি আলতো হাতে সেটা মুছে নেয় ইমা পরি কে সান্তনা দেওয়ার জন্য পরির কাঁদে হাত রাখে।পুলিশ রা পরি কথা বিশ্বাস করতে বাধ্য,, যদি পরির কান্না দেখে ও উনারা কথাটা বিশ্বাস না করে তাহলে হয়তো আমাদের পাপ হবে 😄😄😄🫢
-" রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথাটা বললে কী হতো...?
---" অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতো স্যার, জানেন তো জীবন বাঁচানো ফরজ যদি রাস্তায় দাড়িয়ে আপনাদের সাথে করে বলতাম তাহলে এতোক্ষণে হয়তো আমার হাজব্যান্ড আর এ পৃথিবীতে থাকতো না 🥺😎
-"মানি কী বলতে চাচ্ছেন আপনি 🤨🤨🤨🤨🤨🤨
আহিল সামনে এসে দাঁড়িয়ে পুলিশ কে বলে
.." বুঝছেন না তো স্যার বুঝবেন কি করে মেয়ে মানুষের জটিল কথা বোঝা বড়ই কঠিন দাঁড়ান আমি আপনাকে বুঝিয়ে বলছি
পরি বলে
--" না থাক আমি বুঝিয়ে বলছি
-" কী বলুন...? 🤔🤔
---" আপনার চারপাশে আগুন শুধু এক পাশ খোলা, তখন আপনি কী করবেন...?
-" যেই পাশ খোলা ওই পাশ দিয়ে বের হয়ে যাবো
---" কেনো...?
-"আগুন বাঁচার জন্য
পরি জোরে চিৎকার দিয়ে বলে
----" yes আমি আপনাকে এটাই বুঝতে চাচ্ছি, কখন গাড়ি দাঁড় করালে আমার হাজবেন্ডের অবস্থা আরো ক্রিটিকাল হয়ে যেত ওর ভাই হয়তো এতোক্ষণে দুনিয়া ছেড়ে চলে যেত তাই আমার কাছে হসপিটালে আসাটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল গাড়ি দাঁড় করিয়ে আপনার সাথে কথা বলাটা না 😡😡😡
শেষের কথাটা পরি একটু রেগে বলে তা হয়তো পুলিশ বুঝতে পারে না।
-" তার পরে ও আপনার নিয়ম মেনে চলা দরকার ছিলো
আহিল জানে পরি সবাক স্বভাব সম্পর্কে পরি কে কেউ অতিরিক্ত প্রশ্ন, বা জেরা করলে পরির মাথা গরম হয়ে যায় সেখানে পরি যে এতক্ষণ পুলিশের সাথে ভালো ব্যবহার করেছে অনেক তাই আহিল এসে বলল।
" উনার হাজবেন্ড অসুস্থ এমনিতেই ওনার মন ভালো নেই তার উপর আপনি একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছেন আশা করি আপনাদের আর কোন প্রশ্ন নেই।
আহিলের কথা শুনে পুলিশ আর কিছু বলে না আহিল উনাদের সাথে নিয়ে নিচে চলে যায়। পরি ওটী রুমের সামনে অপেক্ষা করছে ভিরাজ আয়াজের অপারেশন এখনো শেষ হয়নি, ওদের ভিতরে ঢুকিয়েছে ১৫ ২০ মিনিট হলো। আহিল উপরে আসলে পরি বুঝতে পারে হয়তো পুলিশ চলে গিয়েছে।
পরি পকেট থেকে নিজের মোবাইল বের করে কাউ কে ফোন দিয়ে কথা বলে।
----" সব কিছু রেডি তো আমি যেভাবে বলেছি কাজ জেনে ঠিক সেই ভাবেই হয়
১৫ মোবাইলের ওই পাশের ব্যক্তি কি বলছে তা শোনা যায়নি তবে ফোন রাখার আগে পরি মুচকি হাসি দেয় _______🤭🤭🤭
°°°°°°°°
মাঠে সবাই মদের নেশায় বুদ্ব হয়ে আছে, পরির গাড়ির পিছনে তখন ওর গাডরাও এখান থেকে চলে গিয়েছে এখন শুধু এখানে উপস্থিত বাকি মাফিয়া ও তাদের গার্ডরা। খোলা আকাশের নিচে বসে একের পর এক মদের বোতল শেষ করছে জেমস জনি ও প্রীতি প্রাঞ্জ ওরা দুইজন ভেবেছিলো আজ ওদের শেষ দিন আজ হয়তো মাফিয়া কুইন পরি ও ব্লাক কিং রাইফ এর হাত থেকে ওদের রক্ষা নেই ওদের মৃত্যু অনিবার্য কিন্তু শেষ পর্যায়ে এসে অন্য মাফিয়ার ওদের বাঁচিয়ে দেয় তাইতো আজ উল্লাসের জন্য একটু বেশি করে মদ খাচ্ছে।
আকাশ থেকে ফটো ফোটা পানির কোন পরছে সবাই যাচ্ছে হয়তো বৃষ্টি পড়ছে।কেউ কেউ আনন্দে হেস উঠলো আর কেউ বিরক্তি নিয়ে বলল
-" বা*** বৃষ্টি আসার আর সময় ফেলো না সব আনন্দই নষ্ট ______ একজন নেশাগ্রস্ত গলায় বলল
" আনন্দ নষ্ট হতে যাবে কেন..? দেখছো না মাফিয়া কুইন পরির পরাজয় আমাদের সাথে আকাশে ও আনন্দে বৃষ্টি ঝরাচ্ছে 😄😄😄
জেমস জনির কথা শুনে সবাই উচ্চ সুরে হেসে উঠে, ধীরে ধীরে সবার শরীর কেমন জানি জ্বালাপোড়া করতে শুরু করে প্রথমে জ্বালার তীব্রতা কম থাকলেও আস্তে আস্তে তা বেড়ে যায়। বৃষ্টি এখন অঝোর ধারায় করছে আর প্রত্যেকের শরীর অসহ্য কর জ্বালাপোড়া করছে যেকোনো মানুষের পক্ষে এই জ্বালাপো সহ্য করার সম্ভব নয়। মনে হচ্ছে তাদের শরীরে কেউ এসিড ঢেলে দিচ্ছে কেউ এই মাঠ থেকে উঠে স্টুডিয়ামের ভিতরে যাওয়া কিংবা গাড়ি তে গিয়ে উঠতে পারছে না। অতিরিক্ত মদ পান করায় নেশার ঘোরে উঠে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়েছে সবাই। তাদের শরীরে এত টাই নেশাবোদ হয়েছে যে উঠে দাঁড়াতে গিয়েও একজন আরেক জনের শরীরে পড়ে যাচ্ছে।
---" বৃষ্টির পানি তে শরীর জ্বলছে কেনো...?
-" আরে গাধারা এটা বৃষ্টির পানি না এটা রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি পানি
প্রীতি প্রাঞ্জ কথা শুনে সবাই আতঙ্কে দ্রুত উঠতে গেলে একে অন্যের সাথে বাড়ি খেয়ে মাঠের ঘাসের উপর পড়ে যায়। রাগে একে অন্য কে গালি দিতে থাকে। কয়েক মুহূর্তের জন্য বৃষ্টি থেমে যায়। সবাই যেন হাত ছেড়ে বাঁচে।
"আরে দেখ বৃষ্টি থেমে গিয়েছে _______ জেমস জনি বলে
--" বৃষ্টির পানিতে শরীর জ্বলে কেনো এটা বুঝতে পারলাম না..??
জনির কথা শেষ হওয়ার আগেই আবারো তীব্র বেগে বৃষ্টি নামে তবে এবারের বৃষ্টির পানিতে হালকা শরীর জ্বলছে ব্যাপারটা এমন না এবারের বৃষ্টির পানি শরীরে পড়তেই সবাই গরম দিলে মাছ দেওয়ার পর যেমন চ্যাট করে উঠে এমন করে উঠলো প্রত্যেকের আত্মচিৎকার মাঠ কেঁপে উঠছে। কয়েকজন তো নিজেদের শরীর থেকে শার্ট কোড খুলে দূরে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছি তাদের ধারণা হয়তো জামা কাপড়ের জন্য তোর শরীর জ্বলছে তবে তাদের ভুল ধারণা যেকোনো মানুষের শরীরে ডিরেক্ট এসিট ঢালে তবে তার শরীর জ্বলতে থাকবে এবং তার শরীর থেকে মাংস খুলে আলাদা হয়ে যাবে যদি সেই এসিডের পাওয়ার বেশি থাকে।
সবার টিক্কারে ঠিক কারে চিৎকার জায়গাটা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে প্রতিটি মানুষের শরীর থেকে মাংস খুলে খুলে পড়ে যাচ্ছে এখানকার একেক জন কে চিনাও এখন বড় দায়। শরীরের পোশাক আশাক গোলে মাটিতে পড়ছে সাথে তাদের মাংস গলে টপ টপ করে মাঠের সবুজ ঘাসের উপর পড়ছে। জায়গাটা এখন পুড়া লাশের স্তুপের পরিণত হয়েছে।
দ্বিতীয়বার যখন বৃষ্টি শুরু হয়েছিল তখনই সবাই বুঝে গিয়েছে এটা হয় তো আল্লাহর বা ঈশ্বরের দেওয়া বৃষ্টি নয় কৃত্তিম এসিড বা রাসায়নিক পানির সাথে মিশিয়ে বৃষ্টি ব্যবস্থা করেছে। আর নিশ্চয়ই এই বৃষ্টির ব্যবস্থা করেছে মাফিয়া কুইন পরি কারণ মাফিয়া কুইন পরি কখনো হারে হয়তো জিতে নয়তো সব কিছু ধ্বংস করে দেয়। একটু আগে এখানকার সবাই মাফিয়া কুইন পরি হেরে গিয়েছে ভেবে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছে! হয়তো তারা ভুলেই গিয়েছে পরি এখনো জীবিত আছে পরি জীবিত থাকা অবস্থায়। পরি কে হেরে গিয়েছে ভেবে আনন্দ উল্লাস করাটা এক দম উচিত হয়নি।
সবার ধারণা ছিল মাফিয়া কুইন পরির হাসব্যান্ড ব্লাক কিং গুলিতে আঘাত পেয়েছে।আর আয়াজের অবস্থাও বেশ ক্রিটিকাল জীবন মৃত্যু আসংখ্যা অবস্থায় ওকে গাড়িতে তুলে হসপিটালে নিয়েছে! তাহলে এতক্ষণে পরির সেখানে ব্যস্ত কিংবা দৌড়া দৌড়ি করা অথবা মন খারাপ থাকার কথা। কিন্তু এখানকার কেউই বুঝতে পারেনি এত সিরিয়াস সময় মাফিয়া কুইন পরি রিভেঞ্জ নিতে ভুলবে না। যেকোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে এই অবস্থায় হাজবেন্ডকে অপারেশনের জন্য ওটিতে রেখে শত্রু পক্ষ কে শেষ করার প্লেন করা সম্ভব। তবে যদি সেই হয় রোজা ইলদিজ ও রেহাম শাহর এক মাত্র মেয়ে এইজেল ইলদিজ পরি ওরফে মাফিয়া কুইন পরি তাহলে তাঁর দাঁড়া অসম্ভবের ও কিছু না।
হাজবেন্ড অপারেশনে জীবন মৃত্যু লড়াই করছে এদিকে তার ওয়াই তার হাজবেন্ডকে যারা আঘাত করেছে তাদের উপরে যাওয়ার টিকেট ধরিয়ে দিয়েছে।
২০ মিনিটের মধ্যে বেশির ভাগ মাফিয়ার নিজেদের জীবন নের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে চলে গিয়েছে আরো অনেকের ভিতরে প্রাণ টা এখনো রয়েছে তবে বেশি ক্ষণ থাকবে না। কারণ তাদের সবার শরীরের মাংসই মাঠে ঘাসের সাথে মিশে যাচ্ছে। রক্ত মাংসের এক ব্যবসা গন্ধ চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে ।
°°°°°
পরি, আহিল, তালহা, ইমা, আরশি সবাই এখনো আয়াজের অপারেশন শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। ভিরাজের অপারেশন কিছুক্ষণ আগে শেষ হলেও আয়াজের অপারেশন এখনো শেষ হয়নি তাই তো সবাই এখন অপেক্ষা করছে ওটির সামনে। আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর ওটির লাল বাতিটি বন্ধ হয়ে যায় সবাই চেয়ার থেকে দ্রুত উঠে দাঁড়ায় ডক্টর বের হয়ে সবাই কে জানায় আয়াজের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে তবে ওকে এখন ACU রাখতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ওর জ্ঞান ফিরছে এখনো ওর অবস্থা আশঙ্কাজনক। উনারা বুঝতে চাইছে আয়াজের জীবনের কোনো গ্যারান্টি দিতে পারছি না উনারা।
এই মুহূর্তে যদি ডাক্তারের কথা গুলো ভিরাজ শুনতো তাহলে হয়তো এতক্ষণে ডাক্তারের জীবন কেড়ে নিত কারণ ডাক্তার আয়াজের জীবনের গ্যারান্টি কিভাবে দিবেন যেখানে জীবন মৃত্যু সব কিছু আল্লাহর হাতে লেখা।
ভিরাজের এক মাএ ছোট ভাই আয়াজ ভিরাজের বন্ধু সে তাকে ছাড়া ভিরাজ চৌহান কীভাবে বাঁচা বে! আয়াজ শুধু ভিরাজের ভাই না। আয়াজ ভিরাজের ডান হাত → বাম হাত ← যাকে ছাড়া ভিরাজ শূন্য। আল্লাহ একেক জন কে একেক রকম করে বানিয়েছে তবে যদি কেউ কারো কপি হয়ে থাকে তাহলে রাইমা শেক ও আখিল শেক এর দুই ছেলে একে অন্যের কপি।
~~~~~~~~~~~~~
ভিরাজের অবস্থা মোটামুটি ভালো দেখে ডাক্তার রোগে শীত করে দেয় শিফট করে দেয় তবে এখনো বেরেন পেরেনি। পরি ভিরাজ কে দেখে রাখার জন্য আহিল কে ভিরাজের কাছে রেখে বেরিয়ে যায় কোন অজানা গন্তব্যে।
রাতের অন্ধ কারে হাল্কা আলোতে বুঝা যাচ্ছে রক্ত মাংস গলিত স্থানে কিছু মানুষের শরীরের অবশিষ্ট কঙ্কাল পড়ে আছে। কালো হুডি পড়ে সেই স্থানে এসে দাঁড়ায় মাফিয়া কুইন পরি। ভালো করে চারপাশে তাকিয়ে দেখে এখানে ওর কলিজায় আঘাত করেছিলো শক্ররা জায়গায় টা এখনো থাকলেও সেই মানুষ গুলোর শেষ অংশটুকু এখন পড়ে আছে এই মাটি ও ঘাসের উপর । পরি শুধু এখানে ধ্বংসস্তূপ দেখার জন্য এসেছে ওর আবার কাউকে নিজেরে খুন করলে শান্তি লাগে আর যদি নিজে খুন না করতে পারে তাহলে ওই ব্যক্তির লাশ দেখে নিজের আক্ষেপটা কিছুটা হলেও মিটায়। পরি এখানে আসা শুধুই তার নিজের মনের শান্তি জন্য। পরি এখান থেকে বেরিয়ে যায় সাথে বেরিয়ে যায় ওর গার্ড রা স্টেডিয়ামের দরজা লাগিয়ে দেওয়া হয়।হেলিকপ্টার থেকে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয়। যাওয়ার আগে হেলিকপ্টার থেকে একটি গ্যাস লাইট নিজে ফেলা হয় সাথে সাথে আগুনে দাও দাও করে জ্বলে উঠে পুরো স্টেডিয়াম সাথে স্টেডিয়ামের ভিতর থাকা বিলাসবহুর বাড়িও অবশিষ্ট মৃত দেহর গুলো পুড়তে থাকে।
পরি দূরে দাঁড়িয়ে নিজ চোখে কিছুক্ষণ এই দৃশ্য দেখে তার পরে গাড়িতে উঠে বসে রওনা হয় হসপিটালের উদ্দেশ্য।
চলবে