I am back

I am back Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from I am back, Real Estate, Dhaka-Chittagong Highway, Chittagong.

বলুনতো এগুলো কি?
24/03/2024

বলুনতো এগুলো কি?

কি অসম্ভব ভয়ংকর একটা  ছবি😱😱😱কুড়াল  টা Mark  করা.. সে তাকে কাটার পূর্ণ চেষ্টা করেছে অবশেষে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছে তখন তারই...
08/06/2022

কি অসম্ভব ভয়ংকর একটা ছবি😱😱😱
কুড়াল টা Mark করা..
সে তাকে কাটার পূর্ণ চেষ্টা করেছে অবশেষে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছে তখন তারই ছায়ায় আশ্রয় নিয়েছে! 😕
কিছু মানুষ আপনার সাথে এমনিই করবে আপনি এতে অবাক হবেননা..
আমাকে ক্ষয়ে ক্ষয়ে শেষ করবে আবার আমার ই কাছে আশ্রয় নিবে!! কি অদ্ভুত!! কি অদ্ভুত!!

05/06/2022

for chattogram
#চমেক হাসপাতালের পাশাপাশি পার্কভিউসহ সহ অন্যান্য নিকটস্হ হাসপাতালে রক্ত দিন অযথা চমেকে দাঁডিয়ে না থেকে।ইতিমধ্য পার্কভিউ থেকে রক্তের আহ্বান করা হয়েছে।
#সম্মলিত সামরিক হাসপাতালও উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।সেখানেও রক্তের প্রয়োজন।
# #দয়া করে রক্তের আহ্বানে সাড়া দিন।রক্তের অভাবে কোন ভাইকে যেন আমরা না হারাই।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানাধীন কাশেম জুট মিল সংলগ্ন বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিকট বিস্ফোরণের সাথে আগুনের লেলিহান শিখায় পুরা এলাকা আচ্ছন্ন, অনেক হতাহতের আশঙ্কা।

"আমাদের কোনো ধারণাই নেই এই আগুনের ব্যাপারে। নিজ থেকে না নিভলে আগুন নেভানোর উপায় নেই এই মুহূর্তে।"

- ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র

"এই আগুন নেভানোর সক্ষমতা আমাদের নেই। একটি পুকুর থেকে পানি নিচ্ছি। এছাড়া আর কোনো পানির উৎস নেই। আগুন কখন নেভাতে পারবো জানি না। দমকলের ৯ জন কর্মী হাসপাতালে। চারদিকে অন্ধকার। কেউ আটকে আছে কিনা বলতে পারছি না। কিছুক্ষণ পরপর বিস্ফোরণ হচ্ছে। তাই খুব ভেতরে আগানো যাচ্ছে না।"

- ফায়ার সার্ভিস টিম

পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এক পুলিশ কনস্টেবলের। চট্টগ্রাম হাসপাতালে করুণ দৃশ্য ।

আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। কন্টেইনার আরও আছে, যদি এগুলো ব্লাস্ট হয় তাহলে পুরো এলাকা জনশূন্য হয়ে যাবে!

বেড়েই চলেছে লেলিহান আগুন। মহান আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা।

এখনো হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের অনেক মজুদ আছে যেগুলো এখনো বিস্ফোরন হলে ব্যাপক হ্ময়হ্মতি হতে পারে।

এই লাইভ ভিডিওটি যিনি করেছেন তিনিও সম্ভবত বেঁচে নেই 💔(ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ৪০ মিনিটের পরের বিস্ফোরণের সময় তিনি সম্ভবত আহত/ নিহত হয়েছেন।

# for Chattogram
# foy Chattogram

প্রতিটি মেয়ের গল্পটি পড়া উচিত।তিন বছরের রিলেশনের বিয়ে ছিল আমাদের। বাড়িতে না জানিয়েই দুজন বিয়ে করে নিয়েছিলাম। আমি দেখতে...
11/05/2022

প্রতিটি মেয়ের গল্পটি পড়া উচিত।
তিন বছরের রিলেশনের বিয়ে ছিল আমাদের। বাড়িতে না জানিয়েই দুজন বিয়ে করে নিয়েছিলাম। আমি দেখতে তেমন ভালো ছিলাম না, কিন্তু সে মাশাল্লাহ। আমার চেহারা নিয়ে নাকি তার কোন নালিশ নেই, সে আমার মনটাকে ভালবাসে। আমিও তাকে ভালবাসি। ভালবাসি বলেই পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করতে সাহস পেয়েছিলাম। বিয়ের প্রায় উনিশ মাস পর ওদের পরিবার আমায় মেনে নেয়৷ সে এবং আমি ভীষণ খুশি। ভাবলাম, যাক সময় ব্যাপার না৷ দুই পরিবার যে আমাদের মেনে নিল, আমাদের ভুলকে ক্ষমা করল, এটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। সব কিছু ভুলে আমরা নতুন ভাবে সুন্দর একটা জীবন শুরু করলাম।

শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে মনে হলো এমন সুন্দর একটা পরিবার পেয়ে সত্যিই আমি ভীষণ খুশি। শ্বশুর, শাশুড়ি, তিন ননদ যদিও দুজনের বিয়ে হয়ে গেছে, তবে তারা এখানেই বেশি থাকে, এক ভাসুর ও তার স্ত্রীকে নিয়ে খুব সুন্দর দিন কাটছিল আমাদের। কখন যে দেড় বছর চলে গেল টেরই পেলাম না। এর মধ্যে আমার এক মেয়ে হলো। একদিন আমার শ্বশুর বললেন, এবার বৌমা তুমি বাপের বাড়ি থেকে একবার ঘুরে আসতে পারো। মেয়ে হওয়ার পর আর যাওয়া হয় নি বাবার বাসায়। আমার মাও তার নাতনীকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার জন্য অনেক পীড়াপীড়ি করছিলেন৷ তাই আমিও রাজি হয়ে গেলাম।

যেদিন আমি শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাসায় আসার জন্য ব্যাগ গুছাচ্ছিলাম, দেখলাম আমার শাশুড়ির সে কি কান্না। কিছু বুঝে উঠতে পারতেছিলাম না। আমি তো কিছুদিনের জন্য বাবার বাসায় বেড়াতে যাচ্ছি, তাও আবার শ্বশুর চাইতেছেন বাবার বাসায় কিছুদিন থেকে আসি সেজন্য। এতে শাশুড়ির এত কান্নার মানে বুঝি নাই তখন, ভাবলাম আমাকে তিনি নিজের মেয়ের মতো ভালবাসেন আর নাতনীর জন্য হয়তো উনার খারাপ লাগছে, তাই কান্না করছেন।

কিন্তু আমার সকল ধারণা এতটা ভুলে পরিণত হবে ভাবি নাই। বাবার বাসায় আসার দুই দিন পর শ্বশুর কল দিয়ে বলল ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে যেতে যাওয়ার সময়। সঙ্গে এও বলে দিলেন, টাকা যোগাড় না করতে পারলে যেন আর ওখানে ফিরে না যায়। আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। এত আদিখ্যেতা করে আমায় বাবার বাসায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে তাহলে এই ছিল। অথচ ওখানে থাকাকালীন কেউ কখনো টাকার ব্যাপারে কোন কথা বলে নি। এত টাকা কোথায় পাবো! বাবা একটা ছোট্ট ফার্মেসি দিয়ে সংসার চালায়। এখানে পাঁচ লক্ষ টাকা চাওয়া তো অসম্ভব ব্যাপার। কোন উপায় না পেয়ে আমার স্বামীকে কল দিলাম। বললাম তুমি একটু বাবাকে(শ্বশুরকে) বুঝাও, এত টাকা আমি কোথায় পাবো। সে কোন কথা বলেনি। কিছু না বলেই ফোন কেটে দিল। বুকের মধ্যে তীব্র আঘাত পেলাম আমি। একি সেই মানুষ! যে একদিন আমার কন্ঠ শুনতে না পেলে পাগলের মতো এসে বাড়ির সামনে হাজির হতো! বলতো, ভালবাসা ছাড়া আর কিছুই চাই না তোমার কাছে।

পৃথিবীর সব পরিবর্তন মেনে নেওয়া যায়, কেবল ভালোবাসার মানুষটার পরিবর্তন মেনে নেওয়া যায় না। বার বার কল দেওয়ার পরও যখন সে কেন রেসপন্স করতো না। আমি অবাক হয়ে মোবাইলটার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। ভাবতাম আর কল দিবো না। রাগ করে থাকবো৷ সে আমায় নিতে আসলেও যাবো না। তখন বুঝবে আমায় কষ্ট দেওয়ার পরিণাম। কিন্তু সে কোথায়! পনের দিন হলো সে কোনরকম কথায় বলছে না আমার সাথে। নিজে রাগ করে নিজেই রাগ ভাঙানোর জন্য গেলাম তার কাছে। শাশুড়ি আমায় দেখে কেঁদে ফেললেন, তার নাতনীকে কোলে করে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে অনেক আদর করলেন। আর আমি তার সামনে বসে আছি এক ভিখারীর মতো। ভালোবাসার ভিখারী, সংসার রক্ষা করার ভিখারী। কিন্তু সে যেনো পাথর। সে তো আমার আগের সেই ভালবাসার মানুষটি রইলো না।

আমার শ্বশুর যখন আমায় বললেন, তুমি টাকা না দিতে পারলে দিও না। সমস্যা নাই। কিন্তু এ বাড়িতে আসতে পারবা না৷ আমি ওরে দ্বিতীয় বিয়ে করিয়ে পাঁচ লক্ষের চেয়ে আরো বেশি টাকা আদায় করতে পারবো। তুমি তার বিয়ে করা বউ৷ তাই তোমার কাছে বেশি চাই নাই। এখন তুমি যদি চাও সংসার তুমি করবে, তাইলে টাকা যোগাড় করো। নয়লে আমরা বিকল্প ব্যবস্থা করবো।

দ্বিতীয় বিয়ে! ভেতরটা মোচর দিয়ে উঠল আমার। সেকি পারবে করতে! আমি তার দিকে তাকালাম, সে নিশ্চুপ বসে আছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কি মত? তুমিও কি তাই চাও? সে তার বাবার দিকে তাকিয়ে বলল, বাবা যা বলেন তাই হবে। সেদিন রাত আমি শ্বশুর বাড়িতেই কাটালাম৷ স্বামীর রুমটায় আমার শেষ রাত। আমি সে রাতে তাকে পায়ে ধরে অনেক কান্না করলাম। যেন সে আমায় না তাড়িয়ে দেয়। বললাম, এই টাকার ব্যাপারটা ছাড়া তুমি যা বলো তাই করবো। সে কোন কথা বলে না। তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম, থাকতে পারবে তুমি আমায় ছাড়া? সে নিরুত্তর। আমি তখন পাগলের মতো কান্না শুরু করে দিলাম। বললাম, প্লীজ, তুমি আমায় ছেড়ো না। আমি পাগল হয়ে যাবো। আমি থাকতে পারবো না তোমায় ছাড়া। এই পৃথিবীতে তুমি আর আমার মেয়েটাই সব। আমি পিছনের সমস্ত দুনিয়াকে ফেলে কেবল তোমার কাছেই থাকতে চাই। তুমিই আমাকে সুখী করতে পারো। তুমি চাইলেই সব সম্ভব। তুমি মুখ ফেরালে সত্যিই আমরা মরে যাবো। আমার বুকটা ভেঙে যাচ্ছিল কথাগুলো বলতে। কিন্তু আমার ভালোবাসা টাকার কাছে হেরে গেল। এতদিনের সমস্ত প্রেম, ভালোবাসা, বিশ্বাস সব তলিয়ে গেল টাকার কাছে। খুব অভিমান নিয়ে সেদিন রাতেই আমি আমার মেয়েকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি ছাড়লাম।

বাড়িতে এসে মাকে সব বললাম। মা বললেন, দ্বিতীয় বিয়ে করতো সে, তুই চলে আসলি কেন, তোর স্বামী সে৷ ওই ছেলে দুই বউ নিয়ে সংসার করতে পারলে তোর সমস্যা কি! তুই ফিরে যা আবার। আমাদের না জানিয়ে বিয়ে করেছিলি৷ এখন কেন সব শেষ হয়ে গেলে আমাদের কাছে ফিরে আসিস। তখন যেমন একা বিয়ে করেছিলি, আজকেও একায় সংসারের হাল ধরবি। আমাদের পছন্দমতো ছেলে বিয়ে করলে আজ তোর এই দশা হতো না।আমি জানি, মায়ের এসব রাগের কথা। মাকে না জানিয়ে বিয়ে করার জন্য এগুলো বলছে আমায়। কিন্তু আমি মাকে কি করে বুঝাবো, ভালোবাসা যেদিন মরে যায়, সংসার কি আর টিকে থাকে!

ওইদিন রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর রাত ছিল বলা যায়। ভালোবাসার মানুষটা আমার থেকে মুখ ফেরালো, অথচ মা আমাকে তার কাছেই চলে যেতে বলছে। রাগে ক্ষোভে সেদিন আত্ম*ত্যা করতে ইচ্ছে করছিল। পরে ভাবলাম, আমি মারা গেলে আমার মেয়ের কি হবে! তার জন্য আমায় বাঁচতে হবে। কিন্তু বাঁচতে গেলে তো টাকা লাগবে। চাকরী ছাড়া টাকা কোথায় পাবো! আর চাকরীই বা কোথায় পাবো! অনেক ভেবে চিন্তে একটা পথই খোলা পেলাম। মাকে গিয়ে বললাম, মা, বাবার সম্পত্তিতে ভাইদের যেমন অধিকার আছে, আমারও কিন্তু আছে। আমি কোনদিন এই সম্পত্তি চাইতাম না, যদি না আজকের মতো এমন দিন আসতো। মা ভীষণ রেগে গেলেন। বাবাকে ডেকে বললেন এমন হতভাগী মেয়ে কেন হলো আমাদের। জন্মের সময়ই কেন মেরে ফেললে না। নয়লে মেয়েরা কি কখনো বাপের বাড়ির সম্পত্তি চায়। আমি তো কোনদিন আমার বাবার কাছে সম্পত্তি চাই নাই। তুইও কোন সম্পত্তি পাবিনা৷

আমি তেড়ে বসলাম, বাবাকে বললাম, বাবা এই সম্পত্তি আমার চাইই। জীবনে কিছু করতে গেলে টাকার দরকার৷ তুমি পারবে হয়তো আমার আর আমার মেয়ের ভরণপোষণ করতে। কিন্তু আমি চাই না কারো উপর বোঝা হয়ে থাকতে। হাদিসেও আছে, মেয়েরা বাবার সম্পত্তির অংশীদার। আমাকে তুমি দিয়ে দাও আমার অংশ। আমি আমার মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতে চায়।

বাবা মা ভাই বোন মিলে সেদিনই আমাকে আমার সম্পত্তির অংশ দিয়ে দিলো। ভাইয়েরা সেদিন আমায় মনে মনে অনেক বদদোয়াই দিল। বোনেরা নাক ফুলিয়ে বসে আছে কেননা তাদের কোন অযুহাত নেই সম্পত্তি চাওয়ার। বাবা মাও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এখন আমি দুই পরিবারকেই হারালাম। কিন্তু এই ভেবে সান্ত্বনা পেলাম যে, আমার মেয়েটার একটা গতি এবার আমি করতে পারবো।

বিয়ে যখন করি, তখন আমি অনার্স থার্ড ইয়ারে ছিলাম। বিয়ের পর পড়া কনটিনিউ করিনি৷ তাই ভালো একটা চাকরির জন্য পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ায় ছিল আমার প্রথম কাজ। তাই বাবা থেকে নেওয়া সম্পত্তির অর্ধেক অংশ আমি বিক্রি করে দিলাম। তা দিয়ে আমার মেয়ের খরচ, আর আমার পড়াশোনার খরচ চালাতে লাগলাম। মাস্টার্সে উঠার পর নিজের এ্যাকাডেমিক প্লাস চাকরির পড়াশোনার চাপ বেড়ে গেলে মেয়ের দেখাশোনার জন্য একজন কাজের বোয়াও রাখলাম। তখন বাকি অর্ধেক সম্পত্তিও আমায় বিক্রি করতে হলো। দুয়েকটা টিউশনিও করাতাম যেন মেয়ে কোনদিক থেকে অভাব টের না পায়৷ সিঙ্গেল মাদার হয়ে জীবন কাটানো একটা সহজ কাজ নয়৷ অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। বহুকষ্ট, বহুধকল, বহুসাধনার পর অবশেষে আলহামদুলিল্লাহ, একটা ভালো জব পেয়ে গেলাম।

আর আমাকে ছেড়ে দেওয়া সেই কাপুরুষটার কথা কি বলবো! শুনলাম সে নাকি তিন লক্ষ টাকা যৌতুক নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে। একটি ছেলেও হয়েছে তার। কিন্তু আমার শ্বশুরমশায় নাকি পাঁচ লক্ষ টাকার জন্য তাকে তৃতীয় বিয়ে করানোর জন্য বউ খুঁজতেছে। হয়তো তাও করে নিবে। তাতে আমার কি! সে দশ দশটা বিয়ে করুক, আমার পিছন ফিরে তাকানোর সময় নেই। তাকে ভীষণ ভালোবেসেছিলাম। তাই ডিভোর্স দেওয়ার সাহস করে উঠতে পারি নাই। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোন প্রকার যোগাযোগ নেই। এই পৃথিবীতে সম্পূর্ণ অচেনা দুটি প্রাণী হিসেবে দুজন দুইদিকে বাস করছি। তাকে আমি ঘৃণা করি, আবার তাকে আমি ভালোওবাসি। বলা যেতে পারে, ঘৃণাভরে ভালোবাসি।

আমার মেয়েটাকে আমি সম্পূর্ণ নিজের মতো করে গড়ে তুললাম। আমার বাবার স্বপ্ন ছিল আমাকে ডাক্তার বানাবে৷ সেই স্বপ্ন আমি আমার মেয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করলাম। আমার মেয়ে বড় ডাক্তার হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার মধ্যে কোনরকম অহংকারবোধ কাজ করতো না। একদম সাধাসিধে জীবন যাপন করতো। প্রতি সপ্তাহে আমার মেয়ে আর তার টিম বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে ঘুরে গরীবদের ফ্রিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতো। তাকে দেখলে গর্বে বুকটা ভরে যায়৷ একজন ভালো সন্তান আমি হতে পারিনি, ভালো স্ত্রী হতে পারিনি, ভালো পুত্রবধু হতে পারিনি৷ কিন্তু একজন ভালো মা হতে পেরেছি। এটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।🖤

22/04/2022

বউ এসেছিল হাসবেন্ডের নামে থানায় কেইস করতে বাট হাসবেন্ড তো হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নন, গান গেয়ে রোমান্টিক মোমেন্ট তৈরি করে বউকে পটিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন 😍😍😍
শেখার আছে অনেক কিছু...

বাজারের ব্যাগটা খুলে জাহানারা বেগমের মনটা খারাপ হয়ে গেল।ব্যাগের এক কোনায় পরে আছে ফিনফিনে পাতলা সাদা পলিথিনে কিছু গুড়া মা...
08/02/2022

বাজারের ব্যাগটা খুলে জাহানারা বেগমের মনটা খারাপ হয়ে গেল।ব্যাগের এক কোনায় পরে আছে ফিনফিনে পাতলা সাদা পলিথিনে কিছু গুড়া মাছ আর একটা পলিথিনে জলপাই আর কাঁচামরিচ।
জলপাই দিয়ে ছোটমাছের চচ্চরি করতে হবে বোঝাই যাচ্ছে। জাহানারা বেগমের রান্নার হাত মাশআল্লাহ ভালো। কিন্তু পাঁচজনের পরিবারে এই একপদের তরকারি কি দুবেলা যাবে, মুখ কালো করে বটিটা নিয়ে পুকুরপাড়ের দিকে যায় জাহানারা।
পুকুরপাড়ে ঘাটের পাশ দিয়ে সে কয়েকটা পুঁইশাকের ডাটা পুতে দিয়েছিলো, ভেজা মাটিতে তরতর করে পুঁইশাক বেড়ে উঠেছে। জাহানারা তিন চারটা ডাটা কেটে নিলো।
পুকুরের ঘাটটা বাঁশ দিয়ে বানানো হয়েছে। চার পাঁচটা বাশ একসাথে করে দুপাশে তক্তা পেরেক মেরে পুকুর ঘাট তার স্বামী আর ছেলে মিলে গতবছর বানিয়ে দিয়েছিলো।
এই পুকুর তাদের নয়, পুকুরের ওপারে থাকে তাদের বাড়িওয়ালা, শফিক চেয়ারম্যান।
পুকুর তারই, ঘরটাও তার, জাহানারা বেগমের স্বামী সালেক মাস্টার স্থানীয় হাইস্কুলের শিক্ষক। তারা এখানে ভাড়াটে। দুটো বারান্দা নিয়ে একটা কাঠের ঘরে পাচজনের সংসার।
জাহানারা বেগম পুকুরপাড় পেরিয়ে পেছনের ব্যাড়ের দিকে আগায়। এই ব্যাড় দিয়ে পুকুরে জোয়ার ভাটার পানি ঢোকে, ব্যাড়ে জাহানারা একটা চাই পেতে রাখে।
মাঝে মাঝে টেনে তুললে সাত আটটা চিংড়ি মাছ লাফাতে থাকে, কপাল ভালো হলে দু একটা ট্যাংরা বা টাকি মাছও উঠে পরে।আজ যেমন চিংড়ি মাছ পাওয়া গেল বারোটা আর দুটো ট্যাংরা মাছ। হাতের ঝাপিতে মাছ গুলো নিয়ে চাইটা আবার ব্যাড়ে ঢুবিয়ে দেয় ইট দিয়ে।
তারপর হেঁটে হেঁটে রান্নাঘর এর দিকে আসে।

তার তিন সন্তান। বড় ছেলে কলেজে ডিগ্রি পড়ে, মোটামুটি ছাত্র, মেঝ মেয়েটা ক্লাশ টেনে, রোল চার।
ক্লাশ এইটে সাধারণ কোঠায় বৃত্তিও পেয়েছিলো।
কোন প্রাইভেট পড়াতে পারে না, একা একা পড়ে এত ভালো করে মেয়েটা। অথচ বাড়িওয়ালার মেয়েটার দুটো মাস্টার বাসায় এসে পড়ায় তাও রোল চব্বিশ।
জাহানারার মেয়েটার চেহারা ভারী মিষ্টি, ডাগর ডোগর হয়ে উঠেছে ইদানীং। মেয়ের বাবা চাইছে মেয়ে সুন্দরী আর কমবয়েসী থাকা অবস্থায় বিয়ে দিয়ে দিতে।
গত সপ্তাহে পাত্রপক্ষ এসে দেখে গেল।পাত্র ভালোই, প্রাইমারী স্কুলের মাস্টার।তার বাপ মা বোনের কত প্রশ্ন মেয়েটাকে, রাঁধতে পারে কিনা, সুরা কয়টা জানে, চুল কত লম্বা আরো কত কি!মেয়েটা খুব কাঁদছিলো, এখনি বিয়ে করতে চায়না সে।
তার খুব ইচ্ছে বড় চাকরি করবে, ঢাকায় গিয়ে পড়াশোনা করবে। কিন্তু টানাটানির সংসারে এই কথা বলতে সাহস পায়নি জাহানারা।তার স্বামী স্কুলের পরেও তিনটা টিউশনি করে।গ্রামের বাড়িতে শ্বশুর শাশুড়ীকে দেখতে হয় তাদেরই।এই অবস্থায় মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাওয়া ভালো।
ছোট মেয়েটা ফোরে পড়ে।এই মেয়েটা আদরের বলে একটু সৌখিন।কয়েকদিন ধরে আবদার করছে একটা চার্যার লাইট কিনতে হবে।রাতে প্রায় দু ঘন্টা কারেন্ট থাকেনা।
বাড়িওয়ালার বাড়িতে সাদা রঙের চার্যার লাইট জ্বলে।
আর জাহানারা বিকেলে হ্যারিকেনের চিমনি মুছে কেরোসিন ভরে রাখে।একটা হ্যারিকেন জ্বালিয়ে ওদের পড়ার টেবিলে দিয়ে দেয়।

জাহানারা রাঁধলো পুঁইশাক দিয়ে চিংড়ি মাছ।দুটো ট্যাংড়া মাছ ভেজে আলু দিয়ে রাঁধলো স্বামী আর ছেলেকে দেবে।
আর ছোট মাছের চচ্চড়ি জলপাই দিয়ে।

রাতে কারেন্ট চলে গিয়েছিলো খাওয়ার সময়। ছেলেমেয়েদের আগেই খাইয়ে দিয়েছে জাহানারা।
স্বামী ফিরলেন রাত দশটার দিকে।ছোট্ট মফস্বল শহরে অনেক রাত।
পুই শাকের ঝোল দিয়ে ভাত খেতে খেতে জিজ্ঞেস করলেন, শাক কই পাইলা, বাজারে যে আগুন দাম তরিতরকারির, কিচ্ছু কিনতে পারি নাই।
জাহানারা উত্তর দিলো, পুকুর পাড়ে লাগাইছিলাম, চাইরটা ডাটা। ওগুলা বড় হইছে। আর চিংড়ি মাছ চাইয়ে উঠছে।
খেতে খেতে সালেক সাহেব বললেন, ছেলেপক্ষের অনেক দাবী, ত্রিশ হাজার টাকা নগদ, গয়না তিন ভরি আরো মটর সাইকেল দিতে হবে।
এত কিছু কিভাবে আয়োজন করবে বুঝতে পারছে না। তবে সরকারি চাকরি করা ছেলে, দুই বোনের এক ভাই এমন ছেলে পাওয়া যাবে না সহজে।

খাওয়া শেষ করে পান মুখে দিয়ে বসলেন সালেক সাহেব।
জাহানারা পাখা দিয়ে হাওয়া দিচ্ছিলো।
মেজ মেয়েটা এসে দাঁড়ালো, বাবার হাতে আটশ টাকা দিয়ে বললো, আব্বা বৃত্তির টাকা দিছে আজকে পাঁচশ , আর গত সপ্তাহে উপবৃত্তি দিছিলো তিনশ টাকা।
ছাত্রীরা উপবৃত্তি পায় স্কুল থেকে পরিমানে সামান্য হলেও বছরে দুবার।
-মোট আটশ টাকা জমছে, পুতুলের জন্য একটা চার্যার লাইট কেনেন আব্বা।

সালেক সাহেব টাকাটা হাতে নিলেন। জাহানারা বাতাস করছিলো। আজ এখনো কারেন্ট আসছে না।

রাত বাড়ছে। আজ কারেন্ট আসে নি।সালেক সাহেবের ঘুম আসছে না গরমে৷ এপাশ ওপাশ করে উঠে বসলেন।
জাহানারা, ঘুমাইছো নাকি?
না, কিছু বলবেন? পানি দিবো?।
জাহানারা উত্তর দিলো।
বুঝলা, মেয়েটার বিয়া দিবো না এখন, কালকে পাত্র পক্ষকে না কইরা দিবো।ও পড়তে চায় পড়ুক।
কি আর এমন খরচ হয়, তুমি তো পুইশাক আর চিংড়ি মাছের জোগাড় করতেই পারবা বলো!
জাহানারা পাশ ফিরে শুয়ে পড়লো।
তার চোখের কোণায় চিকচিক করছে অশ্রু।
তাতে মিশে আছে কষ্ট নাকি আনন্দ, সে জানে না হয়তো।

#পুইঁশাক_চিংড়িমাছ_এবং_একটি_চার্যার_লাইটের_গল্প

শানজানা আলম

12/11/2021

বাসার সামনে রাস্তার বিপরীতে একটা স্কুল আছে। আজ সেখানে এস এস সি বিদায় অনুষ্ঠান হচ্ছিলো।

মাইক চলছিলো তাই মেয়ে বায়না ধরল সে বারান্দায় গিয়ে দেখবে। কাজ সেরে ওকে নিয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম।

স্কুলের ছেলে মেয়ে গুলো কত সুন্দর সুন্দর ড্রেস পরে এসেছে। টান টান সবার ত্বক। নিষ্পাপ খুশির হাসি। কয়েক জন কে দেখলাম পেছনে পিন লাগানো ব্লাউসে শাড়িও পরেছে। লম্বা হিলে হাল্কা লিপস্টিকে তাদের মোটেও যুবতি লাগছিলো না, না কোন বাচ্চা মেয়ে।

কেউ হাসতে হাসতে গড়িয়ে পরছে, একজন আরেক জনের সাথে প্রতি মাসে দেখা করার প্রমিজ করছে।
ওরা হয়ত জানেও না এইটাই অনেকের কাছে শেষ খুশি এইসব বন্ধুদের সাথে।

আমার বাসা টায় আসতে স্কুল পার হয়ে একটা গলি আছে। একটা পাঞ্জাবী পরা ছেলে অনেক ক্ষন অপেক্ষা করছে এইদিক ওদিক তাকিয়ে। হাতে নিশ্চয় কিছু আছে। কিছুক্ষন পর বেগুনী শাড়ি পরা আঁচল টা কয়েক ভাজ করে তুলে দিয়েছে টাইট পিনে আটকে দেওয়া সুন্দর মেয়েটা আসল। সে আসতেই ছেলেটা তাকিয়ে থাকতে সে এদিক ওদিক তাকিয়ে লজ্জা পাচ্ছে।
এই স্কুলের প্রেম গুলো ভীষণ আদুরে। না কোন খারাপ উদ্দেশ্য, পিওর ইমোশন। বড্ড বেপরোয়া।
আজকাল হয়ত অনেক পাল্টে গিয়েছে। কিন্তু এইদিক টায় একটু গ্রাম্য ছোঁয়া আছে বলে হয় ওদের আমার এত কিউট লাগছিলো।
এই সর্ম্পক গুলো প্রায়শ শীতের পরে ঝরা পাতার মতো ঝরে যায়। যা কিছু টেনে চলে তা একসময় ক্লান্ত হয়।
কারণ আর তিন চার বছরের মেয়েটা সবার কাছে উপযুক্ত হয়ে যাবে ছেলেটা হয়ত হাত খরচের জন্যেও রোজ মায়ের কাছে বকা খাবে।

হাতে থাকা রঙ্গিন প্যাকেট টা এগিয়ে দিতে মেয়েটা ও কিছু একটা এগিয়ে দিলো।
ছেলেটা চলে যেতেই দ্রুত মেয়েটার গালে লাল জরি লাগিয়ে দৌড় দিলো। মেয়েটা এদিক ওদিক তাকালো আমি সড়ে গেলাম বারান্দা থেকে।

মন টা ভার হয়ে যাচ্ছিলো। আজ সবার চোখেই কিছু না কিছু হওয়ার স্বপ্ন কারো আজকের দিনে একবারেই জন্যও গৃহীনি হওয়ার কথা মাথায় আসবে না। একবার ও না। না কোন ছেলের মাথায় আসবে বেকারের তকমা নিয়ে বছরের পর সরকারী চাকরীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা। কিংবা বাবা ছোট্ট দোকানে বসার কথা।
সবাই ভাবছে এ প্লাস পেয়ে ভালো কলেজে ভর্তি হতে পারলে লাইফ সেট।

কিন্তু কলেজে যাওয়া পর তারা বুঝবে এস এস সি রেজাল্ট টা কেউ জিজ্ঞেস ও করে না। বড় কলেজে ভর্তি হলে তাকে কোন স্যার চিনবেও না। গুটি কয়েক বান্ধবী জুটবে তাও যদি স্কুল ফ্রেন্ড থাকে শেষ মেষ ওরাই রয়ে যাবে বাকিরা হারিয়ে যাবে শীতের ঝরা পাতার হাওয়ার মতো।
যে বান্ধবীকে রোজ পেটের কথা না বললে ভাত হজম হবে না। এক সময় তার চেহেরাও বেমালুল ভুলে যাবে। মনেই পড়বে না তার গালের কোন দিকে তিল ছিলো।

আমার বিদায় অনুষ্ঠানে আমি যেতে পারি নি। মা যেতে দেয় নি। তখন কোন অনুষ্ঠানেই মা যেতে দিতো যে কয় টা টাকা দিতে হতো সে অনুষ্ঠানের জন্য তার চেয়েও বেশি খাতা খরচ হতো চার পাঁচটা টিউশনের জন্য।

ক্লাস সেভেনে আর নাইনে নাকি টেনে একবার গিয়েছিলাম পিকনিকে তাও আমার বান্ধবী পুষ্পা দুইদিন এসে মায়ের কাছে ঘ্যানঘ্যান করার জন্য।

এরপর আর কোন বান্ধবীই পাই নি যে মায়ের কাছে এসে ঘ্যান ঘ্যান করবে। যখন কর্ণফুলিতেও বেড়াতে যাওয়া পারমিশন আমি পেতাম না আমার ক্লাস সেভেনে পড়া ভাই রাঙ্গামাটি ঘুরে আসতো।
এখন চাইলে আর যাওয়া যায় না।

এইসব মন খারাপের জন্যেও আমার সময় নেই। বাসায় গেস্ট এসেছে। তেলে মাছ ভাজিতে দিয়ে পেয়াজ কেটে মাংসের জন্য মরিচ তুলে দিতে দিতে আমি আবার ভাবনা থেকে বের হয়ে ঘরের বউ হয়ে উঠি। যা দশ এগারো বছর আগে এমন দিনে আমারো মনে আসতো না।

মাইকের একটা আওয়াজে আবার আমি চমকে উঠি,
-আমি জানি তুই অনেক বড় আর্স্টিট হবি।

মাছ টা হাত থেকে ছুটে গিয়ে তেল ছিটে পরে। দ্রুত পেস্ট লাগাতেই হাতের বদলে বুক টা জ্বলছিলো। এমন কথা আমরাও মনে প্রানে বিশ্বাস করতাম।
আমার বান্ধবী নিপার দারুণ মুখস্ত বিদ্যা ছিলো , দারুন বক্তব্য দিতো, বুঝাতেও পারতো দারুন। সব মনে থাকতো। ওর ঘরের দেওয়া জুড়ে শুধু সার্টিফিকেট আর সার্টিফিকেট বৃত্তির। ওকে বলতাম দেখিস তুই অনেক বড় টিচার হবি।
বিয়ের পর অনেক কান্না কাটি করেও ও ডিগ্রীতে ভর্তি হতে পারে নি। এখন ছেলে মেয়ে হয়েছে। নিশ্চয় ওদের ভালো পড়াই।

প্রায় বিকেলে সামনের বিল্ডিং চার তলায় আমার মেয়ের বয়েসী একটা বাচ্চা নিয়ে দাঁড়ায় আমার মতো একটা মেয়ে। আজ সেও দেখলাম বার বার বারান্দায় এসে এক দৃষ্টিতে দেখছে উৎসব চলা সে স্কুলের দিকে। তার ও এমন আনমনা লাগছে আজ।
হয়ত দুজনেই স্কুল পার করেছি দশ এগারো বছর আগে। স্বপ্ন গুলো নিশ্চয় কোন নেইম প্লেটে আটকে ছিলো। এখন ঘোরপাক খাচ্ছে তেল নুন পেয়াজে।

আমি আবার ব্যস্ত হই, সবাইকে আবার নাস্তা দিতে ছুটে। সবাই বসে একে ওকে বসতে বলছে সাথে নাস্তা করতে।জোড়াজুড়ি করছে।
কেউ এনে দেওয়া মানুষ টাকে বসতে বলে না তারাও জানে সে বসলে ওদিক টা সামলাবে কে?
মিষ্টি কিংবা কেক মুখে পুরে মাছ ভাজা পিঠ উল্টাতে উল্টাতে আবার পেয়াজ কাটতে বসি। প্রতিবারেই চোখ জ্বলে। আজ বড্ড বুক জ্বলছে।

#আহা_স্কুল

#দোলনা_বড়ুয়া_তৃষা

ধর্ষিতা নয়; ধর্ষকদের ছবি প্রচার করুন। যেনো তারা আত্মীয়-স্বজনদের মুখ দেখাতে লজ্জা পায়। এ-ই ধর্ষকের নাম শাকিল। ৭১ টিভির ফা...
11/11/2021

ধর্ষিতা নয়; ধর্ষকদের ছবি প্রচার করুন।
যেনো তারা আত্মীয়-স্বজনদের মুখ দেখাতে লজ্জা পায়। এ-ই ধর্ষকের নাম শাকিল।
৭১ টিভির ফারজানা রূপার স্বামী।

আলেমদের নামে সামান্য দোষ পেলেই স্বামী-স্ত্রী মিলে মিডিয়া কাঁপাতো। আজ বের হলো থলের বিড়াল.....।

মাসুদা ভাট্টি ইস্যুতে তো বেশ লাফালাফি করেছেন ফারজানা রূপা। এবার চরিত্রহীন সোয়ামিকে নিয়ে ড্যান্স হবে কি! ছিহ্। জাতির বিবেক খ্যাত সাংবাদিকতা আজ লম্পটদের দখলে।
দেশ তো রসাতলে যাবেই...😡

মানসিক ভাবে শক্তিশালী মেয়েগুলো অন্য দশটা মেয়ে থেকে আলাদা হয়।এরা কথায় কথায় কাঁদতে পারেনা, ন্যাকামো করে কারো মন ভোলাত...
24/09/2021

মানসিক ভাবে শক্তিশালী মেয়েগুলো অন্য দশটা মেয়ে থেকে আলাদা হয়।এরা কথায় কথায় কাঁদতে পারেনা, ন্যাকামো করে কারো মন ভোলাতে পারে না,কাউকে খুশি করার জন্য অভিনয়টাও ঠিকঠাক করতে পারেনা।

এই মেয়েগুলো কষ্ট গুলো বুকের ভিতর জমা করে রাখে।সবার থেকে লুকিয়ে রাখে কষ্টগুলো।তারা কষ্টের পাহাড় নিয়ে হাসিমুখে ঘুরেফিরে,যেন কিছুই হয়নি। তাদের হাসি মুখ দেখে সবাই মনে করে এদের বুঝি কষ্টই হয় না,অনুভূতি শূন্য।

এই মেয়েরা হেরে যায় না কখনো,সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে তারাও নিজেদের পরিবর্তন আনে,যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা উঠে দাঁড়ায়।

জীবনে যে কোনো বাধাই আসুক না কেন, যত ঝড় উঠুক না কেন তারা কারও ওপর নির্ভরশীল হয় না। নিজেরাই যুদ্ধে নেমে পড়ে,জয়ী না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ করতে থাকে।কষ্টগুলো হাসিমুখে সহ্য করে যায় দিনের পর দিন।

যখন কাউকে ভালবাসে,নিজের সবটুকু দিয়ে তাদের ভালোবাসে,তাদের জন্য অসম্ভব কে সম্ভব করে। সমাজ সংসারের কোনো বাধাই তাদের পায়ে বেড়ি পরাতে পারে না।

এরা দুর্বল কে সাহস যোগায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার।এরা অহংকারী হয় না কিন্তু নিজের উপর বিশ্বাস থাকে অটুট।

কিন্তু ওদের ও কষ্ট হয়, প্রচন্ড,তীব্র কষ্ট। এইসব মেয়েরা খুব একা হয়।কাছের বন্ধু বলতে তাদের কেউ থাকেনা।ভলোবাসার মানুষদের কখনো কাছে পায় না।

বেশিরভাগ মানুষই তাদের ভুল বোঝে।
সময়ের প্রয়োজনে ব্যবহার করে।আর এই বলে ছেড়ে চলে যায়,ও অনেক স্ট্রং ও পারবে নিজেকে সামলে নিতে।

কিন্তু এই মেয়েগুলো প্রতি রাতে কাঁদে, নির্ঘুম রাত কাটায় অন্য দশটা মেয়ে থেকে বেশি যন্ত্রণায় কাতর হয়। এই মেয়ে গুলোও চায়,তাদের কেউ যত্ন নিক,বুকের মাঝে আগলে রাখুক।ঘুমিয়ে গেলে কপালে একটু চুমু দিক,শক্ত করে জড়িয়ে ধরুক।কেউ তার দায়িত্বটা নিক, খুব করে চায়।

দিন শেষে মেয়েগুলো একলা থাকে সকল মানুষের ভিড়ে,তখন কান্নাভেজা চোখে ঘুমিয়ে যায়।সকাল হলে আবার নতুন করে ঠিকই উঠে দাঁড়ায়।

এদের উঠে দাঁড়ানোতেই মানুষগুলো ভয় পায়।

এই মেয়েগুলো মনটা যে বুঝতে পারে তার মত সৌভাগ্যবান মানুষ কমই হয়।কারণ এইসব মেয়েরা শুধু মানুষকে দিতে জানে বিনিময়ে কিছু চায় না।যাকে সে ভালোবাসে সে যেমনই হোক না কেন তাকে কখনো ভুলে যেতে পারেনা, প্রতারণা, ছলনা করতে জানে না।

কারও অধিকার নষ্ট করে নিজের জীবন সাজাতে জানেনা। বরং বারবার তাদের ভালোবেসে সেবা করে যায়, যারা তাকে ভেঙে চূর্ণ করেছে প্রতিনিয়ত।

মানসিকভাবে শক্তিশালী মেয়েরা জীবনের পদে পদে, ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় কিন্তু প্রতিবার'ই উঠে দাঁড়ায় আর জয়ী না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ করতে থাকে।

প্রকৃতপক্ষে এরাই অগ্নিকন্যা।

13/09/2021

বাড়িতে প্রচুর বিয়ে নিয়ে ঝামেলা করতেছিলো।
ভদ্রলোককে ম্যাসেজ দিয়ে বলেছিলাম বাসা দিয়ে বিয়ের জন্য অনেক প্রেসার দিচ্ছে। আমি কি তার কথা বাসায় বলবো? হা অথবা না যেকোনো একটা কিছু আমাকে বলতে তাহলে আমি একটা ডিসিশন নিতে পারবো। যেহেতু বিয়ে একটা করতে হবেই...
দেন তিনি আমাকে কিছু বলেন নি, তার বেস্টফ্রেন্ডকে আমার দেয়া ম্যাসেজটা স্কীনশট নিয়ে পাঠায়।
পরের দিন তার বেস্ট ফ্রেন্ড দুপুরে আমাকে কল দিয়ে, কাপড় কাঁচার মতো ধুয়ে দিছে।
আমি নিজের অবস্থান আর তার অবস্থানের দিকে তাকাতাম, তার ফ্যামিলি হাই স্ট্যান্ডার অপরদিকে আমরা গরীবই..
আমার লজ্জা লাগা উচিত কিভাবে তাকে বিয়ে করার কথা বলতে পারি। মুখে যা আসছে, যেমনে আসছে বলে ফেললো..
আরও অনেক অপমানজনক কথা। যেসব কথা চিন্তা করতে ও আমার মন চায় না..
যখন তার ফ্রেন্ডকে বললাম এসব কথা আপনাকে কে বলতে বলছে, তার বন্ধুর উত্তর ছিলো এগুলো নাকি ভদ্রলোকেরই কথা।
তিনি আমাকে ডিরেক্টলি মানা করে দিলেই হতো। আমি কিছুই মনে করতাম না.. যথেষ্ট স্ট্রং মেয়ে আমি।।
শুধু শুধু ফ্রেন্ড কে দিয়ে আমাকে অপমান করিয়েছিলো..
অনেকদিন আমার কথাগুলো মনে থাকবে।।

মানুষের আত্মসম্মান সবচেয়ে বড় তারপর ভালোবাসা...
আরেহ ভাই আমার ফ্যামিলি গরীব হতে পারে, অবস্থান নিচু হতে পারে কিন্তু কারো কাছে তো হাত পাততেছে না..
মানুষ ইচ্ছে করে গরীব ঘরে জন্ম নেয় না...

তারপর যা বুঝলাম কাউকে ভালোবাসতে হলে আগে নিজের অবস্থান তারপর যাকে ভালোবাসবো তার অবস্থানের দিকে তাকিয়ে ভালোবাসা উচিত। নইলে দিন শেষে মারাত্মক অপমানিত হতে হবে।🙂
আমার এই গরীব চেহারা তাকে কখনও দেখতেও হবেনা।
আর কখনো আমার মুখ তার দেখতে যেনো নাহয়।
খুব ভালোবাসাতাম তো, সহ্য করতে পারবো না।

©জারিন জান্নাত🥀

এরকম ভাবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা না জানালে আরেকটা বিয়ে করবো প্রিয়!
13/09/2021

এরকম ভাবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা না জানালে আরেকটা বিয়ে করবো প্রিয়!

13/09/2021

আল্লাহ চেয়েছিলেন বলেই আপনি হারিয়েছেন, পাওয়ার সময় হলে আবার আল্লাহই দিবেন!'🖤

Address

Dhaka-Chittagong Highway
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I am back posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category