নিউজ বাংলা

Call Contact the business

নিউজ বাংলা This page provides news authentic including No political post,No hatred,racial post allowed.

🛑হামুদুর রহমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে এসেছিলেন মুসলমানদের সাথে থাকার জন্য।তিনি ছিলেন একজন বাঙালি...
15/10/2026

🛑হামুদুর রহমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে এসেছিলেন মুসলমানদের সাথে থাকার জন্য।

তিনি ছিলেন একজন বাঙালি মুসলমান ইঞ্জিনিয়ার।

১৯৭১ সালের মার্চে যখন বিহারি গণহত্যা শুরু হয়, তখন ইপিআরের বাঙালি জওয়ান ও তাদের স্থানীয় দোসররা হামুদুর রহমানকে আটক করে।

বলা হয় হামুদুর রহমান নাকি পকেট ট্রান্সমিটারে করে চট্টগ্রামের কাপ্তাই থেকে রাওয়ালপিন্ডিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাঠাচ্ছিলেন!

হামুদুর রহমানকে যখন তার স্বধর্মের, স্বজাতির লোকেরা খুন করছিল তখন হামুদুর রহমানের স্ত্রী হাত জোর করে কান্না করে বলেন যে, হামুদুর রহমানের দুই ছেলের মধ্যে অন্তত একজনকে যেন বেঁচে থাকতে দেওয়া হয়। কারণ পরিবারের দেখাশোনার জন্য একজন পুরুষ মানুষ তো অন্তত দরকার হবে।

মুক্তিযোদ্ধারা অবশ্য এতে কর্ণপাত করেন নাই। তারা হামুদুর রহমান এবং তার দুই ছেলেকে খুন করে।

কাপ্তাইয়ে যেদিন পাকিস্তান আর্মি আসে সেদিন হামুদুর রহমানের স্ত্রী শাড়ি পরে উদভ্রান্তের মত রাস্তায় হাঁটছিলেন।

হামুদুর রহমানের একটা ছোট মেয়ে ছিল। মেয়েটা খুব ভাল রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইত।

Copy from Muhammad Israk

🛑 আবারো সংখ্যালঘু নির্যাতন : হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের খাতায় আরেকটি নাম উঠলো :বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সাত...
15/10/2026

🛑 আবারো সংখ্যালঘু নির্যাতন : হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের খাতায় আরেকটি নাম উঠলো :

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সাতক্ষীরা শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদঘাটা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ভাতিজা রমেশ মন্ডলের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা কমলা রানী মন্ডল (৫০) ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডল (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন।

নিহত সুধা রানী মন্ডল ওই গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মন্ডল একই গ্রামের শ্রীদাম মন্ডলের ছেলে। আহত সমীর কুমার মন্ডল নিহতের ছেলে এবং রমেশের চাচাতো ভাই।

প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক কলহের জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রমেশ মন্ডল তার মা, চাচি ও চাচাতো ভাইকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।

পরে পরিবারের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন। সমীর কুমার মন্ডলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত কমলা রানী মন্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের লাশ শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।

15/10/2026

রবীন্দ্রনাথ কোন ধর্মের ব্যক্তি ছিলেন তা নিয়ে দেখলাম একটা তর্ক বিতর্ক শুরু হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের ধর্ম চর্চা নিয়ে তর্ক বিতর্ক হতেই পারে এটা হওয়াটা অহেতুক নয়। কিন্ত সমস্যা হল রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে এই দেশের মানুষকে হিন্দু বিদ্বেষ বানাবার পায়তারা করা হচ্ছে যা ভুল। যদি হিন্দু বিদ্বেষই উদ্দেশ্য থাকে তাহলে রবীন্দ্রনাথের পাশাপাশি সুকান্ত, জীবনানন্দ এদের নামধামও সমালোচনা হিসেবে আলোচনাতে আসত। কিন্ত বাংলাদেশের মানুষ সুকান্ত , জীবনানন্দ সহ অন্যান্য কবিদের প্রতি বরাবরই শ্রদ্ধা এবং তাদের কবিতা চর্চা করে এসেছে ।
রবীন্দ্রনাথের প্রতি যে ঘৃণা কাজ করে এই দেশের মানুষের তার পিছনে রবীন্দ্রনাথ হিন্দু হবার চেয়েও তার জমিদার হওয়াটা বেশি কাজ করে। পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা বৃটিশ আমলে চরমভাবে নির্যাতিত নিপীড়িত ছিল। আর এই নির্যাতনটা জমিদারদের দ্বারাই বেশি ঘটেছে। নিজের বানানো পুকুর থেকে ক্লান্ত জমিদারকে পানি খাওয়ালে সেই পানি খাবার পরেই সেই জমিদারদের সেই পুকুরের উপর করারোপ করবার ইতিহাস আছে। আর কর আদায়ের জন্য নৃশংস অত্যাচার, জুলুম তা এই বঙ্গের মানুষ ভুলে নাই।
জমিদারদের ছেলেপেলেদের বড় একটা অংশই কলকাতা, বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা করে আসত। কিন্ত সেগুলো এই বঙ্গের মুসলমানদের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের পিছনে কোন কাজে লাগত না। যত বেশি শিক্ষিত সে তত বেশি স্মার্টলি কর আদায় করতে জানত। রবীন্দ্রনাথের প্রতি যে ঘৃণা কিংবা রবীন্দ্রনাথের বিশাল সাহিত্য কর্ম থাকবার পরেও তাকে যে তাচ্ছিল্য করার যে সংস্কৃতি এই দেশের মানুষের মধ্যে আছে তা মূলত বংশানুক্রমে পাওয়া। যাকে কালেক্টিভ মেমোরি অফ এনমিটি বলা সম্ভব। আমরা জমিদার বললেই বুঝি এই দেশের মুসলমানদের উপর দাঁড়ির জন্য কর চাপিয়ে দেওয়া। হিন্দুদের পুজা উৎসব উপলক্ষে জোর করে মুসলমানদের থেকে কর আদায় করা। গরু কোরবানি করতে নিষেধাজ্ঞা করা। এগুলো আমাদেরকে এক ঐতিহাসিক শত্রুতার ডিএনএ বপন করে দিয়ে গিয়েছে। যা আমাদের ডিএনএ-তে সংরক্ষিত।
জমিদারের পোলা নোবেল পেলেও আমার লাভ নাই কেননা এই পোলাই আমার কাছে মাস শেষ হবার আগেই কর আদায়ের জন্য পাইক পেয়াদা নিয়ে হাজির হবে। এটা আমাদের দাদা, পরদাদারা ভাল করে জানতেন। এজন্য রবীন্দ্রনাথ পশ্চিমবঙ্গে বরনীয় হলেও পূর্ববঙ্গের চাষা ভুষা মানুষ অর্থাৎ আমরা রবীন্দ্রনাথ বলতেই জমিদার বুঝি।
এখন রবীন্দ্রনাথের ধর্মচর্চা নিয়ে কথা বলা যাক। রবীন্দ্রনাথকে হিন্দু বললে অনেক সেক্যুলারই নিজেকে আতেল প্রমাণ করার জন্য এগিয়ে আসেন। যে রবীন্দ্রনাথ যে ব্রাহ্ম ছিলেন এই বিষয়টা আমরা যেন ভুলে যাচ্ছি। অথচ রবীন্দ্রনাথের নিজের স্বীকারোক্তি আছে যে সে তার ব্রাহ্ম ধর্ম মূলত হিন্দুরই ধর্ম। রবীন্দ্রনাথ হিন্দু দর্শন খুব ভালো করে বুঝতেন এবং জানতেন। ব্রাহ্ম ধর্মকে এভাবেই সাজানো হয়েছিল যেন তা তার ঐতিহাসিক উৎসস্থল কে ভুলে না যায়। হিন্দু দর্শনে নাস্তিকতা যেমন সম্ভব , মূর্তি বাদ দিয়ে প্রকৃতি পুজা যেমন সম্ভব তদ্রুপ একজনকে কেন্দ্র করে ভক্তি শ্রদ্ধা করাও সম্ভব। অর্থাৎ ব্রাহ্ম ধর্মকে রবীন্দ্রনাথেরা হিন্দু ধর্মের একটি আমব্রেলার অংশ হিসেবে নিয়েছিলেন। এটা আমার কথা না । স্বয়ং রবীন্দ্রনাথই এরকম কথা বলে গিয়েছেন ।
রবীন্দ্রনাথ তার 'ভারতবর্ষীয় সমাজ' নামক প্রবন্ধে বলেন -

" সমাজকে শিক্ষাদান, স্বাস্থ্যদান, অন্নদান, ধনসম্পদ-দান, ইহা আমাদের নিজের কর্ম; ইহাতেই আমাদের মঙ্গল-- ইহাকে বাণিজ্যহিসাবে দেখা নহে, ইহার বিনিময়ে পুণ্য ও কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই আশা না করা, ইহাই যজ্ঞ, ইহাই ব্রহ্মের সহিত কর্মযোগ, এই কথা নিয়ত স্মরণ করা, ইহাই হিন্দুত্ব। স্বার্থের আদর্শকেই মানবসমাজের কেন্দ্রস্থলে না স্থাপন করিয়া, ব্রহ্মের মধ্যে মানবসমাজকে নিরীক্ষণ করা, ইহাই হিন্দুত্ব।"
রবীন্দ্রনাথ আরেক স্থানে স্পষ্টই বলেছেন সে তার ধর্মচর্চার জন্য হিন্দুসম্প্রদায়ের বাহিরের কিছু বিষয়টা মোটেও এরকম নয়। বরং সে নিজেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তই মনে করতেন।
রবীন্দ্রনাথ তার 'সাকার ও নিরাকার উপাসনা' প্রবন্ধে বলেন -

"সম্প্রতি কিছুকাল হইতে সাকার নিরাকার উপাসনা লইয়া তীব্রভাবে সমালোচনা চলিতেছে। যাঁহারা ইহাতে যোগ দিয়াছেন তাঁহারা এম্‌নি ভাব ধারণ করিয়াছেন যেন সাকার উপাসনার পক্ষ অবলম্বন করিয়া তাঁহারা প্রলয়জলমগ্ন হিন্দুধর্মের পুনরুদ্ধার করিতেছেন। নিরাকার উপাসনা যেন হিন্দুধর্মের বিরোধী। এইজন্য তাহার প্রতি কেমন বিজাতীয় আক্রোশে আক্রমণ চলিতেছে। এইরূপে প্রাচীন ব্রহ্মজ্ঞানী ঋষি ও উপনিষদের প্রতি অসম্ভ্রম প্রকাশ করিতে তাঁহাদের পরম হিন্দুত্বের অভিমান কিছুমাত্র সংকুচিত হইতেছে না। তাঁহারা মনে করিতেছেন না, ব্রাহ্ম বলিয়া আমরা বৃহৎ হিন্দুসম্প্রদায়ের বহির্ভূত নহি।

হিন্দুধর্মের শিরোভূষণ যাঁহারা, আমরা তাঁহাদের নিকট হইতে ধর্মশিক্ষা লাভ করি। অতএব ব্রাহ্ম ও হিন্দু বলিয়া দুই কাল্পনিক বিরুদ্ধপক্ষ খাড়া করিয়া যুদ্ধ বাধাইয়া দিলে গোলাগুলির বৃথা অপব্যয় করা হয় মাত্র।"
ব্রাহ্ম ধর্ম যে হিন্দুরই ধর্ম এ কথার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি রবীন্দ্রনাথ করে গিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ তার 'আত্মপরিচয়' প্রবন্ধে বলেন -

"আমরা যে-ধর্ম্মকে গ্রহণ করিয়াছি তাহা বিশ্বজনীন তথাপি তাহা হিন্দুরই ধর্ম্ম। এই বিশ্ববর্ম্মকে আমবা হিন্দুর চিত্ত দিয়াই চিন্তা করিয়াছি, হিন্দুর চিত্ত দিয়াই গ্রহণ করিয়াছি। শুধু ব্রহ্মের নামের মধ্যে নহে, ব্রহ্মের ধারণার মধ্যে নহে, আমাদের ব্রহ্মের উপাসনার মধ্যেও একটি গভীর বিশেষত্ব আছেই—এই বিশেষত্বের মধ্যে বহুশত বৎসরের হিন্দুর দর্শন, হিন্দুর ভক্তিতত্ত্ব, হিন্দু যোগসাধনা, হিন্দুর অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠান, হিন্দুর ধ্যানদৃষ্টির বিশেষত্ব ওতপ্রোতভাবে মিলিত হইয়া আছে। আছে বলিয়াই তাহা বিশেষ ভাবে উপাদেয়, আছে বলিয়াই পৃথিবীতে তাহার বিশেষ মূল্য আছে; আছে বলিয়াই সত্যের এই রূপটিকে—এই রসটিকে মানুষ কেবল এখান হইতে পাইতে পারে।"
রবীন্দ্রনাথ খুব সচেতন এক ব্যক্তি ছিলেন। মানে যে চর্চাটাই করতেন তা অন্ধের মত ছিল না। তার ধর্মের ব্যাপারেও তিনি সচেতন ছিলেন। ব্রাহ্ম ধর্ম গ্রহন করে একজন সৃষ্টিকর্তার উপর আস্তাশীল হলেও তিনি জানতেন তার এই চর্চা হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হলেও তা কোন্মতেই মুসলমান কিংবা খৃস্টানদের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হবে না। রবীন্দ্রনাথ তার 'রামমোহন রায়' শীর্ষক প্রবন্ধে বলেন ,

"আমি যদি উদারতা-পূর্বক বলি, খ্রীস্টধর্মে ব্রাহ্মধর্ম আছে, মুসলমান-ধর্মে ব্রাহ্মধর্ম আছে, তবে উদারতা-নামক পরম শ্রুতিমধুর শব্দটার গুণে তাহা কানে খুব ভালো শুনাইতে পারে, কিন্তু কথাটা মিথ্যা কথা হয়। সুতরাং সত্যের অনুরোধে মিথ্যা উদারতাকে ত্যাগ করিতে হয়। এইজন্য রামমোহন রায়ের ব্রাহ্মধর্ম ঋষিদেরই ব্রাহ্মধর্ম ।"
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নোবেল পাবার পর তাকে যতগুলো পত্রিকা তাকে নিয়ে রিপোর্ট করেছে প্রায় সব রিপোর্টেই তাকে হিন্দু কবি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্টগুলোর বিরোধিতা করে রবীন্দ্রনাথ কখনো কোন মন্তব্য দিয়েছে তা জানা যায় না। অর্থাৎ তিনি কোথাও নিউ ইয়র্ক টাইমসের অমুক রিপোর্টে তাকে কেন হিন্দু বলে সম্বোধন করা হল অথচ সে ব্রাহ্মন এরকম কোন বক্তব্য আমরা রবীন্দ্রনাথের থেকে পাইনি।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর রবীন্দ্রনাথ কেন্দ্রিক বাংলাদেশকে জড়িয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস তিনটে রিপোর্ট করে সেখানে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করা হয় যেহেতু মেজোটিরিয়ান মুসলিম দেশ হয়েও নিজেদেরকে সেক্যুলার প্রমাণ করার জন্য তারা একজন হিন্দু লেখকের লেখা গানকে নিজেদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে তুলে ধরেছে।
তাই কেউ যদি রবীন্দ্রনাথকে হিন্দু বলে তাহলে তা ভুল না। বরং এটাই সঠিক বক্তব্য। অন্যদিকে যারা রবীন্দ্রনাথকে ব্রাহ্ম বলে তার হিন্দু আইডেন্টিটিকে লুকিয়ে ফেলতে চান তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে। তারা যতটুকু না রবীন্দ্রনাথকে বাচাতে চান তার থেকে বেশি এই দেশের মুসলমানদেরকে হিন্দুবিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক হিসেবে তুলে ধরতে চান।
সংযুক্ত ছবি: রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির পর নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি রিপোর্ট যা তার নোবেল প্রাপ্তির দশদিন পর ছাপানো হয় অর্থাৎ ২৩ শে নভেম্বর ১৯১৩ সাল।

15/10/2026

Copy from দিপ্র হাসান

আমি নিজে রবীন্দ্রনাথ পড়ি।

অনার্স টাইমে এক সুন্দ্রি একবার জিগাইছিল, প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্র মাস। এইটা কার কবিতা? তখনও আমার রবীন্দ্রনাথ খুব একটা পড়া হয়নি। গানও শোনা হয়নি তেমন। সে আমার কাছে পুরো কবিতাটা চেয়েছিল। (যদিও এইটা গান, সে কইছিল কবিতা)। কিন্তু আমি তারে দিতে পারি নাই। সে তখন আমারে ব্যঙ্গ কইরা কইছিল, আপনি এত পড়াশোনা করেন অথচ এইটা জানেন না? ওর কথা শুইনা আমার জিদ চাইপা গেল।

হলের লাইব্রেরিতে তখন এক সেট রবীন্দ্র রচনাবলি ছিল। আমার তখন নোট করে পড়ার অভ্যাস। আমি টানা ছয় মাস রবীন্দ্রনাথ পড়েছিলাম। প্রতিটা লাইন। প্রতিটা পৃষ্ঠা।

প্রথমে কবিতা ও গান পড়া শুরু করলেও ধীরে ধীরে গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, পত্রাবলি সবই পড়ে ফেলি।

আমি চেয়েছিলাম সেকুলারদের আব্বা রবীন্দ্রনাথের ব্যাপারে আমার জানার যেন কোনও কমতি না থাকে। আমি যেন বুঝায়া দিতে পারি রবীন্দ্রনাথের ব্যাপারে আমি তোমাদের চেয়ে বেশি জানি।

সেই ছয় মাসের জার্নি নিয়া আমি বিস্তারিত লিখতে চাইছিলাম।কিন্তু আল্লাহ তায়ালার এমনই মর্জি যে, তার পরপরই আমার টাইফয়েড হয়। এক দুইবার নয়। চারবার। ফলে সেই নোটবুক ছাড়া রবীন্দ্রনাথের লেখা সম্পর্কে আমার বলতে গেলে খুব একটা মনে ছিল না পরবর্তীতে।

বিশ্ববিদ্যালয় থিকা বের হওয়ার পর একবার সেই নোটবুকটা খুলে বসেছিলাম। অবাক করা ব্যাপার হল সেখানে সতের দিন লেখা ছিল, আজও রবীন্দ্রনাথের লেখায় মুসলমানদের নিয়ে একটা শব্দও পেলাম না।

রবীন্দ্রনাথ ইসলাম বিদ্বেষী ছিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করেছে এসব কথা শুনতাম। তাই রবীন্দ্রনাথ পড়ার সময় সে মুসলমানদের নিয়ে কি বলেছে সেটা জানতে হয়ত উদগ্রীব ছিলাম।

রবীন্দ্রনাথের অসংখ্য কবিতা গান হিন্দু ধর্ম গ্রন্থের সরাসরি অনুবাদ। আপনার যদি ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান না থাকে তাহলে রবীন্দ্রনাথ পড়তে থাকলে আপনি ধীরে ধীরে হিন্দু হইয়া উঠবেন। বলতে দ্বিধা নাই, আমি যখন রবীন্দ্রনাথ পড়ি তখন পুরোদস্তুর সেকুলার ছিলাম।

সেই টাইফয়েড আমারে আবার ধর্মে ফিরায়া আনে।

আমি যেহেতু কালচার নিয়া কাজ করার সিদ্ধান্ত নিছিলাম, তাই বাংলাদেশের মুসলমানদের হি*ন্দু*ত্ব-*বাদের দাস বানায়া রাখার সবচেয়ে বড় অস্ত্র রবীন্দ্রনাথ আমাকে পড়তেই হত। আমি দ্বিতীয়বার রবীন্দ্রনাথ পড়ি আরও বেশি সময় নিয়ে। তবে এবার মনে হল, আগেরবার যেই রচনাবলি পড়েছিলাম সেখানে সব লেখা ছিল না। কিংবা হয়ত পড়লেও নোট করিনি। এবারের পড়ায় আরেকটা সত্য সামনে এলো, রবীন্দ্রনাথ প্রচুর পরিমাণে হিন্দু ধর্মের বিষয়গুলোকে তার লেখায় স্থান দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় কবি কালিদাস থেকে শুরু করে বিশ্বের অনেক লেখকের লেখাকে সে আত্মীকরণের মাধ্যমে নিজের লেখাকে সমৃদ্ধ করেছে।

আপনি যদি রবীন্দ্রনাথ পড়ার আগে হিন্দু পুরাণ, উপনিষদ আর কালিদাস ভাল কইরা পড়েন তাইলে মনে হইব, আয়হায় হেতে দেহি আরেকজনের জিনিস নিজ নামে চালায়া দিছে।

যাহোক, আপনি যার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চান তাকে ভালভাবে অধ্যয়ন না করলে তাকে পরাজিত করতে পারবেন না। সুতরাং যদি সাহিত্য দিয়ে সাহিত্যের মোকাবিলায় বিশ্বাসী হন তাহলে প্রথমেই রবীন্দ্রনাথের গুরু গ্যেটে পড়বেন। তারপর কালিদাস তারপর পুরাণ এবং উপনিষদ। এরপর পড়বেন রবীন্দ্রনাথ।

ও হ্যাঁ এসব পড়া শুরুর আগে অবশ্যই মহাগ্রন্থ আল কুরআন একবার অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ পড়ে ফেলবেন। কুরআন পড়ার পর যদি বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপারে মোটামুটি জেনে নিতে পারেন তাহলে দেখবেন হিন্দু উপনিষদের চেয়ে বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপারগুলো অনেক বেশি আধুনিক।

এখন ধরেন একটা জাতি পবিত্র কুরআন সম্পর্কে কিছুই জানে না। কোনওদিন পড়েওনি। আপনি যদি সেই জাতির কাছে কুরআনের কথাগুলোকেই তাদের ভাষায় নিজের কথা হিসেবে চালিয়ে দিতে পারেন তাহলে তারা আপনাকে কোন চোখে দেখবে? তাদের চোখে আপনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে কি বিবেচিত হবেন না?

রবীন্দ্রনাথ সমকালীন বিশ্বের অনেক কিছুকে তার লেখায় স্থান দিলেও তার দর্শণ ছিল মূলত হিন্দু দর্শণ। তাকে প্রাচীণ হিন্দু পুরাণ ও উপনিষদের আধুনিক ভাষ্যকার বলা চলে। সে হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ছিল একজন আধুনিক হিন্দু ধর্ম প্রচারক। এবং এ ক্ষেত্রে তারচেয়ে সফল আর কেউ নাই। এমনকি চৈতন্যও এতটা সফল হয়নি। আজ বাংলা ভাষী কোটি কোটি মুসলমান শুধুমাত্র রবীন্দ্রনাথ পড়েই হিন্দু হয়ে গেছে। তারা আজ নামে মুসলমান। কিন্তু কাজে ও সংস্কৃতিতে পুরোদস্তুর হিন্দু।

আপনার যেহেতু হিন্দু উপনিষদ পড়া নাই, পুরাণ পড়া নাই, কালিদাস পড়া নাই তাই রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়ে আপনি চমৎকৃত হন। তারে পুজা করেন। কিন্তু যদি এগুলা পড়া থাকে তাইলে রবীন্দ্রনাথকে একজন ভাল অনুবাদক ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না।

এতক্ষণ ধরে এত কথা এইজন্য বললাম, যাতে আপনারা এক আধটু পড়াশোনা করেন। তাইলেই ছবি ছেঁড়া, মুর্তি ভাঙা বা মুখে কালি মাইখা কাউরে প্রতিহত করা লাগবে না। ওরা আপনা আপনিই প্রতিহত হয়ে যাবে।

আজকের পিক
13/10/2026

আজকের পিক

13/10/2026

🛑ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়েই সফটওয়্যারে দেখাতেন টাকা, ১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পার্থ সারথী হালদার

গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা দিতেন না। অথচ প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারে দেখাতেন টাকা জমা হয়েছে। কখনো আবার মালিকের সই করা ফাঁকা চেকে প্রাপকের নাম বদলে অর্থ সরিয়ে নিতেন ব্যক্তিগত হিসাবে। এভাবে সানজি গ্রুপ অব কোম্পানিজের ১৬ কোটি ৬২ লাখ ৪১ হাজার ২১৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এমন সব অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (অর্থ ও হিসাব) পার্থ সারথী হালদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গতকাল সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার পশ্চিম রাজাবাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে সিআইডি।

সিআইডি বলছে, অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

সানজি গ্রুপ অব কোম্পানিজের ১৬ কোটি ৬২ লাখ ৪১ হাজার ২১৫ টাকা আত্মসাৎ করার ঘটনায় গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করে প্রতিষ্ঠানটি।

সিআইডির তথ্যমতে, পার্থ সারথী হালদার গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ নিজের ব্র্যাক ব্যাংকের হিসাবে জমা ও স্থানান্তরের মাধ্যমে ২ কোটি ২৭ লাখ ২২ হাজার ৮৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া এনআরবিসি ব্যাংকের দুটি হিসাব ব্যবহারসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে অর্থ আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। সানজি গ্রুপের আরেক প্রতিষ্ঠান পানামা সিএনজি কনভার্সন থেকেও একই ধরনের কৌশলে ৬৫ লাখ ৭ হাজার ৯৫০ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে

12/10/2026

🌻আল মাহমুদের ছবি কি আছে সেগুনবাগিচায়?
উনি কিন্তু ছাত্রদল যাত্রা করে যে অনুষ্ঠানে, সেখানে ছিলেন।
জিয়াউর রহমানকে নিয়ে লিখেছেন।
খালেদা জিয়াকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন।

আল মাহমুদ জামায়াতের কাউকে নিয়ে কিন্তু কবিতা বা অন্য লেখা লেখেন নাই।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কি ওনাকে জামায়াত ভেবে বাদ দিলো?

আর সঞ্জীব চৌধুরীকে কী ভেবে রাখলো?
সঞ্জীব চৌধুরী বিএনপির বিরুদ্ধে গান লিখে ছিলেন!

12/10/2026

😪৯৯৯–এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, দেখল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী

গাজীপুরের শ্রীপুরে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত তাঁর স্বামীকে আটক করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের বড়চালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সীমা রানী দাস (২৫) চিনাশুকানিয়া গ্রামের উদ্ভব চন্দ্র দাসের (২৮) স্ত্রী।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, উদ্ভব আগেও বিয়ে করেছিলেন। মাদকাসক্তির কারণে প্রথম স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যান। এরপর প্রায় দুই বছর আগে সীমাকে বিয়ে করেন তিনি।

সীমার শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত আছে বলে জানান শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম।

Address

GEC, Chattogram
Chittagong
4000

Telephone

+8801975373891

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নিউজ বাংলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নিউজ বাংলা:

Shortcuts

Share