মীরা ভক্ত কৃষ্ণ কথা

মীরা ভক্ত কৃষ্ণ কথা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মীরা ভক্ত কৃষ্ণ কথা, Real Estate, Chittagong.

❤️❤️
09/12/2025

❤️❤️

✺ উৎপন্না একাদশী ✺📅 তারিখ: ১৫ই নভেম্বর ২০২৫ | ২৮শে কার্তিক ১৪৩২ | শনিবার🪔 উৎপন্না একাদশী ব্রত 🪔পারণ সময় 📿 পরের দিন রবিবা...
15/11/2025

✺ উৎপন্না একাদশী ✺
📅 তারিখ: ১৫ই নভেম্বর ২০২৫ | ২৮শে কার্তিক ১৪৩২ | শনিবার
🪔 উৎপন্না একাদশী ব্রত 🪔
পারণ সময়
📿 পরের দিন রবিবার সকাল
🕘 পশ্চিমবঙ্গ: সকাল ৯:১১ মিঃ – ৯:৩১ মিঃ এর মধ্যে
🕘 বাংলাদেশ: সকাল ৯:৪১ মিঃ – ৯:৫১ মিঃ এর মধ্যে
🔸 ⊱✦ পারণ মন্ত্র ✦⊰ 🔸
"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব"।।
🌼 #উৎপন্না_একাদশী_মাহাত্ম্য 🌼
অর্জুন বললেন —
> “হে দেব! অগ্রহায়ণের কৃষ্ণপক্ষের এই একাদশীকে কেন ‘উৎপন্না’ বলা হয়? এবং কী জন্য এটি দেবতাদের প্রিয়?”
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন —
> “হে পার্থ! সত্যযুগে ‘মুর’ নামে এক ভীষণ অসুর ছিল, যে দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ দখল করে নেয়। দেবতারা অসহায় হয়ে শরণ নেন মহাদেবের কাছে। মহাদেব তাঁদের বলেন — ‘যেখানে জগন্নাথ, গরুঢধ্বজ শ্রীবিষ্ণু বিরাজ করছেন, সেখানে যাও, তিনি তোমাদের রক্ষা করবেন।’
দেবতারা তখন ক্ষীরসমুদ্রের তীরে গিয়ে শ্রীবিষ্ণুর স্তব করেন। ভগবান তাঁদের দুঃখ শুনে মুর দানব বধে স্বয়ং যুদ্ধ করেন। সহস্র বছর যুদ্ধ চললেও মুর দানবকে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। তখন শ্রীহরি বদরিকা আশ্রমের সিংহাবতী গুহায় বিশ্রাম নেন।
সে সময় মুর দানব তাঁকে নিদ্রিত দেখে হত্যা করতে উদ্যত হয়। ঠিক তখনই শ্রীবিষ্ণুর শরীর থেকে এক দেবী উৎপন্ন হন — তিনি দেবী ‘একাদশী’।
তিনি দিব্য অস্ত্র ধারণ করে মুর দানবকে বধ করেন।
ভগবান জেগে উঠে জিজ্ঞেস করলেন —
> ‘হে দেবী! এই ভীষণ দানবকে কে বধ করল?’
দেবী বললেন —
> ‘প্রভু, আমি আপনার শরীর থেকে উৎপন্ন হয়েছি। আপনি যখন বিশ্রামে ছিলেন, তখন এই দানব আপনাকে বধ করতে চেয়েছিল। আমি আপনার শক্তিতে একে বধ করেছি।’
ভগবান বললেন —
> ‘হে দেবী! তুমি যেহেতু একাদশী তিথিতে উৎপন্ন হয়েছ, তাই তোমার নাম হবে উৎপন্না একাদশী। তুমি আমার পরাশক্তি। তোমার ব্রত পালনকারী সকল ভক্তদের আমি মোক্ষ ও সর্বসিদ্ধি দান করব।’
দেবী একাদশী প্রার্থনা করলেন —
> ‘হে ভগবান! যারা আমার ব্রত পালন করবে, তারা যেন আপনার অনুগ্রহে সকল বাধা থেকে মুক্তি পায় এবং চিরসুখ লাভ করে।’
ভগবান বিষ্ণু আশীর্বাদ করলেন —
তাই হোক। তুমি হরিপ্রিয়া নামে জগতে পূজিতা হবে। তোমার ব্রত পালনকারীর সকল মনোবাসনা পূর্ণ হবে’

*একাদশী বার্তা* 💥 *উত্থান একাদশী*💥  এবং *শুভ ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত - ২০২৫* 💥🏵 *আগামী  ০২ ই নভেম্বর ,  রবিবার* , ১৫ কার্তিক, ১...
02/11/2025

*একাদশী বার্তা*
💥 *উত্থান একাদশী*💥
এবং *শুভ ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত - ২০২৫* 💥
🏵 *আগামী ০২ ই নভেম্বর , রবিবার* , ১৫ কার্তিক, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ *গৌর একাদশী*
💥 *আগামী রবিবার উত্থান (প্রবোধিনী) একাদশী ব্রত এবং মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত আরম্ভ।* 🙏
💥 সকলে এই একাদশী ব্রত পালন করবেন এবং অন্যদের এই ব্রত পালনে উৎসাহিত করবেন। এবং মনুষ্য জীবনকে সার্থক করে তুলুন। সেই উপলক্ষে
সকল সাধু গুরু ভক্তবৃন্দের চরণে আমার শতকোটি দন্ডবত প্রণাম l 🙏
🏵 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত সময় সূচী*:-
👉 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত আরম্ভ*:-
*০২ ই নভেম্বর,রবিবার*,
২০২৫ , ১৫ কার্তিক , 🙏
💥 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত সমাপ্ত* :-
*আগামী ০৫ নভেম্বর , বুধবার* ২০২৫ , ১৮ কার্তিক, পূর্ণিমা।🙏
💥 শুভ দামোদর ব্রতের ২৬ তম দিবসে সকল সাধু গুরু বৈষ্ণব গনের শ্রী চরণে জানাই কৃষ্ণময় সুপ্রভাত ও শুভ দামোদর মাসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অগনিত ভক্তিপূর্ণ দন্ডবৎ প্রনাম । 🙏
💥 *যারা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করতে চান, তাদের ব্রতটি পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত ব্রত পালন করা উচিত। সাধারণত এই ব্রতটি পাঁচদিনের। আপনাদের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহকে ঘৃত প্রদীপ এবং ফুল নিবেদন করা উচিত। প্রথম দিন ভগবানের শ্রীচরণপদ্মে পদ্মফুল নিবেদন করা হয়। দ্বিতীয় দিন ঊরুতে বেলপাতা নিবেদন করা হয়। তৃতীয়দিন ভগবানের নাভিদেশে গন্ধদ্রব্য নিবেদন করা হয়। চতুর্থদিন ভগবানের স্কন্ধে জবাফুল নিবেদন করা হয়। আর পঞ্চমদিনে ভগবানের মস্তকে মালতীফুল নিবেদন করা হয়। যদি আপনি গঙ্গায় স্নান করতে এবং তর্পণ করতে যেতে না পারেন, তাহলে আপনি তিনবার "গঙ্গা" উচ্চারণ করতে পারেন এবং ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম নিবেদন করার সময় নিম্নোক্ত তিনটি মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারেন।*
🏵 *আগামী ০২ ই নভেম্বর , রবিবার*
*অনুষ্ঠানসূচি নিম্নে বর্ণিত হলো* :-
*****************************************
👉 *উত্থান একাদশীর ব্রত উপবাস*।

👉 *মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত আরম্ভ।*

👉 *ত্রিস্পৃশা মহাদ্বাদশী*🙏

👉 *শ্রীল গৌরকিশোর*
*দাস বাবাজি মহারাজের তিরোভাব তিথি*

👉 *দুপুর পর্যন্ত উপবাস*।🙏

💥 *একাদশী সংকল্প মন্ত্র* :-
***************************************
একাদশীর দিন ভগবান কৃষ্ণের সম্মুখে আমরা অবশ্যই সংকল্প নেব –

👉 একাদশ্যাম্‌ নিরাহারঃ স্থিতা অহম্ অপরেহহনি।
ভোক্ষ্যামি পুন্ডরীকাক্ষ স্মরনম্‌ মে ভবাচ্যুত।।🙏

👉 অনুবাদ : হে পুন্ডরীকাক্ষ! হে অচ্যূত! একাদশীর দিন উপবাস থেকে এই ব্রত পালনের উদ্দেশ্যে আমি আপনার স্মরণাপন্ন হচ্ছি।🙏

🏵 *পারনের সময় (পরের দিন)*: --
****************************************
💥 কলকাতা, ভারত সময় :-
সকাল ০৫ : ৪১থেকে ০৯ : ২৭ মি: মধ্যে।

💥 বাংলাদেশ সময় :-
সকাল ০৬ : ০৫ থেকে ০৯ : ৪৯ মি: মধ্যে ।

💥 একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর অর্থাৎ, উপবাসের পরদিন সকালে যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে,🙏

🏵 *শুভ ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত - ২০২৫* 💥
********************************************
💥 *শুভ ভীষ্ম পঞ্চক ব্রতটি ০২ ই নভেম্বর একাদশীর দিন থেকে শুরু হয় এবং ০৫ ই নভেম্বর রাসপূর্ণিমার দিন পর্যন্ত চলবে* (চাতুর্মাস্যের শেষ দিন, দামোদর মাসের শেষ দিন)। এই ব্রত রাসপূর্ণিমার দিন সূর্যাস্ত (অথবা চন্দ্রোদয়) পর্যন্ত সম্পন্ন হয়। সাধারণত একাদশীতে সম্পূর্ণ উপবাস এবং তারপর পরবর্তী দিনগুলিতে ফলমূল গ্রহণ করতে বলা হয়। অথবা কেউ পাঁচদিনই ফলমূল গ্রহণ করতে পারে।🙏

🏵 *হরে কৃষ্ণ প্রিয় ভক্তবৃন্দ, ভীষ্মপঞ্চক ব্রত ও দামোদর ব্রত সংক্রান্ত* বিভিন্ন মন্ত্র ও নিয়মসমূহ ছবির মধ্যে দেওয়া হয়েছে আপনারা সবাই দেখে নেবেন :-
********************************************
👉 *ভীষ্মপঞ্চক ব্রতের সংকল্প মন্ত্র* ❓

👉 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রতের তর্পনবিধি এবং মন্ত্র*❓

👉 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রতের আহারের বিধি*❓

👉 *কোন দিন কি কি ফুল অর্পন করতে হয়*❓
👉 *দামোদর ব্রত ও*
*ভীষ্মপঞ্চক ব্রত*
*সমাপনের পারণ মন্ত্র কি* ❓

🏵 *মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক! ব্রত* :-
**************************************
💥 শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের পক্ষ থেকে,

💥 যারা ভীষ্ম পঞ্চক পালন করতে চান, তাদের ব্রতটি পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত ব্রত পালন করা উচিত। এই বছর মায়াপুরে এই ব্রতটি ০২ ই নভেম্বর থেকে ০৫ ই নভেম্বর পালিত হচ্ছে। সাধারণত এই ব্রতটি পাঁচদিনের। আপনাদের রাধাকৃষ্ণ বিগ্রহ অথবা অন্য যেকোন বিগ্রহকে ঘৃত প্রদীপ এবং ফুল নিবেদন করা উচিত।🙏

👉 *প্রথম দিন* ভগবানের শ্রীচরণপদ্মে পদ্মফুল নিবেদন করা হয়।
👉 *দ্বিতীয় দিন* উরুতে বেলপাতা নিবেদন করা হয়।
👉 *তৃতীয়দিন* ভগবানের নাভিদেশে গন্ধদ্রব্য নিবেদন করা হয়।
👉 *চতুর্থদিন* ভগবানের স্কন্ধে জবাফুল নিবেদন করা হয়।
👉 আর *পঞ্চমদিনে*
ভগবানের মস্তকে মালতীফুল নিবেদন করা হয়। 🙏

💥 *যদি আপনি গঙ্গায় স্নান করতে এবং তর্পণ করতে যেতে না পারেন, তাহলে আপনি তিনবার "গঙ্গা" উচ্চারণ করতে পারেন এবং ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম নিবেদন করার সময় নিম্নোক্ত তিনটি মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারেন।*

💥 *ভীষ্মপঞ্চক ব্রত-২০২৫ (ভগবানের শ্রীঅঙ্গে পুষ্প অর্পন বিধি)*:-
*****************************************************************
👉 ০২ ই নভেম্বর , রবিবার (একাদশীতে) - শ্রীকৃষ্ণের চরণে পদ্ম ফুল (বিকাল ৪:৪ এর মধ্যে)🙏

👉 ০৩ ই নভেম্বর , সোমবার (দ্বাদশীতে) - উরুতে বেল পাতা (দুপুর ১ টার মধ্যে)🙏

👉 ০৪ ই নভেম্বর , মঙ্গলবার (ত্রয়োদশীতে)- নাভিতে গন্ধ দ্রব্য (চন্দন, অগুরু, কপুর) (সকাল ৯:৪৩ এর মধ্যে)🙏

👉 ০৪ ই নভেম্বর , মঙ্গলবার , সকাল ৯:৪৩ এর পরে (চতুর্দশী তিথিতে) - স্কন্ধদেশে সাদা জবা ও বেল পাতা।

👉 ০৫ ই নভেম্বর, বুধবার , পূর্ণিমা তিথিতে (সকাল ৬:১৯ এর পরে) শ্রীকৃষ্ণের মস্তকে মালতী ফুল অর্পণ করবেন🙏

💥 কোনো দ্রব্যের অভাব হলে মানসিক ভাবেও ঐ দ্রব্য বা ফুল অর্পণ করা যায় l🙏

💥 যদি গঙ্গায় স্নান করতে এবং তর্পণ করতে যেতে না পারেন, তাহলে আপনি তিনবার "গঙ্গা" উচ্চারণ করতে পারেন এবং ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ, অর্ঘ্য এবং প্রণাম নিবেদন করার সময় নিম্নোক্ত তিনটি মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারেন।🙏

💥 তর্পণ দেয়ার সময় উপবীতকে পেছনদিকে নিয়ে (যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এবং উভয় হাতে জল নেয়া হয়। মন্ত্র উচ্চারণ করা হয় এবং দুই হাত ডানদিকে এবং নিচে কাত করে নিবেদন করা হয় যাতে জল ডান বৃদ্ধাঙ্গুলির নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য নিবেদনের একটি উপায়। আপনারা ভীষ্ম পঞ্চকে এটি ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে করেন।)🙏

🏵 *প্রণাম মন্ত্র* :-
********************************************
ওঁ ভীষ্ম শান্তনবো বীরঃ
সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
অভিরদ্ভিরবাপ্নোতু
পুত্রপৌত্রচিতাং ক্রিয়াম্।।

🏵 *তর্পণ মন্ত্র* :-
*******************************************
ওঁ বৈয়াগ্রপদ্য গোত্রায়
সংস্কৃতি প্রবরায় চ।
অপুত্রায় দদাম্যেতৎ
সলিলং ভীষ্মবর্মণে।।

🏵 *অর্ঘ্য মন্ত্র* ,:-
*******************************************
বসুনামাবতারায়
শান্তনোরাত্মজায় চ।
অর্ঘ্যং দদামি ভীষ্মায়
আজন্ম ব্রহ্মচারিণে।।

🏵 *মঙ্গলময় ভীষ্ম পঞ্চক ব্রত কি* ❓
********************************************
💥 এই ব্রত অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তিকে ভগবৎপ্রেম প্রদান করে- সর্বপাপবিনির্মুক্তঃ প্রাপ্তকামো হরিং ব্রজেৎ।।(গরুড়পুরাণ, পূর্বখন্ড ১২৩.২)। বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ বা শ্রীবিষ্ণুর প্রীতিপ্রদ বলে একে বিষ্ণুপঞ্চকও বলা হয়। সর্ববিধ বার্ষিক ব্রতের মধ্যে চাতুর্মাস্য ব্রত প্রধান, আর চাতুর্মাস্য ব্রত অপেক্ষা ভীষ্ণপঞ্চক ব্রত সর্বপ্রধান।🙏

👉 *ভীষ্মপঞ্চক ব্রত কীভাবে এলো*❓
********************************************
💥 ভীষ্মপঞ্চক ব্রত প্রসঙ্গে স্কন্দপুরাণের বিষ্ণুখন্ডে, কার্তিকমাসমাহাত্ম্যে ৩২তম অধ্যায়ের বর্ণনা অনুসারে-সত্যযুগের প্রথমে অম্বরীষ ও ভোগ প্রভৃতি নৃপগণ চাতুর্মাস্যের শেষ মাস অর্থাৎ, কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে এই ব্রতাচরণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে মহারাজ শান্তনুতনয় ভীষ্ম ভগবান বাসুদেবের নিকট এই ব্রত প্রাপ্ত হন। মহাত্মা ভীষ্ম শরশয্যায় শয়ন করে পরপর রাজধর্ম, মোক্ষধর্ম ও দানধর্ম কীর্তন করেন; পান্ডবগণ ভীষ্মভাষিত সেই ধর্মতত্ত্ব প্রবণ করেন; এমনকি কৃষ্ণও তা শ্রবণ করেন। তখন ভীষ্মভাষিত ধর্ম শ্রবণে মনে মনে প্রীত হয়ে কৃষ্ণ বলেন-

💥 ‘হে ভীষ্ম, তুমিই ধন্য; কেননা, তুমি আজ আমাদের শ্রেষ্ঠ ধর্ম শ্রবণ করিয়েছে। তুমি আজ আমাদের শ্রেষ্ঠ ধর্ম শ্রবণ করিয়েছ। তুমি কার্তিক মাসের একাদশী দিবসে জল যাঞ্চা করেছিলে, অর্জুন বানবেগে গঙ্গাজল আনয়নপূর্বক তোমার শরীর শীতল করেছেন। অতএব, তদবধি সকলেই কার্তিকের শুক্লা একাদশী হতে পূর্ণিমা পর্যন্ত অর্ঘ্যদানে তোমার সন্তোষ সাধন করবে। অতএব, সকলেই কার্তিকের শুক্লা একাদশী হতে পূর্ণিমা পর্যন্ত অর্ঘ্যদানে তোমার সন্তোষ সাধন করবে। অতএব, সকলেই সর্ব প্রযত্নে আমার প্রীতিপ্রদ এই ভীষ্মপঞ্চক নামক ব্রত আচরণ করুক। কার্তিক ব্রত করে যে নর এই ভীষ্মপঞ্চক ব্রত না করে, তার সমগ্র কার্তিক ব্রত বিফল হয়ে থাকে। মানব যদি কার্তিক ব্রত করতে অসমর্থ হয়,

💥 তবে কেবল ভীষ্মপঞ্চক করেই সমগ্র কার্তিক ব্রতের ফল লাভ করতে পারে।” পদ্মপুরাণের উত্তরখন্ডে (১২৪/২৯-৩০) বলা হয়েছে-

ভীষ্মেণৈতদযতঃ প্রাপ্তং ব্রতং পঞ্চদিনাত্মকম্।।
সকাশাদ্বাসুদেবস্য তেনোক্তং ভীষ্মপঞ্চকম্।

💥 “ভগবান বাসুদেবের নিকট থেকে ভীষ্মদেব এই পঞ্চদিনাত্মক ব্রত প্রাপ্ত হয়েছেন, তাই তা ভীষ্মপঞ্চক ব্রত নামে অভিহিত।” 🙏

ব্রতানাং মুনিশার্দ্দূল প্রবরং বিষ্ণুপঞ্চকম্।
তস্মিন যঃ পূজয়েদ্ভক্ত্যা শ্রীহরিং রাধয়া সহ।।
গন্ধপুষ্পের্ধূপদীপৈর্বস্ত্রৈর্নানাবিধৈঃ ফলৈঃ।
স যাতি বিষ্ণুসদনং সর্ববিবর্জিতঃ।।
(পদ্মপুরাণ, স্বর্গখন্ড ৪৮/৩-৪) 🙏

💥 অর্থাৎ, “বিষ্ণুপঞ্চক ব্রত ব্রতসমূহের মধ্যে প্রবর। সেসময় যিনি ভক্তি সহকারে গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, বস্ত্র ও নানাবিধ ফল দ্বারা শ্রীরাধাসহ শ্রীহরিকে অর্চনা করেন, তিনি সর্বপাপ বিবর্জিত হয়ে বিষ্ণুসদনে গমন করেন।”

🏵 *পত্র-পুষ্প অর্বণ বিধি* :-
"*****************************************
💥 ব্রতকালে শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণ বা ভগবানের অন্য যেকোনো রূপের শ্রীবিগ্রহকে ঘৃত প্রদীপ ও পুষ্প নিবেদন করা উচিত। ভগবানের শ্রীবিগ্রহে প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন পুষ্প নিবেদনের নিয়ম রয়েছে। এ প্রসঙ্গে গরুড়পুরাণ, পূর্বখন্ড ১২৩ অধ্যায়ে (৮-৯) বলা হয়েছে- ১ম দিন : পদ্মফুল- চরণকমলে, ২য় দিন: বিল্বপত্র- জানুতে, ৩য় দিন: গন্ধদ্রব্য- নাভিকমলে, ৪র্থ দিন- বিল্বপত্র ও জবাফুল- স্কন্দদেশে, ৫ম দিন: মালতীফুল-শিরোদেশে। যদি কখনো দুটো তিথি একদিনে পড়ে, তবে ঐদিন দু’দিনের উদ্দিষ্ট ফুলগুলো একই দিনে নিবেবদন করতে পারেন। আর যদি কারো নিকট ফুলগুলো না থাকে, তবে ভগবানের নির্ধারিত স্থানে নির্ধারিত ফুলগুলো কেউ মানসিকভাবে নিবেদন করতে পারেন।

🏵 *আহার বিধি :*-
*********"**********************************
💥 ব্রতটি ০২ ই নভেম্বর (রবিবার) একাদশীর দিন থেকে শুরু হয়ে এবং ০৫ ই নভেম্বর রাসপূর্ণিমার দিন পর্যন্ত চলবে । এই ব্রত রাসপূর্ণিমার দিন সূর্যাস্ত (অথবা চন্দ্রোদয়) পর্যন্ত সম্পন্ন হয়। সাধারণত একাদশীতে সম্পূর্ণ উপবাস এবং তারপর পরবর্তী চারদিন ফলমূল গ্রহণ করতে বলা হয়। অথবা কেউ পাঁচদিনই ফলমূল গ্রহণ করতে পারে।🙏

🏵 *ব্রতের ৩টি স্তর:-*
*************************************************************
💥 ভক্তরা তাদের সুবিধামতো নিম্নোক্ত স্তরগুলোর যেকোনটি অনুসরণ করতে পারেন। এটি যেন তাদের সাধারণ ভক্তিমূলক সেবা ও দৈনন্দিন সাধনায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।🙏

💥 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রতের ১ম স্তর:--*
********************************
পঞ্চগব্যের একেকটি একেক দিনে গ্রহণ করা যেতে পারে।
১ম দিন: গোময়
২য় দিন: গোমূত্র
৩য় দিন: দুধ (ক্ষীর)
৪র্থ দিন: দধি
৫ম দিন: গোময়, গোমূত্র, দুগ্ধ, দধি ও ঘিয়ের মিশ্রণে তৈরি পঞ্চগব্য।

💥 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রতের ২য় স্তর:--*
*************************************************************
যদি কেউ ১ম স্তর অনুসরণ করতে না পারেন তবে ফলমূল গ্রহণ করা যেতে পারে। যেসব ফলে প্রচুর বীজ রয়েছে যেমন - পেয়ারা, ডালিম, পেঁপে, শসা প্রভৃতি বর্জন করা উচিত।

আলু, কাঁচাকলা বা মিষ্টিআলু সেদ্ধ করে গ্রহণ করা যেতে পারে। স্বাদের জন্য সৈন্ধব লবণ ব্যবহার অনুমোদিত। কাজুবাদাম, কিসমিস ও খেজুর গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে দুধ বা দুগ্ধজাত কোন দ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না। নারকেল ও নারকেলের জল গ্রহণ করা যাবে।

অধিকাংশ ব্যক্তি ফলমূল গ্রহণ করেন। তাই আলু, মূল এবং ফল যেমন কলা, আপেল, কূল, পানিফল, বাদাম, আখরোট, হেলেনটস, কাজুবাদাম, কিসমিস ও খেজুর খাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ফলের মতো এগুলোও ফল হিসেবে বিবেচিত হয়।

আখের রস এবং ইক্ষুদ্রব্য যেমন মিছরি গ্রহণ করা যাবে। কিন্তু গুড় এবং মোলাসেস অনুমোদিত নয়। আলু, কাঁচকলা বা মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে গ্রহণ করা যেতে পারে। স্বাদের জন্য সৈন্ধব লবণ ব্যবহার অনুমোদিত। তবে দুধ বা দুগ্ধজাত কোনো দ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না। নারকেল ও নারকেলের জল গ্রহণ করা যাবে।

💥 *ভীষ্ম পঞ্চক ব্রতের ৩ য় স্তর:--*
*************************************************************
যদি কেউ ২য় স্তর পালনে অসমর্থ হন তবে ""হবিষ্যান্ন"" গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মখণ্ড- ২৩ অধ্যায়; স্কন্দ পুরাণ, বিষ্ণুখণ্ড- কার্তিক মাহাত্ম্য- ৩২ অধ্যায়; গরুড় পুরাণ, পূর্বখণ্ড- ১২৩ অধ্যায়।
শ্রী শ্রী হরিভক্তিবিলাসের ১৩ অধ্যায়ের ১০-১৩ নং শ্লোকে হবিষ্যান্নের উপাদান উল্লেখ করা হয়েছে:
---------------------
💥 নিম্নোক্ত উপাদানগুলো হবিষ্যান্ন তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে। সাধারণত হবিষ্য চাল এবং মুগ ডাল দিয়ে তৈরি করা হয়। যারা একাদশী থেকে একাদশী পর্যন্ত চাতুর্মাস্য পালন করছেন, নিয়মানুযায়ী তাদের দামোদর মাস একাদশী পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে, তাই তারা তাদের হবিষ্যে মুগ ডাল গ্রহণ করতে পারেন। যাইহোক, অধিকাংশ ভক্তগণ পূর্ণিমা থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত চাতুর্মাস্য ব্রত পালন করেন, তাই ভীষ্ম পঞ্চকের হবিষ্যে মুগ ডাল অনুমোদিত হবে না। সকল প্রকার তেল পরিত্যাজ্য।

* আতপ চাল
* ঘি
* সৈন্ধব লবণ
* পাকা কলা
* কাল শাক
* গম
* বার্লি

💥 *এই উপাদানগুলোও গ্রহণ করা যেতে পারে:*
* ফল (স্কন্দপুরাণের নাগরখণ্ডে অবশ্যই একটি ছোট বীজের অথবা কম বীজপূর্ণ ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে)
* আম
* কাঁঠাল
* লাবালী ফল
* কেয়া ব্যতীত সকল মূল
* পিপলী
* হরিতকি
* আমলকি
* নারঙ্গ
* ইক্ষুদ্রব্য (গুড় ব্যতীত)
* ননীপূর্ণ গোদুগ্ধ

💥 *নিম্নবর্ণিত দ্রব্যগুলো হবিষ্যান্নের অন্তর্ভুক্ত হলেও তা কার্তিক মাসে বর্জন করতে বলা হয়েছে:*
* মুগ ডাল
* তিল তেল
* বেতো শাক
* সাত্ত্বিক শাক
* মূলা
* জিরা
* তেঁতুল

💥 একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গঙ্গার মত পবিত্র নদীতে স্নান করা উচিত। নিম্নলিখিত মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে তিনবার ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে তর্পণ করা উচিত:

তর্পণ মন্ত্র
(তর্পণ দেয়ার সময় উপবীতকে পেছনদিকে নিয়ে (যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এবং উভয় হাতে জল নেয়া হয়। মন্ত্র উচ্চারণ করা হয় এবং দুই হাত ডানদিকে এবং নিচে কাত করে নিবেদন করা হয় যাতে জল ডান বৃদ্ধাঙ্গুলির নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য নিবেদনের একটি উপায়। আপনারা ভীষ্ম পঞ্চকে এটি ভীষ্মদেবের উদ্দেশ্যে করেন।)

💥 ব্রতকারী কতবার আহার গ্রহণ করতে পারে সে ব্যাপারে নির্ধারিত কোনোকিছু উল্লেখ নেই। ভীষ্মপঞ্চক ব্রত ব্যাক্তির সামর্থ্য অনুসারে বিভিন্ন স্তরে উদযাপন করা যায়-একথা পদ্মপুরাণে (স্বর্গখন্ড ৪৮/১৫) বলা হয়েছে-এবং কর্ত্তুমশক্তে ষঃ ফলমূলঞ্চ ভোজনম্।কুর্য্যাদ্ববিষ্যৎ বা বিপ্র যথোক্তবিধিনা হ বৈ।।
সাধারণত একাদশীতে সম্পূর্ণ উপবাস এবং তার পরবর্তী চারদিন ফলমূল গ্রহণ করতে বলা হয় অথবা কেউ পাঁচদিনই ফলমূল গ্রহণ করতে পারেন। ভক্তরা তাদের সুবিধামতো নিম্নোক্ত স্তরগুলোর যেকোনোটি অনুসরণ করতে পারেন, যেন তাদের সাধারণ ভক্তিমূলক সেবা ও দৈনন্দিন সাধনায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।

👉১ম স্তর-পঞ্চগব্য গ্রহণ
পঞ্চগব্যের একেকটি একেক দিনে গ্রহণ করা যেতে পারে (গ.পু.পূর্ব ১২৩.১০; প.পু. স্বর্গ.৪৮.১১-১৪; স্কন্দ.পু.কার্তিকমাসমাহাত্ম্য ৩২. ৪৬, ৪৭, ৫০)। ১ম দিন: গোময়, ২য় দিন : গোমুত্র, ৩য় দিন: দুধ, ৪র্থ দিন: দধি, ৫ম দিন: গোময়, গোমূত্র, দুগ্ধ,

👉 *ভীষ্মপঞ্চক ব্রতের উদ্দেশ্যঃ* -
********************************************
যেহেতু উদ্দেশ্যটি হলো আমাদের নিয়মিত ভগবদ্ভক্তি চালিয়ে যাওয়া, এমন নয় যে, আমি উপবাস করছি, তাই আমি কিছু করব না। যাদের ডায়াবেটিস আছে অথবা যারা সম্পূর্ণ উপবাস করতে পারবেন না, তারা হবিষ্যান্ন পেতে পারেন। যে ব্যাপারটি চিত্তাকর্ষক তা হলো, ভীষ্মদেব তাঁর পিতার কারণে বিবাহ না করার প্রতিজ্ঞা করেছেন।

এর পেছনে এক বৃহৎ কাহিনী রয়েছে। প্রার্থনায় আছে, ‘আজন্ম ব্রহ্মচারিণে’, আমরা তাঁর জন্য তর্পণ করছি। তাঁর কোনো সন্তান নেই, তিনি কখনো বিবাহ সারা ভারত এবং সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ ভীষ্মদেবের জন্য ভীষ্মপঞ্চক করছেন; এবং তারা তর্পণ করছেন; কিন্তু তাঁর কোনো সন্তান নেই এবং তিনি গঙ্গাদেবী প্রসন্ন হন যে, তাঁর পুত্র সম্মানপ্রাপ্ত হচ্ছেন। এভাবে এই ব্রতের ফলে মাতাগঙ্গা, মহাত্মা ভীষ্মদেব এবং সর্বোপরি পরমেশ্বর ভগবান প্রসন্ন হন। আর তাঁকে প্রসন্ন হন। আর তাঁকে প্রসন্ন করাই সমস্ত যজ্ঞ, দান, ব্রত বা তপস্যার মুখ্য উদ্দেশ্য।
💥 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। 🙏
💥 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।
゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚viralシ

শ্রীশ্রী শ্যামা কালী পূজা🚩সবাইকে শ্যামা কালী পূজার শুভেচ্ছা 🙏🏾 🪔০২ কার্তিক ১৪৩২ - ২০ অক্টোবর ২০২৫ 🪔 সোমবার🚩শ্রী শ্রী শ্য...
20/10/2025

শ্রীশ্রী শ্যামা কালী পূজা🚩
সবাইকে শ্যামা কালী পূজার শুভেচ্ছা 🙏🏾
🪔০২ কার্তিক ১৪৩২ - ২০ অক্টোবর ২০২৫
🪔 সোমবার🚩শ্রী শ্রী শ্যামা কালী পূজা ২০২৫ ইংরেজি।

পবিত্র রমা একাদশী।এই শুভ তিথিতে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর কৃপা ও মা রমাদেবীর আশীর্বাদেআপনার জীবনে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনন্ত আ...
17/10/2025

পবিত্র রমা একাদশী।
এই শুভ তিথিতে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর কৃপা ও মা রমাদেবীর আশীর্বাদে
আপনার জীবনে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনন্ত আনন্দ। 🌼
উপবাস, ভক্তি ও প্রার্থনায় কাটুক এই পবিত্র দিন —
ভগবান বিষ্ণু আপনার সকল মনোবাসনা পূর্ণ করুন। 💫
শুভ রমা একাদশী! 🌿
🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏

 #লক্ষী_পূজা_২০২৫ শুরু হয়ে গেল প্রতিমালয় জুড়ে মা লক্ষ্মীর পূজার প্রস্তুতি 🙏🌼আলপনা এঁকে তোমার সাজিয়ে দিলাম পট,আমের পল...
06/10/2025

#লক্ষী_পূজা_২০২৫
শুরু হয়ে গেল প্রতিমালয় জুড়ে
মা লক্ষ্মীর পূজার প্রস্তুতি 🙏🌼
আলপনা এঁকে তোমার সাজিয়ে দিলাম পট,
আমের পল্লব দিলাম জল ভরা ঘট।
পান সুপারি সিঁদুর দিলাম দুহাত ভরে,
ধনধান্যে থাকো আমার এ ঘরে।

৩ই অক্টোবর ২০২৫ ইং রোজ শুক্রবার       🌹পাশাস্কুশা একাদশী🌹পারণাঃপরদিন সকাল০৫:৫১-০৯:৪৮মিঃ পর্যন্ত।পাশাঙ্কুশা একাদশী ব্রত ম...
03/10/2025

৩ই অক্টোবর ২০২৫ ইং রোজ শুক্রবার
🌹পাশাস্কুশা একাদশী🌹
পারণাঃপরদিন সকাল০৫:৫১-০৯:৪৮মিঃ পর্যন্ত।
পাশাঙ্কুশা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য-
আশ্বিন শুক্লাপক্ষীয়া পাশাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে বর্ণিত আছে।
যুধিষ্ঠির বললেন- হে মধুসুদন ! আশ্বিন শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? কি তার মাহাত্ম্য কৃপা করে বর্ণনা করুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন – হে রাজেন্দ্র ! আশ্বিনের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশী “পাশাঙ্কুশা” নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রতকে কেউ পাপাঙ্কুশা একাদশীও বলে থাকেন। এই একাদশী হল সর্বপাপ বিনাশক, সর্বশুভদায়ক। এই তিথিতে যথাবিহিত ভগবান শ্রী পদ্মনাভ – এর পূজা করতে হয়। শ্রীহরির নাম সংকীর্তনের মাধ্যমে ভূমণ্ডলে যত তীর্থক্ষেত্র বা পবিত্রস্থান আছে সর্বতীর্থের ফল এই একাদশী ব্রত পালনে লাভ হয়। বদ্ধ জীব যদি মোহবশতঃ কোন পাপ কার্যে লিপ্ত হয়, এই একাদশী পালন করে ভগবান শ্রীহরির শরনণাপন্ন হয় তাকে নরকযাতনা ভোগ করতে হয় না। ইহ সংসারে একাদশী ব্রতের ন্যায় শ্রেষ্ঠব্রত কদাপি দৃষ্ট হয় না। হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ , রাজসূয় যজ্ঞ এই ব্রতের শতভাগের একাংশের সমান হয়না। এই ব্রত পালনে স্বর্গলোক প্রাপ্ত হয়। মুক্তি, দীর্ঘায়ু, আরোগ্য, সুপত্নী, বন্ধু প্রভৃতি অনায়াসে লাভ করা যায়।
হে রাজন ! মনুষ্য জন্ম লাভ করে যে ব্যক্তি একাদশী ব্রত পালন করল না, তার দেহটাকে ধিক ! তার সকল শুভ কর্মকে ধিক ! তার যাগ- যজ্ঞকে ধিক ! যিনি একাদশী উপবাসসহ রাত্র জাগরন করেন অনায়াসে- তিনি বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন। এই পাশাঙ্কুশা ব্রতের ফলে মানুষ সর্বপাপ মুক্ত হয়ে গোলকে গমন করতে সমর্থ হয়।
এই ব্রতাচরণকারীর পিতৃকুলের দশ পুরুষ মাতৃকুলের দশ পুরুষ উদ্ধার করতে সমর্থ হন। বালক-যুবা অথবা বৃদ্ধাবস্থায় ব্রত পালন করলে দুর্গতি হয় না। অতি দুরাচার ব্যক্তিও যদি অশ্রদ্ধাভাবে এই ব্রত করে তবে সেও সদ্গতি লাভ করে। এই পবিত্র দিনে যিনি স্বর্ণ, তিল, সুবর্ণ, ভূমি, অন্ন, বস্ত্র, জল, ছাতা, ও পাদুকা সৎপাত্রে দান করলে যমরাজার নিকট আর যেতে হয় না। বিনা সৎকার্যে যারা দিন অতিবাহিত করে তাদের জীবন ধারণ কর্মকারের হাপরের মত বৃথা শ্বাস প্রশ্বাস গ্রহণ করা ছাড়া আর কিছু নয়। অত্যন্ত পাপচারীও যদি এই ব্রতের অনুষ্ঠান করে সেও নরকের মহাযন্ত্রনা থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুন্ঠসুখ লাভ করে। হে রাজন ! এই ব্রতাচরণ ফলে মনুষ্য ইহ সংসারে দীর্ঘায়ু, ধনধান্যে সমৃদ্ধবান ও সর্বরোগরহিত হয়ে থাকে। কৃষ্ণভক্তি লাভই শ্রীএকাদশী ব্রতের মূখ্য ফল। তবে আনুষাঙ্গিকরূপে স্বর্গ, ঐশ্বর্যাদি ফল লাভ হয়ে থাকে।
হরে কৃষ্ণ 🙏🙏🙏

**শুভ বিজয়া দশমী**বিজয়া দশমী হলো দুর্গাপূজার শেষ দিন এবং এর ধর্মীয়, পৌরাণিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য ভীষণ গভীর।কেনো পালন কর...
02/10/2025

**শুভ বিজয়া দশমী**
বিজয়া দশমী হলো দুর্গাপূজার শেষ দিন এবং এর ধর্মীয়, পৌরাণিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য ভীষণ গভীর।
কেনো পালন করা হয়?
মহিষাসুর বধ ও শুভ শক্তির জয়
শাস্ত্র মতে, মহা নবমীর যুদ্ধ শেষে দশমীর দিন দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেন।
তাই বিজয়া দশমী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক।
‘বিজয়া’ শব্দের অর্থই হলো বিজয়লাভ।
এই দিন দেবীকে ধন্যবাদ জানিয়ে, ভক্তরা মনে করেন তিনি অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে মানুষকে শান্তি ও ন্যায়ের পথে ফিরিয়ে এনেছেন।
দশমীতে দেবী দুর্গার মূর্তি গঙ্গা বা জলাশয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়।
এটি প্রতীকীভাবে বোঝায়—দেবী তাঁর পিতৃগৃহ থেকে বিদায় নিয়ে কৈলাসে ফিরে যাচ্ছেন।
ভক্তরা অশ্রুসজল চোখে তাঁকে বিদায় জানান, আবার আগামী বছরে ফিরে আসার প্রার্থনা করেন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক
বিজয়া দশমীর পর থেকে শুরু হয় বিজয়া সংবর্ধনা—মানুষ আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশীদের বাড়ি গিয়ে মিষ্টি মুখ করান, আলিঙ্গন করেন, কুশল বিনিময় করেন।
সমাজে মিলন, ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।
নারীশক্তির পূজা ও সম্মান
বিজয়া দশমী দেবীশক্তির বিজয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। একইসাথে সমাজে নারীর মর্যাদা ও শক্তিকে স্বীকৃতি জানানোর দিন হিসেবেও মানা হয়।
👉 সংক্ষেপে বলা যায়, বিজয়া দশমী পালন করা হয় দেবী দুর্গার মহিষাসুর-বধ ও শুভ শক্তির চূড়ান্ত বিজয়কে স্মরণ করার জন্য। একইসাথে এটি বিদায় ও পুনর্মিলনের আবেগে ভরা একটি দিন, যা মানুষকে ঐক্য, আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেয়।

✨🌸 শুভ মহা নবমী 🌸✨আজ দুর্গোৎসবের নবমী  দেবী দুর্গার মহিষাসুরমর্দিনী রূপে আরাধনার দিন। এই দিনে ভক্তরা পূজা-অর্চনা, জপ-ধ্য...
01/10/2025

✨🌸 শুভ মহা নবমী 🌸✨
আজ দুর্গোৎসবের নবমী দেবী দুর্গার মহিষাসুরমর্দিনী রূপে আরাধনার দিন। এই দিনে ভক্তরা পূজা-অর্চনা, জপ-ধ্যান আর ভক্তিসুধায় মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন। নবমী কেবল রীতি-নীতি মানার দিন নয়, বরং মঙ্গলচিন্তা, শুভকর্ম ও অন্তরের শুদ্ধতার প্রতীক।

🌼 নবমীতে করণীয়:
✨ স্নান-ধ্যান সেরে দেবীর চরণে অঞ্জলি নিবেদন।
✨ ফুল, বেলপাতা, ধূপ-প্রদীপ দিয়ে পূজা।
✨ দেবী স্তোত্র পাঠ ও নামস্মরণে মনকে ভরিয়ে তোলা।
✨ ভোগ নিবেদন করে পরিবারের মঙ্গল কামনা।
✨ অভাবীদের সাহায্য ও দান করে মানবতার বার্তা ছড়ানো।

🙏 এই শুভ দিনে মা দুর্গা আমাদের সকল দুঃখ-দুর্দশা দূর করে দিক, অন্তরে শান্তি দিক, জীবনে সমৃদ্ধি দিক। আসুন নবমীর এই পবিত্র মুহূর্তে আমরা সবাই একসাথে প্রার্থনা করি
অশুভ শক্তির বিনাশ হোক, শুভ শক্তির জয় হোক।

🌸💫 সবাইকে জানাই মহা নবমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা 💫🌸
⚡ জয় মা দুর্গা ⚡

শুভ মহা ষষ্ঠী ২০২৫❤️🌺দেবীপক্ষে র ষষ্ঠ দিন আজ 😌🌸
28/09/2025

শুভ মহা ষষ্ঠী ২০২৫❤️🌺
দেবীপক্ষে র ষষ্ঠ দিন আজ 😌🌸

27/09/2025

21/09/2025

আংশিকগ্রাস সূর্যগ্রহণ – ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রবিবার,
২০২৫ সালের শেষ সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে মহালয়ার দিনে- ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রবিবার।🌞

এই আংশিকগ্রাস সূর্যগ্রহণের গ্রাসমান: ০.৮৫৫
গ্রহণ স্থিতিকাল: ৪ ঘন্টা ২৪ মিনিট

সারা বিশ্বের গ্রহণের সময়সূচী (২১ সেপ্টেম্বর): 🕰️
ভারত (অদৃশ্য):
গ্রহণ শুরু: 11:00 PM
গ্রহণ সমাপ্তি: 3:24 AM (22)

বাংলাদেশ (অদৃশ্য):
গ্রহণ শুরু: 11:30 PM
গ্রহণ সমাপ্তি: 3:54 AM (22)

গ্রহণের সময় কি কি নিষেধ❓
গ্রহণের সময় খাবার গ্রহণ, রান্না, তেল মালিশ, পানীয় জল গ্রহণ, ম/ ল-মূ/ ত্র’ত্যা”গ, চুল আঁচড়ানো, দাঁত ব্রাশ করা, পরনি”ন্দা, ঘুমানো এবং যৌ// ন ক্রিয়াকলাপে জড়িত থাকা নিষেধ।
গ”র্ভবতী মায়েদের বাইরে বের হওয়া নিষেধ, সূর্যের দিকে তাকানো নিষেধ, কাপড় কা”টা/ছেঁ”ড়া, সেলাই করা, সব্জি কা”টা নিষেধ এবং গাছের পাতা ছেঁ”ড়া, খা’রা’প কোন বিষয় চিন্তা করা নিষেধ।

গ্রহণের সময় কি কি করবেন?✅
গ্রহণের সময় অধিক হরিনাম জপ কীর্তন, শাস্ত্র পাঠ ও আলোচনা করা উচিত। মোবাইলে কৃষ্ণকথা শ্রবণ অথবা কীর্তন মেলার হরিনাম সংকীর্তন শ্রবণ করতে পারেন।
গ”র্ভবতী মায়েরা জপমালায় জপ করতে অনিচ্ছুক/সমস্যা হলে (হাতের আঙুল সোজা রাখতে) মুখে মুখে হরিনাম জপ-কীর্তন করবেন। কৃষ্ণকথা শ্রবণ, হরিনাম সংকীর্তন শ্রবণ করবেন। শ্রীমান গোপাল

সকলের ক্ষেত্রে গ্রহণ শেষ হওয়ার পর স্নান করবেন, ভারত বাংলাদেশে ব্রাহ্মমুহূর্তে/ভোরে স্নান করলে চলবে, শুদ্ধ ব্রাহ্মণ-বৈষ্ণবকে দান করতে পারেন।
দৃশ্যমান স্থানের ক্ষেত্রে রান্নাকৃত খাবার ফেলে দিয়ে চুলা ধুয়ে রান্না করতে হবে। চাল, কাঁচা সব্জি, ফল প্রভৃতি দ্রব্য বা শুকনো খাবারে তুলসী পত্র রেখে দিতে পারেন।

গ্রহণের সময় পূজা দেওয়া যাবে? 🪔
গ্রহণকালে ভগবানের সেবাপূজা আরতির সময় পড়লে মন্দিরে ভগবানের সেবাপূজাদি যথারীতি চলে। গ্রহণের সময় ভগবানের শ্রীবিগ্রহ ঢেকে রাখতে হয় বলে কেউ কেউ ভুল প্রচার করেন যেটি কোনো শাস্ত্রে নেই।

পদ্মপুরাণের উত্তরখণ্ডে শ্রীসদাশিব পার্বতী দেবীকে বলেছেন-
“চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণকালে যথাশক্তি বিশেষরূপে বিষ্ণুপূজা করিবে।”
অর্থাৎ ভগবদ্ভক্তগণ বা নিত্যকৃষ্ণসেবাব্রতীগণ গ্রহণকালেও ভগবানের নিত্যসেবাপূজাদি করতে পারবেন।
তবে গ”র্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে গ্রহণের নিয়মাবলি পালন করাই উত্তম, যাতে গ্রহণের সময় নির্গত ক্ষ/ তিকর রশ্মির প্রভাব যেন সন্তানের কোনোরুপ ক্ষ/ তি না করে।
গ্রহণের নিয়মাবলি কুসং”স্কার নয়, এটি শাস্ত্রীয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত। তাই কোনোপ্রকার অপ্রীতিকর মন্তব্য করে ব্যক্তিত্বহী’নতার পরিচয় দিবেন না, কৃষ্ণসেবায় যুক্ত থাকুন, বেশি বেশি হরিনাম জপ করুন।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মীরা ভক্ত কৃষ্ণ কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category