Adnan's Design

Adnan's Design সৌখিন মানুষের দিনলিপি Personal Blog

ফেস্টুন ডিজাইন_২০২৬
02/05/2026

ফেস্টুন ডিজাইন_২০২৬

আদনান ডিজাইন ফেইসবুক পেইজের পক্ষ থেকে সকল কলাকুশলী, শুভানুধ্যায়ী, গ্রাহক, ক্রেতা-বিক্রেতাদেরকে জানাই ১৪৪৭ হিজরির ঈদুল ফি...
20/03/2026

আদনান ডিজাইন ফেইসবুক পেইজের পক্ষ থেকে সকল কলাকুশলী, শুভানুধ্যায়ী, গ্রাহক, ক্রেতা-বিক্রেতাদেরকে জানাই ১৪৪৭ হিজরির ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

োবারক_২০২৬

সবাইকে মাহে রমাদ্বান-২০২৬ এর শুভেচ্ছা।
19/02/2026

সবাইকে মাহে রমাদ্বান-২০২৬ এর শুভেচ্ছা।

Book Cover Design_01
17/02/2026

Book Cover Design_01

Logo Design_01
16/02/2026

Logo Design_01

Logo Design with AIPrevious Year Design_2025
15/02/2026

Logo Design with AI
Previous Year Design_2025

17/06/2025

🎨 আপনি কি গ্রাফিক ডিজাইনার? 🔥 "Adobe Illustrator এর ৫০টি মাস্টার শর্টকাট – ডিজাইন করুন প্রোফেশনাল গতিতে!"
এই ৫০টি Illustrator শর্টকাট আপনার কাজকে করবে ৫ গুণ দ্রুত!

🔰 ১. ফাইল অপারেশন (নতুন ফাইল, সেভ, ক্লোজ)
1️⃣ Ctrl + N – নতুন প্রজেক্ট শুরু
🔹 Illustrator-এ একটি নতুন আর্টবোর্ড বা ফাইল তৈরি হয়, যেখানে আপনি ডিজাইন শুরু করতে পারেন।

2️⃣ Ctrl + O – ফাইল ওপেন
🔹 পূর্বে সেভ করা AI, EPS, বা PDF ফাইল খুলে এডিট করার জন্য।

3️⃣ Ctrl + S – সেভ করুন
🔹 আপনার কাজটি হারানোর আগেই সেভ করে ফেলুন।

4️⃣ Ctrl + Shift + S – নতুন নামে সেভ
🔹 বর্তমান কাজের একটি কপি আলাদা নামে সংরক্ষণ করতে পারেন।

5️⃣ Ctrl + W – ফাইল ক্লোজ করুন
🔹 যে ফাইলটিতে কাজ করছেন সেটি বন্ধ হয়ে যাবে (সেভ না করলে প্রম্পট দেবে)।

🔰 ২. সিলেকশন টুল ও মুভমেন্ট
6️⃣ V – সিলেকশন টুল (Move Tool)
🔹 যেকোনো অবজেক্ট নির্বাচন ও সরানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

7️⃣ A – ডিরেকশন সিলেকশন টুল
🔹 নির্দিষ্ট অ্যাংকর পয়েন্ট বা পাথ এডিট করার জন্য।

8️⃣ Ctrl + A – সব কিছু সিলেক্ট করুন
🔹 পুরো আর্টবোর্ডের সব অবজেক্ট সিলেক্ট হয়ে যাবে।

9️⃣ Shift + Ctrl + A – সব সিলেকশন বাতিল করুন
🔹 সব সিলেক্ট হওয়া অবজেক্ট আনসিলেক্ট হয়ে যাবে।

🔟 Ctrl + G – গ্রুপ তৈরি করুন
🔹 একাধিক অবজেক্ট একসাথে গ্রুপ করে রাখা যায়।

🔢 Ctrl + Shift + G – গ্রুপ আনগ্রুপ
🔹 গ্রুপ করা অবজেক্ট আলাদা করে ফেলতে পারেন।

🔰 ৩. কপি-পেস্ট ও ডুপ্লিকেট
1️⃣3️⃣ Ctrl + C – কপি করুন
🔹 নির্বাচিত অবজেক্ট কপি হবে ক্লিপবোর্ডে।

1️⃣4️⃣ Ctrl + V – পেস্ট করুন
🔹 ক্লিপবোর্ডের কন্টেন্ট আর্টবোর্ডে বসবে।

1️⃣5️⃣ Ctrl + F – পেস্ট ইন ফ্রন্ট
🔹 কপি করা অবজেক্ট একই জায়গায় সামনের দিকে বসে।

1️⃣6️⃣ Ctrl + B – পেস্ট ইন ব্যাক
🔹 একই জায়গায় অবজেক্ট ব্যাকগ্রাউন্ডে বসে।

1️⃣7️⃣ Alt + ড্র্যাগ – ডুপ্লিকেট অবজেক্ট
🔹 অবজেক্ট ধরে Alt চেপে টানলে তা কপি হয়।

🔰 ৪. জুম ও ভিউ কন্ট্রোল
1️⃣8️⃣ Ctrl + + (Plus) – জুম ইন
🔹 আর্টবোর্ড বড় করে দেখার জন্য।

1️⃣9️⃣ Ctrl + - (Minus) – জুম আউট
🔹 আর্টবোর্ড ছোট করে দেখার জন্য।

2️⃣0️⃣ Ctrl + 0 – আর্টবোর্ড ফিট টু স্ক্রিন
🔹 পুরো আর্টবোর্ড স্ক্রিনে ফিট করে দেখায়।

2️⃣1️⃣ Ctrl + 1 – 100% জুমে ফিরে যান
🔹 অবজেক্টকে আসল মাপে দেখতে পারবেন।

🔰 ৫. অ্যালাইনমেন্ট ও লেয়ারিং
2️⃣2️⃣ Ctrl + [ – একধাপ নিচে পাঠান
🔹 নির্বাচিত অবজেক্ট নিচের লেয়ার বা অবজেক্টের নিচে যাবে।

2️⃣3️⃣ Ctrl + ] – একধাপ উপরে আনুন
🔹 নির্বাচিত অবজেক্ট উপরের দিকে যাবে।

2️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + [ – একেবারে নিচে পাঠান
🔹 অবজেক্টটি নিচের সব কিছুর নিচে চলে যাবে।

2️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + ] – একেবারে উপরে আনুন
🔹 সব কিছুর উপরে চলে আসবে অবজেক্ট।

🔰 ৬. ট্রান্সফর্ম ও ঘোরানো
2️⃣6️⃣ R – Rotate Tool
🔹 অবজেক্ট ঘোরানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

2️⃣7️⃣ S – Scale Tool
🔹 আকার বড়-ছোট করার জন্য।

2️⃣8️⃣ O – Reflect Tool
🔹 অবজেক্ট উল্টে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয় (Horizontal/Vertical)।

2️⃣9️⃣ Shift + drag – প্রোপারশন বজায় রেখে স্কেল
🔹 অবজেক্ট আকৃতি নষ্ট না করে বড়-ছোট হয়।

🔰 ৭. কালার, ফিল ও স্ট্রোক
3️⃣0️⃣ X – Fill ও Stroke টগল করুন
🔹 ফিল ও স্ট্রোক অপশনের মধ্যে সুইচ করতে পারেন।

3️⃣1️⃣ Shift + X – ফিল ও স্ট্রোক এক্সচেঞ্জ
🔹 ফিল কালার স্ট্রোকে, স্ট্রোক ফিলে চলে যাবে।

3️⃣2️⃣ D – ডিফল্ট কালার এ ফিরে যান (White fill, black stroke)
🔹 অরিজিনাল কালারে রিসেট হয়ে যায়।

🔰 ৮. টাইপ ও টেক্সট
3️⃣3️⃣ T – টাইপ টুল
🔹 আর্টবোর্ডে টেক্সট টাইপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

3️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + O – টেক্সটকে আউটলাইন করুন
🔹 টেক্সটকে Editable vector shape-এ রূপান্তর করে।

3️⃣5️⃣ Ctrl + T – ক্যারেক্টার প্যানেল আনুন
🔹 ফন্ট, সাইজ, লাইন হাইট ইত্যাদি কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

🔰 ৯. পাথ, পেন ও শেইপ টুল
3️⃣6️⃣ P – Pen Tool
🔹 কাস্টম শেইপ বা পাথ ড্র করার জন্য।

3️⃣7️⃣ Shift + M – Shape Builder Tool
🔹 একাধিক শেইপ Merge বা কেটে ফেলার জন্য।

3️⃣8️⃣ M – Rectangle Tool
🔹 বক্স/আয়তক্ষেত্র আঁকার টুল।

3️⃣9️⃣ L – Ellipse Tool
🔹 গোলাকৃতি বা বৃত্ত আঁকার টুল।

4️⃣0️⃣ ` (Backtick) – Perspective Grid টগল করুন
🔹 Perspective Grid চালু/বন্ধ করার জন্য।

🔰 🔟 এক্সপোর্ট ও ফাইনাল আউটপুট
4️⃣1️⃣ Ctrl + E – দ্রুত Export করুন
🔹 JPEG, PNG, SVG ইত্যাদি ফরম্যাটে ফাইল সেভ করতে পারবেন।

4️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + S – Save As (নতুন ফাইল)
🔹 নতুন নামে কাজ সংরক্ষণ করার জন্য।

4️⃣3️⃣ Ctrl + Alt + Shift + S – Save for Web
🔹 ওয়েব-অপটিমাইজড ইমেজ তৈরি করতে পারবেন।

🔰 ১১. মিক্সড শর্টকাট (প্রফেশনাল ইউজারদের জন্য)
4️⃣4️⃣ Ctrl + D – Transform Again
🔹 শেষ যে পরিবর্তনটি করেছিলেন তা আবার রিপিট হবে।

4️⃣5️⃣ Ctrl + 2 – অবজেক্ট লক করুন
🔹 নির্দিষ্ট অবজেক্ট লক হয়ে যাবে।

4️⃣6️⃣ Ctrl + Alt + 2 – আনলক করুন
🔹 সব লক করা অবজেক্ট আনলক হবে।

4️⃣7️⃣ Ctrl + 3 – হাইড করুন
🔹 অবজেক্ট আর্টবোর্ড থেকে লুকিয়ে রাখা যাবে।

4️⃣8️⃣ Ctrl + Alt + 3 – সব কিছু দেখান
🔹 সব হাইড করা অবজেক্ট আবার দেখা যাবে।

4️⃣9️⃣ Ctrl + K – Preferences সেটিংস
🔹 Illustrator এর সাধারণ সেটিংস কাস্টমাইজ করার জন্য।

5️⃣0️⃣ Ctrl + Shift + F9 – Pathfinder প্যানেল খুলুন
🔹 Shape একত্রিত, কাটা বা বিভক্ত করার প্যানেল চালু হয়।

✅ পোস্টটি সেভ করুন 📌
✅ ডিজাইনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন 🤝
✅ কমেন্টে জানান, আপনার প্রিয় শর্টকাট কোনটি?

াংলা

05/06/2025

প্রিয় ভাইয়া-আপুরা, তোমাদের মনে কি কখনো প্রশ্ন জেগেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে কুরবানি কিংবা অন্য যেকোনো উৎসব-অনুষ্ঠানগুলো কেন গরু জবাইয়ের মাধ্যমেই আয়োজন করা হয়? এই অঞ্চলে গরুর সহজলভ্যতাই কি এর একমাত্র কারণ? নাকি মুদ্রার অপর পিঠেও কোনো রহস্য আছে?
চলো, অতীত থেকে একবার ভ্রমণ করে আসি।

১.
১১৪২ খ্রিষ্টাব্দ। সুদূর আরবের মাটি তায়েফ থেকে এই বাংলায় ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে আগমন করেন বাবা আদম শহীদ রহিমাহুল্লাহ। সে সময়ে তৎকালীন বিক্রমপুরের (বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ) ক্ষমতায় ছিল সেন রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা বল্লাল সেন। বাবা আদম শহীদ দ্বীন প্রচার আরম্ভ করা শুরু করলে একটি গরু জবাইকে কেন্দ্র করে তাঁর সাথে বিরোধ বাঁধে বল্লাল সেনের কর্মচারীদের। এরই সূত্র ধরে বাবা আদম শহীদের সাথে বল্লাল সেনের যুদ্ধ শুরু হয়। ১১৭৪ সালে বিক্রমপুরের কানাইচং ময়দানে বল্লাল সেনকে পরাস্ত করেন আদম শহীদ রহিমাহুল্লাহ। কিন্তু তার চার বছর পরে বল্লাল সেন আবারও আক্রমণ করে বসে। এবারও নাকানিচুবানি খেয়ে পরাজিতশক্তি বেছে নেয় বিশ্বাসঘাতকতার পথ। রাতের আঁধারে হত্যা করে বাবা আদম শহীদকে। রহিমাহুল্লাহ।
কিন্তু এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে মুসলিমদের চেতনা ও সংস্কৃতিকে নির্মূল করা যায়নি। মুন্সিগঞ্জ ঠিকই বিজিত হয়েছিল, ইসলাম ঠিকই স্থানলাভ করেছিল সেখানে।

২.
১৩০৩ সাল। সিলেটকে তখন ডাকা হতো শ্রীহট্ট। ইসলামী শাসনব্যবস্থা তখনো সেখানে প্রতিষ্ঠা পায়নি। কট্টর হিন্দু গৌড় গোবিন্দ ছিল সেখানকার রাজা। তবুও নামেমাত্র কিছু মুসলিম সেখানে বাস করতেন। তাদেরই মধ্যে একজন ছিলেন শেখ বুরহানউদ্দীন। বুরহানউদ্দীনের কোনো সন্তান ছিল না। আল্লাহর কাছে অনেক কান্নাকাটির পর তার দুআ কবুল হয়। একটি পুত্রসন্তান লাভ করেন তিনি। সন্তানের আকীকার জন্য একটি গরু জবাই করলেন বুরহানউদ্দীন। আশেপাশের প্রতিবেশী ও আত্মীয়দেরকেও গরুর মাংস বিলি করলেন। কিন্তু এই খবর পৌঁছে যায় গৌড় গোবিন্দের কানে। নিজের রাজ্যের প্রজা গরু জবাই করবে এটা মেনে নিতে পারল না গোবিন্দ। শাস্তিস্বরূপ বুরহানউদ্দীনের পুত্রসন্তানকে হত্যা করা হলো আর বুরহানউদ্দীনের ডান হাত কেটে ফেলা হলো।
পুত্রসন্তানকে হত্যার দায়ে বিচারের জন্য বুরহানউদ্দিন হাজির হলেন তৎকালীন বাংলার শাসক শামসউদ্দীন ফিরোজ শাহের নিকট। ক্ষোভে উত্তেজিত সম্রাট তারই ভাগ্নে সিকান্দার গাজীকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য প্রেরণ করলেন। কিন্তু তার সৈন্যরা ব্রহ্মপুত্র নদী পার হতে যেয়ে বারংবার ব্যর্থ হচ্ছিল। কারণ গোবিন্দ সেখানে জাদুমন্ত্রবলে প্রতিরোধ তৈরি করে রেখেছিল। সিকান্দার গাজীর ব্যর্থতার খবর পৌঁছে যায় দিল্লীর সম্রাট আলাউদ্দিন খলজীর কাছে। আলাউদ্দীন এ সংবাদ শুনে তারই দরবারের একজন বুযুর্গ ব্যক্তি সৈয়দ নাসির উদ্দীনকে সিলেট অভিযানের জন্য প্রেরণ করেন। এরই মাঝে বুরহানউদ্দীন সাক্ষাৎলাভ করেন বিখ্যাত দরবেশ শাহজালালের। তার কাছে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন বুরহানউদ্দীন। এটা শুনে শাহজালাল রহিমাহুল্লাহ তৎক্ষণাত বেরিয়ে পড়লেন তার সাথে থাকা সঙ্গীদের নিয়ে। পথিমধ্যেই তাদের সাথে দেখা হয়ে যায় সৈয়দ নাসির উদ্দীনের। এবার একত্রিত হয়ে সবাই যাত্রা করলেন সিলেট অভিমুখে।
তাদের আগমনের খবর পেয়ে গৌড় গোবিন্দ ব্রহ্মপুত্র নদের সকল নৌ চলাচল বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ঈমানের বলে বলীয়ান শাহজালাল ও তাঁর সঙ্গীরা এতে দমে যাননি। আল্লাহর সাহায্যে তারা নদী পার হয়ে সিলেট প্রবেশ করেন। ইতোমধ্যে সেই খবর পেয়ে গৌড় গোবিন্দ পলায়ন করে। সিলেট প্রবেশ করেই শাহজালাল রহিমাহুল্লাহ সর্বপ্রথম আযান দেন। এভাবেই সিলেটে ইসলাম বিজয় লাভ করে। অবসান হয় গরু জবাইকে কেন্দ্র করে ঘটা নির্মম জুলুম ও গৌড় রাজ্যের।

৩.
এই অঞ্চলে যখন ব্রিটিশরা ক্ষমতায় ছিল, তখন তাদেরই ছত্রছায়ায় গড়ে উঠতে থাকে একদল হিন্দু জমিদারশ্রেণি। ধীরে ধীরে এসকল জমিদাররা তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি দেখানো শুরু করে দুর্বল-অসহায় মুসলিমদের উপর। সেসময় পুরো মুসলিম সমাজই এসব জমিদারদের দ্বারা নিগৃহীত, নিপীড়িত ও নিষ্পেষিত হচ্ছিল। জমিদারদের প্রবল আধিপত্যের জোরে তাদের উপর নেমে আসে অত্যাচার, জুলুম ও শোষণের স্টিমরোলার। শুধু তাই নয়, সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের ইসলামী নাম রাখা, দাড়ি রাখা, ইসলামী পোশাক পরিধান করা, কুরআন ও দ্বীনি শিক্ষা প্রদান, আযান দেওয়া ও জামাআতে সালাত আদায় করা, গরু জবাই করার মতো ইসলামী বিধিবিধান ও রীতিনীতির উপর আরোপিত হয় জরিমানা, কঠোর শর্ত, সামাজিক অবহেলা এবং নিষেধাজ্ঞা।
তাদের এমন বর্বরতার বিরুদ্ধে যেই ব্যক্তি আওয়াজ তোলেন এবং এগিয়ে আসেন তিনি হলেন সাইয়েদ মীর নিসার আলী তিতুমীর রহিমাহুল্লাহ। তিতুমীর ব্রিটিশ শাসনব্যবস্থা ও হিন্দু জমিদারদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
তাঁর সময়ে এমনই এক জমিদার ছিল কৃষ্ণদেব রায়। সেও মুসলমানদের দ্বীন পালন করাকে কঠিন করে দেওয়ার মতো কাজগুলোর ব্যতিক্রম করেনি। তখন মুসলিমরা সন্তানের ইসলামী নাম রাখতে পারত না, দাড়ি রাখতে পারত না। এজন্য জমিদারকে মোটা অংকের কর দিতে হতো। মুসলিমদের বাধ্যতামূলক ধুতি পরতে হতো। এসব অত্যাচারের প্রতিশোধ নিতে ১৮৩১ সালের ৬ অক্টোবর কৃষ্ণদেবের বাড়িতে আক্রমণ করে তিতুমীরের বাহিনী। কিন্তু বাড়ির ছাদ থেকে ক্রমাগত ইট নিক্ষেপ করায় খুব বেশি সুবিধা করে উঠতে পারেনি তিতুমীরের বাহিনী। এরপরেও প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে বারোয়ারী তলার মন্দিরে তিতুমীরের দল একটি গরু জবাই করে এবং রক্ত মন্দিরে নিক্ষেপ করে। তিতুমীরের এই আন্দোলন পরবর্তীতে বাংলায় ইসলামী পুনর্জাগরণে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল।

আলোচ্য তিনটি ঘটনা থেকেই আমরা দেখতে পেলাম, আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশে গরু জবাই নিছক কাকতালীয় কোনো ঘটনা ছিল না। বরং গরু জবাইয়ের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রাণ দিতে হয়েছে বারবার। গরু জবাই করতে পারার এই আন্দোলন সংগ্রাম ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি আমাদের ইসলামী সংস্কৃতি, চেতনা ও ঐতিহ্যের প্রতীকও বটে। বিরোধী শক্তি এখনো তাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছর রমাদানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে গরুর মাংস নিষিদ্ধ করা হয়। আন্দোলনের মাধ্যমে আবার হলে গরুর মাংস খাওয়ার অধিকার আদায় করতে হয়। আমাদের পাশের দেশ ভারতের মুসলিমদের সেই অধিকারটুকুও নেই। গরু খাওয়ার কারণে তাদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঈদুল আযহায় গরু কুরবানি দিতে পারে না তারা। নিজ দেশেই তারা আজ পরবাসী। আমাদের মুসলিম পরিচয় ও গরু খাওয়ার অধিকার ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই অধিকার আদায়ের জন্য আজও রক্ত দিয়ে যাচ্ছে আমাদের মুসলিম ভাইবোনেরা। তাই পরেরবার চালের রুটির সাথে গরুর গোশত মুখে নেওয়ার আগে আমাদের গৌরবময় বীরত্বগাঁথা ও লড়াইকে ভুলে যেয়ো না কিন্তু!
গরু এবং বাংলার মুসলিমদের আত্মপরিচয়
–জুবায়ের আল মাহমুদ

[ষোলো ৯ম সংখ্যা থেকে নেওয়া, পাওয়া যাচ্ছে সারাদেশে।প্রাপ্তিস্থান ও অর্ডার লিংক কমেন্টে]
#ষোলো
#ষোলোর_পাতা_থেকে

Butterfly Effect
03/06/2025

Butterfly Effect

ব্রাজিলে যদি কোনো একটি প্রজাপতি তার ডানা ঝাপটায়, তাহলে সে কারণে কি টেক্সাসে টর্নেডো হতে পারে?

এমন প্রশ্ন করা কাউকে পাগল বলাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রথম যিনি এই প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি ছিলেন এমআইটির আবহাওয়াবিদ্যার একজন অধ্যাপক ও গণিতবিদ।

তার নাম এডওয়ার্ড লরেঞ্জ। তাকেই বাটারফ্লাই ইফেক্ট থিওরির জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রজাপতির পাখা ঝাপটানো নিয়ে লরেঞ্জ তার এই প্রশ্নে আসলে এটা বোঝাতে চাননি যে, আসলেই পৃথিবীর এক স্থানে প্রজাপতি ডানা ঝাপটালে আরেক স্থানে টর্নেডো হয়।

বরং তিনি তার এই অদ্ভুত প্রশ্নের মাধ্যমে এটিই দেখাতে চেয়েছিলেন যে, কোনো বৃহৎ এবং জটিল সিস্টেমের ক্ষুদ্র পরিবর্তনের কারণে সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য কতখানি বদলে যেতে পারে।

সহজ করে বললে, কোনো একটি স্থানের ছোট একটি পরিবর্তন পরবর্তীকালে অন্য কোনো জায়গার বড় ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী হতে পারে।

পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক বিখ্যাত বাটারফ্লাই ইফেক্ট ঘটতে দেখা গেছে-

১. অস্ট্রো-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হ ত্যা কা ণ্ড পুরো পৃথিবীকে নাড়িয়ে দেয়, কোটি কোটি মানুষকে ঠেলে দেয় ভয়ানক এক যুদ্ধের মুখে। ১৯১৪ সালের জুনে বসনিয়া (সে সময় সার্বিয়ার অন্তর্ভুক্ত) সফরে গিয়ে একবার তার গাড়ি চলে যায় ভুল রাস্তায়। ড্রাইভার ভুল বুঝে যখন গাড়ি স্লো করে ঘোরানো শুরু করে, ঠিক তখনই ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক ক্ষুদ্ধ তরুণ একদম কাছ থেকে গুলি করে হ ত্যা করে আর্চডিউক ও তার স্ত্রী-কে।

এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ অস্ট্রিয়া যুদ্ধ ঘোষণা করে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে। শত্রু-মিত্রের হিসাব মিলিয়ে আরো অনেক দেশ যোগ দেয় এই লড়াইয়ে, শুরু হয়ে যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

ড্রাইভারের একটা রং টার্ন ঘুরিয়ে দেয় ইতিহাসের মোড়।

২. ভিয়েনার আর্ট স্কুল থেকে প্রত্যাখাত হয়েছিলেন এক শিল্পপ্রেমী তরুণ, তার নাম অ্যা ড ল ফ হি ট লা র। যার বিশ্বের সম্রাট হওয়ার ইচ্ছা থেকেই শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

আর্ট স্কুলে ভর্তি হতে পারলে মেগালোম্যানিয়াক আর যুদ্ধবাজ নেতার পরিবর্তে বিশ্ব পেত গুণী একজন আর্টিস্ট, হয়ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখতেই হত না পৃথিবীকে।

৩. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে জাপানে আমেরিকার পারমাণবিক বো মা ফেলার পর। নাগাসাকি শহরে ফেলা বোমার আসল গন্তব্য ছিল কুরোকো শহরের সামরিক অস্ত্রঘাঁটি।

মেঘলা আকাশের কারণে কুরোকো-তে বো মা ফেলা বাদ দিয়ে মার্কিন পাইলট উড়ে যান নাগাসাকির দিকে, বদলে যায় দুইটা শহরের বাসিন্দাদের ভাগ্য।

৪. কিউবান মিসাইল ক্রাইসিসের সময় ভাসিলি আর্খিপোভ নামের একজন রাশিয়ান অফিসার নিউক্লিয়ার টর্পেডো লঞ্চ করার ব্যাপারে ভেটো দেন। সেদিন এই টর্পেডো ছোঁড়া হলে হয়ত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েই যেত।

তার একটা সিদ্ধান্ত বাঁচিয়ে দিয়েছিল পুরো বিশ্বকে।

সূত্র: Roar Media, Farman Street, History dot com

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adnan's Design posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adnan's Design:

Share