Roki story

Roki story Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Roki story, moimon shingho, Dhaka.
(1)

04/03/2026

আজ কোন উত্তর চাইনা শুধু সত্যটা জানতে চাই

20/02/2026

সভাই সাপোর্ট করে পাসে থাকো

16/02/2026

তোমার সুখের জন্যই তোমার থেকে দূরে সরে গেলাম😅😅

30/10/2025
21/10/2025

আমামদের।মেসেঞ্জার গ্রুপে এড হতে চাইলে ইনবক্স

🌸 অধ্যায় – ৪ : দূরত্বের শুরুবন্ধুত্বের পথচলা কিছুদিন সুন্দরভাবেই চললো।হাসি, গল্প, ঝগড়া, আবার রাগ ভাঙানো—সবকিছু মিলিয়ে যে...
15/10/2025

🌸 অধ্যায় – ৪ : দূরত্বের শুরু

বন্ধুত্বের পথচলা কিছুদিন সুন্দরভাবেই চললো।
হাসি, গল্প, ঝগড়া, আবার রাগ ভাঙানো—সবকিছু মিলিয়ে যেন জীবনটা একটু রঙিন হয়ে উঠেছিল ছেলেটির জন্য।

কিন্তু ধীরে ধীরে ছেলেটি টের পেতে লাগলো,
মেয়েটি তার কাছ থেকে আস্তে আস্তে দূরে সরে যাচ্ছে।
যেমন আগে প্রতিদিন কথা হতো, এখন তেমন হচ্ছে না।
মেসেজ রিপ্লাই আসতে দেরি হচ্ছে, কল করলে ব্যস্ততা দেখিয়ে কেটে দিচ্ছে।

প্রথমে ছেলেটি ভেবেছিল—
"হয়তো ওর কোনো সমস্যা হয়েছে, হয়তো পড়াশোনা বা পরিবারের টেনশন।"
তাই সে কিছু বলেনি।
বরং আরও বেশি যত্ন নিতে শুরু করলো, যাতে মেয়েটি বুঝতে পারে—
"যাই হোক না কেন, আমি আছি তোর পাশে।"

কিন্তু মেয়েটি যেন ক্রমেই তাকে এড়িয়ে যাচ্ছিল।
এমনকি অনেক সময় একসাথে অনলাইনে থেকেও কোনো কথা বলতো না।
ছেলেটির বুকের ভেতর তখন ঝড় বইতো।
মনের ভেতর হাজারো প্রশ্ন ঘুরতো—

"আমি কি কোনো ভুল করেছি?"

"ও কি আমার প্রতি বিরক্ত হয়ে গেছে?"

"না কি ও সত্যিই আমাকে আর চাইছে না জীবনে?"

একদিন সাহস করে ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো—
"শোন, কিছুদিন ধরে তুই আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছিস। সমস্যা কী?"

মেয়েটি প্রথমে চুপ রইলো।
বলতে চাইলো না।
কিন্তু ছেলেটি জিদ ধরলো—
"না, আজকে তোকে বলতে হবে। আমি জানতে চাই।"

অনেক টানাপোড়েনের পর মেয়েটি ভাঙা গলায় বললো—
"আমার আগের বয়ফ্রেন্ড ফিরে এসেছে। ও আবার চেষ্টা করছে আমাকে বুঝাতে। তাই আমি তোর সাথে আগের মত সময় দিতে পারবো না।"

এই কথাটা ছেলেটির কানে বাজলো বজ্রপাতের মতো।
মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু ভেঙে পড়লো তার ভেতরে।
কিন্তু মেয়েটি যাতে কিছু বুঝতে না পারে, তাই সে একটা মিথ্যে হাসি দিলো।

সে শুধু বললো—
"তুই যেটাতে খুশি, সেটাই কর। তুই যদি খুশি থাকিস, আমার আর কিছু লাগবে না।"

কিন্তু সেদিন রাতে ছেলেটি অনেকক্ষণ অন্ধকার ঘরে একা বসে থাকলো।
মোবাইলের স্ক্রিনে মেয়েটির নাম বারবার দেখতে লাগলো,
আবার স্ক্রিন বন্ধ করে দিলো—
কারণ সে জানতো, এখন আর আগের মতো হবে না।

তার চোখ ভিজে যাচ্ছিল অশ্রুতে,
তবুও মনে মনে বারবার বলছিল—
"তুই খুশি থাকলেই আমি খুশি, যদিও তোর খুশিতে আমি নেই।"

এইভাবেই তাদের মাঝে শুরু হলো এক অদৃশ্য দূরত্ব।
ছেলেটি হাসতে হাসতে মেয়েটিকে আগের মতোই সাপোর্ট করতে থাকলো,
কিন্তু তার বুকের গভীরে শুরু হলো এক অনন্ত শূন্যতার যাত্রা।

---

(চলবে… অধ্যায় ৫ : ভাঙা স্বপ্ন, লুকানো কান্না)

পরের পার্ট পেতে আমাদের পেজটিকে ফলো করে আমাদের পাসেই থাকুন
ধন্যবাদ

🌸 পার্ট – ৩ : হৃদয়ের গোপন কথাদিনগুলো কেটে যাচ্ছিল।একসময় ছেলেটির কাছে মেয়েটি হয়ে উঠলো তার প্রতিদিনের অভ্যাস।একদিনও মেয়েটি...
14/10/2025

🌸 পার্ট – ৩ : হৃদয়ের গোপন কথা

দিনগুলো কেটে যাচ্ছিল।
একসময় ছেলেটির কাছে মেয়েটি হয়ে উঠলো তার প্রতিদিনের অভ্যাস।
একদিনও মেয়েটির সাথে কথা না হলে সে অস্থির হয়ে উঠতো।
যেন দম বন্ধ হয়ে আসে।

কিন্তু এই অনুভূতিটা সে কখনো প্রকাশ করতে পারছিল না।
কারণ সে ভয় পেতো।
ভয়—যদি মেয়েটি তাকে ভুল বুঝে দূরে সরে যায়।

তবুও হৃদয়ের কথা তো একসময় বাইরে বের হয়ে আসে।
সে অনেক ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিলো—
"আমি আর লুকাতে পারবো না। আমার অনুভূতিটা তাকে জানাতেই হবে।"

কিন্তু সরাসরি বলতে পারলো না।
একজন কমন বন্ধুর মাধ্যমে ইশারায় মেয়েটির কাছে নিজের ভালোবাসার কথা পৌঁছে দিলো।

মেয়েটি শুনে অনেকক্ষণ চুপ করে রইলো।
তারপর একটাই উত্তর দিলো—
"তুমি আমার ভালো বন্ধু, আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব থাকুক। কিন্তু প্রেম… আমি পারবো না।"

এই কথাটা ছেলেটির বুকের ভেতর ঝড়ের মতো আঘাত করলো।
সে কিছুক্ষণের জন্য চুপ হয়ে গেল।
মনে হলো যেন চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেছে।

কিন্তু সে মেয়েটিকে কোনো কষ্ট দিতে চায়নি।
তাই মিথ্যে হাসি দিয়ে বললো—
"ঠিক আছে, বন্ধুত্বই থাক। আমি তোর সাথে থাকতে চাই সবসময়।"

মেয়েটি স্বস্তি পেলো, কারণ সে বন্ধুত্ব হারাতে চাইছিল না।
কিন্তু ছেলেটির বুকের ভেতরের সেই ভাঙা শব্দ, সেই চিৎকার কেউ শুনলো না।

সেদিন রাতে ছেলেটি একা ঘরে বসে অনেক কেঁদেছিল।
কারও সাথে শেয়ার করেনি।
কারণ সে জানতো—
"আমার কান্নার গল্প কেউ শুনতে চায় না। সবাই শুধু প্রশ্ন করে, উত্তর দেয় না।"

এরপরও সে মেয়েটির পাশে থাকলো।
বন্ধুর মতো, হাসিমুখে।
সে প্রতিদিন মেয়েটিকে হাসাতো, ওর দুঃখ ভাগ করে নিতো, যদিও নিজের দুঃখের ভাগীদার ছিল না কেউ।

কিন্তু ভেতরে ভেতরে ছেলেটির হৃদয় ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছিল।
তবুও সে ভাবতো—
"যদি ওকে ভালো রাখতে পারি, তবে এ কষ্টও সইবো।"

বন্ধুত্ব চলতে থাকলো।
তারা ঝগড়াও করতো, আবার রাগ ভাঙাতো।
ছেলেটি সবসময় চাইতো মেয়েটি যেন তাকে অবহেলা না করে, কিন্তু মেয়েটি তার মনের গভীর কষ্টটা বুঝতো না।

এই সময়টাতে ছেলেটি শিখে গিয়েছিল—
ভালোবাসা মানে শুধু পাওয়া নয়,
ভালোবাসা মানে কাউকে খুশি রাখা, যদিও তার জন্য নিজের ভেতরটা রক্তাক্ত হয়ে যায়।

---

(চলবে… পার্ট - ৪ : দূরত্বের শুরু)

পরের পার্ট পেতে আমাদের পেজটাকে ফলো করে আমাদের পাসেই থাকুন ধন্যবাদ

🌸 পার্ট – ২ : নতুন আলোর ছোঁয়াছেলেটির জীবনে অনেক অন্ধকার জমে গিয়েছিল।সে ভেবেছিল এই অন্ধকারই হয়তো তার নিয়তি।হাসতে হাসতে দি...
12/10/2025

🌸 পার্ট – ২ : নতুন আলোর ছোঁয়া

ছেলেটির জীবনে অনেক অন্ধকার জমে গিয়েছিল।
সে ভেবেছিল এই অন্ধকারই হয়তো তার নিয়তি।
হাসতে হাসতে দিন কাটানো, ভেতরে কষ্ট চেপে রাখা—এই ছিল তার অভ্যাস।

কিন্তু হঠাৎ একদিন, সবকিছু বদলে গেল।
যেটা সে কোনোদিন ভাবেনি, সেটাই হলো।

এক বিকেলে, এক বন্ধু তাকে একটা মেসেঞ্জার গ্রুপে অ্যাড করলো।
সেখানে অনেক অচেনা মানুষ ছিল—ছেলেমেয়ে মিলে আড্ডা দিচ্ছিল।
শুরুতে সে চুপচাপ ছিল।
কিন্তু ধীরে ধীরে আড্ডায় যোগ দিল।
সবার সাথে হাসি–তামাশা করতে লাগলো।

সেই গ্রুপেই প্রথমবার ছেলেটি মেয়েটির সাথে কথা বললো।
মেয়েটি অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা ছিল।
ওর কথাবার্তায় ছিল সরলতা, মায়া আর এক ধরনের কোমলতা।
যা ছেলেটির একাকী হৃদয়কে অদ্ভুতভাবে স্পর্শ করেছিল।

প্রথম দিকে তাদের মধ্যে বেশি কথা হতো না।
শুধু গ্রুপে কয়েকটা রিপ্লাই, কয়েকটা ছোট্ট মজা।
কিন্তু আস্তে আস্তে…
গ্রুপের বাইরে ইনবক্সে চলে এলো তাদের আলাপ।

মেয়েটি প্রথম মেসেজে লিখলো—
"তুমি বেশ মজার মানুষ, সবসময় সবাইকে হাসাও কেন?"

ছেলেটি হেসে রিপ্লাই দিলো—
"হাসানো ছাড়া আমার কিছুই আসে না। হাসালে অন্তত কিছুক্ষণের জন্য নিজের কষ্ট ভুলে থাকা যায়।"

মেয়েটি উত্তর দিলো না, শুধু একটা "🙂" ইমোজি পাঠালো।
কিন্তু সেই ইমোজিটা ছেলেটির মনে যেন আলো ছড়িয়ে দিলো।

এরপর থেকে তাদের কথা বাড়তে লাগলো।
রাতের পর রাত চ্যাট চলতো।
মেয়েটি প্রথমে বন্ধুর মতো গল্প করতো, পরে ধীরে ধীরে নিজের কিছু ব্যক্তিগত কথাও শেয়ার করতে শুরু করলো।
আর ছেলেটি?
সে তো অনেক আগেই নিজের হৃদয় হারিয়ে ফেলেছে অজান্তেই।

ছেলেটি অনুভব করলো—
"এই মেয়েটি অন্যরকম। ওর সাথে কথা বললে মনে হয় আমি একা নই।"

ধীরে ধীরে মেয়েটি তার দিনের অংশ হয়ে গেল।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই মেয়েটির মেসেজ খুঁজতো, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে শেষ মেসেজও ওর সাথে হতো।
ওর কণ্ঠ, ওর লেখা, ওর মুড—সবকিছুই ছেলেটির জীবনের আলো হয়ে উঠলো।

একসময় ছেলেটির ভেতরে একটা ঝড় শুরু হলো।
সে বুঝলো, সে আস্তে আস্তে মেয়েটিকে ভালোবেসে ফেলছে।
কিন্তু ভয়ও কাজ করছিল—
"যদি ও আমাকে মেনে না নেয়? যদি ও আমার কাছ থেকে সরে যায়? যদি আমি আবার ভেঙে যাই?"

তবুও হৃদয়ের কথা লুকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছিল।
দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, মেয়েটিকে না বলেও সে ওর প্রতি ভালোবাসা জমিয়ে রাখছিল।

এদিকে মেয়েটি তখনও জানতো না, তার হাসি, তার ছোট্ট কথাগুলো, তার যত্ন—এসব একা ছেলেটির কাছে কতটা দামী।
মেয়েটি ভাবতো—ছেলেটি কেবল বন্ধু, কেবল আড্ডার সাথি।

কিন্তু ছেলেটির কাছে মেয়েটি ছিল—
একটা নতুন সূর্যোদয়,
অন্ধকার ভেদ করে আসা এক টুকরো আলো।

ওই আলো না থাকলে হয়তো ছেলেটির জীবন একই রকম একাকী অন্ধকারেই ডুবে যেত।

---

(চলবে…পার্ট - ৩ : হৃদয়ের গোপন কথা)
আদের পেজটি ফলো করে আমাদের পাসেই থাকুন

অসম্পূর্ণ বন্ধুত্ব 🌸 পার্ট – ১ : ছেলেটির একাকিত্বছেলেটির নামটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।কারণ এ গল্পটা আসলে হাজারো ছেলেমেয়ের ...
08/10/2025

অসম্পূর্ণ বন্ধুত্ব

🌸 পার্ট – ১ : ছেলেটির একাকিত্ব

ছেলেটির নামটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।
কারণ এ গল্পটা আসলে হাজারো ছেলেমেয়ের কাহিনি, যাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য ব্যথা।
তবুও তাকে আমরা "ছেলেটি" বলেই ডাকবো।

ছেলেটি জন্ম থেকেই একাকী ছিল না, কিন্তু সময়ের সাথে একাকিত্ব তাকে ঘিরে ধরেছিল।
শৈশবে যখন অন্যরা মাঠে খেলতো, সে তখন জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দূরে তাকিয়ে থাকতো।
তার পরিবারে শান্তি ছিল না।
বাবা–মায়ের ঝগড়া, সংসারের অশান্তি, অভাব–অনটন—সব মিলিয়ে তার শৈশবের রঙ ফিকে হয়ে গিয়েছিল।

সে খুব ছোট বয়সেই শিখে গিয়েছিল—
"কান্না কাউকে দেখাতে নেই। কান্না দুর্বলতা।"
তাই বুক ফেটে গেলেও সে হাসতো।
বন্ধুদের সামনে মজা করতো, স্কুলে সবাইকে হাসাতো, শিক্ষকরা বলতেন—“এই ছেলে একদিন অনেক বড় হবে, ওর চোখে অদ্ভুত এক আলো আছে।”
কিন্তু কেউ জানতো না সেই চোখের আলো কতটা ভেতরের অন্ধকার লুকিয়ে রেখেছে।

বাড়ি ফিরে সে নিঃসঙ্গতায় ডুবে যেতো।
মোবাইল ফোন ছিল না তখন, ছিল শুধু একটা পুরনো রেডিও।
রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে সে একা রেডিও শুনতো।
কিন্তু কোনো গানই তাকে শান্তি দিতে পারতো না।
বালিশ ভিজে যেতো কান্নায়।
বড় হতে হতে সে বুঝলো—একাকিত্বই তার সবচেয়ে কাছের সঙ্গী।

তারপর বয়স বাড়লো।
স্কুল পেরিয়ে কলেজে গেলো।
চারপাশে সবাই প্রেমে পড়লো, জুটি বাঁধলো।
কিন্তু ছেলেটি?
সে শুধু দূর থেকে দেখতো।
কারণ তার মনে হতো—"আমাকে কেউ ভালোবাসবে না। আমি তেমন কিছুই না।"

এই ভেবে ভেবে সে নিজের চারপাশে এক অদৃশ্য দেয়াল তুলে নিলো।
যেখানে কেউ ঢুকতে পারতো না, আর সেখান থেকে সে বের হতেও পারতো না।

তবে একটা জিনিস সে ভালো জানতো—
কাউকে হাসাতে হয় কীভাবে।
তাই ক্লাসে, বন্ধুমহলে, গ্রুপে সে সবসময় ফান করতো।
সবাই ভাবতো—"ও কত খুশি একটা ছেলে!"
কিন্তু কেউ জানতো না, রাতের অন্ধকারে সে বালিশ জড়িয়ে চুপচাপ ফিসফিস করে বলতো—
"হায় আল্লাহ, আমাকেও কেউ যদি একদিন সত্যি ভালোবাসতো…"

তার কাছে সুখ একটা হারানো জিনিস ছিল।
সুখ কী জিনিস, সে প্রায় ভুলেই গিয়েছিল।
তবুও বাইরে থেকে এমন ভান করতো, যেন সে-ই সবচেয়ে খুশি মানুষ।

একটা মানুষ যখন দীর্ঘদিন ধরে নিজের কষ্ট লুকিয়ে রাখতে থাকে, তখন সে অভিনয়ে ওস্তাদ হয়ে যায়।
ছেলেটিও হয়ে গিয়েছিল।
সবার সামনে জোকার, ভেতরে ভাঙা মানুষ।

তারপর একদিন, তার জীবনে এলো এক অচেনা আলো।
যেটা সে কোনোদিন আশা করেনি।
কোথাও গিয়ে, এক অদ্ভুতভাবে, সেই আলো তার একাকিত্ব ভেদ করে ঢুকে পড়লো।

(চলবে… পার্ট ২ : নতুন আলোর ছোঁয়া)

পরের পার্ট পেতে আমাদের পেজটাকে ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন

অসম্পূর্ণ বন্ধুত্ব ভূমিকাপ্রতিটি গল্পেরই একটা শুরু থাকে, থাকে একটা যাত্রা, আর থাকে একটা শেষ। কিন্তু সব গল্পের শেষ একরকম ...
07/10/2025

অসম্পূর্ণ বন্ধুত্ব

ভূমিকা

প্রতিটি গল্পেরই একটা শুরু থাকে, থাকে একটা যাত্রা, আর থাকে একটা শেষ। কিন্তু সব গল্পের শেষ একরকম হয় না। কারো গল্প হাসিতে ভরে ওঠে, কারো গল্প কান্নার স্রোতে ভেসে যায়। তবে কিছু গল্পের শেষ হয় না—সেগুলো কেবল থেমে যায়, অপূর্ণ থেকে যায়, অসমাপ্ত থেকে যায়।

“অসমাপ্ত বন্ধুত্বের গল্প” এমনই এক কাহিনি।

এটা কেবলমাত্র এক ছেলে আর এক মেয়ের গল্প নয়। এটা সেইসব মানুষের গল্প যারা নিজের কষ্ট গোপন রেখে অন্যকে হাসায়, যারা নিজের ভাঙা মন নিয়ে রাত জাগে কিন্তু দিনের বেলায় সবার সামনে হাসিখুশি থাকার অভিনয় করে। এ গল্পে আছে এক তরফা ভালোবাসার যন্ত্রণা, আছে হারিয়ে ফেলার বেদনা, আছে বন্ধুত্বের সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার জন্য নিজেকে বিসর্জন দেওয়ার নিষ্ঠুর সাহস।

ছেলেটি ভালোবেসেছিল। কিন্তু ভালোবাসাটা মুখে আনেনি, কারণ সে জানতো—যদি বলেও দেয়, হয়তো সবকিছু ভেঙে যাবে। তাই সে চুপ করে থেকেছে, আর মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়ে থেকেছে কেবল বন্ধু হয়ে। মেয়েটি কখনো বুঝতেই পারেনি যে, তার প্রতিটি হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ছেলের হাজারটা কান্না, তার প্রতিটি সুখের আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে কারো না বলা ত্যাগ।

কিন্তু জীবন তো কখনো কারো জন্য থেমে থাকে না। একদিন মেয়েটি আবার তার পুরোনো জীবনে ফিরে গেল, পুরোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ল। আর তখনই ছেলেটি উপলব্ধি করল—বন্ধুত্ব থাকলেও ভালোবাসাটা থেকে যাবে অসমাপ্ত।

এই গল্পের শেষ নেই। নেই মিলনের ছবি, নেই সুখী সমাপ্তি। আছে শুধু একাকিত্বের দীর্ঘশ্বাস, আছে নীরব কান্না, আছে অপূর্ণ স্বপ্নের ভারে নুয়ে পড়া মন।

এই গল্পে তুমি খুঁজে পাবে—
এক তরফা ভালোবাসার নিঃশব্দ যন্ত্রণা,
বন্ধুত্বের আড়ালে লুকানো না বলা অনুভূতি,
এবং এক জীবনের অসমাপ্ত অধ্যায়।

হয়তো পড়তে পড়তে তোমার নিজের জীবন থেকেও মিল খুঁজে পাবে। কারণ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ কমবেশি অসমাপ্ত গল্প বয়ে বেড়ায়।

তাই এই বইয়ের প্রতিটি লাইন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে—
সব ভালোবাসা পূর্ণ হয় না,
সব বন্ধুত্ব অটুট থাকে না,
আর সব গল্প শেষ হয় না।

কিছু গল্প কেবল থেকে যায়…
“অসমাপ্ত বন্ধুত্বের গল্প” হয়ে।

সম্পুর্ন গল্প পার্ট পার্ট করে আসবে
ততক্ষন আমাদের পেজটিকে ফলো করে আমাদের পাসেই থাকুন

12/09/2025

হে এটাই ছেলেদের জীবন 😅😅😅

Address

Moimon Shingho
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Roki story posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share