16/05/2026
একটা সংগঠন কতটা আপডেট, কতটা সময়োপযোগী এবং কতটা চিন্তাশীল হতে পারে তা বুঝতে হলে ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দেখতে হয়।
শিবির যে কতটা ইউনিক, তা অন্য অনেক ছাত্রসংগঠনের সাথে তুলনা করতে গেলেই পার্থক্যটা স্পষ্ট হয়ে যায়। শিবিরের মতো ছাত্রদলকে ভাবতে গেলে মনে হয় পাপ করছি।
গত বুধবার “তারুণ্যের বাজেট ভাবনা” শীর্ষক একটি সেমিনার আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সেখানে আলোচনা হয়েছে দেশের তরুণরা সংসদে কেমন বাজেট দেখতে চায়, শিক্ষাখাতে কী ধরনের বরাদ্দ প্রয়োজন, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার কী হওয়া উচিত।
খেয়াল করুন, এখনো সংসদে বাজেট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার আগেই ছাত্রদের প্রতিনিধিরা দায়িত্বশীলভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন দেশ ও শিক্ষা খাতে কী ধরনের বাজেট পাস হওয়া উচিত।
এটাই ভিশন।
এটাই প্রস্তুতি।
এটাই নেতৃত্ব।
রাজনীতি শুধু মিছিল না, শুধু পোস্টার না, শুধু স্লোগানও না রাজনীতি মানে রাষ্ট্রচিন্তা, নীতিনির্ধারণ, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করা।
এই জায়গায় শিবির সবসময় আলাদা।
যখন অন্যরা শুধু পদ পাওয়ার জন্য নেতার আশেপাশে ঘুরে বেড়ায়, সালাম দেওয়ার প্রতিযোগিতায় জুতা ক্ষয় করে, কিংবা অপমানের পরও ব্যক্তিস্বার্থে নীরব থাকে ঠিক তখন শিবির একের পর এক প্রোডাক্টিভ, পলিসি ভিত্তিক, চিন্তাশীল প্রোগ্রাম করে যাচ্ছে।
এরা শুধু নেতৃত্ব চায় না যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করে।
এরা শুধু ক্ষমতার কথা বলে না রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলে।
এটাই পার্থক্য।
একটা সংগঠন বড় করে তার চিন্তা, তার মান, তার প্রস্তুতি।
আর সেই জায়গায় শিবির সত্যিই ব্যতিক্রম।
শুধু সংগঠন না একটি বুদ্ধিবৃত্তিক শক্তি, একটি চরিত্র গঠনের প্রতিষ্ঠান, একটি নেতৃত্ব তৈরির কারখানা।