Shahidul islam

Shahidul islam Founder of DERMA HEALTH CARE and Business Advisor of DERMA BABY CARE

06/10/2023
15/05/2023

কষ্টকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,,
তুমি বারবার আমার জীবনে কেন ফিরে আসো ?
সুখ তোমাকে ঘৃণা করলেও আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি🤣🤣🤣
তাইতো বারবার তোমার কাছে ফিরে আসি।

10/10/2022

আলহামদুলিল্লাহ,,,
|| ভালো সময় সবসময় ||

27/02/2022
01/09/2021

#ডিপ্রেশনঃ-
বাস্তবে ডিপ্রেশন বলে কিছুই নেই। সবটাই শয়তানের ধোকা। আমরা যারা ডিপ্রেশনে ভোগী, প্রত্যেকেই ইবলিস শয়তান দ্বারা পরিচালিত ।

যারা মহান আল্লাহর রহমত থেকে দুরে সরে যায় , মূলত তারাই ডিপ্রেশনে ভুগে........

আম্মাজান খাদিজা(রাঃ) খুব ধনী ঘরের মেয়ে ছিলেন। বিলাসিতার মধ্যেই বড় হওয়াটাই স্বাভাবিক ।

নবিজীর ইসলাম প্রচারের কারণে অন্যান্য গোত্র যখন কুরাইশদের অবরোধ দিলো, তখন নবিজী আর আম্মাজান খাদিজা রাযিঃ এর, গোত্রের শিশুদের আড়াইবছর তীব্র কষ্টে থাকতে হয়েছিলো।

এমনকী খিদের তাড়নায় গাছের পাতা পর্যন্ত খেয়েছিলেন।

বিলাল (রা) ছিলেন হাবশী ক্রীতদাস।
ইসলাম কবুলের অপরাধে তাকে মরুভূমির রোদে ফেলে রাখা হতো, তার গায়ের চর্বি গলে যেতো।

তারপরও তার মুখে লেগে থাকতো প্রশান্তি, রোদের তেজ তাঁর কালিমার তেজের কাছে পরাজিত হতো।

ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা তাঁর জীবনে আট বছর জেল খেটেছেন। জেলেই মৃত্যু বরন করেছেন।
অথচ তিনি কী বলেছিলেন, জানেন? বলেছিলেন, দুনিয়াতেও একটা জান্নাত আছে, আমি আমার হৃদয়ে সে জান্নাতের খোঁজ পেয়েছি।

গান শোনা, মুভি দেখা, মোটিভেশনাল বই পড়া বা মানুষের সাথে আড্ডা দিয়েই যদি ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাওয়া যেত, তাহলে গান গাওয়া সংগিত শিল্পি, সিনেমার অভিনেতা, সেলিব্রিটি গন বাস্তব জিবনে ডিপ্রেশন থেকে মুক্ত নয় কেন.......?

আল্লাহ্ তাআলা, ইসলাম, ইমান আর ডিপ্রেশন এক অন্তরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। যদি আপনার মনে বিন্দুমাত্র ডিপ্রেশন থাকে, তার মানে আপনার হৃদয়ে আল্লাহ্ নাই, বরং ওখানে শয়তান বাসা বেঁধেছে।

যারা ডিপ্রেশনে পড়ে বা আত্মহত্যা করে, এরা অজ্ঞেয়বাদী না হয় অবিশ্বাসী। কোনো মুসলিম যদি ডিপ্রেশনের স্বীকার হন, তাহলে আপনার ইমান নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে।

এবার অনেকেই তেড়ে এসে বলবেন, আমার পরিস্থিতি আপনি বুঝবেন না, আমার ফ্যামিলি প্রবলেম, মানি প্রবলেম, স্বামী প্রবলেম.....

আরে ভাই থামেন তো!!

কোন পরিস্থিতির গল্প শোনান আপনি? বউ ভালো না? হযরত লূত (আ) এর স্ত্রীও ভালো ছিলো না। হযরত আছিয়া (আ) এর স্বামী ছিলেন কে জানেন? ফেরাউন।
ফেরাউনকে ঈশ্বর না মানার অপরাধে তাঁকে টুকরো করে কেটে গরম তেলের ডোবানো হয়েছিলো।

আরও শুনবেন? চেষ্টা করেও কিছু হচ্ছে না, তাই ডিপ্রেশন?

হযরত নুহ (আ) প্রায় হাজার বছর দাওয়াত দিয়ে আশি জনকে দাওয়াত কবুল করাতে পেরেছিলেন।

আপনজন কষ্ট দিয়েছে? অপবাদ দিয়েছে?

ইউসুফ (আ) এর ভাইয়েরা তাকে কুয়ার মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে গেলো। জুলেকার সাথে ব্যভিচার না করায় উল্টো অপবাদ দিয়ে সাত বছরের জেল দেওয়া হলো!!

এরপরও আপনি আমাকে কোন পরিস্থিতির গল্প শোনাবেন?

যারা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় তাদেরকে বলা হলো পথভ্রষ্ট!! এরপরও আপনি আমাকে ডিপ্রেশনের গল্প শোনাবেন?

গান বাজনা বা মুভি, বই আপনাকে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি দিতে পারবে না। ডিপ্রেশনের একমাত্র চিকিৎসা হলো আল্লাহর দিকে ফেরত আসা। আপনার শয়তান যখন আপনাকে বলছে তোর অনেক কষ্ট, তোর চেয়ে কষ্টে কেউ নাই, তখন আল্লাহ্ তাআলা বলছেন-

কষ্টের সঙ্গেই তো স্বস্তি আছে। অবশ্যই কষ্টের সঙ্গেই স্বস্তি আছে।
[সূরা আলাম নাশরাহ (৯৪) : ৫-৬]

তাহলে সমাধান কী.......?
"জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই অন্তরের সত্যিকারের প্রশান্তি লাভ করা যায়"

[১৩:২৮]

আল্লাহ্ তাআলা যেন আমাদের সঠিক বুঝ দান করেন.....আমিন।

কালেক্টেড!

গা টা হিম হয়ে গেছে এই পোস্ট টা পরে।💔Please don’t through baby in up 😢রাজিব ও ময়না দম্পতির সংসারে প্রথম সন্তান আসল। মেয়ের...
26/08/2021

গা টা হিম হয়ে গেছে এই পোস্ট টা পরে।💔
Please don’t through baby in up 😢

রাজিব ও ময়না দম্পতির সংসারে প্রথম সন্তান আসল। মেয়ের নাম রাখা হল "ইরা"। অনেক ফুটফুটে মেয়ে।দেখতে অনেক মায়াবী। গালে নরম মাংস।যে কেউ দেখলেই আদর করতে চাইবে, গালের মাংস ধরে টানাটানি করবে। প্রথম সন্তান,যত্নের কোন ঘাটতি রইল না।সুস্থ্য স্বাভাবিকভাবেই বড় হতে লাগল সে।
একদিন...
মেয়ের বয়স পাঁচ মাস।শীতকাল তখন।উঠোনে মেয়েকে নিয়ে রোদ পোহাচ্ছে ময়না। সকালের রোদ বাচ্চার জন্য খুব
উপকারী। বাচ্চাকে
রোদে শুইয়ে রাখল। হঠাৎই সেখানে আসল পাশের ঘরের রবিন। ইরার চাচা হয় রবিন। এসেই ইরাকে কোলে নিল।আদর করতে লাগল। হাসানোর চেষ্টা করল।কিছুক্ষণ পর সে ইরাকে আকাশের দিকে ছেড়ে দিয়ে আবার বল ক্যাচ ধরার মত করে ধরছে। এতে যেন ইরা আরও ☺
খুশি হচ্ছে। ময়নাও দেখে হাসছে। মেয়ে হাসলে যেকোন মায়েরই ভালো লাগে।🙂
ময়নারও ভালো লাগছে। আর রবিন কেন!সবাই ই তো এভাবে খেলা করে বাচ্চাকে নিয়ে।রবিন আবার ইরাকে আকাশের দিকে ছেড়ে দিল। ঠিকঠাক মত ক্যাচও
ধরল।
কিন্তু একি হল??
ইরা হাসছে না।😔 চোখ বন্ধ করে আছে। রবিন ভয় পেয়ে গেল। ময়নাকে ডাক দিল। ময়না দৌড়ে
এসে ইরাবতীকে কোলে নিল ইরাকে।নানান নামে ডাকতে শুরু করল।হাত দিয়ে চোখ খুলার চেষ্টা করল। কিন্তু না!ইরা চোখ খুলছে 😷 না। চিৎকার করে
কেঁদে উঠল ময়না। বাড়ির সব মানুষ এসে ভীড় করল। সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করল ইরাকে জাগানোর। কেউ ই পারল না।উঠোনে শুয়ে গড়াগড়ি খেতে লাগল ময়না।
তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ইরাকে। ইমার্জেন্সিতে নেওয়ার পর ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বলে দিলেন ইরা মারা গেছে। আর হাসবে না সে। চিরদিনের জন্য তার হাসি বন্ধ
হয়ে গেছে। অজ্ঞান হয়ে যায় ময়না।
একমাত্র মেয়েকে হারানোর ব্যাথা সে নিতে পারছে না। ঘরের পিছনে কবর দেওয়া হয় ইরাকে। মাঝে মাঝেই রাতে পাগলের মত আচরণ করে ময়না। মেয়ের
কবরের কাছে দৌড়ে চলে যায়। বিড়বিড় করে কথা বলে! ইরাকে ভুলতে পারছে না।খাওয়া দাওয়া করছে না। শুকিয়ে যাচ্ছে।অগত্যা ময়নাকে নিয়ে শহরে পাড়ি জমায় রাজিব।

ব্যাখ্যাঃ🙏
বাচ্চাদের আকাশে তুলে আবার কোলে নিয়ে আমরা অনেক আনন্দ পাই।বাচ্চারাও পায়। কিন্তু বাচ্চাদের শরীরের অংগপ্রত্যংগ ম্যাচিউর হতে অনেকদিন সময় লাগে। খুব সহজেই সেগুলো
আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। ইরাকে যখন বারবার উপরে তুলা হচ্ছিল তখন গ্রাভিটির এগেইনস্টে তাকে বারবার উপরে তোলায় তার ব্রেইনের সাথে মাথার খুলির হাড্ডির বারবার ধাক্কা লাগছিল। যেহেতু তার ব্রেইন টাও নরম আর
মাথার হাড্ডিটাও নরম তাই হাড্ডির সাথে বারবার ধাক্কা লেগে তার ব্রেইনের ধমনী ছিড়ে যায়। ধমনী শিরাতে রক্ত চলাচল করে। ব্রেইনের ধমনী ছিড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয় মাথার ভিতরে।রক্তে থাকে গ্লুকোজ। গ্লুকোজ না পেলে ব্রেইন ৪-৫ মিনিটের ভিতর মারা যায়।সাথে জীবন্ত মানুষটাও।রক্ত
সব ধমনী দিয়ে বের হয়ে আল্টিমেটলি ব্রেইন ডেথ হয় ছোট্ট ইরার।
তাই এসব ব্যাপারে জানুন, সতর্ক
হোন,নিজে বাঁচুন,আপনার 🗣 প্রিয়জনকেও
বাঁচান।
সংগৃহীত।

আপনি সারাজীবন খুব ভালো ভাবে ইবাদত করে কাটালেন। মৃত্যুর পরে বিচার দিবসে যখন আপনার আমলনামা আপনার হাতে দিবে, তখন দেখলেন আপন...
23/08/2021

আপনি সারাজীবন খুব ভালো ভাবে ইবাদত করে কাটালেন। মৃত্যুর পরে বিচার দিবসে যখন আপনার আমলনামা আপনার হাতে দিবে, তখন দেখলেন আপনার আমলনামায় কোন আমল জমা হয়নি। তখন আপনার চাইতে কপাল পোড়া আর কেউ থাকবে????
হ্যা এমনটাই হবে, যদি নিয়ম না জেনে ফরজ গোসল করেন। কারণ ফরজ গোসল সঠিক পদ্ধতিতে না করলে সারাজীবনই নাপাক অবস্থায় কাটাবেন। বিশেষ করে আমার সমবয়সী বন্ধু সকল তোমরা লজ্জায় কোনো আলেম বা যারা জানেন তাদের কাছে কোনদিনই জানতে যাওনি। না জেনে যদি এভাবেই তোমার জীবনঘড়ি থেমে যায় কেমন হবে সেই সময়টা একটু চিন্তা করে দেখ। একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ।,,,,,
♦যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।
২. সহবাসে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)।
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।
৪. ইসলাম গ্রহন করলে (নব-মুসলিম হলে)।
🔶গোসলের ফরজ ৩ টিঃ
১. গড়গড়া সহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে।
২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌছানো।
৩. সমস্ত শরীর উত্তম রুপে ধৌত করা।
✅ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ
গোসলের নিয়ত করা, ‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)। পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)। বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)। নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)।
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার,
পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার। (বুখারী ১৬৮)। (যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে।পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)। গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী ২৫৭)।

17/08/2021

বিশ্বের সকল দেশ ও অঞ্চলের মানুষ কথা বলেন তাদের মায়ের ভাষায়, ভিন্ন ভিন্ন ভাষায়। হাজার ভাষার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ যে ৬ ভাষায় কথা বলেন, সেসব ভাষা নিয়ে ইনসাইডার মাঙ্কি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তার আলোকে আজ ইনকিলাব পাঠকদের জন্য এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন মোহাম্মদ আবদুল অদুদ।

১. ইংরেজি : এ ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ১৩৪৮ মিলিয়ন বা ১৩৪ কোটি ৮০ লক্ষ। আপনি যদি ইংরেজি জানেন, বিশ্বের সাথে যোগাযোগের জন্য আপনার যা প্রয়োজন তা পূরণ করা সম্ভব। প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মানুষ তাদের দৈনন্দিন কথোপকথনে ইংরেজি ব্যবহার করে এবং বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কথিত ভাষা হিসেবে ইংরেজি আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত ভাষা।

২. ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) : এ ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ১১২০ মিলিয়ন বা ১১২ কোটি। ম্যান্ডারিন শেখার গুরুত্ব যথেষ্ট বলা যাবে না। চীনা ভাষা শেখা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে একটি অনন্য জানালা খুলে দেয় এবং আপনাকে বিশ্বজুড়ে ১.১২ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে প্রবেশাধিকার দেয়। চীনের অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে। গত ৩৫ বছর ধরে চীন নিজেকে একটি উন্নয়নশীল দেশ থেকে বৃহত্তম বৈশ্বিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গেছে।

৩. হিন্দি : এ ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ৬০০ মিলিয়ন বা ৬০ কোটি। সারা বিশ্বে অর্ধশতকোটিরও বেশি মানুষ হিন্দি ভাষায় কথা বলে। হিন্দি বিশ্বের অন্যতম বড় দেশ ভারতের সরকারী ভাষা। এটি সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির দেশ এবং খুব বিনোদনমূলক বলিউড ইন্ডাস্ট্রির দেশ। কীভাবে হিন্দি বলতে হয়, তা জানলে আপনি সারা বিশ্বে ৬০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের সাথে কথা বলতে পারবেন।

৪. স্প্যানিশ : এ ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ৫৪৩ মিলিয়ন বা ৫৪ কোটি ৩০ লক্ষ। স্প্যানিশ ২০টি দেশে সরকারি ভাষা এবং বিশ্বব্যাপী ৫৪৩ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এই ভাষাভাষী। বিশ্বের সর্বাধিক কথিত ভাষার তালিকায় শীর্ষ ৫ এর মধ্যে তার অবস্থানকে এই ভাষাভাষীদের গর্বিত করে। জাতিসংঘের ছয়টি সরকারি ভাষার মধ্যে স্প্যানিশ একটি। স্প্যানিশ ভাষা জানা থাকলে আপনাকে গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ এবং পাবলো নেরুদার মাস্টারপিসগুলোকে তাদের আসল রূপে প্রশংসা করতে দেবে, অনুবাদগুলো বোঝার চেষ্টা করার চেয়ে অবশ্যই যা বেশি উপভোগ্য।

৫. স্ট্যান্ডার্ড আরবি : এ ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ২৭৪ মিলিয়ন বা ২৭ কোটি ৪০ লক্ষ। সউদী আরব, মিশর, ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, কুয়েত, মৌরিতানিয়া, মরক্কো, ওমান, কাতার, বাহরাইন, ইয়েমেন, তিউনিসিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ ২৫ টিরও বেশি দেশ আছে যারা আরবীকে একটি সরকারি বা আধা-সরকারি ভাষা হিসাবে মনে করে। আরবি শেখার সুবিধা অনেক রয়েছে। আরবী শিখে আপনি ফার্সি, তুর্কি, উর্দু এবং এমনকি হিব্রুর সাথে নিজেকে পরিচিত করতে পারেন। কারণ, এই ভাষাগুলো আরবির সাথে প্রচুর শব্দভাণ্ডার বিনিময় করেছে। আরবি অনুবাদকদের চাহিদাও রয়েছে বেশি। ইউএস ব্যুরো অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিক্সের মতে, আরবি দোভাষী এবং অনুবাদকদের কর্মসংস্থান ২০১৮ থেকে ২০২৮ এর মধ্যে ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৬. বাংলা : এ ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ২৬৮ মিলিয়ন বা ২৬ কোটি ৮০ লক্ষ। বাংলা হলো একটি ইন্দো-আর্য ভাষা যা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কথিত শীর্ষ ১০ এর মধ্যে ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। আর বাংলা এমন একটি ভাষা যে ভাষার জন্য ১৯৫২ সালে মানুষ জীবন দিয়েছে। ওই ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের প্রতিটি দেশ ২১ ফেব্রয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে। বাংলা ভাষা নিয়ে এই ভাষাভাষীরা তাই খুবই গর্বিত। তবে অধিকসংখ্যক মানুষ কথা বললেও বাংলা জাতিসংঘের ৬ স্থায়ী দাপ্তরিক ভাষার মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি এখনও।

সূত্র: ডেইলি ইনকিলাব 17/08/2021

।।ভালো সময় সবসময়।।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahidul islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shahidul islam:

Share

Category