09/05/2026
সন্মানিত গ্রাহক, বনলতা ল্যান্ডমার্ক লিমিটেড কোম্পানির এমডি (সুকেন্দ্র দাশ, ঢাকা) এবং চেয়ারম্যানের(আহমেদ আলী, চাঁদপুর) এর মাঝে যে বিষয় নিয়ে বৈরী সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সেগুলো আপনাদের মাঝে উপস্থাপনা করা খুবই জরুরী ।
গত ২০২৫ নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখে কোন প্রকার রেজুলেশন, নোটিশ,অফার লেটার না দিয়ে জয়েন স্টকের অসৎপথ অবলম্বন করে জয়েন স্টকে অপরিচিত একজন লোককে নকল এমডি সাজিয়ে জয়েন স্টকে উপস্থিত করে টিপসই,রেজিস্ট্রারে সইয়ের মাধ্যমে আহমেদ আলী (চেয়ারম্যান) সাহেবের ৫০% শেয়ার থেকে ২৫% শেয়ার হারুন অর রশিদ (নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর) কে শেয়ার ট্রান্সফার করে দেন।
এবং এমডি( সুকেন্দ্র দাশ) কে জানানো হয় ২০২৬ জানুয়ারি ০৮ তারিখে। এমন দুর্নীতি জানার পর এমডি জানতে চান যে, আমি রাতদিন এতো কষ্ট করে, পরিশ্রম করে কোম্পানির একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করেছি, তাছাড়া আমি কোম্পানির ৫০% শেয়ারের মালিক কিভাবে আপনি( আহমেদ আলী) শেয়ার ট্রান্সফার করতে পারলেন আমার অথরিটি ছাড়া ,এটাতো কোন আইনে পরে না? উনি তখন বলেন আমার শেয়ার আমি যাকে তাকে দিতে পারি তাতে আপনি বলার কে? আইন শিখান আমাকে? বাংলাদেশে টাকা আর ক্ষমতা থাকলে আইন কেনা যায়।
তারপরও চিন্তা-ভাবনা করলাম গ্রাহকের এত পরিশ্রমের কষ্টের আমানত যাতে কোন প্রকার বিঘ্ন না ঘটে তাই মানিয়ে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনায় চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম।
কিন্তু হারুনুর রশিদ (অবৈধ ডাইরেক্ট) অফিসে ঢোকার সাথে সাথে বিভিন্ন রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। কখনো বাহিরের টুকাই এনে ,মাস্তান এনে চাঁদা দাবি করে, কখনো কর্মচারীদের গায়ে আঘাত করে,কখনো অবৈধ পিস্তল এনে ভয়-ভীতি দেখান,কখনো মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দামকি দিয়ে অফিসের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলে।
তারপর আমি বাধ্য হয়ে এই শেয়ার ট্রান্সফারের সাথে যারা যারা জড়িত ছিল তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছি ।
পাশাপাশি জর্জ কোর্টেও মামলা করেছি।
আসামী নং
১ ) আসামী আহমেদ আলী( চাঁদপুর)
২) হারুন অর রশিদ (লক্ষ্মীপুরে,নোয়াখালী)
৩) অজিত রনজন সরকার ( নরসিংদী)
৪) শারমিন আক্তার শীলা( কুমিল্লা)
৫) মারুফ চৌধুরী ( লক্ষীপুর, নোয়াখালী)
ডিবি অফিস তদন্ত করছে
আশা করছি খুব শীগ্রই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সবাইকে অনুরোধ করছি মামলা চলমান অবস্থায় কেউ নগদ টাকা বা ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা দিবেন না যদি লেনদেন করেন সেক্ষেত্রে কোম্পানি দায়ভার বহন করবে না।