04/08/2026
ঢাকার প্রপার্টি ক্রেতাদের আচরণ নিঃশব্দে বদলে যাচ্ছে — আর বেশিরভাগ ডেভেলপার এখনো তা ধরতে পারেননি।
বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার ১০%-এ ধরে রাখায় এবং নির্মাণ খরচ ক্রমাগত বাড়তে থাকায়, ক্রেতারা এখন আন্ডার-কনস্ট্রাকশন প্রজেক্টের চেয়ে রেডি বা সেকেন্ডারি মার্কেটের ফ্ল্যাটকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। নতুন প্রজেক্ট চান না তা নয় — টাইমলাইনের ওপর আর ভরসা পাচ্ছেন না, এটাই আসল কথা।
এই প্যাটার্ন আমি আগেও দেখেছি। ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে আমি এমন একটি প্রজেক্টে যোগ দিই যেখানে নির্মাণকাজ থমকে গিয়েছিল এবং ক্রেতাদের আস্থা দ্রুত কমছিল। সমাধান কিন্তু বাড়তি টাকা ছিল না — ছিল কড়া প্রজেক্ট গভর্ন্যান্স: নিয়মিত রিপোর্টিং, কন্ট্রাক্টর অ্যাকাউন্টেবিলিটি, এবং এমন একটি সেলস টিম যারা ক্রেতাদের সাথে প্রকৃত অবস্থা নিয়ে সততার সাথে কথা বলতে পারে। এক বছরের মধ্যেই আমরা নির্মাণ অগ্রগতি আগের বছরের ২২০%-এ নিয়ে যাই, আর সাথে সাথে ফিরে আসে ক্রেতাদের আস্থাও।
এই মার্কেটের জন্য শিক্ষা: পুঁজি যখন সীমিত, তখন এক্সিকিউশন ডিসিপ্লিনই একমাত্র হাতিয়ার। যেসব ডেভেলপার সময়মতো ডেলিভারি দিতে পারবেন তারাই জিতবে — কারণ ক্রেতারা এখন শুধু প্রতিশ্রুতিতে আর ভরসা করেন না।
বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট সেক্টরে অন্যরা এই পরিবর্তনের সাথে কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছেন, জানতে আগ্রহী — ফিল্ডে আপনারা কী দেখছেন?