Creation Properties

Creation Properties Creation Properties: Expert real estate services in sales, rentals, and property management to help you find your perfect home or investment.

08/05/2026

#বাবার সম্পদ বন্টননামা এবং নামজারী করার নিয়ম:

সম্পত্তি বন্টননামা:

যদি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে একাধিক ওয়ারিশ থাকেন, তাহলে তাদের মধ্যে একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করতে হবে। বন্টননামা করার নিয়ম:

১. সকল ওয়ারিশগণকে সম্মতিতে আসতে হবে যে কিভাবে সম্পত্তি ভাগ করা হবে।
২. একটি বন্টননামার খসড়া তৈরি করতে হবে, যেখানে সম্পত্তির বিবরণ এবং প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
৩. স্ট্যাম্প পেপারে বন্টননামাটি লিখতে হবে এবং সকল ওয়ারিশকে স্বাক্ষর করতে হবে।
৪. বন্টননামা দলিলটি রেজিস্ট্রি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
৫. রেজিস্ট্রেশন ফি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ পরিশোধ করতে হবে।

বন্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রেশন খরচ সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভর করে। এছাড়া স্ট্যাম্প শুল্ক, ই-ফি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও প্রযোজ্য হবে।

নামজারী:

নামজারী হলো জমিতে নতুন মালিকের নাম সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া। উত্তরাধিকার সূত্রে বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় জমির মালিকানা পরিবর্তন হলে নামজারী করা আবশ্যক। নামজারী করার নিয়ম:

১. সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নামজারীর জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে অনলাইনেও নামজারীর আবেদন করা যায়।
২. আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
* জমির মালিকানার প্রমাণপত্র (যেমন: বন্টননামা, ক্রয় দলিল, ওয়ারিশ সনদ)।
* খতিয়ানের অনুলিপি।
* দাখিলা বা খাজনার রশিদ।
* আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি।
* প্রয়োজনে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র।
৩. আবেদন ফি এবং নোটিশ জারী ফি অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে হবে।
4. সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক জমির রেকর্ড ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।
5. প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করা হতে পারে।
6. সকল কিছু সঠিক থাকলে নামজারীর অনুমোদন দেওয়া হবে এবং নতুন খতিয়ান তৈরি হবে।
7. অনুমোদিত হলে ডিসিআর (DCR) ফি প্রদান করে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করতে হবে।

বর্তমানে ই-নামজারীর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নামজারী সম্পন্ন হওয়ার কথা।

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে, সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে যে, বন্টননামা দলিল না থাকলেও শুধু ওয়ারিশগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে নামজারী করা যাবে। তবে, ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা এড়াতে বন্টননামা করে নেওয়া উত্তম।

20/04/2026

#জমি #দলিল #খতিয়াম #নামজারি
দালালের দিন শেষ! ঘরে বসেই বের করুন ১০০ বছরের পুরনো খতিয়ান
অনেকেই জানেন না যে এখন আর জমির রেকর্ড বা পর্চা দেখতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে ভিড় করতে হয় না। আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়েই আপনি দয়া করে দেখে নিতে পারবেন আপনার দাদার বা বাবার নামে রেকর্ড ঠিক আছে কি না।
​✅ কিভাবে দেখবেন? (একদম সহজ নিয়ম)
খুবই সিম্পল! জাস্ট নিচের ধাপগুলো ফলো করুন:
​1️⃣ #প্রথমে চলে যান: land.gov.bd ওয়েবসাইটে।
2️⃣ #মেনু থেকে 'খতিয়ান' বা 'ই-পর্চা' অপশনটি সিলেক্ট করুন।
3️⃣ #এরপর আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা (থানা) এবং আপনার মৌজা সিলেক্ট করুন।
4️⃣ #সবশেষে আপনার খতিয়ান নম্বর দিন এবং ক্যাপচা কোডটি লিখে সার্চ করুন।
​ব্যাস! চোখের সামনে চলে আসবে কাঙ্ক্ষিত রেকর্ড।

🔴🔴যদি খতিয়ান নম্বর না জানেন, তবে 'দাগ নম্বর' বা 'মালিকের নাম' দিয়েও কিন্তু তল্লাশি করা যায়!
​জমি কেনা-বেচার আগে বা নিজের সম্পত্তি রক্ষায় এই তথ্যটি জেনে রাখা আপনার জন্য অনেক বড় ঢাল হতে পারে।
​📌 নিজে জানুন এবং অন্যকে জানাতে পোস্টটি 'শেয়ার' করে আপনার টাইমলাইনে সেভ করে রাখুন। দরকারের সময় খুঁজে পাবেন না কিন্তু!
​ #জমির_রেকর্ড #খতিয়ান_চেক #ভূমি_সেবা
#ভূমি_দুর্নীতিমুক্ত #বালামবইঅনলাইনে #জমিনিরাপদহোক #প্রবাসীরাও #জনগণ #প্রতারণা #বালাম #দুর্নীতি #জমি

20/04/2026

#হেবা দলিল করার আগে সাবধান! এই ৩টি ভুল করলেই বিপদে পড়বেন

বাংলাদেশে পারিবারিক সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে হেবা দলিল একটি বহুল ব্যবহৃত আইনগত উপায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়—অজ্ঞতা, তাড়াহুড়া বা ভুল পরামর্শের কারণে অনেকেই পরবর্তীতে জটিল বিরোধ, মামলা বা দলিল বাতিলের ঝুঁকিতে পড়ে যান।

আপনি যদি হেবা (Gift) করতে চান, তাহলে এই ৩টি গুরুতর ভুল এড়িয়ে চলুন—

১. #দখল (Possession) হস্তান্তর না করা ❌
আইন অনুযায়ী হেবা সম্পূর্ণ বৈধ হতে হলে—
👉 দাতা (Donor) কর্তৃক প্রস্তাব (Offer)
👉 গ্রহীতা (Donee) কর্তৃক গ্রহণ (Acceptance)
👉 এবং বাস্তব দখল হস্তান্তর (Delivery of Possession)
—এই তিনটি উপাদান বাধ্যতামূলক।

অনেকেই শুধু দলিল রেজিস্ট্রি করেই মনে করেন কাজ শেষ! কিন্তু দখল বুঝিয়ে না দিলে সেই হেবা ভবিষ্যতে আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

২. #শর্তযুক্ত হেবা করা ❌
হেবা স্বভাবতই একটি নিঃশর্ত ও অবিলম্বে কার্যকর হস্তান্তর।
👉 “মৃত্যুর পর কার্যকর হবে”
👉 “নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে কার্যকর হবে”
—এমন শর্ত যুক্ত করলে তা আইনগতভাবে অবৈধ হয়ে যেতে পারে।

ফলে পুরো দলিলই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

৩. #প্রকৃত ইচ্ছা (Free Consent) না থাকা ❌
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়—চাপ, প্রভাব বা প্রতারণার মাধ্যমে হেবা করানো হয়।
👉 যদি প্রমাণ হয় যে দাতা স্বেচ্ছায় দলিল করেননি,
👉 বা তিনি বিষয়টি বুঝতে সক্ষম ছিলেন না,

তাহলে সেই দলিল voidable বা বাতিলযোগ্য হিসেবে গণ্য হতে পারে।

#আইনি পরামর্শ:
হেবা দলিল করার আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন। একটি ছোট ভুল আপনার সম্পত্তিকে দীর্ঘমেয়াদী বিরোধে জড়িয়ে দিতে পারে।

#হেবা_দলিল M.COM_LLB

 #বাংলাদেশে জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজ করতে গেলে আমরা প্রায়ই খতিয়ান শব্দটি শুনি। জমির মালিকানা, পরিমাণ, দাগ নম্বর ইত্যাদ...
19/04/2026

#বাংলাদেশে জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজ করতে গেলে আমরা প্রায়ই খতিয়ান শব্দটি শুনি। জমির মালিকানা, পরিমাণ, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সরকারিভাবে যে নথিতে লিপিবদ্ধ থাকে সেটাকেই খতিয়ান বলা হয়। অনেকেই জানেন না যে বাংলাদেশে খতিয়ান সাধারণত ৪ প্রকার।

আজ সহজ ভাষায় জানবো — CS, SA, RS এবং BS খতিয়ান কী এবং এদের পার্থক্য কোথায়।

১️⃣ খতিয়ান (Cadastral Survey)

CS খতিয়ান হচ্ছে বাংলাদেশে জমির প্রথম জরিপের খতিয়ান।

📍 এই জরিপ করা হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে
📍 সময়কাল: ১৮৮৮ সাল থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে
📍 এটিকে অনেক সময় C.S. Record বা Cadastral Survey Record বলা হয়

👉 এই জরিপে জমির মালিক, দাগ নম্বর এবং জমির পরিমাণ প্রথমবারের মতো নথিভুক্ত করা হয়েছিল।

২️⃣ SA খতিয়ান (State Acquisition Survey)

খতিয়ান তৈরি হয় পাকিস্তান আমলে।

📍 সময়কাল: ১৯৫৬ – ১৯৬০ সালের মধ্যে
📍 জমিদারি প্রথা বাতিল হওয়ার পর সরকার এই জরিপ পরিচালনা করে

👉 এই খতিয়ানে মূলত জমির প্রকৃত ভোগদখলকারীকে মালিক হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

৩️⃣ RS খতিয়ান (Revisional Survey)

RS খতিয়ান করা হয় আগের জরিপের ভুল সংশোধনের জন্য।

📍 সময়কাল: বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জেলায় করা হয়েছে
📍 SA জরিপের ভুল বা পরিবর্তন সংশোধন করে নতুনভাবে রেকর্ড তৈরি করা হয়

👉 অনেক ক্ষেত্রে বর্তমানে জমির মালিকানা যাচাই করতে RS খতিয়ানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৪️⃣ BS খতিয়ান (Bangladesh Survey)

BS খতিয়ান হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের জরিপ।

📍 এটি সর্বশেষ জরিপ
📍 বর্তমানে অনেক এলাকায় এই জরিপ চলছে

👉 এই খতিয়ানে জমির বর্তমান মালিকানা ও দখল অবস্থার তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে।

📊 CS, SA, RS, BS খতিয়ানের মূল পার্থক্য

✔ → ব্রিটিশ আমলের প্রথম জরিপ
✔ → জমিদারি উচ্ছেদের পর পাকিস্তান আমলের জরিপ
✔ → আগের জরিপ সংশোধন করে নতুন রেকর্ড
✔ → স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বশেষ জরিপ

📌 তাই জমি কেনা-বেচার আগে অবশ্যই সর্বশেষ খতিয়ান যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

✅ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
জমি কেনার আগে সবসময় খতিয়ান, দাগ নম্বর, মালিকানা এবং নামজারি (মিউটেশন) ভালোভাবে যাচাই করে নিন। এতে ভবিষ্যতে জমি সংক্রান্ত ঝামেলা এড়ানো যায়।

#খতিয়ান িয়ান িয়ান িয়ান
িয়ান #জমিজমা #জমিরতথ্য #ভূমিসংক্রান্ততথ্য

18/04/2026

#ফ্ল্যাট কেনার আগে যে আইনি ডকুমেন্টগুলো অবশ্যই যাচাই করতে হবে

১️⃣ জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র
• RS, SA, CS, Khatian (যা প্রযোজ্য)
• #হালনাগাদ নামজারি (Mutation) খতিয়ান
• #সর্বশেষ পর্চা ও খাজনা পরিশোধের রসিদ
• #মৌজা ম্যাপ ও জমির নকশা

🔍 নিশ্চিত করতে হবে জমিটি নিরবচ্ছিন্ন ও বৈধ মালিকানাধীন কিনা।

২️⃣ #ডেভেলপার ও জমির মালিকের মধ্যে চুক্তিপত্র
• Development Agreement
• Power of Attorney (POA) – নিবন্ধিত ও কার্যকর কিনা
• POA বাতিল হয়নি কি না তা যাচাই

৩️⃣ #অনুমোদন ও লাইসেন্স সংক্রান্ত ডকুমেন্ট
• রাজউক/সিডিএ/কেডিএ অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান
• ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র (Land Use Clearance)
• সিটি কর্পোরেশন / পৌরসভার অনুমোদন

৪️⃣ #ফ্ল্যাট বিক্রয় সংক্রান্ত ডকুমেন্ট
• Agreement for Sale (রেজিস্ট্রেশনযোগ্য)
• Payment Schedule ও রশিদ
• ফ্ল্যাটের সাইজ, অবস্থান ও শেয়ার উল্লেখ আছে কিনা
• হ্যান্ডওভার তারিখ ও দেরি হলে ক্ষতিপূরণ ধারা

৫️⃣ #মামলাজনিত বিষয় যাচাই
• জমি বা বিল্ডিং নিয়ে কোনো
• সিভিল মামলা
• ফৌজদারি মামলা
• ইনজাংশন অর্ডার আছে কি না

🔎 প্রয়োজনে কোর্ট সার্চ করানো উচিত।

৬️⃣ #ফ্ল্যাট হস্তান্তরের সময় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
• রেজিস্ট্রেশনকৃত কবলা দলিল
• ফ্ল্যাটের দখল বুঝে নেওয়ার ডকুমেন্ট
• ইউটিলিটি সংযোগ (গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি)
• অকুপেন্সি সার্টিফিকেট (যদি থাকে)

❌ ফ্ল্যাট কেনার সময় যে বিষয়গুলো অবশ্যই বর্জনীয়

🚫 ফেসবুক বিজ্ঞাপনের উপর নির্ভর করা
🚫 মৌখিক আশ্বাসে টাকা প্রদান
🚫 রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ
🚫 অনুমোদনহীন বা আংশিক অনুমোদিত ভবনে ফ্ল্যাট ক্রয়
🚫 আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া চুক্তিতে স্বাক্ষর

⚖️ গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরামর্শ

✔️ ফ্ল্যাট কেনার আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আইনজীবি দিয়ে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন করান
✔️ সব অর্থ লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে করুন
✔️ চুক্তিপত্রে আপনার অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা নিশ্চিত করুন

📌 সঠিক যাচাই আপনাকে ভবিষ্যতের বড় আইনি ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে।
ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ধৈর্য্য ও আইনগত সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

⛔📄 জমির দলিল ছাড়াও মালিকানা প্রমাণের কাগজপত্র.. অনেকেই মনে করেন জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য শুধু “দলিল” থাকলেই যথেষ্ট। ক...
18/04/2026

⛔📄 জমির দলিল ছাড়াও মালিকানা প্রমাণের কাগজপত্র..
অনেকেই মনে করেন জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য শুধু “দলিল” থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টা একটু ভিন্ন।
জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে একাধিক কাগজপত্র প্রয়োজন হয়—সবগুলো মিলিয়েই সম্পূর্ণ প্রমাণ তৈরি হয়।

আজকে সহজভাবে জানুন 👇

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📑 জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র

🔹 ১. খতিয়ান (পর্চা)
📌 প্রমাণ করে: জমি সরকারি রেকর্ডে কার নামে আছে
📍 কোথায় পাবেন:
👉 ভূমি অফিস (ইউনিয়ন/উপজেলা)
👉 অনলাইন (ই-পর্চা)

🔹 ২. নামজারি খতিয়ান (মিউটেশন)
📌 প্রমাণ করে: বর্তমান মালিক কে
📍 কোথায় পাবেন:
👉 উপজেলা ভূমি অফিস
👉 সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস

🔹 ৩. ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রশিদ 💰
📌 প্রমাণ করে: আপনি নিয়মিত দখল ও ব্যবহার করছেন
📍 কোথায় পাবেন:
👉 ইউনিয়ন ভূমি অফিস
👉 অনলাইন (ভূমি উন্নয়ন কর সিস্টেম)

🔹 ৪. দাগ ও নকশা (মৌজা ম্যাপ) 🗺️
📌 প্রমাণ করে: জমির সঠিক অবস্থান ও সীমানা
📍 কোথায় পাবেন:
👉 ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অফিস
👉 সার্ভেয়ারদের মাধ্যমে

🔹 ৫. পর্চা (CS / RS / BS কপি) 📄
📌 প্রমাণ করে: জমির ইতিহাস ও পূর্বের মালিকানা
📍 কোথায় পাবেন:
👉 সেটেলমেন্ট অফিস
👉 অনলাইন (ই-পর্চা)

🔹 ৬. দখল প্রমাণ (Possession) 🏡
📌 প্রমাণ করে: আপনি বাস্তবে জমি ব্যবহার করছেন
📍 উদাহরণ:
👉 ঘরবাড়ি নির্মাণ
👉 চাষাবাদ
👉 সীমানা চিহ্ন

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

❓ কেন এতগুলো কাগজ দরকার?
একটি কাগজ একা যথেষ্ট নয় ❌
সবগুলো মিলিয়েই নিশ্চিত হয়—
✔️ মালিক কে
✔️ জমি কোথায়
✔️ কোনো বিরোধ আছে কিনা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚠️ জমি কেনার আগে যা চেক করবেন
✔️ দলিল ও খতিয়ানের নাম মিলছে কিনা
✔️ নামজারি করা আছে কিনা
✔️ খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে কিনা
✔️ দাগ ও নকশা ঠিক আছে কিনা
✔️ বাস্তবে জমি দেখে আসা হয়েছে কিনা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📢 শেষ কথা
জমির মালিকানা শুধু দলিল দিয়ে পুরোপুরি প্রমাণ হয় না।
খতিয়ান, নামজারি, খাজনা, নকশা—সবকিছু মিলিয়েই তৈরি হয় শক্ত আইনি ভিত্তি।
#পরামর্শক
⚠️ সঠিক যাচাই না করলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন
👉 তাই জমি কেনা/বিক্রির আগে সব কাগজ ভালোভাবে যাচাই করুন

#জমি_আইন #খতিয়ান #নামজারি
#জমি

Searching for a Ready Flat at Dhanmondi Residential Area? We are offering you 100% Ready 2883 Sft. Smart apartment at “G...
24/02/2026

Searching for a Ready Flat at Dhanmondi Residential Area?

We are offering you 100% Ready 2883 Sft. Smart apartment at “Grend - E- Majestic Concord ”.

📍 Please visit Plot # 31, Road # 27 (Old) 16 (New), Dhanmondi, Dhaka -1209.

Call or WhatsApp us for more details: ☎️
📞 01711947517

BDS জরিপে রেকর্ড প্রস্তুতের সময় তিনটি বিষয় একসাথে যাচাই করা হয়—1️⃣ দলিল (Registered Deed)2️⃣ স্বত্বের ধারাবাহিকতা (Chain...
14/01/2026

BDS জরিপে রেকর্ড প্রস্তুতের সময় তিনটি বিষয় একসাথে যাচাই করা হয়—
1️⃣ দলিল (Registered Deed)
2️⃣ স্বত্বের ধারাবাহিকতা (Chain of Title)
3️⃣ ভোগদখল (Possession)

👉 ভোগদখলে আপনি, কিন্তু দলিল অন্যের নামে—BDS জরিপে কার নাম উঠবে?

অনেকে মনে করেন, “জমি তো আমি ভোগ করছি, চাষ করছি, বসতভিটা আমার দখলে—রেকর্ডও আমার নামেই হবে।”
কিন্তু BDS জরিপে বাস্তবতা এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি।

BDS জরিপে শুধু ভোগদখল দেখেই কারও নাম তোলা হয় না। এখানে প্রথমে দেখা হয় রেজিস্ট্রার্ড দলিল, তারপর স্বত্বের ধারাবাহিকতা, আর শেষে ভোগদখল। অর্থাৎ ভোগদখল একা কখনোই মালিকানা তৈরি করে না।

আপনি যদি জমি ভোগ করেন, কিন্তু বৈধ দলিল অন্যের নামে থাকে এবং সেই দলিল বাতিল হয়নি বা আদালতের কোনো ডিক্রি না থাকে—তাহলে BDS জরিপে দলিলধারীর নামই রেকর্ড হবে। আপনার ভোগদখল থাকলেও তা সর্বোচ্চ মন্তব্য কলামে নোট হতে পারে, মালিকানা হিসেবে নয়।

অনেক বছর ধরে দখলে থাকলেই স্বত্ব হয়ে যায়—এই ধারণাটাও ভুল। দখল স্বত্বে পরিণত হয় কেবল আদালতের চূড়ান্ত ডিক্রির মাধ্যমে। ডিক্রি ছাড়া শুধু দখলের জোরে BDS জরিপে নাম ওঠে না।

আবার যদি দলিল অন্যের নামে থাকে, কিন্তু আপনি আদালত থেকে স্বত্ব ঘোষণা বা দখল স্বীকৃতির ডিক্রি পেয়ে থাকেন—তাহলে ডিক্রির ভিত্তিতেই BDS জরিপে আপনার নাম উঠবে, দলিল যার নামেই থাকুক না কেন।

আর মামলা চলমান থাকলে সাধারণত বর্তমান বৈধ দলিলধারীর নাম রেকর্ড হয় এবং মন্তব্য কলামে লেখা থাকে—
“স্বত্ব সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন।”

এই ভুল ধারণার কারণে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জরিপে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পোস্টটা শেয়ার করুন—কারও ভবিষ্যৎ আইনি ঝামেলা কমে যেতে পারে।

 #দলিল ভূমি অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় ভূমি উন্নয়ন কর এর দাখিলা QR কোডের মাধ্যমে যাচাই করে নিতে পারবেন।
06/01/2026

#দলিল ভূমি অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় ভূমি উন্নয়ন কর এর দাখিলা QR কোডের মাধ্যমে যাচাই করে নিতে পারবেন।

05/01/2026

অনলাইন থেকে ড্রাফট খতিয়ান তুলতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন
✅ অনলাইনে ড্রাফট খতিয়ান তোলার নিয়ম
🔹 ধাপ–১: অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান
👉 land.gov.bd অথবা সরাসরি
👉 www.eporcha.gov.bd
🔹 ধাপ–২: খতিয়ান সেবা নির্বাচন করুন
“খতিয়ান” বা “ডিজিটাল খতিয়ান” অপশনে ক্লিক করুন
“ড্রাফট খতিয়ান” নির্বাচন করুন
🔹 ধাপ–৩: প্রয়োজনীয় তথ্য দিন
নিচের তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করুন—
বিভাগ
জেলা
উপজেলা / থানা
মৌজা
খতিয়ান নম্বর
👉 চাইলে দাগ নম্বর দিয়েও খোঁজা যায় (যদি অপশন থাকে)
🔹 ধাপ–৪: সার্চ করুন
সব তথ্য দিয়ে Search / অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করুন
আপনার জমির ড্রাফট খতিয়ান স্ক্রিনে দেখাবে
🔹 ধাপ–৫: ডাউনলোড বা প্রিন্ট
PDF ডাউনলোড করুন
অথবা সরাসরি প্রিন্ট নিতে পারবেন
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ড্রাফট খতিয়ান চূড়ান্ত দলিল নয়
এটি শুধুমাত্র যাচাই ও প্রাথমিক তথ্যের জন্য
জমি কেনা-বেচার আগে অবশ্যই চূড়ান্ত খতিয়ান ও রেজিস্ট্রি দলিল মিলিয়ে নেবেন
❗ সমস্যা হলে করণীয়
তথ্য না পেলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন
বা AC Land অফিস থেকে সহায়তা নিন

Address

8/17, Lalmatia, Block-A
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creation Properties posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share