আল্লাহর সৈনিক সংগঠন

আল্লাহর সৈনিক সংগঠন "আল্লাহর সৈনিক" একটি রাজনৈতিক সংগঠন

ধন্যবাদ মাননীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ব্রাদার ।বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের চারটি...
04/07/2026

ধন্যবাদ মাননীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ব্রাদার ।

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে ২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের চারটি কোম্পানির নাম ইসলামের চার খলিফা—হযরত আবু বকর (রা.), উমর (রা.), উসমান (রা.) ও আলী (রা.)—এর নামে নামকরণ করা হয়েছে। অনেকের কাছে এটি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের আবেগের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তের পর দেশ-বিদেশের কিছু তথাকথিত 'ধর্মনিরপেক্ষ' মহলের তীব্র সমালোচনা দেখে মনে হচ্ছে, যেন খুব বড় কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। অথচ তারা নিজেদের অবস্থান নিয়েও একবার ভাবতে পারেন।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্টে দীর্ঘদিন ধরেই ধর্মীয় ও ঐতিহ্যগত যুদ্ধধ্বনি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যেমন—

• রাজপুত রেজিমেন্ট: "বোল বজরং বলী কি জয়"
• রাজপুতানা রাইফেলস: "রাজা রামচন্দ্র কি জয়"
• ডোগরা রেজিমেন্ট: "জ্বালা মাতা কি জয়"
• গোর্খা রাইফেলস: "জয় মা কালী, আয়ো গোর্খালি"
• কুমায়ুন ও আসাম রেজিমেন্ট: "কালিকা মাতা কি জয়"
• গাড়ওয়াল রাইফেলস: "বদ্রি বিশাল কি জয়"

এসবকে সেখানে ঐতিহ্য, বীরত্ব ও রেজিমেন্টের পরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখা হয়।

তাহলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যদি নিজেদের ইতিহাস ও ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের নামে কোম্পানির নামকরণ করে, সেটিকে ভিন্ন মানদণ্ডে বিচার করা কেন?

প্রত্যেক স্বাধীন জাতিরই নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান করার অধিকার রয়েছে। এ নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে, তবে আলোচনা হওয়া উচিত পারস্পরিক সম্মান ও যুক্তির ভিত্তিতে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবময় পথচলা অব্যাহত থাকুক।

আল্লাহ আকবার।

আল্লাহর সৈনিক ☞(সংগঠন)✊ খেলাফত প্রতিষ্ঠা!

24/06/2026

হায় মাশাআল্লাহ 💪💪

'আল্লাহর সৈনিক' সর্বদা প্রস্তুত........... 💪💪💪💪আল্লাহর সৈনিক ☞(সংগঠন)✊ খেলাফত প্রতিষ্ঠা!
23/06/2026

'আল্লাহর সৈনিক' সর্বদা প্রস্তুত........... 💪💪💪💪

আল্লাহর সৈনিক ☞(সংগঠন)✊ খেলাফত প্রতিষ্ঠা!

পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ!!কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে,  অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তার...
09/06/2026

পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ!!
কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে, অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব।

পরে তদন্তে যা বের হলো, সেটা ছিল ভয়ংকর।
Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো।
যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন।

তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।
তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে।

চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি।
একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে।

প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখি, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে।
মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। এটি স্পষ্ট হারাম।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি।
তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে।
মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না।
সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে, এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো।

বাংলাদেশ সরকারকেও অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। মিডিয়া বিষয়গুলোতে হাওয়া দিচ্ছে। মিডিয়া উচিত এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা।
শেয়ার করা সারাদেশে ছড়িয়ে দিন।
© সংগ্রহ

আল্লাহর সৈনিক ☞(সংগঠন)✊ খেলাফত প্রতিষ্ঠা!

বাংলা না শুধু খোরাসান পর্যন্ত কোনো মূর্তি থাকবেনা। মন্দির, গির্জা, মসজিদ সব থাকবে মূর্তি থাকবেনা। কারো ছবি মাথার উপর ব্য...
09/06/2026

বাংলা না শুধু খোরাসান পর্যন্ত কোনো মূর্তি থাকবেনা। মন্দির, গির্জা, মসজিদ সব থাকবে মূর্তি থাকবেনা। কারো ছবি মাথার উপর ব্যাবহার করা যাবেনা।

💞
28/05/2026

💞

25/05/2026

'সম্রাট জাহাঙ্গীর ও ধর্ষকের শাস্তি'!
সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্ব কালে
এক অমুসলিম বৃদ্ধা এসে সম্রাট জাহাঙ্গীরকে নালিশ করলেন—
'জাহাপনা, আমার সন্তান আপনার সেনাবাহিনীতে চাকরি করে।
প্রতিদিন রাতে কোনো এক দুর্বৃত্ত এসে আমার বাড়িতে হামলা করে আর আমার পুত্রবধুর সতিত্ব নষ্ট করতে চেষ্টা করে।
আমি আপনার কাছে আমার পুত্রবধুর সতিত্ব রক্ষার্থে বিচার চাই'

সম্রাট জাহাঙ্গীর কিছু বললেন না।
বুড়ি রেগে গিয়ে বললেন— 'জাহাঙ্গীর, আমি তোমাকে দেখেছি। তুমি যদি আমার পুত্রবধুর সতিত্বের দায়িত্ব না নাও আমি কিয়ামতের দিন তোমার স্রষ্টার আদালতের কাঠগড়ায় তোমাকে দাঁড় করাবো৷ সেই সাথে আমাকে দুই দিন সময় দাও, আমি তোমার রাজ্য ছেড়ে চলে যাবো'

জাহাঙ্গীর কিছুই বললেন না;
তারপর বুড়ি বাড়িতে চলে গেলেন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তরবারি হাতে নিয়ে ঘোড়ায় করে চলে গেলেন বুড়ির বাড়িতে।

অন্ধকার রাত,
বুড়ির বাড়ির সামনে টিম টিম করে আলো জ্বলছে। দরজায় একজন প্রহরী।
জাহাঙ্গীর দূর থেকে শুনলেন মেয়েলি কণ্ঠের আওয়াজ— 'বাচাও, বাচাও'

সম্রাট জাহাঙ্গীর প্রহরীকে হত্যা করে বুড়ির ঘরে প্রবেশ করলেন।
তারপর দুর্বৃত্তকে ধরে বুড়িকে বললেন—
বুড়ি আলো নিভাও।

বুড়ি আলো নিভিয়ে দিলেন আর সম্রাট জাহাঙ্গীর ওই দুর্বৃত্তের মাথা কেটে মাঠিতে ফেলে দিলেন ৷

তারপর বললেন— 'বুড়ি আলো জ্বালাও এবার' আলো জ্বালানোর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর দুর্বৃত্তের মুখ দেখে বললেন— আলহামদুলিল্লাহ।

এরপর জাহাঙ্গীর ঢক ঢক করে পানি পান করে
বুড়িকে বললেন— 'কাল তুমি তোমার পুত্রবধুকে নিয়ে আমার দরবারে হাজির হবে'

পরের দিন বুড়ি হাজির হলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজ দরবারে। জমজমাট রাজদরবার৷

বুড়িকে জিজ্ঞেস করলেন—
'আমি কেন আলো নিভাতে বলেছিলাম তুমি জানো?
বুড়ি বললেন— 'নাহ, জানি না'

সম্রাট জাহাঙ্গীর উত্তর দিলেন— আমার ধারণা ছিল আমার বাড়ির এত কাছে আমার পুত্র ছাড়া কেউ
এ কাজ করার সাহস পাবে না।
যদি সত্যি সে আমার ছেলে হয় তাহলে আমি আমার ছেলেকে হত্যা করতে পারব না,
মনে দুর্বলতা আসতে পারে, বিচার বেইনসাফ ও জুলুম হয়ে যেতে পারে। তাই আলো নিভাতে বলেছিলাম।
কিন্তু, মুখ দেখার পর দেখি সে আমার ছেলে না,
তাই আলহামদুলিল্লাহ পড়েছিলাম।

তিনি বুড়িকে আবার জিজ্ঞেস করলেন—
'তুমি জানো কেন আমি তোমার ঘরে গিয়ে
পান করেছিলাম?

বুড়ি উত্তর দিলেন— জানি না।

জাহাঙ্গীর বললেন—
'তুমি যখন আমার দরবারে নালিশ করে বলেছিলে কিয়ামতের দিন আমাকে
আল্লাহর আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে
তখন থেকে দুশ্চিন্তায় কিচ্ছু খাই নাই,
শুধু তোমার ঘরে গিয়ে এক গ্লাস পানি পান করেছি। আমার ভয় হয়েছিল আমি ন্যায় বিচার করতে পারব কি না'

তারপর সম্রাট জাহাঙ্গীর নিজের মাথা থেকে মুকুট খুলে বুড়ির পায়ের নিচে রেখে বললেন—
বুড়ি, মনে রেখো—
একজন মুসলমানের কাছে একজন হিন্দু পুত্রবধুর সতিত্ব সম্রাটের মাথার মুকুটের চেয়েও বেশি দামী'

এই ছিল মুসলিম শাসকদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।যেখানে কারও প্রতি সামান্য জুলুম করার সুযোগ নেই।

✊
21/05/2026

✊

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল্লাহর সৈনিক সংগঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category