Ummu habiba

Ummu habiba This page is comedy club uploade here

17/04/2025

স্বামীকে যতই আপন করে নাওনা কেন, মাঝে মাঝে স্বামী নামের মানুষটাও বুঝিয়ে দেয় পর কখনো আপন হয়না৷ সে কখনোই তার পরিবারের চেয়ে তোমাকে বেশী ভালোবাসবে না। কিন্তু একজন স্ত্রী? আজীবন নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবেসে তার স্বামীর পাশে থাকে। স্ত্রী স্বামীর অপমানে পুরো দুনিয়াকে ত্যাগ করতে রাজি থাকে! অথচ একজন স্বামী? তার স্ত্রী সঠিক হলেও স্ত্রীকে সঠিক বলতে পারেনা। কারণ একজন পুরুষের কাছে মন থেকে তার পরিবারের চেয়ে মূল্যবান আর কেউ হতে পারেনা। তার পরিবার যতই ভুল হোক আর স্ত্রী যতই সত্যি বলুক সঠিক হোক,ঘুরে ফিরে স্ত্রীই খারাপ হবে। বাস্তবতা ।
জীবন সুন্দর যদি মানুষ টা সঠিক হয়।
পরিস্থিতিে না পরলে এইসবের অভিজ্ঞতা হতো না💔😢

17/04/2025

🌺একজন পুরুষ হিসাবে, আপনার স্ত্রীকে আপনার পিতামাতা এবং ভাইবোনদের কাছ থেকে রক্ষা করা অপরিহার্য, তবে আপনার বিবাহের প্রেক্ষাপটে আপনার স্ত্রীকে প্রথমে আসতে হবে। বিষাক্ত ব্যক্তিদের থেকে তাকে রক্ষা করা আপনার প্রাথমিক দায়িত্ব, এমনকি তারা আপনার পরিবারের সদস্য হলেও।

একজন স্বামী হিসাবে, এটি আপনার বাড়ি এবং আপনার স্ত্রী। পাশে দাঁড়াবেন না এবং দেখবেন না যে অন্যরা এটির মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে। আপনি যদি তাদের আপনার বাড়ি ভাঙ্গার অনুমতি দেন, তবে একই লোকেরা অবশেষে আপনার বিরুদ্ধে আপনার ব্যর্থতা ব্যবহার করবে।

বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন এবং একজন পুরুষ হিসেবে আপনার স্ত্রীকে আপনার অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে রাখতে হবে। আপনি যখন বিয়ে করেন, আপনি একসাথে একটি জীবন তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন, এবং এর অর্থ হল যে কোনও হুমকি থেকে সেই জীবনকে রক্ষা করা, তারা যেখান থেকেই আসুক না কেন।

একজন পুরুষ হিসাবে আপনার ভূমিকা শুধুমাত্র আপনার স্ত্রীকে ভালবাসা নয়, তার মানসিক এবং মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করাও। এর মধ্যে রয়েছে যখন তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়, এমনকি আপনার কাছের লোকেরাও তার জন্য দাঁড়ানো।

অনেক পুরুষ তাদের মূল পরিবার এবং তাদের স্ত্রীর মধ্যে আনুগত্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে লড়াই করে। যাইহোক, আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে আপনার আনুগত্য এখন প্রাথমিকভাবে আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে যে পরিবার তৈরি করছেন তার সাথে নিহিত।

একজন স্বামী হিসাবে, আপনার স্ত্রীকে রক্ষা করার অর্থ আপনার পরিবারকে অসম্মান করা নয়। এর অর্থ স্বাস্থ্যকর সীমানা নির্ধারণ যা পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্প্রীতি নিশ্চিত করে। একজন শক্তিশালী মানুষ জানে কিভাবে দৃঢ়তা এবং ভালবাসার সাথে এই সীমানাগুলিকে যোগাযোগ করতে হয়।

আপনার পরিবারের বিষাক্ত আচরণের মুখে আপনার স্ত্রীকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়া একটি বার্তা পাঠায় যে সে আপনার উপর নির্ভর করতে পারে না। সময়ের সাথে সাথে, এটি আপনার বিবাহের মধ্যে আস্থা, ঘনিষ্ঠতা এবং সম্মান নষ্ট করতে পারে।

বিষাক্ত আচরণ, যেমন ক্রমাগত সমালোচনা, হস্তক্ষেপ, বা হেরফের, আপনার সাথে তাদের সম্পর্ক নির্বিশেষে কারও কাছ থেকে সহ্য করা উচিত নয়। একজন পুরুষ হিসাবে, আপনার পরিবারের প্রতি ভালবাসা তাদের আপনার বিবাহের ক্ষতি করতে দেয় না।

আপনার বাড়ি যেন আপনার স্ত্রীর জন্য শান্তির আশ্রয়স্থল হয় তা নিশ্চিত করা আপনার দায়িত্ব।🌺💗
একটা কথা মনে রাখবেন, মনে রাখবেন,জীবনটা আপনার,সংসার আপনার।আপনার সংসার ভাঙ্গলে তা আপনার জীবনে প্রভাব পড়বে! অন্য কারো না! সংসার ভাঙ্গা যতটা সহজ তার থেকে সংসার গুছানো কঠিন।তাই সাবধানতা অবলম্বন করে আপনার সংসারের ক্ষতি চাওয়া আগাছা নিধন করবেন। আপনার শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিশ্চয়ই কখনো আপনার সংসারের খারাপ চাইবেনা আপনার স্ত্রীর সাথে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে বরং মিটমাট করতে চাইবে সহযোগী হয়ে।সেক্ষেএে সতর্কতা অবলম্বন করবেন কাউকে অন্ধবিশ্বাস না করে কেননা কাছের মানুষগুলো পিঠে ছুড়ি মারে।এই পৃথিবীতে রক্তের সম্পর্কগুলোই বেশি স্বার্থপর যা বাস্তবতা বুঝিয়ে দেয় টাকার মেশিন আর জায়গা-জমিন! তাই স্বামী- স্ত্রী সম্পর্কে বিষ ঢালা রক্তের সম্পর্কের গিরগিটির রূপটা চিনতে শিখুন।অন্যের হিংসায় ও কুবুদ্ধিতে নিজের সংসার ভেঙ্গে নিজের জীবন বরবাদ করতে যাবেন না!যেন পরবর্তীতে পস্তাতে না হয়!

17/04/2025

এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক তার অসুস্থ স্ত্রীর সব কাজ নিজের হাতে করতেন। স্ত্রীর জন্য তিনি রান্না করতেন, নিজের হাতে খাইয়ে দিতেন, কাপড়চোপড় ধুয়ে দিতেন, ঘুম পাড়াতেন, পরিষ্কার করাতেন, এমনকি কোথাও গেলে স্ত্রীর হাত ধরে সাথে নিয়ে যেতেন! সারাদিনে এক মুহূর্তের জন্যও স্ত্রীকে চোখের আড়াল করতেন না তিনি।

একদিন এক প্রতিবেশী কিছুটা বিরক্তি সহকারে বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনি সারাদিন আপনার স্ত্রীর সাথে থাকেন কেন? আপনার নিজস্ব কোনো ব্যক্তিত্ব নেই?"

বৃদ্ধ একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, "আমার স্ত্রী একজন আলঝেইমার রোগী! সে একা একা কিছু করতে পারে না।"

প্রতিবেশী কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইলেন, "আপনি যদি ওনাকে ছেড়ে চলে যান, তাহলে উনি কি খুব কষ্ট পাবেন?"

জবাবে বৃদ্ধ বললেন, "আমার স্ত্রীর স্মৃতি বলে কিছু নেই, আমি কে তাও সে জানে না! অনেক বছর ধরেই সে আর আমাকে চিনতে পারে না।"

প্রতিবেশী বিস্মিত দৃষ্টিতে বললেন, "তারপরও প্রতিদিন আপনি তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন, যে আপনাকে চেনেই না!"

বর্ষীয়ান মানুষটি মৃদু হেসে বললেন, "সে জানে না আমি কে, কিন্তু আমি তো জানি সে কে! সে হলো আমার ভালোবাসা।"

17/04/2025

আমাদের বাঙালি সমাজের একটা নিয়ম আছে। যতদিন শাশুড়ী বেঁচে থাকবেন ততদিন শাশুড়ীর সংসারেই ছেলের বউকে থাকতে হবে। সে চাইলে ও আলাদা করে নিজের সংসার পাবে না। শাশুড়ীর সংসারে শাশুড়ীর কথা মতোই সব চলবে। এখানে ছেলের বউয়ের কোন স্বাধীনতা থাকবেনা। সবকিছুতেই শাশুড়ির পারমিশন লাগবে। এমনকি শাশুড়ীর সংসারে নিজের মন মতো একটা রুম ও ডেকোরেশন করা যাবে না। বেশি কিছু বললে বলে, " নিজের সংসারে যা খুশি কইরো, আমার সংসারে এসব চলবে না। "

কিন্তু দেখো, আমাদের মতো সেই অসহায় বউ গুলো নিজের সংসার বলতে যা বোঝায় তা হলো শাশুড়ীর মরার পর।

তার আগে নিজের সংসার! সেটা আবার কি!? " বুড়া মানুষ বাঁচবেই আর কয়দিন! শাশুড়ী মরলে সবই তো তোমার।" তো বউটা ও অপেক্ষা করতে থাকে, কতদিনে শাশুড়ীটা মরবে। ( শুনতে খারাপ হলেও এটাই বাস্তব সত্যি।) 😓

আর এই সংসার টা তার হবে....।

ততদিনে একটা মেয়ের আর শখ বলতে কিছু থাকে না। তখন সে আর মেয়ে থাকে না। তার বয়স পেরিয়ে ৩৫ - ৪০ এ চলে যায়। তখন তার কাছে সব কিছু কেমন দায়িত্ব বলে মনে হয়। কারো জন্য আর শখ করে কিছু রান্না করার মতো এনার্জি তার শরীরে থাকে না। তখন আর ঘর গুছানোর মতো মানসিকতা থাকেনা। তখন শুধু মাথার উপর অনেক গুলো দায়িত্ব থাকে। ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া, তাদের সুন্দর ভবিষ্যত এসবের চিন্তা করতে করতেই চুলে পাক ধরে যায়। সব কিছুতেই কেমন নিজেকে বোঝা বলে মনে হয়। জীবনের পাওয়া না পাওয়ার হিসাব মিলাতে গেলে দম বন্ধ হয়ে আসে। অতীতের কথা মনে পড়ে। যখন সে তার স্বামীর কাছে নিজের জন্য একটা সংসার চায়৷ তখন তার স্বামী মেয়েটা কে বলে, " তুমি কি পারবে এই বয়স্ক মানুষ টা কে একা ফেলে চলে যেতে। " ব্যাস মেয়েটার আর কিছুই বলার থাকে না। সে চুপ হয়ে যায়। কিন্তু কি পায় মেয়েটা সেই সংসারে থেকে! যেই শাশুড়ীর জন্য নিজের শখ আহ্লাদ বিসর্জন দেয়, সেই শাশুড়ী কি আদৌও মেয়েটার কথা ভাবে?

বরং মেয়েটা সেই সংসারে থেকে দিনের পর দিন মানসিক টর্চার সহ্য করে যায়। সারাক্ষণ আতংকে থাকে কখন না জানি শাশুড়ী মা রেগে যায়। কখন না জানি তার জন্য সংসারে ঝামেলা, অশান্তি শুরু হয়ে যায়। এইভাবেই ভয়ে আতঙ্কে কখন যে মেয়েটার বয়স পেরিয়ে যায় সে নিজেও জানে না।

হটাৎ অনেক বছর পর মেয়টার মনে পরে, সংসারের ঝামেলা সামলাতে গিয়ে কখনো তার স্বামীর সাথে একটু সৃতি তৈরি হয়নি। সারাদিন কাজের পর রাতে সময় করে স্বামীর জন্য একটু শাড়ি পরে কপালে কালো টিপ লাগানো হয়নি। সংসারে সবার সাথে থেকে, লজ্জায় স্বামীর সাথে হাত ধরে একটু বৃষ্টিতে ভিজার সুযোগ হয়নি মেয়েটার।

মেয়েটার মনে পড়ে যায়, অনেক দিন হলো তার স্বামীর সাথে একান্তে বসে একটু গল্প করা হয়নি। মেয়েটা দৌরে যায় স্বামীর কাছে চাঁদনি রাতে খোলা আকাশের নিচে বসে আজ জমিয়ে মনের কথা বলবে তাকে। কিন্তু হটাৎ মেয়েটা বুঝতে পারে এতোদিনে তার স্বামীর সাথে আকাশ সমান দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে। গল্প করার বয়স টা পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই। ছেলে - মেয়েরা বড়ো হয়েছে। এখন এসব করা মানে... ছি ছি!

মেয়েটা আঁচলে মুখ গুঁজে দৌড়ে চলে যায়। নিজেকে বন্ধি করে নেয় অন্ধকার চার দেয়ালের মাঝে৷ 💔🥀

[এটা সবার বেলা না। কিন্তু অধিকাংশ পরিবারেই সেম কাহিনি। ]

কথাগুলো ভালো লাগলে একটা ফলো দিয়ে উৎসাহিত করবেন যাতে এরকম আরো বাস্তবিক না বলা কথাগুলো প্রকাশ করতে পারি। ধন্যবাদ ❤️
©

08/04/2025
06/10/2024

বর্তমানে মেয়েরা অনেক অবহেলিত 🥺
- এইযে "মিঃ নুডুলুস"🍝 আছে কিন্তু " মিসেস নুডুলুস" নাই! 😥
- "পোলার আইসক্রিম"🍦আছে কিন্তু "মাইয়ার আইসক্রিম"নাই 🤨
- " মামা ওয়েফার" 🍫আছে কিন্তু " মামি ওয়েফার" নাই!! 😞
-"মিস্টার ম্যাংগো" 🥭আছে কিন্তু "মিসেস ম্যাংগো" নাই! 😢
-" লাইফ বয় " সাবান 🧼 আছে কিন্তু " লাইফ গার্ল " সাবান নাই!! 😭
মানবতা আজ কোথায়..... ??😴??

🤣🤣🤣??🤣🤣🤣🤣

Habiba #

05/10/2024

বিয়ে বাড়িতে বইসা আছি। সবাই দেখি আমারেই দেখতাছে।😎🐸

দেখুক! আমি তো সুন্দরী। কিন্তু খাইতে দিবো কখন?😕

খাবারের চিন্তায় অস্থির হইয়া এদিক ওদিক তাকাইতাছি, 😤

তখনই দেখি ব্ল্যাক শার্ট পরা হ্যান্ডসাম একটা পোলা ঢুকলো। ওফ!কী লাগতাছে। আরেকটু পর দেখি নীল শার্ট পরা একটা পোলা ঢুকলো। ব্যাপারটা কি?😕

দুনিয়ার সব হ্যান্ডসাম পোলা কি এই বিয়া বাড়িতে আইসা পড়লো নাকি?😾

যাইহোক আমার তাতে কি! আমি তো ক্রাশ খামু।😁

কিছুক্ষণ পর দেখি কয়েকটা পোলা একসাথে দাড়াইয়া সেলফি তুলতাছে।😍

বাবারে বাবাহ্!একটার চেয়ে একটা চু/ম্মা লেভেলের পোলা। তারপর দেখি ওরা আর ওই ব্ল্যাক শার্ট পড়া পোলাটা আইসা আমার সাথে ছবি তোলা শুরু করলো।😌

ক্রাশগুলারে এতো কাছ থেইকা দেইখা তো আমার হার্টবিট বুলেট ট্রেনের গতির মতো বাইড়া গেছে।উত্তেজনার ঠেলায় পাশে থাকা বান্ধবীরে বলেই ফেললাম,😞

দোস্ত,পোলাগুলা কি সুন্দর দেখছোস? যেকোনো একটার লগে লাইন করাইয়া দে।😅

বান্ধবীঃ কিইইইইই?😐

বান্ধবী দেখি আমার কথা শুইনা টাস্কি খাইয়া গেছে!😑

এতো অবাক হইতাছোস ক্যান? ক্রাশ খাইছি পারলে সেটিং কইরা দিবি না পারলে নাই!😒

এমন ভেলকার মতো এক্সপ্রেশন দিতাছোস ক্যান?😐

এইবারতো সুন্দর পোলা দেখলেই ক্রাশ খাওয়া বন্ধ কর! এইডা তোর বিয়াবাড়ি, 😊

আর আজকে তোর বিয়া ফইন্নি..!😡🐸

সে তৌফিক যেন আল্লাহ সবাইকে দেয় সবাই একসাথে বলুন Amin🤲
05/10/2024

সে তৌফিক যেন আল্লাহ সবাইকে দেয়
সবাই একসাথে বলুন Amin🤲

05/10/2024

আমার স্ত্রী চাঁদনীর সাথে সহবাস করার সময় বুঝতে পেরেছিলাম যে চাঁদনী ভার্জিন ছিলো না।

কেননা এখন কার যুগে কোন মেয়ে ভার্জিন কি না সেটা বুঝার অনেক উপায় ই বের হয়েছে।

তার মধ্যে সব চেয়ে কমন যেটা সেটা হলো
সহবাসের সময় রক্তপাত।

কোন মেয়ের সাথে সহবাস করার সময় যদি আপনি ঐ মেয়েকে স্পর্শ করা প্রথম ব্যাক্তি হয়ে থাকেন।
তাহলে মেয়ের রক্তপাত হবে এটাই সাভাবিক বা এটাই আমরা জানতাম।

আর আমিও সেটার উপরই ভর করে বলছি,,, আমার স্ত্রী চাঁদনী ভার্জিন ছিলো নাহ।

চাঁদনীর আমার সাথে সহবাসে রক্তপাত হয় নি তার মানে,,, চাঁদনী ভার্জিন না।
আর ভার্জিন না হওয়ার একটি কারণ
আমি তার জীবনে প্রথম পুরুষ না।
তার মানে চাঁদনী এর আগেও অন্য কারো সাথে ওসব করেছে??
কথাটা ভাবতেই বুকে কেমন একটা ব্যাথা অনুভব করলাম।

ব্যালকনিতে দাড়িয়ে এসব নিয়ে ভাবছি এমন সময় চাঁদনী চা নিয়ে এসে পিছন থেকে ডেকে বললো,,,,

এই নাও তোমার চা,,,,

আমি পিছনে ঘুরে চায়ের কাপটা হাত বারিয়ে নিলাম।

চায়ের কাপটা আমাকে দিয়ে চাঁদনী বললো,,,,,
নামাজ পরে ব্যালকনিতে কেন আসতে হবে শুনি??

এমনি,,,,

ফজরের নামাজ পরে আমি না ঘুমালেও চাঁদনী ঘুমিয়েছিলো।

চাঁদনী নামাজ পড়ে ঘুমানোর পর।
আমি না ঘুমিয়ে
ওর ঘুমন্ত চেহারাটা কিছুক্ষণ মন ভরে দেখি। । কিন্তু চাঁদনী সেটা জানে না কারণ ও ঘুম থেকে উঠার আগেই আমি ব্যালকনিতে চলে আসছি।

আমাদের বিয়ে ৪ মাস আগে হয়েছিলো।
কাল আমরা এই ফ্লাটে উঠেছি,,,
এবং কালই হয়েছে আমাদের প্রথম বাসর রাত।

আসলে আমাদের বিয়েটা ৪ মাস আগে হলেও আমরা সে রকম ভাবে
একে অপরের কাছে আসতে পারিনি।
তাই কাল ই প্রথম বাসর হয় আমাদের।
এখন আমাদের বললে ভুল ই হবে।
বলতে হবে প্রথম বাসর ছিলো আমার।
চাঁদনীর না,, কারণ সে তো অনেক অগেই এসব সেরে বসে আছে।

আর চার মাস পর দুজনের মিলন হওয়ার কারণ ছিলো " পূর্ণ গল্পটি আমার আইডিতে ও পাওয়া যাবে, আমার সাথে এড হয়ে পড়ে নিতে পারবেন, এছাড়া আমার মেসেঞ্জার গ্রুপে (এসো গল্প পড়ি) এড হলে ও সব পাট পড়তে পারবেন নিরাপদে " আমার নতুন চাকরি,
নতুন অফিস,
নতুন কলিগদের সাথে পরিচয়,
চাঁদনীর ভার্সিটি পরিক্ষা, ফ্লাট নিয়ে জামেলা
এই সব কিছুর মাঝে
চাঁদনীর বাধা তো আছেই।
সব কিছু মিলিয়ে কখন যে ৪ মাস কেটে গেলো বুঝতেই পারিনি

চাঁদনীর সাথে আমার বিয়েটা হয়,,,,, না পারিবারিক ভাবে।
আবার না প্রেম করে।

মানে হঠাৎ একদিন fb তে চ্যাটিং তারপর পরিচয়
হুট করেই বিয়ে।
আমার বিয়ে করার ইচ্ছা না থাকলেও চাঁদনীরর কথায় রাজি হয়েছিলাম।
কারণ চাঁদনী দেখতে যতেষ্ট সুন্দরী,
ওর বাবা একজন পুলিশ সদস্য

এরকম একটা মেয়ে আমার মতো ছেলেকে বিয়ের কথা বললে কি আর না করতে পারি....?

আর চাঁদনীকে বিয়ে করার পর সব পেয়েছি,,,
চাকরি,,
এই নতুন ফ্লট টা।
তখন বুঝিনি চাঁদনীর মতো মেয়ে হঠাৎ করে কেন আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে।
কিন্তু তখন না বুঝলেও এখন বুঝতে পারছি চাঁদনী কেন আমাকে বিয়ে করেছে।

কি হলো অমি ,,,, চুপ করে দাড়িয়ে কি ভাবছো? (চাঁদনী)

ওওহহুম বলো

চাঁদনী আমাকে জরিয়ে ধরে বললো,,,,, সকালের শহর কতো সুন্দর তাই না?

হুমম
আমি শুধু চাঁদনীকে দায় সারা জবাব দিচ্ছি,,,
কারণ এরকম মেয়ের সাথে আর কেন জানি কথা বলতে ইচ্ছে করছে না।

চাঁদনী তার হাত দিয়ে আমাকে আরো শক্ত করে জরিয়ে ধরে আমার কানে একটা কিস করে বললো
I love uuuuuuuuu

আমারো খুব ইচ্ছা করছিলো,,,,,
চাঁদনীকে জরিয়ে ধরে বলি
love u 2
কিন্তু কেন জানি বলতে পারছিলাম না।

মনের মধ্যে একটাই প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছিলো
সেটা হলো
চাঁদনী তাহলে ওর পাপ ঢাকার জন্য এসব করেছে আমার সাথে?

ছোট বেলা থেকে জেনে আসতেছি
যে যেমন তার জীবন সঙ্গিনি হয় তেমন।

তাহলে আমি কেন এমন কাউকে পেলাম???

কি হলো কথা বলছো না কেন?
আমাকে ঝাকা দিয়ে বললো চাঁদনী।

আমি চুপ,,,,
অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে কিন্তু পারছি না।

কি ভাবছো তুমি বলতো।
তখন থেকে দেখছি কি নিয়ে যেন ভাবছো।

আরে কিছু না,,,,

কিছুনা তো কি?
দীর্ঘ ৪ মাস পর আমরা এক হলাম,,, কোথায় কিছু রোমান্টিক কথা বলবে তা না করে মন ভার কর দাড়িয়ে আছো।
কেন?

বাবা মায়ের কথা মনে পড়ছে।

ওলে আমার বাবু লে,,,,, বউয়ের কথা মনে পড়ে না...?

ফাইজলামি করবা না চাঁদনী

বলেই
চাঁদনীকে সরিয়ে দিয়ে রুমে চলে আসলাম।
এসে ভাবলাম বাসায় কল করে একটু কথা বলি এতে মনটা হয়তো একটু সায় পাবে।
তাই মোবাইলটা নিয়ে মাকে কল দিলাম।
আসলে আমি মনে করি প্রতিটা ছেলে তার মাকে একটু বেশি ভালবাসে।
আর মায়ের সাথে যা পারে সেয়ার করে।

হ্যালো বাবা....? (মা)

হুমমম,,, কেমন আছো মা?

আমি ভালো আছি,,,,, তুই ভালো আছিস?

আছি,,, ভালই আছি,,,,,
বাবাকে ঠিক মতো ঔষধ দিচ্ছো তো?

হুমম

এরকম আরো অনেক কথা হলো,,,,,
কিন্তু চাঁদনীর বিষয়ে কিছু বলতে গিয়েও পারলাম না।

রুমে বসে আছি,,, এমন সময় চাঁদনী আসলো রুমে।

এসে বললো,,,,,,
আমাকে ওভাবে ফেলে আসলে কেন....?

মানে.....?

মানে ওভাবে আমার হাত সরিয়ে দিয়ে চলে আসলে কেন?
এতো সাহস কই পাও শুনি



>>>>> চলবে?

#গল্প : #ভুল

#লেখক : Dh Ome

কেমন হয়েছে জানাবেন,,,
কারন আপনাদের রেসপন্সের উপর নির্ভর করবে পরের পর্ব লিখবো কি না।

আপনার নাম কিংবা আপনার কোন অনুরোধের গল্প থাকলে বলতে পারেন আমি সবচ্চ চেষ্টা করব একটা সুন্দর রোমান্টিক গল্প লিখে দেওয়ার ।

গল্প লেখকের আইডি Dh Ome , যারা প্রতিদিন এমন অসাধারণ সব গল্প পড়তে চান,,তারা আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে রাখতে পারেন। আমি কথা দিলাম আমার গল্পগুলা আপনাদের মন ছুঁয়ে যাবে❤️গল্পটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে Dh_Ome

05/10/2024

#পদ্মমির -১
#ইলমা_বেহরোজ

ভয়াতুর ষোড়শী মেয়েটি কাঁপা গলায় বলল, 'কে আপনি? খালি বাড়িতে কেন ঢুকেছেন?'কালো ছায়াটি থেকে কোনো জবাব না পেয়ে পুনরায় ভেজা কন্ঠে বলল, 'বলুন না, কে আপনি?'

হঠাৎ একটি ম্যাচের কাঠি জ্বলে উঠল। সেই আলোয় দুটি গভীর কালো চোখ বিভ্রম নিয়ে তাকিয়ে রইল ওর দিকে। শীতল, স্পষ্ট কণ্ঠে চোখের মালিক বলল, 'আমির হাওলাদার।'

দৈবাৎ দমকা হাওয়ায় আগুনের শিখা নড়ে ওঠে।হলুদ আলোয় আমির আবিষ্কার করে, পদ্মজার দুই চোখ বেয়ে রক্ত নির্গত হচ্ছে। কিছু বুঝে উঠার পূর্বে কতগুলো কালো হাত অক্টোপাসের মতো আঁকড়ে ধরে পদ্মজাকে; টেনে নিয়ে যেতে থাকে অন্ধকার গহব্বরে। আমির পিছু নিতে গিয়ে টের পেল কেউ তাকে ধরে রেখেছে। সে প্রাণপণে ছোটার চেষ্টা করে। গগন কাঁপিয়ে চিৎকার করে, 'পদ্মবতী_

ধড়ফড়িয়ে উঠে বসে আমির। ওর হৃৎপিণ্ডের কম্পন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলছে। শরীর থেকেদর দর করে ঘাম ঝরছে। বিন্দু বিন্দু ফোঁটার মতো ঘাম জমাট বেঁধে রয়েছে চিবুকে! অসহিষ্ণু চোখে ডানে-বামে তাকিয়ে নিজেকে একটি বিলাসবহুল এপার্টমেন্টে আবিষ্কার করল। স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে পেল, দুই সপ্তাহ ধরে ও কুয়েতে আছে। এতক্ষণ তাহলে দুঃস্বপ্ন দেখছিল! আমির দুই হাতে মুখ ঢেকে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ো বুকের ভেতর কী এক অঙ্কিতা বিরাজ করছে! কেমন আছে পদ্মজা?

আমির হাত বাড়িয়ে বালিশের নিচ থেকে একটা ছবি বের করল। ছবিতে ড্রয়িংরুমের সোফায় শুয়ে বই পড়ছে পদ্মজা, তার লম্বা বিণুনি মেঝে ছুঁইছুই। পরনের শাড়ি গোলাপি রঙের। কত সুন্দর নারী সে; কী ভীষণ মায়াবী!

ছবিটির দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আমির সিদ্ধান্ত নিল, দুইদিনের মধ্যে দেশে ফিরবো আরো এক সপ্তাহ কুয়েত থাকার কথা ছিল কিন্তু পদ্মজার শূন্যতা ক্রমে তাকে উম্মাদ করে তুলছে। হুটহাট বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। আর দূরে নয়, দ্রুত ফিরতে হবে।

তখন মধ্যরাত। দুটি বেডরুম ও ডাইনিং, ড্রয়িং নিয়ে এপার্টমেন্টটি। আমির যে রুমটিতে আছে, সেটি সাদা রঙের; রুমে বিশাল ডাবল বেড। বিছানাদার চাদর সাদা। রাতে এপার্টমেন্টে ফিরে গোসল সেড়ে রোব পরিহিত অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়েছিল। জাগল দুঃস্বপ্ন দেখে।সিগারেট হাতে নিয়ে কাচের বিশাল জানালার নিকটে গিয়ে দাঁড়াল আমির। তখন দরজায় টোকা পড়ে, উর্দু ভাষায় ভেসে আসে, 'আসতে পারি?'

আমিরের অনুমতির অপেক্ষা করল না নারীটি।দরজা ঠেলে ভেতরে চলে এলো। রুমে তখন আবছা আলো। তার পরনে ঘুমের ছোট পোশাক। পোশাক বললেও ভুল হবে, এক টুকরো কাপড়। রক্ত উষ্ণ করে দেয়ার মতো সুন্দর সে। তার সবচেয়ে বড় পরিচয়, সে বিখ্যাত ইয়াকিসাফির রক্ষিতা। ইয়াকিসাফি ঔষধ শিল্পের সেরা দশ ব্যবসায়ীর মধ্যে একজন। তার কোম্পানির শাখা রয়েছে একশোরও অধিক দেশে। এ সবকিছুর আড়ালেও রয়েছে তার আরেকটি রাজত্ব; বিশ্বের বৃহৎ মাদক ল্যাব। যেখানে মাদক প্রস্তুত করা হয়। তার অনেকগুলো ল্যাবের মধ্যে প্রধান ল্যাবটি তৈরি করাহয়েছে একটি দ্বীপের বহু বছর পুরনো বাড়ির বেজমেন্টে। সেখানে কাজ করে ছয়শ'রও অধিক কর্মচারী।

ইয়াকিসাফি দেখতে মাঝারি আকারের। চওড়া কাঁধ।গায়ের রং ফর্সা, খাড়া নাক, ধূসর চোখে ঠিকরে পড়ে বুদ্ধিমত্তা। অপরাধ জগতের মানুষ তাকে হাস্তান নামে চিনে। খুব কম মানুষই তার আসল নাম এবং পরিচয় জানে। যারা জানে, তারা ইয়াকিসাফির বিশ্বস্ত ও পছন্দের। তিনি হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, মাদক প্রস্তুত করা কর্মচারীদের মনোরঞ্জনের জন্য প্রতিটি ল্যাবে একটি করে হেরেমের ব্যবস্থা করবেন। সেখানে থাকবে অসংখ্য সুন্দরী নারীরা। যাদের এই পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আজীবনের জন্য চলে আসতে হবে। কখনো সেই ল্যাব থেকে ফিরতে পারবে না। যেচে কোনো নারী এই শর্ত মেনে নিবে না। ইয়াকিসাফির প্রয়োজনের কথা কানে যেতেই বেশ কয়েকটি দেশের নারী ব্যবসায়ী এগিয়ে আসে। তাদের মধ্যে একজন আমির হাওলাদার বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জনের সম্ভাবনা কি অবহেলা করা যায়?

কুয়েত আসতে তার কিছুদিন বিলম্ব হয়েছে। ফলস্বরূপ সুযোগটি অন্য আরেকজন প্রায় ছিনিয়েই নিচ্ছিল কিন্তু শেষ অবধি নিজের বুদ্ধিমত্তা ও চতুরতা দিয়ে সুযোগটি নিজের করে নিয়েছে। ইয়াকিসাফির সঙ্গে এটা তার পঞ্চম ডিল!

আমির কিছু বলার পূর্বে মেয়েটি তার কাছে এসেবুকে এক হাত রেখে কামুক চোখে তাকাল। আমির সিগারেট জ্বালাতে অন্যদিকে ফিরতেই মেয়েটি পিছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেল ঘাড়ে।ফিসফিসিয়ে বলল, 'ইয়াকির পার্টনার করে দেব তোমায়।'আমিরের কোনো ভাবান্তর নেই। সে সিগারেটে আগুন ধরিয়ে মৃদু গলায় বলল, 'ওভিয়া, ইয়াকিসাফি জানলে -'ওভিয়া আমিরের মুখ চেপে ধরল। গভীর আদরের সঙ্গে আলিঙ্গন করে বলল, 'যেদিন তোমাকে প্রথম দেখি, তোমার দৃষ্টিতে থাকা শক্তির প্রাচুর্য, তোমার কথা বলার দৃঢ়তা, তোমার থুতনির এই কাঁটা দাগ আমার হৃদয় নাড়িয়ে দেয়। আমি তোমার প্রেমে পড়ে যাই।'

ওভিয়া ও আমিরের আজই সরাসরি প্রথম কথা হলো। যতবার সে এখানে এসেছে, ইয়াকিসাফির পাশে ওভিয়াকে দেখেছে। প্রতিবারই খেয়াল করেছে, ওভিয়া তার দিকে অদ্ভুত চোখে তাকায়। ওভিয়ার কামনা বাসনা সে বহু আগে টের পেয়েছে। চোখাচোখি যেন কত কথা বলে এই নারী! ইয়াকিসাফি যদি এই সংবাদ পায়, সঙ্গে সঙ্গে ওভিয়াকে হত্যা করবে তবুও কেন এই ঝুঁকি নিল?

ওভিয়া আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়ায়। তার দুরন্ত যৌবন, মেদহীন নিখুঁত দেহ। ইয়াকিসাফির মতো সম্রাটের প্রিয় রক্ষিতা; নিঃসন্দেহে রূপবতী ও গুণবতী সে।আমির মৃদুস্বরে বলল, তুমি গ্রীকদেবীর মতো সুন্দর। কিন্তু আমি আগ্রহ পাচ্ছি না।'

আমিরের ঠোঁটে ওভিয়ার উত্তপ্ত নিঃশ্বাস পড়ছে। ফিসফিসিয়ে বলল, 'আগ্রহ বাড়ানোর সুযোগ দাও।'

কথা শেষ করেই সে আমিরের ঠোঁটে চুমু খেল। রোব খুলতে গেলেই তাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিল আমির। ওভিয়া অবাক হয়ে তাকাল আমিরের দিকে। তার দর্শন যেকোনো পুরুষের মাথা ঘুরিয়ে দেয়। এমন কোনো পুরুষ নেই, যে ওভিয়াকে দেখার পর মনে-মনে তাকে কামনা করেনি। এমন এক নারী সে, যাকে ইয়াকিসাফি ছাড়া কারো সাহস নেই ছুঁয়ে দেখার। অথচ আমিরের হৃদয়, শরীর দুটোই স্থির! ওভিয়া বিস্মিত নয়নে তাকিয়ে বলল, 'তুমি সমকামী?'

আমির না হেসে পারল না।সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে বলল, 'মোটেও না।'

গাঢ় সবুজ চোখ দিয়ে আমিরকে কয়েক সেকেন্ড পরখ করল ওভিয়া।ধীরে ধীরে বলল, 'স্ত্রীকে ভালোবাস?'আমির হাসল। ওভিয়া উত্তর পেয়ে গেছে। নারী ব্যবসায় জড়িত পুরুষ কোনো নারীকে ভালোবেসে নিজেকে অন্য নারী থেকে, তার মতো নারী থেকে দূরে রাখছে!

'সে কি আমার থেকেও সুন্দর?' বলল ওভিয়া।

সিগারেটের ছাই ঝেরে আমির বলল, 'পৃথিবীর সব নারী থেকে সুন্দর।' তার চোখমুখ চিকচিক করছে।

ওতিয়া আগ্রহবোধ থেকে বলল, 'কেমন সে?'

রাতের খাবার ডাইনিংরুমে সাজানো। ওভিয়া সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে। আমির সিগারেট ফেলে ডাইনিংরুমের দিকে যায়। ওভিয়া পিছু পিছু গেল।

আমির চেয়ার টেনে বসে বলল, 'বসো।'

ওভিয়া পাশের চেয়ার টেনে বসল।

আমির বলল, 'নিখুঁত। ভেতরে-বাইরে, ডানে-বামে, সামনে- পেছনে, সব রূপে, সব পোশাকে সে নিখুঁত। তার মতো কেউ নেই, তার রূপের কোনো বর্ণনা হয় না, গুণের কোনো শেষ নেই। আমি তার ব্যাখ্যার যোগ্য নই।'

'তোমার মতো কাউকে বউয়ের প্রশংসা করতেদেখিনি।'অন্যদের আমার বউয়ের মতো বউ নেই।' আমির গর্বের হাসি হাসল। ওভিয়া বিস্ময় নিয়ে দেখছে তাকে। যে জগতে তার বাস, সেই জগতে এমন ভালোবাসা নেই; সে দেখেনি।'সত্যি কি এতো সুন্দর? নাকি সবটাই ভালোবাসার জন্য বলছ?''যদি তুমি তাকে দেখতে! কিন্তু কখনো দেখতে পারবে না।'

'কেন?'

'তোমার মতো মেয়েদের সে ঘৃণা করে।'

কথাটি শুনে ওভিয়ার চোখমুখ লাল হয়ে যায়। রাগ হয়, কিন্তু আমিরকে সে কিছু বলবে না। মানুষটা তার প্রেম ।
শুধু বলল, যার স্বামী নারী ব্যবসায় জড়িত, সে আমাকে ঘৃণা করার মতো নিশ্চয়ই না।'

আমির কিছু বলল না। সে কখনো কাউকে পদ্মজার কথা বলে না, নাম বলে না, পদ্মজার কাছে তার নারী ব্যবসা অপ্রকাশিত, তা জানায় না।

প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলল, 'ইয়াকিসাফি জানার আগে ফিরে যাও।'

ওডিয়া বিষণ্ণ হয়ে জানালার বাহিরে তাকিয়ে বলল, 'আমি তাকে ভালোবাসি না, অথচ তার মনোরঞ্জন করে পুরো জীবন কাটাতে হবে। আমার সব আছে। শুধু -' ওভিয়ার গলা নিভে এলো। সে হাসার চেষ্টা করল।

তোমার প্রেমে এতোটাই মাতোয়ারা হয়েছিলাম যে ইয়াকির বেডরুম ছেড়ে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তোমার কাছে চলে এসেছি। নিজেকে আটকাতে পারিনি। ছোট থেকেই মেয়েরা আমাকে ঈর্ষা করত, এই প্রথম কোনো নারীকে, তোমার স্ত্রীকে ভীষণ ঈর্ষা হচ্ছে।'

ওভিয়া আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছে। আমির দয়াবান নয় তাই সামনে থাকা সুন্দরী নারীটির দুঃখের কথা কোনো প্রভাব ফেলল না তার উপর। সে একমনে খাচ্ছে।
(বিঃদ্রঃ এটি একটি ইবুক। গল্প পড়ার জন্য শুভকামনা রইল)
ওভিয়া পলকহীন চোখে অনেকক্ষণ আমিরকে দেখল। তার অভিজ্ঞ চোখ বুঝতে পারল, আমির টলবে না। উঠে দাঁড়ায় চলে যেতে, আমির বলল, 'গাড়ি আছে?'

জবাব দিল না সে। এপার্টমেন্ট ছেড়ে নিশ্চুপে বেরিয়ে গেল। হেরে গেছে, অজানা কোনো এক নারীর কাছে দেবীর মতো সুন্দর ওভিয়া হেরে গেছে! সেই নারী কি কখনো এই জয়ের খবর জানবে?

চলবে....

বিঃদ্রঃ গল্প সম্পর্কে রিভিউ+আলোচনা করতে, আপনার প্রয়োজনীয় গল্পের লিংক সহ নিত্যনতুন গল্প পেতে এবং গল্প সম্পর্কিত সকল বিনোদন পেতে আমাদের এই গ্রুপটি তে জয়েন হয়ে থাথেই থাকুন.!🙏
গ্রুপ লিংক: গল্পের ক্যানভাস - (গল্পের লিংক+আলোচনা) 💜🦋

Address

Dhaka
4456

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ummu habiba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ummu habiba:

Share

Category