Labib Ahmed

Labib Ahmed এটা আমাদের নতুন পেজ। দয়া করে সবাই আমাদের সাথে থাকবেন।

alhamdulillah
04/06/2026

alhamdulillah

06/06/2025

যারা একদম শুরু থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাচ্ছেন এমন কে কে আছেন সর্বোচ্চ হেল্প করব ইনশাআল্লাহ♥️
What'sapp:01614134936
Registration Now

05/06/2025

Digital marketing কোর্সে ভর্তি চলছে!
what's app 01614134936
Registration Now

25/03/2025

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই | আশা করছি আপনারা সবাই খুব ভালো আছেন | আমরা অনেকেই আছি যারা ভূতের গল্প (Bangla Real Horror Story) শুনতে খুব ভালোবাসি | তাই আজকে আমি আপনাদের একটি ভূতের গল্প শোনাবো | তবে এটি কিন্তু একটি বাস্তব ঘটনা, যেটা আমার মায়ের সাথে খুব ছোটবেলায় ঘটেছিল | তো চলুন শুরু করি | তখন আমার মা ছিল খুবই ছোট | গ্রামের মেয়ে ছিলেন তিনি | আমার মায়ের তিন ভাই ও পাঁচ বোন আছে | আমার মায়ের পরে তার যে ছোট বোনটি ছিল, সে সবসময় আমার মায়ের সাথেই থাকতো | মা যেখানে যেতেন, তিনিও তার সাথে সেখানে যেত | দিনটি ছিল বর্ষার দিন | চারপাশে পানি থইথই করছে | মায়ের ইচ্ছে হলো সে শাপলা তুলতে যাবে | তাই দুপুরের সময় নৌকা নিয়ে শাপলা তুলতে গেল | তার সাথে তার ছোটবোন গিয়েছে | আমার মা ছিল একটু শুকনো টাইপের কিন্তু তার ছোট বোন ছিল খুব মোটাসোটা স্বাস্থ্যবান | মা খুব ভালো নৌকা চালাতে পারতো | তারা নদীর ওপারে শাপলা তুলতে গেল | দুপুর সময় ছিল তাই আশেপাশে কোন মানুষ ছিল না | আর ঘরবাড়ি ও ছিল খুব দূরে দূরে | মা পানি থেকে শাপলা তুলে নৌকাতে রাখছে আর তার ছোট বোন নৌকার বৈঠা হাতে নিয়ে শাপলা খাচ্ছে | কারণ মা তার ছোটবোনকে শাপলা তুলতে নিষেধ করেছে |হঠাৎ করে তার ছোট বোন বলল আপু দেখো সামনে খুব বড় একটা কচুরিপানার ঝোপ আছে এবং সেখানে অনেক শাপলা দেখা যাচ্ছে | চলো আমরা ওখান থেকে শাপলা তুলতে যাই (Horror Story) | মাও দেখল সত্যিই ওখানে অনেক শাপলা আছে | তাই মা নৌকা নিয়ে সেই বড় কচুরিপানার ঝোপের কাছে গেল এবং নৌকাটিকে কচুরিপানার উপরে উঠিয়ে তারপর শাপলা তুলতে শুরু করল | মা নিচের দিকে তাকিয়ে শাপলা উঠাতে খুব ব্যস্ত | কিন্তু তার ছোটবোন একটি জিনিষ খেয়াল করল, সে দেখতে পেল আমার মায়ের সামনের দিক থেকে খুব বড় একটা ঢেউ আসতেছে | অথচ তখন কোন বাতাস ছিলনা, নদী ছিল খুবই শান্ত | আর তাই ঢেউ ওঠার তো কোন প্রশ্নই আসে না | অথচ যে ঢেউটি তাদের দিকে আসছে সেটা খুব বড় একটা ঢেউ এবং এর উচ্চতা অনেক বেশি | তাই মায়ের ছোট বোন মাকে ডাক দিয়ে বলল “ ও বইন তোর সামনে এটা কি আইতাছে” | তখন মা সামনের দিকে তাকালো আর দেখল খুব বড় একটা ঢেউ আসতেছে | মা চিন্তা করল আশেপাশে তো কোন বাতাস নেই, এই ভর দুপুরে এত বড় ঢেউ কোথা থেকে আসছে | হঠাৎ করে মায়ের কাছে বিষয়টা বেশি সুবিধার মনে হলো না | তাই মা তার ছোট বোনকে কিছু বুঝতে দিলো না | শুধু বলল তুই নৌকার মাঝখানে বসে থাকে, একদম নড়াচড়া করবিনা | চুপচাপ বসে থাকবি | তার বোন সেটাই করলো | সে চুপচাপ নৌকার মাঝখানে বসে আছে আর পেছনের ঢেউয়ের দিকে তাকিয়ে আছে | মা খুব জোরে জোরে নৌকা চালাতে শুরু করলো | মা যত দ্রুত নৌকা চালায়, ঢেউটিও ততো তাড়াতাড়ি আসতে চেষ্টা করে | আর তার ছোট বোন বলতে থাকে “ বোন তাড়াতাড়ি নৌকা চালা দেখ ঢেউটি আমাদের ধরে ফেলতেছে” | মা আর পিছন দিকে তাকায় না সে শুধু সামনের দিকে তাকিয়ে নৌকা চালাতে থাকে এবং আল্লাহকে ডাকতে থাকে | নৌকা চালাতে চালাতে তারা যখন নদীর মাঝখানে চলে আসে ঠিক তখনই ঢেউটি পানির সাথে মিশে যায় | আর দেখা যায় না | তখন মা একটু দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে এবং বৈঠা নৌকায় রেখে একটু বিশ্রাম করে নেন (Bangla Real Horror Story) | এবং মনে মনে চিন্তা করতে থাকেন এটা কি ছিল | মায়ের ধারণা তারা যে কচুরিপানার উপরে নৌকা উঠিয়ে দিয়েছিল সেখানে কিছু ছিল | যে তাদের ওপর খুব বিরক্ত হন এবং তাদেরকে ধাওয়া করেন | কিন্তু যখন নৌকা পার ছেড়ে নদীতে চলে আসে তখন হয়তোবা সে আর নদীর মাঝখানে আসতে পারেনি | তাই চলে গিয়েছে | এরপর মা বাড়ি চলে আসে | এবং ঘটনাটি বাড়ির সবাইকে বলে | সবাই শুনে খুব ভয় পায় এবং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে |

17/02/2025

"আধার যখন ডাকে"

তালা খুলতেই একটা আঁশটে গন্ধ এসে ঝাপটা মারলো সুদীপার নাকে। বৃষ্টির দিনে এই পুরোনো বাড়িতে এরকম গন্ধ ওঠা বিচিত্র কিছু নয়, সুদীপা নিজে অভ্যস্তও এই গন্ধের সাথে; কিন্তু তবুও আজ গাটা কেমন যেন গুলিয়ে উঠলো। কোনোমতে নিজের কাকভেজা শরীরটাকে ঠেলে নিয়ে গেল স্নানঘরে। শাওয়ার চালিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল নিচে, শরীরটা কাঁপছে থরথর করে। শাওয়ারের জল একনাগাড়ে পড়ছে চোখেমুখে, পাহাড়ি এলাকা, এখানে জলের ব্যবহার করতে হয় খুব পরিমিত কিন্তু সুদীপার আজ ভ্রূক্ষেপ নেই সেসবে। আচ্ছা পুলিশ সত্যিই দীপ্তকে খুঁজবে? ওরা তো সব শোনা মাত্রই বলে দিলো যে সে কোনোভাবে খাদে গড়িয়ে পড়ছে! বাড়িতে কি এখনই সব জানাবে সুদীপা নাকি অপেক্ষা করবে সকালের!
কারেন্ট নেই, ভেজা শরীরেই মোমবাতির সন্ধানে এদিক ওদিক হাতড়াতে হাতড়াতে হঠাৎ সুদীপা খেয়াল করলো বাইরের দরজাটা হাট করে খোলা। চমকে উঠলো সে, ঢোকার পর দরজাটা কি তবে লাগায়নি! মনে পড়ছেনা কিছুতেই। পায়ে পায়ে সেদিকে এগিয়ে যেতেই হোঁচট খেলো একটা, এটা কে বসে আছে ঘরে! যদিও অন্ধকার তবুও অবয়বটা স্পষ্ট। আতঙ্কগ্রস্ত গলায় সুদীপা চেঁচিয়ে উঠলো, “কে…? কে ওখানে? কৌশিক?”
“কৌশিক বাবুর প্রত্যাশাতে ছিলে বুঝি?”
“ক্ক...কে?”
“চিনতে তো ঠিকই পেরেছো সু, আমি, তোমার দীপ্ত।”
“দী … দীপ্ত?” অজানা আগন্তুকের আতঙ্কে যতোটা না ভয় পেয়েছিল সুদীপা এবার তার থেকেও অনেকগুণ বেশি ভয় পেলো পরিচিত মানুষটার কণ্ঠস্বরে।
“আমাকে ওখনে রেখে কেন চলে এসেছিলে সু? তুমি জানোনা বৃষ্টিকে আমি কতটা ভয় পাই!”
সুদীপা জানে দীপ্ত কতটা ভয় পায় বৃষ্টিকে, আজ থেকে বছর সাতেক আগে এক ভয়ংকর বৃষ্টির দিনেই তো গাছের ডাল পড়ে লোকটা সারা জীবনের মত পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। দীপ্ত হুইল চেয়ারটা ঠেলে এগিয়ে আসছে ওর দিকে, গলাটা শুকিয়ে যাচ্ছে সুদীপার। দীপ্ত এসে দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরল ওকে; ওর ভেজা শরীরটা শীতল স্পর্শে কেঁপে উঠলো, “তু… তুমি ফিরলে কি করে দীপ্ত?”
“ওরা নিয়ে এলো আমাকে…” কেমন ফ্যাসফ্যাসে শোনালো দীপ্তর গলাটা
“কারা!”
“আশেপাশে ওদের দেখতে পাচ্ছনা?”
“নাহহ… কাদের কথা বলছো তুমি?”
“ওই যে আঁধারের বাসিন্দা যারা, যে আঁধারে আজ তুমি আমাকে ফেলে এসেছিলে।”
“দীপ্ত…!” চিৎকার করে উঠলো সুদীপা।
“তোমায় ছাড়া যে আমার এক মুহূর্তও চলে না সু, আমাকে ফাঁকি দিয়ে কোথায় পালাবে ভেবেছিলে?”
“নাহহ… নাহহ…” দীপ্তর বাহু বেষ্টনী ছাড়িয়ে পালাবার চেষ্টা করলো সুদীপা, কিন্তু পারলো না এক চুলও নড়তে। ও স্পষ্ট অনু

17/02/2025

কেমন আছেন সবাই 🥰🥰🥰

Address

Badda
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Labib Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category