04/02/2026
জামায়াত আমিরকান এজেন্ট নয় তো?
অতীতে উলামায়ে দেওবন্দ মওদুদীকে আমেরিকার এজেন্ট বলে দাবি করলেও তারা অস্বীকার করতো। যদিও পাকিস্তান পার্লামেন্টের দুইবারের সংসদ সদস্য গোলাম গাউস হাযারভী রহি.-এর উপর জামায়াতীরা হামলা করলে রক্তাক্ত হাত নিয়ে তিনি বলেছিলেন—
مودودي! تم مجھے مارنا چاہتے ہو انشاء اللہ تعالی تم مجھ سے پہلے مرو گے اور امریکہ میں مرو گے
মওদুদী, তুমি আমাকে হত্যা করতে চাও, ইনশাআল্লাহ, তুমি আমার আগে মরবে এবং আমেরিকাতেই মরবে। —মওদুদী খোমনি দো ভাই, পৃ. ৪৩
আর বাস্তবেও মওদুদীর মৃত্যু আমেরিকায় এক হসপিটালে হয়েছিলো। —উইকিপিডিয়া
এছাড়াও মার্কিন রাষ্টদূতের সাথে ডা. শফিকের সাক্ষাতের পাশাপাশি গত শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য বিশেষ শুল্ক সুবিধা এবং মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
উপরন্তু জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না বলে গত ১৫ জানুয়ারী বুধবার দলটির আমিরের সাথে দেখা করার পর গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছিলেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের মার্থা দাস।
সম্প্রতিকালে জামায়াতের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের-এর একটি গোপন ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখান থেকে এটাও সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, তারা আমেরিকান এম্বাসির সাথে গভীরভাবে জড়িত এবং আমেরিকার নির্দেশনা মোতাবেক জামায়াত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও ভাবনার বিষয় হলো—‘ক্রুশ’ খ্রিষ্টধর্মের প্রধান প্রতীক। খ্রিস্টানদের বিশ্বাসমতে যিশু খ্রিস্টের ক্রুশারোপণ বা আত্মত্যাগের নিদর্শন হিসাবে ব্যবহার হয়ে থাকে। সম্প্রতি সময়ে এই ক্রুশের আদলে জামায়াত-শিবির তাদের নতুন প্রতীক বানিয়েছে বলেই ধারণা করা যাচ্ছে। (ফটোকার্ডে দেয়া বিষয়টা গভীরভাবে দেখুন) তাছাড়া এই নতুন প্রতীক থেকে তারা আল্লাহর নাম এবং দ্বীন কায়েমের আয়াত اقيموا الدين আয়াতটিও বাদ দিয়েছে। এছাড়াও তাদের সাংগঠনিক সংবিধান বা গঠনতন্ত্রে শরীয়াহর পরিবর্তে গণতন্ত্রের আইনই তাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বলেই তারা লিখেছে—
উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য : ধারা-৩ —বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।—গঠনতন্ত্র, পৃ. ১২
এ সকল বিষয়ে গবেষণা করলে সহজেই অনুমেয় যে, জামায়াত টোটালই আমেরিকান দালাল। দেশ ও মুসলিম জাতির জন্য এক ভয়াবহ ফিতনা। দয়া করে গালী না দিয়ে বিষয়টা ভাববেন বলে আশাবাদী। জাযাকুমুল্লাহ।