কাঠগোলাপ ফুল

কাঠগোলাপ ফুল ''দ্বীনের দাওয়াত বা বার্তা পৌঁছে দেই....�

� Deliver the message of religion �

30/03/2026

আমিন ইয়া রব....🤲

সহমত
29/03/2026

সহমত

28/03/2026

এমন নারীকে বিয়ে করবেন..... 🤍

28/03/2026

হেদায়েত পাওয়া সহজ কিন্তু সেটা ধরে রাখা অনেক কঠিন....

27/03/2026

আল্লাহর কাছে ভিক্ষা করে হলেও.... 🤍

জ্বি সহমত
27/03/2026

জ্বি সহমত

যখন কেউ একজনের অভাব খুব করে অনুভব করছিলাম, তখন তুমি এলে জীবনে। আমার ধূসর জীবনটাকে সবুজ-শ্যামল করে তুললে। তোমার হয়তো কোনো...
22/03/2026

যখন কেউ একজনের অভাব খুব করে অনুভব করছিলাম, তখন তুমি এলে জীবনে। আমার ধূসর জীবনটাকে সবুজ-শ্যামল করে তুললে। তোমার হয়তো কোনো রাজ্য ছিল না, আর না ছিলে তুমি কোনো রাজার ছেলে, তবুও আমার কাছে সবসময় তোমাকে রাজপুত্রই মনে হয়েছে। আমি আমার কল্পনার রং-তুলিতে যেমন মানুষকে লাইফ পার্টনার হিসেবে আঁকতাম, তার একটুও ব্যতিক্রম ছিলে না তুমি।

তুমি হয়তো খেয়াল করেছ, এখন আমি কিছুদিন পরপরই কথা বলা অফ রাখি। বললেও খুবই অল্প বলি। আমি অনেক দিন ধরে দ্বিধাদ্বন্দে ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না, আমার কী করা উচিত। কিন্তু এখন সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।

আমি যখন রিলেশনে জড়াই, তখন আমার দ্বীনের সামান্যও বুঝ ছিল না।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কিছুদিন আগে আমাকে হেদায়েত দিলেন। সেসময় জানতে পারলাম, বিয়ের আগে নারী-পুরুষের যেকোনো সম্পর্ক হারাম। আকাশ থেকে পড়লাম। আমি এতোদিন রবের নাফরমানী করে চলছিলাম! কিন্তু তুমি কষ্ট পাবে ভেবে, কথাও পুরোপুরি অফ করতে পারছিলাম না।

আমি চাই না, আমরা একে-অপরের জাহান্নামের কারণ হই। আমি তোমার জন্য রাহমাহ হতে পারি নি, ফিতনাহ হয়েই থেকে গেছি। আমার জন্য তোমার ক্যারিয়ার নষ্ট হচ্ছে। তুমি পড়াশোনায় ফোকাস করতে পারছ না। আগে যা-ও ধর্মকর্ম করতে, এখন তাও বাদ দিয়েছ। আমি কখনোই চাই নি, আমার জন্য তোমার ক্ষতি হোক।

তোমার হয়তোবা মনে হতে পারে, আমি বেটার কাউকে পেয়ে বা পাবার আশায় তোমাকে ছেড়ে দিচ্ছি। আল্লাহর কসম! আমি জাস্ট হারাম বলেই ছেড়ে দিচ্ছি। আমি জানি যে, লোকে আমাকে 'অতীতা' বলবে। পাত্ররা আমাকে বিয়ে করতে চাইবে না। আমার জন্য বিয়েটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। তাও আমি ছেড়ে দিচ্ছি, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। হয়তো রব আমাদের এই বিচ্ছেদে খুশী হয়ে আমাদের আরশের ছায়া দেবেন। আমাদের অতীতের গোনাহ মাফ করে দেবেন।

তোমাকে আমি মিছেমিছি বিয়ের আশায় রাখব না। তুমি যদি মুভ অন করে পারিবারিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দাও, তবে উভয় পরিবার রাজি থাকলে আমি ইস্তেখারার নামাজ পড়ে তোমাকে বিয়ে করা যায় কি না, সিদ্ধান্ত নেব।

আমার জন্য তুমি নিজের কোনো ক্ষতি করো না। কিংবা আমার কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করো না। যদিও আমার তোমার প্রতি এটুকু আস্থা আছে, তুমি অন্তত আমার কোনো ক্ষতি করবে না। তুমি তওবা করে মুভ অন করে ফেলো। পারলে তাবলীগে সময় দাও। নিজেকে আবারও আল্লাহর নিকটে নিয়ে যাও। ক্যারিয়ারে ফোকাস করো।

তোমাকে আমি কাপুরুষ হিসেবে কখনো দেখতে চাই নি। এখনও চাই না। তাই দয়াকরে কান্নাকাটি, পাগলামি করো না। তুমি আমাকে ফেরানোর বৃথা চেষ্টা করো না। আমি ফেরার জন্য ছেড়ে দিচ্ছি না। ফিরতে হলে হালাল হয়েই ফিরব। যদি হারামে ফেরানোর চেষ্টা করো, তবে তুমি আমার কাছে আত্মমর্যাদাহীন বলে গণ্য হবে। আর আত্মমর্যাদাহীন কাউকে আমি বিয়ে কখনোই করব না।

লেখায়: Wafi Khalil

রাইট
21/03/2026

রাইট

তোমার সেই নরমসরম গালে এখনও কি টোল পড়ে? সেই টোল পড়া মায়াবী হাসিটা দেখে তোমার বান্ধবীরা মুগ্ধ হয়ে বলে কি, কী অপূর্ব মিষ...
19/03/2026

তোমার সেই নরমসরম গালে এখনও কি টোল পড়ে? সেই টোল পড়া মায়াবী হাসিটা দেখে তোমার বান্ধবীরা মুগ্ধ হয়ে বলে কি, কী অপূর্ব মিষ্টি হাসি তোমার!
তুমি যখন হাসি দাও, মনে হয় জোছনাভেজা পূর্ণিমার চাঁদটাও লজ্জায় মুখ লুকোয়। আর সেদিন জোছনাভরা চাঁদটাও মলিন হয়ে যায়। তোমার মিষ্টি হাসিতে আমার অবুঝচিত্ত বেকারার হয়ে যেত পুরোদস্তুর।

তোমার তুতলানি কণ্ঠস্বর এখন কে শোনে? কে এত যত্ন নিয়ে বুঝে তোমার ভাঙা ভাঙা শব্দ? বলো তো, কার আছে এত সাধ্য? তোমার সরু নাসিকার ডগায় এখনও কি বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে? রাগে-অভিমানে এখনও কি তিরতির করে কেঁপে ওঠো, লাল হয়ে যায় কি তোমার মুখশ্রী?

দ্বিপ্রহরের ঝলমলে রোদে, যেখানটায় দীপ্তি চিকচিক করে চোখে লাগে, সেই দৃশ্য কি এখনও আগের মতোই মোহনীয় হয়ে উঠে? প্রিয়, ও প্রিয়! তোমার কাঁধ বেয়ে নেমে আসা কৃষ্ণচূড়ার মতো ঘনকালো চুলগুলোতে কি এখনও 'মায়াতেল' মাখো? মেখে কি খোলা চুলে আবদ্ধ রুমে নিজের সৌন্দর্য দেখে নিজে নিজেই মিষ্টি হাসো?

আচ্ছা, যে ফুলটি একদিন ভালোবেসে তোমার খোঁপায় গুঁজে দিয়েছিলাম, সেই ফুলটি কি এখনও যত্নে লুকিয়ে রেখেছো নাকি সময়ের নির্দয় স্রোতে হারিয়ে গিয়ে কোনো নির্জন ডাস্টবিনে ফেলে রেখেছো?

তোমার সেই ডায়মন্ডের মতো ঝকঝকে সরু দাঁতগুলো এখনও কি ভাসমান নক্ষত্রের মতো দীপ্তি ছড়ায়—যার উজ্জ্বলতা আমি কোটি মাইল দূরত্ব থেকেও পর্যবেক্ষণ করতে পারতাম অবলীলায়...

মনে আছে কি, আমি প্রায় সময় তোমাকে রাগান্বিত
করতে গিয়ে বলতাম—
তুমিও সুন্দর। তবে তোমার চেয়ে চাঁদটা বেশিই সুন্দর।
তুমি সঙ্গে সঙ্গে অভিমান করে পুকুরপাড়ে গিয়ে বসে পড়তে, পা দুটো পানিতে ডুবিয়ে দিতে। আমি ধীরে ধীরে এসে, আলতো স্পর্শে তোমার চোখ দুটো চেপে ধরে জিজ্ঞেস করতাম—“বলো তো, কে?” তুমি মৃদু হেসে, অভিমান ভাঙা চোখে বলতে— “আমায় জ্বালাতে বুঝি আপনার খুব বেশি ভালো লাগে, হুঁ?”

আচ্ছা, বলো তো, এখনও কি বাতাস এলে তুমি হঠাৎ খোঁপা খুলে দিয়ে জানালার পাশে দাঁড়াও, যেন ঘরে আবদ্ধ বাতাসগুলো তোমার চুলের সুবাসে বেঁচে থাকতে পারে? আর আমি, আমি কি এখনও সেই চুলের
মিষ্টি ঘ্রাণ থেকে কিছুটা অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকারটুকু রাখি, হুঁ?

তুমি কি এখনও সেই আগের মতো 'লাভ মার্কা' প্রলম্বিত দুলটা পরো কর্ণে? যার সৌন্দর্যে আমি খুশী
হয়ে বলতাম, এইটা পরলে তোমায় পরী পরী লাগে!
সেই সোনালি রঙের ছোটো দুলটা তোমার অবর্ণনীয় সৌন্দর্যকে আরও দিগুণ রাঙিয়ে তুলে। প্রিয়, ও প্রিয়!

আচ্ছা, হঠাৎ কি তুমি মাঝরাতে এখনও চমকে উঠো,
আমি নাই বলে পাশে, শূন্যতার গুমরে ওঠো কি গভীর নিঃশ্বাসে? জানালার পাশে ঠিক আগের মতো কি উড়ে তোমার খোলা চুল স্নিগ্ধ বাতাসে? প্রিয়, ও প্রিয়! তুমি কি এখনও ঠিক আগের মতো মুখ টিপে হাসতে জানো?

তুমি কি এখনও গোলাপী রঙের লিপিস্টিক মাখো তোমার পাপড়িছোঁয়া সেই ওষ্ঠাধরে? তবে এই গোলাপী ওষ্ঠাধর এখন একদৃষ্টে কে দেখে? কে সেই সৌভাগ্যবান, যে আজ তোমার মায়াময় হাসির আবেশে হারিয়ে যায়? প্রিয়, ও প্রিয়… তুমি কি এখনও আগের মতোই আছো নাকি সময় তোমাকে আরও বেশি সুন্দর করে তুলেছে, মায়াবী করে তুলেছে শুধু আমি নাই বলে তোমার পাশে?

১৯ই মার্চ ২০২৬ইং
ইদ্রিস আল মাহমুদ

রোজা রমজান মাসে এসব থেকে দূরে থাকতে চাই,কিন্তু এসব চরম ডেসপিকেবল শাহবাগী ধূর্ত শেয়ালদের কারণে দূরে থাকার উপায় কি বলেন?এই...
18/03/2026

রোজা রমজান মাসে এসব থেকে দূরে থাকতে চাই,কিন্তু এসব চরম ডেসপিকেবল শাহবাগী ধূর্ত শেয়ালদের কারণে দূরে থাকার উপায় কি বলেন?
এই শাহবাগী মহিলাটি বাঙ্গু বলতে যে শ্রেনীর মানুষকে মিন করতেসে,সেই শ্রেনীর মানুষের আমিও পড়ি এতে কোনো সন্দেহ নাই।এই শ্রেনীর বৈশিষ্ট্য হলো এরা-
দাড়িটিপিওয়ালা,দ্বীন মেনে চলার চেষ্টা করা,কুরআন ও সুন্নাহর একনিষ্ঠ অনুসরণ করতে চাওয়া পুরুষসমাজ।

কিন্তু একজন বাঙ্গু হয়ে বলছি,আমার প্রত্যাশিত ওয়াইফ ম্যাটেরিয়াল এই ডেসপিকেবল মহিলার বর্ণিত বৈশিষ্ট্যের কেউ না।বরং
আমি বাঙ্গুর ওয়াইফ ম্যাটেরিয়াল হইলো-

১.দুনিয়াবী শিক্ষার সার্টিফিকেট গোল্লায় যাক।সে আমার ঘরেএসে প্লে থেকে শুরু করবে।দুনিয়াবি শিক্ষা না,দ্বীনি শিক্ষা।অন্যরা উচ্চশিক্ষার বিরুদ্ধে হইলেও আমি আমার বউয়ের উচ্চশিক্ষার পক্ষে।সেই উচ্চশিক্ষা 'দ্বীনি' লাইনের উচ্চ শিক্ষা।সে ঘরে আনন্দে ঘুরে বেড়াবে আর অনলাইনে ইলম অর্জন করবে।দরকার হলে ঘরে উস্তাযা আসবে তাকে পড়াতে।প্রচলিত ডিগ্রীফ্রিকপড়াশোনা আই ডোন্ট।আমি চাই শুশিক্ষিত বউ।আর শুশিক্ষিত বউ মাত্রই স্বশিক্ষিত।বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দায় গেলে ঐটা হওয়া যায় না ঐটা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়া ঘরে বসে বইয়ে বুদ হয়ে থাকলে।
সে সুশিক্ষিত হবে এটা আমার চয়েস,সে হাউজওয়াইফ হবে এটা আল্লাহ তায়ালার নির্ধারণ করে দেয়া।অবশ্যই পালনীয়।(শরঈ এক্সেপশন এপার্ট)

২.স্বামীর কথায় উঠবস করবে না।স্বামীর হক আদায় করবে,আমি তার কথায় উঠবস করবো।
বউ যদি স্বামী সংসারের হক আদায়ে পূর্ণ সতর্ক থাকে,স্বামীরা তখন পুকি হয়ে যায়।আর পুকি বাঙ্গু স্বামীরা বউয়ের কথায় উঠে বসে।শাহবাগীদের স্বামীদের কপালে এগ্লা জোটে না।

৩.এগুলো সবই করবে।এগুলো নারীজাতির ফিতরাতগত বৈশিষ্ট্য তো নারীরা করবে না আধা ব্যাডা শাহবাগী শেয়ালরস করবে নাকি?
তার শরীরের কোনো দূর্গন্ত হয় না,পুরাটাই সুঘ্রানন।বাঙ্গু হুজুরদের ওয়াইফদের তাই আতর সেন্ট মারতে হয় না।ওটা শাহডগীরা মেরে বাইরে যায়।

৪.সেল্ফ রেসপেক্টট থাকবে,সেটা খুশসুটি।স্বামী মারবে কেন?
বাঙ্গু স্বামীরা স্ত্রীরে মারে না।মারে চন্দনপাড়ার ব্যাংকার স্বামী চদুমিয়া।
কারণ তার বউ কথায় কথায় খোটা দেয়,গালি দেয়।

৫.বাঙ্গুদের বউরা ভালোবাসা দিয়া স্বামীদের মব যোগায় রাখে আবার প্যারা দিয়া বউ পালার শখ জন্মের মতো উধাউ কইরা দেয়।তাই অতি ভালোবাসা আর জালায় দ্বিতীয় বিয়ার চিন্তা বাঙ্গুরা করে না।এগুলার কিছু না পায়া শাহবাগী নেত্রী মিস সুহানার স্বামী জেমস মেয়ে কলিগের সাথে বারে যায়।রাইতে আইসা ঝগড়া করে।

৬. বছরের পর বছর বাচ্চা নিবে।তাও সব নর্মালে চেষ্টা থাকবে।তবুও বউয়ের প্রতি একটুও ভালোবাসা কমবে না।প্রথমারেই বউরে অপ্রয়োজনে সিজারে পাঠায় জেমস খান।একটা পোলায় পড়ে বাপ মার সম্পর্কের টানাপোড়েনে পড়ে।হয়া যায় মিসকিন।
ঐদিকে ৬ বাচ্চার বাঙ্গু দম্পতি সুখেশান্তিতে পোলাপান বড় করে।

৭.বাঙ্গুদের সংসার বাঙ্গুরা চালায়,বউরা না।১০ হাজার টাকায় বাঙ্গু সংসার চালায় বউয়ের আবদারও পূরণ করে।লাখ টেকা কামায়া বারে খরচ করা শাহবাগীর জামাই এসব পারে না।

৮.ঈদ বাজেটেও বাঙ্গুরা বউরে শপিং কইরা দেয়।এতে রহমত থাকে।বউ যানে এ মাসে বাঙ্গু স্বামীর পকেটের কি অবস্থা।তার চাহিদার ওরকম থাকে।শাহবাগীর জামাইয়ের মতো ১.৫ লাখ টাকসর ২০ হাজাী বউয়ের জন্য বাকিটা কলিগ মিস লিজার জন্য হয় না।
জামাইর টাকে টাকা ভাইঙা খাওয়া শাহবাগীরা এসব বুঝবে না।

আপনি এসব শাহবাগীদের কান্না দেখবেম শুধু।নিজের সংসার ঠিক নাই,পরে থাকে বাঙ্গুদের সংসার নিয়ে।নিজের লেজ কাটা গেছে এজন্য অন্যদেরকে কটাক্ষ করে যাতে তারাও কেটে ফেলে।

বয়ফ্রেন্ডরে টেডি বিয়ারের বদলে ইজ্জত আব্রু দিয়ে টাকলা জামাইয়ের পয়সা উড়ানো এসব মহিলার অবস্থা লোজকাটা শেয়ালের মতোই।
এদের যেখানেই দেখবেন 'উহু! শাহাবাগী য়োমেন' বলবেন আর থুথু মাইরা আগায়া যাবেন।

লেখা সংগৃহীত

16/03/2026

রোজা রাখার পর আমাদের দেহ চায় পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিক খাবার৷ অথচ আমরা ইচ্ছা মতো ভাজাপোড়া খাই। এটা কতটা ক্ষতিকর অন্তত
বাঙালি বুঝেনা
©

Address

Panthapath
Dhaka
5430

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাঠগোলাপ ফুল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share