21/01/2026
দেশী মুরগীর বাচ্চা সুস্থ রাখতে শুরু থেকেই কিছু নিয়ম মেনে চললে মৃত্যুহার কমে যায়
এবং দ্রুত ভালোভাবে বড় হয়।
প্রথমেই ব্রুডিং ঠিক করতে হবে। ১–৭ দিন বয়সী বাচ্চার জন্য তাপমাত্রা প্রায় ৩২–৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাখতে হবে। ঠান্ডা লাগলে বাচ্চা এক জায়গায় জড়ো হবে, গরম লাগলে ছড়িয়ে পড়বে—এটা দেখেই তাপ ঠিক করবেন। বাতাস চলাচল থাকবে, কিন্তু ঠান্ডা বাতাস সরাসরি যেন না লাগে।
খাবার ও পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দিন থেকেই পরিষ্কার পানিতে গ্লুকোজ বা চিনি অল্প মিশিয়ে দিতে পারেন। ১–২১ দিন ভালো মানের স্টার্টার ফিড দিন। ফিড বা পানির পাত্র যেন সবসময় পরিষ্কার থাকে, নোংরা হলে দ্রুত রোগ ছড়ায়।
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা খুব জরুরি। লিটার (তুষ/খড়) শুকনো রাখতে হবে, ভিজে গেলে সাথে সাথে বদলাতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একবার জায়গা পরিষ্কার করুন। ভেজা পরিবেশে কক্সিডিওসিসসহ অনেক রোগ হয়।
টিকা ও ওষুধ নিয়ম মেনে দিতে হবে। সাধারণভাবে ৫–৭ দিনে রানীক্ষেত (ND) টিকা, ১৪–১৬ দিনে গামবোরো টিকা দেওয়া ভালো। ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ও মিনারেল দিলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
ভিড় এড়িয়ে চলুন। জায়গা কম হলে বাচ্চা দুর্বল হয় ও দ্রুত অসুস্থ হয়। প্রতি বর্গফুটে বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি রাখা ঠিক না।
অসুস্থ বাচ্চা দেখলেই আলাদা করুন। ঝিমুনি, পাতলা পায়খানা, খাওয়া কমে গেলে দেরি না করে ব্যবস্থা নিন। প্রয়োজনে ভেটের পরামর্শ নিন।
এই নিয়মগুলো ঠিকভাবে মানলে দেশী মুরগীর বাচ্চা সাধারণত খুব ভালোভাবে সুস্থ থাকে এবং বড় হয়ে লাভজনক হয়।
#খামার #দেশিমুরগি #মুরগিপালন #পরিশুদ্ধ #হ্যাচারী