09/05/2026
সবাই অন্যদের দেখে তাদের নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে...
কেউ কেউ বলেছিল, এটাও একটা সমিতি!
কেউ আবার তাদের গন্ডির ধারণা থেকে প্রশ্ন তুলেছিল... এ আবার কেমন ফাউন্ডেশন? ফাউন্ডেশন মানে তো ভিত্তি... বিল্ডিং করার আগে করতে হয়।
অনেকেই আবার তাদের এনজিও ব্যবসার মতো করে ভেবেছিল... এটাও মনে হয় আর একটা নতুন ধান্দা!
আসলে কাউকে দোষ দিয়ে তো লাভ নাই।
সেবার নামে, সুবিধা দেওয়ার নামে, গ্রামের সহজ সরল মানুষের অসহায়ত্ব দেখিয়ে এদেশে বাইরে থেকে ফান্ড এনে ২ আনা বিলিয়ে, ১৪ আনা পকেটে রাখে, ব্যবসা করে, নিজেদের গাড়ি-বাড়ি বানায়, এটা সাধারণ মানুষ হরহামেশাই তো দেখে।
সাহায্যের নামে ক্ষুদ্রঋণ, আর এনজিও/ফাউন্ডেশনের নামে সুদের ব্যবসা, ডোনেশনের নামে বিদেশ থেকে টাকা এনে বাটপারি তো এদেশের মানুষ কম দেখিনি। সেটা ব্যবসা, ধান্দা... যারা করছে, করুক না, আমাদের আপত্তি বা অনুযোগ তো নাই।
কিন্তু সত্যিকারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন / ফাউন্ডেশন কি তা তো আমরা অনেকেই জানি না, তাই আমাদের মাঝে এত বিভ্রান্তি।
আমরা একটা সত্যিকারের স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের নাম নিতে পারি যারা আমাদের অনুপ্রেরণা, সেটা হলো বিদ্যানন্দ - Bidyanondo ফাউন্ডেশন।
যারা ব্যবসা করে না, শুধুমাত্র সেবা করে।
আমরা যারা গ্রামের মানুষ, এত কিছু বুঝতে চাই না বা বুঝতে পারি না, তাদের বোঝার একটা ভালো উপায় হলো...
দেখবেন,
যে সংগঠন গুলোতে প্রথম থেকেই চিহ্নিত সুবিধা ভোগীরা যায় না। গেলেও প্রথমে গিয়ে দেখে, কোন ধান্ধা আছে কিনা? যঅখন বোঝে নাই, সাথে সাথে সেখান থেকে সরে আসে, এবং ধারের কাছেও ঘেষে না! আর যারা নিজের স্বার্থছাড়া চিন্তাই করতে পারে না, এরাও এসব থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকে।
তখন বুঝবেন সেই সংগঠন আসলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সেখানে ব্যবসা বা ধান্দা নাই। তাদের আছে একটা মহৎ উদ্দেশ্য।
হয়তো তাদের কাজে ভুল হবে, নিজেদের ভিতর দ্বিমত থাকবে, সব কিছুই দ্রুত হবে না, প্রভাবশালী স্বার্থান্বেষীদের বাধার মুখে পড়বে... কিন্তু তারা হাল ছাড়বে না, কেউ যাবে কেউ আসবে, কেউ সামনে, কেউ পিছনে, কেউ থাকবে না, কেউ থাকবে... কিন্তু যেভাবেই হোক সংগঠনটা চলবে।
বুঝবেন, এটাই আসল জায়গা, যেখানে আপনি সত্যিকারেই সহায়তা পাবেন। কে করছে, জানেন আর না-ই জানেন। কিন্তু পাবেন।
আপনার সন্তানকে পড়াশোনা করতে সাহায্য করুন, গড়িয়াদহ জ্ঞানমন্দির লাইব্রেরি আপনাদের পাশেই আছে। 🙏