Chittagong Fatikchhari

Chittagong Fatikchhari Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chittagong Fatikchhari, Fatikchari.

Getting More info:
m.me/
Hotline:sarowaralipabel
01819973044

Email:
[email protected]

……………………………
Our Privacy Policy:

We want to hear your opinions, but we ask that everyone on this page respect other users and the posting guidelines of Facebook and this page.. We’ll remove any posts that we determine to be:

• Abusive, defamatory or unnecessarily obscene
• Threatening in any way or with content that intimidates, harasses or bullies anyone
• Fraudulent, deceptive or misleading
• In violation of any intellectual property right of another person or company
• In violation of any law
• Intentionally flaming, trolling, or spamming
• Does not relate, in whole or in part, to products or services offered by this page.

চট্টগ্রামের ঘরেঘরে সেদিন কান্নার রোল পড়েছিলো,যেদিন খবর এলো মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেই! চট্টগ্রামের ইতিহাসে এযাবৎকালের তুমুল...
09/08/2026

চট্টগ্রামের ঘরেঘরে সেদিন কান্নার রোল পড়েছিলো,যেদিন খবর এলো মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেই! চট্টগ্রামের ইতিহাসে এযাবৎকালের তুমুল জনপ্রিয় মেয়র, একইসাথে স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী। পুরো নাম আবুল বাশার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি এমন একজন যাকে নির্দিষ্ট কোনো দলের ট্যাগ দিয়ে আপনি তার গ্রহণযোগ্যতা দমাতে পারবেন না!

ছোট্টো একটা ঘটনা বললে আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে সাধারণের জন্য তাঁর দরদ কতোখানি গভীর ছিলো! ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো নির্বাচিত মেয়র হন। তিনি যখন চট্টগ্রাম শহরের মেয়র তখন ভূমিকম্পে শহরের একটি দালানের নিচে ৬-৭ জন চ্যাপ্টা হয়ে মারা যায়। তখন ডোমরা পর্যন্ত দুর্গন্ধের কারণে এগুলোর কাছে যেতে চাইছিল না। মহিউদ্দিন চৌধুরী অবলীলায় সেই লা/শগুলো তুলে আনেন ও তাদের দা/ফনের ব্যবস্থা করেন। আ/ন্দো/লন সংগ্রামেও মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তিনি লড়াই করেছেন। এজন্য মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন!

শুধুমাত্র মুখের বুলি নয়, একজন জনসেবকের পরিচয় হয় কাজে। মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন এমনি একজন। তিনি আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা ছিলেন ঠিকই, তবে রাজত্ব করেছেন চট্টগ্রামসহ পুরোদেশের মানুষের মনে। সাধারণ মানুষের জন্য করা কোনো কাজ যদি তার দলেরও বিপক্ষে যায়, তবুও তিনি পরোয়া করেননি। আপোস করেন নি নিজের আদর্শের সাথে!

এ বি এম মহিউদ্দীন চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর। চট্টগ্রামের রাউজানে। সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে। তাঁর বাবা হুসাইন আহমদ চৌধুরী খান ছিলেন একজন রেল কর্মকর্তা। মায়ের নাম ছিলো বেদুরা বেগম। মহিউদ্দিন চৌধুরী তাঁর আট ভাইবোনের মধ্যে মেঝো ছিলেন!

এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ১৯৬২ সালে এসএসসি, ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি কলেজ হতে এইচএসসি এবং ১৯৬৭ সালে ডিগ্রি পাস করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোওর ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে আইন কলেজে ভর্তি হলেও ছাত্র আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ায় লেখাপড়া শেষ করতে পারেননি। ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১-এ গঠন করেন ‘জয় বাংলা’ বাহিনী। সেই সময় গ্রেফতার হন পাকিস্তানি সে/নাদের হাতে। পরে পাগলের অভিনয় করে কা/রাগার থেকে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যান ভারতে। সেখানে উত্তর প্রদেশের তান্ডুয়া সামরিক ক্যাম্পে প্রশিক্ষণরত মুক্তিযো/দ্ধাদের একটি স্কোয়াডের কমান্ডার নিযুক্ত হন মহিউদ্দিন। এরপর শ্রমিক রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। তারপর চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নি/হত হলে প্রতিশোধ নিতে মৌলভী সৈয়দের নেতৃত্বে ‘মুজিব বাহিনী’ গঠন করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। ওই সময় ‘চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্র মামলা’র আসামি করা হলে তিনি পালিয়ে কলকাতায় চলে যান। ১৯৭৮ সালে দেশে ফেরেন বলে আত্মজীবনীমূলক বইয়ে উল্লেখ রয়েছে!

এ বি এম মহিউদ্দীন চৌধুরীর প্রথম স্ত্রী ছিলেন শাহেদা আক্তার। যাকে তিনি ১৯৮২ সালে বিয়ে করেন। কিন্তু ১৯ অক্টোবর ১৯৮৬ সালে বো**মা দু/র্ঘটনায় নিজ বাড়িতে শাহেদা মা/রা যান। মহিউদ্দীন - শাহেদা দম্পতীর একমাত্র ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তারপর ১৯৮৭ সালে মহিউদ্দিন চৌধুরীর সাথে বিয়ে হয় হাসিনা মহিউদ্দিনের। মহিউদ্দীন - হাসিনা দম্পতীর একমাত্র ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী।

১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো এ বি এম মহিউদ্দীন চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৫ সালের মেয়র নির্বাচনে তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন মন্ত্রীকে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মতো চট্টগ্রামের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। এককথায় বলতে গেলে ১৯৯৪ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত একটানা ১৬ বছর চট্টগ্রামের মেয়র ছিলেন তিনি!

এ বি এম মহিউদ্দীন চৌধুরী ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মা/রা যান। কিন্তু কথায় আছে, -কীর্তিমানের মৃ/ত্যু নেই! চট্টগ্রামের আপামর জনতার নয়নমনি হয়ে উঠা এই কিংবদন্তি নেতার নাম আজও চট্টগ্রাম শহরের মানুষের মুখেমুখে ফেরে! সত্যি বলতে তার মতো সাধারণ মানুষের কথা ভাবা মেয়র দ্বিতীয় আর কেউ হতে পারে নি!

09/08/2026

নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় পেরিয়ে হাটহাজারী পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী

09/08/2026

ফটিকছড়িতে আসলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,লাখো মানুষের উপস্থিতিতে রাজপথ উত্তাল

04/08/2026

ফটিকছড়ি হাটহাজারী,রাউজান রাঙ্গুনিয়া
গ্যাসের অজুহাত দেখিয়ে CNG ভাড়া ১০ টাকার ভাড়া ২০ টাকা নেওয়া হচ্ছে? ।

24/07/2026

ঐতিহাসিক জুনির বাপের মসজিদ

24/07/2026

ঐতিহ্যবাহী জাহানপুর হযরত শাহ্সূফী জিন্দাপীর মুফ্তি গরীবউল্লাহ শাহ্ (রহঃ) শাহী জামে মসজিদও
হযরত শাহ্সূফী মুফ্তি গরীবুল্লাহ শাহ্ (রহঃ) এর পবিত্র মাজার শরীফ, এটা হচ্ছে ফঠিকছড়ি, জাফতনগর,জাহানপুর গ্রামে অবস্থিত মাজার সংলগ্ন মসজিদ,

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ঢাকা স্কয়ার হাসপাতাল...
13/05/2026

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,
সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন
ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন...

মানবিকতার প্রশ্নে ফটিকছড়ির ঘটনা: আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনা শুধু একটি অপরাধ ন...
01/05/2026

মানবিকতার প্রশ্নে ফটিকছড়ির ঘটনা: আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনা শুধু একটি অপরাধ নয়-এটি আমাদের সমাজের মানবিক মূল্যবোধের গভীর সংকটের একটি কঠিন প্রতিচ্ছবি। একজন স্বামী, একজন বাবা-যিনি জীবনের প্রায় ৩০ বছর প্রবাসে কাটিয়েছেন শুধুমাত্র নিজের পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য-সেই মানুষটিকেই যখন তার স্ত্রী ও সন্তানদের হাতে হত্যাচেষ্টার শিকার হতে হয়, তখন প্রশ্ন জাগে: আমাদের মানবিকতা আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে?

পরিবার হলো মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কিন্তু যখন সেই আশ্রয়স্থলই হয়ে ওঠে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, তখন তা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা, দায়িত্ববোধ—এসব মূল্যবোধ কি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে? নাকি আমরা স্বার্থের কাছে সবকিছু বিসর্জন দিচ্ছি?

এই ঘটনা আমাদের সামনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরে

প্রথমত, প্রবাসীদের জন্য এটি একটি কঠিন সতর্কবার্তা। জীবনের সব কিছু একপাক্ষিকভাবে অন্যের নামে করে দেওয়া, নিজের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা-এগুলো বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আবেগের পাশাপাশি বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে-বিশেষ করে পুরুষদের। পরিবারকে ভালোবাসা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু নিজের অধিকার, সম্পদ এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকাও সমান জরুরি। অন্ধ বিশ্বাস কখনো কখনো ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

তৃতীয়ত, সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা ও মানবিকতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। অর্থ-সম্পদ কখনোই সম্পর্কের ঊর্ধ্বে হতে পারে না-এই মূল্যবোধ পরিবার থেকেই শেখাতে হবে।

আজকের এই ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে-মানবিকতা যখন ক্ষয়ে যায়, তখন সম্পর্কগুলো আর সম্পর্ক থাকে না, হয়ে ওঠে স্বার্থের হিসাব-নিকাশ।

সমাজের প্রতিটি স্তরে এখন প্রয়োজন সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ।

আমাদের মনে রাখতে হবে-
সম্পদ নয়, সম্পর্কই মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

📢 জেনে রাখুন ⬇️জুনির বাপের মসজিদ আনুমানিক দেড়শ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটিতে প্রতিদিন মানত নিয়ে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ আসেন...
13/03/2026

📢 জেনে রাখুন ⬇️
জুনির বাপের মসজিদ আনুমানিক দেড়শ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটিতে প্রতিদিন মানত নিয়ে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ আসেন।
ফটিকছড়ি উপজেলার প্রাচীন নিদর্শনের অন্যতম জাফতনগর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী জুনির বাপের মসজিদ।
এই মসজিদ প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস কেউ দিতে না পারলেও স্থানীয় প্রবীণদের মতে আনুমানিক দেড়শ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত। সে সময়ের স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান ছিলেন উপজেলার মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিক সাধক গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারীর একনিষ্ঠ ভক্ত। সে সুবাদে সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী ওই এলাকায় বেশি যাওয়া আসা করতেন।
জনশ্রুতি মতে, বর্তমান মসজিদ স্থানটি সে সময়ে ঝোপজঙ্গলে ভরপুর ছিল। একদিন হযরত আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী উনার ভক্ত আব্দুর রহমানসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেকে বললেন, 'তোমরা এই ঝোপজঙ্গল পরিষ্কার করে বাঁশ বেড়ার সাহায্যে এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করো। আমি পরবর্তী সপ্তাহে এসে উক্ত মসজিদে জুমা পড়াবো।' কথা মতো হযরত আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী বাঁশ ও বেড়ার তৈরি নবনির্মিত মসজিদে জুমা পড়ালেন। তিনি দোয়া করলেন এবং সবাইকে জানিয়ে গেলেন এই মসজিদ একদিন জোনাকির মতো আলো ছড়াবে। সে থেকে নাম হলো জুনির বাপের মসজিদ।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই মসজিদের সুনাম, খ্যাতি মানুষের মাধ্যমে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ নানান কামনা বাসনা নিয়ে মসজিদে আসতে শুরু করেন। এই মসজিদে খাস নিয়তে দান করলে মনের কামনা-বাসনা পূর্ণ হয়। আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১০০ ফুট, পূর্ব-পশ্চিমে ৭০ ফুট জায়গার উপর এক গম্বুজ আর তিন তলা বিশিষ্ট মসজিদটির বর্তমান মূল ভবনের অবস্থান। মসজিদে প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি একসাথে জামাত আদায় করতে পারেন। রয়েছে মহিলাদের জন্য আলাদা ইবাদতখানা। মসজিদের সাথে লাগোয়া পুকুরটি হতে নারী-পুরুষ খুব সহজে ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করতে পারেন। সেই সাথে মিনারটি মসজিদের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়েছে।
দূরদূরান্ত হতে বিভিন্ন ধর্মের নারী-পুরুষ নানান কামনা-বাসনা নিয়ে মানত করে, হাদিয়াসহ মসজিদে ছুটে আসেন। সপ্তাহের জুমাবার আর মুসলিমদের বিশেষ ধর্মীয় দিনে অতিরিক্ত মানুষের ভিড় হয় এই মসজিদে।

Address

Fatikchari

Telephone

+8801819973044

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong Fatikchhari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chittagong Fatikchhari:

Shortcuts

Share