Nizam Uddin Hazari Mp

Nizam Uddin Hazari Mp Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nizam Uddin Hazari Mp, Real Estate, Feni.

"আজ ৫ আগস্ট, এই দিনে জানা অজানা আমার শত শত নেতাকর্মী'কে হত্যা করেছে, শত শত বাড়িঘর লুটপাট করে, পুড়িয়ে দিয়েছে, বাদ যায...
05/08/2025

"আজ ৫ আগস্ট, এই দিনে জানা অজানা আমার শত শত নেতাকর্মী'কে হত্যা করেছে, শত শত বাড়িঘর লুটপাট করে, পুড়িয়ে দিয়েছে, বাদ যায়নি আমার ঘর ও লুটপাট করে পুড়িয়ে দিয়েছে,আমার শত নেতাকর্মীর উপরে নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে, এখনো চালাচ্ছে,ফেনীতে বিএনপি/জামাতের/ছাত্র নামধারী কিছু সন্ত্রাসী, এদের বিচার ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মাটিতে হবে।

বিনম্র শ্রদ্ধা

নিহত আওয়ামী পরিবারের বীর শহীদদের স্মরণে আমাদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ।
তোমারা রবে হৃদয়ে আজীবন..
তোমাদের হত্যার বিচার একদিন হবেই হবে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,

ঈদ মোবারক🌙প্রিয় ফেনীবাসি সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা.....ঈদ মোবারক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি      সাধারণ সম্পাদক ...
30/03/2025

ঈদ মোবারক🌙
প্রিয় ফেনীবাসি সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা.....ঈদ মোবারক

নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি
সাধারণ সম্পাদক
ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ।

১৬ ই মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল শহীদ দের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
25/03/2025

১৬ ই মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সকল শহীদ দের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

৭ মার্চের ভাষণ : পটভূমি ও তাৎপর্য - মোহম্মদ শাহজাহান----------  ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভ...
06/03/2025

৭ মার্চের ভাষণ : পটভূমি ও তাৎপর্য
- মোহম্মদ শাহজাহান
----------
ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন। ১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গশার্দুল শেখ মুজিব ওই দিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’



কী পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু সেই ইতিহাস বিখ্যাত ভাষণ দিয়েছিলেন। ১৯৭০-এর ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। ১৩টি মহিলা আসনসহ জাতীয় পরিষদে আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩টি (৩০০+১৩=৩১৩)। এর মধ্যে অবিভক্ত পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল- পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা ছিল ১৬৯টি (১৬২+৭=১৬৯)। ৭ ডিসেম্বরের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯ আসনের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পায় ১৬৭টি আসন। ওই নির্বাচনে বহু রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। সামরিক আইনের অধীনে ওই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন পাওয়ার পর বাকি ২টি আসন পায় পিডিপি। ৭ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ’৭১-এর ৩ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের পিপিপি নেতা জেড এ ভুট্টো এবং পাকিস্তান সামরিক চক্র সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ষড়যন্ত্রকারীদের হাতের পুতুলে পরিণত হলেন সামরিক প্রেসিডেন্ট জে. ইয়াহিয়া খান। ’৭১-এর পহেলা মার্চ ১টা ৫ মিনিটে আকস্মিক এক বেতার ঘোষণায় ৩ মার্চ অনুষ্ঠেয় জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত হওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গর্জে ওঠে বাংলাদেশ (পূর্ব পাকিস্তান)।



৩ মার্চ পল্টনে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের সভায় প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধু আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি থাকি আর না থাকি, বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির রক্ত যেন বৃথা না যায়। আমি না থাকলে- আমার সহকর্মীরা নেতৃত্ব দিবেন। তাদেরও যদি হত্যা করা হয়, যিনি জীবিত থাকবেন, তিনিই নেতৃত্ব দিবেন। যে কোনো মূল্যে আন্দোলন চালাইয়া যেতে হবে- অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” বঙ্গবন্ধু আগেই ঘোষণা করেছিলেন, ৭ মার্চ রোববার রেসকোর্স ময়দানে তিনি পরবর্তী কর্মপন্থা ঘোষণা করবেন। ৪ মার্চ থেকে ৬ মার্চ সকাল ৬টা থেকে ২টা পর্যন্ত সারা দেশে হরতাল পালনের আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে আন্দোলন এগিয়ে চলল। সারা দেশে তখন একজন মাত্র নেতা। তিনি হচ্ছেন দেশের শতকরা ৯৮ জন মানুষের ভোটে নির্বাচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দেশের সামরিক শাসন চালু থাকলেও সামরিক সরকারের কথা তখন কেউ শুনছে না। শেখ মুজিবের কথাই তখন আইন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সমগ্র বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে।



সেই আন্দোলনমুখর পরিস্থিতিতে ঘনিয়ে এল ৭ মার্চ। সবার দৃষ্টি ৭ মার্চের দিকে। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে কী বলবেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভাবিয়ে তুলল পাকিস্তান সামরিক চক্রকেও। কারণ তারা বুঝে গেছে, বাংলাদেশের মানুষের ওপর তাদের আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। দেশ পরিচালিত হচ্ছে বিরোধী দলের নেতা শেখ মুজিবের কথায়। এই অবস্থায় ৭ মার্চ শেখ মুজিব যদি রেসকোর্সের জনসভায় স্বাধীনতা ঘোষণা করে বসেন। চিন্তিত পাকিস্তান সামরিক চক্র কৌশলের আশ্রয় নিল। ৭ মার্চের একদিন আগে অর্থাৎ ৬ মার্চ জে. ইয়াহিয়া খান টেলিফোনে কথা বলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা, আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে। পূর্ব পাকিস্তান সামরিক সরকারের তৎকালীন তথ্য কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিকের ‘ Witness to Surrender’ গ্রন্থে এসব তথ্য রয়েছে। ৬ মার্চ জে. ইয়াহিয়া তার দীর্ঘ টেলিফোন আলাপে আওয়ামী লীগ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বলার চেষ্টা করেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) যেন এমন কোনো কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করেন, যেখান থেকে ফিরে আসার উপায় আর না থাকে।’



৭ মার্চের পূর্ব রাতে জে. ইয়াহিয়া টেলিপ্রিন্টারে শেখ মুজিবের কাছে একটি বার্তাও প্রেরণ করেন। সালিকের গ্রন্থে রয়েছে- একজন ব্রিগেডিয়ার জে. ইয়াহিয়ার সেই বার্তা ৭ মার্চের আগের রাতে শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসেন। মেজর সালিক ওই বার্তাটি সংক্ষিপ্ত আকারে তার ডায়েরিতে লিখে রেখেছিলেন। বার্তায় জে. ইয়াহিয়া শেখ মুজিবকে অনুরোধ করেন, “অনুগ্রহ করে কোনো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন না। আমি সহসাই ঢাকা আসছি এবং আপনার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব। আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমি আপনার আকাক্সক্ষা এবং জনগণের প্রতি দেয়া আপনার প্রতিশ্রুতির পুরোপুরি মর্যাদা দেব। আমার কাছে একটি পরিকল্পনা আছে- যা আপনাকে আপনার ছয়দফা থেকেও বেশি খুশি করবে। আমি সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি, কোনো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন না।” (সূত্র : Witness to Surrender) ৬ মার্চ টেলিফোনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনা, টেলিপ্রিন্টারে বঙ্গবন্ধুর কাছে বার্তা প্রেরণ করেও পুরোপুরি স্বস্তি পাচ্ছিলেন না জে. ইয়াহিয়া। ৬ মার্চ এও ঘোষণা করা হলো যে, ২৫ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।



৭ মার্চ রেসকোর্সে জনসভার বক্তব্য কী হবে- এ নিয়ে ৬ মার্চ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হয়। জনসভায় বঙ্গবন্ধু কী বলবেন- এ নিয়ে বিভিন্নজন বক্তব্য রাখেন। একপক্ষের মত, বঙ্গবন্ধু যেন জনসভায় সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন। অন্যপক্ষ স্বাধীনতার সরাসরি ঘোষণা পরিহার করে আলোচনার পথ খোলা রাখার পক্ষে মত প্রদান করেন। সভা ৭ মার্চ সকাল পর্যন্ত মুলতবি রইলো। ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের চরমপন্থীরা বিভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধুকে ৭ মার্চের জনসভায় স্বাধীনতা ঘোষণা করার জন্য। যদ্দুর জানা যায়, ৭ মার্চ ভাষণ দেয়ার আগে চিন্তিত বঙ্গবন্ধুকে বেগম মুজিব বলেছিলেন, ‘আল্লার নাম নিয়ে তোমার মন-দিল-অন্তর থেকে যা আসে- তাই বলে দিও।’



পরিস্থিতির চাপে ভীতসন্ত্রস্ত পূর্ব পাকিস্তান সামরিক সদর দপ্তর থ

দেশের সাধারণ মানুষ বলছে, আগে ভালো ছিলো.                     ⬇️       ⬇️        ⬇️           বাংলাদেশ আপনার হাতে নিরাপদ. ...
02/03/2025

দেশের সাধারণ মানুষ বলছে, আগে ভালো ছিলো.
⬇️ ⬇️ ⬇️
বাংলাদেশ আপনার হাতে নিরাপদ.
অতি শীঘ্রই দেশে চুরি ডাকাতি জ্বালাও পড়াও অন্ধ হবে দেশের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী #শেখ_হাসিনা... ❤️

জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তিত করেছে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে উচ্চস্তরে নিয়ে পৌঁছেছেন...
01/03/2025

জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তিত করেছে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে উচ্চস্তরে নিয়ে পৌঁছেছেন
ঠিক তখনই বিদেশি চক্রান্তে বাংলাদেশের কিছু ষড়যন্ত্রকারী সাত মাসে বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে.তারা শুরু করে দিয়েছে চুরি ডাকাতি গুম খুনা জালাও ফুরাও.......
তখন তাদের চক্রান্ত বুঝতে পারেনি দেশের সাধারণ মানুষ, এখন বুঝতে পেরে আবার দেশের সাধারণ মানুষ এক বাক্যে বলতেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প বাংলাদেশে নেই
তাই বাংলাদেশের সকল আওয়ামী পরিবার কে বলব
আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ সবাইকে বলব ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদেরকে রুখে দিতে হবে ভয়কে জয় করতে হবে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন, যা পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধের সূচনা করে। ব...
21/02/2025

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন, যা পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধের সূচনা করে। ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর পাকিস্তানি শাসকরা বাংলা ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রসমাজ ও জনতা প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে হরতাল ডাকা হয়, যার নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু। এর ফলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করা সত্ত্বেও ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে। "রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই" স্লোগানে মুখরিত হয় ঢাকার রাজপথ। রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা শহীদদের রক্তে রঞ্জিত হয় মাটি। জেলে থেকেও বঙ্গবন্ধু অনশন করে বাংলা ভাষার দাবি জানান।

এই আন্দোলনই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পথ তৈরি করে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ মা-বোনের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

আজ অবৈধ, ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। ভিন্নমত দমন করা হচ্ছে, কবিতা লেখার জন্য কবিকে জেলে পাঠানো হচ্ছে। পাকিস্তানি শাসকদের মতোই এই সরকার চিন্তার স্বাধীনতা সীমিত করতে চাইছে। বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য এই অবরুদ্ধতা ভাঙতে হবে। শহীদদের রক্তের দাবি, আমরা চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।

জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!

'Amar Ekushey February' is one of the pivotal moments in the history of the Bengali nation, marking the beginning of the first resistance against Pakistani oppression. After gaining freedom from British rule, the Pakistani rulers sought to strip away the Bengali language, imposing Urdu as the sole state language. Under the leadership of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, students and the masses rose in protest. On March 11, 1948, a strike was called demanding Bengali as the state language, led by Bangabandhu. As a result, he was arrested and subjected to torture. Despite the imposition of Section 144 on February 21, 1952, students and people took to the streets. The streets of Dhaka echoed with the slogan, "We demand Bengali as the state language." The soil was stained with the blood of Rafiq, Shafiq, Salam, Barkat, Jabbar, and countless unnamed martyrs. Even from jail, Bangabandhu went on a hunger strike, demanding the recognition of the Bengali language.

This movement paved the way for the Liberation War of 1971. Under Bangabandhu's leadership, Bangladesh achieved independence through the sacrifices of 3 million martyrs and the honor of 200,000 mothers and sisters.

Today, an illegal, fascist force has seized state power, stripping away people's freedom of speech. Dissent is being suppressed, and poets are being jailed for writing poetry. Like the Pakistani rulers, this government is attempting to restrict freedom of thought. To advance the Bengali language, we must break down these barriers. In the spirit of the martyrs, we will continue our struggle until freedom of thought and expression is achieved.

Joy Bangla! Joy Bangabandhu!

সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িতে অবৈধ ইউনুস সরকারের সমর্থনপুষ্ট উন্মত্ত মবের বর্বর হামলা-------------------- ৫ ফে...
07/02/2025

সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িতে অবৈধ ইউনুস সরকারের সমর্থনপুষ্ট উন্মত্ত মবের বর্বর হামলা
--------------------

৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক বাড়ীতে হামলা করা ছাড়াও সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িতে আবারো অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করেছে অবৈধ ইউনুস সরকারের মদদপুষ্ট উগ্রবাদী গোষ্ঠী - ছাত্রশিবির এবং সমন্বয়ক নামধারী সন্ত্রাসীরা।

হামলার শিকার হয়েছে
- খুলনায় জননেত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ আবু নাসেরের বাড়ি
- ভোলায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বাড়ি
- নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বাড়ি
- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর বাড়ি
- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমীর হোসেন আমুর বাড়ি
- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহাবুল আলম হানিফের বাড়ি
- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর খানের বাড়ি
- নাটোর সদর আসনের সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের বাড়ি
- নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র উমা চৌধুরী জলির বাড়ি
- নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়
- পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম এ আউয়াল এর বাড়ি

Address

Feni

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nizam Uddin Hazari Mp posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category