12/07/2026
একেই বলে ৪ আনায় ১২ আনা মাইর।
ওরা ভাবসে উত্তরবঙ্গে রাম ইস্যু দিয়া পলিটিক্যাল গেম খেইলা চিকেন্স নেক-এর সেইফটি এনশিওর করবে।
আর বাংলাদেশ পাল্টা কী করলো?
ঠিক সেই উত্তরবঙ্গেই সামরিক ড্রোন কারখানা বসায়া দিলো।
তাও আবার পিওর টার্কিশ প্রজেক্ট।
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে টার্কি-চায়না ইকুয়েশন আবার কেমন ভাই-ভাই, তা তো নতুন কইরা আলাপ দেয়ার কিছু নাই।
বগুড়ার এই টার্কিশ হাই-টেক মিলিটারি ড্রোন ফ্যাক্টরির পাশেই এয়ারফোর্সের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি হইতে যাচ্ছে।
সামনে বিমান বহরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো এই ঘাঁটিতেই রাখা হবে।
আবার, চিকেন্স নেকের সামান্য অদূরেই গত বছর সেনাপ্রধান ওয়াকার আচমকা সফর করার পর, দীর্ঘ ৪৬ বছর যাবত পরিত্যক্ত থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনরায় অ্যাক্টিভ হইতে যাইতেসে।
একইসাথে লালমনিরহাটেরটাও চালু হচ্ছে।
যেইটা হজম করতে না পেরে ভাড়ত টানা ৪৪ দিন সমস্ত মিডিয়ায় প্রতিবেদন চালাইসে।
উত্তরবঙ্গের স্ট্র্যাটেজিক ব্যাকআপ হিসেবে মাঝখানে বগুড়া সেনানিবাসকে মডার্ন কমব্যাট ট্রেইনিং হাব হিসেবে গড়ে তোলা হইতেসে।
বিশেষ করে আর্টিলারি ও আর্মার্ড রেজিমেন্টের আধুনিকায়ন—যা চিকেন্স নেকের যেকোনো মুভমেন্টকে মুহুর্তের মধ্যে লক রাখার সক্ষমতা রাখবে বলে অনুমান করা যাইতেসে।
ওদিকে আবার পাহাড়েও আর্মি এখন ধুমসে ব্যাটিং করতেসে।
স্বায়ত্বশাসনের খায়েশ মিটাইয়া দেয়া হইতেসে চ্যাংধোলা দিয়া ধইরা।
আগে তো যেকোনো এ'ক'শ'নে'র আপডেট দেওয়া হইতো। মাগার এখন কোনো অফিসিয়াল ঘোষণা ছাড়াই প্রতি রাতেই অপারেশন চালাইতেসে।
ইতিমধ্যেই দুর্গম ১৪টা ঘাঁটি মিশাইয়া দেওয়া হইসে। এই অপারেশনে টার্কি মেইড 'Bayraktar TB2' কমব্যাট ড্রোনও সাকসেসফুলি ইউজ করছে আর্মি।
একচুয়ালি পাহাড়ে এই সাইলেন্ট ক্র্যাকডাউনটা হওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। সাপও মরলো, লাঠিও ভাঙলো না!
নাইলে আবার "মানবাধিকার গেলো রে গেলো" বইলা গগনবিদারী হাহাকার রব শুরু হইতো।
এদিকে চমকের ওপর আরেক মেগা চমক হইলো—মোংলা বন্দরের অপারেটিংয়ে অটোমেশন ও পরিচালনা এবং এর পাশে ভারতকে দেওয়া ১১০ একর জমির ইকোনমিক জোন গত সপ্তাহে ডিরেক্ট চায়নার হাতে তুইলা দেওয়া হইসে!
একইসাথে চীনের একক টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্সে তিস্তা ড্রেজিংয়ের কাজও শুরু হইতে যাচ্ছে; যা কিনা ছিলো ভা'র'তে'র সারাজীবনের গলার কাটা।
কি, মজা না? ইয়োওও, মাজাক হ্যায়!