08/09/2026
‘বাবার পাশে সমাধি দিয়েন’ পোস্টের পর মেঘমল্লার বসুকে আ*শঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেছেন শিবিরের এসএম ফরহাদ।এসএম ফরহাদ তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পোষ্টে বলেন, মেঘদার স্টোমার্ক ওয়াশ করা হয়েছে এখন তিনি আশঙ্কা মুক্ত আছেন।মেঘ মোল্লা বসু আবার রাজনীতিতে কাম ব্যাক করবেন সেই দোয়া করেছেন।
এসএম ফরহাদের ওয়েলফেয়ার স্ট্যান্ড এখানেই।এটাই হলো শিবিরের ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স।যে মেঘমোল্লা বসু ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের সাদিক কায়েম ও এসএম ফরহাদের বিরুদ্ধে এন্টি নিয়ে শ্লোগান দিয়েছিল "তুমিও জানো আমিও জানি, সাদিক কায়েম পাকিস্তানি"।এবং এসএম ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে বিভ্রান্ত করেছিল শিবির রগ কাটে।
সেই শিবিরের এসএম ফরহাদ মেঘ মোল্লার বসুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ট্রিটমেন্ট দিয়েছেন। ছাত্রশিবির চাই প্রতিযোগিতার রাজনীতি। শিবিরের যত প্রতিযোগী থাকবে ততই শিবিরের কার্যক্রম প্রকাশিত হবে।এইজন্য শিবির কাউকে প্রতিপক্ষ মনে করে না।
ঢাকা ভার্সিটিতে মেঘমল্লা বসুদের পেশি শক্তির প্রভাবে অন্য ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতেই ভয় পেতেন। মেঘ মোল্লা বসুরা সারা জীবন পাওয়ার পলিটিক্স করে আসছেন। আর শিবির প্রশ্নে ছাড় দিতে নারাজ ছিলেন। বিগত ১৭ বছর এই মেঘ মোল্লার বাসুরা শিবিরকে ঢাবি ক্যাম্পাসে রাজনীতি করার এক বিন্দু স্পেস দেয়নি।
এর আগেও মেঘ মোল্লার বসু কয়েকবার আত্মহত্যা করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। মূল কথা হল বাম রাজনীতির কোন উত্তম ভবিষ্যৎ নাই। মেঘ মোল্লা বসু ২০১৪-১৫ সেশনের ছাত্র। অর্থাৎ তার সরকারি চাকরির বয়স নাই।দলের ভালো কোন পোস্টেও নাই। দলের কাছে কোন ভ্যালু নাই।
অধিকাংশ বাম দলের ছাত্র নেতারা জীবনের এই বয়সে এসে প্রবল ডিপ্রেশন ভোগেন। না থাকে চাকরির বয়স ,না থাকে সংসার ,না থাকে পরিবার, না থাকে রাজনীতির ভবিষ্যৎ। যার শেষ পরিণতি আত্মহত্যা ছাড়া কোন পথ খুঁজে পান না।