18/04/2023
নমস্কার 🙏
#আমার_জন্মগত_ঋণ
বৈদিক শাস্ত্র অনুসারে প্রতিটি মানুষ পাঁচটি ঋণ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে:-
🙏_________________________________🙏
১) দেবঋণঃ দেবতাদের কাছে ঋণ; দেবতাদের পূজা প্রার্থনা ও হোম-যজ্ঞাদি দ্বারা এই ঋণ শোধ করতে হয়।
উদাহরনঃ দেবতা সূর্যনারায়ন, সূর্য ছাড়া জন্মই হতো না, আলো না থাকলে।
(২) ঋষিঋণঃ মুনি-ঋষিদের কাছে ঋণ; ঋষি প্রণীত শাস্ত্রাদি পাঠের দ্বারা এই ঋণ শোধ করতে হয়।
উদাহরনঃ আমার মা আমাকে কথা বলতে শিখাতেই পারতো না, ভাষা শিক্ষাও থাকতো না, এটাও মুনি-ঋষিদের অবদান।
(৩) পিতৃঋণঃ পিতা-মাতা ও পিতৃপুরুষদের কাছে ঋণ; জীবিত পিতা-মাতা ও পিতৃপুরুষদের সেবা এবং মৃতদের উদ্দেশ্যে শ্রাদ্ধ ও তর্পণাদি দ্বারা এই ঋণ শোধ করতে হয়।
উদাহরনঃ তাদের মাধ্যমেই তো পুরো জীবন গঠন।
(৪) নৃ-ঋণঃ আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশিদের কাছে ঋণ; অতিথি সেবা এবং দুঃস্থ, আর্ত্ত, পীড়িত নরনারায়নের সেবার দ্বারা এই ঋণ শোধ করতে হয়।
উদারনঃ প্রতিবেশি না থাকলে আমায় স্বীকৃতি দিতো কে? কোথা থেকে প্রতিষ্ঠিত হতাম? কে দিতো আমায় মূল্যায়ন।
(৫) ভূতঋণঃ পশুপাখি ও উদ্ভিদাদির নিকট ঋণ; মনুষ্যেতর প্রাণী, পশুপাখি এবং বৃক্ষ-লতাদির সেবা দ্বারা এই ঋণ শোধ করতে হয়।
উদাহরনঃ শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছি কার কাছ থেকে? কে প্রদান করে আমায়? জীবিকা নির্বাহ করতে খাদ্য যোগানে কারা অথবা কে সহায়তা করতো যদি এগুলোই না থাকতো?
এই পাঁচটি ঋণকে একত্রে পঞ্চঋণ বলে এবং এই ঋণসমূহ শোধ করাকে পঞ্চযজ্ঞ বলে।
এই ঋণ পরিশোধ সম্পর্কে শিক্ষা দেয় শুধুমাত্র অামার সনাতন ধর্মেই।
এ ঋন পরিশোধের জন্য যজ্ঞ করতে হয়।
নমস্কার 🙏