Manzil City

Manzil City Manzil Housing is committed to excellence. We are unyielding in our desire to always imp

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে ।১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ ব...
10/07/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে ।
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫.৬ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ১৬৯৯০ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট
CS/RS

04/10/2023
যদি সে ডাক এলো,উড়িয়ে বালিধুলো, চেনা চৌকাঠ রেখেও, নতুন পৃথিবী পেলো।ছিলো সুখি গৃহকোণ, সবাইকে ভালোবেসে রোজ নাম চায়,তবু জীবন...
01/10/2023

যদি সে ডাক এলো,উড়িয়ে বালিধুলো,
চেনা চৌকাঠ রেখেও, নতুন পৃথিবী পেলো।
ছিলো সুখি গৃহকোণ, সবাইকে ভালোবেসে
রোজ নাম চায়,তবু জীবন মুচকি হাসে।
হঠাৎ অন্য হাওয়ায় আয়না খুঁজছে মন,
একটু ভালো লাগায় ইচ্ছে কুড়ায় সুখ!"

 #যেভাবে_খুঁজে_পাবেন_আপনার_দলিলের_নথি!✅ভুমি সংক্রান্ত আমাদের সমস্যার অন্ত নেই! কথাটি অতি সত্য, তারপরও এই সমস্যা সমাধান ক...
29/09/2023

#যেভাবে_খুঁজে_পাবেন_আপনার_দলিলের_নথি!

✅ভুমি সংক্রান্ত আমাদের সমস্যার অন্ত নেই! কথাটি অতি সত্য, তারপরও এই সমস্যা সমাধান করার দায়িত্ব ও আমাদেরই!

✅দেখুন দলিল আপনার সমস্যাটাও আপনার এবং আপনাকেই এটা সমাধান করতে হবে। দলিল পেতে হলে আপনাকেও একটু দৌড়াতে হবে। শুধুমাত্র দলিল তল্লাশি কারীর উপর ভরসা করে ঘরে বসে থাকবেন না। কারণ দলিল তল্লাশি কারী আপনার মতো আরও ২০ জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে দলিল তল্লাশি করার জন্য। আবার এই দলিল তল্লাশিকারী যে কত জন সেটাও আপনি জানেন না। এবার কল্পনা করুন সব দলিল তল্লাশি কারী যদি একসাথে তল্লাশি শুরু করে তাহলে ঔ রুমের অবস্থা কেমন হবে। আর কে কত সময় নিয়ে দলিল তল্লাশি করবে এটা আল্লাহ পাক ভালো জানেন। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।

✅ চলুন এবার আমরা পুরাতন দলিল খুঁজে বের করি। মনে করুন আপনার শুধুমাত্র মৌজার নাম এবং আপনার দাদা অথবা বাবার নাম জানেন যিনি জমি ক্রয় করেছেন।

✅আপনার জানার জন্য

✅একটি দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রেশন সম্পাদন হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লেখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতার নাম দিয়ে, আর একটি সূচিবই তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।

✅আপনার কাছে যদি দলিলের কোন তথ্য না থাকে শুধুমাত্র মৌজার নাম এবং আপনার দাদা অথবা বাবার নাম যিনি জমি ক্রয় করেছেন এই তথ্য দুটি জানা থাকলে নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ সাপেক্ষে রেজিস্ট্রি অফিসে এই সূচিবহি তল্লাশি করে খুঁজে বের করতে পারেন আপনার কাঙ্খিত দলিলটি।

✅প্রতি দলিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম বা অন্তভুর্ক্ত সম্পত্তির বিবরণ সংক্রান্ত তল্লাশির ক্ষেত্রে ১ বছরের জন্য ২০ টাকা এবং অতিরিক্ত প্রতি বছরের জন্য ১৫ টাকা করে ফি দিতে হবে।

⏭️তাই ব্যবস্তার মাঝে একটু সময় বের করে আপনার দলিল যে রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে সেখানে যান। ইনশাআল্লাহ কোন না কোন তথ্য পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।🙏🧡

#দলিল #ভুমি #জমি #রেকর্ড #খতিয়ান

✅তিন বছর খাজনা না দিলে জমি হবে খাস👈 👍জমি সংক্রান্ত তথ্য পেতে আমাদের পেজটি ফলো দিয়ে রাখুন।
28/09/2023

✅তিন বছর খাজনা না দিলে জমি হবে খাস👈
👍জমি সংক্রান্ত তথ্য পেতে আমাদের পেজটি ফলো দিয়ে রাখুন।

১। eporcha সাইটে ভিজিট করুনখতিয়ান যাচাই করার জন্য ভিজিট করুন এই লিঙ্কে। এরপরে আপনাদেরকে মেনু থেকে খতিয়ান অপশনটি সিলেক্...
28/09/2023

১। eporcha সাইটে ভিজিট করুন
খতিয়ান যাচাই করার জন্য ভিজিট করুন এই লিঙ্কে। এরপরে আপনাদেরকে মেনু থেকে খতিয়ান অপশনটি সিলেক্ট করে নিতে হবে এবং সেখানে ভিজিট করতে হবে। যেহেতু এখানে দুই ধরনের খতিয়ান রয়েছে যেমন নামজারি খতিয়ান এবং সার্ভে খতিয়ান.। আপনি ঠিক কোন খতিয়ানটি বের করতে যাচ্ছেন সেই অপশনটি ক্লিক করুন।
২। খতিয়ান যাচাই করুন
এই পেজে আসার পরে আপনার বিভাগ> জেলা> উপজেলা> খতিয়ানের ধরন বাছাই করে নিতে হবে। অর্থাৎ আর এস বি এস সি এস বা অন্যান্য খতিয়ান। যদি আপনি নামজারি খতিয়ান বের করতে চান তাহলে বিভাগ জেলা উপজেলা মৌজা এবং খতিয়ান নাম্বার দিলেই আপনার খতিয়ান দেখতে পারবেন। এক্ষেত্রে খতিয়ানের ধরন বাছাই করার সুযোগ নেই
পরবর্তীতে আপনার মৌজা লোকেশন সিলেক্ট করে দিতে হবে। আপনার এলাকার খতিয়ানের ধরন অনুযায়ী মৌজার লোকেশন খুজে পাবেন। সাধারণত আরএস খতিয়ানের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মৌজার লোকেশন পাওয়া যায়। আর এস খতিয়ানে যদি মৌজার লোকেশন খুঁজে না পান তাহলে অন্য খতিয়ান দিয়ে দেখতে পারেন। অর্থাৎ আপনার খতিয়ানের ধরন কোনটি সেটি আপনাকে প্রথম নির্বাচন করে নিতে হবে।
যেহেতু আপনি খতিয়ান বের করবেন সেহেতু খতিয়ান নম্বর বক্সে খতিয়ান নাম্বার টি টাইপ করে দিবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে দাগ নম্বর অথবা মালিকানা নাম দিয়ে খতিয়ান বের করতে পারবেন এজন্য মালিকের নাম উল্লেখ করুন।
৩। সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করুন
সঠিকভাবে খতিয়ান যাচাই করার পর নিচের ছবির মত একটি পেজ দেখতে পাবেন সেখানে খতিয়ানের দাগ নাম্বার এবং মালিকানার তথ্য দেখানো হবে । আপনি যদি খতিয়ান অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আবেদন করুন বাটনটিতে ক্লিক করুন
৪। ফি প্রদান করুন
এই পেইজে আসার পর আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য গুলো প্রদান করতে হবে যেমন আপনার নাম ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার , জন্ম তারিখ, মোবাইল নাম্বার, ঠিকানা, ইত্যাদি।
অবশ্যই এ বিষয়টি সলেক্ট করতে ভুলবেন না যে আপনি খতিয়ান অনলাইন কপি নাকি সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করতে চান সেটি সঠিক ভাবে সিলেক্ট করে দিবেন।
সব তথ্য গুলো দেয়া হয়ে গেলে আপনি নির্ধারিত ফি প্রদান করতে পারবেন
খতিয়ানের কিউ আর কোড সম্বলিত অনলাইন/তাৎক্ষনিক কপি ১০০ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও সার্টিফাইড/সত্যায়িত খতিয়ান কপির মূল্য পুন:নির্ধারণ করে ১০০ টাকা করা হয়েছে।
৫। খতিয়ান ডাউনলোড করুন
ব্যক্তিগত তথ্য ও ফি প্রদান করার পরে আপনি সার্টিফাইড কপি বা অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য উপযুক্ত হয়ে যাবেন এর পরে আপনি আপনার খতিয়ান টি ডাউনলোড করতে পারবেন।
তবে খতিয়ানের অনলাইন কপি আপনি সার্টিফাইড কপি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন না কিন্তু সার্টিফাইড কপি যে কোন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

ই নামজারি - E Mutation

জমি ক্রয়ের বায়না করার পূর্বে ও পরে ক্রেতার কিছু করনীয়:- জমি কেনার প্রথম ধাপেই আসে বায়না করার বিষয় টি। জমি কেনা বা বেচার ...
27/09/2023

জমি ক্রয়ের বায়না করার পূর্বে ও পরে ক্রেতার কিছু করনীয়:-

জমি কেনার প্রথম ধাপেই আসে বায়না করার বিষয় টি। জমি কেনা বা বেচার বিষয়ে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে আলোচনা করার পর প্রাথমিক যে চুক্তি হয়ে থাকে তাই বায়না চুক্তি।

বায়না দলিল করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয়।
বিষয়গুলো হলো:

বায়না দলিলে জমির তফসিল অর্থাৎ মৌজা, খতিয়ান, দাগ নম্বর এবং জমির চৌহদ্দি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়। বায়না দলিল জমির চূড়ান্ত দলিলের মত সমান গুরুত্বপূর্ণ না হলেও উপরোক্ত বিষয় গুলো সঠিক ভাবে উল্লেখ করুন। কারন এতে বায়না পরবর্তী কিছু জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
যথা সম্ভব কম টাকায় বা সর্বনিম্ন টাকায় বায়না চুক্তি করুন।
জমির সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ পর জমির বিক্রেতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে ব্যর্থ হন, তবে ক্রেতা হিসেবে আপনি কী কী প্রতিকার পাবেন দলিলে তার উল্লেখ করুন।
বায়না দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করে নিবেন। কারণ রেজিষ্ট্রেশনকৃত বায়না দলিল ছাড়া চুক্তি প্রবল/ ভঙ্গের মামলা আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না। বায়না দলিল রেজিস্ট্রি খরচ খুবই কম এবং তা খুব সহজেই করা যায়।
বায়না চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চুক্তিপত্রটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য দাখিল করতে হয়।
এবার আসুন জানি

বায়না দলিল পরবর্তী ক্রেতার করনীয়।

জমির বায়না দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার পর প্রথম কাজ হলো জমি মেপে দখল সীমানা দেয়া।
বায়নাকৃত জমির সীমানায় একটি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দিন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাইনবোর্ডে উল্লেখ করুন যে জমির পরিমান….. এবং বায়না সূত্রে জমির মালিক আপনি।
উক্ত জমি কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক দেয়া কিনা তাও জেনে নিন। সংশ্লিষ্ট সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে NEC উত্তোলন করুন। সাধারণত NEC তে আবেদনের ১২ বছর পূর্ব পর্যন্ত তথ্য প্রদান করা হয়।
উক্ত জমি নিয়ে কোন ধাপে কোন সমস্যার মুখোমুখি হলে সরাসরি জমির মালিকের সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন এবং তথ্য যাচাই করুন।
চূড়ান্ত রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য খুব বেশি তাড়াহুড়ো করবেন না।

 #বিভিন্ন_প্রকার_দলিলবাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকারঃ(১) সাফ-কবলা দলিল।(২) দানপত্র দলিল।(৩) হেবা দলিল।(...
25/09/2023

#বিভিন্ন_প্রকার_দলিল
বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকারঃ
(১) সাফ-কবলা দলিল।
(২) দানপত্র দলিল।
(৩) হেবা দলিল।
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল।
(৫) এওয়াজ দলিল।
(৬) বন্টন নামা দলিল।
(৭) অছিয়তনামা দলিল।
(৮) উইল দলিল।
(৯) নাদাবি দলিল।

#সাফকবালা দলিলঃ
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবালা বলা হয়। এই কবালা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা বা তার ওয়ারিশানরা উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।

#দানপত্র দলিলঃ
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পর্কে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।

#হেবা দলিলঃ
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল,এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়,কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা শর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়,কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

#হেবা_বিল এওয়াজ দলিলঃ
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে,যেমন-পবিত্র কোরআন,জায়নামাজ,তছবিহ,মোহরানার টাকা,এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে,যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।

#এওয়াজ দলিল:
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন করতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলোঃ ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং খ তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।

#বন্টনমানা দলিল:
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের,যথা-উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে পারে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণের আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।

#অছিয়তনামা দলিল:
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।

#উইল দলিল:
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীবত কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।

#নাদাবী দলিল:
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে ।।

16/09/2023

নিজের যায়গায় স্বপ্নের বাড়ি
মানজিল সিটিতে স্বপ্ন গড়ি
আমাদের প্রজেক্ট এর চিএ
আমাদের প্রজেক্ট এ কাজ করার মত ১০ জন কে চাই।
আমাদের প্রজেক্ট এর শেয়ার নিয়ে মালিকানা হতে চাইলে যোগাযোগ করবেন।

06/09/2023

বাবাকে ছেলে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে এসেছে আর বাবা সব সম্পত্তি বৃদ্ধাশ্রমে দান করে দিয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশ এসেছে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার! সুন্দর না?

Address

Musafir Tower, 90 Kakrail (2nd Floor)
Kakrail
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manzil City posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share