বড় শলুয়া দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Khulna
  • বড় শলুয়া দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ

বড় শলুয়া দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ আল্লাহর রাজি খুশির জন্য এক ঝাঁক কুসুমিত ফুল।

মনকে শান্ত রাখার উপায়মানসিক শান্তি মহান আল্লাহর অমূল্য নিয়ামত। এটি শুধু অর্থ-সম্পদ ও স্ত্রী-সন্তান দিয়ে লাভ করা সম্ভব নয়...
04/09/2026

মনকে শান্ত রাখার উপায়

মানসিক শান্তি মহান আল্লাহর অমূল্য নিয়ামত। এটি শুধু অর্থ-সম্পদ ও স্ত্রী-সন্তান দিয়ে লাভ করা সম্ভব নয়।
মহান আল্লাহ যদি কারো মন থেকে প্রশান্তি কেড়ে নেন, সে গোটা দুনিয়ার সব ভোগ-বিলাসের বস্তু পেলেও সুখ অনুভব করবে না, আবার কাউকে যদি দয়া করে প্রশান্ত অন্তর দান করেন, সে শত অভাব-অনটনে কিংবা সীমাবদ্ধতায়ও অশান্তি অনুভব করবে না। কেউ গাছতলায় শুলেও পরম সুখের ঘুমে চোখ বুজে আসে, আবার কেউ কোটি টাকার খাটে শুয়েও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না। তাই মানসিক শান্তি পেতে মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার বিকল্প নেই।
নিম্নে কোরআন-হাদিসের আলোকে মানসিক শান্তি লাভের কিছু আমল তুলে ধরা হলো—

১. জিকির : আল্লাহর জিকির হলো, আত্মার খোরাক।
জিকিরের মাধ্যমে আত্মা উর্বর হয়, প্রশান্ত হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জেনে রাখো, আল্লাহর জিকিরেই হৃদয় প্রশান্ত হয়।’ (সুরা : রাদ, আয়াত : ২৮)
তাফসিরবিদদের মতে, জিকির দ্বারা উদ্দেশ্য নামাজ, নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া, তাসবিহ উদ্দেশ্য হতে পারে। সবই মুমিনের হৃদয়ের খোরাক।

২. নামাজ : নবীজি (সা.) নামাজে প্রশান্তি লাভ করতেন। তিনি বলেছেন, ‘নামাজে রাখা হয়েছে আমার চক্ষুর শীতলতা।’ (নাসায়ি, হাদিস : ৩৯৪০)
যারা আল্লাহর ওপর ঈমান রাখে, নবীজি (সা.)-কে ভালোবাসে। তারাও যদি বিশুদ্ধ ঈমান, খুশুখুজু ও মহব্বত নিয়ে নামাজে দাঁড়াতে পারে, তাহলে তারাও প্রশান্তি অনুভব করবে ইনশাআল্লাহ।

৩. আল্লাহর ওপর ভরসা : আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা স্থাপন করলে হতাশা কাবু করতে পারে না, মানসিক শান্তি ছিনিয়ে নিতে পারে না।
মানুষ বেশির ভাগ সময় অশান্তি ও হতাশায় ভোগে অদৃশ্য ভয় থেকে, কিছু অভাবের ভয়, হারানোর ভয়, বেদনার ভয়, বিপদের ভয়—যার সবই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। যারা আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা ও ভরসা স্থাপন করতে পারে, তাদের জন্য আল্লাহ যথেষ্ট হয়ে যান। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ৩)
রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, তোমরা যদি প্রকৃতপক্ষেই আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল হতে তাহলে পাখিদের যেভাবে রিজিক দেওয়া হয় সেভাবে তোমাদেরও রিজিক দেওয়া হতো। এরা সকালবেলা খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৪)

৪. মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করা ও হাস্যোজ্জ্বল থাকা : সদা হাস্যোজ্জ্বল থাকা এবং মানুষের সঙ্গে সদাচরণ করা মনকে প্রশান্ত রাখতে সাহায্য করে। এতে সমাজে যেমন মানুষের ইতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়, তেমনি মন ও মস্তিষ্কে এর উপকারী প্রভাব পড়তে থাকে। নবীজি (সা.) বলেছেন, তোমার হাস্যোজ্জ্বল মুখ নিয়ে তোমার ভাইয়ের সামনে উপস্থিত হওয়া সদকাস্বরূপ। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৫৬)

৫. সদকা : সদকার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আর্থিক সমৃদ্ধি আসে। এ দুটি বিষয় একসঙ্গে অর্জিত হলে অন্তর প্রাচুর্যময় হওয়া স্বাভাবিক। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মতো, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে এক শ দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২৬১)

৬. শোকর আদায় করা : অনেক সময় বান্দার না শুকরিয়ামূলক আচরণের কারণে তাদের ওপর বহু বিপদ-আপদ নেমে আসে। সব পেয়েও শূন্যতায় ভোগে। তাই প্রকৃত শান্তি পেতে সর্বাবস্থায় আল্লাহর শোকর আদায় করার বিকল্প নেই। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, তবে আমার আজাব বড় কঠিন।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৭)

৭. আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া : মহান আল্লাহ মূলত আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। আমাদের উচিত আমাদের মূল কাজকে সব কিছুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া। এর ব্যতিক্রম করলে অশান্তি আসা স্বাভাবিক। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতে মগ্ন হও। আমি তোমার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করব এবং তোমার দারিদ্র্য দূর করব। তুমি যদি তা না করো, তাহলে আমি তোমার অন্তর হতাশা দিয়ে পূর্ণ করব এবং তোমার দরিদ্রতা দূর করব না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১০৭)

৮.মৃত্যুর স্মরণ
দুনিয়ার ব্যস্ততায় মানুষ প্রায়ই মৃত্যুকে ভুলে যায়, আর তখনই অন্তর কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য মহানবী (সা.) উম্মতকে বারবার সতর্ক করতেন। তিনি বলতেন, “তোমরা দুনিয়ার স্বাদ বিনষ্টকারী অর্থাৎ মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ কর।” (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৭)

মৃত্যুর স্মরণ মানুষকে বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। এতে অহমিকা তার দূর হয়, দুনিয়ার প্রতি আসক্তি হ্রাস পায় এবং সে আমল সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠে।

যতবারই বান্দা আল্লাহকে ডাকেন, তিনি কখনো বিরক্ত হন না। বরং সমস্ত নিবেদন তিনি শুনেন, সাহায্য করেন, অথবা তা আখিরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন।

৯. নিয়মিত প্রার্থনা
দোয়া বান্দার অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত রাখে। আন্তরিক দোয়া অন্তরের ভার লাঘব করে এবং প্রশান্তি আনে। আল্লাহ-তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা গাফির, আয়াত: ৬০)

এ আয়াত বারবার স্মরণ করিয়ে দেয় যে যতবারই বান্দা আল্লাহকে ডাকেন, তিনি কখনো বিরক্ত হন না। বরং সমস্ত নিবেদন তিনি শুনেন, সাহায্য করেন, অথবা তা আখেরাতের জন্য সংরক্ষণ করেন।

১০. নীরবে আল্লাহর স্মরণে অশ্রুপাত
মানুষের অন্তর সবচেয়ে বেশি নরম হয় তখন, যখন সে নীরবে অশ্রুপাত করে এবং আল্লাহর সামনে নিজেকে তুলে ধরে।
হাদিসে এসেছে, ‘সাত শ্রেণির মানুষ কেয়ামতের দিন আরশের ছায়া পাবে… (এর মধ্যে এক শ্রেণির মানুষ হলো) যিনি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে কেঁদেছেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৬০)

এই কান্না লোকদেখানো নয়; এটি নিজের ভুল, দুর্বলতা এবং আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা থেকে উৎসারিত। এই নীরব মুহূর্তই অন্তরকে জীবন্ত করে তোলে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে গভীর করে।

১১. সৎ মানুষের সান্নিধ্য
মানুষের অন্তরও প্রায়শই পরিবেশের প্রভাবের ওপর নির্ভরশীল। আমরা যাদের সঙ্গে সময় কাটাই, তারা অজান্তেই আমাদের চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করে। তাই কোরআন নির্দেশ দেয়, ‘তোমরা সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।’ (সুরা তাওবা, আয়াত: ১১৯)

যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ইমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।
সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১৩৮
যারা আল্লাহকে স্মরণ করেন, নেক কাজের দিকে আহ্বান জানান, তাদের সান্নিধ্যে থাকলে নিজের ভেতরেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। অন্যদিকে, গাফেল মানুষের সঙ্গে সময় কাটালে অজান্তেই মন ভারী হয়ে যায়। তাই সৎ সঙ্গী নির্বাচনও অন্তর জীবিত রাখার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

১২, কথায় ও চিন্তায় সংযম
অপ্রয়োজনীয় কথা কেবল সময়ই নষ্ট করে না; এটি অন্তরকেও ভারী করে তোলে। মহানবী (সা.) তাই বলতেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ইমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১৩৮)

02/09/2026

কোরআন তেলওয়াত,,,,,
゚viralシ

26/08/2026

রবিউল আউয়াল মাস আশেকে রাসুলদের প্রাণের মাস।

📌রিযিকের আসল অর্থ — আল্লাহর নিয়ামত যেভাবে আমাদের ঘিরে আছে......◼️মানুষ যখন রিযিক শব্দটি শোনে, প্রথমেই তার মনে ভেসে ওঠে ...
23/08/2026

📌রিযিকের আসল অর্থ — আল্লাহর নিয়ামত যেভাবে আমাদের ঘিরে আছে......

◼️মানুষ যখন রিযিক শব্দটি শোনে, প্রথমেই তার মনে ভেসে ওঠে টাকা-পয়সা, সম্পদ আর ব্যাংক ব্যালেন্স। অথচ কুরআন ও সহি হাদিসের আলোকে তাকালে দেখা যায়, রিযিক এক বিশাল এবং ব্যাপক ধারণা, যার একটি ক্ষুদ্র অংশমাত্র হলো অর্থ। যে গাছ কেবল টাকার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তার শিকড় গভীর হয় না, ডালপালা ছড়ায় না, ফলও ধরে না — সে কেবল একটি শুকনো, ফাঁপা কাণ্ড হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু যে জীবন স্বাস্থ্য, ঈমান, জ্ঞান, সময়, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, পরিবার, সন্তান, সৎকর্ম আর জীবনসঙ্গীর মতো নিয়ামতে সমৃদ্ধ, সে জীবন একটি বিশাল ছায়াবৃক্ষের মতো, যার প্রতিটি ডালে ফল ধরে এবং যে ছায়া দেয় নিজের এবং অন্যের জন্যও। আজকের এই আলোচনায় আমরা কুরআন এবং সহি হাদিসের আলোকে দেখব, রিযিকের প্রকৃত অর্থ আসলে কী এবং কেন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো জরুরি।

আল্লাহ তাআলা সূরা আন-নাহলে ইরশাদ করেন,

وَإِن تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا

"আর যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামত গণনা করতে চাও, তবে তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না।" (সূরা আন-নাহল, ১৬:১৮)

এই আয়াতটি আমাদের চোখ খুলে দেয়। আল্লাহর নিয়ামত শুধু ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রতিটি সুস্থ অঙ্গ, প্রতিটি ভালোবাসার সম্পর্ক, প্রতিটি হেদায়েতের মুহূর্ত — এসবই আল্লাহর নিয়ামত, যা আমরা প্রতিদিন উপভোগ করি অথচ গণনায় আনি না।

স্বাস্থ্য একটি বিশাল নিয়ামত, যার মূল্য মানুষ কেবল তখনই বোঝে যখন তা হারিয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন,

اغْتَنِمْ خَمْسًا قَبْلَ خَمْسٍ شَبَابَكَ قَبْلَ هَرَمِكَ وَصِحَّتَكَ قَبْلَ سَقَمِكَ

"পাঁচটি জিনিসকে পাঁচটি জিনিসের আগে গনিমত (মূল্যবান সম্পদ) মনে করো — তোমার যৌবনকে বার্ধক্যের আগে, তোমার সুস্থতাকে অসুস্থতার আগে, তোমার সম্পদকে দারিদ্র্যের আগে, তোমার অবসর সময়কে ব্যস্ততার আগে এবং তোমার জীবনকে মৃত্যুর আগে।" (মুস্তাদরাক আল-হাকিম, যা ইমাম হাকিম সহি বলেছেন এবং ইমাম যাহাবি তার সাথে একমত হয়েছেন)

এই হাদিসে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, স্বাস্থ্য, সময় আর জীবন — এই তিনটি বিষয়কে সম্পদের আগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, ইসলামের দৃষ্টিতে এই নিয়ামতগুলো টাকার চেয়েও মূল্যবান।

জ্ঞান এবং ঈমানও রিযিকের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যে হৃদয়ে ঈমানের আলো আছে এবং যে মস্তিষ্কে হকের জ্ঞান আছে, সে প্রকৃত অর্থে সবচেয়ে বড় ধনী, কারণ তার কাছে এমন কিছু আছে যা মৃত্যুর পরও তার সাথে থাকবে। সময়কে ছবিতেও আলাদা করে দেখানো হয়েছে, কারণ সময় এমন এক নিয়ামত যা ফিরিয়ে আনা যায় না। একবার চলে গেলে তা আর ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই।

ভালোবাসা, পরিবার, সন্তান, বন্ধু এবং জীবনসঙ্গী — এই সম্পর্কগুলো মানুষকে সেই আসল সচ্ছলতা দেয়, যার কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لَيْسَ الْغِنَى عَنْ كَثْرَةِ الْعَرَضِ وَلَكِنَّ الْغِنَى غِنَى النَّفْسِ

"প্রকৃত সচ্ছলতা সম্পদের প্রাচুর্যে নয়, বরং প্রকৃত সচ্ছলতা হলো অন্তরের সচ্ছলতা।" (সহি বুখারি, হাদিস ৬৪৪৬; সহি মুসলিম, হাদিস ১০৫১)

এই হাদিসটি রিযিকের পুরো ধারণাকে একটি বাক্যে সংক্ষিপ্ত করে দেয়। যে ব্যক্তির অন্তরে তৃপ্তি নেই, সে যত টাকাই অর্জন করুক না কেন, সে দরিদ্রই থেকে যায়। আর যার অন্তরে কানাআত বা তৃপ্তি আছে, সে সামান্য নিয়ামতেই প্রকৃত ধনী।

সৎকর্মও রিযিকের একটি অংশ, কারণ ভালো কাজ মানুষের আখিরাতের সঞ্চয়। দুনিয়ার সম্পদ দুনিয়াতেই থেকে যাবে, কিন্তু সৎকর্ম মানুষের সাথে কবরে যাবে এবং কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হবে। এভাবে দেখা যায়, ছবিতে যে গাছের প্রতিটি ডালের কথা বলা হয়েছে, প্রতিটিই আসলে একেকটি নিয়ামত, যা মিলেমিশে একজন মানুষের প্রকৃত সচ্ছলতা তৈরি করে।

মুমিনের জন্য শিক্ষা এখানেই — যখন আমরা রিযিক চাই আল্লাহর কাছে, তখন যেন শুধু অর্থের কথা না ভাবি। বরং দুআ করি এমন এক জীবনের জন্য, যা স্বাস্থ্যে, ঈমানে, জ্ঞানে, সময়ের বরকতে, পরিবারের ভালোবাসায় এবং সৎকর্মে পরিপূর্ণ। কারণ যে জীবনে এসব নিয়ামত আছে, সে জীবন প্রকৃত অর্থেই সেই ছায়াবৃক্ষের মতো, যার শিকড় গভীরে প্রোথিত এবং যার ফল দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায় পাওয়া যায়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রকৃত রিযিকের সেই বৃক্ষ হয়ে উঠার তাওফিক দান করুন, যেখানে টাকার পাশাপাশি ঈমান, স্বাস্থ্য, সময়, জ্ঞান, পরিবার আর সৎকর্মও সমানভাবে সমৃদ্ধ হয়। আমিন।

22/08/2026

゚viralシ

21/08/2026
20/08/2026

ইসলামিক সংগীত

20/08/2026

゚viralシ

20/08/2026

কোরআন তেলওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে নসিহত,,,,

18/08/2026

বাইতুল মোকাররম মসজিদের আজান
💜🌸💜
゚viralシ #জাতীয়_মসজিদ_ঢাকা

Address

Chuadanga
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বড় শলুয়া দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category