মদীনাতুল উলুম কওমী মহিলা মাদরাসা, বয়লা,কিশোরগঞ্জ

  • Home
  • Bangladesh
  • Kishoreganj
  • মদীনাতুল উলুম কওমী মহিলা মাদরাসা, বয়লা,কিশোরগঞ্জ

মদীনাতুল উলুম কওমী মহিলা মাদরাসা, বয়লা,কিশোরগঞ্জ প্রচার প্রসার
(1)

31/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ

27/05/2026

সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!

03/05/2026
23/04/2026

● উর্দু কা কায়দা’ কিতাব যেভাবে পড়াবেন

১. প্রথম কিছুদিন প্রতিটি শব্দ শুদ্ধ উচ্চারণ ও অর্থসহ পড়াবেন৷ আপনি বলবেন, শিশুরা শুনে শুনে উচ্চ আওয়াজে পড়বে৷ এতে শব্দের উচ্চারণ ও অর্থ মনে গেঁথে যাবে।

২. অর্থ বলার সময় কঠিন শব্দগুলোর বিশুদ্ধ বানান বোর্ডে লিখে দিতে হবে।

৩. দরসেই সম্ভব হলে সবাইকে দিয়ে তাকরার করাতে হবে৷ সময় কম থাকলে কমপক্ষে পাঁচ-ছয়জনকে দিয়ে ইজরা করিয়ে নিতে হবে৷

৪. পরদিন সবাই উর্দু শব্দ ও অর্থ নির্ধারিত খাতায় লিখে আনবে। শিক্ষক প্রত্যেকের খাতা দেখবেন৷ অর্থের ভুল চিহ্নিত করার পাশাপাশি অশুদ্ধ বানানগুলোও চিহ্নিত করে দেবেন৷

সবাইকে সতর্ক করবেন— পরীক্ষার খাতায় দুই বানান ভুলে এক নম্বর কাটা যাবে; তাই সবাই বিষয়টি গুরুত্ব দেবে।
.

৫. তৃতীয় দিন সবাই আলাদা পৃষ্ঠায় আগের দিনের চিহ্নিত ভুল বানান এক পাশে, আরেক পাশে শুদ্ধ বানান লিখে আনবে। এ লেখার ফলে শুদ্ধ বানান তাদের মনে বসে যাবে৷

৬. শেষ দিকে উর্দু ইবারত ছাত্ররাই পড়বে। শিক্ষক শুধু অনুবাদ করে দেবেন। তখনও খাতায় লেখার নিয়ম অব্যাহত থাকবে।

৭. উর্দু পহেলি শুরু হলে উর্দু ইবারত ছাত্ররাই পড়বে। আটকে গেলে শিক্ষক বলে দেবেন। তিনি শুদ্ধ উচ্চারণ করানোর চেষ্টা করবেন। অনুবাদ যেখানে সহজ, সেখানে ছাত্ররাই করবে; অন্যথায় শিক্ষক বলে দেবেন৷

৮. উর্দু পহেলির শুরুতে আকিদার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা রয়েছে, এর চেয়ে সহজ আর হতেই পারে না। এগুলো পড়ানোর সময় প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনা করা চাই৷ যাতে শিশুকাল থেকেই আকিদার প্রাথমিক বিষয়ে শিশুদের ধারণা হয়ে যায়।

৯. এ পর্যায়ে এসে শুধু অনুবাদ লেখানো চাই। বানান শুদ্ধিকরণের কাজ এখানেও করতে হবে৷

১০. উর্দু পহেলির শেষের দিকে এসে ছাত্রদের বিভিন্ন সহজ বিষয়ে উর্দুতে প্রবন্ধ লেখানোর চেষ্টা করতে হবে৷

১১. এরপর প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু উর্দু ব্যাকরণ ধরিয়ে দিতে হবে। যেমন— কোথায় ‘কা’ হবে, কোথায় ‘কি’ হবে, কোথায় ‘কে’ হবে! ইত্যাদি৷

১২. তারানা, হাদিসসহ বাছাইকৃত বিভিন্ন অংশ মুখস্থ করানো চাই৷

১৩. উর্দু পহেলি শেষ হওয়ার পর এক দরসেই তালিমুল ইসলাম আর উর্দু দোসরি পড়ানো চাই৷ এভাবেই বছর শেষ হবে— একদিকে উর্দু, আরেকদিকে তালিমুল ইসলাম।

১৪. তালিমুল ইসলামের প্রশ্নোত্তরগুলো বাংলায় লেখাতে হবে। এ কিতাব সম্পূর্ণই অনুবাদ মুখস্থ করানো চাই৷

21/04/2026

এস এস সি ও দাখিল পরীক্ষা ২০২৬ ইং এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য আন্তরিক দোয়া ও শুভ কামনা রইল।

20/04/2026

শাইখুত তাফসীর হযরত মাওলানা আহমদ আলী লাহোরী রহ. বলতেন

আমি যদি স্টেশনে পৌঁছি, ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, আমার এক পা পাদানিতে আরেক পা প্ল্যাটফর্মে, গার্ড সিটি দিয়ে দিয়েছে, ট্রেন চলতে শুরু করেছে—এমন সময় কেউ দৌড়ে এসে বলে, ‘আহমদ আলী! আল্লাহর কুরআন বুঝিয়ে যান।’

তাহলে আমি আমার অন্য পা পাদানিতে তোলার আগে তাকে পুরো কুরআনের সারসংক্ষেপ বুঝিয়ে দিয়ে যাব।

তখন কেউ জিজ্ঞেস করল, হযরত! কুরআনের ত্রিশ পারা এত অল্প সময়ে কীভাবে বুঝানো সম্ভব?

তিনি বললেন, কুরআনের সারমর্ম তিনটি বিষয়ের মধ্যে নিহিত—

১. রবকে সন্তুষ্ট করা—ইবাদতের মাধ্যমে।
২. রাসূল ﷺ-কে সন্তুষ্ট করা—তাঁর আনুগত্যের মাধ্যমে।
৩. আল্লাহর সৃষ্টি (মানুষ)-কে সন্তুষ্ট করা—তাদের খেদমত বা সেবার মাধ্যমে।
#খুতুবাত

13/04/2026

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উম্মুল মাদারিস জামিয়া আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর মহাপরিচালকের দিক-নির্দেশনামূলক নসীহত

সাফল্যের সোপান: ইলম, আমল ও শৃঙ্খলা
--------------------------------
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ, আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর ১৪৪৭-৪৮ হিজরি শিক্ষাবর্ষের শুভ সূচনা হয়েছে। আগামীকাল ১১ অক্টোবর (শনিবার) থেকে জামিয়ার মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতকসহ সকল স্তরের নিয়মিত দরস শুরু হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। এই বরকতময় ক্ষণে জামিয়ার মহাপরিচালক, শায়খুল হাদীস হযরত আল্লামা মুফতি খলীল আহমদ কাসেমী কুরাইশী (দা.বা.) শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত নসীহত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন-

▬ ১. ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার ও আত্মিক প্রস্তুতি

"আপনারা আজ এমন এক পবিত্র ভূমি ও ইলমি চত্বরে পদার্পণ করেছেন, যা যুগ যুগ ধরে আসলাফ ও আকাবিরদের রিয়াজত, মোজাহাদা ও চোখের পানিতে সিক্ত হয়েছে। এই 'উম্মুল মাদারিস'-এর প্রতিটি ধূলিকণায় আমাদের মহান মুরুব্বীদের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সুতরাং নিজেদের নিয়তকে খালেস করুন এবং এই মহান ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে নিজেদের ধন্য মনে করে পূর্ণ একাগ্রতার সাথে ইলম অর্জনে আত্মনিয়োগ করুন।"

▬ ২. কঠোর অধ্যবসায় ও সময়ের আমানত

"আপনারা দ্বীনের বৃহৎ পরিসরে খেদমত করার মহান সংকল্প নিয়ে মাদ্রাসার এই জিন্দেগিকে বেছে নিয়েছেন। এই ত্যাগের সার্থকতা তখনই আসবে যখন আপনারা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবেন। দরসে নিয়মিত উপস্থিতি এবং গভীর রাত পর্যন্ত কিতাব মুতালায়া (গবেষণা) ও তাকরার করা একজন তালিবে ইলমের প্রধান অলঙ্কার। সময়ের প্রতিটি মুহূর্তকে মহান আল্লাহর আমানত মনে করে তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।"

▬ ৩. আদব ও জামিয়ার শৃঙ্খলা রক্ষা

"আল-আদাবু ফাউকাল ইলম, অর্থাৎ আদব ইলমের চেয়েও ঊর্ধ্বে। জামিয়ার সকল উস্তাদ, কর্মকর্তা ও দায়িত্বশীলদের প্রতি সর্বোচ্চ বিনয় ও শ্রদ্ধা বজায় রাখতে হবে। সাথীদের সাথে সদাচরণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং জামিয়ার অভ্যন্তরীণ প্রতিটি আইন ও শৃঙ্খলা কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য। বিনা প্রয়োজনে বাইরে ঘোরাফেরা বা বাজারে আড্ডা দেওয়া একজন তালিবে ইলমের আখলাক, গাম্ভীর্য ও ব্যক্তিত্বের পরিপন্থী।"

▬ ৪. প্রযুক্তি ও স্মার্টফোনের ভয়াবহতা

"শিক্ষা জীবনে স্মার্টফোন তালিবে ইলমদের মেধা ও আখলাকের জন্য মারাত্মক বিষের মতো। জামিয়া ক্যাম্পাসে স্মার্টফোন রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে মানবিক ও জরুরি প্রয়োজনে অভিভাবকের সাথে যোগাযোগের জন্য আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত কেবল 'বাটন ফোন' ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। এই নিয়মের ব্যতয় ঘটলে জামিয়া কর্তৃপক্ষ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হবে। মনে রাখবেন, আপনাদের কল্যাণ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থেই এই কঠোরতা।"

▬ ৫. ডিজিটাল ফিতনা ও সাইবার সচেতনতা

"বর্তমান সময়ের অন্যতম ফেতনা হলো সোশ্যাল মিডিয়া। তালেবে ইলমদের জন্য ফেসবুক-ইউটিউবের অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, কাদা-ছোড়াছুড়ি এবং রাজনৈতিক তর্কে জড়ানো অত্যন্ত ক্ষতিকর। আপনাদের প্রধান কাজ এখন শৃঙ্খলা ও মনোযোগধরে রেখে ইলম ও আমলের ময়দানে নিজেদের প্রস্তুত করা। ডিজিটাল জগতের বিভ্রান্তি থেকে নিজেদের অন্তরকে হেফাজত করাও এই সময়ের অন্যতম বড় জিহাদ।"

▬ ৬. আমলি জিন্দেগি ও সুন্নাতের পাবন্দী

"কেবল কিতাবী ইলমই যথেষ্ট নয়। আপনাদের অবশ্যই জামাতে তাকবীরে উলার সাথে নামাজ আদায় করতে হবে। প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় কুরআন তিলাওয়াত এবং সুন্নাতভিত্তিক জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তুলুন। রাত ১০টার মধ্যে বিশ্রাম নিয়ে শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ ও কিতাব মুতালায়ার বরকতময় সময়টিকে কাজে লাগান। আমলহীন ইলম কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না।"

▬ ৭. পরিচ্ছন্নতা ও সুস্থতার যত্ন

"ইলম অর্জনের জন্য সুস্থতা অপরিহার্য। আপনারা আপনাদের কামরা, আঙিনা এবং নিজেদের পোশাক-পরিচ্ছদ পরিচ্ছন্ন রাখবেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ এবং এটি একাগ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে। জামিয়া অঙ্গনের সুন্দর পরিবেশ সুরক্ষায় প্রতিটি ছাত্রকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতে হবে।"

▬ ৮. বাতিল ফেরকা ও সমকালীন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা

"ইসলামকে কলঙ্কিত করতে এবং মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে নানামুখী বাতিল ফেরকার প্রতিনিয়ত উত্থান ঘটছে। এসব ফিতনা ও অপতৎপরতা রুখতে হলে আপনাদের ইলমে ফিকহ, আকাইদ ও ইসলামের মৌলিক জ্ঞানসহ আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমকালীন বিষয়েও গভীর পারদর্শিতা অর্জন করতে হবে। যোগ্য আলেম ও দক্ষ রাহবার হওয়া সময়ের দাবি।"

▬ ৯. উস্তাদদের দোয়া ও কিতাবের মর্যাদা

"মনে রাখবেন, কেবল মেধা দিয়ে ইলম অর্জন হয় না, বরং উস্তাদদের নেক দুআ ও তাঁদের সন্তুষ্টিই হলো ইলমের আসল বরকত। দরসে ও দরসের বাইরে তাঁদের খেদমতের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। পাশাপাশি মাদ্রাসার কুতুবখানা আমাদের আকাবিরদের আমানত; কিতাবকে প্রাণের চেয়েও প্রিয় জ্ঞান করবেন এবং এর সর্বোচ্চ আদব রক্ষা করবেন।"

পরিশেষে জামিয়া মহাপরিচালক হযরত আল্লামা মুফতি খলীল আহমদ কাসেমী (দা.বা.) দোয়া করে বলেন, "আজ ইসলাম ও উম্মাহর এই সংকটকালে কওম আপনাদের নেতৃত্বের অপেক্ষায় আছে। আপনারা যদি ইলম ও আমলে কামালাত (পূর্ণতা) অর্জন করতে পারেন, তবেই আপনারা উম্মাহর পথপ্রদর্শক হতে পারবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আপনাদের ইলম ও আমলে বরকত দান করুন, আপনাদেরকে সহীহ-সালামতে এবং দ্বীনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমীন।
-----------------------
অনুলিখনে: মাওলানা মুনির আহমদ
শিক্ষক- উচ্চতর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী।
নির্বাহী সম্পাদক- মাসিক মুঈনুল ইসলাম।

12/04/2026

(জিনস) جِنْسُ এর আলোচনা
মুহাদ্দিস ইব্রাহিম খলিল
----------------------------------------
জিনস মোট ১৫ প্রকার
১. সহীহ (صَحِيح), ২. মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء),
৩. মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين),
৪. মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام)
৫. মিছাল (مِثَال),
৬. আযওয়াফ (اَجْوَف),
৭. নাকিস (نَاقِص),
৮. লাফিফে মাকরুন (لَفِيْف مَقْرُون),
৯. লাফিফে মাফরুক (لَفِيْف مَفروق),
১০. মুতালে ওয়াও (واوي),
১১. মুতালে আলিফ (الف),
১২. মুতালে ইয়া (يائي),
১৩. মুযআফে সুলাসী (مُضَاعَف ثُلَاثِي),
১৪. মুযআফে রুবাঈ (مُضَاعَف رُبَاعِي) ,
১৫. মুরাক্কাব (مُرَكَّبٌ)।

বিস্তারিত আলোচনা-
১. সহীহ (صَحِيح) এর আলোচনা
সহীহ (صَحِيح) : হামযাহ, হরফে ইল্লত এবং এক মুযাপ থেকে মুক্ত হওয়াকে সহিহ বলে।
যেমন- جَلَسَ، قَعَدَ، طَلَبَ

২. মাহমুয (مَهْمُوز) এর আলোচনা:
মাহমুয (مَهْمُوْز): যে শব্দের মূল অক্ষরে হামযাহ পাওয়া যায় তাকে মাহমুয বলে।
যেমন- أنف، سأل، قرأ

মাহমুয (مَهْمُوز) তিন প্রকার-
ক. মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء),
খ. মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين),
গ. মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام)।

মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء): শব্দের মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হামযাহ থাকলে তাকে “মাহমুযে ফা” বলে।
যথা- أنف، أكل

মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين): শব্দের মূল অক্ষরের “আইন” কালিমায় হামযাহ থাকলে “মাহমুযে আইন” বলে। যথা- سأل

মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام): শব্দের মূল অক্ষরের “লাম” কালিমায় হামযাহ থাকলে তাকে “মাহমুযে লাম” বলে।
যথা- قرأ، نبأ

৩. মু‘তাল (مُعْتَل) এর আলোচনা:
মু‘তাল (مُعْتَلْ): যে শব্দের মূল অক্ষরে (حرف علة)হরফে ইল্লাত পাওয়া যায় তাকে মু‘তাল বলে।

হরফে ইল্লাত তিনটি- واو، الف، ياء
(ওয়াও, আলিফ, ইয়া)।

মুতাল مُعْتَل চার প্রকার-
(১) مِثَال(মিছাল), (২) اَجْوَف(আযওয়াফ),
(৩) نَاقِص(নাকিস), (৪) لَفِيف (লাফিফ)।
ক. শব্দের মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে مثالমিছাল বলে।
যেমন- ولد، يسر
খ. শব্দের মূল অক্ষরের “আইন” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে اَجْوَفআযওয়াপ বলে।
যেমন- كيد، قول
গ. শব্দের মূল অক্ষরের “লাম” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে ناقصনাকিছ বলা হয়।
যেমন- هدي، خزي
ঘ. لَفِيْف লাফিফ: শব্দের মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লাত থাকলে তাকে “লাফিফ” বলে।
যেমন- وقي، ولي، وصي

লাফিফ لَفِيْف দুই প্রকার-
(১) لَفِيْف مَقْرُون (২) لَفِيْف مَفْرُوق
ক. শব্দের মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লাত একই শব্দে পাশাপাশি থাকলে তাকে لَفِيْف مَقْرُون বলে।
যেমন- يوم، هوي
খ. শব্দের মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লাত শব্দের দুপাশে থাকলে তাকে لَفِيْف مَفْرُوق বলা হয়।
যেমন- وصی، ولي، وقي

৪. مُضَاعَف (মুযাফ) এর আলোচনা:
মুযাফ مُضَاعَف (মুযাফ): মূল অক্ষরের মধ্যে একজাতীয় দুটি অক্ষর থাকলে তাকে “মু‘যাফ” বলে।

মুযাফ مُضَاعَف দুই প্রকার-
(১) مُضَاعَف ثُلَاثِي (২) مُضَاعَف رُبَاعِي

ক. তিন অক্ষর বিশিষ্ট শব্দের মধ্যে এক জাতীয় দুইটি অক্ষর থাকলে তাকে مُضَاعَف ثُلَاثِي বলে।
যেমন- حج (ح ج ج) ، مد(م د د)
খ. আর চার অক্ষর বিশিষ্ট শব্দের মধ্যে এক জাতীয় দুইটি অক্ষর থাকলে তাকে مُضَاعَف رُبَاعِي বলে।
যেমন- كبكب، دمدم

বি.দ্র: আরবীতে সাধারণত তিন অক্ষরের নিচে মূল অক্ষর হয় না, তিন অক্ষরের নিচে তথা দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দসমূহের দ্বিতীয় অক্ষরকে তাশদীদসহ উচ্চারণ করতে হয়।
যেমন: جَنَّ = جَنْنَ، حَجَّ = حَجْجَ، سَنَّ = سَنْنَ

এক বাক্যে জিনসের جِنْسُ আলোচনা:
+++++++++++++++++++++++++
১. প্রশ্ন: جِنْسُ কতো প্রকার?
উত্তর :جِنْسُ মোট ১৫ প্রকার।
২. প্রশ্ন: জিনসের প্রকারগুলো?
১. (صَحِيح), ২. (مَهْمُوْزِ فاء), ৩. (مَهْمُوزِ عين), ৪. (مَهْمُوز لام) ৫. (مِثَال), ৬. (اَجْوَف), ৭. (نَاقِص), ৮. (لَفِيْف مَقْرُون), ৯. (لَفِيْف مَفروق), ১০. (واوي), ১১. (الف), ১২. (يائي), ১৩. (مُضَاعَف ثُلَاثِي), ১৪. (مُضَاعَف رُبَاعِي) , ১৫. (مُرَكَّبٌ)।
৩. প্রশ্ন: সহীহ (صَحِيح) কাকে বলে?
উত্তর : হামযাহ, হরফে ইল্লত এবং মুযাপ থেকে মুক্ত হওয়া।
৪. প্রশ্ন: সহীহ (صَحِيح) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর :جَلَسَ، قَعَدَ، طَلَبَ
৫. প্রশ্ন: মাহমুয (مَهْمُوْز) কাকে বলে?
উত্তর : যে শব্দের মূল অক্ষরে হামযাহ পাওয়া যায় তাকে মাহমুয বলে।
৬. প্রশ্ন: মাহমুয (مَهْمُوْز) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : أنف، سأل، قرأ
৭. প্রশ্ন: মাহমুয (مَهْمُوْز) কতো প্রকার?
উত্তর : তিন প্রকার।
৮. প্রশ্ন: মাহমুয (مَهْمُوْز) এর প্রকারসমূহ লেখো।
উত্তর : ১. (مَهْمُوْزِ فاء), ২. (مَهْمُوزِ عين), ৩. (مَهْمُوز لام)
৯. প্রশ্ন: মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء) কাকে বলে?
মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হামযাহ থাকলে তাকে “মাহমুযে ফা” বলে।
১০. প্রশ্ন: মাহমুযে ফা (مَهْمُوْزِ فاء) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : أنف، أكل
১১. প্রশ্ন: মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين) কাকে বলে?
মূল অক্ষরের “আইন” কালিমায় হামযাহ থাকলে “মাহমুযে আইন” বলে।
১২. প্রশ্ন: মাহমুযে আইন (مَهْمُوزِ عين) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যথা- سأل
১৩. প্রশ্ন: মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام) কাকে বলে?
মূল অক্ষরের “লাম” কালিমায় হামযাহ থাকলে “মাহমুযে লাম” বলে।
১৪. প্রশ্ন: মাহমুযে লাম (مَهْمُوز لام) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যথা- قرأ، نبأ
১৫. প্রশ্ন: مُعْتَلْ কাকে বলে?
মূল অক্ষরে (حرف علة)হরফে ইল্লাত পাওয়া যায় তাকে মু‘তাল বলে।
১৬. প্রশ্ন: حرف علة কাকে বলে?
উত্তর : যে সমস্ত আরবী বর্ণমালা হরফে ইল্লাত বা হারাকাত এর সাহায্য ব্যতীত নিজে নিজেই উচ্চারিত হতে পারে, তাদেরকে হুরুফুল ইল্লাত বলে। বাংলায় যাকে স্বরবর্ণ এবং ইংরেজিতে ঠড়বিষ বলে।
১৭. প্রশ্ন: حرف علة কয়টি?
উত্তর : তিনটি।
১৮. প্রশ্ন: حرف علة গুলো লেখো।
উত্তর : واو، الف، ياء (ওয়াও, আলিফ, ইয়া)।
১৯. প্রশ্ন: مُعْتَلْ এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- كيد، قول
২০. প্রশ্ন: مُعْتَلْ কতো প্রকার?
উত্তর : চার প্রকার।
২১. প্রশ্ন: مُعْتَلْ এর প্রকারসমূহ লেখো।
উত্তর : (১) مِثَال(মিছাল), (২) اَجْوَف(আযওয়াফ),
(৩) نَاقِص (নাকিস), (৪) لَفِيف (লাফিফ)।
২২. প্রশ্ন: مِثَال (মিছাল) কাকে বলে?
মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে مثالমিছাল বলে।
২৩. প্রশ্ন: مِثَال (মিছাল) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- ولد, يسر
২৪. প্রশ্ন: اَجْوَف (আযওয়াফ) কাকে বলে?॥
উত্তর : “আইন” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে তাকে اَجْوَفবলে।
২৫. প্রশ্ন: اَجْوَف (আযওয়াফ) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- كيد, قول
২৬. প্রশ্ন: نَاقِص (নাকিস) কাকে বলে?
মূল অক্ষরের “লাম” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে ناقص বলা হয়।
২৭. প্রশ্ন: نَاقِص (নাকিস) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- هدي– خزي
২৮. প্রশ্ন: لَفِيف (লাফিফ) কাকে বলে?
মূল অক্ষরের “ফা” কালিমায় হরফে ইল্লাত আসলে لَفِيف বলে।
২৯. প্রশ্ন: لَفِيف (লাফিফ) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- وقي، ولي، وصي
৩০. প্রশ্ন: لَفِيْف লাফিফ কতো প্রকার?
উত্তর : দুই প্রকার।
৩১. প্রশ্ন: لَفِيْف লাফিফ এর প্রকারসমূহ লেখো।
উত্তর : (১) لَفِيْف مَقْرُون (২) لَفِيْف مَفْرُوق
৩২. প্রশ্ন: لَفِيْف مَقْرُون কাকে বলে?
মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লাত এক শব্দে পাশাপাশি হলে لَفِيْف مَقْرُون
৩৩. প্রশ্ন: لَفِيْف مَقْرُون এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : يوم، هوي
৩৪. প্রশ্ন: لَفِيْف مَفْرُوق কাকে বলে?
উত্তর : শব্দের মূল অক্ষরে দুটি হরফে ইল্লাত শব্দের দুপাশে থাকলে।
৩৫. প্রশ্ন: لَفِيْف مَفْرُوق এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- وصی، ولي، وقي
৩৬. প্রশ্ন: مُضَاعَف(মুযাফ) কাকে বলে?
উত্তর : মূল অক্ষরের মধ্যে একজাতীয় দুটি অক্ষর থাকলে।
৩৭. প্রশ্ন : مُضَاعَف (মুযাফ) এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : حج (ح ج ج) ، مد(م د د)
৩৮. প্রশ্ন: مُضَاعَف (মুযাফ) কতো প্রকার?
উত্তর : দুই প্রকার।
৩৯. প্রশ্ন: مُضَاعَف (মুযাফ) এর প্রকারসমূহ লেখো।
উত্তর : (১) مُضَاعَف ثُلَاثِي (২) مُضَاعَف رُبَاعِي
৪০. প্রশ্ন: مُضَاعَف ثُلَاثِيকাকে বলে?
উত্তর : তিন অক্ষর বিশিষ্ট শব্দের মধ্যে এক জাতীয় দুটি অক্ষর থাকলে।
৪১. প্রশ্ন: مُضَاعَف ثُلَاثِي এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- حج (ح ج ج) ، مد(م د د)
৪২. প্রশ্ন: مُضَاعَف رُبَاعِيকাকে বলে?
উত্তর : চার অক্ষর বিশিষ্ট শব্দের মধ্যে এক জাতীয় দুইটি অক্ষর থাকলে।
৪৩. প্রশ্ন: مُضَاعَف رُبَاعِي এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : যেমন- كبكب، دمدم
৪৪. প্রশ্ন: بَأسٌ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مهموز عين
৪৫. প্রশ্ন: جَنَّ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مضاعف ثلاثي
৪৬. প্রশ্ন: أكَلَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مهموز فاء
৪৭. প্রশ্ন: وَجَدَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مثال واوي
৪৮. প্রশ্ন: زَلْزَلَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مضاعف رباعي
৪৯. প্রশ্ন: يُسْرٌ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مثال يائي
৫০. প্রশ্ন: مَوْتٌ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : اجوف واوي
৫১. প্রশ্ন: ذَبْذَبَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : مضاعف رباعي
৫২. প্রশ্ন: جَلَسَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : صحيح
৫৩. প্রশ্ন: قَوِيٌّ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : لفيف مقرون
৫৪. প্রশ্ন: سَعْيَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : ناقص يأي
৫৫. প্রশ্ন: نَظَرَ শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : صحيح
৫৬. প্রশ্ন: وَصَي শব্দের জিনস লেখো।
উত্তর : لفيف مفروق

নিচের শব্দগুলোর জিনস নির্ণয় করো
أثَرٌ– بَأسٌ– وَلَّفَ–جَلَسَ- خَفَّ - قَرَأ– حَثَّ - أمَنَ– جَنَّ- سَألَ–ذَهَبَ- حَسَّ – زَلْزَلَ- نَبَأ – أكَلَ – أجَرٌ – حَجَّ – صَدَّ- وَجَدَ- كَبْكَبَ– شَيْخٌ– يُسْرٌ– سُوْمٌ– مَوْتٌ–وَرْدٌ– سِيْرٌ– صَوْمٌ– ذَبْذَبَ– قُرْبٌ– عَوْدٌ–عَدُوٌّ– طَيْرٌ–سَوِيٌّ- قَعَدَ- شَرِبَ- قَوِيٌّ - وَفَي - عَسْعَسَ- خَوْفٌ –وَعَظَ –خَيْرٌ –تَلْوٌ –دِيْنٌ– سَعْيَ- نَظَرَ– هَوَي – لَقِيَ– هَدْيٌ– خِزْيٌّ– وَصَي-

Address

Kishoreganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মদীনাতুল উলুম কওমী মহিলা মাদরাসা, বয়লা,কিশোরগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category