19/05/2026
জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন বছরের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দিনগুলোর একটা। রাসূল ﷺ বলেছেন, এই দিনগুলোর আমল আল্লাহর কাছে অন্য কোনো দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয়। [সহীহ বুখারী: ৯৬৯]
*জিলহজ্জের ১ম ১০ দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো:*
*১. নফল রোজা রাখা*
বিশেষ করে ১ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা সুন্নত। ৯ তারিখ হলো আরাফার দিন।
রাসূল ﷺ বলেছেন, আরাফার দিনের রোজা আগের ১ বছর ও পরের ১ বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়। [সহীহ মুসলিম: ১৬২]
যদি পুরো ৯টা রোজা রাখতে না পারো, তাহলে অন্তত আরাফার দিনের রোজাটা রাখার চেষ্টা করো।
*২. বেশি যিকির করা*
এই দিনগুলোতে তাকবির, তাহমিদ, তাহলিল, তাসবিহ বেশি পড়া সুন্নত।
তাকবির: _আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ_
৮ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর এই তাকবির পড়া ওয়াজিব।
*৩. কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়া*
যেহেতু নেক আমলের সওয়াব কয়েকগুণ বেড়ে যায়, তাই কুরআন পড়া, দোয়া, ইস্তিগফার বাড়িয়ে দাও।
*৪. সাদাকা করা*
গরিব-মিসকিনকে সাহায্য করো। এই দিনগুলোতে ১ টাকা দান করলেও অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সওয়াব পাবে।
*৫. কুরবানি করা*
যার সামর্থ্য আছে তার জন্য ১০ জিলহজ্জ ঈদের দিন কুরবানি করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা।
যারা কুরবানি দেবে তারা ১ জিলহজ্জ থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত নখ-চুল না কাটা মুস্তাহাব।
*৬. তওবা ও নফল নামাজ*
গুনাহ থেকে তওবা করো। তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশতের নফল নামাজ পড়ো।
*৭. হজ ও উমরাহ*
যারা হজে যাচ্ছে তাদের জন্য এটাই মূল আমল। যারা যাচ্ছে না তারা হাজীদের জন্য দোয়া করুন।
#জিলহজ্ব #কুরবানী #আরাফা #ঈদুল_আজহা #ঈদ