Update Fatawa

Update Fatawa না জেনে হাজার আমল করা থেকে, জেনে একটা আমল করা উত্তম!

যিলহজ্ব শুরু হলে নখ-চুল না কাটিআমারও সাদৃশ্য হোক হাজীদের সাথেইহরাম করার পর হাজ্বী সাহেবদের জন্য নখ-চুল কাটাসহ আরো কিছু ব...
28/05/2025

যিলহজ্ব শুরু হলে নখ-চুল না কাটি

আমারও সাদৃশ্য হোক হাজীদের সাথে

ইহরাম করার পর হাজ্বী সাহেবদের জন্য নখ-চুল কাটাসহ আরো কিছু বিষয় নিষেধ। কিন্তু যারা হজ্বে যাননি তাদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে যিলহজ্বের প্রথম দশকে নখ-চুল না কাটার মাধ্যমে অন্যরাও সাদৃশ্য অবলম্বন করতে পারে হাজ্বী সাহেবদের সাথে এবং লাভ করতে পারে বিশেষ ফযীলত। হাদীস শরীফে এ আমলের ফযীলত বর্ণিত হয়েছে-

عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنّ النّبِيّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ قَالَ: إِذَا رَأَيْتُمْ هِلَالَ ذِي الْحِجّةِ، وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ، فَلْيُمْسِكْ عَنْ شَعْرِهِ وَأَظْفَارِهِ.

উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন যিলহজ্বের দশক শুরু হবে তখন তোমাদের মধ্যে যে কুরবানী করবে সে যেন তার চুল নখ না কাটে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৭৭; জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫২৩

এই হাদীসের উপর ভিত্তি করে ফকীহগণ কুরবানীকারীর জন্য নখ-চুল না কাটাকে মুস্তাহাব বলেছেন। তাই যিলকদ মাসেই চুল-নখ কেটে যিলহজ্বের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা চাই। যাতে তা বেশি লম্বা হয়ে না যায়, যা সুন্নতের খেলাফ।

আর যে ব্যক্তি কুরবানী করবে না তার জন্য এ হুকুম প্রযোজ্য কি না- এ ব্যাপারে কেউ কেউ বলেছেন, এ হুকুম কেবলমাত্র কুরবানীকারীদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের দলীল পূর্বোক্ত হাদীস। আর কেউ কেউ বলেন, কুরবানী যারা করবে না তাদের জন্যও এ আমল রয়েছে। আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত-

أَنّ رَسُولَ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ قَالَ لِرَجُلٍ: أُمِرْتُ بِيَوْمِ الْأَضْحَى عِيدًا جَعَلَهُ اللهُ عَزَّ وَجَلّ لِهَذِهِ الْأُمّةِ، فَقَالَ الرّجُلُ: أَرَأَيْتَ إِنْ لَمْ أَجِدْ إِلّا مَنِيحَةً أُنْثَى أَفَأُضَحِّي بِهَا؟ قَالَ: لَا، وَلَكِنْ تَأْخُذُ مِنْ شَعْرِكَ، وَتُقَلِّمُ أَظْفَارَكَ، وَتَقُصّ شَارِبَكَ، وَتَحْلِقُ عَانَتَكَ، فَذَلِكَ تَمَامُ أُضْحِيَّتِكَ عِنْدَ اللهِ عَزّ وَجَلّ.

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাকে কুরবানীর দিবসে ঈদ (পালনের) আদেশ করা হয়েছে, যা আল্লাহ এ উম্মতের জন্য নির্ধারণ করেছেন। এক সাহাবী আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানীহা থাকে (অর্থাৎ অন্যের থেকে নেওয়া দুগ্ধ দানকারী উটনী) আমি কি তা কুরবানী করব? নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, তবে তুমি চুল, নখ ও মোঁচ কাটবে এবং নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহর দরবারে তোমার পূর্ণ কুরবানী বলে গণ্য হবে। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৮৯; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ৪৩৬৫

এই হাদীসে যেহেতু কুরবানীর দিন চুল-নখ কাটার কথা আছে তাহলে এর আগে না কাটার দিকে ইঙ্গিত বুঝা যায়।

২. ওলীদ বিন মুসলিম বলেন, আমি মুহাম্মাদ বিন আজলানকে যিলহজ্বের দশকে চুল কাটা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, আমাকে নাফে রাহ. বলেছেন-

أَنّ ابْنَ عُمَرَ، مَرّ بِامْرَأَةٍ تَأْخُذُ مِنْ شَعْرِ ابْنِهَا فِي أَيّامِ الْعَشْرِ فَقَالَ: لَوْ أَخّرْتِيهِ إِلَى يَوْمِ النّحْرِ كَانَ أَحْسَنَ.

আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. এক নারীর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। মহিলাটি যিলহজ্বের দশকের ভেতর তার সন্তানের চুল কেটে দিচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, যদি ঈদের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে তবে বড় ভাল হত। -মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ৭৫২০

❤️❤️❤️ সুতরাং আগামীকাল সন্ধ্যার আগে আমরা চুল, নখ, শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করে নিবো। যাতে জিলহজ্ব মাসের প্রথম নয় দিন এগুলো না কাটতে হয়।❤️❤️❤️

প্রশ্ন ঃ কোন্ কোন্ পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে?উত্তর :  উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয। এসব...
27/05/2025

প্রশ্ন ঃ কোন্ কোন্ পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে?

উত্তর : উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু যেমন হরিণ, বন্যগরু ইত্যাদি দ্বারা কুরবানী করা জায়েয নয়। -ফাতাওয়া কাযীখান ৩/৩৪৮; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৫ আলকাউসার

পেজটি ফলো করে সাথে থাকুন !!
https://www.facebook.com/profile.php?id=61570570292901

প্রশ্নঃআব্দুর রহিম আমার চাচা তার হজের শিডিউল অনুযায়ী কুরবানির দিনগুলোতে তিনি মুসাফির থাকবেন। এ বছর তার উপর কুরবানিও ওয়...
21/05/2025

প্রশ্নঃ
আব্দুর রহিম আমার চাচা তার হজের শিডিউল অনুযায়ী কুরবানির দিনগুলোতে তিনি মুসাফির থাকবেন। এ বছর তার উপর কুরবানিও ওয়াজিব হয়েছে। এখন হুজুরের কাছে জানার বিষয় হলো এ বছর তার উপর কি দেশে বা বিদেশে কুরবানি করতে হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন
উত্তরঃ بسم الله الرحمن الرحيم
কোন ব্যক্তি কুরবানির দিনগুলোতে মুসাফির থাকলে তার ওপর কুরবানি ওয়াজিব হয় না। এক্ষেত্রে হজ পালনরতাবস্থায় মুসাফির থাকলেও একই হুকুম। সুতরাং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার চাচার উপর দেশে বা বিদেশে কোথাও কুরবানি করা ওয়াজিব নয় তবে কুরবানি করলে নফল কুরবানির সওয়াব পাবে।
في الاصل ٥/ ٤١١ أبو حنيفة عن حماد عن إبراهيم أنه قال الاضحى واجب على أهل الأمصار ما خلا الحاج قلت وما تفسير هذا الحديث؟ قال هو واجب على المقيمين من أهل الأمصار وغيرهم ولا يجب على المسافرين من اهل الامصار او من غيرهم بعد أن يكونوا مسافرين.
في رد المحتار مع الدر المختار٩/ ٤٥٣ وشرائطها الإسلام والإقامة فالمسافر لا تجب عليه وإن تطوع بها أجزأته عنها فتجب التضحية أي إراقة الدم من النعم عملا لا اعتقادا (على حر مسلم مقيم ) بمصر أو قرية أو بادية. عيني. فلا تجب على حاج مسافر.
ويراجع أيضا : بدائع الصنائع ٤/ ١٩٨ ، أخرج الإمام عبد الرزاق في مصنفه برقم الحديث ٨١٤٢ ، حاشية الطحطاوي على الدر المختار ١١/ ٤ ،الهندية ٥ / ٣٣٥ ، قاضيخان ٣/ ٢٤٣ ،
والله تعالى أعلم بالصواب
وكتبه
محمد عبد الله المحمود
التخصص في الفقه والإفتاء
الجامعة القرآنية بكجر جسر.
التاريخ ٣ / ٨ / ١٤٤٦هجرية
এমন গুরুত্বপূর্ণ আরো মাসআলা-মাসায়েল জানতে পেজটি ফলো করে রাখুন
https://www.facebook.com/profile.php?id=61570570292901

প্রশ্ন :দরিদ্র ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কিনা? জানিয়ে উপকৃত করবেন।  উত্তর :   নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই এমন দরিদ্র ...
18/05/2025

প্রশ্ন :
দরিদ্র ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কিনা? জানিয়ে উপকৃত করবেন।

উত্তর :
নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই এমন দরিদ্র ব্যক্তির উপর কুরবানী করা ওয়াজিব নয়; কিন্তু সে যদি কুরবানীর নিয়তে কোনো পশু কিনে তাহলে তা কুরবানী করা ওয়াজিব হয়ে যায়।
-বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯২
( #পেজটি ফলো করুন গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা মাসায়েল জানতে)
https://www.facebook.com/profile.php?id=61570570292901

হজ্ব তিন প্রকারএক. তামাত্তু হজ্বমীকাত অতিক্রমের পূর্বে শুধু উমরার নিয়তে ইহরাম বেঁধে মক্কা মুকাররামায় পৌঁছে উমরার কাজ সম...
04/05/2025

হজ্ব তিন প্রকার

এক. তামাত্তু হজ্ব

মীকাত অতিক্রমের পূর্বে শুধু উমরার নিয়তে ইহরাম বেঁধে মক্কা মুকাররামায় পৌঁছে উমরার কাজ সম্পাদন করে চুল কেটে ইহরামমুক্ত হয়ে যাওয়া। অতঃপর এই সফরেই ৮ যিলহজ্ব হজ্বের ইহরাম বেঁধে হজ্বকার্য সম্পাদন করা।

দুই. ইফরাদ

মীকাত অতিক্রমের পূর্বে শুধু হজ্বের নিয়তে ইহরাম বেঁধে মক্কা মুকাররামা পৌঁছে (উমরা না করা বরং তাওয়াফে কুদুম করে মুস্তাহাব তাওয়াফ করা) ইহরাম অবস্থায় হজ্বের জন্য অপেক্ষা করতে থাকা।

তিন. কিরান

মীকাত অতিক্রমের পূর্বে একই সাথে উমরা ও হজ্বের নিয়তে ইহরাম বেঁধে এই ইহরামে উমরাহ ও হজ্ব উভয়টি পালন করা। মক্কা মুকাররামা পৌঁছে প্রথমে উমরা করা অতঃপর এই ইহরাম অবস্থাতেই হজ্বের জন্য অপেক্ষা করতে থাকা এবং হজ্বের সময়ে হজ্ব করা।

ইহরাম বাঁধার নিয়ম

হজ্ব অথবা উমরার নিয়তে তালবিয়া পড়লেই ইহরাম সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে এর সুন্নাত তরীকা হল :

* মোচ, নখ এবং শরীরের পরিষ্কারযোগ্য লোম চেঁছে বা কেটে পরিষ্কার করা।

* ইহরামের উদ্দেশ্যে উত্তমরূপে গোসল করা। গোসল সম্ভব না হলে ওযু করে নেওয়া। ঋতুমতী মহিলার জন্য ইহরামের আগে গোসল করা মুস্তাহাব -গুনয়াতুন নাসেক পৃ. ৬৯

* পুরুষগণ দুটি নতুন বা ধৌত সাদা চাদর নিবে। একটি লুঙ্গির মতো করে পরবে। অপরটি চাদর হিসাবে ব্যবহার করবে। কালো বা অন্য কোনো শরীয়তসিদ্ধ রং এর কাপড় পরিধান করাও জায়েয। পায়ের পাতার উপরের উঁচু অংশ খোলা থাকে এমন চপ্পল বা স্যান্ডেল পরা যাবে।

মহিলাগণ স্বাভাবিক কাপড় পরবে। তারা ইহরাম অবস্থায় জুতা মোজা ব্যবহার করতে পারবে।

* ইহরাম বাঁধার আগে খালি শরীরে আতর বা সুগন্ধি ব্যবহার করা মুস্তাহাব। শরীরের আতর ও ঘ্রান ইহরাম বাধারর পরে বাকী থাকলেও কোনো অসুবিধা নেই। আর ইহরামের কাপড়ে আতর/সুগন্ধি লাগাবেনা। কেননা ইহরামের কাপড়ে এভাবে আতর বা সুগন্ধি লাগানো নিষিদ্ধ যা ইহরামের পরও লেগে থাকে। -রদ্দুল মুহতার ২/৪৮৯ গুনাতুন নাসেক পৃ. ৭০, ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২২২ মানাসিক মোল্লা আলী কারী পৃ. ৯৮

(মাকরূহ ওয়াক্ত না হলে) ইহরাম বাঁধার পূর্বে দুই রাকাত নফল নামায পড়া ভালো।-গুনয়াতুননাসেক ৭৩, মানাসিক মোল্লা আলী কারী পৃ. ৯৯, রদ্দুল মুহতার ২/৪৮২

* নিয়ত : (পুরুষ হলে টুপি বা মাথার কাপড় খুলে ফেলতে হবে) তামাত্তুকারী শুধু উমরার নিয়ত করবে, ইফরাদকারী শুধু হজ্বের নিয়ত এবং কিরানকারী হজ্ব ও উমরার নিয়ত করে তালবিয়া পড়বে। পুরুষ উচ্চ স্বরে তালবিয়া পড়বে আর মহিলা নিম্নস্বরে পড়বে।

তালবিয়া হল —

لبيك اللهم لبيك لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك.

-মানাসিক পৃ. ১০০, গুনয়াতুন্নাসেক পৃ. ৭৪, আদ্দুররুল মুখতার পৃ. ৪৮৪
জরুরী মাসআলা গুলো পরবর্তীতে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ!!
সবাই পেজটিকে ফলো এবং লাইক করেন

একটি ভুল ধারণা : হজ্বে কি মহিলাদের পর্দা করতে হয় না?মক্কায় এক ভাই বলছিলেন, তার এক আত্মীয়া বাড়িতে খুব গুরুত্বের সঙ্গে...
01/05/2025

একটি ভুল ধারণা : হজ্বে কি মহিলাদের পর্দা করতে হয় না?

মক্কায় এক ভাই বলছিলেন, তার এক আত্মীয়া বাড়িতে খুব গুরুত্বের সঙ্গে পর্দা করেন, শুধু নামের পর্দা নয়, শরয়ী পর্দা। কিন্তু হজ্ব করতে এসে পর্দা বাদ দিয়েছেন। তার কথা এই যে, ‘হজ্বের সময় মেয়েদের পর্দা করা লাগে না।’ অনেক দ্বীনদার মহিলা এ ধারণা পোষণ করেন। কিন্তু এটা ঠিক নয়। এটা একটা ভুল ধারণা। ইহরামের হালতেও গায়রে মাহরামের সঙ্গে মেয়েদের পর্দা করা অপরিহার্য। এটা ঠিক যে, ইহরামের হালতে মুখমন্ডলে কাপড় লাগানো নিষেধ, কিন্তু মুখে কাপড় লাগানো এবং গায়রে মাহরামের সামনে ইচ্ছা করে মুখ খোলা রাখা এক বিষয় নয়।

হযরত আয়েশা রা. বলেন, ইহরামের হালতে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। লোকেরা যখন আমাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করত তো আমরা আমাদের চাদর মাথার সামনে ঝুলিয়ে দিতাম। চলে যাওয়ার পর সরিয়ে ফেলতাম। (সুনানে আবু দাউদ)

এরপর মুখে কাপড় না লাগানোর বিধান তো শুধু ইহরামের হালতে প্রযোজ্য। উমরায় খুব বেশি হলে এক দুই দিন এবং হজ্বে তিন চার দিন। (তবে যদি কেউ ইফরাদ বা কিরানের নিয়তে ইহরাম বাঁধে তার বিষয় ভিন্ন) এই দিনগুলো ছাড়া যারা বেপর্দা ঘুরাফেরা করে তাদের তো ইহরামেরও অজুহাত নেই।

তাছাড়া মদীনা মুনাওয়ারার সফরে তো ইহরামের প্রশ্ন নেই। এই সফরে এবং মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থানের দিনগুলোতে মুখ খুলে রাখা এবং সকল গায়রে মাহরামকে মাহরাম মনে করা অবশ্যই অজ্ঞতার পরিচায়ক এবং অযথা গুনাহগার হওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। এই মোবারক সফরের পূর্ণ বরকত লাভের জন্য সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। (কিতাবুল হজ্ব, মাওলানা আশেকে ইলাহী বুলন্দশহরী পৃ. ২৮-২৯)

প্রশ্নঃপ্রাণীর ছবি সম্বলিত টি-শার্ট পরে নামায পড়ার দ্বারা নামায সহীহ হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন। উত্তরঃযদি টি-শার্টে প্র...
30/04/2025

প্রশ্নঃ
প্রাণীর ছবি সম্বলিত টি-শার্ট পরে নামায পড়ার দ্বারা নামায সহীহ হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তরঃ
যদি টি-শার্টে প্রাণীর ছবি দৃশ্যমান হয় এবং তা ঢাকা না থাকে তাহলে উক্ত টি-শার্ট পরে নামায আদায় করা মাকরূহ হবে। এছাড়া হাফ হাতা জামা বা শার্ট পরে নামায আদায় করা অনুত্তম।

-আলবাহরুর রায়েক ২/২৭; আলমাবসূত, সারাখসী ১/২১১; হালবাতুল মুজাল্লী ২/২৯৬; হাশিয়াতুত তহতাবী আলাল মারাকী পৃ. ১৯৯; রদ্দুল মুহতার ১/৪৫৭

প্রশ্নঃঅনেক সময় বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সাথে সাথেই বমি করে দেয়। বমিকৃত ঐ দুধে কোনো দুর্গন্ধ পাওয়া যায় না। জানতে চাচ্ছি, ঐ ...
20/04/2025

প্রশ্নঃ
অনেক সময় বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সাথে সাথেই বমি করে দেয়। বমিকৃত ঐ দুধে কোনো দুর্গন্ধ পাওয়া যায় না। জানতে চাচ্ছি, ঐ বমি যদি কাপড়ে লাগে, তাহলে কি কাপড় নাপাক হয়ে যাবে?

উত্তরঃ
বাচ্চার গলার ভেতর দুধ যাওয়ার পর যদি সে সাথে সাথেও বমি করে দেয় আর তা মুখ ভরে হয়, তবে তা নাপাক গণ্য হবে। তা যদি হাতের তালুর গভীরতা পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণ শরীরে বা কাপড়ে লাগে, তাহলে তা ধুয়ে পাক করা জরুরি। নতুবা নামায সহীহ হবে না। অবশ্য যদি এ পরিমাণের চেয়ে কম লাগে, তাহলে নামায হয়ে যাবে।

আর যদি বমি মুখ ভরে না হয় কিংবা বাচ্চা যদি দুধ না গিলে মুখ থেকেই তা বের করে দেয়, তাহলে তা নাপাক গণ্য হবে না। অতএব তা না ধুয়ে নামায পড়লেও তা আদায় হয়ে যাবে।

* >الفتاوى التاتارخانية< ২/৩৫৭ : النسفية: سئل عن صبي رضيع ارتضع من أمه، ثم قاء، فأصاب ثياب الأم، قال: إن كان ملء فيه فهو نجس، فإذا زاد على قدر الدرهم منع جواز الصلاة، وإن كان أقل من ملء فيه فليس بنجس.

–আলজামিউস সাগীর, পৃ. ৭২; আলমাবসূত, সারাখসী ১/৭৫; আততাজনীস ওয়াল মাযীদ ১/২৭১; বাদায়েউস সানায়ে ১/১২৩; শরহুল মুনইয়া, পৃ. ১২৯; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলাল মারাকী, পৃ. ৪৯; রদ্দুল মুহতার ১/১৩৮

প্রশ্ন ঃআমার আব্বু শখ করে একটি বিড়াল পালা শুরু করেন। দুই মাস আগে বিড়ালটি চারটি বাচ্চা দেয়। এগুলো এখন আমাদের ঘরেই থাকে। ক...
12/04/2025

প্রশ্ন ঃ
আমার আব্বু শখ করে একটি বিড়াল পালা শুরু করেন। দুই মাস আগে বিড়ালটি চারটি বাচ্চা দেয়। এগুলো এখন আমাদের ঘরেই থাকে। কিন্তু বাচ্চাগুলোর উৎপাত ঘরের লোকজনের সহ্যের বাইরে চলে গেছে। বিছানাপত্র, খাবার-দাবার কিছুই এখন এগুলোর অনিষ্টতা থেকে নিরাপদ নয়; বরং এগুলোর কারণে আমাদেরকে প্রতিবেশীদের কথাও শুনতে হচ্ছে। তারা বলছেন, এগুলো যেন মেরে ফেলা হয়।

জানার বিষয় হল, এমতাবস্থায় আমাদের জন্য বিড়ালগুলো মেরে ফেলার সুযোগ আছে কি? যদি থাকে তাহলে এর জন্য কোন্ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে?

উত্তর ঃ
হাঁ, বিড়ালগুলো যদি মানুষের জন্য ক্ষতিকর ও অনিষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে এগুলোকে মেরে ফেলা জায়েয হবে। তবে এক্ষেত্রে বিড়ালগুলোকে অতিরিক্ত কষ্ট দিয়ে মারবে না; বরং যেভাবে কষ্ট কম হয় সেভাবে মারতে হবে। এক্ষেত্রে ধারালো ছুরি ইত্যাদি দিয়ে জবাই করে দেওয়া যেতে পারে অথবা কম কষ্টকর কোনো ঔষধও ব্যবহার করা যেতে পারে।

* >المحيط البرهاني< ৮/৯৪ : الهرة إذا كانت موذية لا يضرب، ولا يعرك أذنها، ولكنها تذبح بالسكين الحاد.

–আলমুহীতুর রাযাবী ৫/৩৩; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৭৫; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৬/৩৭০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৬১; রদ্দুল মুহতার ৬/৩৮৮
আলকাউসার

Address

Mirpur. .
Kushtia
KUSHTIA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Update Fatawa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category