Adhara, Munshiganj, Bangladesh

Adhara, Munshiganj, Bangladesh আধারা মুন্সিগঞ্জ জেলার মুসিগঞ্জ সদর ? আধারা মুন্সিগঞ্জ জেলার ইউনিয়ন।
আধারার কণ্ঠ। আধারা ইউনিয়নের প্রথম অনলাইন পএিকা।

মুন্সিগঞ্জ জেলার ফলাফল!
10/07/2025

মুন্সিগঞ্জ জেলার ফলাফল!

Bakultala H.A.K High School এ এসএসসিতে এবার মোট নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১২৬ জন। সকল বিভাগে মোট পাশ কর‌ছে ১০০ জন :) এবং ...
31/05/2020

Bakultala H.A.K High School এ এসএসসিতে এবার মোট নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১২৬ জন। সকল বিভাগে মোট পাশ কর‌ছে ১০০ জন :) এবং মোট ফেল করেছে ২৬ জন। :'(

পা‌শের হার ৭৯.৩৭%। জি‌পিএ ৫ পে‌য়ে‌ছে মাত্র ১ জন।

জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন, জিপিএ ৪ পেয়েছে ১০ জন, জিপিএ ৩ ৬৪, জিপিএ ২ পেয়েছে ২৫ জন।

Bakultala H.A.K High School এ এসএসসিতে এবার মোট নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১২৬ জন। সকল বিভাগে মোট পাশ কর‌ছে ১০০ জন :) এবং মোট ফেল করেছে ২৬ জন। :'(

পা‌শের হার ৭৯.৩৭%। জি‌পিএ ৫ পে‌য়ে‌ছে মাত্র ১ জন।

জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন, জিপিএ ৪ পেয়েছে ১০ জন, জিপিএ ৩ পেয়েছে ৬৪, জিপিএ ২ পেয়েছে ২৫ জন।

Total 126 (55 male and 71 female) students appeared in exam. Among them 100 (42 male and 58 female)
students passed, i.e. secured minimum GP 1.0 in every compulsory and elective subject. Percentage of Pass is 79.37.
Total 1 (0 male and 1 female) students secured GPA 5.00.

কৃতকার্য হওয়া সকল ছাত্রছাত্রীদেরকে অভিনন্দন।

অকৃতকার্য হওয়া সকল ছাত্রছাত্রীদেরকে ধৈর্য ধারন করে অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে আবারও চেষ্টা করার আহবান জানাচ্ছি।

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন। ধন্যবাদ।

24/05/2020

আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমণ, হাত মেলাও হাতে,
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
যারা জীবন ভরে রাখছে রোজা, নিত্য উপবাসী
সেই গরীব ইয়াতীম মিসকিনে দে যা কিছু মুফিদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।

13/05/2020

মুন্সীগঞ্জে নতুন করে ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় সর্বমোট ৩০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। :'(

নতুন ১২ জনের মধ্যে শ্রীনগর উপজেলায় ৩ জন, লৌহজং উপজেলায় ৪ জন, টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় ২ জন এবং গজারিয়া উপজেলায় ৩ জন। বুধবার(১৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১৯ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬৯ জনে।

এ ছাড়াও, একই সময়ে ১১৬২ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে।

করোনায় দেশে একদিনে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু ও শনাক্ত।

এখন পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১৭ হাজার ৮২২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

Munshiganj মুন্সিগঞ্জ পেইজ থেকে সংগ্রহীত।

02/08/2019

ব্রেকিং নিউজঃ
বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। 🌙
আগামী ১২ আগস্ট (সোমবার) পবিত্র ঈদুল আযহা। 😍

11/05/2016

এসএসসি ও সমমনা সকল বোর্ডের রেজাল্ট দেখতে পারেন এই ওয়েবসাইটেঃ http://allresultbd24.blogspot.com/

30/12/2014

সাবজেক্ট অনুযায়ী সকল বোর্ডের পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল প্রকাশ!
পিএসসি, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল দেখুনঃ
http://allresultbd24.blogspot.com/ ওয়েবসাইটে।

19/06/2014

আসছে মাহে রমজান! ইবাদতের মাস! খান্নাসের ধোঁকায় পড়ে ইবাদত চুরি করে ৮ রাকাত পড়ে পালাবেন নাতো?
শয়তান দুই ধরণের। যথা-
১- জিন শয়তান।
২- মানুষ শয়তান।
এই দুই শয়তান আবার দুই প্রকার। যথা-
১- শুধুই শয়তান।
২- খান্নাস।
শয়তান ও খান্নাসের কাজের মাঝে পার্থক্য

শয়তান বলে তারাবী পড়ারই দরকার নেই।
কিন্তু খান্নাস বলবে তারাবীতো বিশ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা, তাই তুমি ৮ রাকাত পড়ে হৈ হুল্লোড় করে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাবে। তাতে সুন্নতে মুআক্কাদাও আদায় হবে না আবার মনে মনে আত্মতৃপ্ত থাকবে সুন্নত আদায় করেছো।

শয়তান বলবে জিনা কর।
কিন্তু খান্নাস বলবে জিনা করলে মানুষ তোমাকে খারাপ বলবে, তাই তোমার স্ত্রীকে এক সাথে তিন তালাক দাও তারপর তিন তালাককে এক তালাক সাব্যস্ত করে স্ত্রীর সাথে ঘর সংসার করতে থাকো। তাহলে জিনাও হবে কিন্তু একাজকে গোনাহ মনে না করার কারণে কোনদিন তওবা নসীব হবে না।

শয়তান বলবে কুরবানী করারই দরকার নেই।
কিন্তু খান্নাস বলবে কুরবানী না করলে কেমন দেখা যায়, কুরবানী কর, তবে জিলহজ্বের ১০, ১১, ১২ তারিখে নয়, বরং কুরবানীর দিন চলে যাওয়ার পর ১৩তম তারিখে কুরবানী কর। মুখে মুখে বলে বেড়াবে এটি সুন্নত যদিও রাসূল সাঃ থেকে কেবলি প্রথম তিন দিন তথা ১০, ১১, ১২ তারিখেই কুরবানী করার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

শয়তান বলবে, নামায পড়ারই দরকার নেই।
খান্নাস বলবে, নামায পড়বে, আর নামাযে ইচ্ছেকৃত অতি জোরে আমীন বলে পাশের জনের নামাযে ডিষ্টার্ব করবে, পা ছড়িয়ে কুস্তিগীরের মত দাঁড়িয়ে, আরেকজনের পায়ের সাথে পা লাগিয়ে অপরের নামাযের খুশুখুজু নষ্ট করবে আর একাজকেই সুন্নত সুন্নত বলে আত্মতৃপ্তি লাভ করবে।

শয়তান বলবে শরীরটাকে নাপাক করে রাখ। পাক থেকো না।
কিন্তু খান্নাস বলবে, না, বীর্য লাগিয়ে রাখ শরীরে কাপড়ে। আর বলে বেড়াবে বীর্য পাক। পাক মনে করার কারণে কখনো পবিত্র হওয়ার চিন্তাও মাথায় আসবে না। একদিকে থাকবে নাপাক, আর মনে করবে পাক আছে।

শয়তান বলবে দ্বীন মানারই দরকার নেই।
কিন্তু খান্নাস বলবে দ্বীন না মানলে মানুস কি বলবে? তাই তুমি দ্বীন মানবে, তবে দ্বীন সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতের আলোকে সঠিক দ্বীন মানা যাবে না, বরং নিজের ইচেছমত, খেয়ালখুশি মত কুরআন হাদীসের বাহ্যিক অর্থ দেখে যা বুঝে আসবে, সেটিকেই দ্বীন হিসেবে মেনে আত্মতৃপ্ত হবে। অনুসরণ যদিও করবে নিজের নফসের, কিন্তু মনে করবে পালন করছে দ্বীন।

শয়তান বলবে, নেককার বুজুর্গদের বিরুদ্ধে লড়াই কর। তাদের মুখ বন্ধ করে দাও।
কিন্তু খান্নাস বলবে, তাদের কাফের বল, তাদের মুশরিক বল। এভাবে নেককার ও বুজুর্গদের সোহবাত থেকে সাধারণ মানুষকে বিমুখ করে দাও।

শয়তান বলবে, দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ বন্ধ করে দাও।
কিন্তু খান্নাস বলবে, দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে শিরক আছে তাই তা করা যাবে না বলে অপপ্রচার চালিয়ে যাও।
এরকমভাবে শয়তান সরাসরি গোনাহ করতে প্রলুব্ধ করে, আর খান্নাসরা সওয়াব ও দ্বীনের কাজ ও সুন্নত অনুসরণের নামে গোনাহে লিপ্ত করে মানুষকে।
উভয় প্রকার শয়তান তথা খাটি শয়তান ও খান্নাস থেকে আশ্রয় চাইতে আল্লাহ তাআলা সূরা নাসে নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরশাদ হচ্ছে-
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ (1) مَلِكِ النَّاسِ (2) إِلَهِ النَّاسِ (3) مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ (4) الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ (5) مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ (6)
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, মানুষের অধিপতির, মানুষের মা’বুদের , তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে। {সূরা নাস-১-৬}
আল্লাহ তাআলা আমাদের শয়তান ও খান্নাসের ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত থেকে সঠিক পদ্ধতিতে তার ইবাদত করে তার প্রিয়ভাজন হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন। (সংগ্রহীত)

06/03/2014

এই ভন্ড কাফেরের নাম দেওয়ানবাগী। শেয়ার করে অন্যদের সচেতন করুন।

07/08/2013

রমজানের পর ভাল কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার দশটি মাধ্যম

রমজানের পর কি? রমজান মাসে আল্লাহর নিকট বেশি প্রার্থনা করেছি, অধিক পরিমাণে নফল আদায় করেছি। ইবাদতে স্বাদ অনুভব করেছি। অধিক পরিমাণে কোরআন তেলাওয়াত করেছি। জামাতের নামাজ ত্যাগ করিনি। হারাম জিনিস দেখা থেকে বিরত ছিলাম। কিন্তু রমজানের পর ইবাদতের স্বাদ হারিয়ে ফেলেছি যা রমজান মাসে পেতাম। আর আগে যে ইবাদতের প্রতি লোভ ছিল তা আর এখন পাই না। জামাতের সাথে অনেক সময় ফজরের নামাজ ছুটে যায়, অনেক নফল ইবাদত এখন করা হয় না কোরআন তেলাওয়াতও এখন আর আগের মত করা হয় না। এই সমস্যার কোন সমাধান বা চিকিৎসা আছে কি?

আপনাদের নিকট রমজানের পর ভাল কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার দশটি মাধ্যম পেশ করছি।
১. সব কিছুর পূর্বে আল্লাহ তাআলার সাহায্য কামনা করতে হবে হেদায়েত এবং দৃঢ়তার উপর থাকার জন্য, আল্লাহ তাআলা গভীর জ্ঞানের অধিকারীদের দোয়ার প্রসংশা করেছেন।
رَبَّنَا لا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ " )سورة أل عمران8)

হে আমাদের রব, আপনি হেদায়েত দেয়ার আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। (সূরা আলে-ইমরান ৮ আয়াত)


২. ভাল লোকদের সাথে বেশি উঠা বসা করতে হবে, এবং ওয়াজ নছিহত ও বিভিন্ন ধরণের দ্বীনি আলোচনা যেখানে হয় সেখানে যাতায়াত করতে হবে।

৩. বই পত্র পড়া এবং ক্যাসেট শ্রবনের মাধ্যমে নেক লোকদের জিবনী জানা, বিশেষ করে সাহাবাদের জীবনী জানা। কেননা এর মাধ্যমে মনের ভিতর সাহস ও আশার সঞ্চার হয়।

৪. বেশি বেশি করে প্রভাব বিস্তারকারী ইসলামি ক্যাসেট শ্রবণ করা: যেমন ভাল ভাল খতীবদের আলোচনা ওয়াজ যেখানে পাওয়া যায় তা সংগ্রহ করা। সময় সময় দোকানে যেয়ে খোজ খবর নেয়া যে নতুন কোন ক্যাসেট বা সিডি বাজারে এসেছে কিনা।

৫. ফরজের প্রতি যত্নশীল থাকা যেমন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ রমজানের রোজা কোন কারণে কাজা হয়ে থাকলে তা দ্রুত আদায় করা। কেননা ফরজের মধ্যে অনেক কল্যাণ রয়েছে।

৬. নফলের প্রতিও যত্নশীল হওয়া যদিও তা কম হয়, কিন্তু অবশ্যই তা এমন নফল কাজ হতে হবে যা আদায় করতে মনে ভাল লাগে, কেননা আল্লাহর নিকট ঐ আমল অধিক প্রিয় যা নিয়মিত হয় যদিও তা পরিমাণে কম হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনই বলেছেন।

৭. কোরআন হেফয করতে আরম্ভ করা এবং নিয়মিত তেলাওয়াত করা, আর যা হেফয করবে তা ফরজ নামাজে এবং নফল নমাজে পড়তে অভ্যাস গড়ে তোলা।

৮. বেশি বেশি জিকর ও ইস্তেগফার করা, কেননা এ কাজটি সহজ কিন্তু তার উপকার অনেক বেশি, ঈমান বৃদ্ধি করে এবং মন ও হৃদয়-কে শক্তিশালী করে।

৯. সম্পূর্ণরূপে এমন কিছু থেকে দুরে থাকা যা হৃদয়কে নষ্ট করে দেয়, যেমন অসৎ লোকের সঙ্গ, টেলিভিশন দেখা, ডিশ দেখা, কাম উদ্রেককারী গান শোনা, অশ্লীল অনুষ্ঠানে যাওয়া, অশ্লীল চিত্র দেখা ইত্যাদি।

১০. সর্বশেষ হে বন্ধুগণ! আপনাদের উপদেশ দিচ্ছি দ্রুত তওবা করার জন্য; খালেছ তওবা। যেখান থেকে আর পিছনে ফিরবেন না। আল্লাহ তাআলা বান্দা তওবা করলে অত্যন্ত খুশি হন। আপনারা ঐ সমস্ত লোকদের অন্তর্ভূক্ত হবেন না যারা আল্লাহকে চিনে না রমজান ছাড়া অন্য সময়ে। তাদের সম্পর্কে পূর্বসূরীরা বলেন: তারা হতভাগ্য যারা রমজান ছাড়া অন্য সময়ে আল্লাহকে চিনে না।

লেখক : আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না

Address

Adhara, Munshiganj
Masimpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adhara, Munshiganj, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share