Pride Asset Holdings

Pride Asset Holdings Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pride Asset Holdings, Real Estate, Chandrima Model Town, Mohammadpur.

বীমঃ* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উ...
16/10/2020

বীমঃ

* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?
উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উপর অবস্থান করে এবং এর আরোপিত লোডকে সাপোর্ট এ স্থানান্তরিত করে।

বীম ৫ প্রকার।যথা-
i)সাধারণভাবে স্থাপিত বীম
ii)ক্যান্টিলিভার বীম
iii)ঝুলন্ত বীম
iv)আবদ্ধ বীম
v)ধারাবাহিক বীম

#সাধারণভাবে_স্থাপিত_বীম(Simply Supported beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় সাপোর্টের উপর অবস্থান করে লোড বহন করে তাকে সাধারণভাবে স্থাপিত বীম(Simply Supported beam)বলে।

#ক্যান্টিলিভার_বীম(Cantilever beam):যে সকল বীমের একপ্রান্ত দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ এবং অন্য প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় থেকে লোড বহন করে তাকে ক্যান্টিলিভার বীম(Cantilever beam)বলে।

#ঝুলন্ত_বীম(Over hanging beam):যে সকল বীমের এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তই সাপোর্টের বাহিরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে।তাকে ঝুলন্ত বীম(Over hanging beam)বলে।

#আবদ্ধ_বীম(Fixed beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্তই সাপোর্টের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় লোড বহন করে তাকে আবদ্ধ বীম(Fixed beam)বলে।

#ধারাবাহিক_বীম(Continuous beam):যেসকল বীম একাধিক সাপোর্টের উপর অবস্থান করে এর উপর আরোপিত লোড বহন করে থাকে ধারাবাহিক বীম(Continuous beam)বলে।

২.বীমে কী কী ধরননের লোড কাজ করে?
উ: ৩ ধরনের লোড কাজ করে।যথা-
i)কেন্দ্রিভূত লোড
ii)সমভাবে বিস্তৃত লোড
iii)অসমভাবে বিস্তৃত লোড

৩.বীমের উপর কী কী লোড ক্রিয়া করে?
উ: বীমের উপর ৩ ধরনের লোড ক্রিয়া করে।যথা-
i)নিশ্চল ভর
ii)সচল ভর
iii)পারিপার্শ্বিক ভর

৪.বীম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?
উ: টেনশন ফোর্স।

৫. বীমে স্টিরাপ কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: শিয়ার ফোর্স প্রতিরোধে এবং ডায়াগোনাল টেনশনকে চেক দেওয়ার জন্য ।

৬.বীমের চাপ এলাকা (Compression zone) ও টান এলাকা (Tension zone)কাকে বলে?
উ: বীমের নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্ব উপরি তল পর্যন্ত এলাকা কে চাপ এলাকা বা Compression zone বলে।

নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্বনিম্ন তল পর্যন্ত এলাকাকে টান এলাকা বা Tension zone বলে।

৭.স্টিরাপ প্রয়োগ করেও কখন বীমে ব্যর্থ রোধ করা যায় না?
উ:কোন R.C.C বীমে সৃষ্ট শিয়ার পীড়নের মান কংক্রিট ও স্টীলের অনুমোদনযোগ্য শিয়ার পীড়নের মানের চেয়ে বেশি হলে।

৮.লোডের কারনে R.C.C বীম কিভাবে ব্যর্থ হতে পারে?
উ:৩ ভাবে ব্যর্থ হতে পারে।যথা-
i)প্রসারণ স্টীলে ব্যর্থ
ii)সংকোচন কংক্রিটে ব্যর্থ
iii)প্রসারন স্টিল ও সংকোচন কংক্রিট একই সাথে ব্যর্থ

৯.ক্যান্টিলিভার বীমের প্রধান রড কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উ: মোমেন্টের মান সবসময় ঋণাত্মক হয় বলে প্রধান রড বিমের উপরিভাগে দেয়া হয়।

১০.টি-বীম কাকে বলে?
উ: বীম এবং স্ল্যাব একত্রে ঢালাই করলে এবং বীম ও স্ল্যাব সম্মিলিত অংশ দেখতে T এর মত হয়,একে টি-বীম বলে।

১১.বীমে সর্বনিম্ন কভারিং কত ধরা হয়?
উ: ১.৫"।

১২. বীম তদন্ত কেন করা হয়?
উ: বীমের প্রকৃত পীড়নদ্বয় অর্থাৎ fc ও fs এর মান নির্নয় করে বীম আরোপিত লোডে নিরাপদ কিনা যাচাই করার জন্য বীম তদন্ত করা হয়।

১৩. বীমে ব্যবহৃত রডের ক্র‍্যাংক করার পদ্ধতিটা কি?
উ: সাধারণভাবে স্থাপিত উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/7 দুরত্বে এবং আংশিক অবিচ্ছিন্ন বীমের অবিচ্ছিন্ন প্রান্তে এবং ধারাবাহিক বীমের উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/5 দুরত্বে ক্র‍্যাংক করা হয়।

১৪.বীমের শাটারিং এ খাড়া দিক ও তলার ঠেকনা কতদিন পর খোলা হয়?
উ: খাড়া দিক ১-২ দিন পর এবং ঠেকনা ৭ দিন পর।

১৫.বীমের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?
উ: ১%-২% হারে।

১৬.বীমে বা স্ল্যাবে ক্র‍্যাংক বার কেন ব্যবহার করা হয়?
উ : ঋণাত্মক বেন্ডিং মোমেন্ট ও সাপোর্টের কাছাকাছি সর্বাধিক শিয়ার ফোর্সকে প্রতিরোধের জন্য ।

১৭.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?
উ: ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক, রডের সঠিক অবস্থান,স্পেসিংঅর্থাৎ ড্রইং মোতাবেক হয়েছে কিনা,ক্লিয়ার কভার চেক, বেশি উচু থেকে কংক্রিট না ঢালা,বৃষ্টির দিন হলে পলিথিনের ব্যবস্থা রাখা,ভালোভাবে ভাইব্রেটর করা,সর্বোপরি ঢালাই পর্যন্ত সাথে থাকা।

১৮.বীমে বা স্ল্যাবের এক্সটা টপ কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর :লোডের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য ।

১৯.কনসিল বীম কি ?

উত্তর : কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।

#বিস্তারিত :

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।

যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।


যারা অাগামি দিনে বাড়ী নির্মাণ করবেন তাদের জানা উচিত।> ১০" ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।> ...
11/09/2020

যারা অাগামি দিনে বাড়ী নির্মাণ করবেন তাদের জানা উচিত।

> ১০" ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
> ০৫" ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) > গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
> গাথুনীর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
> নিচের ছলিং এ প্রতি ০১' (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।

*পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
-------------------------------------------------------
> ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।
> সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।
কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০" ÷ ১২ = ০.৮৩৩)
এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।
* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে

সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক ইঞ্চি বা 15 মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে ১:3 অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। এবং মসলার পুরুত্ব 6-7 মিমি . . বীম এবং কলাম সিলিং এর মতো
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২"*৪
১/২"*২ ৩/৪")
মসলাসহ = (১০"*৫"৩")
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)
Convert
1" = 25.4 mm
1" = 2.54 cm
39.37" = 1 m
12" = 1' Fit
3' = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36"
72 Fit = 1 bandil.

# রডের হিসাব
---------------------------------------------
1" = 8 sut (সুত)
1/2" = 4 sut (সুত)
1/4 = 2 sut (সুত)
1/8 = 1 sut (সুত)125"
# রডের ওজন
--------------------------------------------------------
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।

# খোয়ার হিসাব

* ১ টি ইটে = ০.৯ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ৯ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ৯০ cft খোয়া হয়।

বালির হিসাব
* ১০০ sft ৫" গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০" গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।

--------------------------------------------------------------------
কোন কাজ কখন শুরু হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন। বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

১) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ।
২) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ।

এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে:-
ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ:-
---------------------------------------------
১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন।
২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা।
৩- আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।
৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া।
৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা।
৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা।
৭- ফাউন্ডেশন ঢালাই।
৮- কলাম ঢালাই।
৯- বীম ও ছাদ ঢালাই।
১০- মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া।
১১- ইটের গাঁথুনী করা।

খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ:-
--------------------------------------------
১- দরজার চৌকাঠ লাগানো।
২- জানালার গ্রীল লাগানো।
৩- বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা।
৪- বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো।
৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা।
৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা।
৭- কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো।
৮- থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস সহ)।
৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো।
১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)।
১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো।
১২- বৈদ্যুতিক তার টানা।
১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া।
১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা।
১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো।
১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো।
১৭- টাইলসের পয়েন্টিং করা।
১৮- ছাদের উপরের বাগানে মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো।
১৯- বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা।
২০- কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা।

------------------------------------------------------------------------
কোয়ালিটি বা গুনগত মান::-----------------------------------------------------------------------
ক) কনস্ট্রাক্শন এর পুর্বে :
• সয়েল টেষ্ট বা মাটি পরিক্ষা: ভাল জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটি পরিক্ষা করাতে হবে। কেননা এই পরিক্ষার উপর ভিত্তি করেই ইঞ্জিনিয়ার পরবর্তিতে ডিজাইন করবেন।
• পানি টেষ্ট: কনস্ট্রাকশন কাজে যেই পানি ব্যবহার করা হবে তা অবশ্যই পরিক্ষা করে নিতে হবে। কেননা পানির গুনাগুনের উপর কংক্রিট এর গুনাগুন নির্ভরশীল।
• পোকা-মাকড়: শুরুতেই যদি পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রন না করা যায় তাহলে ভবিষ্যতে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
খ) আর সি সি :
• ডিজান ইঞ্জিনিয়ার প্রতিটি কাজের ধাপ গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করবেন এবং স্বাক্ষর দিবেন।
• কংক্রিট এর সুষম মিশ্রন হতে হবে।
• কংক্রিট ল্যব টেষ্ট করতে হবে নিয়মিত (সিলিন্ডার টেষ্ট)।
• আর সি সি কাজে অবশ্যই ভাইব্রেটর ব্যবহার করতে হবে এবং এই ব্যবহার হতে হবে সঠিক।
• সাটারিং অবশ্যই সময়ের আগে খোলা যাবে না।
• কংক্রিট এর কিউরিং সঠিক সময়ে এবং সঠিকভাবে করতে হবে।
গ) ব্রিক ওয়ার্ক ও প্লাস্টার
• শুকনা ইট ব্যবহার করা যাবে না। ভেজা ইট ব্যবহার করতে হবে।
• ১.২ মিটার এর বেশি উচ্চতায় একদিনে ইটের দেয়াল করা উচিৎ নয়।
• ৫ ইঞ্চি দেয়াল এর ক্ষেত্র প্রতি ৩.৫ ফুট পর পর ৬ মিলি রড দেওয়া ভাল। এতে ক্র্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
• জানালাতে সিল লেভেলে লিন্টেল ব্যবহার করা ভাল।
• বিম এবং দেয়াল এর জয়েন্টে মর্টার সাথে ধাতু মিশ্রিত পানি প্রতিরোধক কেমিক্যাল ব্যবহার করা উচিৎ।
• পাইপ এর উপর প্লাস্টার করার সময় চিকেন মেশ বা তার জালি ব্যবহার করতে হবে।.
ঘ) প্লাম্বিং
• এমন উপাদান ব্যবহার করতে হবে যা সহজে ক্ষয় বা ছিদ্র হয় না।
• প্রতিটি পাইপ এর প্রেসার বা চাপ শক্তি অবশ্যই পরিক্ষা করে নিতে হবে।
• পানি প্রতিরোধী হতে হবে। অর্থাৎ পানি যেন চুইয়ে বাইরে না আসে সেদিকে খেয়ার রাখতে হবে।
• বাথরুম বা গোসলখানা বা পায়খানাতে প্রয়োজনীয় স্লোপ বা ঢাল থাকতে হবে।
ঙ) ইলেকট্রিক
• ব্র্যান্ড ক্যাবল ব্যবহার করতে হবে।
• সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করতে হবে। যাতে করে দুর্ঘটনা না হয়।
• আর্থিং করতে হবে।
• লাইটেনিং এরেস্টার বা বজ্রপাত প্রতিরোধক ব্যবহার করতে হবে।
চ) কর্মদক্ষতা
• দক্ষ কর্মি নিতে হবে।
• সময় মত তদারকি করতে হবে
ছ) ভাল মানের মালামাল
• ব্র্যান্ড মালামাল ব্যবহার করতে হবে
• সব মালামাল গ্রহনের পুর্বে ভালভাবে পরিক্ষা করে নিতে হবে।




বৈশ্বিক মহামারির এ সময় প্লট এবং ফ্লাটের মূল্য সাধারণ সময়ের চাইতে কিছুটা কম। মধ্যবিত্ত জনগণ এই সময় তাদের জমানো অর্থের এখন...
20/07/2020

বৈশ্বিক মহামারির এ সময় প্লট এবং ফ্লাটের মূল্য সাধারণ সময়ের চাইতে কিছুটা কম। মধ্যবিত্ত জনগণ এই সময় তাদের জমানো অর্থের এখন শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ করতে পারবেন। প্লটের শেয়ার কেনার মাধ্যমে আপনাদের আপনারা আপনাদের জমানো অর্থের সঠিক ব্যবহার করতে পারবেন।



বিশ্বব্যাপী কোভিড– ১৯ এর মহামারীতে এক কঠিন অর্থনৈতিক মন্দায় নিমজ্জিত সকল ধরনের ব্যবসা বাণিজ্য।

বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যেতে শুরু হল সফটওয়্যারের মাধ্যমে জমির হিসাব রাখা।
20/07/2020

বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যেতে শুরু হল সফটওয়্যারের মাধ্যমে জমির হিসাব রাখা।

ঢাকা: সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত সব অফিসের গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা হবে। এই সফটওয়্যারে দে....

Address

Chandrima Model Town
Mohammadpur
1207

Telephone

+8801893447680

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pride Asset Holdings posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pride Asset Holdings:

Share

Category