ভূমি সেবা by সার্ভেয়ার মো: ইকবাল Reg.No.P-37219

  • Home
  • Bangladesh
  • Munshiganj
  • ভূমি সেবা by সার্ভেয়ার মো: ইকবাল Reg.No.P-37219

ভূমি সেবা by সার্ভেয়ার মো: ইকবাল Reg.No.P-37219 ভুমি সেবা

30/08/2025

MS Word- এর এই ৫০টি শর্টকাট কমান্ড আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ🔥
1️⃣ Ctrl + N 🆕 – নতুন ডকুমেন্ট খুলে দেবে। যেমন: হঠাৎ নতুন প্রজেক্ট লিখতে চাইলে।
2️⃣ Ctrl + O 📂 – পুরনো ডকুমেন্ট ওপেন করবে। আগে সেভ করা ফাইল খুঁজে আনার জন্য।
3️⃣ Ctrl + S 💾 – যেকোনো সময় ফাইল সেভ করবে। ভুলে গেলে কাজ হারিয়ে যেতে পারে!
4️⃣ F12 ✏️ – Save As খুলে নতুন নামে বা টাইপে সেভ করবে।
5️⃣ Ctrl + P 🖨️ – প্রিন্ট কমান্ড খুলবে। প্রিন্ট দেওয়ার আগে পেজ সেটিংস দেখার জন্যও কাজে লাগে।
6️⃣ Ctrl + C 📋 – নির্বাচিত লেখা/ছবি কপি করবে।
7️⃣ Ctrl + X ✂️ – কেটে নেবে, পেস্ট করার জন্য প্রস্তুত।
8️⃣ Ctrl + V 📥 – কপি বা কাট করা কনটেন্ট পেস্ট করবে।
9️⃣ Ctrl + Z ↩️ – সর্বশেষ কাজ Undo করবে।
🔟 Ctrl + Y ↪️ – Undo করা কাজ আবার ফিরিয়ে আনবে (Redo)।

1️⃣1️⃣ Ctrl + A 🔍 – পুরো ডকুমেন্ট সিলেক্ট করবে একসাথে।
1️⃣2️⃣ Ctrl + F 🔎 – নির্দিষ্ট শব্দ বা বাক্য খুঁজে বের করবে।
1️⃣3️⃣ Ctrl + H 🆚 – Replace দিয়ে শব্দ বদলাবে।
1️⃣4️⃣ Ctrl + K 🌐 – Hyperlink যুক্ত করবে ওয়েবসাইট বা ডকুমেন্টে।
1️⃣5️⃣ Ctrl + B 🅱️ – Bold করবে।
1️⃣6️⃣ Ctrl + I ✒️ – Italic করবে।
1️⃣7️⃣ Ctrl + U ⬆️ – Underline দেবে।
1️⃣8️⃣ Ctrl + E 📏 – লেখা মাঝখানে (Center) রাখবে।
1️⃣9️⃣ Ctrl + L ↔️ – লেখা বাম দিকে (Left Align) রাখবে।
2️⃣0️⃣ Ctrl + R ↔️ – লেখা ডান দিকে (Right Align) রাখবে।
2️⃣1️⃣ Ctrl + J 📄 – লেখা দুই দিক সমানভাবে সাজাবে (Justify)।
2️⃣2️⃣ Ctrl + M ➡️ – প্যারাগ্রাফে বাঁ দিক থেকে ইনডেন্ট দেবে।
2️⃣3️⃣ Ctrl + Shift + M ⬅️ – ইনডেন্ট কমাবে।
2️⃣4️⃣ Ctrl + T 📏 – Hanging Indent তৈরি করবে।
2️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + T 📐 – Hanging Indent কমাবে।
2️⃣6️⃣ Ctrl + 1 1️⃣ – লাইন স্পেসিং 1.0 করবে।
2️⃣7️⃣ Ctrl + 2 2️⃣ – লাইন স্পেসিং 2.0 করবে।
2️⃣8️⃣ Ctrl + 5 🖊️ – লাইন স্পেসিং 1.5 করবে।
2️⃣9️⃣ Ctrl + Shift + L 📌 – Bullet পয়েন্ট যোগ করবে।
3️⃣0️⃣ Ctrl + Q 🧹 – প্যারাগ্রাফের সব ফরম্যাট মুছে ফেলবে।

3️⃣1️⃣ Ctrl + Shift + N 🔄 – Normal style সেট করবে।
3️⃣2️⃣ Ctrl + Shift + C 📝 – শুধু ফরম্যাট কপি করবে।
3️⃣3️⃣ Ctrl + Shift + V 🖋️ – শুধু ফরম্যাট পেস্ট করবে।
3️⃣4️⃣ Ctrl + ] ➕ – ফন্ট সাইজ এক ধাপ বাড়াবে।
3️⃣5️⃣ Ctrl + [ ➖ – ফন্ট সাইজ এক ধাপ কমাবে।
3️⃣6️⃣ Ctrl + D 🎨 – Font settings ডায়ালগ খুলবে।
3️⃣7️⃣ Ctrl + Shift + > 🔍 – দ্রুত ফন্ট সাইজ বড় করবে।
3️⃣8️⃣ Ctrl + Shift + < 🔍 – দ্রুত ফন্ট সাইজ ছোট করবে।
3️⃣9️⃣ Ctrl + Home ⬆️ – ডকুমেন্টের শুরুতে যাবে।
4️⃣0️⃣ Ctrl + End ⬇️ – ডকুমেন্টের শেষে যাবে।
4️⃣1️⃣ Ctrl + Page Up 📄⬆️ – আগের পেজে যাবে।
4️⃣2️⃣ Ctrl + Page Down 📄⬇️ – পরের পেজে যাবে।
4️⃣3️⃣ Alt + Ctrl + I 👁️ – Print Preview খুলবে।
4️⃣4️⃣ Ctrl + Shift + E 🖊️ – Track Changes চালু/বন্ধ করবে।
4️⃣5️⃣ Ctrl + Shift + A 🅰️ – সব লেখা Capital Letter-এ রূপান্তর করবে।
4️⃣6️⃣ Shift + F3 🔄 – লেখা ছোট হাত ↔ বড় হাত পরিবর্তন করবে।
4️⃣7️⃣ Ctrl + Spacebar 🧼 – ফন্ট ফরম্যাট মুছে ফেলবে, ডিফল্টে ফিরিয়ে দেবে।
4️⃣8️⃣ Ctrl + Backspace ⬅️ – কার্সরের আগের পুরো শব্দ মুছে ফেলবে।
4️⃣9️⃣ Ctrl + Delete ➡️ – কার্সরের পরের পুরো শব্দ মুছে ফেলবে।
5️⃣0️⃣ Ctrl + Alt + V 📂 – Paste Special ডায়ালগ খুলবে, বিশেষ ফরম্যাটে পেস্ট করার জন্য।

👉 এই পোস্টটি আপনার কাজে এসে থাকলে Share বা Save করে রাখুন না হয় হারিয়ে ফেলবেন।
👉 এখানে থাকা কোন শর্টকাট কমান্ডটি আপনার আগে থেকে জানা ছিলো Comment এ জানান।
👉বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন, এতে তারাও শিখতে পারবে।

15/06/2025

ওয়ারিশ সম্পত্তি বাটোয়ারা কেন জরুরি?

১। ওয়ারিশ সম্পত্তি বাটোয়ারার মাধ্যমে নিজ হিস্যানুসারে প্রাপ্য সম্পত্তিতে আলাদাভাবে ভোগ দখল করার জন্য।

২। ওয়ারিশ সম্পত্তি বাটোয়ারার মাধ্যমে নিজ হিস্যানুসারে প্রাপ্য সম্পত্তিতে খাজনা দেওয়ার জন্য।

৩। ওয়ারিশ সম্পত্তি বাটোয়ারার মাধ্যমে নিজ অংশ আলাদাভাবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক বা ঋণ নেওয়ার সুবিধার জন্য।

৪। ওয়ারিশ সম্পত্তি বাটোয়ারার মাধ্যমে নিজ অংশে পাকা ইমারাত বা বাড়ি নির্মানের সুবিধার জন্য।

৫। ওয়ারিশদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সম্পত্তি বাটোয়ারা জরুরি।

৬। ওয়ারিশ সম্পত্তি থেকে বিভিন্ন ধরণের মামলার উৎপত্তি হয়ে থাকে। ওয়ারিশদের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা থেকে নিরসণের জন্য ওয়ারিশ সম্পত্তি বাটোয়ারা প্রয়োজন।

Collected

#বাটোয়ারা #ওয়ারিশ #সম্পত্তি #নামজারি

15/06/2025

জমি বন্ধক রাখার দলিল লেখার নিয়ম, জমি বন্ধকী চুক্তিনামা
জমি বন্ধক রাখার দলিল লেখার নিয়ম, জমি বন্ধকী চুক্তিনামা
জমি বন্ধক কী এবং কেন প্রয়োজন?
জমি বন্ধক হলো একটি আর্থিক চুক্তি যেখানে জমির মালিক (বন্ধকদাতা) নির্দিষ্ট শর্তে তার জমি বন্ধক রেখে ঋণ গ্রহণ করেন। এটি সাধারণত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ব্যক্তিগত ঋণগ্রহণের ক্ষেত্রেও জমি বন্ধক রাখার প্রচলন রয়েছে।

জমি বন্ধকের প্রকারভেদ এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য
সহজ বন্ধক (Simple Mortgage): বন্ধকগ্রহীতা জমির মালিকানার অধিকার পায় না, তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না হলে জমি বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করা হয়।
দাবি বন্ধক (Mortgage by Conditional Sale): ঋণ পরিশোধের শর্তে জমির মালিকানা বন্ধকগ্রহীতার কাছে যায়।
পুনঃক্রয়যোগ্য বন্ধক (Usufructuary Mortgage): ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধকগ্রহীতা জমি ব্যবহার করতে পারে।
ঋণপত্র বন্ধক (English Mortgage): ঋণের পরিমাণ পরিশোধ না করা হলে জমির মালিকানা স্থায়ীভাবে বন্ধকগ্রহীতার কাছে চলে যায়।
জমি বন্ধকী চুক্তিনামার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা
ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো।
আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উভয় পক্ষের অধিকার সংরক্ষণ।
একটি আদর্শ জমি বন্ধকী চুক্তিনামায় কী কী বিষয় থাকা উচিত?
বন্ধকদাতার এবং বন্ধকগ্রহীতার নাম ও পরিচয়
জমির বিস্তারিত বিবরণ (খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ, অবস্থান ইত্যাদি)
বন্ধকের শর্তাবলী (বন্ধকের মেয়াদ, বন্ধকের পরিমাণ, সুদের হার ইত্যাদি)
বন্ধকী জমির ব্যবহার এবং রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত নিয়মাবলী
বন্ধকী জমি ফেরত দেওয়ার শর্তাবলী এবং প্রক্রিয়া
চুক্তিতে স্বাক্ষর এবং সাক্ষীর নাম ও পরিচয়
স্ট্যাম্প পেপারের ব্যবহার এবং রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
নির্দিষ্ট মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে বন্ধকী দলিল লিখতে হবে।
রেজিস্ট্রার অফিসে নথিভুক্ত করতে হবে যাতে এটি আইনি বৈধতা পায়।
জমি বন্ধকের ক্ষেত্রে আইনি দিকগুলো
ঋণ পরিশোধ না হলে আইনানুগভাবে জমি হস্তান্তরের ব্যবস্থা।
বন্ধকী দলিল যথাযথভাবে নথিভুক্ত করা হলে তা আদালতে কার্যকর প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
চুক্তিপত্র তৈরি করার সময় সাধারণ ভুলগুলো এবং তা থেকে বাঁচার উপায়
জমির সম্পূর্ণ বিবরণ না দেওয়া।
সাক্ষীর স্বাক্ষর না রাখা।
স্ট্যাম্প পেপার ও রেজিস্ট্রেশন না করা।
জমি বন্ধক রাখার চুক্তিপত্রের নমুনা
জমি বন্ধকী চুক্তিপত্র

প্রথম পক্ষ (জমির মালিক / বন্ধক দাতা):
নাম: …………………, পিতা: …………………, ঠিকানা: …………………, জাতীয়তা: বাংলাদেশী, ধর্ম: ইসলাম, পেশা: ব্যবসা।

দ্বিতীয় পক্ষ (বন্ধক গ্রহীতা):
নাম: …………………, পিতা: …………………, ঠিকানা: …………………, জাতীয়তা: বাংলাদেশী, ধর্ম: ইসলাম, পেশা: ব্যবসা।

পরম করুণাময় আল্লাহর নামে অত্র বন্ধকী চুক্তিপত্র রচিত হইল। যেহেতু প্রথম পক্ষ, ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত, তফসিলে বর্ণিত জমির বৈধ মালিক এবং বর্তমানে নগদ অর্থের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করিয়া দ্বিতীয় পক্ষকে উক্ত জমি বন্ধক রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছেন। দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত প্রস্তাব গ্রহণ করিয়া নিম্নে বর্ণিত শর্তাবলী অনুসারে জমি বন্ধক গ্রহণ করিতে সম্মত হইয়াছেন।

শর্তাবলী:
১। প্রথম পক্ষ নগদ ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা গ্রহণ করিয়া নিম্নে তফসিল বর্ণিত জমি দ্বিতীয় পক্ষের নিকট বন্ধক রাখিলেন। ২। যেহেতু বন্ধকী জমি ফসলী, তাই দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত জমিতে স্বয়ং ফসলাদী উৎপাদন করিতে বা অন্য কাহারো মাধ্যমে চাষ করাইতে পারিবেন। ৩। যতদিন পর্যন্ত প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে সমুদয় অর্থ ফেরত প্রদান না করিবেন, ততদিন দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত জমি ভোগ করিবেন এবং এতে প্রথম পক্ষ কোনো আপত্তি করিতে পারিবেন না। ৪। প্রথম পক্ষ যখন সম্পূর্ণ ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা পরিশোধ করিবেন, তখন দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত জমির দখল হস্তান্তর করিতে বাধ্য থাকিবেন। ৫। প্রথম পক্ষ বন্ধকী জমি অন্য কাহারো নিকট হস্তান্তর করিতে পারিবেন না। অন্যথায়, দ্বিতীয় পক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন। ৬। যদি প্রথম পক্ষের মৃত্যু ঘটে, তবে তাহার ওয়ারিশগণ উক্ত টাকা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন। একইভাবে, দ্বিতীয় পক্ষের মৃত্যু ঘটিলে তাহার ওয়ারিশগণ প্রথম পক্ষকে জমির দখল ফেরত দান করিতে বাধ্য থাকিবেন। ৭। প্রথম পক্ষ বা তাহার ওয়ারিশগণ বন্ধকী চুক্তি সম্পর্কে কোনো আপত্তি তুলিতে পারিবেন না। তাহা সর্ব আদালতে বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।

বন্ধকী জমির তফসিল:
জেলা:
থানা:
মৌজা :

দাগ নম্বর জমির পরিমাণ
………… …………
………… …………
অত্র দলিল তিন (৩) পাতায় কম্পোজকৃত।

স্বাক্ষীগণের নাম ও স্বাক্ষর:
১। …………………
২। …………………
৩। …………………

প্রথম পক্ষ (দলিল দাতা): ____________________
দ্বিতীয় পক্ষ (দলিল গ্রহীতা): ____________________ও স্বাক্ষর: ___________

চুক্তিপত্র তৈরির সময় আইনজীবীর পরামর্শের গুরুত্ব
দলিলের ভাষা ও আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতা এড়ানো।
জমি বন্ধকী চুক্তিনামা সংক্রান্ত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: বন্ধকী দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক কি? উত্তর: হ্যাঁ, এটি আইনি সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: বন্ধকী চুক্তিপত্র না থাকলে কী সমস্যা হতে পারে? উত্তর: ঋণের পরিশোধ বা জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিতে পারে।

এই পোস্টটি আপনাকে জমি বন্ধকী চুক্তিনামা সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেবে এবং ভবিষ্যতে আইনি সমস্যা এড়াতে সহায়ক হবে।

15/06/2025

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সাত শ্রেণির দলিল এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নামজারি হবে:

১. সাধারণ বিক্রয় দলিল (সাব-কাবলা দলিল):
২.হেবা দলিল:
৩.হেবা বিল আওয়াজ দলিল:
৪.এওয়াজ বদল দলিল:
৫.ওসিয়তনামা দলিল:
৬.আপোষ বণ্টননামা দলিল:
৭.না দাবি দলিল
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইতিমধ্যে দেশের ২১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এই অটোমেশন পদ্ধতি চালু হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই দেশের সব জেলায়, সব সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন হবে।

21/05/2025
✅ জাল দলিল চেনার উপায়। জমি কেনার আগে দলিল ঠিক আছে কি-না সেটি নির্ণয় করা প্রাথমিক কাজ। এক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে সাধারণ ধার...
24/03/2025

✅ জাল দলিল চেনার উপায়।

জমি কেনার আগে দলিল ঠিক আছে কি-না সেটি নির্ণয় করা প্রাথমিক কাজ। এক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে সাধারণ ধারনা প্রত্যেকের থাকা উচিত।

০১) দলিলের প্রথম পাতায় সবার উপরে দুটি নাম্বার থাকে, যার একটি বামে এবং অন্যটি ডান দিকে থাকে। বাম দিকের নাম্বারটি ডান দিকের নাম্বার থেকে বড় হয়; বামদিকে ৪৯৩৮ থাকলে ডানদিকে তার থেকে ছোট সংখ্যা হবে যেমন ৪৮৯৩। বামদিকের সংখ্যাকে বলা হয় দলিলের ক্রমিক নাম্বার এবং ডান দিকের সংখ্যাকে বলা হয় দলিল নাম্বার। বাম দিকের ক্রমিক নাম্বারটি যদি ডান দিকের দলিল নাম্বার থেকে ছোট হয় তাহলে দলিলটি জাল দলিল হিসেবে সন্দেহের অবকাশ থাকে।

০২) প্রত্যেক নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প উত্তোলনের সময় স্ট্যাম্পের পিছনে উত্তোলনকারীর নাম এবং তারিখ থাকে। কোন সাফ-কবলা দলিল উক্ত স্ট্যাম্পের উপর লিখিত হলে যদি দেখা যায় যে, স্ট্যাম্প উত্তোলনের তারিখের পূর্বের তারিখে দলিলটি সম্পাদন করা হয়েছে তাহলে দলিলটি জাল দলিল বলার অবকাশ থাকে।

০৩) দলিল দাতার সাক্ষর এবং টিপসই পরীক্ষা করে জালিয়াতি নির্নয় করা যায়। এর জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করতে হয়। আবেদন করা হলে যার হাতের লেখা, টিপসই বা সাক্ষর বলে দাবি করা হচ্ছে তাকে নোটিস দিতে হয়। তারপর, উক্ত ব্যক্তির লেখা, সাক্ষর বা টিপসই নেওয়া হয়। যদি মৃত্যু বা অন্য কোন কারনে লেখক বা স্বাক্ষরকারীকে না পাওয়া যায় তবে তার আগের কোন লেখা, টিপসই বা স্বাক্ষর অন্য দলিল হতে সংগ্রহ করে বিশেষজ্ঞের পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হয়। পরীক্ষার পর দলিলটি জাল কিনা সে সিদ্ধান্তে পোঁছানো যায়।

০৪) ১৯৬০ সালের পর থেকে বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানে দশমিক পদ্ধতির হিসাব প্রবর্তিত হয়; ১৯৬০ সনের পূর্বের দলিলে যদি দশমিক পদ্ধতিতে জমির হিসাব খাজনার পরিমান উল্লেখ থাকে তবে দলিলটি জাল হিসেবে গন্য করার অবকাশ থাকে।

০৫) কোন রেজিষ্ট্রি দলিল নিয়ে সন্দেহের উদ্বেগ হলে তর্কিত রেজিষ্ট্রি দলিলটি সম্পাদনের সময় উক্ত অঞ্চলে সাব-রেজিষ্ট্রার কে ছিলেন তা বাহির করে তার স্বাক্ষর কৃত বিশুদ্ধ অন্য দলিলের সহিত তর্কিত দলিলটির স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখে জাল দলিল সনাক্ত করা যায়।

০৬) 'ভূমি উন্নয়ন কর' শব্দটি ১৯৭৬ সনে ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ জারির পর থেকে ভূমি ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার হয়ে থাকে। ১৯৭৬ সালের পূর্বের দলিলে যদি 'ভূমি উন্নয়ন কর' শব্দটি লিখে তা পরিশোধের কথা বলা হয়ে থাকে তাহলে দলিলটি জাল হিসেবে ধরে নেওয়ার অবকাশ থাকে।

০৭) সন্দেহকৃত দলিলে যদি বিভিন্ন দলিল বা খতিয়ানের রেফারেন্স দেওয়া থাকে তাহলে উক্ত দলিল বা খতিয়ান পর্যালোচনার মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ধারাবাহিক বিবরণ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে তর্কিত দলিলের সহিত বায়া দলিলের মালিকানা হস্তান্তরের বিবরনের সামঞ্জস্য না থাকলে দলিলটি জাল দলিল হিসেবে গন্য করার অবকাশ থাকে।

০৮) কোন দলিলের রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে সন্দেহের উদ্বেগ হলে রেকর্ড রুমে তল্লাশীর মাধ্যমে দলিলটি রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে কি হয় নাই তা জানা যায়। তল্লাশীর মাধ্যমে বালাম বহিতে যদি দলিলটির রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে কোন তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে দলিলটি জাল দলিল বলে গন্য করা হবে।

০৯) অনকে সময় দেখা যায়, জাল দলিলকারী মূল দলিলটির দাতা-গ্রহীতার নাম, ঠিকানা,দলিলের অন্যান্য বিবরণ ঠিক রেখে শুধুমাত্র দাতা-গ্রহীতার ছবি এবং এন আই ডি নাম্বার পরিবর্তন করে অন্যজনের ছবি সংযুক্ত করে হুবুহু একটি জাল দলিল সৃজন করে। আপনি যখন দলিলটি তল্লাশি দিবেন তখন মুল দাতা-গ্রহীতার নাম, ঠিকানা সবই সঠিক পাবেন এবং দলিলটি যে জাল সেটি সনাক্ত করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে দলিলে সংযুক্ত ব্যক্তিটির ঠিকানা এবং তার ছবিটি সঠিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে।
#গুরুত্বপূর্ণ কাজ@ দলিলে উল্লেখিত জমির দাগ নাম্বার,জমির পরিমাণ, দাতা এবং গ্রহিতার নাম, মৌজা জেলা রেকর্ড রুমে লিপিবদ্ধ আছে কিনা দলিল তল্লাশি কারক দের মাধ্যমে তার যাচাই করুন।

🎤পুরাতন দলিল পড়ে কখনো কাউকে গজা মিল দিয়ে বুঝিয়েছেন😋পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা সামান্য এডিট করে দেওয়...
19/03/2025

🎤পুরাতন দলিল পড়ে কখনো কাউকে গজা মিল দিয়ে বুঝিয়েছেন😋
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা সামান্য এডিট করে দেওয়া হলো।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিল পড়ে শব্দের অর্থ বোঝেন নি, তাদের জন্য কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম।
২) জে.এল নং: মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা।
৪) খং: খতিয়ান।
৫) সাবেক: পূর্বের।
৬) হাল: বর্তমান।
৭) বং: বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
৮) নিং: নিরক্ষর।
৯) গং: আরো অংশীদার আছে।
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম।
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা।
১২) সনাক্তকারী: যিনি বিক্রেতাকে চিনেন।
১৩) এজমালী: যৌথ।
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক।
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল।
১৬) বাস্তু: বসতভিটা।
১৭) বাটোয়ারা: বণ্টন।
১৮) বায়া: বিক্রেতা।
১৯) মং: মোট।
২০) মবলক: মোট।
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়।
২২) হিস্যা: অংশ।
২৩) একুনে: যোগফল।
২৪) জরিপ: পরিমাপ।
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা।
২৬) সিট: নকশার অংশ।
২৬) দাখিলা: খাজনার রশিদ।
২৭) নক্সা: মানচিত্র/ম্যাপ।
২৮) পিং: পিতা।
২৯) জং: স্বামী।
৩০) দাগ নং: জমির নম্বর।
৩১) স্বজ্ঞানে: নিজের বুঝ অনুযায়ী।
৩২) সমূদয়: সব কিছু।
৩৩) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৩৪) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে।
৩৫) বিং: বিস্তারিত।
৩৬) দং: দখলকার।
৩৭) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত।
৩৮) বদল সূত্র: জমি বিনিময়।
৩৯) মৌকুফ: মাফকৃত।
৪০) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা।
৪১) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান।
৪২) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ।
৪৩) অধুনা: বর্তমান।
৪৪) রোক: নগদ।
৪৫) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল।
৪৬) দান সূত্র: দানকৃত সম্পত্তি।
৪৭) দাখিল খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন।
৪৮) তফসিল: সম্পত্তির তালিকা।
৪৯) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমতি।
৫০) খতিয়ান: জমির রেকর্ড।
৫১) জরিপ: ভূমি পরিমাপ।
৫২) এওয়াজ সূত্র: বিনিময়সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া।
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন সম্পত্তি বণ্টন নির্দেশ।
৫৪) নামজারী: মালিকানা হস্তান্তর রেকর্ড।
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা।
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন।
৫৭) আমলনামা: জমি দখল সংক্রান্ত দলিল।
৫৮) আসলি: মূল ভূমি।
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ।
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত।
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র।
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি।
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৬৪) কিত্তা: ভূমি খণ্ড।
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ।
৬৬) কায়েম স্বত্ত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা।
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল।
৬৮) কান্দা: উচ্চ ভূমি।
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ।
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি।
৭১) খিরাজ: খাজনা।
৭২) খসড়া: প্রাথমিক ভূমি রেকর্ড।
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি।
৭৪) গির্ব: বন্ধক।
৭৫) জবর-দখল: জোরপূর্বক দখল।
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব।
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি।
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণাপত্র জারি।
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা।
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়া।
৮১) তফসিল: বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ।
৮২) নামজারী: ভূমি মালিকানা হস্তান্তর।
৮৩) নথি: রেকর্ড।
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৮৫) দখলী স্বত্ত্ব: ভূমি দখলের মালিকানা।
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের জন্য জমি বন্দোবস্ত।
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর।
৮৮) দরবস্ত: সমুদয়/সব কিছু।
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনাদাতা।
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ।
৯১) নাম খারিজ: মালিকানা পৃথককরণ।
৯২) তুদাবন্দী: সীমানা নির্দেশ।
৯৩) তরমিম: সংশোধন।
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির রেকর্ড।
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলি দিয়ে গঠিত চর।
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের লাইন পরিমাপ।
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি।
৯৮) চর: নদীর পলিমাটি জমে গঠিত ভূমি।
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা।
১০০) খাস: সরকারি দখলীয় জমি।
মূল কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে।

Possible✅ if you can do it Your self 👌
18/03/2025

Possible✅ if you can do it Your self 👌

Address

Munshiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভূমি সেবা by সার্ভেয়ার মো: ইকবাল Reg.No.P-37219 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category