15/03/2026
ঢাকার কাছেই পদ্মায় হাউসবোট ভ্রমণ, কত খরচ আর বুকিং কোথায়
ঈদের ছুটিতে অনেকেই শহরের কোলাহল থেকে দূরে যেতে চান। দূরের পাহাড় বা সমুদ্র না হলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে গিয়ে প্রকৃতির কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া। পদ্মার বুকে হাউসবোট ভ্রমণ হতে পারে তাদের জন্য সেরা বিকল্প। নদীর ঢেউ, বিস্তীর্ণ আকাশ, চরজীবনের স্পর্শ, দেশের বৃহত্তম সেতু দর্শন আর নদীর বুকে সূর্যাস্ত উপভোগ, সব মিলিয়ে এটি হতে পারে এক দিনের দারুণ ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা।
দেশের পর্যটনে হাউসবোট নতুন কিছু নয়। সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিলাসবহুল হাউসবোট ভ্রমণ জনপ্রিয়। হাওর অঞ্চলে মূলত বর্ষাকালেই পর্যটনের মৌসুম জমে ওঠে। জুন-জুলাই থেকে শুরু হয়ে অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে পর্যটকদের ভিড় থাকে। পরে পানি কমে গেলে অনেক হাউসবোটের গন্তব্য হয়ে ওঠে পদ্মা নদী। শীত থেকে গ্রীষ্মের মাঝামাঝি পর্যন্ত পদ্মায় থাকে এসব হাউসবোট। এ সময়টায় পদ্মা থাকে শান্ত। নদীর বুকজুড়ে কোথাও কোথাও পলি জমে জেগে ওঠা নতুন চরে ভিড় করে পাখপাখালি।
বছর চারেক আগে হাতে গোনা কয়েকটি হাউসবোট থাকলেও এখন পদ্মায় এই ভ্রমণ সেবায় যুক্ত হয়েছে প্রায় ২৫টি নৌযান। এসব হাউসবোটের কোনো কোনোটাতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ কক্ষও আছে। হাউসবোটগুলো মুন্সিগঞ্জের লৌহজং বাজার, বেজগাঁও, শিমুলিয়া ঘাট (পুরোনো মাওয়া ঘাট) এবং দোহারের নারিশাবাজার ঘাট থেকে ছাড়ে। একসময় রাত্রিযাপনের প্যাকেজ থাকলেও বর্তমানে শুধু দিনব্যাপী প্যাকেজ অফার করছে। এই প্যাকেজে যে ঘাট থেকে তোলা হয়, যাত্রীদের আবার একই ঘাটে এনে নামিয়ে দেয়।