Lend Property Buy and sell

Lend Property  Buy and sell Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lend Property Buy and sell, Real Estate, Begumganj Noakhali, Noakhali.

চৌমুহনী পৌরসভার আলীপুরে সবচেয়ে প্রাইম লোকেশনে                 ****জমির শেয়ার বিক্রয়****বিলাস বহুল প্ল্যাট এখন স্বপ্ন নয়,...
15/02/2024

চৌমুহনী পৌরসভার আলীপুরে সবচেয়ে প্রাইম লোকেশনে

****জমির শেয়ার বিক্রয়****

বিলাস বহুল প্ল্যাট এখন স্বপ্ন নয়, স্বপ্নকে বাস্তবায়নে যৌথভাবে জমির শেয়ার কিনে ৪০% এর অধিক কম খরচ সাশ্রয় করে গড়ে তুলুন আপনার স্বপ্নের প্ল্যাট। জমিতে বিনিয়োগ করে নির্মান খরচে ফ্ল্যাট গড়ি।

একটি সঠিক বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত দিতে পারে আপনাকে ভবিষ্যতের ১০০% হালাল মুনাফার নিশ্চয়তা

প্রকল্পের নাম: সেভেন স্টার হাউজিং

প্রকল্পের বাস্তবায়ন:

১) সর্বপ্রথম জমির শেয়ার ক্রয় ও সাব কবলা দলিল মূলে জমি রেজিস্ট্রি করণ।

২) রেজিস্ট্রি খরচ সহ জমির প্রতি শেয়ারের মূল্য- ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)

৩) সম্মলিত ভাবে নির্মাণ খরচ বহন করে ও কিস্তিতে পরিশোধ করে ভবন নির্মান করা হবে।

৪) সর্বমোট শেয়ার সংখ্যা ৮০টি।

৫) প্রকল্পের মোট জমি ৩২.০৬ শতাংশ।

প্রকল্পের জমির বিবরণ-

২৩৭নং আলীপুর মৌজার ৫৯নং তৌজির, সি.এস ২৩৫/১ নং খতিয়ান এস.এ/ এম.আর.আর-১৪৬ নং খতিয়ান ও তাহা হইতে আগত জমা খারিজ নং- ৫০৬ নং খতিয়ান বি.আর এস ফাইনাল-২০০ নং খতিয়ান।

যাহা সাবেক ১৩৪৩নং দাগ ১একর ১৬শতাংশের অন্দরে ৫৮শতাংশ তাহার অন্দরে ৫১ শতাংশ হাল দাগ- ৭০০৭ নং দাগ রকম- নাল, ৪১.৫৬র অন্দরে ৩২.০৬ শতাংশ জমি। উত্তরে হাল ৪১৬২নং দাগ, ও দক্ষিণে পৌর চলাচলের রাস্তা। পূর্বে চলাচলের রাস্তা পশ্চিমে হাল- ৭০০৬নং দাগ। এই চৌহদ্দির মধ্যে ৩২.০৬ শতাংশ জমি।

প্রকল্পের অবস্থান: আবদুল ওহাব সড়ক, জয়নাল আবেদীন মেমোরিয়াল স্কুল সংলগ্ন।

ভবনের বিবরণ:

১. ফ্যাট নির্মাণ এর উদ্দেশ্যে ক্রয়কৃত জমিতে ভবন নির্মিত হবে (জি+৮)।

২. গ্রাউন্ড ফ্লোর ও লেভেল ফ্লোর একসাথে হবে। এর উপরে (A+B+C) তিনটি টাওয়ার হবে।

৩. বসবাসের জন্য প্রতি ফ্লোরে "এ" টাওয়ারে ০৪ (চারটি)
ইউনিট (ফ্ল্যাট) হবে (ও "বি" ও "সি"টাওয়ারে ০৬ (ছয়টি) ইউনিট (ফ্ল্যাট), তৈরি করা হবে।

৪. সর্বমোট ০৩ (তিনটি) টাওয়ারে প্রত্যেক ফ্লোরে ১০টি করে সর্বমোট ৮০টি ফ্ল্যাট নির্মিত হবে।

৫. সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট সাইজ ১৩৫০ (+/-) বর্গফুট।

৬. প্রতি ইউনিটে (ফ্ল্যাটে) যা যা থাকবে:-

* বেডরুম-০৩টি

* বারান্দা-০২টি

* টয়লেট-০৩টি

* প্রসস্থ ডাইনিং-০১টি

* প্রসস্থ ড্রয়িং-০১টি

* কিচেন-০১টি

৭. নিচ তলায় যা যা থাকবে:-

* নামাজের স্থান- ১টি

* সুপার সপ- ১টি

* সিকিউরিটি রুম- ২টি

* বাথরুম- ২টি

* অফিস রুম- ১টি

* ষ্টোর রুম- ১টি

গেষ্ট রুম- ১টি

* জেনারেটর কক্ষ ১টি

• বাকি অংশ কার পার্কিং (গ্যারেজ) তৈরি করা হবে।

৮. টপ ফ্লোরে যা যা থাকবে:-

> গ্রীন জোন,

➤ ছাদ বাগান,

> বারবি-কিউ কর্ণার

➤ ও বাকী অংশ কমিউনিটি সেন্টার থাকবে।

> যাহা সদস্যগণ নূন্যতম সার্ভিস চার্জ দিয়ে অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করবে।

৯. ভূমিকম্প সহায়ক স্ট্রাকচার ও আধুনিক ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম ও ইকুইপমেন্ট থাকবে।

১০. মূল ভবন সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকবে।
প্রকল্পের নীতিমালা

১. নকশা অনুযায়ী ভবনের স্ট্রাকচার এবং কমন সকল কাজ শেষ করার পর লিফট সংযুক্ত করা হবে। আলোচনা সাপেক্ষে ৮জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ২/৩ টি লিফট সংযুক্ত করা হবে।

২. লিফট সংযুক্তির পর লটারির মাধ্যমে বন্টনকৃত ফ্ল্যাট সকল শেয়ার হোল্ডার নামে বন্টন নামা দলিল মূলে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। লটারির সময় সকল শেয়ার হোল্ডারের উপস্থিতি আবশ্যক।

৩. ভবনের নিচতলা গাড়ীর গ্যারেজের জন্য খালি থাকবে। গ্যারেজ বিক্রয় করা হবে না সকল সদস্যগণ এর মালিকানা থাকবে।

৪. ফ্ল্যাট অংশীদার ভাড়া দিয়ে গ্যারেজ ব্যবহার করতে পারবেন। ভাড়ার টাকা সমিতির মূল হিসাবে জমা থাকবে যাহা উন্নয়ণ বা সংস্কার কাজে ব্যায় হবে। ফ্ল্যাট মালিক ব্যাতিত বাহিরের কোন ব্যাক্তির নিকট গ্যারেজ ভাড়া দিতে হলে কমিটির অনুমোদন আবশ্যক।

৫. কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভবনের বাহিরের এবং মূল দরজায় স্ট্রাকচার ঠিক রাখিয়া যে যার যার মতো করে ফ্ল্যাটে উঠে যেতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ফিটিংস এর কাজ নিজেকে নিজের মতো বহন করতে হবে। তবে আলোচনা সাপেক্ষে সকল সদস্যগণ তখনকার অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন যোগ্য।

৬. টপফ্লোরের উপর ঝলছাদ/ টাইলস এর খরচ মূল কাজের সাথে যুক্ত থাকবে।

৭. ভবনের সম্ভব্য নির্মাণ কাজ শুরু হবে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে এবং শেষ হবে ২০২৬ সালে জুন মাসে ইনশাল্লাহ।

৮. নির্মাণের সময় ফুলটাইম ২ জন সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ করা হবে এবং কাজের গুণগত মান যাচাই এর জন্য পার্টটাইম একজন ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করা থাকিবে।

৯. দুই মাস পরপর ভবনের উন্নয়ন সম্পর্কিত মিটিং করা হবে। প্রত্যেক শেয়ার হোল্ডার কাজের মান যাচাই করা সহ সকল হিসাব নিকাশ দেখা শুনা করতে পারবেন।

১০. সব ধরনের নির্মাণ সামগ্রী কার্যকরী কমিটি একধিক সাব কমিটি মাধ্যমে যাচাই পূর্বক ক্রয় করা হয়।

১১. ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পূন্ন হওয়ার পর কোন ফ্ল্যাট মালিক আবাসিক ছাড়া মেস, কোচিং সেন্টার, অফিস বা কোন ধরনের কারখানা বা অনলাইন ব্যবসায় ব্যবহারের জন্য ভাড়া দিতে পারবে না।

১২. কোন শেয়ার হোল্ডার ফ্ল্যাট বিক্রি বা হস্তান্তর করতে চাইলে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করতে হবে। শেয়ার হোল্ডারদের মাঝে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ফ্ল্যাট বিক্রয়ের লাভের ৫% টাকা কমিটির ফান্ডের হিসেবে জমা দিতে হবে এবং উক্ত টাকা ভবনের বিভিন্ন এর খাতে ব্যয় করা হবে।

১৩. টাকা প্রদানের নিয়মাবলিঃ

* পাইলিং এর সময় প্রত্যেক শেয়ার হোল্ডার ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা করে প্রদান করিবেন।

* পাইলিং শেষ হওয়ার দুই মাস পর ফাউন্ডেশন এবং ১ম ছাদের জন্য আর ও ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা প্রদান করিবেন।

* ২য় তলার ছাদ থেকে ৯ম তলার ছাদ পর্যন্ত ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা করে আনুপাতিক হারে প্রদান করবে। পর পর তিন ছাদের কিস্তির বিলম্ব হলে ডিফল্ডারের ব্যাপারে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

* পাইলিং থেকে শুরু করে নির্মানের যাবতীয় কাজ সমাপ্ত পর্যন্ত সকল প্রকারের লেনদেন ব্যাংক চেকের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

* বর্তমান বাজার মূল্যে ফ্ল্যাট নির্মানের সম্ভাব্য খরচ ১৭/১৮ লক্ষ টাকা। ১৪. ফ্ল্যাট বুঝিয়া পাওয়ার পর সিঁড়ি, লিফট মেরামত বা কমন খরচ যেমন- গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি এবং দারোয়ান এর বেতন সহ ইত্যাদি খরচ (অর্থাৎ সার্ভিস চার্জ) প্রত্যেক শেয়ার হোল্ডার সমানভাবে বহন করবেন।

১৫. বাড়ীর মূল গেট এবং আউটসাইড, করিডোর সহ কমন স্পেস এর কালার একই হবে প্রত্যেক শেয়ার হোল্ডারা ইন্টেরিয়ল ও কালার নিজের পছন্দ মত করে নিতে পারবে।

১৬. সকল শেয়ার হোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে যে কোন সময় কমিটি ভেঙ্গে/পুনর্গঠন করা

যাবে।

১৭. মুল দলিল জমা রাখিয়া কোন প্রকার ব্যাংকিং লেনদেন অথবা লোন সুবিধা কেউ ভোগ করতে পারবে না।

১৮. জমিনের সাব কবলা দলিল এবং ভবন নির্মাণ সম্পর্কিত মুল দলিল সহ সকল কাগজপত্র ভবনের অফিস রুমে জমা থাকবে এবং এর দায়ভার কার্যকরী পরিষদ বহন করিবেন।

১৯. সকল শেয়ার হোল্ডার সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।

২০. কোন সিদ্ধান্ত উপনিত হবার জন্য পরিচালনা কমিটির ও সকল শেয়ার হোল্ডারদের উপস্থিতিকে কার্যকর হবে।

২১. কেউ মালিকানা হস্তান্তর করতে চাইলে কাজ শুরু আগে অর্থাৎ পাইলিং এর পূর্বে পরিচালনা পর্ষদ কে অবহিত করতে হবে।

২২. ভবন নির্মাণ সময় পরিচালনা সদ্যসের উপযুক্ত সম্মানি ভাতা বা পারিশ্রমিক মোট খরচের ৫% আকারে হিসাব করে ৬মাস অন্তর অন্তর প্রদান করতে হবে।

২৩. বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাট বুঝে পাওয়ার পর কোন সদ্যসের ফ্ল্যাট খালি থাকলে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ

দিতে বাধ্য থাকিবে।

২৪. পরিচালনা পর্ষদ থেকে কোন শেয়ার হোল্ডার ভবন নির্মাণ চলমান অবস্থায় ফ্ল্যাট বিক্রি করে চলে গেলে অথবা স্ব-ইচ্ছা পদত্যাগ করলে কোন সম্মানি বা ভাতা দেওয়া হবে না।

২৫. পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যগন মেজাজের ভারসাম্যহীনতা রক্ষা করে পরস্পর আলাপ- আলোচনা করতে হবে।

প্রয়োজনে :- আবদুল কাদের রাসেল ( ০১৭১২৭৭৭০৬৬)

👉👉রড বাছাই করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় জানা থাকলে হয়তো আমরা ভালো গুনাগুণ সম্পন্ন রড নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে পারবো । আমাদের...
01/01/2024

👉👉রড বাছাই করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় জানা থাকলে হয়তো আমরা ভালো গুনাগুণ সম্পন্ন রড নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে পারবো । আমাদের দেশে ৪০,৬০ ,৭৫ গ্রেডের রড বাজারে পাওয়া যায়। তবে ৬০ গ্রেডেড রড আমাদের দেশে প্রচলিত । ৭৫ গ্রেডেড রড হাইরাইজিং বা সুউচ্চ বহুতল ভবন তৈরীতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
✅ রডের পরীক্ষাঃ-
১। BSTI সার্টিফিকেট থাকতে হবে,বুয়েটের সার্টিফিকেট থাকতে হবে এবং প্রতি রডের সাথে ট্রেডমার্ক থাকতে হবে।
২।রড বাঁকা করার পর পুনরায় সোজা করার পর কোন ক্র্যাক বা চিঁড় দেখা যাবে না।
৩। ভালো রড সহজে মরিচা ধরবে না।
৪। ৯০ থেকে ১৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বেন্ড করা যাবে এবং পুনরায় সোজা করা যাবে । না হলে বুঝতে হবে এটা ভালো রড নয়।
৫। রডের গায়ে হাল্কা ঘষা দিলে যদি ধারালো অনুভব হয় তবে সেটা ভালো রড না।
৬। ভালো রডে ফাটল থাকবে না।
৭। ওয়েল্ডিং ক্যাপাসিটি ভালো হবে।

🎆HAPPY NEW YEAR, TO YOU ALL! Wishing you all the very best for 2024...💖✨
01/01/2024

🎆HAPPY NEW YEAR, TO YOU ALL! Wishing you all the very best for 2024...💖✨

📢📢নতুন ভূমি আইনে প্রস্তাবিত অপরাধ গুলো দেখে নিন..…...…ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তা...
24/12/2022

📢📢নতুন ভূমি আইনে প্রস্তাবিত অপরাধ গুলো দেখে নিন..…...…

ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সরকার,,
প্রকাশিতঃ- ২৪ জানু ২০২২ ইং

👉 জাল দলিল তৈরি:

যদি কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাসভূমি বা কোন প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল জাল করেন, তাহলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

👉 মালিকানার অতিরিক্ত জমির দলিল সম্পাদন:

কোন ব্যক্তি যদি যতটুকু জমির মালিকানা রয়েছে, তার চেয়ে বেশি জমির দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 একই জমি একাধিকবার বিক্রয়:

কোন ব্যক্তি যদি তার বিক্রিত জমি পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

👉 বায়নাকৃত জমির পুনরায় চুক্তি করা:

বিক্রয় চুক্তি বা বায়না চুক্তি করার পর অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে আবার চুক্তি করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

👉 ভুল বুঝিয়ে দানপত্র:

ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অথবা প্রতারণা করে যদি কোন ব্যক্তি অন্য আরেকজনের কাছ থেকে জমির দান দলিল করেন, তাহলে সেটা একটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের নামে দলিল:

উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দলিল করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি:

উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করলে সেটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 অবৈধ দখল

বৈধ কাগজপত্র না থাকার পরেও কেউ যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারি খাস ভূমি বা কোন সংস্থার জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য এক বছর থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 সহ-উত্তরাধিকারীর জমি দখল করে রাখা

কোন ব্যক্তি যদি তার শরীক বা সহ-উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
👉 অবৈধভাবে মাটি কাটা, বালি উত্তোলন:

বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারির ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ ইত্যাদি থেকে মাটি বা বালু উত্তোলন করলে (কোন ক্ষতি হোক বা না হোক) অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করার শাস্তি:

বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি করলে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 বিনা অনুমতিতে জমির উপরের স্তর কেটে নেয়া:

জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি উপরের স্তর থেকে মাটি উত্তোলন করা বা করানো হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 অধিগ্রহণের পূর্বে অতিরিক্ত মূল্যে জমির দলিল:

কোন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে, এমন খবর জানতে পেরে কেউ যদি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে ভূমি নিবন্ধন করেন, তাহলে সেটি একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 জনসাধারণের ব্যবহার্য বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জমি দখল:

খেলার মাঠ, জলাশয়, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, দরগা, শিক্ষা বা ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দাতব্য বা জনপ্রতিষ্ঠানের জমি দখল, সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা বা করতে সহায়তা করলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 বিনা অনুমতিতে পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বসতি:

অনুমতি ছাড়া কোন পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বা পাহাড়ে বসতি স্থাপন করা হলে তাকে যেকোনো সময় উচ্ছেদ করা যাবে। অবৈধভাবে বসতি স্থাপনের জন্য তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।

👉 রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর সংক্রান্ত অপরাধ:

একই জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল করে দেয়া, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে জমির দলিল দিতে না পারা, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারা, ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হলেও দলিল দিতে ব্যর্থ হওয়া-ইত্যাদি কর্মকাণ্ড অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ থেকে লক্ষ র্টাকা পযন্ত জরিমানা হতে পারে।
👉 চুক্তির পর ভূমি মালিককে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেয়া:
জমির মালিকের সঙ্গে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি চুক্তি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমি মালিকের অংশ তাকে বুঝিয়ে না দিলে বা দখল না দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 সরকারি-বেসরকারি বা সংস্থার জমির বেআইনি দখল:
এরকম কর্মকাণ্ড করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির ক্ষতি:
মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা, অন্য কোন পদার্থ বা উপায়ে বা অবকাঠামো নির্মাণ করে নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির আংশিক ক্ষতি করা হলে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড, অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

আর সম্পূর্ণ ক্ষতি করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 অবৈধ দখল গ্রহণ ও বজায় রাখতে পেশিশক্তি:
অস্ত্র প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি ইত্যাদি দেয়া হলে সেটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

সেজন্য ছয় মাস থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 পুনরায় অপরাধ করা:
এই আইনের অধীন কোন অপরাধে একবার সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় সেই অপরাধ করলে আগে যে ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তার দ্বিগুণ শাস্তি হবে।

👉বেশি জমি লিখিয়ে নেয়া:
এক্ষেত্রে যদি জমির পরিমাণ এক একরের বেশি হয় এবং ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার জড়িত থাকে, তাহলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 প্রতিবেশী ভূমি মালিকের ক্ষতিসাধন:
কেউ যদি সহ-মালিক বা পাশাপাশি থাকা জমির ক্ষতি করেন, বা কোন পরিবর্তন আনেন, তাহলে এক বছর থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা:
এই আইনের বর্ণনা করা যেকোনো অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করলে সেই ব্যক্তিরও অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তির মতো সাজা হবে।

ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সরকারবাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত ২৪ ধরনের অপরাধ চ...
17/12/2022

ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সরকার

বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত ২৪ ধরনের অপরাধ চিহ্নিত করে শাস্তি ও জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন আইনে।

নতুন একটি আইনের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশের সরকার, যেখানে জমিজমা, ফ্ল্যাট ইত্যাদি সংক্রান্ত ২৪ ধরনের অপরাধ চিহ্নিত করে তার জন্য নানা মেয়াদের শাস্তির বিধান থাকছে।

এসব অপরাধে শাস্তি ও জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন আইনে।

'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২১' নামের এই আইনটির খসড়া বর্তমানে মতামত গ্রহণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলছেন, ''এই আইনটি কার্যকর হলে ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ কমে যাবে। ফলে জমিজমা সংক্রান্ত মামলাও অনেক কমে যাবে।''

বাংলাদেশে এই মূহুর্তে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখের মত, আর এসব মামলার বড় অংশটি অর্থাৎ প্রায় ৬০ শতাংশ মামলা জমিজমা সংক্রান্ত নানা ধরণের বিরোধের সূত্রে দায়ের করা।

যে ৬ কারণে জমিজমা নিয়ে এত বিরোধ আর মামলা-মোকদ্দমা
কীভাবে বাংলাদেশে ভূমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে
কৃষি জমি ফেলে রাখলে নিয়ে নেবে সরকার?
যেভাবে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা যাবে
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বিবিসিকে বলেছেন, "বিচারাধীন মামলার ৬০ শতাংশের বেশিই জমিজমা সংক্রান্ত। অধিকাংশ মামলার 'রুট' হচ্ছে জমি নিয়ে।"

এতদিন ধরে এসব অপরাধের অনেকগুলো দেওয়ানি অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সেগুলোর বিচার হতেও অনেকদিন সময় লাগে। কিন্তু নতুন আইনটি পাস হলে এগুলো ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে শনাক্ত করে দ্রুত বিচার করা যাবে।

রীতি অনুযায়ী, এরপর সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদিত হলে সেটা আইন হিসাবে পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করা হবে।

খসড়া আইনে যেসব অপরাধ ও দণ্ডের প্রস্তাব
নতুন আইনের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ভূমির জবরদখল, ক্ষতি, জাল কাগজপত্র তৈরি করে জালিয়াতি বা প্রতারণা বন্ধ করাই এই আইনের প্রধান উদ্দেশ্য। সেই সঙ্গে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাস করে জনগণের ভোগান্তি দূর করা এবং ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার দেয়ার জন্য আইনটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

এসব অপরাধের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অন্য আইনে যা কিছু বলা হোক না কেন, এই আইনটি সেখানে প্রাধান্য পাবে।

এসব অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির মতো সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে। প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্টেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা মোবাইল কোর্ট আইনের মাধ্যমে এই আইনের প্রয়োগ করা যাবে।

প্রস্তাবিত ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২১ আইনে যেসব অপরাধে চিহ্নিত করে সেগুলোর জন্য যে সাজা প্রস্তাব করা হয়েছে:

১. জাল দলিল তৈরি:
যদি কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাসভূমি বা কোন প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল জাল করেন, তাহলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২. মালিকানার অতিরিক্ত জমির দলিল সম্পাদন:
কোন ব্যক্তি যদি যতটুকু জমির মালিকানা রয়েছে, তার চেয়ে বেশি জমির দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৩. একই জমি একাধিকবার বিক্রয়:
কোন ব্যক্তি যদি তার বিক্রিত জমি পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

৪. বায়নাকৃত জমির পুনরায় চুক্তি করা:
বিক্রয় চুক্তি বা বায়না চুক্তি করার পর অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে আবার চুক্তি করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৫. ভুল বুঝিয়ে দানপত্র:
ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অথবা প্রতারণা করে যদি কোন ব্যক্তি অন্য আরেকজনের কাছ থেকে জমির দান দলিল করেন, তাহলে সেটা একটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৬. সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের নামে দলিল:
উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দলিল করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

৭. সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি:
উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করলে সেটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

৮. অবৈধ দখল:
বৈধ কাগজপত্র না থাকার পরেও কেউ যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারি খাস ভূমি বা কোন সংস্থার জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য এক বছর থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

৯. সহ-উত্তরাধিকারীর জমি দখল করে রাখা:
কোন ব্যক্তি যদি তার শরীক বা সহ-উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১০. অবৈধভাবে মাটি কাটা, বালি উত্তোলন:
বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারির ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ ইত্যাদি থেকে মাটি বা বালু উত্তোলন করলে (কোন ক্ষতি হোক বা না হোক) অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

১১. জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করার শাস্তি:
বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি করলে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১২. বিনা অনুমতিতে জমির উপরের স্তর কেটে নেয়া:
জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি উপরের স্তর থেকে মাটি উত্তোলন করা বা করানো হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৩. অধিগ্রহণের পূর্বে অতিরিক্ত মূল্যে জমির দলিল:
কোন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে, এমন খবর জানতে পেরে কেউ যদি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে ভূমি নিবন্ধন করেন, তাহলে সেটি একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৪. জনসাধারণের ব্যবহার্য বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জমি দখল:
খেলার মাঠ, জলাশয়, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, দরগা, শিক্ষা বা ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দাতব্য বা জনপ্রতিষ্ঠানের জমি দখল, সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা বা করতে সহায়তা করলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

১৫. বিনা অনুমতিতে পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বসতি:
অনুমতি ছাড়া কোন পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বা পাহাড়ে বসতি স্থাপন করা হলে তাকে যেকোনো সময় উচ্ছেদ করা যাবে। অবৈধভাবে বসতি স্থাপনের জন্য তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।

১৬. রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর সংক্রান্ত অপরাধ:
একই জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল করে দেয়া, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে জমির দলিল দিতে না পারা, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারা, ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হলেও দলিল দিতে ব্যর্থ হওয়া-ইত্যাদি কর্মকাণ্ড অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

জমি জমার মামলার তথ্য
১৭. চুক্তির পর ভূমি মালিককে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেয়া:
জমির মালিকের সঙ্গে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি চুক্তি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমি মালিকের অংশ তাকে বুঝিয়ে না দিলে বা দখল না দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৮. সরকারি-বেসরকারি বা সংস্থার জমির বেআইনি দখল:
এরকম কর্মকাণ্ড করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

১৯. নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির ক্ষতি:
মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা, অন্য কোন পদার্থ বা উপায়ে বা অবকাঠামো নির্মাণ করে নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির আংশিক ক্ষতি করা হলে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড, অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

আর সম্পূর্ণ ক্ষতি করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২০. অবৈধ দখল গ্রহণ ও বজায় রাখতে পেশিশক্তি:
অস্ত্র প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি ইত্যাদি দেয়া হলে সেটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

সেজন্য ছয় মাস থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২১. পুনরায় অপরাধ করা:
এই আইনের অধীন কোন অপরাধে একবার সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় সেই অপরাধ করলে আগে যে ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তার দ্বিগুণ শাস্তি হবে।

২২. বেশি জমি লিখিয়ে নেয়া:
এক্ষেত্রে যদি জমির পরিমাণ এক একরের বেশি হয় এবং ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার জড়িত থাকে, তাহলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২৩. প্রতিবেশী ভূমি মালিকের ক্ষতিসাধন:
কেউ যদি সহ-মালিক বা পাশাপাশি থাকা জমির ক্ষতি করেন, বা কোন পরিবর্তন আনেন, তাহলে এক বছর থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২৪. অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা:
এই আইনের বর্ণনা করা যেকোনো অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করলে সেই ব্যক্তিরও অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তির মতো সাজা হবে।

07/12/2022

#জমির_পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ

১ #কাঠা = ৭২০ #বর্গফুট = ৮০ #বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ #বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ #শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ #ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ #বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ #বিঘা
৬০ কাঠা = ১ #একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ #বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ &হেক্টর

কানি পরিমাপক
১ #কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ #বর্গলিংক = ৮০ #করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ #বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ #গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ #পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ #করা ২ #ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ #বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর

জেনে নিন #খতিয়ান, #পর্চা, #চিটা, #দখলনামা, #বয়নামা, #জমাবন্দি, #দাখিলা, #হুকুমনামা, #জমা_খারিজ, #মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ #অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের

একর পরিমাপক
১ একর = ১০ #বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ #আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ #গন।

= ''খতিয়ান'' কি?= ''সি এস খতিয়ান'' কি?= ''এস এ খতিয়ান'' কি?= ''আর এস খতিয়ান'' কি?= ''বি এস খতিয়ান'' কি?=“দলিল” কাকে বল...
28/11/2022

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা আলাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিয়যুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
--------------------------

Address

Begumganj Noakhali
Noakhali
0321

Telephone

+8801712777066

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lend Property Buy and sell posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Lend Property Buy and sell:

Share

Category