Cosmos Properties

Cosmos Properties রংপুরে অগ্রীম ফ্ল্যাট বুকিং, রেডি ফ্ল্যাট বিক্রয় এবং ল্যান্ড শেয়ারিং মাধ্যমে ফ্ল্যাট তৈরি ও বিক্রয়

Cosmos Properties বিভাগীয় শহর রংপুরের "প্রাণকেন্দ্রে" অগ্রীম ফ্ল্যাট বুকিং, রেডি ফ্ল্যাট বিক্রয় এবং ল্যান্ড শেয়ারিং মাধ্যমে ফ্ল্যাট তৈরি ও বিক্রয়ের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।

Cosmos Properties বিশ্বস্ততা ও সফলতার সাথে বিভাগীয় শহর রংপুরের প্রাণকেন্দ্রে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত অগ্রীম ফ্ল্যাট বুকিং, রেডি ফ্ল্যাট বিক্রয় এবং ল্যান্ড শেয়ারিং মাধ্যমে ফ্ল্যাট তৈরি ও বিক্রয় সেবা প্রদান করে আসছে।

আপনারা

জেনে খুশি হবেন সুদীর্ঘ এ পথচলায় আমরা অনেক সফল প্রজেক্ট হস্তান্তর করেছি। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন পছন্দের ফ্ল্যাট। অগ্রীম বুকিং করতে দ্রুত যোগাযোগ করুন।

আমাদের বিশেষত্বঃ

১। অগ্রীম ফ্ল্যাট বুকিং
২। রেডি ফ্ল্যাট বিক্রয়
৩। ল্যান্ড শেয়ারিং এর মাধ্যমে ফ্ল্যাট তৈরি ও বিক্রয়
৪। আধুনিক ও মনোরোম পরিবেশ
৫।জমি রেজিষ্ট্রেশন
৬।জমি খারিজ
৭। ডিজিটাল সার্ভে
৮। সয়েল টেষ্ট
৯। সুদক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ইন্টেরিয়র ডিজাইন
১০। সুদক্ষ আর্কিটেক্ট দ্বারা প্লান ডিজাইন ও সুপারভিশন
১১। সুদক্ষ আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা বিল্ডিং ডিজাইন তৈরী ও ডিজাইন পাশ করানো
১২। উন্নতমানের বেডরুম, লিভিং রুম, ফ্যামিলি রুম, ডাইনিং রুম
১৩। বারান্দা, কিচেন
১৪। উন্নতমানের বাথরুম ও ওয়াশরুম
১৫। পুরো প্রজেক্ট সার্বক্ষনিক সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত


অগ্রীম ফ্ল্যাট বুকিং, রেডি ফ্ল্যাট ক্রয় এবং ল্যান্ড শেয়ারিং মাধ্যমে ফ্ল্যাট তৈরি ও ক্রয় সহ বিস্তারিত জানতে আজই যোগাযোগ করুন।

কসমস প্রপার্টিজ
অফিস: কেরানীপাড়া, (মৌবন মোড়)
ভুমি রেজিষ্ট্রি অফিস সংলগ্ন, রংপুর।

রেজিষ্টার্ড অফিস
১৫, নিউ সেনপাড়া, রংপুর।

মোবাইল এবং হোয়াটসঅ্যাপঃ +৮৮০১৬১২০৩৭৭৬০

E-mail: [email protected]

18/04/2026

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব :
১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব
মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি
তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি
আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি
সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭
সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)
বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি
খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)
রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন
আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে
মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে
৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট
৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট
মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট
রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)
মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের

কৃষ্ণচূড়া, কদম, নরম রোদ, গরম হাওয়া, খোলা মাঠ, নীল আকাশ, নদীর পাড়, পাখির উড়াউড়িএকতারা, বাঁশি, কোকিলের ডাক, নবান্ন, হালখাত...
14/04/2026

কৃষ্ণচূড়া, কদম, নরম রোদ, গরম হাওয়া, খোলা মাঠ, নীল আকাশ, নদীর পাড়, পাখির উড়াউড়ি
একতারা, বাঁশি, কোকিলের ডাক, নবান্ন, হালখাতা
পায়ে আলতা, কবি রাখাল, কাঙ্গাল, পুতুল, পসরা
কাঁচা আম, তালের শাঁস, লেবুর শরবত, বাতাসা
ইত্যাদি ইত্যাদি।

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩🥀🌱

Wishing everybody a bright and beautiful Eid. May Allah grant all your wishes. Eid Mubarak!"
20/03/2026

Wishing everybody a bright and beautiful Eid. May Allah grant all your wishes. Eid Mubarak!"

‎‎১। ফাউন্ডেশন কি ★★★উত্তরঃ কাঠামোর সর্বনিম্ন অংশকে ভিত্তি বা বুনিয়াদ বা ফাউন্ডেশন বলে?২। ভিত্তি প্রধানত কয় প্রকার কি ...
26/09/2025

‎‎১। ফাউন্ডেশন কি ★★★
উত্তরঃ কাঠামোর সর্বনিম্ন অংশকে ভিত্তি বা বুনিয়াদ বা ফাউন্ডেশন বলে?

২। ভিত্তি প্রধানত কয় প্রকার কি কি?
উত্তরঃ ভিত্তি প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ
ক) অগভীর ভিত্তি
খ) গভীর ভিত্তি

৩। কাঠামোর উপর ক্রিয়ারত লোডগুলো কি কি?
উত্তরঃ কাঠামোর উপর তিন প্রকার লোড ক্রিয়া করে-
ক) ডেড লোড (Dead load), খ) লাইভ লোড (Live Load), গ) উইন্ড লোড

৪। কোনটি ডেড লোড?
ক) কোঠামোর উপর অস্থঅয়ী ভাবে চাপানো লোড
খ) কাঠামোর নিজস্ব ওজন
গ) অস্থঅয়ী ও স্থায়ী লোড
উত্তরঃ কাঠামোর নিজস্ব ওজন।

৫। লাইভ লোড বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কাঠামোর উপর অস্থঅয়ী ভাবে চাপানো লাডকে লাইভ লোড বলে।

৬। প্রতি ঘনমিটার dry sand এর ওজন কত?
উত্তরঃ ১৬০০।

৭। প্রতি ঘনমিটার RCC এর ওজন কোনটি?
উত্তরঃ ২৪০০ কেজি/২২৪০ কেজি/১৯২০ কেজি।

৮। AISC এর পূর্ন অভিব্যক্তি লেখ।
উত্তরঃ American Institute of Steel Construction

৯। ঢালু ছাদের উন্মুক্ত পার্শ্বে ন্যূনতম বায়ুর চাপ কত ধারা হয়?
উত্তরঃ ৫০ kg/m2

১০। সিমেন্টের ক্ষেত্রে ডেড লোড কত ধরা হয়?
উত্তরঃ ১০৪০ কেজি/ঘনমিটার।

১১। প্রতি ঘনমিটার বিটুমিন এর ওজন কত?
উত্তরঃ ১০৪০ কেজি।

১২। মাটির ভার বহন ক্ষমতার একক কি?
উত্তরঃ কেজি/বর্গমিটার।

১৩। শুকনা এবং দৃঢ়বদ্ধ মোটা বালি বিশিস্ট মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ ৪.৫ কেজি/বর্গ সেন্টিমিটার

১৪। মাটির ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্র টেষ্ট সিলিন্ডার পদ্ধাতি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ কাদা ও বেলে মাটি অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকিলে সে ক্ষেত্রে যেমন: ব্রীজ, টাওয়ার, বাঁধ ইত্যাদি)।

১৫। টেষ্ট সিলিন্ডার পদ্ধতির জন্য কত ব্যাসের দুইমুখ খোলা ফাঁপা লোহার পাইপ ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ১ থেকে ১.৫ মিটার।

১৬। মাট তদন্ত এর পদ্ধতিগুলো কি কি?
উত্তরঃ মাটি তদন্ত এর পদ্ধতি সমূহ-
১) পরিদর্শন (Inspection)
২) গর্ত পরীক্ষঅ বা ওপেন প্রায়াল পিট (Test Pit)
৩) শলাকা পদ্ধতি (Probing)
৪) ছিদ্র পরীক্ষা (Boring)
ক) আগর বোরিং (Auger boring)
খ) ওয়াশ বোরিং (Wash boring)
গ) পারকুশন বোরিং (Percussion boring)
ঘ) কোর ড্রিলিং (Core Drilling)
ঙ) টেষ্ট সিলিন্ডার (Test Cylinder)
৫। জিও ফিজিক্যাল পদ্ধতি (Geo Physical method)
ক) সিসমিক রিফ্রাকশন (Seismic refraction)
খ) ইলেকট্রক্যাল (Electrical resistivity method)
৬ । সাব সারফেস সাইন্ডিং (Sub surface sounding)

১৭. মাটি তদন্তের জন্য Probing পদ্ধতিতে যে ষ্টীল বার ব্যবহার করা হয় তার ব্যাস কত?
উত্তরঃ ২৫-৪০ মিমি।

১৮। কাদা মাটি অথবা বেলে মাটি সাধারণত ইমারত নির্মাণ করার জণ্য কোন পদ্থতিতে সাব সয়েলের বৈশিষট্য পরীক্ষা করা সুবিধা জনক?
ক) পোষ্ট হোল আগর পদ্ধতি
খ) ওয়াস বোরিং পদ্ধতি
গ) জিও ফিজিক্যাল পদ্ধতি
ঘ) কোর ড্রিলিং পদ্ধতি

১৯। কত মিটার গভীরতা পর্যন্ত আগর বোরিং পদ্ধতি স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যাইতে পারে?
উত্তরঃ ১৫মিটার।

২০। নরম মাটি, কঠিন মাটি, সংশক্তিপূর্ণ মাটি এং মিহি বালির ক্ষেত্রে মাটি তদন্ত এর পদ্ধতিগুলোর মদ্যে কেনটি প্রযোজ্য?
উত্তরঃ আগর বোরিং।

‎‎ ২১। অত্যন্ত শুক্তমাটি, অত্যন্ত নরম মাটি এবং আদ্র সংশক্তিহীন মাটির ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনরুপযোগী?
উত্তরঃ আগর বোরি পদ্ধতি।

২২। আগর বোরিয় পদ্ধতিতে কত সেন্টিমিটার পর পর মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়?
উত্তরঃ ৩০ সেন্টিমিটার।

২৩। পারকুশন বোরিং পদ্দতিতে ব্যবহৃত ওয়াশ পাইপের ব্যাস কত?
উত্তরঃ ২.৫ সেন্টিমিটার।

২৪। পাথুরে মাটি অথবা বোল্ডার যুক্ত মাটির বোলার মাটি তদন্তের পদ্ধতিতে গুলোর মধ্যে কোনটি প্রযোজ্য?
ক) কোর ড্রিলিং
খ) ওয়াশ বোরিং
গ) পারকুশন বোরিং
ঘ) আগর বোরিং
উত্তরঃ পারকুশন

২৫। সূত্রটির বিভিন্ন নোটেশনের ব্যাখ্যা লেখ।
উত্তরঃ বিভিন্ন নোটেশনের ব্যাখ্যাঃ
ফুটিং = এর ন্যূনতম গভীরতা, মিটার
মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা কেজি/বর্গমিটার
মাটির একক ওজন, কেজি/ঘনমিটার
মাটির স্থিরতা কেজি, ডিগী

২৬। বহুতল বিশিষ্ট ইমরাত নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষার জন্র কোন পদ্ধতি বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ওয়াশ বোরিং (Wash boring) পদ্ধতি।

২৭। মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নিরাপদ সহগ কত ধরা হয়?
ক) ২ অথবা ৩, খ) ৩ অথবা ৪
গ) ৪ অথবা ৫, ঘ) ৫ অথবা ৬

২৮। ডিজাইনের সময় কোনটিতে লাইভ লোড ৭৫ কেজি/বর্গমিটার ধরা হয়?
পাবলিক বিল্ডিং/কর্মশালা/বেলকনি।
উত্তরঃ কর্মশালা।

২৯। কয়টি কারণে স্প্রেড ফুটিং হইতে পারে?
৩টি/৪টি/৫টি
উত্তরঃ ৪টি

৩০। কোনটি ডেড লোড?
টেবিল চেয়ার/আরসিসি স্লাব/বাতাসের চাপ।
উত্তরঃ আরসিসি স্লাব

৩১। বহুতল বিশিষ্ট ইমারতের জন্য নিরাপদ সহক কত ধরা হয়?
উত্তরঃ ১-২/১.৫-২/২.৫-৩

৩২। উপকূলীয় অঞ্চলে ইমারতের উচ্চতা প্রস্থের কত গুণের কম হইলে উয়িন্ড লোড বিবেচনা করা হয় না।
উত্তরঃ ২

৩৩। এআইএসসি কোড অনুযায়ী কাঠামোর উন্মুক্ত পার্শে¦ বায়ুচাপের পরিমান কত ধরা হয়?
ক) ৭৮ কেজি/বর্গমিটার খ) ৯৮ কেজি/বর্গমিটার , গ) ১০৮ কেজি/বর্গমিটার
উত্তরঃ ৯৮ কেজি/বর্গমিটার

৩৪। সরাসরি লোড প্রযোগ করিয়া ামটির ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে যে টিম্বার বাল্ব ব্যবহার করা হয় তার প্রস্থচ্ছেদ কত?
উত্তরঃ ৩০ সেন্টিমিটার দ্ধ৩০ সেন্টিমিটার

৩৫। অগভীর ভিত্তি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ ভিত্তির গভীরতা, ভিত্তির প্রস্থের সমান বা কম হইলে তাহাকে অগভীর ভিত্তি বলে। অন্য কথায় যে ভিত্তি খনন করিয়া নির্মাণ করা হয় তাকে অগভীর ভিত্তি বলে।

৩৬। কাঠামোর এলাকায় মেঝের ন্রায় সমস্ত এলাকা জুড়িয়া মোটা আরসিসি স্লাব নির্মান করিয়া নির্মাণ করা হয়।
ক) কলাম ফুটিং ভিত্তি।
খ) স্প্রেড ফুটিং ভিত্তি
গ) র‌্যাফট ভিত্তি
উত্তরঃ র‌্যাফট ভিত্তি।

৩৭। শূন্যস্থান পূরন কর-
ক) যে সমস্ত এলাকায় বেলে মাটি বা নরম মাটির অভ্যন্তরে স্বল্প গভীরতায় শ্কত স্থর পাওয়্যা যায় সেখানে অধিক লোড সম্পন্ন কাঠামোর লোডকে শ্কত স্থরে স্থানান্তর করার জন্য ভিত্তি ব্যবহার করা হয়।
খ) পায়ারের ব্যাস, পায়ারের উচ্চতার-------------- অংশের চেয়ে কম হইবে না।
গ) আর্গ্রতার পরিবর্তনে ------------- সয়েল এর সংকোচন প্রসারণ ঘটে।
ঘ) পায়ার ভিত্তি সাধারণত ------------- হইয়া থাকে।
ঙ) আন্ডার বীম পাইলে --------- এর সংখ্যা বৃদ্ধি করিয়া বহুতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা যায়।
চ) বিত্তির গভীরতা ভিত্তির প্রষ্থের সমান বা কম হইলে তাহাকে Ñ------- ভিত্তি বলে।
ছ) আন্ডার বীম পইলে একটি অতিরিক্ত বাল্ব প্রদান করিলে ভার বহন ক্ষমতা ------------- বৃদ্দি পায়।
উত্তরঃ
ক) পায়ার ভিত্তি, খ) ১/১২ গ) ব্লাক কটন, ঘ) গোলাকার, ঙ) বাল্ব, চ) আগভীর, ছ) ৫০%।

৪০। ব্যবহার অনুযায়ী পাই কত প্রকার ও কি কি?
ক) বিয়ারিং পাইল
খ) শীট পাইল
গ) ফ্রিকশন পাইল
ঘ) অ্যাংকোর পাইল
ঙ) ব্যাটার পাইল
চ) ফোন্ডার পাইল
ছ) কম্পাকশন পাইল

৪১। শূন্যস্থান পূরণ করঃ
ক) ---------------- পাইল মাটির অভ্যন্তরের শক্ত স্থর পর্যন্ত পৌছান হয়।
খ) ---------- পাইল শক্ত স্তর পর্যন্ত প্রবেশ করানো হয় না।
গ) ------------- পাইল রিটেইনিং ওয়াল হিসাবে কাজ করে।
ঘ) আনুভ’মিক টানা বলকে প্রতিরোধ করার জন্য ---------- পাইল ববহার করা হয়।
ঙ) -------- পাইল সাধারণতঃ কাঠের হইয়া থাকে।
চ) কাঠের পাইলে দৈঘ্য সাধারণতঃ পাইলে উপরের প্রান্তের ব্রাসের ------- গুণ হইয়া থাকে।
ঞ) বর্তমানে পাইল ভিত্তির ব্রবহার --------------।
উত্তরঃ বিয়ারিং, খ) ফ্রিকশন, গ) শীট, ঘ) অ্যাংকোর, ঙ) ফোল্ডার, চ) ২০, ছ) টিম্বার, জ) ২০ টন, ঝ) কাষ্ট-ইন-সিটু, ঞ) সর্বাধিক।

৪৩। নরম মাটি বা পানি অতক্রম করিয়া যে পাইল কঠিন স্তরে কাঠামাের লোডকে ট্রান্সফার করে তাহাকে -------- পাইল বলে।
ক) টিম্বার পাইল, খ) বিয়ারিং পাইল, গ) শীট পাইল।
উত্তরঃ বিয়ারিং পাইল।

৪৪। পদার্থের সর্বোচ্চ লোভ বহন ক্ষমতাকে নিরাপদ লোড বহন ক্ষমতা দ্বারা ভাগ করিলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাহাকে ------- বলে।

৪৫। ভার বহন পদ্ধতি অনুযায়ী কত প্রকার ?
ক) ৩ প্রকার খ) ৪ প্রকার, গ) ৫ প্রকার
উত্তরঃ ৩ প্রকার।

৪৬। শূন্যস্থান পূরন কর।
ক) তীর্যকভাবে যে পাইল ড্রাইভ করা হয় তাহাকে ------------ পাইল বলে।
খ) কংক্রিট ডেক্স অথবা অন্য যে কোন ওয়াটার ফ্রন্ট ষ্ট্রাকচার জাহাজ ব্রারেজ অথবা যে কােন ভাসমান বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রষ্থ না হয় তজ্জন্য যে পাইল এর সাহায্যে এই ওয়াটার ফ্রন্ট স্ঠ্রাকচারকে রক্ষা করা হয় তাহাকে ----------- পাইল বলে।
গ) কংক্রিট পাইল-------------- প্রাকর।
ঘ) যেখানে স্থায়ীভাবে অবস্থা করিবে সেখানে ------------ পাইল তৈরী করা হয় না।
ঙ) যদি একই পাইল ক্যাপ এর অধীনে অনেকগুলো ___ থাকে
উত্তরঃ
ক) ব্যাটার, খ) ফ্যান্ডার, গ) দুই, ঘÑ প্রি-কাষ্ট, ঙ) গ্রুপিং অব পাইল

৪৮। পাইল বসানোর পদ্ধতি কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ পাইল সাধারণতঃ চার পদ্ধতিতে বসান যায়। যেমনঃ
ক) ড্রপ- হ্যামার দ্বারা
খ) স্টীম হ্যামার দ্বারা
গ) ওয়াটার জেট দ্বারা
ঘ) বোরিং দ্বারা

৪৯। সিংগেল একটিং হ্যামার দ্বারা প্রতি মিনিটে পাইলের উপর কত বার আঘাত করা যায়?
ক) ২০-৩০ বার
খ) ৩০-৪০ বার
গ) ৪০-৫০ বার
ঘ) ৫০-৬০ বার
উত্তরঃ ৫০-৬০ বার

৫০। ডাকরা এটি ষ্টীল হ্যামার দ্বারা প্রতি মিটিটে পাইলের উপর কত বার আঘাত করা যায়?
উত্তরঃ প্রতি মিনিটে ১০০-২০০ বার।‎‎‎‎‎

নতুন যুগের নির্মাণ প্রযুক্তি! লোহার চেয়ে ৪ গুণ হালকা, মরিচা ধরে না, স্টিলের চেয়েও দ্বিগুণ শক্তিশালী – এই হলো GFRP (Glass...
30/08/2025

নতুন যুগের নির্মাণ প্রযুক্তি! লোহার চেয়ে ৪ গুণ হালকা, মরিচা ধরে না, স্টিলের চেয়েও দ্বিগুণ শক্তিশালী – এই হলো GFRP (Glass Fiber Reinforced Polymer) ভবিষ্যতের নির্মাণ সামগ্রী! তাই শেয়ার না করে পারলাম না!

🔹 স্টিলের বিকল্প হিসেবে অসাধারণ
🔹 জং ধরে না, টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী
🔹 বৈদ্যুতিক প্রবাহ ধারণ করে না, তাই আরও নিরাপদ
🔹 প্রকল্পে খরচ কমায় প্রায় ৩০% পর্যন্ত
🔹 মাত্র ১৩০ কেজি ফাইবার = ১ টন রডের কাজ করতে পারে!

এখনই ব্যবহার হচ্ছে — ছাদ, কলাম, স্ল্যাব, গ্যারেজ, বন্দর, এমনকি সামুদ্রিক নির্মানেও!

আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন ও বিল্ডিং রিসার্চ সেন্টারের অনুমোদনপ্রাপ্ত এই প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে নির্মাণ জগতকে।

আরও শক্তিশালী, হালকা ও টেকসই নির্মাণের পথে এটি এক বিশাল অগ্রগতি।

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাবমনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য...
16/03/2025

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

কিউরিং করার সময় ও নিয়মঃ কাজ শুরুর পর থেকেঃ🔸ফাউন্ডেশন কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত ।🔸ড্যাম্প প্রুফ কোর্স ২০ ঘন্টা পর ...
03/01/2025

কিউরিং করার সময় ও নিয়মঃ কাজ শুরুর পর থেকেঃ

🔸ফাউন্ডেশন কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত ।
🔸ড্যাম্প প্রুফ কোর্স ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত ।
🔸লিন্টেল,সানশেড ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত ।
🔸জলছাদের কাজ ২৪ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
🔸ইটের গাঁথুনীর কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত ।
🔸 ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
🔸সকল প্লাস্টারের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
🔸মোজাইক ফ্লোরের কাজ ১২ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
🔸প্যাটেন্ট স্টোন,সিমেন্ট কংক্রিট ১৫ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
🔸নীট সিমেন্ট ফিনিশং,স্কার্টিং এর কাজ ১২ ঘন্টা পর ১৬ দিন পর্যন্ত ।
🔸ছাদ ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর ২১ থেকে সর্বোচ্চ ২৮ দিন পর্যন্ত ।
বিঃ দ্রঃ- আবহাওয়া উষ্ণতার কারনে ১২ থেকে ১৬ ঘন্টা পর থেকেও কিউরিং করা যেতে পারে।
ধন্যবাদ।

16/12/2024

একটা বিল্ডিং প্রজেক্টের কত পার্সেন্ট প্রোগ্রেস কিভাবে হিসাব করবেন?
========================================
একটা বিল্ডিং প্রজেক্টের বিভিন্ন অংশের কোনটির কত পার্সেন্টে মিলে মোট ১০০% হয়, এই তথ্য জানা থাকলে সহজেই আপনার প্রজেক্টের প্রোগ্রেস কত পার্সেন্ট সেটা জানতে পারবেন। এছাড়াও প্রজেক্ট শেষ হতে আরো কত সময় লাগবে কিংবা আরো কত টাকা খরচ হতে পারে ইত্যাদি বিষয় সহজে বের করতে পারবেন।

ধরুন আপনার বিল্ডিং কাজের সম্পূর্ণ স্ট্রাকচারাল কাজ যদি শেষ হয়ে থাকে তাহলে বলা যেতে পারে মোট কাজের ৩৫% শেষ হয়েছে।
কিংবা ধরুন স্ট্রাকচারাল কাজের মধ্যে শুধু ফুটিং ও শর্ট কলাম এর কাজ শেষ হয়েছে তাহলে বলতে পারেন স্ট্রাকচারাল কাজের ২০% শেষ হয়েছে।

এভাবে যেকোন অংশের কাজের শেষে প্রোগ্রেস বের করতে পারবেন

বিস্তারিতঃ
=======
বিল্ডিং এর বিভিন্ন অংশের কোনটি কত পার্সেন্ট কাজ বহন করে:
1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. Lift,Generator,Substation=10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%

এবার আসুন স্ট্রাকচার অংশের যে ৩৫% বলা হলো, সেই ৩৫% অংশের মধ্যে আবার বিভিন্ন অংশের কোনটা কত পার্সেন্ট দেখা যাক।
✔️STRUCTURE : 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (মোট অংশের 35%)

✔️BRICK WORK : 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (মোট অংশের 6% )

✔️WOOD WORK : 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (মোট অংশের ৫% )

✔️METAL WORK ~ 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stai

15/12/2024

ফাউন্ডেশন: ফাউন্ডেশন একটি বিল্ডিং বা কাঠামোর জন্য
অনেক গুরুত্বপুর্ণ। কিন্তু কেন এই ফাউন্ডেশন ?
এটি না করলে কি হতো ? আসুন ফাউন্ডেশনের
কার্যকারীতা সম্পর্কে কিছু জানি ভার বহনের তিব্রতা
কমানোর জন্য। যেমন
ধরুন একটি কলামে লোড আসলো ৩৮৪
কিলো পাউন্ড। এবং এই কলামের সাইজ
ধরে নিলাম ১৬ ইঞ্চি এবং ১২ ইঞ্চ। এখন
তাহলে কলামের ক্ষেত্রফল ১৬ X ১২ =
১৯২ বর্গ ইঞ্চ। তাহলে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে লোড আসলো
৩৮৪/১৯২ = ২
কিলো পাউন্ড বা ২০০০ পাউনড। এখন এই
লোড যদি সরাসরি মাটির উপর দেয়া হয়,
তাহলে মাটি সেই লোড নিতে পারবে না।
কলাম মাটি ভেদ করে বা ছিদ্র
করে নিচে চলে যাবে। ধরি মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি ২
টি.এস.এফ বা ২
X ২০০০ = ৪০০০ প্রতি বর্গ
ফুটে বা ৪০০০/১৪৪ = ২৮ পাউন্ড
প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে।
সুতরাং এখানে দেখতে পাচ্ছি যে মাটির
ক্ষমতার চেয়ে কলামের অর্পিত বিল্ডিং এর লোড ২০০০/২৮ =
৭২ গুন
বেশি। সুতরাং এই তিব্রতা কমানোর জন্য
কলামের সাইজ ৭২ গুন
বাড়িয়ে দিতে হবে। তাই ফাউন্ডেশনের
আকার হবে ৭২ X ১৯২ = ২৩০৪ বর্গ ইঞ্চ
বা ২৩০৪/১৪৪ = ১৬ বর্গফুট। সমভাবে লোড ছড়ানো। যেমন
ধরুন
দুইটি কলাম আছে এবং একটি কলামের লোড
অপেক্ষা অন্য কলামের লোড বেশি।
কম্বাইন ফাউন্ডেশন এ এই দুইটি কলামের
লোড একটি ফাউন্ডেশনের
মাধ্যমে সমভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়। অথবা একাধিক কলামের
বিভিন্ন লোড
ম্যাট ফাউন্ডেশনের
মাধ্যমে মাটিতে সমভাবে ছড়ানো হয়,
যদিও বিভিন্ন কলামের লোড বিভিন্ন হয়। ফাউন্ডেশন একটি
সমান পাটাতন
তৈরি করে যার উপর কাঠামোটি দাড়
করানো হয়। এটি কাঠামোকে মাটির
সাথে আটকে রাখে। যাতে করে আনুভুমিক
লোড (ভুমিকম্প, বাসাতের লোড
বা কম্পনের) এর
কারণে কাঠামোটি সরে না যায় কাঠামোর তলার
মাটিকে সরে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
এতে করে কাঠামো ঝুকি মুক্ত হয়।

ফাউন্ডেশন বিল্ডিং এর একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ।দালানের স্থায়িত্বতা অনেকাংশে ভালো ফাউন্ডেশন বা ভিত্তির ওপর নির্ভরশীল।
ভিত্তি বা ফাউন্ডেশন সাধারনত দুই প্রকার।
shallow বা অগভীর ভিত্তি, গভীর ভিত্তি।
অগভীর ভিত্তি হিসেবে, স্প্রেড ফুটিং, ম্যাট ফুটিং,রাফট ফুটিং ব্যাবহৃত হয়।
আর গভীর ভিত্তি হিসেবে ফাইল ফাউন্ডেশন ব্যাবহৃত হয়।
ফাউন্ডেশন গভীর নাকি অগভীর হবে তা সাধারনত মাটি পরীহ্মার ওপর নির্ভরশীল।

সুপার-স্ট্রাকচার থেকে আগত লোড মাটিতে ছডিয়ে দেয়ার জন্য হার্ড স্ট্রাটা যদি খুব নিকটেই পাওয়া যায় তবে ৫তলা পর্যন্ত দালান অগভীর ভিত্তি দিয়ে

🟥🟥প্রজেক্টঃ Doric Happy Homes🟨🟨অবস্হানঃ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অফিসের পূর্বদিকে, গুপ্ত পাড়া, রংপুর।।🟧🟧 বিভাগীয় শহর  রংপুর...
08/12/2024

🟥🟥প্রজেক্টঃ Doric Happy Homes

🟨🟨অবস্হানঃ পাবলিক সার্ভিস কমিশন অফিসের পূর্বদিকে, গুপ্ত পাড়া, রংপুর।।

🟧🟧 বিভাগীয় শহর রংপুরের অভিজাত এলাকা গুপ্ত পাড়ায় (রংপুর জাহাজ কোম্পানী মোড় এবং প্রেসক্লাব মার্কেটের নিকটে), পাবলিক সার্ভিস কমিশন অফিসের পূর্বদিকে বহুতল ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে ১৪৪০ বর্গফুটের দক্ষিণমুখী ফ্ল্যাট বিক্রয় চলছে।।

🔻🔻প্রজেক্টের সুবিধাঃ🔻🔻

🔹 দক্ষিণমুখী
🔹 লিফট
🔹 জেনারটর
🔹সাব-ষ্টেশন
🔹কার পার্কিং
🔹রুপটপ গার্ডেন
🔹ওয়াক ওয়ে
🔹রুফটপ কমিউনিটি সেন্টার
🔹সিসি ক্যামেরা
🔹ইন্টারকম
🔹সিকিউরিটি গার্ড রুম
🔹নিকটতম দুরত্বে স্কুল, কলেজ,হাসপাতাল, বাজার

🟥🟥বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ

🟨🟨কসমস প্রপার্টিজ
বাসা #৫৭(নীচ তলা), রোড #০১
কেরাণী পাড়া (মৌবন মোড়)
ভূমি রেজিষ্ট্রেশন অফিস সংলগ্ন, রংপুর।।

মোবাইলঃ ০১৬১২০৩৮৭৬০
হোয়াটসঅ্যাপ +৮৮০১৬১২০৩৮৭৬০

Address

Keranipara, (Moubon More), Near Land Register Office
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cosmos Properties posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category