উম্মার স্বার্থে

উম্মার স্বার্থে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from উম্মার স্বার্থে, Gaibandha, Rangpur.

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে  বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এ...
07/06/2026

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। তাৎক্ষণিকভাবে এতে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস এর তথ্যমতে, ভুটানের পুনাখার ৫ কিলোমিটার দূরে ভূমির ১০ কিলোমিটার গভীরতায় এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬।
ভূম্পিকম্পে ভুটান, বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, নেপাল ও চীনেও কম্পন অনুভুত হয়েছে।

পলাশবাড়িতে রাম মন্দিরঃ নেপথ্যে অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার ভয়াবহ ষড়যন্ত্রবাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এ দেশের ইতিহাস...
07/06/2026

পলাশবাড়িতে রাম মন্দিরঃ নেপথ্যে অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার ভয়াবহ ষড়যন্ত্র

বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এ দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামোতে ইসলামের প্রভাব গভীরভাবে প্রোথিত। একই সঙ্গে এ দেশে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন।

ইসলামের মহান শিক্ষা অনুযায়ী এদেশের মুসলিমরা কখনোই ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করেনি, বরং তাদেরকে পূর্ণ অধিকার ও সম্মান প্রদান করেছে। একই সঙ্গে এদেশের মুসলিমরা সর্বদা নিজেদের ঈমান, আকীদা ও জাতীয় স্বার্থের ব্যাপারেও সর্বোচ্চ সচেতন থেকেছে।

অপরদিকে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত “জয় শ্রী রাম” শ্লোগান দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসাসহ মুসলিমদের বাড়িঘর ধ্বংস করে চলেছে। যখন ইচ্ছা তখন সাপ্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়ে মুসলিমদের গণহত্যা করেছে। এছাড়াও তারা মুসলিম নারীদের সম্ভ্রমহানী করা থেকে শুরু করে গরুর গোসত বহন করার মত ঠুনকো অজুহাতে নিরপরাধ মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যা করছে।

এক্ষেত্রে তারা কি শ্লোগান দিচ্ছে? তারা “জয় শ্রী রাম” বলে মুসলিমদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। এই “জয় শ্রী রাম” শ্লোগানই আজ মুসলিম নিপীড়নের মূল হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক শ্লোগান। যার সূচনা হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে।

ভয়ঙ্কর ব্যাপার হল, আজ আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশেও মোদি ও যোগী আদিত্বনাথদের অখন্ড ভারত গড়ার রাজনৈতিক হাতিয়ার এই “জয় শ্রী রাম” শ্লোগান উঠেছে। একদিকে তারা “ভাগোয়া লাভ ট্র্যাপ” এর মাধ্যমে এদেশের মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করেছে, আর অপরদিকে বাংলাদেশকে অখণ্ড ভারতের অংশ বানানোর ষড়যন্ত্র করছে।

অথচ আমরা এদেশের হিন্দুদেরকে কখনোই উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের রাজনৈতিক দেবতা রামের পূজা করতে দেখিনি। আমরা দেখেছি তারা স্বরস্বতী, দুর্গা ও কালীসহ বিভিন্ন মূর্তির পূজা-অর্চনা করে আসছেন। কিন্তু কথিত শিব এবং রাম এর পূজা কখনো বাংলাদেশে ছিল না।

কিন্তু এই রাম ও শিব দেবতার পূজারিরা আজ রামরাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ বিশেষ করে রংপুর বিভাগকে টার্গেট করেছে। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী “শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরুণীদাস” এর তত্ত্বাবধানে শিব ও রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ চলছে। যার সাথে ভারতীয় হাই কমিশনের সরাসরি সংযোগ রয়েছে।

ঠিক এ কারণেই উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী “শ্রী হরিদাস” তার রাম

কাফেরদের পতাকার স্থান হচ্ছে মুসলমানদের পদতলে।   কালেমার পতাকা হচ্ছে সবোর্চ্চ সম্মানিত এবং সবার উর্ধ্বে! 🔥
07/06/2026

কাফেরদের পতাকার স্থান হচ্ছে মুসলমানদের পদতলে। কালেমার পতাকা হচ্ছে সবোর্চ্চ সম্মানিত এবং সবার উর্ধ্বে! 🔥

জনগণকে আর কতদিন এভাবে বোকা বানিয়ে রাখা হবে?একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো, আমাদের সাথে আসলে কী হচ্ছে?কদিন আগেই বাড়লো জ্...
01/06/2026

জনগণকে আর কতদিন এভাবে বোকা বানিয়ে রাখা হবে?

একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো, আমাদের সাথে আসলে কী হচ্ছে?

কদিন আগেই বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম। তার পরপরই চাপিয়ে দেওয়া হলো মোটরবাইকের অতিরিক্ত করের বোঝা। দেশের একটা বড় অংশ যখন এই অন্যায্য করের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামলো, ঠিক তখনই সামনে চলে এলো রামিসার মর্মান্তিক ধর্ষণের ঘটনা। একটা জঘন্য অপরাধের আড়ালে ধামাচাপা পড়ে গেল জনগণের ন্যায্য অধিকারের আন্দোলন। মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, সাধারণ মানুষ—সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লো নতুন ইস্যু নিয়ে। আর সেই সুযোগে করের সিদ্ধান্তটা ঠিকই বহাল রয়ে গেল।

এখন আবার নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলো! এবার যদি জনগণ আবারও রাজপথে নামে, আবার নতুন কোনো ঘটনা আমাদের সামনে এনে হাজির করা হবে।

এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়, এটা একটা সুনির্দিষ্ট 'সিস্টেম'। যখনই জনগণ নিজেদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হয়, তখনই এমন কোনো ইস্যু সামনে ছুড়ে দেওয়া হয় যাতে সবার মনোযোগ অন্য দিকে ঘুরে যায়। মাঝখান থেকে দিনশেষে সাধারণ জনগণই দিশেহারার মধ্যে থাকে। আর তারা ঠিকই তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাবে।

প্রশ্ন হলো, এই তথাকথিত গণতন্ত্রের নামে আর কতদিন জনগণের ওপর এই জুলুম-অত্যাচার চলবে? ভোটের আগে জনগণের কথা বলা হলেও, ভোট শেষে সাধারণ মানুষের মতামতের কি বিন্দুমাত্র মূল্যায়ন আছে এই দেশে? এক দল যায়, আরেক দল আসে কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। শুধু শোষকের চেহারা বদলায়, শোষণের ধরণ একই থাকে।

এই গনতন্ত্র শাসনব্যবস্থা কোনোদিন সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারবে না। নামমাত্র আন্দোলন বা ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই দীর্ঘমেয়াদী জুলুম থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। যতদিন না পর্যন্ত আল্লাহর দেওয়া ইনসাফপূর্ণ 'শরিয়াহ শাসন' এই জমিনে কায়েম হচ্ছে, ততদিন সাধারণ মানুষ এই অত্যাচারী চক্র থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাবে না। একমাত্র শরিয়াহ ব্যবস্থাপনাই পারে শাসক ও শাসিতের মধ্যকার এই বৈষম্য দূর করে প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে।

তাই ভাঙা সিস্টেমের পেছনে পেছনে না ছুটে, স্থায়ী এবং প্রকৃত সমাধানের জন্য আমাদের নিজেদের সচেতন হতে হবে। এই অন্যায় আর কতদিন মুখ বুজে সহ্য করবেন? জেগে উঠুন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, শরিয়াহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেকে প্রস্তুত করুন।

27/05/2026

২২ মে দিল্লির পিতামপুরায় একটি মাদ্রাসার প্রাচীর ভেঙে দেয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী। দেয়ালটি কথিতি অবৈধ জমিতে নির্মিত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে উগ্রবাদীরা। 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিয়ে তারা দেয়ালটি ধ্বংস করে। এই সময় মুসলিমদের বিরুদ্ধে নানা অবমাননাজনক মন্তব্য করে হিন্দুত্ববাদীরা। মাদ্রাসা ছাত্রদের তারা সন্ত্রাসী বলে অপবাদ দেয়।

📜আল্লাহ তা'আলা মুমিন জাতির কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে। সেই প্রশ্নটা হল, আল্লাহর দেয়া বিধানব্যবস্থা ছাড়...
24/05/2026

📜আল্লাহ তা'আলা মুমিন জাতির কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে। সেই প্রশ্নটা হল, আল্লাহর দেয়া বিধানব্যবস্থা ছাড়া আর কার বিধান উত্তম হতে পারে?

এই প্রশ্নের উত্তর নিছক কোন পাপ-পূণ্যের বিষয় নয়। এই উত্তর ঈমান ও আকিদার অংশ। যার বিশ্বাস হবে, আল্লাহর দেয়া শাসনব্যবস্থাই উত্তম এবং এটার বিপরীতে যা কিছু আছে সবই জাহিলিয়াত। সেই মুমিন হিসেবে বিবেচিত হবে।

আর যে বিশ্বাস করবে, ইসলাম ছাড়া অন্য কোন শাসনব্যবস্থা উত্তম এবং ইসলাম বর্তমানের জন্য উপযোগী কোন শাসনব্যবস্থা নয়- সে মূলত জাহিলিয়াতকে কামনা করে। সে মুমিন নয়। সে মূলত আল্লাহর উলুহিয়্যাত ও উবুদিয়্যাতকে অস্বীকার করেছে। নামাজ রোজা করলেও সে অবিশ্বাসী, পরকালে বিশ্বাস রাখলেও সে মুমিন নয়। কারণ সে আল্লাহর দাসত্বকে পূর্ণাঙ্গভাবে মেনে নেয়নি, আংশিক মেনে নিয়েছে। অথচ আল্লাহ তা'আলা মানবজাতিকে সৃষ্টিই করেছেন, পূর্ণাঙ্গভাবে তার দাসত্বের জন্য।

যে এই দাসত্বকে পূর্ণাঙ্গভাবে স্বীকৃতি দিবে, সে যেন আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে মেনে নিল। আর যে পূর্ণাঙ্গভাবে এই দাসত্বের স্বীকৃতি দিবে না এবং বিশ্বাস রাখবে না, সে আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে অস্বীকার করল।

اَفَحُکۡمَ الۡجَاہِلِیَّۃِ یَبۡغُوۡنَ ؕ وَمَنۡ اَحۡسَنُ مِنَ اللّٰہِ حُکۡمًا لِّقَوۡمٍ یُّوۡقِنُوۡنَ
❝তবে কি তারা জাহিলিয়াতের বিধান কামনা করে? দৃঢ় ইমানদারদের জন্য আল্লাহর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা আর কে আছে?❞ (সুরা আল-মায়িদাহ : ৫০)

লেখা : ইফতেখার সিফাত (হাফি.)

রামিসার মাথা।ধর্ষক নিজ হাতে মাথা কেটে বালতিতে রেখেছে। চিন্তা করেন এখানে যদি আপনার সন্তান হতো। আপনার মেয়ে হতো, তাহলে কি ক...
24/05/2026

রামিসার মাথা।

ধর্ষক নিজ হাতে মাথা কেটে বালতিতে রেখেছে।
চিন্তা করেন এখানে যদি আপনার সন্তান হতো। আপনার মেয়ে হতো, তাহলে কি করতেন? এই তা|গূ|তী|য় জালিম প্রশাসনের কাছে বিচার নিয়ে যেতেন নাকি নিজ হাতেই ওই ধর্ষকের দেহ থেকে তার মাথাকে আলাদা করে দিতেন?

ধর্ষেকর বিচার আল্লাহর শরীয়াহ ছাড়া অসম্ভব।

Address

Gaibandha
Rangpur
5700

Telephone

+8801784526185

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উম্মার স্বার্থে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to উম্মার স্বার্থে:

Share