17/08/2022
---পুঁজিবাদীদের একটু লাগতে পারে ----
রাজনীতি বলতে- পরিবারের, সমাজের, রাষ্ট্রের অবস্থা বুঝে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা । যেটা সুশীল সমাজ চিন্তা করে থাকে । তাহলে, সরকার কি করে ! সকল ক্ষমতা তো সরকারের হাতে ।
আমার লেখার উদ্দেশ্য আসলে সুশীল সমাজ বা সরকার না । আসলে একটা দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কাদের কাছে জিম্মি? সরকার ঠিকই জানে শোষকদের বিরুদ্ধে শোষিতের সম্পর্কের কথা, আর এটাও জানে কিভাবে শোষণের অবসান করতে হবে । আমি বলছি দেশে কারা দখলদার ও পুঁজিবাদী সমাজ/রাষ্ট্র তৈরি করতেছে । আসলে আমি বলতে চাচ্ছি কার্ল মার্ক্সের কথা (শ্রেণী সংঘর্ষ)- বুর্জুয়া ও শ্রমিক সম্পর্ক । আসলে দেশে সোস্যাইলিজম নাই । তবে, আমরা সবাই জানি যে সোস্যাইলিজম হলো ক্যাপিটালইজমের শেষ ফল । শ্রীলঙ্কার মত দেশকে দেখলে মনে হয় - সময় হলে গাছে ফল ধরবে । একটা বিষয় বলে রাখি আমি সরকারের বিপক্ষে না , আমি পুঁজিবাদের(শ্রেণী সংঘর্ষের) বিপক্ষে । কারন, সরকার মানেই তো জনগন । আমার কথা পুঁজিবাদের পতন আনবে কে ? সরকার না জনগণ । মানে যেই লাউ, সেই কদু ।
বর্তমান দেশের এই অবস্থা - মালিক থেকে কাজ । তবে, একটা শ্রেণী (গ্রামের ভাষায় ‘কামলা’) জানে কাজের ফলাফল টাকা । শেষে দেখে টাকার মালিক সেই ব্যক্তি, যে কাজটা দিল । আর যে কাজটা করল সে একবেলা খেয়ে আর একবেলা খাওয়ার জন্য কাজে যাচ্ছে । দেখা যাচ্ছে- ঔপনিবেশিক ও আধা-ঔপনিবেশিক থেকে কোন পরিবর্তন থাকলো না। আবার, এখনো ফিউডাল বা আধা-ফিউডাল স্তরে ঠেকে আছে । লাভ কি হল ব্রিটিশ আর পশ্চিম পাকিস্তান তাড়িয়ে । যেই লাউ সেই কদু ।
জমি থেকে ফসল, আর জমির মালিক জমিদার । তাহলে, ফসলের মালিক কে !!!? মানে কর্তৃপক্ষ (পুঁজিবাদ নিপাত যাক) । পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে- বাংলাদেশের মত মধ্য-উন্নয়নের দেশে অতি ধনী হওয়াটা খুবেই সহজ । কারা এই সুযোগ নিচ্ছে !!! অবশ্যই গ্রামের কোন কৃষক না । তাহলে কারা ??? বাংলাদেশে যত ধরনের পুঁজিবাদী ব্যবসায়ী আছে তাদেরকে চিহ্নিত করে বেগম পাড়ায় পানের দোকান ধরাই দেওয়া হোক ।
আমাদের দেশের যে অবস্থা- দেশের ভিতরে সমতার ( সমাজতান্ত্রিকতা ) প্রয়োগ খুবেই দরকার । পুঁজিবাদী চিন্তা করতে হবে বহিরাগত দেশের সাথে । যেমন- চায়না করে থাকে । সাধারণ জনগণকে যেন এই রকম পরিস্থিতে পড়তে না হয়- ‘ভাত দে’ ।
মোঃ সিরাজুল ইসলাম
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিঙ্গান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ।