Ashik vlog

Ashik vlog welcome to our channel. our channel is new so you can follow me and washing videos.

"ঘরের রাণী" 👑👰 এক কন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাড়িতে আনন্দের আমেজ, কিন্তু এক কোণে বসে বাবা তার মেয়ের হাতে একটি চিঠি তুলে দিলে...
06/08/2025

"ঘরের রাণী" 👑

👰 এক কন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাড়িতে আনন্দের আমেজ, কিন্তু এক কোণে বসে বাবা তার মেয়ের হাতে একটি চিঠি তুলে দিলেন। কন্যা বিস্ময় নিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কী?"

বাবা মৃদু হেসে বললেন,
“এটা তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাঠ। তুমি আজ কন্যা, কাল বউ হবে, একদিন মা, তারপর একটি পরিবারের রাহবার। এই চিঠিতে আমি তোমার জন্য রেখে গেলাম সেই শিক্ষাগুলো, যেগুলো তোমার জীবনকে জান্নাতের পথে নিয়ে যাবে।”

📜 চিঠির ভিতরে লেখা ছিলঃ

> ✨ মেয়ের জীবনসঙ্গী তার একমাত্র বন্ধু, সাথী, অভিভাবক। তাদের সম্পর্কের গোপনীয়তা যেন কেবল তাদের মাঝেই থাকে।

✨ স্বামীর সাথে জেদ নয়, বরং বোঝাপড়া ও ভালোবাসা যেন হয় প্রতিটি কথায়। কারণ জেদ নারীত্বকে ক্ষয় করে, শান্তি কাড়ে।

✨ স্বামীর পরিবারের প্রতি সহানুভূতি, সম্মান ও সেবা যেন হয় তোমার স্বভাব। এটা স্বামীর হৃদয়ে তোমার জন্য অটুট ভালোবাসা সৃষ্টি করবে।

✨ উচ্চস্বরে হাসি, চিৎকার – এসব যেন তোমার লজ্জা ও আদব নষ্ট না করে।

✨ কখনোই স্বামীর সঙ্গে মিথ্যা বলো না। এক ফোঁটা মিথ্যাও বিশ্বাসের দেয়ালে চির ধরায়।

✨ নিজের পরিচ্ছন্নতা, গন্ধ, পোশাক—সব কিছু যেন হয় তোমার স্বামীর চোখে আনন্দদায়ক। এতে তার মন ঘরে টিকে থাকবে।

✨ গীবত, পরনিন্দা—এসব যেন হয় দূরের বিষয়। একজন রত্নসম নারী এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করে।

✨ স্বামীর সামনে লজ্জা ও আদব বজায় রাখো। নারীর গৌরব তার লজ্জায়।

✨ তুমি নারী, নারীই থাকো। পুরুষের মতো কর্তৃত্ব নয়, বরং নারীত্বের সৌন্দর্যে জীবন জয় করো।

✨ স্বামী যদি কখনো ঈর্ষান্বিত হয়, বুঝবে—সে ভালোবাসে। সন্দেহ নয়, বরং ভালোবাসার রূপ বুঝে তাকে শান্ত করো।

✨ বাবার বাড়ি কখনো ভুলে যেও না, কিন্তু মনে রেখো—তোমার আসল সংসার এখন স্বামীর ঘর।

✨ রাগের মাথায় চিৎকার নয়, বরং মৃদু কণ্ঠে বোঝাতে শেখো।

✨ আল্লাহর বিধানে স্বামী তোমার অভিভাবক। নিজের মত জোর করে চাপাতে যেও না।

✨ ঝগড়ায় ‘তালাক’ শব্দ কখনোই মুখে আনো না। এটা শয়তানের ফাঁদ।

✨ ঝগড়া হলেও স্বামীর বিছানা কখনো ত্যাগ করো না। নারীর ক্ষমা বড় শক্তি।

✨ স্বামীকে হাসিমুখে বরণ করো—চুমু, পানি, হাসি – এটাই নারীর জাদু।

✨ তার অসুস্থতা, বিপদের দিনে তার পাশে থেকো।

✨ কষ্টে পড়লেও স্বামীর ঘর ছেড়ে যেও না। নিজের ঘরকেই জান্নাত বানাও।

✨ জানো তো, এক নারীর কোমলতা এক হিংস্র পুরুষকেও নরম করে। তাই জেদ নয়, ভালোবাসাই তোমার হাতিয়ার।

✨ সাজগোজ করে রাস্তায় নয়, সাজো স্বামীর জন্য। বাইরে নয়, নিজের ঘরের রানী হও।

✨ ভালোবাসা, দয়া ও ক্ষমা দিয়ে তোমার সংসারকে জান্নাতের প্রতিচ্ছবি বানাও।

💌 কন্যা চোখের কোণে অশ্রু নিয়ে বলল,
“বাবা, আমি চেষ্টা করব যেন আপনার শেখানো প্রতিটি কথা আমার জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারি। আমি রানী হব, আমার স্বামীর ঘরের রানী।”

📿

আমি যখন তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি তখন আমার বাবা একদিন আমাকে ডেকে কাজ করতে করতে বললেন, যতদিন বাঁচবে বিএনপিকে ভোট ...
16/07/2025

আমি যখন তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি তখন আমার বাবা একদিন আমাকে ডেকে কাজ করতে করতে বললেন, যতদিন বাঁচবে বিএনপিকে ভোট দিবে। তারপর তিনি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে অনেক কিছু বললেন তিনি খুব ভালো শাসক ছিলেন। তার শাসনামলে অনেক উন্নয়ন হয়েছে কৃষি খাতে এবং তিনি নিজ হাতে শ্রমিকদের সাথে খাল খনন করেছেন। সৌদি আরবে তিনি নিম গাছ পাঠিয়েছিলেন হাজীদের কষ্ট নিবারানোর জন্য যেটা পরবর্তীতে জিয়া গাছ নামে পরিচিত পেয়েছে। এরকম আরো অনেক কিছু তিনি যে শাসন সম্পর্কে বললেন।

ঠিক সেখান থেকেই বিএনপিকে ভালোবাসা শুরু। এবং এখনো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম বেগম জিয়ার সম্পর্কে ভালোবাসা অটুট আছে। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কখনো ইসলামের ক্ষতি সাধন করেননি এবং বেগম জিয়া ও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছিলন।

যদিও আমি পরবর্তীকালে ইসলামী সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়েছিলাম। আমি তখনও বা এখনো বিএনপি এবং ইসলামপন্থীদের আলাদা মনে করি না। আমি এখনো মনে করি আমার এক হাত বিএনপি এবং এক হাত জামাত। ইসলামপন্থী এবং বিএনপিকে আমি একটি দেহের তুলনা করি।

কিন্তু খুবই দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি ইদানিং কালে সেই দুইটি দল এখন শত্রুতে পরিণত হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যেই বিএনপি এবং আপোষহীন নেত্রীর বেগম জিয়ার বিএনপি এখন আর নাই। কিছু ভারতীয় দালাল এবং পান্ডারা এটাকে হাইজ্যাক করে ফেলেছে। আওয়ামী লীগের সেই ভয়ংকর রূপ এখন বিএনপি ধারণ করে ফেলেছে এই সমস্ত পান্ডাদের জন্য।

জনাব তারেক রহমান যদি তার পিতা এবং মাতার আদর্শ এবং নেতৃত্ব বুঝতে ব্যর্থ হয় তাহলে এই দলকে আর বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন না। এর ধ্বংস অনিবার্য।

আমরা চাই প্রতিযোগিতার রাজনীতি প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়। বিএনপিতে এখন সব দালালে ভরপুর, গুন্ডা পান্ডা আর মাস্তান দিয়ে ভরা। কে এদেরকে রক্ষা করবে যিনি রক্ষা করতে পারতেন তিনি তো অসুস্থ আওয়ামী লীগ তারে পঙ্গু করে দিয়েছে তাই আমি হতাশ।

এভাবে চলতে থাকলে একদিন এই ইসলাম পন্থীদের আর আটকে রাখতে পারবেন না। আমার খুব আশঙ্কা হয় হয়তোবা ইসলাম পন্থীদের ঠেকাতে একদিন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি এক হয়ে ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হবে। সেই দিন খুব সন্নিকটে!!!

তবুও আমি চাই সুস্থ রাজনীতির চর্চা হোক।
📝আমির হামজা আশিক
পলিটিক্যাল সায়েন্স

20/02/2025

Foy's lake

অনেক বন্ধুবান্ধব এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে আমার এই পোস্টঅনেকদিন ধরে ভাবছি হাসিনার পুলিশ সম্পর্কে লিখব কিন্তু ...
30/10/2024

অনেক বন্ধুবান্ধব এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে আমার এই পোস্ট

অনেকদিন ধরে ভাবছি হাসিনার পুলিশ সম্পর্কে লিখব কিন্তু সময়ের অভাবে লেখা হয় না।

পুলিশ হচ্ছে জনগণের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কিন্তু তাদের জন্য জনগণের যন্ত্রণা দূর হয় না। যে সরকার যখন ক্ষমতায় আসে সেই সরকার তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে এই বাহিনীটিকে ব্যবহার করে। এটি বিএনপিও করেছে আওয়ামীলীগও করেছে চরম মাত্রায়।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই বাহিনীটি দৈত্য দানবের ন্যায় ভূমিকা পালন করেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম হিসেবে থাকবে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এই বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে তারা ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগ পরিবারের লোকদের নিয়োগ দিত সেই সাথে মোটা অংকের ঘুষও নিত। যার চাক্ষুষ প্রমাণ আমার কাছে আছে। পুলিশের বড় বড় পদস্থ কর্মকর্তা বেশি অংশ গোপালগঞ্জ থেকে নিয়োগ দেয়া হতো।
পুলিশকে এতটাই দলীয়করণ করা হয়েছে যে এটা আওয়ামী লীগের একটি অঙ্গসংগঠনে পরিণত করা হয়েছে। মানুষ এই পুলিশ বাহিনীকে পুলিশ লীগ বলে থাকে।

এছাড়া তাদেরকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দিল এ অবৈধ সরকার, এই বাহিনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ তার বিরোধী মতকে দমন করা, জুলুম করা, হামলা করা, মামলা করা, জেলে ভরে রাখা, দখল করা, লুটপাট করা, চুরি, ছিনতাই করা এমনকি নির্বিচারে মানুষকে হত্যা করা, ভোট চুরি করা, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া। এত এত অপকর্ম এই বাহিনীর টিকে দিয়া করানো হয়েছে। ইতিপূর্বে কোন বাহিনী দিয়ে এত দমন নিপীড়ন করা হয়নি তারা শেখ মুজিবের রক্ষী বাহিনী কে ও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

এবং তারা নিজেদেরকে সুপ্রিম মনে করতে থাকে। রক্ষী বাহিনী যতটা না অপকর্ম করেছে তার থেকেও বেশি এই পুলিশ বাহিনী করেছে। এ পুলিশের উপর ভর করে আওয়ামী লীগ তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রেখেছিল।

২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ কিছু পুলিশ এবং কিছু সুশীল সমাজ নিজেদেরকে নির্দেশ এবং হুকুমের তাবেদার হিসাবে মানুষের কাছে সিমপ্যাথে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের ভাষ্য তাদের মধ্যে নাকি দুই এক পার্সেন্ট খারাপ পুলিশ আছে সবাই নাকি ভালো, যদি হতো তাহলে এত কর্ম হতো না।

পুলিশের মধ্যে ৯০% পুলিশ দুর্নীতিগ্রস্ত এবং খারাপ হিসাবে রয়েছে ১০% এর মত কিছু পুলিশ ভালো আছে এটাই হল বাস্তবতা। এখন নিজেদেরকে সেভ করার জন্য নিজেদের নির্দোষ দাবি করতে থাকা এসব পুলিশদের বিগত আমলনামা গুলো খুঁজে দেখুন তারা কতটা খারাপ এবং নিষ্ঠুর ছিল। সবাই যে খারাপ ছিল তা বলছি না তবে সংখ্যাটা খুবই নগণ্য।

তারা হলো পোশাকধারী এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। যাদের বিরুদ্ধে আপনি কোন প্রতিবাদ করতে পারবেন না। কারণ তারা তথাকথিত আইনের লোক। তাদের এই অপকর্মের জন্য অবশ্যই সমস্ত জনগণের কাছে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক দলের এতটা তাবেদারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা যাবে না এই প্রতিশ্রুতি জনগণকে দিতে হবে যদি তারা নিজেদের আস্থা অর্জন করতে চায়। তাদের অনেক পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে।

যদিও তারা জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে কিনা জানিনা। তবে তাদের বিগত কাজের জন্য অনুতপ্ত হওয়া উচিত। যে অন্যায়গুলো তারা করেছে।

আজ এ পর্যন্ত আবারো এ বিষয়ে পরে কথা হবে ইনশাল্লাহ
📝 আমির হামজা আশিক
পলিটিক্যাল সাইন্স ইন মাস্টার্স

*রাজনীতি নিয়ে কিছু কথা *স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে আজ অব্দি বাংলাদেশের প্রধান জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হল বিএনপি এবং তারপর আওয়...
12/08/2024

*রাজনীতি নিয়ে কিছু কথা *

স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে আজ অব্দি বাংলাদেশের প্রধান জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হল বিএনপি এবং তারপর আওয়ামীলীগ। বিএনপি'র এই জনপ্রিয়তার কিছু কারণ রয়েছে তার মধ্যে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ক্ষমতাগুলো গ্রহণ করার পরে যখন তিনি গণতন্ত্র ধ্বংস করে বাকশাল কায়েম করেন। সেখান থেকে আওয়ামী লীগ পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে যখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণ করলেন এবং তিনি বিএনপি গঠন করলেন। তার শাসনামলে মানুষের স্বস্তি এবং শান্তি ছিল তার নানাবিধি কর্মপদ্ধির কারণে তিনি মানুষের খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন।
এবং তিনি বহুদলীয় রাজনীতির প্রবর্তক তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন।
* এরপর জেনারেল ইরশাদ যখন ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি অগণতান্ত্রিকভাবে স্বৈরশাসকে পরিণত হয়েছিলেন এবং ১৯৯০ সালে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের গণআন্দোলনে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়।
১৯৯০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এই স্বৈরাচার পতন হয়েছিল এবং তার দূরদর্শী নেতৃত্বে তিনি জনগণের আস্তা অর্জন করেছিলেন।
* তার ফলশ্রুতিতে ১৯৯১ সালে বিএনপি গণতান্ত্রিক ভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া।
* স্বাধীন বাংলাদেশে বিএনপি তিনবার ক্ষমতাগ গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে একবার জিয়াউর রহমান আর দুইবার বেগম খালেদা জিয়া।
* স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিকভাবে মাত্র একবার ক্ষমতায় এসেছে সেটা হল ১৯৯৬ সালে।
* ২০০৭ সালে যখন ১/১১ হয় খুব পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানো হয়। যেই দলটির (bnp)এত বড় জনপ্রিয় একটি দল ২০০৮ সালের নির্বাচনে সেই দলটি মাত্র ৩০ টি আসন এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এটা সম্পূর্ণ একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্ক রচিত হয়েছিল যার মাধ্যমে সেই ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ কে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রতে পরিণত করা হয়েছে।
তারা যে ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা এনেছে তার অনেকগুলো প্রমাণ রয়েছে সেসময় মঈন উদ্দিন ফখরুদ্দিন বেগম খালেদা জিয়া কে প্রথম তারা প্রস্তাব দিয়েছিল যে তিনি যেন ১/১১ বৈধতা দেন। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় তারা শেখ হাসিনার সাথে এই চুক্তি করেন। এবং শেখ হাসিনা তাদেরকে ইন্ডিমিটি দেন। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের চক্রান্তে। তখনকার নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত। তার কারণে বিএনপি এত কম আসন পায় ।
* রাজনীতি নিয়ে কিছু কথা *
* পার্ট টু:
* ২০০৯ থেকে ২০২৪পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসন*
১. ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরপর ৫৭ জন সেনাবাহিনীর চৌকাষ অফিসারদের খুব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। দেশ প্রেমিক এই সেনা অফিসারদের হত্যা করার মাধ্যমে তিনি তার ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত এবং দীর্ঘমেয়াদী করেন। শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বে এত সেনা অফিসার একসাথে কখনো হত্যা করা হয়নি।
২. এরপর তারা গুম খুন এর রাজনীতি শুরু করে বাংলাদেশের তৃতীয় প্রধান রাজনৈতিক দল হল বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী তাদের উপর অমানবিক নির্যাতন শুরু হয়। মামলা হামলা গুম বিচারবহির্ভূত হত্যা শুরু করে।
৩. ২০১৩ সালে যুদ্ধ অপরাধীর নামে শুরু হয় শাহাবাগি নাটক। যেই নাটকের গুরু ছিল ডা. ইমরান এইচ সরকার। জামাতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়ার দাবি ওঠে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে।
৪. বিতর্কিত যুদ্ধ অপরাধীর নামে জামাতে ইসলামীর শিষ্য নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ফরমায়েশি আদালত এবং ফরমাইসি রাই দিতে থাকে। জামাতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের একের পর এক ফাঁসি দেওয়া হয়।
৫. ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের উপর গণহত্যা চালানো হয়। যেখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলা হয়।
৬. ২০১৩ সালে ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে জামাতে ইসলামের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। বিরোধীদের ওপর দমন- নিপীড়ন শুরু করে হাজার হাজার মানুষের নামে মিথ্যা মামলা গাইবি মামলা শুরু করে।
৭. ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৪ টি আসনে বিনা ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়। যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্জন করতে মাত্র ১৫১ টি আসন লাগে। যেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও একটি কলঙ্ক জনক অধ্যায়।
৮. এরপরে শুরু হয় জঙ্গি নাটক খেলা। ২০১৬ সালে হোলি আর্টিজান গুলশানের একটি এলাকায় এই নাটক সংগঠিত হয়। এরপরে অসংখ্য জঙ্গি নাটক করে বিএনপি এবং জামাতের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ কে হত্যা করা হয় ক্রসফায়ারের নামে।
৯. ২০১৬ সালে ও ১৭ সালে পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি হাজার কোটি টাকা লোপাট। হলমার্ক কেলেঙ্কারি চতুর মুখী দুর্নীতি, শেয়ারবাজার লুটপাট, এহেন কোন দুর্নীতি নাই যে তারা করে নাই প্রতিটি সেক্টরের সেক্টরে দুর্নীতি।
১০. ২০১৮ সালে বিএনপি'র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। জামাতের শীর্ষ নেতাদের মিথ্যা এবং সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এবং অসংখ্য জামাত-বিএনপি এবং ভিন্নমতের লোকদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা এবং কারাগারে রাখা।
১১. ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়। এবং তাদের উপর দমন নিপীড়নের স্টিমরোলার চালানো হয় তৈরি হয় হেলমেট বাহিনী। বাতিল করা হয় কোটা পদ্ধতি।
* ২০১৮ সালে ডিজিটাল। সিকিউরিটি আইন করে ভিন্নমতের কন্ঠ চেপে ধরা হয়। যাতে মানুষ মুখ খুলতে না পারে সত্য প্রকাশ না করতে পারে। সামান্য ফেসবুক পোস্ট এর জন্য মানুষকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হত।
১২. ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্বাচনের নিয়ে আসলেও দিনের ভোট রাতে হয়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়া লাগেনা ভোট দেয় পুলিশ বাহিনী হেলমেট বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের লোকজন শেখ হাসিনা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোট চুরি করে। এবং আওয়ামী লীগ আবারো অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে।
১৩. ২০১৯ সালের শেষে এবং ২০ সালের শুরুতে করোনাভাইরাস মহামারী ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে। ওবায়দুল কাদের বলেন আমরা করোনার চেয়েও শক্তিশালী।
১৪. ২০২৪ সালে শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুসকে দোষী সাব্যস্ত করা। বেগম খালেদা জিয়া ও ডক্টর ইউনুসকে পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়া এবং চুবানি দেওয়ার কথা বলেন শেখ হাসিনা।
১৫. ২০২৪ সালে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন। বারবার সংবিধান রক্ষার নামে অবৈধভাবে আওয়ামীলীগ ক্ষমতা দখল করে। এবং বিএনপি'র শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে কারাগারে বন্দি রাখা।
১৬. ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পুনরায় কোটার সংস্কার দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বিতর্কিত করা এবং শেখ হাসিনার বিরূপ মন্তব্যের জন্য এ আন্দোলন দাবানলের মত ফুঁসে ওঠে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীকে শেখ হাসিনা রাজাকার বলে। প্রতিবারই তিনি তার পেটুয়া হেলমেট বাহিনী পুলিশ লীগ দিয়ে জনগণকে বা ভিন্ন মতকে বারবার দমনের চেষ্টা করেছেন। একমাস ধরে চলে এ আন্দোলন হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষার্থীকে গন হত্যা করা হয়। এ আন্দোলনের এক পর্যায়ে এক দফা দাবিতে শেখ হাসিনা পদত্যাগ এবং দেশ ছেড়ে পালিয়ে চলে যান।
১৭. সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনা বিএনপি জামাতের দোষারোপ করে। এবং তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাহী আদেশের ভিত্তিতে জামাতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করে। এরপর শেখ হাসিনা আর বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। সাধারণ জনগণ এবং শিক্ষার্থী গণভবন এবং সংসদ ভবনের দখল করে ফেলে। যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের স্বর্ণ অক্ষরে লেখা থাকবে কোনদিন মোছা যাবে না।
* শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র শুরু হয় বিচার বিভাগীয় কূ বিভিন্ন মন্দির ও সংখ্যালঘুদের হামলা করে লুট পাট ডাকাতি করে এ সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ। এই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ হল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এই পদের দায়িত্ব পান তথাকথিত ১/১১ এর কুশিলভ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত। এত অন্যায় এত কিছু করার পর ও তিনি আওয়ামী লীগকে নিয়ে বলেন দল গছাতে। এত বড় একটা দায়িত্বশীল হয়ে তিনি কিভাবে এরকম কথা বলতে পারেন। এতো অপরাধ সংগঠিত দলটি বাংলাদেশে আর রাজনীতি করতে পারে না তাদেরকে চিরতরে বাংলাদেশ থেকে ব্যান করার দাবী জানাচ্ছি। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে সুতরাং তারা এই দেশে আর রাজনীতি করার অধিকার রাখে না। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে খুন লুটতরাজ দুর্নীতি রাহাজানি আয়না ঘর এমন কি করে নি তারা যার জন্য তাদের ব্যান করা হবে না। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আসলে কি চান, তিনি কি চান এই স্বাধীনতা হরণকারী বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া মানুষের ভোট অধিকার কেড়ে নেওয়া হত্যাকারী খুনি দুর্নীতিবাজ অবৈধ আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনতে চান। জনগণকে স্পষ্ট করে বলেন আমরা আওয়ামী লীগকে আর কখনো বাংলাদেশে চাইনা

* আওয়ামী লীগের আমলে আলোচিত খুন সমূহ সাংবাদিক সাগর রুনি হত্যা, তনু হত্যা, বিডিআর হত্যা, নুসরাত হত্যা, বিশ্বজিৎ হত্যা, আবরার ফাহাদ হত্যা, জামাতে ইসলামের শীর্ষ নেতৃত্ব কে ফাঁসি দেওয়া, মেজার সিনা হত্যা, র‍্যাব এর ক্রসফায়ারে অসংখ্য মানুষকে হত্যা, একরাম হত্যা এরকম অসংখ্য হাজার হাজার হত্যা সংঘটিত হয়েছে।

* একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং রাজনীতির ছাত্র হিসাবে আমি মনে করি আওয়ামী লীগকে চিরদিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হোক বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে।
* লেখক
আমির হামজা আশিক
(মাস্টার্স ইন পলিটিক্যাল সাইন্স)

06/07/2023
29/06/2023

সবাই কে বৃষ্টি ভেজা ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।।

27/06/2023
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। ঈদ মোবারক। তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্ত...
22/04/2023

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। ঈদ মোবারক। তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি।

18/04/2023

আজব রোজার নিয়ত এর আগে কখনো আপনি এমন নিয়াত শোনেননি। শুনে হাসতে হাসতে বেহুশ হয়ে যাবে। দেখুন বিস্তারিত ভিডিওতে

Address

Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashik vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ashik vlog:

Share