SwapnoChaya properties

SwapnoChaya properties রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগ করুন স্বপ্নছায়া প্রোপার্টিজ এর সাথে।

সাভার আড়াপাড়ায় মেইন রোড়ে ৪ শতাংশের একটি প্লট  ( প্রতি শতাংশ ১৯ লক্ষ)  ও বাজার সংলগ্ন আড়াপাড়া বালুর মাঠে  ৭.৫ শতাংশ একটি ...
18/01/2026

সাভার আড়াপাড়ায় মেইন রোড়ে ৪ শতাংশের একটি প্লট ( প্রতি শতাংশ ১৯ লক্ষ) ও বাজার সংলগ্ন আড়াপাড়া বালুর মাঠে ৭.৫ শতাংশ একটি প্লট (প্রতি শতাংশ ৯ লক্ষ টাকা) বিক্রয় হবে। ( অর্ধেক করে ৩.৭৫ শতাংশ দেয়া যাবে।)
১৪ ফুট রাস্তা।

সাভার বাস স্ট্যান্ড থেকে ১৫ মিনিটের ও বাজার থেকে ৫ মিনিটের পায়ে হাটার পথ।

এখনই বাড়ি করার উপযোগী।
কাগজ পত্র আপডেট।

যোগাযোগ করুন ০১৭৭ ১১১৪১১১

01/12/2025

জমি ক্রয়-বিক্রয় একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে এর জন্য সঠিক জ্ঞান এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। এই ব্যবসার জন্য, প্রথমে বাজার গবেষণা, সম্ভাব্য গ্রাহকদের খুঁজে বের করা, এবং আইনি ও আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট বা ব্রোকার হিসেবেও এই কাজ করা যেতে পারে।
ব্যবসা শুরু করার ধাপ
বাজার গবেষণা: প্রথমে আপনার লক্ষ্য বাজারের (যেমন - নির্দিষ্ট এলাকা, আবাসিক বা বাণিজ্যিক জমি) চাহিদা এবং দাম সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন।
আইনি ও আর্থিক প্রস্তুতি: জমি কেনা-বেচার সঙ্গে জড়িত সরকারি নিয়মকানুন, কর এবং অন্যান্য ফি সম্পর্কে অবগত হন।
গ্রাহক তৈরি: সম্ভাব্য ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সাথে সংযোগ স্থাপন করুন। এর জন্য বিজ্ঞাপন বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
আইনি সহায়তা: জমি সংক্রান্ত যেকোনো আইনি প্রক্রিয়া যেমন - মালিকানা নিশ্চিতকরণ, দলিল তৈরি ইত্যাদি কাজের জন্য একজন আইনজীবীর সাহায্য নিতে পারেন।
ব্যবসার ধরণ
সরাসরি বিনিয়োগ: আপনি নিজে জমি কিনে তা লাভজনক দামে আবার বিক্রি করতে পারেন।
ব্রোকারেজ/এজেন্সি: এই ক্ষেত্রে আপনি ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে মধ্যস্থতা করে কমিশন আয় করতে পারেন।
ডেভেলপমেন্ট: আপনি যদি উপযুক্ত পরিকল্পনা এবং আর্থিক ক্ষমতা রাখেন, তাহলে আপনি খালি জমি কিনে সেখানে প্লট তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
বিশ্বাসযোগ্যতা: গ্রাহকদের আস্থা অর্জনের জন্য স্বচ্ছতা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।
আইনি বৈধতা: যেকোনো লেনদেনের আগে জমির সকল কাগজপত্র যাচাই করুন।
প্রয়োগিক জ্ঞান: জমি কেনা-বেচার প্রায়োগিক ও পরিভাষাগত দিকগুলো ভালোভাবে বুঝুন।

অল্প টাকা নিয়ে আপনিও বিজনেস করতে পারেন। যেমন ২০ শতাংশ জায়গা ২০ লক্ষ টাকা মূল্য। ৪ জনে মিলে ৫ লক্ষ টাকা করে দিয়ে একের জনে...
22/11/2025

অল্প টাকা নিয়ে আপনিও বিজনেস করতে পারেন। যেমন ২০ শতাংশ জায়গা ২০ লক্ষ টাকা মূল্য। ৪ জনে মিলে ৫ লক্ষ টাকা করে দিয়ে একের জনে ৫ শতাংশের প্লট তৈরি করে ফেলুন। একজন মানুষের ২০ শতাংশ জমি ক্রয়ের সামর্থ্য থাকে না ৫ শতাংশের কাস্টমার সহজেই পাওয়া যায়। প্রতি শতাংশ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা হিসেবে ৬ লক্ষ টাকা ৫ শতাংশের প্লট বিক্রি করতে পারবেন। ৫ লক্ষ টাকায় আপনার ১ লক্ষ টাকা লাভ হবে। এভাবে যৌথ ভাবে আপনিও একদিন ভালো বিজনেসম্যান হয়ে উঠতে পারবেন। মাটি হলো খাঁটি যার মূল্য কখনো কমবে না। বিজনেসের আইডিয়াটি অনেকেরই ভালো লাগতে পারে। আজ অনেক নামি-দামি হাউজিং ব্যাবসায়ী এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। যাদের অতীত ইতিহাস পড়ে আপনিও অনুপ্রাণিত হতে পারেন।

পৃথিবীতে ৭টি ক্যাটাগরির মানুষ রয়েছে, যাদের সান্নিধ্য সবাই পায়না। আর যারা পায় তারা হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী। ...
16/11/2025

পৃথিবীতে ৭টি ক্যাটাগরির মানুষ রয়েছে, যাদের সান্নিধ্য সবাই পায়না। আর যারা পায় তারা হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী।

মানুষের মন একটা রহস্যময় জগৎ, এই জগৎ বোঝা এবং এর গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে পৃথিবী জয় করা কোনো স্বপ্ন নয়। কিছু মানুষ, তাদের অসাধারণ দক্ষতা ও ক্ষমতার জোরে, এই মনের খেলায় পারদর্শী। তারা হলেন: Detective
Agent / Psychologist / Mentalist /Scientist / Magician / Multy Millionaire! তাদের প্রত্যেকের হাতে রয়েছে এমন কিছু ক্ষমতা, যা একত্রিত হলে পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব। চলুন, জেনে নিই তাদের শক্তির গল্প।

১/ ডিটেকটিভ সত্যের অনুসন্ধানী।
ডিটেকটিভরা হলেন রহস্যের চাবিকাঠি, তাদের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, এবং সূক্ষ্ম ইঙ্গিত ধরার দক্ষতা তাদের অপরাজেয় করে। তারা মানুষের আচরণ, মিথ্যা, এবং লুকানো উদ্দেশ্য বুঝতে পারে। একজন ডিটেকটিভ যদি পৃথিবীর শক্তিশালীদের গোপন রহস্য ফাঁস করতে পারে, তবে তার হাতে থাকে পুরো বিশ্বের নিয়ন্ত্রণের চাবি। কারণ তারা জানে, সত্যই সবচেয়ে বড় অ-স্ত্র।।

২/ এজেন্ট ছায়ার যো-দ্ধা।
এজেন্টরা হলেন গোপন মিশনের নায়ক। তারা শুধু শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও অতুলনীয়। তারা মানুষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা ব্যবহার করতে পারে। কূ'টনীতি, গোয়েন্দাগিরি, এবং কৌশলের মাধ্যমে তারা যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে জানে। একজন এজেন্ট যদি বিশ্ব নেতাদের মধ্যে তথ্যের খেলা খেলে, তবে পৃথিবীর দিকপালরাও তার হাতের পুতুল হতে পারে। তাদের শক্তি লুকানো অপ্রতিরোধ্য।

৩/ সাইকোলজিস্ট মনের প্রভু।
সাইকোলজিস্টরা মানুষের মনের গভীরে ডুব দিতে পারে। তারা জানে কীভাবে ভয়, আকাঙ্ক্ষা, বা আবেগ মানুষকে চালিত করে। মানুষের আচরণ পরিবর্তন করা, তাদের চিন্তাধারা প্রভাবিত করা এসব তাদের কাছে শিল্প। একজন সাইকোলজিস্ট যদি বড় পরিসরে কাজ করে, তবে সমাজ, দেশ, এমনকি বিশ্বের মানুষের মানসিকতা তার হাতে থাকবে। কারণ মন জয় করলে পৃথিবী জয় করা কঠিন নয়।

৪/ মেন্টালিস্ট চিন্তার জাদুকর।
মেন্টালিস্টরা হলেন মনের ম্যাজিশিয়ান, তারা মানুষের অবচেতন মন পড়তে পারে। তাদের চিন্তা অনুমান করতে পারে, এমনকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাদের কথা, ভঙ্গি, এবং কৌশল এতটাই শক্তিশালী যে মানুষ নিজের অজান্তেই তাদের ফাঁ'দে পড়ে। একজন মেন্টালিস্ট যদি বিশ্ব মঞ্চে উঠে, তবে নেতা থেকে জনগণ সবাই তার ইশারায় নাচবে। কারণ তারা মানুষের মনের দরজা খোলে, আর পৃথিবী দখল করে।

৫/ সায়েন্টিস্ট জ্ঞানের স্রষ্টা।
সায়েন্টিস্টরা হলেন ভবিষ্যতের নির্মাতা। তাদের আবিষ্কার, প্রযুক্তি, এবং জ্ঞান মানুষের জীবনকে বদলে দেয়। তারা এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে পারে যা মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে। যেমন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা নিউরোটেকনোলজি। একজন সায়েন্টিস্ট যদি এই শক্তি ব্যবহার করে, তবে তার হাতে থাকবে বিশ্বের ভাগ্য। কারণ জ্ঞানই তাদের সবচেয়ে বড় অ-স্ত্র।

৬/ ম্যাজিশিয়ান মায়ার রাজা।
ম্যাজিশিয়ানরা জানে কীভাবে মানুষের মনকে বিভ্রান্ত করতে হয়। তাদের হাতের ছোঁয়ায় অসম্যা সম্ভব হয়ে ওঠে। তারা মানুষের ধৌততা ধরে তাদের চিন্তা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে। একজন ম্যাজিশিয়ান যদি বড় মঞ্চে এই কৌশল ব্যবহার করে, তবে জনগণের বিশ্বাস ও সমর্থন তার হাতে চলে আসবে। কারণ তারা মায়ার জালে পৃথিবীকে বন্দী করতে পারে।

৭/ মাল্টি-মিলিয়নায়ার সম্পদের স্রম্রাট।
মাল্টি-মিলিয়নিয়ার হলেন অর্থের খেলোয়াড়। তাদের সম্পদ, প্রভাব, এবং নেটওয়ার্ক তাদের অপরাজেয় করে। তারা মিডিয়া, প্রযুক্তি, এমনকি রা'জনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অর্থ দিয়ে মানুষের আকাঙ্ক্ষা, ভয়, এবং সিদ্ধান্ত কেনা যায়। একজন মাল্টি-মিলিয়নিয়ার যদি তার সম্পদকে অ-স্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে, তবে পৃথিবীর ক্ষমতা তার হাতের মুঠোয়। কারণ অর্থই তাদের সিংহাসন।

এই সাত ধরনের মানুষের ক্ষমতা আলাদা হলেও একটা উদ্দেশ্যে একত্রিত হলে তারা অপ্রতিরোধ্য। ডিটেকটিভ সত্য খুঁজে দেবে, এজেন্ট তা গোপনে ব্যবহার করবে, সাইকোলজিস্ট ও মেন্টালিস্ট মানুষের মন জয় করবে, সায়েন্টিস্ট প্রযুক্তি সরবরাহ করবে, ম্যাজিশিয়ান বিশ্বাস অর্জন করবে, আর মাল্টি-মিলিয়নিয়ার সবকিছু অর্থে নিয়ন্ত্রণ করবে। এমন একটা দল পৃথিবীর দিকপালদেরও হার মানাতে সক্ষম।

কারণ তারা শুধু সাধারণ মানুষ নয়, তারা পৃথিবীর ভাগ্য নির্ধারক। তাদের হাতে রয়েছে মন, জ্ঞান, আর ক্ষমতার অপূর্ব সমন্বয়। আপনি কোন শক্তির অংশ হতে চান?

25/10/2025

✨ এই ৫টি নিয়ম মেনে চলেন তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব আরও শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে👇🏻

1️⃣ নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নয়, ভেঙে এগিয়ে যান।
➡️ আপনি যতদূর ভাবেন, তার থেকেও অনেক বেশি আপনি পারেন।
Self-belief makes you magnetic.

2️⃣ স্মার্ট হন, কিন্তু সবসময় হৃদয়বান থাকবেন।
➡️ বুদ্ধিমত্তা মানুষকে শ্রদ্ধা এনে দেয়, আর হৃদয় মানুষকে ভালোবাসায় বাঁধে।
Balance makes you unforgettable.

3️⃣ চেহারার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আপনার এনার্জি।
➡️ আপনি ঘরে ঢুকলে মানুষ যেন আপনাকে দেখেই পজিটিভ এনার্জি অনুভব করে।
Positive energy is irresistibly attractive.

4️⃣ কাউকে ছোট না করে, নিজেকে বড় করার দিকে মনোনিবেশ করুন।
➡️ ভালো মানুষ হওয়া হলো নতুন "cool"।
Kindness is the new charisma.

5️⃣ নিজেকে প্রতিদিন একটু একটু করে গড়ুন, যেন একদিন সবাই বলে— "ওর মতো হতে চাই।"
➡️ নিজেই হন নিজের প্রেরণা।
Self-growth is very attractive.

🔥 নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলুন, যাতে উপস্থিতিতেই মানুষ সম্মান করতে শেখে 🫡

23/10/2025

যে ১০টি অ্যাসেট থেকে সারা জীবন টাকা আসতেই থাকবে কিন্তু কিভাবে?বিস্তারিত.....

রবার্ট টি. কিয়োসাকির বিখ্যাত বই “Rich Dad Poor Dad” এর ভাবনা অনুসারে “যে ১০টি অ্যাসেট থেকে সারা জীবন টাকা আসতেই থাকবে”।

সারা জীবন টাকা এনে দেবে এমন ১০টি অ্যাসেট

(“Rich Dad Poor Dad” বইয়ের মূল শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত)

১. রিয়েল এস্টেট (Real Estate)

বাড়ি, ফ্ল্যাট বা জমি যদি ভাড়া দেওয়া যায়, তাহলে এটি একটানা আয়ের উৎস হতে পারে।
কিয়োসাকি বলেন: “বাসস্থানের জন্য কেনা বাড়ি দায় (liability), কিন্তু ভাড়া দেওয়া বাড়ি অ্যাসেট।”

২. ডিভিডেন্ড প্রদানকারী শেয়ার (Dividend Stocks)

যেসব কোম্পানি নিয়মিত লভ্যাংশ দেয়, সেই শেয়ারে বিনিয়োগ করলে প্রতি বছর আয় আসে।
এটি “প্যাসিভ ইনকাম” বা ঘুমের মধ্যেও অর্থ আয়ের অন্যতম উৎস।

৩. ব্যবসা বা কোম্পানির মালিকানা (Business Ownership)

নিজস্ব ব্যবসা থাকলে তা থেকে লাভ ও বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টাকার প্রবাহ চলতে থাকে।
Rich Dad বলেন: “তুমি চাকরি করে ধনী হতে পারবে না, ব্যবসার মালিক হলে পারবে।”

৪. রয়্যালটি আয়ের উৎস (Royalties)

বই লেখা, গান, সফটওয়্যার, ডিজাইন বা পেটেন্ট তৈরি করে রয়্যালটি পাওয়া যায়।
একবার কাজ করলেই পরে বছরের পর বছর আয় হয়।

৫. ইনডেক্স ফান্ড বা মিউচুয়াল ফান্ড (Index/Mutual Funds)

বাজারের বড় কোম্পানিগুলোর শেয়ার মিশ্রিত ফান্ডে বিনিয়োগ করলে দীর্ঘমেয়াদে আয় হয়, ঝুঁকিও কম।

৬. ডিজিটাল অ্যাসেট (Digital Assets)

যেমন: ব্লগ, ইউটিউব চ্যানেল, ই-বুক, অনলাইন কোর্স।
একবার তৈরি করলে অনলাইনে বছরজুড়ে ইনকাম আসতে থাকে।

৭. ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (Intellectual Property)

নিজস্ব জ্ঞান বা আইডিয়া থেকে তৈরি পণ্য বা সেবা যা অন্যরা ব্যবহার করতে চায়, সেটিও অ্যাসেট।

৮. রেন্টাল ভেহিকল বা ইকুইপমেন্ট (Rental Assets)

যেমন গাড়ি, যন্ত্রপাতি, ইভেন্ট সামগ্রী ভাড়া দেওয়া এগুলোও নিয়মিত আয়ের উৎস হতে পারে।

৯. কমার্শিয়াল রিয়েল এস্টেট (Commercial Real Estate)

অফিস স্পেস, দোকান, গুদাম বা শপলট ভাড়া দিলে মাসিক নির্ভরযোগ্য ইনকাম আসে।

১০. বিনিয়োগযোগ্য ধাতু ও সম্পদ (Gold, Silver, Crypto ইত্যাদি)

মূল্যবান ধাতু বা সঠিকভাবে বাছাই করা ক্রিপ্টো সম্পদ দীর্ঘমেয়াদে সম্পদের নিরাপত্তা দেয়।

“Rich Dad Poor Dad”-এর মূল বার্তা

“ধনী লোকেরা অ্যাসেট কেনে, গরিব ও মধ্যবিত্ত লোকেরা দায় কেনে অথচ ভাবে সেটা অ্যাসেট।”

অর্থাৎযে জিনিস তোমাকে টাকা এনে দেয়, সেটাই অ্যাসেট।আর যে জিনিস তোমার টাকা খরচ করায়, সেটি দায় (liability)।

ধনী হতে হলে শুধু কাজ নয়, অ্যাসেট তৈরি ও বিনিয়োগ করতে হয়।
এই অ্যাসেটগুলো একবার গড়ে তুললে, তা সারাজীবন তোমার জন্য প্যাসিভ ইনকাম এনে দেবে
এটাই “Rich Dad”এর অর্থনৈতিক স্বাধীনতার দর্শন।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, ৮০%–৯০% নতুন ব্যবসা প্রথম ৩-৫ বছরের মধ্যে টিকে থাকতে পারে না।এর প্রধান কারন হচ্ছে উদ্যোক্তার A...
22/10/2025

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, ৮০%–৯০% নতুন ব্যবসা প্রথম ৩-৫ বছরের মধ্যে টিকে থাকতে পারে না।
এর প্রধান কারন হচ্ছে উদ্যোক্তার Attitude.
এখানে Attitude মানে মানসিকতা ও ব্যবসার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি।
যা উদ্যোক্তাকে টিকিয়ে রাখে বা ঝরে পড়তে বাধ্য করে। এর মধ্যে কয়েকটা বড় পয়েন্ট হলো:
✅ Positive / Success Attitude:
ধৈর্য ও Perseverance – শুরুতে ফল না পেলেও লেগে থাকার মানসিকতা।
Learning Attitude – ভুল থেকে শিখতে পারা, নতুন কিছু জানতে আগ্রহী থাকা।
Risk-taking mindset – হিসাব করে ঝুঁকি নিতে পারা।
Problem-solving approach – বাধা এলে ভয় না পেয়ে সমাধান খোঁজা।
Customer-first mindset – গ্রাহকের প্রয়োজন বোঝা ও মানিয়ে নেওয়া।
❌ Negative / Failure Attitude (যার কারণে ঝরে যায়):
Short-term thinking – তাড়াতাড়ি লাভ না হলে হাল ছেড়ে দেওয়া।
Blame-game mentality – ব্যর্থ হলে সবসময় পরিস্থিতি বা অন্যকে দোষ দেওয়া।
Lack of adaptability – বাজার পরিবর্তন হলেও একি জিনিসে আটকে থাকা।
Overconfidence বা Ego – ভাবা, “আমি সব জানি” → শিখতে না চাওয়া।
Fear of failure – ছোট ব্যর্থতায় ভেঙে পড়া।
Low commitment – ব্যবসাকে সিরিয়াস না নেওয়া, পার্টটাইম খেলার মতো দেখা।

21/10/2025

পারিবারিক বিবাদ সম্পর্কিত মামলায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এক বিচারকের ৯টি উপদেশ :

১) আপনাদের পুত্র ও পুত্রবধূকে আপনাদের সাথে একই ছাদের তলায় বাস করতে উৎসাহ দেবেন না। বরং অন্যত্র বাসস্থান খুঁজে তাদের আলাদা থাকতে পরামর্শ দিন। সন্তানের পরিবার থেকে যত দূরে থাকবেন, তাদের সাথে সম্পর্ক তত ভাল থাকবে।

২) পুত্রের স্ত্রীকে 'পুত্রবধূ' হিসাবেই ভাবুন, আপনাদের নিজের মেয়ে বলে ভাবতে যাবেন না। তাকে বন্ধু হিসাবে ভাবতে পারেন। আপনাদের পুত্র চিরকালই আপনাদের কাছে ছোট্ট থাকবে। কিন্ত তার স্ত্রীকে যদি সেই সমমর্যাদায় ফেলেন এবং কখনো তাকে বকাবকি করেন, সে কিন্তু চিরকাল তা মনে রাখবে। বাস্তবিক জীবনে জেনে রাখবেন, তার নিজের বাবা-মাকেই সে বকুনি দেবার অধিকার দেয়, আপনাদের নয়।

৩) পুত্রবধূর চরিত্র বা অভ্যাসগুলো যে ধরণেরই হোক না কেন, সেটা পুত্রের সমস্যা, আপনাদের নয়। কারণ সেও প্রাপ্তবয়স্ক, তার স্ত্রীও প্রাপ্তবয়স্ক।

৪) যদি একত্রে থাকাটা অনিবার্য হয়, নিজেদের কাজকর্ম নিজেদের মধ্যে পরিস্কার ভাগাভাগি করে নিন। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, তাদের হয়ে ধোপার কাজ, রাঁধুনীর কাজ, বাজার সরকারের কাজ, বাচ্চা রাখার কাজ করবেন না। অবশ্য বিশেষ ক্ষেত্রে পুত্রবধূ যদি বিশেষভাবে অনুরোধ করে বাচ্চার খেয়াল রাখার জন্য এবং শারীরিকভাবে আপনি তা করতে সমর্থ হন, তাহলে আলাদা কথা। তবে এই কাজের বিনিময়ে কোনকিছু আশা করবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল এই যে, পুত্রের পারিবারিক কোন সমস্যাকেই নিজের সমস্যা ভাববেন না। তাদের সমস্যা তাদেরই সমাধান করতে দিন।

৫) পুত্র ও পুত্রবধূর মধ্যে ঝগড়ার সময়ে অন্ধ ও কালা সেজে থাকুন। স্বামী-স্ত্রীর বিবাদে শ্বশুর-শাশুড়ির নাক গলানো কোন দম্পতিই পছন্দ করে না।

৬) নাতিনাতনীরা পুরোপুরি ছেলে ও বৌয়ের সম্পত্তি। তারা যদি নিজেদের সন্তানদের অনেক বড় করে গড়ে তুলতে চায়, সেটা তাদের ব্যাপার। এক্ষেত্রে কৃতিত্ত্ব বা অভিযোগ, কোনটাই আপনাদের আসার সম্ভাবনা নেই।

৭) আপনাদের শ্রদ্ধাভক্তি করা বা সেবা করার দায়িত্ত্ব পুত্রবধূর নয়, আপনাদের পুত্রের দায়িত্ত্ব। আপনারা যদি পুত্রকে সঠিক শিক্ষা দিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের মধ্যে সম্পর্ক অবশই ভাল হবে।

৮) নিজেদের অবসর জীবন ভালভাবে কাটানোর পরিকল্পনা বেশি করে করুন, আপনার সন্তানেরা সেই সময়ে আপনাদের দায়িত্ত্ব নেবে, ভুলেও সে কথা ভাববেন না। আপনারে জীবনে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন, আরো বহু বাকি। বহু কিছু দেখার ও শেখারও বাকি। অবসর জীবন সুখী করার দায়িত্ত্ব আপনাদেরই। নিজেদের কষ্টার্জিত সম্পত্তি মৃত্যুর আগেই ভোগ করে নিন।

৯) নাতিনাতনীরা আপনার পরিবারের কেউ নয়, মনে করুন তাদের পিতামাতা আপনাদের এই বহুমূল্য উপহার দিয়েছে।

পারিবারিক জীবন শান্তিতে কাটাতে সাহায্য করুন। #সংগৃহীত

Address

উৎসব প্লাজা, সাভার, Dhaka
Savar
1340

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SwapnoChaya properties posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category