NU Roshid

Call

NU Roshid قُلْ لَن يُصِيبَنَآ إِلَّا مَا كَتَبَ ٱللَّهُ لَنَا

রাশেদ খানকে নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। সে জামায়াতের ব্যাপারে অত্যন্ত উদ্ভট, অবাস্তব ও হাস্যরসাত্মক কথাবার্তা বলে...
07/10/2026

রাশেদ খানকে নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। সে জামায়াতের ব্যাপারে অত্যন্ত উদ্ভট, অবাস্তব ও হাস্যরসাত্মক কথাবার্তা বলে শুধুমাত্র মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এবং তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দকে খুশি করার জন্য। তাকে নিয়ে জামায়াত মনেও করে না যে তার কথাগুলোর কাউন্টার দেওয়ার কোনো প্রয়োজন আছে। এমনকি আমার মনে হয় জামায়াতের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তার বক্তব্য দেখেও স্কিপ করে যান। আর কারও যদি মন খারাপ থাকে বা মুড অফ থাকে, তবে তারা রাশেদ খানের বক্তব্য শুনে একটু হাসার চেষ্টা করেন।

​সাধারণত রাশেদ খান জামায়াত সম্পর্কে যে উদ্ভট কথাবার্তা বলে, জামায়াত তার জবাব দেয় না। হুদাই টাইম নষ্ট করে লাভ কী! জামায়াতের সেন্ট্রাল নেতারা তো ওকে গোণাতেই ধরেন না, যা একটি গুড সাইন!

​তবে গতকাল নাগরিক টেলিভিশনের একটি টকশোতে যেহেতু ঢাকা-২ আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) এম এ হক এবং রাশেদ মুখোমুখি হন, তখন তো কথা বলতেই হয়! কর্নেল এম এ হক অত্যন্ত চমৎকার ও কড়া বডি ল্যাঙ্গুয়েজে রাশেদকে বিদ্ধ করে দিয়েছেন। এম এ হক রাশেদকে যে ল্যাঙ্গুয়েজে বলা দরকার, সেভাবেই বলেছেন। তিনি রাশেদকে বলেন, 'তুমি যে আমীরে জামায়াতকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলো, তুমি কি তার পায়ের পদধূলির সমান যোগ্যতা রাখো? তার সমান তো দূরীকস্ত!

​আমার মনে হয় এই চাটুকার রাশেদকে উনি চমৎকার কাউন্টার দিয়েছেন! কর্নেল সাহেবরা এমনিতেই কড়া মেজাজের হন, তার ওপর যদি এমন চাটুকার সামনে থাকে, তবে তাকে ধুয়ে দেওয়া আরও সহজ হয়ে যায়।

​আসলে এর প্রয়োজন ছিল, তবে এটা খুব বেশি করার দরকার নেই। কারণ রাশেদ খানের কথার যদি বারবার কাউন্টার দেওয়া হয়, তবে তার কথাগুলোকে অহেতুক মূল্য দেওয়া হয়।

সুতরাং এমন একজন মূল্যহীন ও গার্বেজ ব্যক্তির কথার কাউন্টার দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। নিজ মঞ্জিল ও কর্মপদ্ধতিতে এগিয়ে যাওয়াই হবে জামায়াতের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। জামায়াতের কর্মী বাহিনীকে বলব, আপনারা শুধু তার কথা শুনুন আর মুড ভালো করুন, তার কথা সিরিয়াসলি নেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ মানুষ রাশেদ খানের চেয়ে খাইরুল দেওয়ানের কথাকে বেশি যুক্তিসঙ্গত মনে করে এবং 'ভাইরাল সিদ্দিকী'কেও তার চেয়ে বেশি পছন্দ করে। ওকে।

মেজর আখতারকে গ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাদের গ্রেফতার করা শুরু হলো। শক্ত প্রতিবাদ না করলে একদিন ডা. শফিক, মিয়া গোল...
02/10/2026

মেজর আখতারকে গ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাদের গ্রেফতার করা শুরু হলো। শক্ত প্রতিবাদ না করলে একদিন ডা. শফিক, মিয়া গোলাম পরওয়ার, ডা. তাহের, নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, নাহিদ, সাদিক কায়েম, ফরহাদ ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ সবাইকে একে একে জেলে দেবে বিএনপি।

মেজর আখতারুজ্জামানের পাশে দাঁড়াতে হবে বিরোধী দল তথা জামায়াত জোটকে। ​বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও শিবির যদি আখতারুজ্জামানকে মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশ ফ্যাসিবাদী শাসনে চলে যাবে।

বিরোধী দল জামায়াতকে সংসদে হার্ডলাইনে অবস্থান নিতে হবে এবং রাজপথেও কঠোর কর্মসূচির এজেন্ডা গ্রহণ করতে হবে। দেশকে আর হাসিনার মতো ফ্যাসিবাদী জামানায় নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। জামায়াতকে হালকা বা কুসুম কুসুম আন্দোলন করলে হবে না শক্ত অবস্থান নিয়ে মেজর আখতারুজ্জামানকে মুক্ত করতে হবে।

বিএনপির লোকজন সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চেয়েছে, সে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তাই বিএনপির লোকেরা ভাঙচুর করেছে। এটা সালম...
27/09/2026

বিএনপির লোকজন সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা চেয়েছে, সে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তাই বিএনপির লোকেরা ভাঙচুর করেছে। এটা সালমানের পাওনা, কারণ সে যদি বিএনপির চাঁদাবাজদের চাঁদা দিয়ে দিত, তাহলে তো আর এটা হতো না। আসলে দিস ইজ বিএনপি গভর্নমেন্ট, বিএনপি শাসন! তুমি স্টুডিও করবা, টাকা কামাবা আর বিএনপিকে চাঁদা দিবা না এটা হয়?!

​এখন অনারেবল পিএম তারেক রহমানের উচিত, তিনি যে জাতিসংঘের ভাষণে বলেছেন 'ইউনিভার্সাল কার্ড' আসবে, এখন উনার এর সাথে একটি 'স্টুডিও কার্ড' ও আনা উচিত যাতে বিএনপির লোকেরা চাঁদা নিতে আসলে এই কার্ড দেখিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিয়ে বেঁচে যাওয়া যায়।

​আর সম্মান সালাহউদ্দিন আহমেদসহ সকলের প্রতি। জাস্ট বিএনপির লোকেরা চাঁদার জন্য স্টুডিওতে হামলা করেছে, সালমানকে তো আর মারে নাই! দিস ক্রেডিট গোজ টু আওয়ার অনারেবল সালাহউদ্দিন আহমেদ...

সরকার যদি এখন জামায়াতের লংমার্চগুলো আমলে না নেয়, তাহলে সরকার ভয়ঙ্কর রকম বিপদে পড়বে এবং তা সামলাতে পারবে না। কেননা যত সময়...
19/09/2026

সরকার যদি এখন জামায়াতের লংমার্চগুলো আমলে না নেয়, তাহলে সরকার ভয়ঙ্কর রকম বিপদে পড়বে এবং তা সামলাতে পারবে না। কেননা যত সময় যাচ্ছে, জামায়াতের লংমার্চগুলোতে মানুষ আরও বেশি করে এঙ্গেজ হচ্ছে। চট্টগ্রামের লংমার্চে যতটা না মানুষ যুক্ত হয়েছিল, আজকের লংমার্চে তার চেয়ে তিন গুণ বেশি মানুষ এঙ্গেজ হয়েছে। অতএব জামায়াত যদি তাদের সকল লংমার্চ কমপ্লিট করে ঢাকা মহাসমাবেশ করে এবং তারপর যদি তারা এক দফা ঘোষণা দেয়, তাহলে পরিস্থিতি সামলানোর ক্যাপাবিলিটি তারেক রহমানের হাত থেকে সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে তারেক রহমান বা তাঁর সরকারের সেই ক্যাপাবিলিটি নেই।

​আরেকটি বিষয়, জামায়াত যে বলছে, তাদের দাবি তারা আদায় করেই ছাড়বে এখানে সরকার পিছপা হতে পারবে না। যত সময় যাবে এবং কলকাঠি নাড়বে, ততই সরকারের জন্য কাল হবে। জামায়াতের চট্টগ্রামে আরও বেশি মানুষ এঙ্গেজ হতো, কিন্তু জামায়াত তাদের তরুণ নেতৃত্ব তথা শিবিরের কেন্দ্রীয় লিডারদের সেখানে এঙ্গেজ করে নাই বিধায় সেখানে তরুণদের খুব বেশি দেখা যায়নি অথবা হতাশাজনক উপস্থিতি ছিল। তবে আজকের সমাবেশের জন্য জামায়াত সবচেয়ে মাস্টারপ্ল্যান অ্যাপ্লাই করেছে তারা শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদ, নূরুল ইসলাম সাদ্দাম ও সিবগাতুল্লাহসহ শিবিরের কেন্দ্রীয় পরিচিত মুখগুলো এবং সকলকে এঙ্গেজ করতে পেরেছে। তাছাড়া জামায়াত যে হাইপ তুলতে পেরেছে, জামায়াতের এই তরুণ নেতারা যে সাড়া ফেলেছেন এবং জামায়াত যেভাবে গণমানুষের জন্য কাজ করছে ও মানুষকে এঙ্গেজ করছে তা সত্যিই অতুলনীয়।

​সরকারেরসুবুদ্ধির উদয় হোক, নিজেদের ক্ষতি থেকে যদি বাঁচতে চান, তাহলে জামায়াতের দাবিগুলো মেনে নিন। অন্যথায়, আমীরে জামায়াত আজকে যেভাবে বলেছেন যে, জনগণের প্রয়োজনে আট দফা, নয় দফা বা ১০ দফা দাবি থেকে জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে এই দাবি এক দফায় পরিণত হবে।

সুতরাং তারেক রহমান, এখনো সময় আছে, আপনি মেনে নিন। ​আরেকটি কথা, জামায়াতকে আজকে ধন্যবাদ না দিলেই নয়। যদিও জামায়াতের প্রথমে সমালোচনা করতে হয়, তবে পরবর্তীতে জামায়াত নিজেদের সেই ঘাটতিগুলো ফিলাপ করে নেয়। জামায়াত আজকে যে তাদের তরুণ নেতৃত্বকে এঙ্গেজ করতে পেরেছে, সেখানে যে ক্রাউড সৃষ্টি করতে পেরেছে এবং মানুষকে যেভাবে উৎসাহিত করতে পেরেছে তা নিঃসন্দেহে এই সফলতার দাবি রাখে। তরুণদের প্রত্যাশা পূরণে এই তরুণ নেতাই জামায়াতের মূল চালিকাশক্তি অতএব তাদেরকে যথাযথভাবে প্রপারলি ইউটিলাইজ করুন এবং সমাবেশে তাদের আরও বেশি সুযোগ দিন।

​হ্যাঁ, জামায়াতের প্রচার বিভাগ অর্থাৎ পিআর (PR) টিম ভালো কাজ করছে, তবে তা আশানুরূপ বা মাস্টারক্লাস নয়। জামায়াতের পিআর টিমকে অবশ্যই আরও মাস্টারক্লাস কাজ করতে হবে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের বুলবুল থেকে শুরু করে মাসুদসহ যারাই আছেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল, আমীরে জামায়াত, সেক্রেটারি জেনারেল ও নায়েবে আমীরদের ক্রাউড ভিজ্যুয়াল তো আপলোড করতেই হবে তার সাথে শিবিরের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দের প্রত্যেকের ইন্ডিভিজুয়াল ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। সবাইকে প্রপারলি ফোকাস করতে হবে এবং সবকিছুকে সঠিকভাবে ইউটিলাইজ করতে হবে যেন শুধুমাত্র আমীরে জামায়াত, সাদিক কায়েম বা কতিপয় পরিচিত নেতৃবৃন্দই ফোকাসে না থাকেন, বরং সকলেই পরিচিতি পান।

এমনকি জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ ও উপজেলা আমীর সকলেই যেন প্রপার ফেস ভ্যালু পান, সে ব্যাপারে জামায়াতের পিআর টিমকে কাজ করতে হবে। জামায়াতের পিআর টিম কাজ করছে ভালো, মন্দ নয় তবে তাদেরকে অবশ্যই মাস্টারক্লাস পারফরম্যান্স দিতে হবে। কারণ যদি মূলধারার মিডিয়ার সাথে পাল্লা দিতে হয় কেননা মিডিয়াগুলোকে বিএনপি প্রভাবিত করে ফেলেছে এবং তারা জামায়াতের ফুটেজগুলো সেভাবে দেখাবে না, তবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পিআর টিমকে এই মাস্টারক্লাস ভূমিকা রাখতেই হবে।

​পরিশেষে তারেক রহমান, মেনে নিন,
না হলে ওরে নেতারে...., তারেক রহমান...

জামায়াত তাদের চট্টগ্রামের লংমার্চে শিবিরের সাবেক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতাদের ইনক্লুড করে নাই, কিন্তু আজকে করেছে। সাদিক...
19/09/2026

জামায়াত তাদের চট্টগ্রামের লংমার্চে শিবিরের সাবেক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতাদের ইনক্লুড করে নাই, কিন্তু আজকে করেছে। সাদিক কায়েম, নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, সিবগাতুল্লাহ, এস এম ফরহাদ ও জাহিদুল ইসলামদের দেখে মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে।

জামায়াত নেতাদের দেখেও মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে ও স্লোগান দিচ্ছে। আর আমীরে জামায়াত তো সকল ভিন্ন মাত্রা ওভারকাম করে ফেলেছেন।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ সফল হচ্ছে এবং হবেও। চট্টগ্রামের লংমার্চ থেকে আজকের লংমার্চে মানুষ বেশি এঙ্গেজ হবে।

তারেক রহমান ওরে নেতারে... দাবি মানিয়া নেন, নাহলে সামলাতে পারবেন না। আজকে অলরেডি আমীরে জামায়াত বলে ফেলেছেন, জনগণের দাবি না মানলে জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে ৮ দফা ১ দফায় আসবে।

​সো ওরে নেতারে...

শিবিরের ডাকসু, অর্থাৎ সাদিক কায়েম ও ফরহাদের নেতৃত্বাধীন ডাকসু সবচেয়ে সফল। ছাত্রদলের অছাত্ররা যতই চেষ্টা করুক এটাকে মিথ্য...
16/09/2026

শিবিরের ডাকসু, অর্থাৎ সাদিক কায়েম ও ফরহাদের নেতৃত্বাধীন ডাকসু সবচেয়ে সফল। ছাত্রদলের অছাত্ররা যতই চেষ্টা করুক এটাকে মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারবে না।

কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে ডাকসু শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এত কাজ করে নাই, যা শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসু করেছে। এর জন্য অবশ্যই শিবির বেনিফিশিয়ারি হবে।

তবে ডাকসুকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য অছাত্রের দল, ছাত্রদল এবং বামদের সংগঠনসমূহ যারা গণবিচ্ছিন্ন সংগঠন, তারা উঠেপড়ে লেগেছে ডাকসুকে এবং সাদিক কায়েম-ফরহাদকে ব্যর্থ দেখাতে। কিন্তু আসলে শিবিরের নেতৃত্বাধীন ডাকসু সফল হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। শিক্ষার্থীরাই সাক্ষ্য দিচ্ছে যে ডাকসুতে শিবির যে পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আউটস্ট্যান্ডিং কাজ করে দিচ্ছে, তা পূর্বেও কোনো ছাত্রসংগঠন করে নাই এবং পরবর্তীতেও কোনো ছাত্রসংগঠন করতে পারবে বলে মনে হয় না উইদাউট শিবির। কারণ শিবির সবসময়ই ব্যতিক্রম।

​যেভাবে সাদিক কায়েম ডাকসুর ভিপি হয়ে একজন সফল ভিপি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন, তাতে নগরবাসী তথা ঢাকা দক্ষিণবাসীর প্রত্যাশা ভবিষ্যতে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হবেন সাদিক কায়েম এবং তিনি একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপত্তাময় ঢাকা দক্ষিণ গড়ে তুলবেন। সেই প্রত্যাশাতেই নগরবাসী বুক বেঁধে রয়েছে।

আশা এটুকুুই যে, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় এবং যদি বিএনপি তাদের হরিলুট না করে, তবে অবশ্যই একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সফল ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমই নগরের অভিভাবক ও মেয়র হবেন ইনশাআল্লাহ।

বিরোধী দলীয় জোট তথা জামায়াতে ইসলামীর এখন পর্যন্ত পার্লামেন্টে বেস্ট পারফর্মার হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস...
07/09/2026

বিরোধী দলীয় জোট তথা জামায়াতে ইসলামীর এখন পর্যন্ত পার্লামেন্টে বেস্ট পারফর্মার হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর (রহ.) সুযোগ্য সন্তান।

​তিনি একাধারে একজন ইসলামিক স্কলার, ব্যারিস্টার এবং ফক্বীহ। অর্থাৎ, তাঁর মধ্যে ইহলৌকিক বা দ্বীনী জ্ঞান এবং জাগতিক আইন উভয়টিরই চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। তিনি অত্যন্ত চমৎকার ভাষায় কথা বলেন। যেভাবে তিনি পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে আইনের নিখুঁত ব্যাখ্যা দেন, ঠিক সেভাবেই গভীর ইসলামিক জ্ঞান থাকার কারণে কুরআন সুন্নাহ ও ফিকহী মাসআলার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। যেমন গতকাল আইনমন্ত্রী যেভাবে ইসলামের এবং হাদিস-কুরআনের আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন, সেগুলো সংশোধন করে ইসলামী শরীয়াহর মূল ব্যাখ্যাগুলো একদম প্রমাণসহ উপস্থাপন করেছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।

​পার্লামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি দলের হয়ে আইনি লড়াই ও ইসলামিক জ্ঞান উভয়টিই চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে আসছেন, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

পাশাপাশি প্রত্যাশা হলো, মুফতি আমীর হামজা সাহেব যেহেতু একজন আলেম ও মুফতি এবং তিনিও জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য, তাই ইসলামের বিষয়গুলোতে উনাকে সুযোগ দিলে তিনি হয়তো আরও ইমপ্যাক্টফুল, সুন্দর ও ফ্লুয়েন্টলি কথা বলতে পারবেন।

​দিনশেষে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের পারফরম্যান্স অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি যেভাবে সাবলীলভাবে কুরআন সুন্নাহ ও আইনের ভুল ব্যাখ্যাগুলোর যথাযথ কাউন্টার করছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জামায়াতে ইসলামীর বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলা যুব ব...
30/08/2026

শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জামায়াতে ইসলামীর বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলা যুব বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর জীবনটা আসলে সরলরেখার মতো সুন্দর ও প্রফুল্ল ছিল না। শেখ হাসিনার দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট জুলুমের আমলে তিনি দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন। তাঁর এই কঠিন সময় এবং মিথ্যা হামলা মামলার শিকার হওয়ার কারণে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যান।

কান্না আর দুঃখে ভেঙে পড়া হামলার শিকার ব্যক্তিটির সবচেয়ে কাছের মানুষ, যিনি সুখ দুঃখের সঙ্গী হওয়ার পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সেই মানুষটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডির দিনে, যখন তিনি কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি, তখন তাঁকে ছেড়ে চলে যান। এভাবে যখন শেখ মন্জুরুল হক রাহাদ কারাগারে দিন কাটাচ্ছিলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে ছাত্র জনতার গণবিপ্লবের মুখে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যায়। তাঁর দীর্ঘ জুলুম নির্যাতনের অবসান ঘটে, শেষ হয় কারাগারের বিধ্বস্ত দিনগুলো।

কিন্তু তাঁর অনুভূতিগুলো কি শেষ হয়েছে? তাঁর সবচেয়ে প্রিয় আপন সহধর্মিণী তাঁকে কঠিন সময়ে ফেলে রেখে চলে গেছেন। সেই মঞ্জুরুল হক রাহাত আজ বাগেরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনপ্রণেতা। আজ তিনি সুদর্শন ও সুঠাম দেহের অধিকারী। কিন্তু এই কঠিন সময়ে যখন পুরো পৃথিবী তাঁর বিরুদ্ধে ছিল, তখন পরিবারের আপনজনদের পাশে থাকার কথা থাকলেও শেখ রাহাদের বেলায় তা হয়নি।

তিনি যখন কারাগারে কষ্টের দিন পার করছিলেন, তখন তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার মানুষটি তাঁর হাত ছেড়ে প্রবাসের উচ্চবিলাসী জীবনের দিকে পা বাড়ান। আর শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ সেই কারাগারের প্রকোষ্ঠে বন্দি থেকে জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি পার করেছেন। কতটুকু কষ্ট ও দুঃখ হলে মানুষ এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে পারে! ইসলামী আন্দোলন করার ফলে, দ্বীন বিজয়ের স্বপ্ন দেখার ফলে এবং জামায়াতে ইসলামী করার কারণে শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাতকে এই কঠিন বিচ্ছেদের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আবার যদি আপনি অন্য পাশটা দেখেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমান, যিনি শহীদ মীর কাসেম আলীর সুযোগ্য সন্তান। তাঁকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা আয়নাঘরে বন্দি করে রেখেছিল দীর্ঘ আট বছর। তাঁর পরিবার জানতো না তিনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন। তাঁর স্ত্রী, মা কিংবা সন্তানরা জানতো না তাঁরা আর কখনো তাঁকে দেখতে পাবেন কিনা। তবুও ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমানের স্ত্রী দীর্ঘ আটটি বছর স্বামীর জন্য অপেক্ষা করেছেন অন্য কাউকে নিজের করে নেননি। এটি কোনো তামিল, বলিউড বা হলিউডের কাল্পনিক সিনেমা নয় এক বাস্তব সত্য। ব্যারিস্টার আরমানের স্ত্রী পরকালের অসীম প্রাপ্তির আশায় স্বামীর জন্য অপেক্ষা করে গেছেন।

অন্যদিকে শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ একজন সুদর্শন পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর স্ত্রী তাঁর জন্য অপেক্ষা করেননি। হয়তো তাঁর স্ত্রীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের সেই তৃপ্তি ও অনুভূতির অভাব ছিল। অন্য কোনো দ্বীনবোঝা নারী হলে হয়তো যুগ যুগ ধরে অপেক্ষা করতো শুধু এইটুকু পরিচয়ের জন্য যে 'আমি শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের স্ত্রী'।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির এমন অনেক রোমাঞ্চকর গল্পের জন্ম দিয়েছে, যা থেকে শিক্ষা নেওয়া যায় এবং জীবনের পথচলার ঈমানী খোরাক পাওয়া যায়। মঞ্জুরুল হক রাহাত সেই ট্র্যাজেডিতে এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে, পুনর্বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা তিনি এখনো কল্পনাও করতে পারছেন না। এখন তিনি বাগেরহাট ২ জনপদের মানুষের কথা ভাবছেন।

ব্যারিস্টার আরমানের স্ত্রী যেমন শিক্ষা দিয়েছেন একজন গুণবতী নারী কতটা ভালোবাসতে পারে, ঠিক তেমনি শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের জীবন থেকে শিক্ষা পাওয়া যায় যে, কঠিন সময়ে প্রিয়জন চলে গেলেও ভেঙে পড়তে নেই বরং ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে এগিয়ে যেতে হয়। আর এভাবেই মানুষ দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে যায়।

সেকুলাররা বা বামপন্থী, হিন্দুত্ববাদী অথবা পশ্চিমারা সবসময় বলতো, এই জনপদে ইসলামপন্থীরা কখনো রাজনীতি করতে পারবে না। তারা ক...
26/08/2026

সেকুলাররা বা বামপন্থী, হিন্দুত্ববাদী অথবা পশ্চিমারা সবসময় বলতো, এই জনপদে ইসলামপন্থীরা কখনো রাজনীতি করতে পারবে না। তারা কখনো বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেইনস্ট্রিম হতে পারবে না। তারা কখনো বাংলাদেশের মানুষের দল হয়ে উঠতে পারবে না। ইসলামপন্থীরা কখনো গণমানুষের দল হবে না। জামায়াতে ইসলামীকে নানা ট্যাগিং, ফ্রামিং, দমন, জুলুম, নির্যাতন, নিষেধাজ্ঞা, খুন, গুম ও শহীদ করে তারা ভেবেছিল যে ইসলামপন্থীদের অগ্রযাত্রা, হুজুরদের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু আসলে যুগ যুগ ধরে এটা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

​যেভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালামকে নমরুদ মনে করেছিল তাকে অগ্নিকুণ্ডে ফেলে দিলে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম শেষ হয়ে যাবেন। যেভাবে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম শেষ হননি, নমরুদের যে চিন্তা ছিল সেটা ঘটে নাই। বরঞ্চ আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমতের মাধ্যমে বরকতময় করে দিয়েছিলেন সেই অগ্নিকুণ্ডকে। ঠিক এইভাবে যুগ যুগ ধরে হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে নবী-রাসূলগণ, সর্বশেষ মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবায়ে কেরাম, আইম্মায়ে মুজতাহিদীন, সালাফে সালেহীন সকলেই ছিলেন বাতিলের চক্ষুশূল। সকলকেই বাতিলরা মনে করতো যে তাদেরকে ধ্বংস করে দিতে পারবে। তাদেরকে মানবতার মুক্তির এই আন্দোলন করতে দেবে না। মানুষজনকে এই ইসলামী আন্দোলন থেকে বিমুখ রাখবে। নেতৃবৃন্দ ও দায়িত্বশীলদের শেষ করে দিয়ে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করে দেবে। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে।

​ঠিক এর ব্যত্যয় ঘটেনি জামায়াতে ইসলামীর ব্যাপারে। মাওলানা মওদূদী থেকে অধ্যাপক গোলাম আযম, শহীদ মতিউর রহমান নিজামী থেকে আজকের ডা শফিকুর রহমান। আজ জামায়াতে ইসলামীর ৮৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ৮৫ বছর পূর্বে আজকের এই দিনে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত হয়। আর সেই সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে দ্বীন বিজয়ের লক্ষ্যে, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে, ইনসাফ, ইনকিলাব ও মুক্তি কায়েমের লক্ষ্যে, সর্বোপরি খেলাফতে আলা মিনহাজিন নবুওয়াত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

​এই পথে চলতে গিয়ে বাংলাদেশ হওয়ার পর ও পূর্ব থেকে জামায়াতের ওপর নানা নির্যাতন, জুলুম ও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে শহীদ করা হয়েছে। অসংখ্য গুম ও খুন করা হয়েছে। জুলুমের খড়গ নেমে এসেছিল। কিন্তু আল্লাহর ওপর অবিচল থেকে, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দ্বীন কায়েমের কাজ করে যাচ্ছে দীপ্ত মনে এই কাফেলা।

​জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে মনে করা হতো তারা কখনো রাজনীতি করতে পারবে না, এমপি হতে পারবে না। যখন তারা এমপি হলো, তখন বলা হলো তারা কখনো বড় দল হয়ে উঠতে পারবে না। যখন জামায়াতে ইসলামী বড় দল হয়ে উঠলো, তখন বলা হলো জামায়াতে ইসলামী কখনো মেইনস্ট্রিম হতে পারবে না। আলহামদুলিল্লাহ, আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে রয়েছে।

​ইনশাআল্লাহ, অতি শীঘ্রই এদেশের মানুষকে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ দেওয়ার জন্য এদেশের দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামীর হাতে উঠবে। তারা এদেশের মানুষের শাসনভার গ্রহণ করবে। এদেশের মানুষ তাদের মুক্তির জন্য, আজাদির জন্য, ইনসাফের জন্য, ন্যায়বিচারের জন্য, সর্বোপরি শান্তির জন্য জামায়াতে ইসলামীকে নিজেদের নেতৃত্ব হিসেবে গ্রহণ করবে। আর সেদিন বাতিলদের সকল ষড়যন্ত নস্যাৎ হয়ে যাবে। এভাবেই ধীরে ধীরে মঞ্জিলে মাকসুদে প্রিয় সংগঠনটি পৌঁছে যাবে।

​আল্লাহ এই দিনে, এই দীর্ঘ যাত্রায় যেসকল মুজাহিদ, সঙ্গী-সাথী, নেতৃবৃন্দ ও দায়িত্বশীলরা কষ্ট করেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, শহীদ হয়েছেন, জুলুমের শিকার হয়েছেন সকলের সব আমলগুলোকে কবুল করুন, ভুলত্রুটিগুলোকে মাফ করুন এবং এই প্রিয় কাফেলাকে তার আদর্শের প্রতি, দ্বীন ইসলামের প্রতি অবিচল রেখে তার মঞ্জিলে মাকসুদে পৌঁছে যাওয়ার জন্য তুমি নিজেই পথ তৈরি করে দাও। আমীন।

​নাসরুম মিনাল্লাহি ওয়া ফাতহুন ক্বারী্ব, ওয়া বাশশিরিল মু'মিনীন।

জামায়াতে ইসলামী একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। এটি একটি চমৎকার এবং তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ছায়া ...
25/08/2026

জামায়াতে ইসলামী একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। এটি একটি চমৎকার এবং তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। জামায়াতে ইসলামী তাদের ছায়া মন্ত্রিসভার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেখেছে আমীরে জামায়াত ও বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম রাহবার ডা. শফিকুর রহমানকে। এটি ভালো পছন্দ এবং অনুমেয় ছিল।

​জামায়াতে ইসলামী তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে ছায়া মন্ত্রিসভায় দলটির সম্মানিত নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে। এটিও ভালো পছন্দ, যা হওয়া উচিত এবং অনুমেয় ছিল। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডক্টর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। এটি খুব ভালো না হলেও খুব খারাপও বলা যাবে না, অর্থাৎ এভারেজ।

​অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী সাইফুল আলম খান মিলনকে। এটি একটি ভালো পছন্দ, তবে সময় বলে দেবে। জামায়াত তাদের ছায়া মন্ত্রিসভার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে সম্মানিত নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে।

​তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, প্রচার বিভাগের প্রধান এবং শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরকে। এটি খুব ভালো বলা যাবে না, আবার খুব খারাপও বলা যাবে না মোটামুটি এভারেজ বা তার চেয়ে কিছুটা নিচের সারির।

​বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জামায়াতের সাবেক আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সন্তান ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি কে। এটি ভালো সিদ্ধান্ত। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনিরকে। এটি অত্যন্ত চমৎকার ও অনুমেয় ছিল।

​শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমপি ইলিয়াস মোল্লাকে, ভালো পছন্দ। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামকে, মোটামুটি ভালো সিদ্ধান্ত।

আর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সালাহউদ্দিন আইয়ুবীকে তবে এটি তুলনামূলক লো এভারেজ পছন্দ বলেই মনে হয়।

​বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, দুর্বলতা চিহ্নিত করা, বিকল্প নীতি প্রস্তাব করা এবং ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করাই এই ছায়া মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা টিম কাজ করবে, যেখানে দলীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করবেন। আগামীতে ক্ষমতায় এলে দেশ পরিচালনায় একটি দক্ষ ও প্রস্তুত দল তাদের রয়েছে জাতিকে সেই বার্তা দেওয়াই এর উদ্দেশ্যে।

আশা করা যায়, উন্নত দেশগুলোর মতোই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে গঠিত এই ছায়া মন্ত্রিসভা সফলভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

Address

Sylhet

Telephone

+8801726240090

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NU Roshid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share