07/10/2026
রাশেদ খানকে নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। সে জামায়াতের ব্যাপারে অত্যন্ত উদ্ভট, অবাস্তব ও হাস্যরসাত্মক কথাবার্তা বলে শুধুমাত্র মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এবং তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দকে খুশি করার জন্য। তাকে নিয়ে জামায়াত মনেও করে না যে তার কথাগুলোর কাউন্টার দেওয়ার কোনো প্রয়োজন আছে। এমনকি আমার মনে হয় জামায়াতের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তার বক্তব্য দেখেও স্কিপ করে যান। আর কারও যদি মন খারাপ থাকে বা মুড অফ থাকে, তবে তারা রাশেদ খানের বক্তব্য শুনে একটু হাসার চেষ্টা করেন।
সাধারণত রাশেদ খান জামায়াত সম্পর্কে যে উদ্ভট কথাবার্তা বলে, জামায়াত তার জবাব দেয় না। হুদাই টাইম নষ্ট করে লাভ কী! জামায়াতের সেন্ট্রাল নেতারা তো ওকে গোণাতেই ধরেন না, যা একটি গুড সাইন!
তবে গতকাল নাগরিক টেলিভিশনের একটি টকশোতে যেহেতু ঢাকা-২ আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) এম এ হক এবং রাশেদ মুখোমুখি হন, তখন তো কথা বলতেই হয়! কর্নেল এম এ হক অত্যন্ত চমৎকার ও কড়া বডি ল্যাঙ্গুয়েজে রাশেদকে বিদ্ধ করে দিয়েছেন। এম এ হক রাশেদকে যে ল্যাঙ্গুয়েজে বলা দরকার, সেভাবেই বলেছেন। তিনি রাশেদকে বলেন, 'তুমি যে আমীরে জামায়াতকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলো, তুমি কি তার পায়ের পদধূলির সমান যোগ্যতা রাখো? তার সমান তো দূরীকস্ত!
আমার মনে হয় এই চাটুকার রাশেদকে উনি চমৎকার কাউন্টার দিয়েছেন! কর্নেল সাহেবরা এমনিতেই কড়া মেজাজের হন, তার ওপর যদি এমন চাটুকার সামনে থাকে, তবে তাকে ধুয়ে দেওয়া আরও সহজ হয়ে যায়।
আসলে এর প্রয়োজন ছিল, তবে এটা খুব বেশি করার দরকার নেই। কারণ রাশেদ খানের কথার যদি বারবার কাউন্টার দেওয়া হয়, তবে তার কথাগুলোকে অহেতুক মূল্য দেওয়া হয়।
সুতরাং এমন একজন মূল্যহীন ও গার্বেজ ব্যক্তির কথার কাউন্টার দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। নিজ মঞ্জিল ও কর্মপদ্ধতিতে এগিয়ে যাওয়াই হবে জামায়াতের জন্য বুদ্ধিমানের কাজ। জামায়াতের কর্মী বাহিনীকে বলব, আপনারা শুধু তার কথা শুনুন আর মুড ভালো করুন, তার কথা সিরিয়াসলি নেওয়ার কোনো দরকার নেই। কারণ মানুষ রাশেদ খানের চেয়ে খাইরুল দেওয়ানের কথাকে বেশি যুক্তিসঙ্গত মনে করে এবং 'ভাইরাল সিদ্দিকী'কেও তার চেয়ে বেশি পছন্দ করে। ওকে।