SHAHI Builders and Architects

  • Home
  • SHAHI Builders and Architects

SHAHI Builders and Architects Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SHAHI Builders and Architects, Property developer, rajshahi university, .

আমরা অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট দ্বারা আপনার বাড়ির নিখুঁত নকশা এবং দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা টেকসই নির্মাণ কাজ নিশ্চিত করি।

✅ আধুনিক স্থাপত্য নকশা
✅ ডিজিটাল সয়েল টেস্ট ও স্ট্রাকচারাল ডিজাইন
✅ গুণগত মানসম্পন্ন নির্মাণ উপকরণ
✅ সঠিক সময়ে প্রজেক্ট হস্তান্তর

আমাদের কাছে আপনি যে সেবা গুলো পাবেনStructural Design & ArchitectureBuilding Planing & DesignCity Drawing/Auto CAD, 2D & ...
26/02/2026

আমাদের কাছে আপনি যে সেবা গুলো পাবেন

Structural Design & Architecture
Building Planing & Design
City Drawing/Auto CAD, 2D & 3D Max
Building Construction
Electrical & Sanitary Design
Interior & Exterior Design

 খোয়ার হিসাব* ১ টি ইটে = ০.০৯ cft খোয়া হয়।* ১০০ টি ইটে = ০৯ cft খোয়া হয়।* ১০০০ টি ইটে = ৯০ cft খোয়া হয়।বালির হিসাব* ১০০ ...
21/02/2026



খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.০৯ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ০৯ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ৯০ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
১:২:৪ অনুপাতে ১ ব্যাগ সিমেন্ট থেকে আপনি আনুমানিক ৫.৮৬ cft (বা প্রায় ৬ cft) তৈরি মাল পাবেন।

🔷 খরচ কমিয়ে বাড়ি করার কিছু পরামর্শ**************************************✔ বাড়ির সীমানা নিয়ে জটিলতা থাকলে সবার আগে তা মিট...
19/02/2026

🔷 খরচ কমিয়ে বাড়ি করার কিছু পরামর্শ
**************************************

✔ বাড়ির সীমানা নিয়ে জটিলতা থাকলে সবার আগে তা মিটিয়ে ফেলুন। কাজ চলাকালীন প্রতিবেশী কিংবা আত্নীয়দের মধ্যে সীমানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে সেই কাজটুকুই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

✔ আপনি কি করতে চাইছেন তা পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে ঠিক করুন। ফেসবুক বা ইউটিউবে একটা বাড়ির ডিজাইন দেখেছেন, সেই বাড়িটি পছন্দ হয়েছে সেটাই করতে হবে এগুলো ভুলে যান, আরেকজনের বাড়ি দেখে নিজের বাড়ি হয়না। তিনি আপনার চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী ডিজাইন করে রাখেনি। আপনার বাড়ি হবে আপনার চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী।

✔ কয়টা রুম, টয়লেট, রান্নাঘর, ড্রইং ডাইনিং হবে কিনা, আরও কি কি বাড়িতে থাকতে পারে এগুলো নিজেরা বসে ঠিক করুন। কাজ চলাকালীন অনেকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন, একারণেই তখন অপরিকল্পিতভাবে বাড়ি হয় এবং এর জন্য কাজের খরচ বৃদ্ধি পায়।

✔ অনেকের বাড়ি করার সামর্থ্য থাকলেও ডিজাইন করার সামর্থ্য বা মানসিকতা থাকেনা। নেট ঘুরে এখান থেকে একটা বাড়ির ভিউ, ওখান থেকে একটা ফ্লোর প্লান এবং মিস্ত্রি ও নিজের মাতবরিতে বাড়ির ডিজাইন করে ফেলে।

আবার অনেকের ডিজাইন করার সামর্থ্য থাকলেও মালামালের এস্টিমেট করার সামর্থ্য বা ইচ্ছা থাকেনা। তারা চিন্তা করে, মিস্ত্রির কাছ থেকে মালামালের হিসাব নিয়ে নেবো। মিস্ত্রির এই অনুমানের উপর এস্টিমেটে বাড়ির খরচ বাড়ে। অথচ একটা বাড়িতে অন্তত ১৫০ প্রকার মালামাল ব্যবহার হয়। প্রতিটি মালামালের নাম, পরিমাণ, বাজার দর কাছে থাকলে অতিরিক্ত মালামাল কিনতে হয়না, অপচয় হয়না, একটা নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করা যায়।

✔ বাড়ির ডিজাইন করার আগেই আপনার সর্বোচ্চ বাজেট নির্ধারণ করুন। ঋণ করলেও কতটা সঠিক ঋণ করতে পারবেন সে ব্যাপারে ১০০% নিশ্চিত হয়েই তারপর নিজের চাহিদা ঠিক করুন। মিস্ত্রি, ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার কি বলছে কিংবা অন্য কারো সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে দেনার সাগরে ডুবতে যাবেন না। শুরু করলে শেষ হয়ে যাবে, এসব চিন্তা থেকে সরে আসুন।

✔ সামর্থ্য যদি থাকে সেমিপাকা টিনশেড বাড়ি করার, তাহলে তাই করুন। আবেগ এবং বাস্তবতা ভিন্ন বিষয়।

✔ এবার আপনি কতটুকু জায়গা নিয়ে বাড়ি করবেন, কত তলা বাড়ি করবেন, কয়টা রুম ও আর কি কি থাকবে, আপনার বাজেট ইত্যাদি একজন আর্কিটেক্টকে বুঝিয়ে বলুন। আর্কিটেক্ট আপনার চাহিদা অনুযায়ী আপনার বাড়ির ফ্লোর প্লান এবং আউটলুক ডিজাইন করবেন।

✔ একটা বাড়ির ডিজাইন একজন আর্কিটেক্ট, একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মিলে করে থাকেন। এই ৩ জনের কাজ আলাদা। ইঞ্জিনিয়ার সব ডিজিয়ান করেন, এটা ভুল ধারণা। একটা বাড়ির কাজে যেমন রাজমিস্ত্রি, রড মিস্ত্রি, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, রঙ মিস্ত্রি, টাইলস মিস্ত্রি ইত্যাদি আলাদা হয়, বাড়ির ডিজাইনের ক্ষেত্রেও তাই। ইঞ্জিনিয়ারের কাজ আর্কিটেক্ট দিয়ে যেমন হয়না, তেমনি আর্কিটেক্ট এর কাজ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে হয়না। যারা অতি সস্তায় ডিজাইন করে দেয় তাদের বেশিরভাগ একাই একশো, অর্থাৎ যিনি ইঞ্জিনিয়ার তিনিই আর্কিটেক্ট এর কাজ করে থাকেন।

✔ অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে মাটির নিচে টাকা ফেলে রাখবেন না। আমরা এমনও দেখেছি, ৫ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে কাজ শুরু করলেও ১ তলা বাড়ির লিন্টেল পর্যন্ত কাজ করার পর টাকার অভাবে আর কোন কাজ করতে পারেননি। সন্তানদের জন্য চিন্তা করে অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ি করা থেকে বিরত থাকুন। সন্তানকে মানুষ করুন, সে তার ব্যবস্থা করে নিতে পারবে। একদিন আপনার স্থান এই বাড়িতে থাকবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে হবে তা আপনি জানেন না। আপনার সন্তান বড় হতে হতেই দেখবেন বাড়িটি পুরাতন হয়ে গেছে।

✔ আর্কিটেক্ট এর ফ্লোর প্লান অনুযায়ী একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আপনার বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন (ফাউন্ডেশন, কলাম, বীম, ছাদ, সিড়ি ইত্যাদি) করবেন। আপনার বাড়ির মোট ওজন কত হবে সে অনুযায়ী একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার / স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ফাউন্ডেশন, কলাম সংখ্যা, বীমের সাইজ, রডের সংখ্যা ও রডের সাইজ নির্ধারণ করবেন। এই ব্যাপারগুলো ইঞ্জিনিয়ারের কাজ, আপনার নয়। এই ব্যাপারে আপনার নাক গলানো উচিৎ নয়। একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার সঠিকভাবে ডিজাইন করলে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বাদ দিয়ে এখানেই বাড়তি খরচ কমাতে পারেন।

✔ এবার একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ইলেক্ট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ডিজাইন করবেন। আপনার কয়টা রুমে এসি, গীজার ব্যবহার হতে পারে, ওয়াশিং মেশিন, রাইস কুকার, ফ্রিজ, ডিপ ফ্রিজ, ইন্ডাকশয়ান কুকার, ব্লেন্ডার মেশিন সহ আর কোন কোন ইলেকট্রিক্যাল মালামাল ব্যবহার হতে পারে সেগুলো বিস্তারিত ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারকে বলুন। তিনি আপনার এসব নিয়ে বাড়িটির ইলেকট্রিক্যাল লোড হিসাব করে কোথায় কোন ধরনের তার ও অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার হবে সে অনুযায়ী ডিজাইন করবেন। ইলেকট্রিক্যাল ও স্যানিটারি মিস্ত্রি এভাবে হিসাব করেনা। তাদের হিসাব অনেকটাই অনুমানের উপর হয় বলেই এই কাজগুলো অনিরাপদ এবং খরচ বেড়ে যায়।

✔ একটা সঠিক ডিজাইনই পারে খরচ কমাতে। ডিজাইন চার্জ বাঁচাতে মিস্ত্রি, নিজে, অনভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট দিয়ে ডিজাইন করা থেকে বিরত থাকুন। আমাদের দেশে ফেসবুকে যারা ডিজাইন করে দেয় তাদের ৮০% কোম্পানিই একজনই সব ধরনের ডিজাইন করে থাকে। অর্থাৎ যিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, তিনিই আর্কিটেক্ট, আবার তিনিই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সেজে কাজ করেন। এইসব কোম্পানি বা কেউ ২/৫/১০/১৫ হাজারেও ২/৫ তলা বাড়ির ডিজাইন করে দেয়। একজন মানুষ কি একসাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে? একজন শিক্ষক কি ইংরেজি, অংক, বাংলা ইত্যাদি বিষয়ে অভিজ্ঞ হতে পারে? কোনমতে কাজ চালানোর মতো হতে পারে। কিন্তু যার যে পেশা সে সেই পেশাতেই অভিজ্ঞ।

✔ নেট তো ব্যবহার করেনই। তাহলে ভালো মালামাল কিভাবে চিনতে হয় সেগুলো নেটে ঘাটুন এবং অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিয়ে ইট বালু সিমেন্ট সহ অন্যান্য সবকিছু কিনুন।

✔ বাকিতে মালামাল কিনলে খরচ বাড়ে।

✔ রড সিমেন্ট সরাসরি কোম্পানির কাছ থেকে কিনলে অনেক খরচ কমানো যায়।

✔ ইলেকট্রিক্যাল, স্যানিটারি আইটেমও সরাসরি ডিলারের কাছ থেকে কিনুন।

✔ বাজেট যদি খুবই কম থাকে তাহলে বি গ্রেডের টাইলস পাবেন অনেক সস্তায়। আপনার এলাকায় খোঁজ নিন, নয়তো আশেপাশের এলাকায়।

✔ মিস্ত্রির কাজ মাপতে শিখুন। সিএফটি, এসএফটি কিভাবে বের করতে হয় তা শিখুন। তাহলে মিস্ত্রি বা ঠিকাদার ঠকাতে পারবেনা।

✔ খোয়া কেনা থেকে বিরত থাকুন। ইট কিনে ভাঙ্গিয়ে নিন।

✔ রাজমিস্ত্রি, ইলেকট্রিক্যাল মিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, টাইলস মিস্ত্রির সাথে কাজের আগে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি করে নিন। ডিজাইনের বাইরে কোন কাজ করা থেকে মিস্ত্রিকে বিরত রাখুন, তাহলেই খরচ কমে যাবে। কাজ বাড়িয়ে মজুরি নেয়াটা অনেক মিস্ত্রি ও ঠিকাদারের অভ্যাস। তাদের বিভিন্ন কথায় এসব প্রলোভনে পা দিবেন না।

✔ মালামাল কিনে এনে কোথায় রাখবেন সেই জায়গাটি আগে থেকে ঠিক করে রাখুন। কিভাবে তা রাখবেন তা ঠিক করুন, যেনো অপচয় নাহয় তা মাথায় রাখুন।

✔ বাজেট কম থাকলে অযথা বাড়তি বা ভুংভাং ডিজাইন করা থেকে বিরত থাকুন। ভবিষ্যতে টাকা হলে করবেন। আগে মাথা গোজার ব্যবস্থা করুন।

✔ টাইলস ছাড়াও বাড়ি হয়। থাই গ্লাস ছাড়াও বাড়ি হয়। বাজেট কম, এগুলো বাদ দিন।

✔ দেয়ালে প্লাস্টার রঙ না করেও বাড়ি হয়। ইটের গায়ে পয়েন্টিং করেও করা যায়। দেয়ালে চুন টেনেও রঙের কাজ হয়।

✔ বিকল্প মালামাল ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

✔ বর্তমান বাজারে একটা বাড়ি করতে যদি ২০ লক্ষ টাকা খরচ হয়। দুনিয়াতে এমন কোন ইঞ্জিনিয়ার, মিস্ত্রি, ঠিকাদার নেই যে সেই বাড়িটি সেইসব মালামাল দিয়ে ১০ লক্ষ টাকায় করে দিবে। তাহলে তিনি নোবেল পুরষ্কার পেয়ে যেতেন!

✔ সস্তা ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, অটোক্যাড ডিজাইনার দিয়ে খরচ কমেনা। কারন তিনি এইসব বিষয় জানেন না। তিনি জানেন আরেকটা ডিজাইন দেখে কিভাবে কপি করে বাড়ি করতে হয়।

✔ ভালো ডিজাইনের পিছনে কিছু টাকা বাড়তি খরচ করুন, এতে আপনারই লাভ হবে। অনেকে বাড়ির খরচ কমাতে সস্তায় ডিজাইন করেন, সস্তায় কখনও ভালো ডিজাইন হয়না। একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট তার ডিজাইনে খরচ বাঁচাতে পারে।

✔ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট দিয়ে নির্মাণ কাজ চলাকালীন তদারকি করান, কাজ চলাকালীন সময়ে তাদের পরামর্শ নিন। ২ টাকা বাঁচাতে অনেক ভুল থেকেও বাঁচা যায়। যার ফলে খরচ কমে।

✔ এগুলো ছাড়াও আরও কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার আছে যা ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্টদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মেধা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে। সস্তা ডিজাইনারদের এসব কিছু থাকেনা। তারা কপি ডিজাইন করে।

✔ সব স্বপ্ন পূরণ হয়না। এই বাস্তবতা মেনে নিন।

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে আপনার বাড়ির নান্দনিক ডিজাইনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

BUET/Khulna University/DUET/ADSTU এর এক ঝাঁক ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট নিয়ে আমাদের এই ডিজাইন টীম।

আমাদের প্রতিটি বাড়ির ডিজাইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট এবং ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মিলে করে থাকেন, একজন ব্যক্তি সব ধরনের ডিজাইন করেনা। যার কাজ সেই করে থাকেন।

👉 যোগাযোগঃ
"শাহী বিল্ডার্স"
01688-300345 (WhatsApp)

[সম্পূর্ণ লেখাটি আমাদেরই লেখা। কোথাও থেকে কপি করা হয়নি। আপনি লেখাটি ব্যবহার করতে চাইলে সোর্স হিসাবে অবশ্যই আমাদের সংস্থার নাম উল্লেখ করবেন। অনুগ্রহ করে নিজ নামে চালিয়ে দিবেন না।]

24/01/2026

SHAHI Builders and construction company
+8801688300345

রড মিস্ত্রী, রাজ মিস্ত্রী, স্যানিটারি, টাইলস কিংবা রং—
সব ধরনের দক্ষ মিস্ত্রী এক ছাদের নিচে দিচ্ছে শাহী বিল্ডার্স।
প্রতিটি কাজ শুরু হয়
সাইট ভিজিট ও সঠিক ডাইমেনশন নেওয়ার মাধ্যমে।
কাজ শুরুর আগেই
স্পষ্ট বাজেট জানিয়ে দেওয়া হয়— কোনো লুকোচুরি নয়।
বাড়ি, ফ্ল্যাট কিংবা যেকোনো নির্মাণ প্রোজেক্টে
আমাদের অভিজ্ঞ মিস্ত্রী ও লেবার টিম
সময়মতো, নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করে।
ফাউন্ডেশন থেকে ফিনিশিং পর্যন্ত,
রেসিডেন্সিয়াল কিংবা কমার্শিয়াল প্রোজেক্ট—
সব কাজ সহজেই এক জায়গা
নির্ভরযোগ্য কাজ, সঠিক দাম, একটাই ঠিকানা—
SHAHI Builders and construction company
+8801688-300345

05/01/2026

SHAHI Builders and construction company
+8801688300345

রড মিস্ত্রী হোক বা রাজ মিস্ত্রী,
স্যানিটারি, টাইলস কিংবা রং—
সব ধরনের দক্ষ মিস্ত্রী সার্ভিস এক ছাদের নিচে দিচ্ছে শাহী বিল্ডার্স।

প্রতিটি কাজ শুরু হয়
সাইট ভিজিট ও সঠিক ডাইমেনশন নেওয়ার মাধ্যমে।
কাজ শুরুর আগেই
স্পষ্ট বাজেট জানিয়ে দেওয়া হয়— কোনো লুকোচুরি নয়।

বাড়ি, ফ্ল্যাট কিংবা যেকোনো নির্মাণ প্রোজেক্টে
আমাদের অভিজ্ঞ মিস্ত্রী ও লেবার টিম
সময়মতো, নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করে।

ফাউন্ডেশন থেকে ফিনিশিং পর্যন্ত,
রেসিডেন্সিয়াল কিংবা কমার্শিয়াল প্রোজেক্ট—
সব কাজ সহজেই এক জায়গা থেকে।

চাইলে শুধু মিস্ত্রী বা লেবার সার্ভিসও পাওয়া যায় আলাদাভাবে।

নির্ভরযোগ্য কাজ, সঠিক দাম, একটাই ঠিকানা—
SHAHI Builders and construction company
+8801688300345

নম্বরে এখনই যোগাযোগ করুন।

13/11/2025

🏠 ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে। >>>ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ।

কলাম ঢালাই করার নিয়ম ও কিকার নিয়ে আলোচনা।

🦺 কলামের উচ্চতা 5'-0" এর বেশি হলে দুই লিফটে ঢালাই করা উচিৎ। অর্থাৎ ২বারে ঢালাই করতে হবে।

🧱 রডের বর্ণনা ড্রইং এ দেওয়া থাকে, অনুপাত হবে (1:1.5:3) পাথরের ঢালাই (নরমাল কিছু কাজের ক্ষেত্রে খোয়া দিয়ে ঢালাই কাজ করা হয়) সাথে 100% সিলেট বালি।

👍 কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিবেন। কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন।

🗣️ কিকারঃ ফুটিং, স্ল্যাব ও বিমের উপর একটি কলাম রেডি করার পূর্বে তার নিচে স্বল্প উচ্চতার যে ঢালাই করা হয় তাকে কিকার বলে।

🚻 মূলত কলাম এর পজিশন, এলাইনমেন্ট, ফর্মওয়ার্ক ঠিক রাখার জন্য কিকার তৈরি করা হয়।

☑️ কিকারের উচ্চতা ৩"-৬" হয় তবে স্টিল সাটার ব্যবহার করলে ৬"-৯" পর্যন্ত উচ্চতার কিকার তৈরী করা যায়।

💡সাটার লাগানের পূর্বে কলামের মূল রড, টাই ও ভিতরের সকল ময়লা স্টিল ব্রাস ও ফোর্স ওয়াটার দিয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে।

💝 সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।

>>> মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন।

>>> সাটার ঠিক রাখার জন্য GI তার & CC Block ব্যবহার করা হয়।

>>> ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিবেন কতটুকু ঢালাই লাগবে।

>>> ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।

>>> ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ। বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।

>>> পরের দিন সাটার খুলবেন না, 1 দিন সময় দিন শক্ত হতে তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।

>>> এরপর কলামের গায়ে চট পেচিয়ে কিউরিং, কলাম ঢালাই করার পর ২১-২৮ দিন কিউরিং করতে হবে কোন ইমার্জেন্সি ক্ষেত্রে ১৪/১৮ দিন করা যেতে পারে।
ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

>>> কংক্রিট স্থাপনার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক শক্ত এবং সঠিক অবস্থানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

>>> কংক্রিট স্থাপন করার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক ভালোভাবে তৈলাক্ত করতে হবে।

>>> কংক্রিট স্থাপনার সময় ফর্মওয়ার্ক আলোড়িত বা নড়াচড়া করা চলবে না।

>>> ১ মিটারের বেশি উচু স্থান থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত নয়।এতে কংক্রিটের উপাদানসমূহের সেগ্রিগেশন ঘটে।

>>> কংক্রিট খাড়াভাবে ফেলা যাবে না।

>>> হাটা অবস্থায় বা দাঁড়িয়ে কংংক্রিট ঢালতে নেই।

>>> যতদূর সম্ভব খুব নিকট থেকে কংক্রিট ফেলতে হবে।

>>> প্রাথমিক জমাট বাধা সময় আরম্ভ হওয়ার পূর্বেই কংক্রিট স্থাপন এবং কম্পাকসন করা উচিত।

>>> কম্পাকসন করার সময় যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কংক্রিটকে পুনঃস্থাপন করতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

>>> রডের স্প্যাসিং, রড সঠিক অবস্থানে থাকা অর্থাৎ ড্রইং অনুযায়ী হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
সর্বপরি, ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরে পড়বেন না।

🏗️ কলামে ল্যাপিং চেক করে নিতে হবে, কলামের উপরে ও নিচে অর্থাৎ L/4 অংশে ২৫% মাঝখানে অর্থৎ L/2 অংশে ৫০% হারে ল্যাপিং দিতে হবে।

👉 কলামের ফুটিং ও কলাম এই দুটির অবস্থান কি রকম হবে সেটা দেখে নিতে হবে, কলামের ফুটিং এর সেন্টার লাইন ও কলামের সেন্টার লাইন একই মধ্যবিন্দু.

13/11/2025

কলামের মাটাম 16D
বীমের মাটাম 10D-12D
এখানে D= রডের ডায়া
আকৃতি L এবং 90°অ্যাঙ্গেল হবে।

13/11/2025

🏗️ একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর জন্য এই বেসিক বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা নবীন ইঞ্জিনিয়ারগণ রয়েছেন তাদের জন্য এই বিষয়গুলো খুব সহজে তুলে ধরা হলো। যদি ভালো লাগে এবং প্রয়োজন মনে হয় সে ক্ষেত্রে শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দেন এবং অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

‎‎১। ফাউন্ডেশন কি ❓
উত্তরঃ কাঠামোর সর্বনিম্ন অংশকে ভিত্তি বা বুনিয়াদ বা ফাউন্ডেশন বলে?

২। ভিত্তি প্রধানত কয় প্রকার কি কি ❓
উত্তরঃ ভিত্তি প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ
ক) অগভীর ভিত্তি
খ) গভীর ভিত্তি

৩। কাঠামোর উপর ক্রিয়ারত লোডগুলো কি কি❓
উত্তরঃ কাঠামোর উপর তিন প্রকার লোড ক্রিয়া করে-
ক) ডেড লোড (Dead load), খ) লাইভ লোড (Live Load), গ) উইন্ড লোড

৪। কোনটি ডেড লোড ❓
ক) কোঠামোর উপর অস্থঅয়ী ভাবে চাপানো লোড
খ) কাঠামোর নিজস্ব ওজন
গ) অস্থঅয়ী ও স্থায়ী লোড
উত্তরঃ কাঠামোর নিজস্ব ওজন।

৫। লাইভ লোড বলতে কি বুঝ❓
উত্তরঃ কাঠামোর উপর অস্থঅয়ী ভাবে চাপানো লাডকে লাইভ লোড বলে।

৬। প্রতি ঘনমিটার dry sand এর ওজন কত❓
উত্তরঃ ১৬০০।

৭। প্রতি ঘনমিটার RCC এর ওজন কোনটি❓
উত্তরঃ ২৪০০ কেজি/২২৪০ কেজি/১৯২০ কেজি।

৮। AISC এর পূর্ন অভিব্যক্তি লেখ।
উত্তরঃ American Institute of Steel Construction

৯। ঢালু ছাদের উন্মুক্ত পার্শ্বে ন্যূনতম বায়ুর চাপ কত ধারা হয়?
উত্তরঃ ৫০ kg/m2

১০। সিমেন্টের ক্ষেত্রে ডেড লোড কত ধরা হয়?
উত্তরঃ ১০৪০ কেজি/ঘনমিটার।

১১। প্রতি ঘনমিটার বিটুমিন এর ওজন কত?
উত্তরঃ ১০৪০ কেজি।

১২। মাটির ভার বহন ক্ষমতার একক কি?
উত্তরঃ কেজি/বর্গমিটার।

১৩। শুকনা এবং দৃঢ়বদ্ধ মোটা বালি বিশিস্ট মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ ৪.৫ কেজি/বর্গ সেন্টিমিটার

১৪। মাটির ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্র টেষ্ট সিলিন্ডার পদ্ধাতি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ কাদা ও বেলে মাটি অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকিলে সে ক্ষেত্রে যেমন: ব্রীজ, টাওয়ার, বাঁধ ইত্যাদি)।

১৫। টেষ্ট সিলিন্ডার পদ্ধতির জন্য কত ব্যাসের দুইমুখ খোলা ফাঁপা লোহার পাইপ ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ১ থেকে ১.৫ মিটার।

১৬। মাট তদন্ত এর পদ্ধতিগুলো কি কি?
উত্তরঃ মাটি তদন্ত এর পদ্ধতি সমূহ-
১) পরিদর্শন (Inspection)
২) গর্ত পরীক্ষঅ বা ওপেন প্রায়াল পিট (Test Pit)
৩) শলাকা পদ্ধতি (Probing)
৪) ছিদ্র পরীক্ষা (Boring)
ক) আগর বোরিং (Auger boring)
খ) ওয়াশ বোরিং (Wash boring)
গ) পারকুশন বোরিং (Percussion boring)
ঘ) কোর ড্রিলিং (Core Drilling)
ঙ) টেষ্ট সিলিন্ডার (Test Cylinder)
৫। জিও ফিজিক্যাল পদ্ধতি (Geo Physical method)
ক) সিসমিক রিফ্রাকশন (Seismic refraction)
খ) ইলেকট্রক্যাল (Electrical resistivity method)
৬ । সাব সারফেস সাইন্ডিং (Sub surface sounding)

১৭. মাটি তদন্তের জন্য Probing পদ্ধতিতে যে ষ্টীল বার ব্যবহার করা হয় তার ব্যাস কত?
উত্তরঃ ২৫-৪০ মিমি।

১৮। কাদা মাটি অথবা বেলে মাটি সাধারণত ইমারত নির্মাণ করার জণ্য কোন পদ্থতিতে সাব সয়েলের বৈশিষট্য পরীক্ষা করা সুবিধা জনক?
ক) পোষ্ট হোল আগর পদ্ধতি
খ) ওয়াস বোরিং পদ্ধতি
গ) জিও ফিজিক্যাল পদ্ধতি
ঘ) কোর ড্রিলিং পদ্ধতি

১৯। কত মিটার গভীরতা পর্যন্ত আগর বোরিং পদ্ধতি স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যাইতে পারে?
উত্তরঃ ১৫মিটার।

২০। নরম মাটি, কঠিন মাটি, সংশক্তিপূর্ণ মাটি এং মিহি বালির ক্ষেত্রে মাটি তদন্ত এর পদ্ধতিগুলোর মদ্যে কেনটি প্রযোজ্য?
উত্তরঃ আগর বোরিং।

‎‎ ২১। অত্যন্ত শুক্তমাটি, অত্যন্ত নরম মাটি এবং আদ্র সংশক্তিহীন মাটির ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনরুপযোগী?
উত্তরঃ আগর বোরি পদ্ধতি।

২২। আগর বোরিয় পদ্ধতিতে কত সেন্টিমিটার পর পর মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়?
উত্তরঃ ৩০ সেন্টিমিটার।

২৩। পারকুশন বোরিং পদ্দতিতে ব্যবহৃত ওয়াশ পাইপের ব্যাস কত?
উত্তরঃ ২.৫ সেন্টিমিটার।

২৪। পাথুরে মাটি অথবা বোল্ডার যুক্ত মাটির বোলার মাটি তদন্তের পদ্ধতিতে গুলোর মধ্যে কোনটি প্রযোজ্য?
ক) কোর ড্রিলিং
খ) ওয়াশ বোরিং
গ) পারকুশন বোরিং
ঘ) আগর বোরিং
উত্তরঃ পারকুশন

২৫। সূত্রটির বিভিন্ন নোটেশনের ব্যাখ্যা লেখ।
উত্তরঃ বিভিন্ন নোটেশনের ব্যাখ্যাঃ
ফুটিং = এর ন্যূনতম গভীরতা, মিটার
মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা কেজি/বর্গমিটার
মাটির একক ওজন, কেজি/ঘনমিটার
মাটির স্থিরতা কেজি, ডিগী

২৬। বহুতল বিশিষ্ট ইমরাত নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষার জন্র কোন পদ্ধতি বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ওয়াশ বোরিং (Wash boring) পদ্ধতি।

২৭। মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নিরাপদ সহগ কত ধরা হয়?
ক) ২ অথবা ৩, খ) ৩ অথবা ৪
গ) ৪ অথবা ৫, ঘ) ৫ অথবা ৬

২৮। ডিজাইনের সময় কোনটিতে লাইভ লোড ৭৫ কেজি/বর্গমিটার ধরা হয়?
পাবলিক বিল্ডিং/কর্মশালা/বেলকনি।
উত্তরঃ কর্মশালা।

২৯। কয়টি কারণে স্প্রেড ফুটিং হইতে পারে?
৩টি/৪টি/৫টি
উত্তরঃ ৪টি

৩০। কোনটি ডেড লোড?
টেবিল চেয়ার/আরসিসি স্লাব/বাতাসের চাপ।
উত্তরঃ আরসিসি স্লাব

৩১। বহুতল বিশিষ্ট ইমারতের জন্য নিরাপদ সহক কত ধরা হয়?
উত্তরঃ ১-২/১.৫-২/২.৫-৩

৩২। উপকূলীয় অঞ্চলে ইমারতের উচ্চতা প্রস্থের কত গুণের কম হইলে উয়িন্ড লোড বিবেচনা করা হয় না।
উত্তরঃ ২

৩৩। এআইএসসি কোড অনুযায়ী কাঠামোর উন্মুক্ত পার্শে¦ বায়ুচাপের পরিমান কত ধরা হয়?
ক) ৭৮ কেজি/বর্গমিটার খ) ৯৮ কেজি/বর্গমিটার , গ) ১০৮ কেজি/বর্গমিটার
উত্তরঃ ৯৮ কেজি/বর্গমিটার

৩৪। সরাসরি লোড প্রযোগ করিয়া ামটির ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে যে টিম্বার বাল্ব ব্যবহার করা হয় তার প্রস্থচ্ছেদ কত?
উত্তরঃ ৩০ সেন্টিমিটার দ্ধ৩০ সেন্টিমিটার

৩৫। অগভীর ভিত্তি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ ভিত্তির গভীরতা, ভিত্তির প্রস্থের সমান বা কম হইলে তাহাকে অগভীর ভিত্তি বলে। অন্য কথায় যে ভিত্তি খনন করিয়া নির্মাণ করা হয় তাকে অগভীর ভিত্তি বলে।

৩৬। কাঠামোর এলাকায় মেঝের ন্রায় সমস্ত এলাকা জুড়িয়া মোটা আরসিসি স্লাব নির্মান করিয়া নির্মাণ করা হয়।
ক) কলাম ফুটিং ভিত্তি।
খ) স্প্রেড ফুটিং ভিত্তি
গ) র‌্যাফট ভিত্তি
উত্তরঃ র‌্যাফট ভিত্তি।

৩৭। শূন্যস্থান পূরন কর-
ক) যে সমস্ত এলাকায় বেলে মাটি বা নরম মাটির অভ্যন্তরে স্বল্প গভীরতায় শ্কত স্থর পাওয়্যা যায় সেখানে অধিক লোড সম্পন্ন কাঠামোর লোডকে শ্কত স্থরে স্থানান্তর করার জন্য ভিত্তি ব্যবহার করা হয়।
খ) পায়ারের ব্যাস, পায়ারের উচ্চতার-------------- অংশের চেয়ে কম হইবে না।
গ) আর্গ্রতার পরিবর্তনে ------------- সয়েল এর সংকোচন প্রসারণ ঘটে।
ঘ) পায়ার ভিত্তি সাধারণত ------------- হইয়া থাকে।
ঙ) আন্ডার বীম পাইলে --------- এর সংখ্যা বৃদ্ধি করিয়া বহুতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা যায়।
চ) বিত্তির গভীরতা ভিত্তির প্রষ্থের সমান বা কম হইলে তাহাকে Ñ------- ভিত্তি বলে।
ছ) আন্ডার বীম পইলে একটি অতিরিক্ত বাল্ব প্রদান করিলে ভার বহন ক্ষমতা ------------- বৃদ্দি পায়।
উত্তরঃ
ক) পায়ার ভিত্তি, খ) ১/১২ গ) ব্লাক কটন, ঘ) গোলাকার, ঙ) বাল্ব, চ) আগভীর, ছ) ৫০%।

৪০। ব্যবহার অনুযায়ী পাই কত প্রকার ও কি কি?
ক) বিয়ারিং পাইল
খ) শীট পাইল
গ) ফ্রিকশন পাইল
ঘ) অ্যাংকোর পাইল
ঙ) ব্যাটার পাইল
চ) ফোন্ডার পাইল
ছ) কম্পাকশন পাইল

৪১। শূন্যস্থান পূরণ করঃ
ক) ---------------- পাইল মাটির অভ্যন্তরের শক্ত স্থর পর্যন্ত পৌছান হয়।
খ) ---------- পাইল শক্ত স্তর পর্যন্ত প্রবেশ করানো হয় না।
গ) ------------- পাইল রিটেইনিং ওয়াল হিসাবে কাজ করে।
ঘ) আনুভ’মিক টানা বলকে প্রতিরোধ করার জন্য ---------- পাইল ববহার করা হয়।
ঙ) -------- পাইল সাধারণতঃ কাঠের হইয়া থাকে।
চ) কাঠের পাইলে দৈঘ্য সাধারণতঃ পাইলে উপরের প্রান্তের ব্রাসের ------- গুণ হইয়া থাকে।
ঞ) বর্তমানে পাইল ভিত্তির ব্রবহার --------------।
উত্তরঃ বিয়ারিং, খ) ফ্রিকশন, গ) শীট, ঘ) অ্যাংকোর, ঙ) ফোল্ডার, চ) ২০, ছ) টিম্বার, জ) ২০ টন, ঝ) কাষ্ট-ইন-সিটু, ঞ) সর্বাধিক।

৪৩। নরম মাটি বা পানি অতক্রম করিয়া যে পাইল কঠিন স্তরে কাঠামাের লোডকে ট্রান্সফার করে তাহাকে -------- পাইল বলে।
ক) টিম্বার পাইল, খ) বিয়ারিং পাইল, গ) শীট পাইল।
উত্তরঃ বিয়ারিং পাইল।

৪৪। পদার্থের সর্বোচ্চ লোভ বহন ক্ষমতাকে নিরাপদ লোড বহন ক্ষমতা দ্বারা ভাগ করিলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাহাকে ------- বলে।

৪৫। ভার বহন পদ্ধতি অনুযায়ী কত প্রকার ?
ক) ৩ প্রকার খ) ৪ প্রকার, গ) ৫ প্রকার
উত্তরঃ ৩ প্রকার।

৪৬। শূন্যস্থান পূরন কর।
ক) তীর্যকভাবে যে পাইল ড্রাইভ করা হয় তাহাকে ------------ পাইল বলে।
খ) কংক্রিট ডেক্স অথবা অন্য যে কোন ওয়াটার ফ্রন্ট ষ্ট্রাকচার জাহাজ ব্রারেজ অথবা যে কােন ভাসমান বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রষ্থ না হয় তজ্জন্য যে পাইল এর সাহায্যে এই ওয়াটার ফ্রন্ট স্ঠ্রাকচারকে রক্ষা করা হয় তাহাকে ----------- পাইল বলে।
গ) কংক্রিট পাইল-------------- প্রাকর।
ঘ) যেখানে স্থায়ীভাবে অবস্থা করিবে সেখানে ------------ পাইল তৈরী করা হয় না।
ঙ) যদি একই পাইল ক্যাপ এর অধীনে অনেকগুলো ___ থাকে
উত্তরঃ
ক) ব্যাটার, খ) ফ্যান্ডার, গ) দুই, ঘÑ প্রি-কাষ্ট, ঙ) গ্রুপিং অব পাইল

৪৮। পাইল বসানোর পদ্ধতি কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ পাইল সাধারণতঃ চার পদ্ধতিতে বসান যায়। যেমনঃ
ক) ড্রপ- হ্যামার দ্বারা
খ) স্টীম হ্যামার দ্বারা
গ) ওয়াটার জেট দ্বারা
ঘ) বোরিং দ্বারা

৪৯। সিংগেল একটিং হ্যামার দ্বারা প্রতি মিনিটে পাইলের উপর কত বার আঘাত করা যায়?
ক) ২০-৩০ বার
খ) ৩০-৪০ বার
গ) ৪০-৫০ বার
ঘ) ৫০-৬০ বার
উত্তরঃ ৫০-৬০ বার

৫০। ডাকরা এটি ষ্টীল হ্যামার দ্বারা প্রতি মিটিটে পাইলের উপর কত বার আঘাত করা যায়?
উত্তরঃ প্রতি মিনিটে ১০০-২০০ বার।‎‎‎‎‎

Engr.Md Mostafa Kamal Miajee
B.Sc. Engg (Civil), M/IEB,

মোবাইল : +৮৮০ ০১৭১০৮৮৭৬৮৬
ইমো - What's app : 01717-887686

✅ অক্সফোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিং 🏗️
🏤বিল্ডিং সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য ||
🛖 সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা)
🛖 প্ল্যান
🛖 আর্কিটেকচারাল ডিজাইন
🛖 স্ট্রাকচারাল ডিজাইন
🛖ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন
🛖 প্লাম্বীং & পাইপ ফিটিং ডিটেইলস ডিজাইন
🛖 ইস্টিমেট
🛖 3D এনিমেশন
🛖 সুপারভিশন
🛖 কনস্ট্রাকশন
🛖পাইলিং

#প্ল্যান #বিল্ডিং #ডিজাইন #নকশাঘর #ইমারত #ইঞ্জিনিয়ারিং #আর্কিটেক্ট #ইঞ্জিনিয়ার #কনস্ট্রাকশন
#সয়েলটেস্ট #পাইলিং #ঘর #বাড়ি #অনুমোদন
_নির্মাণ #ড্রয়িং #ডিজাইন #প্ল্যান #বাড়ি_নির্মাণ #বাড়ি_ডিজাইন #কনস্ট্রাকশন #ইঞ্জিনিয়ারিং #গ্রামের_বাড়ির_ডিজাইন #বাড়ির_প্ল্যান #কনস্ট্রাকশন #ইঞ্জিনিয়রিং #ইঞ্জিনিয়ারিং_পরামর্শ #গ্রামের_বাড়ির_ডিজাইন #২০২৫ #ফাউনডেশন

12/01/2024

Address

Rajshahi University

6205

Opening Hours

Monday 16:00 - 22:00
Tuesday 16:00 - 22:00
Wednesday 16:00 - 22:00
Thursday 16:00 - 22:00
Sunday 16:00 - 22:00

Telephone

+8801688300345

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHAHI Builders and Architects posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SHAHI Builders and Architects:

  • Want your business to be the top-listed Realtor/realty Service?

Share