Jagajanani Sree Sree Barama - পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা

  • Home
  • India
  • Deoghar
  • Jagajanani Sree Sree Barama - পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা

Jagajanani Sree Sree Barama -  পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jagajanani Sree Sree Barama - পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা, Property appraisal, Deoghar.

27/09/2016

🌴শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দৃষ্টিতে "দেব-দেবী"🌴

🌺🌺 || দূর্গা || 🌺🌺
(প্রথম পর্ব )

দেবদেবীর মধ্যে দূর্গাদেবী সম্বন্ধে আলোচনা শ্রীশ্রীঠাকুরের সন্নিধানে তুলনামূলক বেশী হয়েছে । তার একটি প্রধান কারণ --- বাংলা 1355 সাল থেকে শুরু করে প্রতি বছর বিজয়া - উপলক্ষে শ্রীশ্রীঠাকুর আর্শিবাণী দিতেন । ঐ আর্শিবাণীগুলির মধ্যে দিয়েই তিনি নানারকমে ব্যক্ত করেছেন শারদীয়া পূজার প্রকৃত রহস্য , জগন্মাতার প্রকৃত স্বরূপ ।

বিজয়া-দশমীর পরের দ্বাদশী থেকে শ্রীশ্রীঠাকুরের পাদপীঠতলে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর জন্ম - মহোৎসব । ঐ উৎসবে বিজয়া - উপলক্ষে প্রদত্ত আর্শিবাণী নিয়মিত পাঠ হ'য়ে আসছে । দূর্গাপূজার প্রাক্কালে শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে আশীর্বাণীর জন্য প্রার্থনা জানানো হ'ত । প্রবীণ ভক্তবৃন্দ এসে বসতেন লেখা শুরু হওয়ার আগে । দু'তিনখানা সংস্কৃত ও বাংলা অভিধান কাছে থাকত । বোধন , দূর্গা , ভগবতী , বিজয়া প্রভৃতি শব্দের অর্থ জানতে চাইতেন শ্রীশ্রীঠাকুর । জ্ঞানতাপস ভক্তগণ সেসব শব্দের আভিধানিক অর্থ বলতেন , আর গল্প ক'রে বলতেন ঐ শব্দটির উৎপত্তির সাথে জড়িত বিবিধ কাহিনী। এসব শুনতে শুনতে বিশ্বেশ্বরের মধ্যে ঘনীভূত হ'য়ে উঠত মহাভাব । তারপর এক সময় ঝরঝর ক'রে নেমে আসত আশীর্বাণী ।

ভক্তগণ যখন শব্দের অর্থ বলতেন , সেগুলি তাঁদের বলতে হ'ত ধাতুগত অর্থের উপর দাঁড়িয়ে । শ্রীশ্রীঠাকুর সব সময় ঐ অর্থটাই চাইতেন । কারন, ধাতুগত অর্থের মধ্যেই নিহিত থাকে শব্দের প্রাথমিক তাৎপর্য্য । অভিধানগুলি প্রধানতঃ এই কাজেই ব্যবহার হ'ত ।

কোন কোন বারে , আলোচনা শুরু হবার কিছুক্ষণ পরই শ্রীশ্রীঠাকুরকে দেখা যেত নীরব ধ্যানগম্ভীর-ভাবে অবস্থান করতে । অর্থাৎ তখনই মহামায়া-সম্পৃক্ত ভাবরাশি তাঁর চিদ্ জগতে তরঙ্গ সঞ্চার করতে আরম্ভ করেছে । তারপরই তাঁর শ্রীমুখ থেকে আগলভাঙ্গা স্রোতের মত নির্গত হ'তে থাকত আশীর্বাণী --- তাঁর মোহনীয় ভাব , ভাষা , ছন্দ ও অনুরণন নিয়ে । কখনও আবার দু'তিনদিন ধ'রে হয়ত চলছে দূর্গাপূজা - সংক্রান্ত আলোচনা । তারপরে এক বিশেষ ক্ষণে ঝপ্ ক'রে নেমে আসত ছন্দোময় বাণীর প্রবাহ । প্রতিটি আশীর্বাণীই যেন একটি পূজার মন্ত্র ; মহামায়ার মহিমা সেখানে উচ্ছল নন্দনায় পরিব্যক্ত ।

শ্রীশ্রীঠাকুর মা-দূর্গাকে কখনও মাটির প্রতিমা হিসাবে দেখেননি । তিনি বলেন , প্রতিমায় যাঁকে পূজা করা হয় , তিনি প্রতিঘরের দেহধারী মা । তার মানে , নিজের মায়ের উপর ভক্তি ভালবাসা যার যত জীবন্ত , তার কাছে দূর্গাপূজার সার্থকতা তত বেশী । নিজের মাকে খুশী ও তৃপ্ত না ক'রে হাজার ঢাক - ঢোল বাজিয়ে দূর্গাপূজা করলেও কোন ফল হয় না । দয়াল ঠাকুর শ্রীঅনুকূলচন্দ্র তাই বলেছেন ----
" ভগবতীপূজা করি , তার মানে ----
নিজের মাকেই উপাসনা করি । "

তিনি শুধু পূজার বেদীতে দশভুজা প্রতিমা নন , ঘরে ঘরে জীবন্ত দ্বিভুজা জননী । প্রতিটি ঘরের মা জগতের মায়েরই একটি রূপ ।

মা-দূর্গা 'দশভুজা' মানে তাঁর দশ হাত । অথচ ঘরের মা যিনি তাঁর তো দুই হাত । তাহ'লে এই দশ হাতের তাৎপর্য্য কী ? তার মানে , তিনি দুই হাতে দশ হাতের কাজ করেন । যিনি মা , তিনি একাধারে ঘরের বধূ ও গৃহিণী । স্বামী - সন্তান সহ পরিবারের প্রতিটি মানুষের জন্যই তাঁকে সর্বদা তৎপর থাকতে হয় । এদের সোয়াস্তি ও খাদ্যখানার দায়িত্ব তাঁরই হাতে । যার যেমন দরকার , তিনি তার তেমনি আহারের ব্যবস্থা করেন । গুরুজনের সেবাযত্ন করেন । ছোটদের শিক্ষা , লালন - পালন ও ভালমন্দের দিকে নজর রাখেন । তাছাড়া , বাইরের আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধব বাড়িতে এলে তাদের সুখসুবিধা দেখা ও যথাবিহিত পরিচর্যা করা , তাও তাঁকেই করতে হয় । এই সমস্ত কিছু বজায় রেখেও সংসারে একটু সাশ্রয় কিভাবে করা যায় তারও চেষ্টা তাঁর থাকে । এইভাবে গৃহস্থালির সব দিকে সমানভাবে লক্ষ্য রেখে সব কাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে করে চলেন যে মা , চলতি কথায় তাঁর সম্বন্ধে বলা হয় , তিনি যেন দুই হাতে দশ হাতের কাজ করেছেন । এই হ'ল দশ হাতের তাৎপর্য্য । সেইজন্য পূর্ণ নারীত্বের প্রতীক মা-দূর্গাকে আমরা দশভুজা রূপে দেখতে পাই , যা'কিনা প্রতি ঘরের প্রতিটি মায়েরই স্বরূপ বা প্রকৃতি । (সংগৃহীত )
ক্রমশঃ চলমান >>>>

22/09/2016
30/07/2016

বড়মার,,,, সংসার
আদর্শ স্ত্রী
*
একটি মধ্যবিত্ত পরিবার। রান্নাঘরে শাশুড়ি খেতে
বসেছেন। বৌমা সামনে বসে শাশুড়িকে খাওয়াচ্ছেন।
পাত্র থেকে বিভিন্ন
ব্যঞ্জন শাশুড়িকে পরিবেশন করছেন। শাশুড়ি বলছেন-'আর
দিও না, আর দিও না। যা আছে তোমার জন্য রাখো।'
এভাবে বলা সত্ত্বেও বৌমা আরও একটু শাশুড়ির থালায়
দিচ্ছেন। 'আরে তুমিতো সবটাই দিয়ে দিলে। তুমি কি
দিয়ে খাবে?' বৌমা মাথা নিচু ক'রে স্মিত হেসে উঠলেন।
শাশুড়ি মুখ তুলে বৌমার দিকে তাকালেন। মাথার উপর
ঘোমটা উঠে যাওয়ায় শাশুড়ির নজর সেই দিকে গেল।
তিনি বলে উঠলেন-'বৌমা, তোমার কানের কর্ণফুলিটি
কোথায় গেলো? ওটা কি হারিয়ে ফেলেছ? বৌমা তো
একদম চুপ। মুখমন্ডলে মলিনতার কোন চিণ্হ নাই। মাথা নিচু
ক'রে শাশুড়ির থালার পাশে চুপ করে তেমনই বসে
থাকলেন। শাশুড়ি বার বার জিজ্ঞাসা করতে থাকলেন-
তবু তিনি পূর্ব্বের মতই মাথা নিচু করে বসে থাকলেন।
এই কথা বাড়ির দিদি-শাশুড়ির কানেও পৌছালো। সব
কথা শুনে গালে হাত দিয়ে তিনি বলে উঠলেন-'মাগো
মা,কোথায় যাই! বৌ কর্ণফুল কোথায় কি করল? আরে,
তোমাকেই বলছি, তুমি কিছু বলছ না কেন? কিছু তো বল।
'তবুও বৌমা চুপ। তিনি আরও উত্তেজিত হয়ে উঠলেন।
নিজের মেয়ের দিকে মুখ নিয়ে চিৎকার করে
বললেন-'আমি জানি তোমার পুত্রবধূ সরল নয়। এক্কেবারে
শয়তান। একদম ভিজে বেড়াল। যেমন বংশ থেকে মেয়ে
এনেছো সে কী না করতে পারে?
গিয়ে দেখো ওটা ওর মায়ের কাছেই চলে গেছে। ছিঃ
ছিঃ।' এই বলেই তিনি হন্ִ হন্ִ করে চলে গেলেন। শাশুড়ি
অর্দ্ধভোজন করে উঠলেন। বৌমা রান্না ঘরেই বসে
থাকলেন। চোখ থেকে শুধু নীরব অশ্রু ঝড়তে লাগল।
*
ঘর সংসার আগের মতই চলতে থাকল। কিন্তু গৃহে একটা
থমথমে পরিবেশ বিরাজ করতে লাগল। শাশুড়ির চিন্তার
অন্ত নেই। দিদি-শাশুড়ি রাগে অগ্নিশর্ম্মা। সকলের
কাছে বৌমার এহেন আচরণের গুণ-কীর্ত্তন করতে
লাগলেন। কিন্তু বৌমা নিশ্চুপ। যন্ত্রবৎ সংসারের
যাবতীয় কাজকর্ম্ম করে যেতে লাগলেন। চেহারায়
মলিনতার চিন্হ। চক্ষু অশ্রুসিক্ত। বিষাদের মূর্ত্তি যেন
অঙ্গনে-প্রাঙ্গনে ঘোরাঘুরি করতে লাগল। সে তো
গরীবের মেয়ে। তার পিতৃকুল সম্বন্ধে কত নিন্দা-মন্দই না
তাকে শুনতে হচ্ছে। কতভাবেই তাকে অপমানিত করা
হচ্ছে। মা-বাবার নামে বাজে কথা শুনে কত কষ্টই না
তাকে সহ্য করতে
হচ্ছে। এতদসত্ত্বেও নির্বিকার চিত্তে বাড়ীর সব
কাজকর্ম্ম করে চলেছে বধূটি।
*
এভাবেই কয়েকদিন কেটে গেল। বেলা তৃতীয় প্রহর।
শাশুড়ি নাতিকে কোলে নিয়ে বারান্দায় বসে আছেন।
দিদি-শাশুড়ি প্রতিবেশীর বাড়িতে ঘুরতে গেছেন। বৌমা
ঘাটে জল আনতে গেছেন। এর মধ্যেই এক জেলের বৌ পা
টিপে টিপে উক্ত বারান্দায় এল। হাতে একটা কাগজের
পুরিয়া। আস্তে আস্তে সে ঐ কাগজের পুরিয়া খুলে
গৃহিনীর পায়ের কাছে রাখলেন। গৃহিনী উৎসুক হয়ে
জিজ্ঞাসা করলেন-'এটা কি রে সদু?' অশ্রুসিক্ত নয়নে সদু
বলল-'মা! বড়বাবুর দৌলতেই আমার ছেলেটা এ যাত্রায়
বেঁচে গেল। বড়বাবু আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য
আমাকে এটা দানই করে দিয়েছিলেন। আমার ছেলের
বাবা বলল, মাছের বিক্রি ভাল হওয়ায় উপার্জ্জন ভাল
হয়েছে। বন্দক ছাড়িয়ে কর্ণফুল ফেরত দিয়ে এসো।
এইজন্য আমি তা নিয়ে এসেছি। বড়বাবু বেঁচে
থাকুন,রাজা হোন। তিনি গরীবের মা-বাপ। তিনি
দেবতারও দেবতা।' এই বলে চোখ মুছে জেলে বৌ বাড়ি
ফিরে গেল। গৃহিনী স্থির ও মৌন হয়ে নিজের জায়গায়
বসে রইলেন। আকাশের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ ক'রে
মানসপটে ভবিষ্যতের বর্ণময় চিত্র উদ্ִভাষিত হয়ে উঠল।
সেদিকে তন্ময় হয়ে তাকিয়ে রইলেন। পায়ের শব্দশুনে
গৃহিনী ফিরে তাকালেন। জলভরা কলসী নিয়ে বৌমা
আসছেন। বৌমা শাশুড়িকে দেখে ঘোমটা টেনে দিলেন।
নীল শাড়ীতে বৌমাকে কী অপুর্ব্বই না লাগছিল
শাশুড়ির। এক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকলেন শাশুড়ি। মুহুর্ত্তেই
উক্ত ঘটনার কথা প্রকাশ হয়ে পড়ল। কি অপুর্ব্ব পতিভক্তি।
স্বামী এক গরীব ছেলেকে বাঁচাতে নববধূর কাছে সোনার
কর্ণফুলি চাইলেন ও স্ত্রী নিঃসঙ্কোচে তা' দিয়ে
দিলেন। শাশুড়ি বা দিদি-শাশুড়ির বাক্যবাণ, বিশেষতঃ
পিতৃকুলের অসহনীয় নিন্দা শুনেও একবারের জন্যও পতির
কথা মুখে আনলেন না।নীরবে সব সহ্য করলেন। এই তো
সতী-সাধ্বী পতিপ্রাণা নারীর আসল স্বরূপ। কে এই
পতিপ্রাণা সতী নারী? তিনিই হলেন যুগোপুরুষোত্তম
পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের অর্ধাঙ্গিনী-
পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা।
*
সৌঃ জয়তু জননী মে
(পরমারাধ্যা শ্রীশ্রীবড়মার স্মারক গ্রন্থ)
লেখকঃরামনন্দন প্রসাদ

16/10/2015
পুরুষোত্তমম লীলাসঙ্গিনী, পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা'র ১২২ তম শুভ জন্মদিবসে সবাই’কে “রা” নন্দিত জয়গুরু. . . . . .
31/07/2015

পুরুষোত্তমম লীলাসঙ্গিনী, পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা'র ১২২ তম শুভ জন্মদিবসে সবাই’কে “রা” নন্দিত জয়গুরু. . . . . .

JOYGURU
28/07/2015

JOYGURU

31/05/2015

http://youtu.be/1ci7tihbdoQ Unseen clips of Thakur Anukul Chandra.mini clip of Sree Sree Thakur Anukul Chandra between 1950 and 1969 in Deoghar, Bihar, India...

18/05/2015

সাবাই’কে “রা” নন্দিত জয়গুরু,
আমাদের পাতায়, পরম প্রেমময় শ্রীশ্রীজগৎজননী বড়মার 1.001 ভক্ত জন আছেন.
সবাই’কে আবার “রা” নন্দিত “জয়গুরু”

Property valuation

Address

Deoghar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jagajanani Sree Sree Barama - পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jagajanani Sree Sree Barama - পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা:

Share