Krishna Adak

Krishna Adak Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Krishna Adak, Real Estate, মহিষদল, Mahishadal.

06/06/2026

স্কুলে কিছু অনুষ্ঠান হলে

🇦🇨:I am so excited 😊
🇮🇳:কালকে কি ব্যাগ আনতে হবে? 🙂

আমি পদ্মজাইলমা বেহরাজ পর্ব ৩পূর্নার কিশোরী মন বুঝে যায়,পদ্মজা কীসের ব্যাথায় কাদছিলো। রাতে সে নানার বাড়ি তে ছিলো জানতো ...
05/06/2026

আমি পদ্মজা
ইলমা বেহরাজ
পর্ব ৩

পূর্নার কিশোরী মন বুঝে যায়,পদ্মজা কীসের ব্যাথায় কাদছিলো। রাতে সে নানার বাড়ি তে ছিলো জানতো না। ভোরেই এসেছে।নানা বাড়ি হেটে যেতে ৫মিনিট লাগে।পূর্নাকে চুপচাপ থাকতে দেখে হেমলতা বললেন 'তুই যা '।মাথা নীচু করে যাবি মাথা নীচু করে আসবি।

'আচ্ছা আম্মা'।

পূর্না রুমে এসে আয়নার সামনে দাড়লো। নিজেকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখলো।এরপর গত মাসের মেলা থেকে আনা লাল লিপস্টিক গাঢ় করে ঠোঁটে মাখে।চৌদ্দ বছরের পূর্না র ইদানিং সাজতে খুব ইচ্ছা করে।হেমলতা সেজেগুঁজে স্কুলে যাওয়া পছন্দ করে না বলে আগে লিপিস্টিক মাখেনি।

টিন দেয়ালের কাঠের ঘড়িয়ে মাত্র সকাল ১০টা।এখনো পদ্মজা উঠেনি। হেমলতা মেয়েদের রুমে ঢুকেন।জানালার পর্দা ভেদ করে আসা আলতো পেলব রৌদ্দুরের স্পর্শে পদ্মজার মসৃন পাতলা ঠোঁট, ফর্সা ত্বক চিকচিক করছে।হেমলতা বিসমিল্লাহ বলে, তিন বার ফু দেন মেয়ের শরীরে।গুরুজনরা বললেন' মায়ের নজর লাগে বেশি'।নজর কাটাতে বিসমিল্লাহ বলে ফু দিতে হয়।হেমলতার মায়া লাগছে পদ্মজার ঘুম ভাঙ্গাতে।তবুও আদুরে গলায় ডাকলেন 'পদ্ম'।'এই পদ্ম'.....

পদ্মজা চোখ খুলে মাকে দেখে দ্রুত উঠে বোসে।যেদিন উঠতে দেরি হয় সেই দিন ই হেমলতা ঘুম থেকে ডেকে তুলেন। পদ্মজা অপরাধী কন্ঠে প্রশ্ন করলো 'বেশি দেরি হয়ে গেছে আম্মা?'
'সমস্যা নেই। মুখ ধুয়ে খেতে আয়'।

আমি পদ্মজা পর্ব ২ইলমা বেহরোজ রাশিদ অনেক চেষ্টা করেও সুবিধা করতে পারলেন না। ব্যর্থ থমথমে মুখে সড়কে পা রাখেন। প্রতিদিন কো...
26/05/2026

আমি পদ্মজা পর্ব ২
ইলমা বেহরোজ

রাশিদ অনেক চেষ্টা করেও সুবিধা করতে পারলেন না। ব্যর্থ থমথমে মুখে সড়কে পা রাখেন। প্রতিদিন কোন না কোন পাত্র পক্ষ হাতে টাকা গুজে দিয়ে বলবে ' মোর্শেদের বড়ো ছেমড়িডারে চাই '।
রাশেদ নিজে মনে বিড়বিড় করে আওড়ায় 'গেরামে আর কি ছেড়ি নাই?একটা ছেড়িরেই কেন সবার চোখে পড়তে হ ইব ? চাইলেই কি পাওনা যায়?'

পূর্না স্কুলের জামা পরে পদ্মজা কে ডাকলো 'আপা?এই আপা?স্কুলে যাবি না।আপারে" ........

পদ্মজা পিটপিট এ চোখ খুলে কোন রকম বললো 'না'।পরপরেই চোখ বুজে ঘুমে তলিয়ে গেলো। পূর্না নিরাশ হয়ে মায়ের রুমে আসে।
'আম্মা,আপা কি স্কুলে যাইবে না?'
হেমলতা বিছানা ছেড়ে পূর্নার দিকে কড়া চোখে তাকায়।রাগী স্বরে বললেন' যাইব কি?যাবে বলবি।'

পূর্না মাথা নত করে ফেললো।হেমলতার কড়া আদেশ, মেয়ে দের পড়াশোনা করাচ্ছি অশুদ্ধ ভাষায় কথা বলার জন্য না।শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতে হবে। পূর্না কে মথা নত করতে দেখে হেমলতা তৃপ্তি পান।তার মেয়ে গুলো মান্যতা চিনে খুব। খুবই অনুগত। তিনি বিছানা ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন 'পদ্মর শরীর ভালো না।সারারাত পেটের ব্যাথা য় কেঁদেছে। থাকুক ঘুমাক।

আমি পদ্মজা পর্ব ১ইলমা বেহরোজ ফাহিমা ক্লান্ত পায়ে ধপ করে ফোলরে বোসে পড়লো।হাত থেকে লাঠি পড়ে মৃদু আওয়াজ তুলে।তার শরীর র...
25/05/2026

আমি পদ্মজা পর্ব ১
ইলমা বেহরোজ

ফাহিমা ক্লান্ত পায়ে ধপ করে ফোলরে বোসে পড়লো।হাত থেকে লাঠি পড়ে মৃদু আওয়াজ তুলে।তার শরীর র ঘেমে একাকার । কপালের বিন্দু বিন্দু ঘাম হাতের তালু দিয়ে মুছে,বার কয়েক জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেলল।এর পর চোখ তুলে সামনে তাকালো। রিমান্ডে কোন পুরুষ ই টিকতে পারে না, সেখানে আজ চারদিন ধরে একটা নারী রিমান্ডে। তাঁর সামনে চেয়ারে বাঁধা অবস্থায় ঝিমুচ্ছে। চারদিন এ মুখে একবার ও টু শব্দ ও করলো না। শারীরিক, মানসিক কত অত্যাচার করা হয়েছে তবুও ব্যথা য় আর্তনাদ পর্যন্ত করেনি।মনে হচ্ছে একটা পাথর কে পিটানো হচ্ছে।যে পাথরের রক্ত ঝরে কিন্তু জবান খুলে না।আর সেখানে আগমন ঘটে ইন্সপেক্টর তুষার এর। তুষার কে দেখে ফাহিমা কাতর স্বরে বলল 'সম্ভব না আর কিছু তেই কথা বলছে না '।

তুষার অভিঙ্গ মেয়েটিকে দুয়েক সেকেন্ড দেখলো । এরপর গম্ভীর কন্ঠে ফাহিমা কে বললো 'আপনি যান'।
ফাহিমা এলোমেলো পা ফেলে চলে যায়। তুষার একটি চেয়ার টেনে মেয়েটির সামনে বোসলো। কিছু ক্ষণ চুপ থেকে বললো 'আপনার সাথে আজ আমার প্রথম দেখা '।
মেয়েটি কিছু বললোনা ।তাকালোনা। তুষার মেয়ে টির দিকে সূক্ষ্ম দৃষ্টি দিয়ে তাকালো।বলল 'মা বাবাকে মনে পড়ে?'
মেয়েটি চোখ তুলে তাকালো।ঘোলাটে চোখে। কাঁটা ঠোঁট দিয়ে রক্ত পড়ছে। চোখের চারদিকে ঘন কালো।চোখ দুটি লাল। মুখের রং রিমান্ডে আসা সব আসামীর হয়। তুষার মুখের প্রকাশ ভঙ্গি আগের মত রেখে জিজ্ঞেস করলো 'মা বাবাকে মনে পড়ে?'

মেয়েটি মাথা নাড়ায়।মনে পরে তার। তুষার একটু ঝুঁকে । মেয়েটি অসহায় দৃষ্টি মেলে তাকায়। তুষার মেয়ে টির হাতের বাঁধন খুলে নির্বক ভঙ্গিতে প্রশ্ন ছুড়লো 'নাম কি?'

যদিও তুষার মেয়ে টির নাম সহ পুরো ডিটেইলস জানে। তবুও জিজ্ঞেস করলো।তার মনে হচ্ছে মেয়েটি কথা বলবে।
সত্যি তাই হলো মেয়েটি ভরাক্রান্ত নিজের নাম উচ্চারণ করল'পদ্ম........ আমি .... আমি পদ্মজা।

পদ্মজা হেলে পড়ে তুষারের উপর। তুষার দ্রুত ধরে পড়লো ।
উচু কন্ঠে ফাহিমা কে ডাকেন 'মিসেস ফাহিমা এদিকে আসুন'। ফাহিমা সহ আরো দুজন দ্রুত পায়ে এগিয়ে আসে।
_________________________________________
১৯৮৯সাল। সকাল সকাল রশিদ ঘটকের আগমনে ভীষণ বিরক্ত হন হেমলতা । তিনি বার বার প ই প ই করে বলেছেন 'পদ্ম র বিয়ে আমি এখন দুবো না '।পদ্ম কে অনেক পড়াবো। তবুও রশিদ উদ্দিন প্রতি সপ্তাহে , সপ্তাহে একেক পাত্রের খোঁজ নিয়ে আসবে ন।।মেয়ের বয়স আর কত ই হলো? মাত্র ষোল। শামসুল আলামের মেয়ে র বিয়ে হয়েছে চব্বিশ বছর বয়সে।পদ্মর বিয়েও তখন ই হবে। পদ্মের পছন্দ মতো।হেমলতা রশিদকে দেখে ও না দেখার ভান করল। রশিদ এক দোলা থুথু ফেললেন উঠানে। এরপর পদ্মর মার উদ্দেশ্য এ বললেন 'বুঝছো পদ্মর মা এইবার এ যে পাত্র আনছি,একক্কের খাঁটি হীরা।হেমলতা বিরক্ত ভরা কন্ঠে বললেন 'আমি আমার মেয়ের জন্য পাত্র চাই না । তবুও বার বার কেন আসেন আপনি?'
'যুবতী মাইয়া ঘরে রহন ভালা না । 'মেয়েটিতো আমার আমাকেই বুঝতে দেন না 'হেমলতার কন্ঠে বিরক্ত ঝড়ে পড়ছে।

Address

মহিষদল
Mahishadal
721628

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishna Adak posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category