Room For Rent Abu Dhabi

Room For Rent Abu Dhabi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Room For Rent Abu Dhabi, Real Estate, Abu Dhabi.

20/07/2024
10/07/2024

Stop this business

05/06/2024

অবহেলা বোঝার জন্য ভাষার প্রয়োজন হয়না; ব্যবহারই যথেষ্ট!

05/06/2024

কপালে অবহেলা লেখা থাকলে হাজার চেষ্টা করেও ভালোবাসা পাওয়া যায় না!

05/06/2024

স্বামীর হৃদয়কে আয়ত্বে নেয়া

স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনটা যেহেতু আজীবন পারস্পরিক সুসম্পর্ককে দৃঢ়ভাবে আকড়ে ধরে রাখার জন্য, তাই একটি বাস্তব সত্য কথা বলতে হয় যে, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারস্পরিক সু-সম্পর্ক ও সৌহার্দবোধ যদি পরিপূর্ণরূপে

বিদ্যমান থাকে, তাহলে দাম্পত্য সুখ-শান্তিও পূর্ণরূপে হাসিল হতে পারে। এটা ব্যতীত জীবন অসম্পূর্ণ ও দুঃখী বিবেচিত হয় সমাজের নিকট। তাই স্বামীর অন্তর জয় করার পন্থা শিক্ষা করা নারীর অত্যাবশ্যকীয় কর্তব্য; যা ব্যতীত গত্যান্তর নেই। নারী যতই শিক্ষিতা, সুশ্রী-সুন্দরী, রূপসী ও ধনী হোক না কেন, এ সম্পর্কিত নিয়ম-কানুন রপ্ত করা ব্যতীত স্বামীর হৃদয়রাজ্যের রাণী হতে পারবে না।

তাই স্বামীকে আপন বানানোর জন্য তত্ত্ব ও প্রজ্ঞাপূর্ণ কিছু কথা লিপিবদ্ধ করছি। যে সকল নারীরা স্বামীর খিদমত, সেবা-শুশ্রূষা ও মুহাব্বতকে স্বীয় ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করে, আর তাঁর পদতলে জীবন বিসর্জন দেয়াকে নিজের সফলতা মনে করে, তাদের জীবনকে শান্তিময়, সুখময় এবং আনন্দময় বানানোর জন্য এ কথাসমূহের উপর আমল করা অপরিহার্য । এসবই স্ত্রীর উপর কর্তব্য, যা স্বামীর হক ও অধিকারের অন্তর্ভূক্ত। সেগুলো হচ্ছে-নারী জীবনে মাতা-পিতা ও স্বামীর চেয়ে আপন আর কেউ নেই। তাই স্বামীকে প্রাণের চেয়েও প্রিয়, আপনের চেয়েও আপন মনে করতে হবে। স্বামী যদি গরীবও হন, তবুও তাকে ধনী এবং বিত্তশালী মনে করতে হবে। তাকে প্রাণভরে শ্রদ্ধা-ভক্তি করবে। প্রতিটি কার্জ-কর্ম তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী করবে। স্বামী যে কোন কাজ করতে বলবেন, দ্রুত সম্পাদন করে দিবে। তাঁর ইচ্ছা ও মতের বিরোধী কোন কাজ করবে না। সকল কাজে, সকল কথায় তাঁর সন্তুষ্টির প্রতি খেয়াল রাখবে। নিজ সন্তুষ্টির উপর তাঁর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিবে। সকল সময় তাঁর সুখ-শান্তির প্রতি লক্ষ্য রাখবে। এমন কোন কথা বলবে না, যা তাঁর মনে ব্যথা দেয়। খুশী হয়ে স্বামী যা কিছু দিবেন, তা আনন্দচিত্তে কবুল করবে। যে কাজ করতে বলবেন, তা খুশী মনে এমনভাবে করবে, যেন তিনি চিন্তামুক্ত হয়ে যান।

স্বামীর অল্প আয়ে তুষ্ট থাকবে । অভাব-অনটনের কারণে তাঁকে তিরস্কার করবে না। তাঁর সম্মুখে মনমরা হয়ে ঘোরা-ফেরা করবে না। বরং ফুর্তির সাথে চলা-ফেরা করবে। সর্বদা হাসিমাখা চেহারায় নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবে, যেন তোমাকে দেখে তাঁর হৃদয়টা আনন্দে বাগ-বাগ হয়ে যায় এবং সকল পেরেশানী দূর হয়ে যায়। স্বীয় প্রয়োজন সম্পাদনের পূর্বে তার প্রয়োজন সম্পাদন করবে। তাঁকে সাধ্যানুযায়ী সুস্বাদু খাদ্য আহার করাবে। পানাহারের পূর্বে নিজে তাঁর হস্ত ধৌত করাবে।

স্বামী গরীব হলে তার পরিধেয় বস্ত্র সম্ভব হলে নিজে সেলাই করে দিবে। তাঁর কাজ কর্মে সহযোগিতা করবে। নিজ হাতে তাঁর কাজগুলো করে দিতে চেষ্টা করবে। চা, পানি, নাস্তা পূর্ব থেকে প্রস্তুত রাখবে ।

এমন কোন কথা বা কাজ করবে না, যাতে স্বামী পেরেশান হন । তাঁর সাধ্যাতীত কোন কিছুর ফরমায়েশ করবে না। কেননা, যদি তিনি তা আনতে না পারেন, তাহলে নিঃসন্দেহে মনস্তাপে ক্লিষ্ট হবেন। তবে সে জিনিষ নসীবে থাকলে, প্রাপ্ত হবেই। নিজ প্রয়োজন নিজেই সমাধান করতে চেষ্টা করবে। নিজের কোন কাজের জন্য তাঁকে আদেশ করবে না। যখন স্বামী গৃহে প্রত্যাবর্তন করবেন, তখন নাকে নাকে কেঁদে তাঁর সম্মুখে কোন অভিযোগ করবে না। কারণ, জানা তো নেই, তিনি কেমন মেজাজে বাড়ী ফিরলেন এবং বাইরে তাঁর সাথে কি কি অবস্থা ঘটেছে।

স্বামীর পানাহারের প্রাক্কালে এমন আকর্ষণীয় ও মিষ্টিমাখা ভাষায় আলাপচারিতায় লিপ্ত হবে, যেন তিনি শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে পানাহার করতে পারেন। কারণ, নীরবে শান্তিতে বসে ডাল-ভাত খাওয়া কোরমা- পোলাওর মতই মজাদার লাগে । আর অশান্তি ও অস্থিরতার মধ্যে বিরিয়ানী ও বে-মজা ও স্বাদহীন মনে হয়। অভিজ্ঞতা দ্বারা একথা প্রমাণিত যে, কিছু কিছু বে-ওকুফ, বে-আকল ও বিবেক-বুদ্ধিহীন মহিলা এমনও রয়েছে- যারা স্বামী বাড়ীতে প্রত্যাবর্তনের সাথে সাথে সর্ব প্রথম অভিযোগ ও দুঃখের দাস্তান শুনাতে বসে যায়। স্বামীর পানাহার, উঠা-বসা ও বিশ্রামের কথা বে-মালুম ভুলে যায়। কষ্টের কাহিনী শুনিয়ে শুনিয়ে তাকে অতিষ্ঠ করে তোলে। অতঃপর স্বামী বেচারা নামকে ওয়াস্তে যৎসামান্য গলধঃকরণ করে উঠে চলে যেতে বাধ্য হয়। স্ত্রীর এহেন রসকষহীন আচরণে স্বামীও অসন্তুষ্ট হয়ে যান। আর মহান আল্লাহ তা'আলাও অসন্তুষ্ট হয়ে যান ।

যদি আল্লাহ তা'আলা তোমাকে যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা দান করে থাকেন, তাহলে স্বামীর কাজে প্রাণ ভরে সহযোগিতা করবে। তাঁর কাজের বোঝা হালকা করবে। মিষ্টিমাখা ভাষা দ্বারা তাঁর পেরেশানী দূরীভূত করবে। তাঁর দুঃখে দুঃখী হবে, তাঁর সুখে সুখী হবে। যদি তাঁর উপর ঋণের বোঝা থাকে, তাহলে কারিগরী যোগ্যতা বা শিক্ষাগত যোগ্যতার উপার্জন দ্বারা তাঁর ঋণের বোঝা হালকা করতে চেষ্টা করবে। যদি তোমার ব্যক্তি মালিকানায় নগদ অর্থ-কড়ি বা অলংকার সঞ্চিত থাকে, তাহলে ঋণগ্রস্ত

স্বামীর নিকট উপস্থিত করে বলবে যে, আপনার ব্যক্তিত্বের তুলনায় এগুলো আমার নিকট কিছুই নয়। আপনি আছেন, আমার সব কিছুই আছে। এগুলো আপনি নিজ প্রয়োজনে খরচ করুন। আপনার দু'আ মাখা ছায়া যেন সর্বদা আমার মাথার উপর থাকে। আল্লাহ তা'আলা ইচ্ছা করলে, চেয়ে উত্তম সম্পদ দান করতে পারেন। অন্যথায় সব কিছু বেকার হয়ে যাবে।এর দরিদ্র হওয়ার কারণে স্বামীর সেবা-যত্ন অবহেলা বা অবজ্ঞা প্রদর্শন করবে না। ঘরের কাজ-কর্ম নিজ হাতে করতে অভ্যস্ত হবে। এতে আশা করি, আল্লাহ তা'আলা সুখের দিন উপহার দিবেন । অভাব থাকলে সাংসারিক ব্যয় কম করবে, কৃচ্ছতার পথ অবলম্বন করবে। মাসিক যা কিছু উপার্জন হয়, তা থেকে সামান্য হলেও প্রতিমাসে কিছু কিছু সঞ্চয় করবে। সামান্য মনে করে উড়িয়ে দিবে না। নিজের পোশাক-পরিচ্ছদ নিজেই সেলাই করার চেষ্টা করবে। খাদ্য-খাবার নিজ হাতে তৈরী করবে। যতদূর সম্ভব বস্তীর বুয়া-মাসী দ্বারা খাদ্য রান্না করাবে না। সন্তানদের প্রতিপালন ও পরিচর্যা নিজেই করতে চেষ্টা করবে। স্বামী যদি কোন কারণ বশতঃ ক্রোধান্বিত হয়ে যান, তাহলেও তুমি ক্রোধান্বিত হবে না, বরং নম্রতার পথ অবলম্বন করবে। তাঁর ইচ্ছা ও মর্জি মুতাবিক চলবে। তাঁর চাহিদার উপর সন্তুষ্ট থাকবে। তোমার কাজ-কর্মে, আচার-ব্যবহারে তুষ্ট না হলেও তাঁর হক তুমি আদায় করতে থাকবে। এতে আল্লাহ তা'আলা সন্তুষ্ট থাকবেন। তিনি যতটুকু আয় উপার্জন করবেন, তা আমানতদারীর সাথে খরচ করবে। যথেচ্ছা অপব্যয় করবে না। নিজের কষ্ট হলেও তাঁর প্রয়োজন পূর্ণ করবে।

স্বামীর সাথে এমন অমায়িক ব্যবহার করবে এবং লেন-দেন এমন পরিস্কার রাখবে, যেন আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী শুনলে খুশী হয়। এভাবে নারীরা ইচ্ছা করলে নিজ প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও বুদ্ধিমত্তার পরশে মাটির ঘরকে সোনার চেয়েও খাঁটি বানাতে পারে । আবার তার জ্ঞানহীনতা, নিবুদ্ধিতা ও সুষ্ট ব্যবস্থাপনায় অযোগ্যতার কারণে স্বর্ণকমল রাজপ্রাসাদও গোয়াল ঘরে পরিণত হতে পারে। তাই প্রজ্ঞা, যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তা ও সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা নারী জাতির জন্য অমূল্য রত্নরূপে বিবেচিত হয়ে আসছে এই সুন্দর বসুন্ধরায়। সুতরাং তোমার ভাগ্যাকাশে সৌভাগ্যের নক্ষত্র উদিত করতে তোমার প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করতে কখনও কৃপণতা করবে না। বরং রুটিন বাঁধা ও নিয়মবদ্ধ জীবন যাপন করতে অভ্যস্থ হবে ।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে জ্ঞানবতী ও গুণবতী মেয়েরা কখনো দুর্ভোগে পড়ে না। তাদের পেরেশানী ও দুঃখ বহন করতে হয় না। অনিয়মতান্ত্রিক ও অনভিজ্ঞ মহিলারই কষ্ট-যাতণায় পতিত হয়। প্রতিনিয়ত তাকে অসংখ্য ধিক্কার ও ভর্ৎসনার সম্মুখীন হতে হয়। কখনো শান্তি ও নিশ্চিন্তে দু'মুঠো খাওয়াও তার নসীবে জুটতে চায় না। সংসারে কাজ-কর্মের কোন পরিপাট্য, সুন্দর ব্যবস্থাপনা ও গোছগাছ না থাকার কারণে স্বামী বেচারা সর্বদা পেরেশানীতে কালাতিপাত করতে থাকেন। তাঁর নিকট স্ত্রী ও সংসারধর্ম সব কিছুই বিরক্তিকর মনে হয়। স্ত্রীর সামান্য ভুল ও অবহেলার কারণে সংসার পরিণত হয় জাহান্নামে ।

কিন্তু সচেতন, সজাগ ও বুদ্ধিমতী স্ত্রী সর্বদা গৃহকে জান্নাত বানিয়ে রাখে। নিজেও সুখ-শান্তিতে জীবন যাপন করে এবং পরিবারের সকলেই নিশ্চিন্তে ও প্রশান্তিতে কালাতিপাত করে। বরং এমন নারীরা সংসারের সুখ-শান্তির মুল উৎসের ভূমিকা পালন করে। অনেক পুরুষ এমনও রয়েছে- যারা নারীর বাহ্যিক রূপ-লাবণ্যের পরিবর্তে তার গুণের পাগল হয়ে থাকে। তাই বাতেনী গুণের প্রতি যত্নবান হওয়া প্রতিটি নতুন স্ত্রীর কর্তব্য । কারণ, রূপ-লাবণ্য নারীর ক্ষণস্থায়ী সম্পদ । পক্ষান্তরে গুণ ও বুদ্ধিমত্তা তার দীর্ঘস্থায়ী পাথেয় ৷

সচেতন আদর্শ স্ত্রীরা! তোমরা স্বামীর ব্যক্তিত্ব ও তাঁর সন্তুষ্টির স্বার্থে নিজের আমিত্ব ও ক্রোধকে বিসর্জন দাও। বড়ত্ব, অহমিকা, কর্তৃত্ব ও নেতৃত্বকে মোটেও প্রশ্রয় দিবে না। প্রতিবেশী বা পরপুরুষের সহিত আলাপচারিতায় লিপ্ত হবে না। কারো নিকট স্বামীর দুর্নাম করবে না। স্বামীর বদনাম হয়-এমন একটি শব্দও উচ্চারণ করবে না। তাঁর মনে যার আগ্রহ নেই, তা বিলকুল বর্জন করবে। রাগী স্বামীকেও সেবা-যত্ন ও আদর- সোহাগের মাধ্যমে আপন বানাতে চেষ্টা করবে। তাঁর ইচ্ছানুযায়ী চলবে। এমন কাজ করবে, যাতে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে যান। তাঁর গোপনীয় বিষয়াদি কারো নিকট প্রকাশ করবে না । এমন সাজ-গোছ ও রূপচর্চা করবে, যেমনটি তিনি পছন্দ করেন। খারাপ ও দুশ্চরিত্রা নারীদের সংস্রব ত্যাগ করবে।

যদি উল্লেখিত দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমল কর, তাহলে তোমার কিসমত আলোকোভাসিত হয়ে নক্ষত্রের মতই জ্বলজ্বল করবে। সবচেয়ে বড় কথা হল, তোমার স্বামী তোমার অনুগত হয়ে যাবেন। আর সর্বদা তোমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে থাকবেন । অধিকন্তু, তোমাকে নিয়ে অহংকার

করে প্রশান্তি লাভ করবেন। তোমাকে প্রেম-ভালবাসার সুখসাগরে ডুবিয়ে রাখবেন।

05/06/2024

১. তাকওয়ার পর সর্বাপেক্ষা উত্তম জিনিষ
তাকওয়ার পর সর্বাপেক্ষা উত্তম জিনিষ সতী নারী হযরত মাওলানা আশেকে ইলাহী বুলন্দ শহরী (রাহঃ) এ প্রসঙ্গে একটি হাদীস পেশ করেছেন। হাদীসের অর্থ নিম্নে প্রদত্ত হল :

হযরত আবু উমামা (রাঃ) হুজুর (সাঃ)-এর বাণী বর্ণনা করেন, মুমিন বান্দা খোদাভীরুতা অর্জনের পর নিজের জন্য সবচেয়ে উত্তম বস্তু যা সে নির্বাচন করে, তা হল নেকবখত স্ত্রী। যার গুণ এমন, স্বামী যখন তাকে কোন কাজের আদেশ দেয়, তখন তা পূর্ণ করতে স্বামীকে সহযোগিতা করে। আর স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের ও স্বামীর ধন-সম্পদের হিফাজত -মিশকাত, ২৬

করে।

হযরত বুলন্দ শহরী (রাঃ) উল্লেখিত হাদীসের ব্যাখ্যা এরূপ করেছেন, উক্ত হাদীস শরীফে মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, তাকওয়ার নিয়ামত একটি অনেক বড় নিয়ামত। যদি কেউ এ মহা মূল্যবান নিয়ামত সহজেই প্রাপ্ত হয়, তাহলে সে বড় ভাগ্যবান, বরকতময় ব্যক্তি। কেননা, প্রকৃত দ্বীনদারী তাকওয়ারই নাম । এর কারণ এই যে, তাকওয়া হল ফরয, ওয়াজিব আদায় করা এবং হারাম, মকরূহ ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে বেঁচে থাকার নাম । ঐ গুণ অর্জন করতে পারলে বান্দা আল্লাহ তা'আলার প্রিয় পাত্র হয়ে যায় । তাকওয়া ব্যতীত আরো অসংখ্য নিয়ামত এমনও রয়েছে, যার স্তর যদিও তাকওয়ার নিয়ামত থেকে কম। কিন্তু মানব জীবনের জন্য সেটাও অনেক জরুরী ও অমূল্য। ঐ সমস্ত নিয়ামতের মধ্যে সবচে' মূল্যবান নিয়ামত কি? তা মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, তাহল নেক ও সতী স্ত্রী, অতঃপর তিনি নেক ও আদর্শ স্ত্রীর গুণাবলি বর্ণনা করলেন-

১ম গুণ ঃ স্বামীর অনুগত, বাধ্যগত হওয়া। স্বামী যা আদেশ করেন, তা পূর্ণ করে এবং নাফরমানী করে স্বামীর অন্তরকে ব্যাথিত করে না । শর্ত হল, স্বামী তাকে শরীয়ত বিরোধী কোন কাজের আদেশ দেয় না । কেননা, শরীয়ত বিরোধী কাজে কারো আনুগত্য হারাম। কারণ, এতে সৃষ্টিকর্তা, রক্ষাকর্তা মহান আল্লাহ তা'আলার নাফরমানী হয়, যিনি রাজাধিরাজ, বিশ্ববিধাতা ।

২য় গুণ ঃ নবীজী (সাঃ) ইরশাদ করেন, যদি স্বামী স্ত্রীর প্রতি দৃষ্টিপাত করে, তাহলে স্ত্রী স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেয়। অর্থাৎ স্ত্রী তার ঢং, সাজ- সজ্জা, রূপচর্চা স্বামীর মরজী মুতাবেক করে । যখন স্বামীর দৃষ্টি স্ত্রীর চেহারায় পড়ে, তখন তাকে দেখে স্বামীর অন্তর সন্তুষ্ট হয়ে যায়। কোন কোন নির্বোধ নারী অশালীন আচরণ করে । কথায় কথায় মুখ বক্র করে । অসুস্থতা প্রকাশের জন্য খামোখা কোকাতে থাকে। রূক্ষ মেজাজ প্রদর্শন করে। কোন কোন স্ত্রী অগোছানো কেশে অপরিচ্ছন্ন বেশে কাজের বুয়ার মত স্বামীর সম্মুখে ঘোরাফেরা করে। এতে স্বামী মানসিকভাবে ক্লীষ্ট এবং আন্তারিকভাবে ক্ষিপ্ত হতে থাকে। স্বামী এমন স্ত্রীর চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাত করাও অপছন্দ করে; বরং বাইরে থেকে গৃহে প্রত্যাবর্তন করাও মুসীবত মনে করে। এদের মধ্যে ঐ সব নারীরাও রয়েছে, যারা নমায রোজার পাবন্দ হওয়ার কারণে নিজেদেরকে নেককার, দ্বীনদার, পরহেজগার মনে করে, অথচ নেককার ও আদর্শ স্ত্রীর গুণাগুণের মধ্যে এ গুণটিও অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যে, সে স্বামীর অনুগত, বাধ্যগত হবে এবং স্বামী তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলে স্বামীকে সন্তুষ্ট করে দেবে। তবে শরীয়ত বিরোধী খাহেশ পূর্ণ করবে না। এটা জায়েয নেই ৷

৩য় গুণ ঃ নবীজী (সাঃ) ইরশাদ করেন, স্বামী যদি কছম খায় (শপথ করে) কোন কাজ করার, যার সম্পর্ক ইহলৌকিক বা পারলৌকিক, যেমন- আজ তুমি অবশ্যই আমার মায়ের বাড়ি বেড়াতে যাবে অথবা বড় ছেলেকে গরম পানি দ্বারা গোছল করাবে কিংবা আজ তুমি তাহাজ্জুদ নামায পড়বে, তাহলে স্ত্রী স্বামীর শপথকে সত্যে পরিণত করে। অর্থাৎ স্বামী যে কাজের শপথ করে, সে কাজ করে স্বামীকে সন্তুষ্ট করে। তবে শর্ত হল, সে কাজ শরীয়ত সম্মত হতে হবে। অন্যথায় স্বামীর কছম পূর্ণ করলে গুনাহগার হবে।

লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে, স্বামী কর্তৃক এভাবে কছম খাওয়া যে, “তুমি কিন্তু এ কাজটি অবশ্যই করবে”, স্ত্রীর প্রতি অধিক প্রেম-ভালবাসার কারণেই হয়ে থকে। যার সাথে গভীর সুসম্পর্ক এবং যার উপর অধিকার চলে, তাকেই বলা যেতে পারে, “এ কাজ তোমাকে করতেই হবে।” এমন পরিস্থিতিতে কোন কোন সময় স্বামী স্ত্রীকে কছম দিয়ে থাকে। কখনও কখনও স্বয়ং স্বামী নিজেও কছম খেয়ে থাকে। যে সব স্ত্রীদের সাথে স্বামীদের আন্তরিক ও অকৃত্রিম ভালবাসা ও সুসম্পর্ক রয়েছে, তারাই কেবল স্বামীদেরকে সন্তুষ্ট রাখার প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখে। উল্লেখিত তৃতীয় গুণ বর্ণনায় ঐ বিশেষ প্রেম-ভালবাসা, দাবী ও চাহিদা আলোচিত হয়েছে, যা প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি স্বামী-স্ত্রীর মাঝে হওয়া বাঞ্ছনীয় ।

৪র্থ গুণ : নবীজী (সাঃ) ইরশাদ করেন, যদি স্বামী কোথাও চলে যায় এবং স্ত্রীকে গৃহে রেখে যায়, যেমনটি অধিকাংশ সময় হয়ে থাকে, তখন স্ত্রীর কর্তব্য এই যে, স্বীয় জীবন, যৌবন এবং স্বামীর ধন-সম্পদ সংরক্ষণে ঐ পন্থা অবলম্বন কবরে, যে পন্থা সে স্বামীর উপস্থিতিতে করে। আত্ম- মর্যাদাবোধসম্পন্ন স্বামীরা কখনও এটা পছন্দ করবে না যে, তার স্ত্রী অন্য কোন বেগানা পুরুষকে দেখুক বা বেগানা পুরুষের সম্মুখে আসুক কিংবা পর-পুরুষের চোখে চোখ রেখে হাসুক অথবা মন বিনিময় করুক। যখন স্বামী গৃহে উপস্থিত থাকে, তখন সে একান্ত তারই স্ত্রী হয়ে থাকে। আর যখন স্বামী কোন কাজে বাইরে চলে যায়, তখনও একমাত্র তারই স্ত্রীরূপে গৃহে পর্দানশীন হয়ে অবস্থান করে। যখন কোন পুরুষের সাথে বিবাহ হয়ে গেল, তখন চারিত্রিক পবিত্রতা ও সতীত্ব সংরক্ষণ ঐ পুরুষ (স্বামী) এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে গেল। এখন স্ত্রী মানসিক ও মানবিক কামনা-বাসনা পূর্ণ করার কেন্দ্রস্থল একমাত্র স্বামীকেই বানিয়ে নেবে, অন্য কাউকে নয় । আর স্বামীর অনুপস্থিতিতে এক রকম আচরণ, আর তার অনুউপস্থিতিতে অন্য রকম। যেমন ঃ তার টাকা-পয়সা লুটিয়ে দেবে অথবা মায়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেবে কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ব্যয় করবে। যদি স্বামীর অনুপস্থিতিতে অথবা তার অনুমতি ব্যতীত তার ধন-সম্পদ, টাকা-পয়সা অপচয় করে, তাহলে তা হবে খিয়ানত ও স্বামীর সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা ৷ যেমন ঃ একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

لا تبغيه خونا فى نفسها ولا ماله المشكوة ص ۲۸۳

একটি প্রশ্ন তার ও তার উত্তর

যদি কেউ প্রশ্ন করে যে, আমাদের সমাজে কোন কোন স্বামী এমন রয়েছে, যারা স্বীয় প্রাণপ্রিয় স্ত্রীকে বেগানা পুরুষদের সম্মুখে উপস্থিত করে। বরং তাদের সাথে স্ত্রীকে হাত মিলাতে বলে । শুধু তা নয়, বরং পর পুরুষদের সম্মুখে নাচতে বাধ্য করে। এখন যদি ঐ সমস্ত স্বামীদের স্ত্রীগণ স্বামীর অনুপস্থিতে পরপুরুষের সাথে কুসম্পর্ক রাখে, যা স্বামীর ইচ্ছানুযায়ী: সম্পাদিত হয়। তাহলে তা বৈধ হওয়া উচিত? কারণ, এতে স্বামীর সাথে খিয়ানতও হয় না, বিশ্বাস ঘাতকতাও হয় না। কেননা, স্বামী তো স্বয়ং নিজেই চায় যে, তার স্ত্রী বেগানা পুরুষদের সাথে মেলা-মেশা করুক। বরং অনেক স্বামী তো এতে আনন্দিত হয়। কারণ, তারা স্বীয় স্ত্রীকে মডাৰ্ণ দেখতে চায়। তার স্ত্রীর বয় ফ্রেন্ড অসংখ্য। এটা তো আপটুডেট হওয়ার আলামত। আনন্দিত হওয়ারই কথা? ঐ প্রশ্নের উত্তর এই যে, হাদীস শরীফে মুসলমান নারী-পুরুষের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে। কোন মুসলমান কখনও নির্লজ্জ ও মর্যাদাবোধহীন হতে পারে না এবং কখনও এটা বরদাস্ত করতে পারে না যে, তারই প্রাণপ্রিয় স্ত্রীর উপর কোন বেগানা পুরুষের দৃষ্টি পড়ুক কিংবা হস্ত প্রসারিত হোক। আর না কোন মুমিন আদর্শ স্ত্রী এটা পছন্দ করবে যে, স্বামী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষের সাথে তার কুসম্পর্ক হোক। যারা বর্তমান আধূনা সমাজ ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চায় এবং স্ত্রীকে মডার্ণ বানানো পছন্দ করে, তারা নিঃসন্দেহে ইয়াহুদী নাছারাদের জীবন ব্যবস্থারই অনুকরণ করছে। তাদের মধ্যে কতটুকু ঈমান রয়েছে, প্রিয় নবীজীর (সাঃ) সাথে তাদের কতটুকু মুহাব্বত, কুরআন হাদীসের সাথে তাদের কতটুকু ভালবাসা? যদি এসব যাচাই করা হয়, তাহলে ফলাফল দাড়াবে শূন্যের কোঠায়। এরা সহীহ মুমিন হওয়া তো দূরের কথা, সহীহ মানুষ কিনা তাতেও রয়েছে প্রচুর সন্দেহ।

উল্লেখিত হাদীস শরীফে এমন ঈমানহারা বদ নসীব মানুষের আলোচনা করা হয়নি; বরং সম্মানিত মর্যাদাবোধসম্পন্ন মুমিন নারী-পুরুষের আলোচনা করা হয়েছে।

01/06/2024

BBC News, বাংলা
সরাসরি কনটেন্টে যান
সেকশন
মূলপাতারাজনীতিসর্বাধিক পঠিতবিশ্বঅর্থনীতিস্বাস্থ্যখেলাপ্রযুক্তিভিডিও
বিজ্ঞাপন

'যুক্তরাষ্ট্রের চাপে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ!'
সংবাদপত্র
৩ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের চাপে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ! শিরোনামটি দেশ রুপান্তরের। এতে বলা হয় সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদের সম্পদ ক্রোকের আদেশ এবং তার বিদেশে চলে যাওয়া নিয়ে আলোচনার মধ্যেই জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

সরকার ও আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, দুর্নীতি, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্কের যে টানাপড়েন চলছে, তা থেকে উত্তরণের প্রথম ধাপ হলো বেনজীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পর্যায়ক্রমে এমন আরও কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে সরকার।

দেশে নেই বেনজীর – যুগান্তরের শিরোনাম। দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও হাজার কোটি টাকার সম্পদের তথ্য প্রকাশের পর একা হয়ে পড়েছেন তিনি। চলে গেছেন পরিচিত গণ্ডির বাইরে।

তবে বেনজীরের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া গেছে। বেনজীর এখন দেশে নেই। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের রেকর্ডে উল্লেখ আছে, গত ৪ মে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন। এদিকে বেনজীর পরিবারের সম্পদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান টিম। ধারাবাহিকভাবে তারা বেনজীর পরিবারের নামে-বেনামে নতুন নতুন সম্পদের তথ্য পাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিবিসি বাংলার খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল অনুসরণ করুন।

ভয় দেখিয়ে সংখ্যালঘুদের জমি কিনে নেন বেনজীর – প্রথম আলোর শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে প্রায় ৬০০ বিঘা জমি কেনা হয়েছে। এসব জমির প্রায় সবই ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাঁরা বলছেন, জমি বিক্রি ছাড়া তাঁদের কোনো উপায় ছিল না। ভয় দেখিয়ে, জোর করে এবং নানা কৌশলে তাঁদের কাছ থেকে জমিগুলো কেনা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে গিয়ে জমি বিক্রি করা হিন্দু পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের জমি কিনতে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়োজিত রেখেছিলেন বেনজীর আহমেদ। বেনজীর পরিবারের রিসোর্টের নির্মাণকাজের তদারক করতেন পুলিশ ও র‍্যাবের কিছু সদস্য। তাঁদের দিয়ে তরমুজ চাষসহ কৃষিকাজও করানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি প্রথম আলোর কাছে স্বীকারও করেছেন। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে কিছু করার থাকে না।

আরো পড়তে পারেন:
বেনজীর গত এক দশকে যেভাবে আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন
৪ ঘন্টা আগে
বেনজীর, আজিজের 'দুর্নীতি' ও ভারতে এমপি খুনের ইস্যুতে নানা প্রশ্ন আর সমালোচনা
৩১ মে ২০২৪
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেনটি বন্ধের পর আবার চালুর ঘোষণা, যা জানা যাচ্ছে
৩১ মে ২০২৪
সংবাদপত্র
বেনজীর কখন গ্রেপ্তার হবেন তা ঠিক করবেন আদালত – ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্য নিয়ে শিরোনাম কালবেলার।

বলা হয় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে বিদেশে পালিয়ে গেছেন কি না, তা জানা নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তিনি বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্যেই আছেন। দুদক মামলা করার পর আদালত ঠিক করবেন, কখন তাকে গ্রেপ্তার করবেন, জেলে পাঠাবেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

Hundreds flock to Dhaka Airport – ডেইলি স্টারের খবরটিতে বলা হচ্ছে মালয়েশিয়ায় শ্রম ভিসায় প্রবেশের শেষ দিনে বিমানবন্দরে শত শত মানুষ ভিড় করে। তাদের অনেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘন্টার পর ঘন্টা অনিশ্চয়তা নিয়ে অপেক্ষা করে, কারণ গতকালই শেষ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সময়সীমা।

এসময় অনেককে দেখা যায় টিকিট ছাড়াই বিমানবন্দরে এসে ভিড় করতে কারণ এজেন্সি তাদের আশ্বাস দিয়েছে যেকোন ভাবে সময় ফুরাবার আগেই টিকিট পৌঁছানোর। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই মালয়েশিয়া যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে হতাশার সঙ্গে জানান তাদের স্থানীয় এজেন্ট এখন ফোনই ধরছে না। গত মার্চে মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানায় বাংলাদেশসহ আরও ১৩টি দেশের শ্রমিকদের ৩১শে মে’র পর মালয়েশিয়ায় ঢুকতে দেয়া হবে না।

৫ লাখ টাকা খরচেও মালয়েশিয়া যেতে পারেন নি ৩১ হাজার শ্রমিক – নয়া দিগন্তের শিরোনাম এটি।

রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দাবি অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিক ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করার পরও ‘স্বপ্নের দেশ’ মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমাতে পারেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যারা যেতে পারেননি তাদের অনেকেই বিমানবন্দরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসব শ্রমিকের দায় এখন কে নেবে তা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। তারা কি আদৌ দেশটিতে যেতে পারবেন? না যেতে পারলে এজেন্সিগুলোতে তাদের জমা দেয়া লাখ লাখ টাকা তারা কিভাবে ফেরত পাবেন, তা নিয়েও বিদেশ যেতে না পারা হাজার হাজার শ্রমিক ও তাদের স্বজনদের মধ্যে টেনশন বাড়ছে।

সংবাদপত্র
আইএমএফের ছকে বাজেটের অঙ্ক কষছে সরকার – সমকালের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির শর্তের ছকে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের অঙ্ক কষছে সরকার। ঋণের শর্তে আইএমএফ যা যা করতে বলেছে, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর বাজেট বক্তব্যে সেগুলোর বেশির ভাগ বাস্তবায়নের ঘোষণা থাকবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকার আগে নিজের মতো করেই বাজেট প্রণয়ন করত। তবে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফ ঋণ অনুমোদনের পর চলতি বাজেটে সংস্থাটির শর্তের প্রতিফলন দেখা যায়। আগামী বাজেটে তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। আগামী ৬ জুন সংসদে ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’ শীর্ষক নতুন বাজেট উপস্থাপন হবে। তাতে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের ঘোষণা থাকবে। ঘোষিত মুদ্রানীতিতেও আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা গেছে।

অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডলার সংকট কাটিয়ে উঠছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ পারবে কি – বণিক বার্তার অন্যতম শিরোনাম এটি।

বিস্তারিত বলা হচ্ছে তীব্র ডলার সংকটে নাজুক পরিস্থিতি ছিল পাকিস্তানের। দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে চলে যাওয়া দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে এসেছিল মাত্র ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। রেকর্ড পতনের দেখা পায় পাকিস্তানি রুপি। কিছুদিন হলো নাজুক সে পরিস্থিতি থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান।

এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে ‘রোশান ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট’ নামের একটি ব্যাংক সেবার উদ্ভাবন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রবাসী পাকিস্তানিরা এরই মধ্যে এ ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার জমা করেছে।

বৈশ্বিক বিভিন্ন সংস্থার পর্যবেক্ষণ বলছে, এ মুহূর্তে মুদ্রাবাজারে পারফরম্যান্সে এশিয়ার শীর্ষ মুদ্রা পাকিস্তানি রুপি। আর পাকিস্তানের নিট রিজার্ভ ৩ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

আড়াই বছর ধরে ডলারের তীব্র সংকট চলছে বাংলাদেশেও। এ সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ঘটেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। ডলারের জোগান বাড়াতে এ পর্যন্ত অনেক উদ্যোগই নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২৯ নভেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত রাখার সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপন আমলে নিয়ে দেশের বেশকিছু ব্যাংক এরই মধ্যে ‘অফশোর ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট’ নামে একটি ব্যাংক সেবা চালু করেছে। ব্যাংকাররা বলছেন, এটিকে অনেকটা পাকিস্তানে চালু হওয়া রোশান ডিজিটাল অ্যাকাউন্টেরই বাংলাদেশী সংস্করণ বলা চলে।

সংবাদপত্র
Another round of cost hikes across board loom as fuel prices increase again – ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম।

বলা হচ্ছে আজ থেকে অকটেন, ডিজেল, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম আপনাকে বেশি দিতে হবে কারণ সরকার আবারও জ্বালানির মূল্য নতুন করে পুন:নির্ধারণ করেছে। যাতে অকটেন প্রতি লিটারে বেড়ে হয়েছে ১৩১ টাকা, পেট্রোল ১২৭, আর ডিজেল ও কেরোসিন ১০৭.৭৫ টাকা। কিন্তু এই মাসে বাংলাদেশে যখন দাম বাড়ানো হল, তখন বৈশ্বিক জ্বালানির দাম কমেছে।

অনলাইন পোর্টাল অয়েলপ্রাইস.কম বলছে, বিশ্ববাজাড়ে গড়ে অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার থেকে কমে হয়েছে ৮৩ ইউএস ডলার। কিন্তু বাংলাদেশের জ্বালানি বিভাগ বলছে পেট্রোলিয়ামের দাম কমলেও ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় মূল্যের কারণে এখানে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঈদের আগেই বাড়ছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম – দৈনিক ইত্তেফাকের খবর এটি। কোরবানির মধ্যে যেসব মসলার চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি তাদের মধ্যে উপরের দিকে থাকে পেঁয়াজ ও রসুন। অথচ ঈদের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে পণ্য দুটির দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ৫টাকা থেকে ২০ টাকা ও রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া ডিমের দাম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে। বেড়েছে সবজির দামও।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
বিএনপির বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হতো এমন ১৪৮ অ্যাকাউন্ট ও পেজ সরিয়েছে ফেসবুক
৩১ মে ২০২৪
উগান্ডা যেভাবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে
৩১ মে ২০২৪
‘অল আয়েস অন রাফাহ’: বিশ্বজুড়ে যা প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ শেয়ার করেছে
৩১ মে ২০২৪
সংবাদপত্র
ভ্যাট জালের বাইরে কে? মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয় দেশের জনসংখ্যার প্রায় সবাই ভ্যাটের আওতায়। ১০০ টাকার ফ্লেক্সিলোডে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক ২৭ টাকা। গ্রাহকদের এই টাকার একটা বড় অংশ চলে যাচ্ছে সরকারের কোষাগারে।

দেশে বর্তমানে মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটির বেশি। এ তালিকায় শীর্ষ ধনীরা যেমন আছেন, তেমনি রয়েছেন দরিদ্র মানুষ। বর্তমানে একজন ভোক্তা মোবাইলে ১০০ টাকা রিচার্জ করলে ৭৩ টাকার কথা বলতে পারেন।

এ ছাড়া যার ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে সেই অ্যাকাউন্ট থেকে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা কেটে রাখা হয়। যা এক্সাইজ ডিউটি বা আবগারি শুল্ক নামে পরিচিত। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বছরে দুইবার- একবার জুনে এবং একবার ডিসেম্বরে টাকা কেটে রাখা হয়। পুরোটাই ব্যাংক সরকারের হয়ে কালেক্ট করে সরকারের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।

সম্পর্কিত বিষয়
বাংলাদেশ
সংবাদমাধ্যম
যুক্তরাষ্ট্র
সাংবাদিকতা
প্রধান খবর
বেনজীর গত এক দশকে যেভাবে আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন
৪ ঘন্টা আগে
গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েলের প্রস্তাব খোলাসা করলেন বাইডেন
এক ঘন্টা আগে
'যুক্তরাষ্ট্রের চাপে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ!'
৩ ঘন্টা আগে
নির্বাচিত খবর
জিয়াউর রহমান
জিয়াউর রহমান: চট্টগ্রামের পাহাড়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃতদেহের খোঁজ মিলেছিল যেভাবে
৩০ মে ২০২১
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
জিয়াউর রহমান: যে পাঁচটি বিষয় তাকে আলোচিত-সমালোচিত-বিতর্কিত করেছিল
৩০ মে ২০২১
জিয়াউর রহমান
জিয়াউর রহমান হত্যার সময় কেমন ছিলো চট্টগ্রামের পরিস্থিতি?
৩০ মে ২০১৭
ধূমপান
চিকিৎসকের দৃষ্টিতে ধূমপান ছাড়ার ১০টি সহজ উপায়
৩১ মে ২০১৮
পেটের ব্যথা নানা ধরনের হয়ে থাকে।
পেট ব্যথা কেন হয়? কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
২৭ জানুয়ারি ২০২৪
সর্বাধিক পঠিত

বেনজীর গত এক দশকে যেভাবে আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন

'যুক্তরাষ্ট্রের চাপে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ!'

গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েলের প্রস্তাব খোলাসা করলেন বাইডেন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেনটি বন্ধের পর আবার চালুর ঘোষণা, যা জানা যাচ্ছে

‘অল আয়েস অন রাফাহ’: বিশ্বজুড়ে যা প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ শেয়ার করেছে
BBC News, বাংলা
বিবিসির ওপর কেন আপনি আস্থা রাখতে পারেন
ব্যবহারের শর্তাবলী
বিবিসি সম্পর্কে
প্রিভেসি নীতি
কুকিজ
বিবিসির সাথে যোগাযোগ করুন
Do not share or sell my info
© 2024 বিবিসি। বাইরের কোন সাইটের তথ্যের জন্য বিবিসি দায়বদ্ধ নয়। বাইরের লিংক সম্পর্কে বিবিসির দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে পড়ুন।

30/05/2024

A/C Freeze technician support available abu Dhabi contact 0542217858

Address

Abu Dhabi

Telephone

+971542217858

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Room For Rent Abu Dhabi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Room For Rent Abu Dhabi:

Share

Category