অ্যাড. সাদ্দাম হোসাইন আবির

অ্যাড. সাদ্দাম হোসাইন আবির Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অ্যাড. সাদ্দাম হোসাইন আবির, Shekertake, Road No. 7, Holding No. 48, Rofiq Housing, Mohammadpur, Badda.

Advocate
Supreme Court of Bangladesh
Head of Chamber
Advocate Saddam & Associates
01953-335544 (WhatsApp)
Chamber Address:
PC Culture Housing, (Rofiq Housing), Road No. 7, Holding No. 48 (4th Floor), Shekhartake, Mohammadpur, Dhaka.

দলিলের দাগ নম্বর ভুল বনাম সীমানার প্রাধান্য: স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারে হাইকোর্টের যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণ- Advocate ...
17/06/2026

দলিলের দাগ নম্বর ভুল বনাম সীমানার প্রাধান্য: স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারে হাইকোর্টের যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণ
- Advocate Saddam Hossen
_______________________________
✅ [𝐁𝐋𝐃, 𝟑𝟎 (𝐇𝐂𝐃), 𝟒𝟐𝟒]
✅সিভিল রিভিশন নং ৪১২৬/২০০৫

✅ #মামলার_পটভূমিঃ

এই মামলার মূল বিবাদ ছিল ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন ১৩৮ নং দাগের (সি.এস খতিয়ান ৫৬৯) জমি নিয়ে। মামলার বাদী আব্দুল জব্বার ও তার ভাই আব্দুল করিম দাবি করেন যে, ১৯৪৯ সালে তাদের মা চন্দ্রভান বিবি একটি হেবা-বিল-এওয়াজ দলিলের (দলিল নং ৪৩৬৭) মাধ্যমে এই জমি তাদের প্রদান করেন।

তবে দলিলের করণিক ভুলের কারণে ১৩৮ নং দাগের পরিবর্তে ১৬৮ নং দাগ লেখা হয়েছিল। বাদীপক্ষ দাবি করে যে, তারা উক্ত জমিতে ভোগদখলে ছিলেন এবং ১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে বিবাদীরা 'গ' তফসিলভুক্ত জমি থেকে তাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে। অন্যদিকে বিবাদীরা দাবি করেন, এই জমি উসমান ফকিরের ছিল এবং বাদীপক্ষের মামলাটি মূলত দলিল সংশোধনের একটি তামাদি প্রচেষ্টামাত্র।

✅ #অধস্তন_আদালতের রায়ঃ

যুগ্ম জেলা জজ, ২য় আদালত, ঢাকা (Title Suit No. 278/1993) মামলাটি বিচার করে বাদীর পক্ষে রায় প্রদান করেন। আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, ১৯৪৯ সালের দলিলে দাগ নম্বর ভুল থাকলেও জমির যে সীমানা (boundary) দেওয়া হয়েছিল তা ১৩৮ নং দাগের সাথে হুবহু মিলে যায়। এছাড়া বিবাদীরা জোরপূর্বক জমি দখল করেছেন বলে আদালত সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

✅ #আপিল_আদালতের_রায়ঃ

বিবাদীপক্ষ বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা জজ, ১ম আদালত, ঢাকায় আপিল (Title Appeal No. 149/2002) করেন। আপিল আদালত ২০০৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখেন এবং আপিলটি খারিজ করে দেন। আপিল আদালত বাদীর মালিকানা ও দাগ নম্বর ভুলের বিষয়টি গ্রহণ করলেও বিবাদীদের দ্বারা দখলচ্যুতির বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ দেননি।

✅ ্ষের_বক্তব্যঃ

✅আবেদনকারী (বিবাদীপক্ষ):

তাদের প্রধান যুক্তি ছিল যে, দলিলে দাগ নম্বর ভুল থাকায় এটি সংশোধনের মামলা হওয়া উচিত ছিল যা অনেক আগেই তামাদি হয়ে গেছে। এছাড়া তারা দাবি করেন, বাদীরা কোনোভাবেই জমির দখলে ছিলেন না এবং দখলচ্যুতির কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ বা প্রমাণ নিম্ন আদালতগুলোতে উপস্থাপিত হয়নি।

✅বিবাদীপক্ষ (বাদীপক্ষ):

তাদের আইনজীবীর যুক্তি ছিল, তামাদির প্রশ্নটি বিবাদীরা আগে কখনো তোলেননি, তাই রিভিশন পর্যায়ে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া আইনের প্রতিষ্ঠিত নীতি অনুযায়ী, দলিলের দাগ নম্বর এবং সীমানার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে সীমানাই প্রাধান্য পাবে। তারা ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর দখলচ্যুত হয়েছেন বলে জোরালো দাবি করেন।

✅ #হাইকোর্টের_রায়_ও_পর্যবেক্ষণঃ

মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং সাক্ষ্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে নিম্নলিখিত পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন:

#সীমানার_প্রাধান্য:
আদালত স্পষ্টভাবে জানান যে, যদি কোনো দলিলে দাগ নম্বর ভুল থাকে কিন্তু সীমানা সঠিক থাকে, তবে আইনিভাবে সীমানাই কার্যকর হবে।

#তামাদির_প্রশ্ন:
যেহেতু বিবাদীপক্ষ ট্রায়াল কোর্টে তামাদির বিষয়ে কোনো আপত্তি তোলেনি বা কোনো ইস্যু গঠন করেনি, তাই রিভিশন আদালতে এই নতুন যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

#সাক্ষ্য_পর্যালোচনা:

আপিল আদালত দখলচ্যুতির বিষয়ে নীরব থাকায় হাইকোর্ট নিজেই সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করেন। পি.ডব্লিউ-২ এবং পি.ডব্লিউ-৪, যারা উভয় পক্ষেরই আত্মীয়, তাদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত নিশ্চিত হন যে বাদীরা ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর তারিখে দখলচ্যুত হয়েছিলেন।

#মহামান্য_হাইকোর্টের_সিদ্ধান্তঃ

হাইকোর্ট আবেদনকারীদের আনা রিভিশন আবেদনটি #খারিজ_করে_দেন ( )।

এর ফলে নিম্ন আদালত ও আপিল আদালতের বাদীর পক্ষে দেওয়া রায় ও ডিক্রি চূড়ান্তভাবে বহাল থাকে। আদালত স্থগিতাদেশ বাতিল করে অবিলম্বে মামলার নথি নিম্ন আদালতে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।

✍️
সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

16/06/2026

নতুন ভূমি আইনে অন্যের জমি নিজের বলে দাবি করলে বা দখল করলে ৭ বছরের কারাদণ্ড
ও অর্থদণ্ড হবে।

হেবা দলিল কি বাতিল করা যায়? উচ্চ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। - Advocate Saddam Hossen _____________________________...
16/06/2026

হেবা দলিল কি বাতিল করা যায়? উচ্চ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
- Advocate Saddam Hossen
_______________________________

মুসলিম আইনে হেবা (দান) একটি স্বীকৃত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি জীবদ্দশায় স্বেচ্ছায় তার সম্পত্তি অন্য কাউকে প্রদান করতে পারেন। তবে অনেকের প্রশ্ন, একবার হেবা সম্পন্ন হলে তা কি পরে বাতিল করা যায়?

আইন ও উচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় থেকে জানা যায়, একটি বৈধ হেবা সম্পন্ন হওয়ার জন্য তিনটি মৌলিক শর্ত পূরণ করতে হয়:

✅ দাতার পক্ষ থেকে দানের ঘোষণা (Declaration of Gift)
✅ গ্রহীতার পক্ষ থেকে দান গ্রহণ (Acceptance)
✅ দখল হস্তান্তর (Delivery of Possession)

এই তিনটি শর্ত পূরণ হলে হেবা সম্পূর্ণ ও কার্যকর বলে গণ্য হয়।

হেবা বাতিল হতে পারে কখন?

নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে আদালত হেবা অকার্যকর বা বাতিল ঘোষণা করতে পারেন:

🔹 প্রকৃত দখল হস্তান্তর না হলে;
🔹 প্রতারণা, জবরদস্তি বা অযাচিত প্রভাবের মাধ্যমে হেবা সম্পাদিত হলে;
🔹 হেবার আইনগত মৌলিক শর্তসমূহ পূরণ না হলে।

অন্যদিকে, যদি বৈধভাবে হেবা সম্পন্ন হয় এবং গ্রহীতা সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেন, তাহলে সাধারণত দাতা একতরফাভাবে সেই হেবা প্রত্যাহার বা বাতিল করতে পারেন না।

✅উচ্চ আদালত কী বলেছেন?

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ, Md. Hesabuddin and others vs. Md. Hesaruddin and others মামলায় উল্লেখ করেছেন যে, হেবা সম্পন্ন হওয়ার জন্য ঘোষণা, গ্রহণ এবং দখল হস্তান্তর অপরিহার্য উপাদান। বিশেষ করে দখল হস্তান্তর ছাড়া হেবা সম্পূর্ণ হয় না। [15 BLD, (AD), P- 9

এছাড়াও, Abdul Jalil vs. Sufia Khatun মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ পর্যবেক্ষণ করেন যে, বৈধভাবে সম্পন্ন ও দখল হস্তান্তরিত হেবা সাধারণত প্রত্যাহার করা যায় না। [ 14 BLD, (HCD), P- 247]

মনে রাখবেনঃ

শুধু রেজিস্ট্রি করলেই হেবা সম্পূর্ণ হয় না। আদালত প্রয়োজনে পরীক্ষা করবেন, বাস্তবে সম্পত্তির দখল গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে কি না।

অতএব, বৈধভাবে সম্পন্ন ও দখল হস্তান্তরিত হেবা সাধারণভাবে বাতিলযোগ্য নয়। তবে দখল হস্তান্তরের অভাব, প্রতারণা বা অন্যান্য আইনগত ত্রুটি প্রমাণিত হলে আদালতের মাধ্যমে হেবা বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণা করা সম্ভব।

✍️
সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

ঠিকানাঃ
পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শেখেরটেক, রফিক হাউজিং, রোড নং-০৭, বাড়ি নং-৪৮ (৪র্থ তলা), মোহাম্মদপুর, ঢাকা৷
01953-335544 (WhatsApp)

 #হেবা, দানপত্র ও বন্টন দলিলে উৎস কর বাতিল করতে হবে৷ - Advocate Saddam Hossen
15/06/2026

#হেবা, দানপত্র ও বন্টন দলিলে উৎস কর বাতিল করতে হবে৷
- Advocate Saddam Hossen

অছিয়তনামা (Will) দলিল কী? কেন করবেন? কীভাবে করবেন? | সম্পূর্ণ আইনি আলোচনা ✅---Advocate Saddam Hossen ___________________...
15/06/2026

অছিয়তনামা (Will) দলিল কী? কেন করবেন? কীভাবে করবেন? | সম্পূর্ণ আইনি আলোচনা ✅
---Advocate Saddam Hossen
_______________________________

আজকের এই লেখায় আমরা আলোচনা করবো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয় নিয়ে, সেটি হলো অছিয়তনামা বা Will দলিল।

অনেকেই জানতে চান:

✔️ অছিয়তনামা কী?
✔️ কে অছিয়ত করতে পারেন?
✔️ কতটুকু সম্পত্তি অছিয়ত করা যায়?
✔️ অছিয়তনামা কীভাবে তৈরি করতে হয়?
✔️ অছিয়তনামা কি পরে বাতিল করা যায়?

চলুন আইন অনুযায়ী বিষয়গুলো সহজ ভাষায় জেনে নেওয়া যাক।

📌 অছিয়তনামা (Will) কী?

অছিয়তনামা হলো এমন একটি আইনগত ঘোষণা, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বা সম্পদের একটি অংশ কাকে, কীভাবে এবং কোন শর্তে দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করে যান।

অর্থাৎ, অছিয়ত কার্যকর হয় ব্যক্তির মৃত্যুর পরে।

ব্যক্তি জীবিত থাকা অবস্থায় অছিয়ত কার্যকর হয় না।

📌 কেন অছিয়তনামা করা প্রয়োজন?

অছিয়তনামা করার মাধ্যমে:

✅ সম্পত্তি নিয়ে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিরোধ কমে।

✅ কোনো বিশেষ ব্যক্তি, এতিম, প্রতিবন্ধী সন্তান বা সামাজিক প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্পত্তির অংশ নির্ধারণ করা যায়।

✅ মৃত্যুর পর সম্পত্তি বণ্টন সম্পর্কে নিজের ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা যায়।

✅ দীর্ঘমেয়াদি পারিবারিক বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা এড়ানো সম্ভব হয়।

📌 কে অছিয়ত করতে পারেন?

যে ব্যক্তি:
✔️ প্রাপ্তবয়স্ক,
✔️ সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন,
✔️ স্বেচ্ছায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম,

তিনি তার সম্পত্তি সম্পর্কে অছিয়ত করতে পারেন।

📌 মুসলিম আইনে কতটুকু সম্পত্তি অছিয়ত করা যায়?

মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী সাধারণভাবে একজন মুসলিম ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) পর্যন্ত অছিয়ত করতে পারেন।

এক-তৃতীয়াংশের বেশি অছিয়ত করতে চাইলে উত্তরাধিকারীদের সম্মতি প্রয়োজন হবে।

📌 উত্তরাধিকারীর নামে অছিয়ত করা যায় কি?

মুসলিম আইনের সাধারণ নীতি হলো:

"কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর অনুকূলে অছিয়ত করা যায় না।"

তবে অন্যান্য উত্তরাধিকারীরা মৃত্যুর পর সম্মতি দিলে সেই অছিয়ত কার্যকর হতে পারে।

📌 অছিয়তনামা কীভাবে করতে হয়?

একটি বৈধ অছিয়তনামায় সাধারণত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকে:

🔹 অছিয়তকারীর পূর্ণ পরিচয়
🔹 সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ
🔹 কাকে কতটুকু সম্পত্তি দেওয়া হবে
🔹 প্রয়োজনে বিশেষ শর্তাবলি
🔹 অছিয়তকারীর স্বাক্ষর
🔹 সাক্ষীদের স্বাক্ষর

যদিও আইনগতভাবে অনেক ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়, তবুও ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে নিবন্ধিত অছিয়তনামা করা অধিক নিরাপদ।

📌 অছিয়তনামা কি বাতিল করা যায়?

হ্যাঁ।

অছিয়তকারী জীবিত থাকা অবস্থায় যেকোনো সময়:

✔️ অছিয়ত পরিবর্তন করতে পারেন,
✔️ নতুন অছিয়ত করতে পারেন,
✔️ পূর্বের অছিয়ত সম্পূর্ণ বাতিল করতে পারেন।

কারণ অছিয়তকারীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অছিয়ত চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় না।

📌 অছিয়তনামা ও হেবা (দান) কি এক জিনিস?

না।

অনেকেই এই দুটি বিষয়কে গুলিয়ে ফেলেন।

✅হেবা (Gift)
➡️ জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়।
➡️ তাৎক্ষণিকভাবে মালিকানা পরিবর্তন হয়।

✅অছিয়ত (Will)

➡️ মৃত্যুর পর কার্যকর হয়।
➡️ অছিয়তকারী জীবিত থাকাকালীন মালিকানা নিজের কাছেই থাকে।

✅গুরুত্বপূর্ণ আইনি সতর্কতা

📌অছিয়তনামা তৈরি করার আগে অবশ্যই একজন আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

📌কারণ উত্তরাধিকার আইন, মুসলিম ব্যক্তিগত আইন এবং সম্পত্তির প্রকৃতি অনুযায়ী প্রতিটি অছিয়তের আইনগত ফলাফল ভিন্ন হতে পারে।

আশা করি আজকের লেখার মাধ্যনে অছিয়তনামা সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পেয়েছেন।

পোয়াহটটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করতে পারেন।

ধন্যবাদ।

✍️
সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

Advocate Saddam & Associates

ঠিকানাঃ
পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শেখেরটেক, রফিক হাউজিং, রোড নং-০৭, বাড়ি নং-৪৮ (৪র্থ তলা), মোহাম্মদপুর, ঢাকা৷

🇧🇩 জাতীয় পতাকা অবমাননা করলে কী শাস্তি? আইন কী বলে?বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা শুধু একটি কাপড় নয়, এটি আমাদের স্বাধীনতা, সা...
14/06/2026

🇧🇩 জাতীয় পতাকা অবমাননা করলে কী শাস্তি? আইন কী বলে?

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা শুধু একটি কাপড় নয়, এটি আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক। কিন্তু অনেকেই না জেনে বা অসাবধানতাবশত জাতীয় পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘন করেন।

জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত আইনঃ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পরিচালিত হয়:

✅ সংবিধানের ৪(২) অনুচ্ছেদ

✅ The Bangladesh National Anthem, Flag and Emblem Order, 1972 (P.O. No. 130 of 1972)

✅ People's Republic of Bangladesh Flag Rules, 1972

পতাকা অবমাননা বলতে কী বোঝায়?

নিম্নলিখিত কাজগুলো পতাকার মর্যাদাহানিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে:

🔴 ছেঁড়া, বিবর্ণ বা নোংরা পতাকা উত্তোলন
🔴 পতাকাকে মাটিতে ফেলে রাখা
🔴 বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার
🔴 পোশাক, টেবিলক্লথ বা সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার
🔴 পতাকার উপর লেখা, ছবি বা প্রতীক অঙ্কন
🔴 নির্ধারিত নিয়মের বাইরে পতাকা উত্তোলন

✅আইনগত শাস্তিঃ

The Bangladesh National Anthem, Flag and Emblem Order, 1972-এর Article 4A অনুযায়ী,

জাতীয় পতাকা বা জাতীয় প্রতীক সম্পর্কিত বিধান লঙ্ঘন করলে:

⚖️ সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর কারাদণ্ড

অথবা

⚖️ সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড

অথবা

⚖️ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

✅কারা গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন?

জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী সাধারণ নাগরিক ইচ্ছামতো গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন না।

রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিধিমালায় নির্ধারিত উচ্চপদস্থ ব্যক্তিগণ সরকারি গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন।

✅বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে?

হ্যাঁ, করা যাবে।

তবে পতাকার মর্যাদা রক্ষা, সঠিক মাপ, সঠিক অবস্থান এবং বিধিমালার অন্যান্য শর্ত অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

জাতীয় পতাকা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের সর্বোচ্চ প্রতীক। তাই পতাকা উত্তোলন শুধু আবেগের বিষয় নয়, এটি একটি আইনগত দায়িত্বও। পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক ও নৈতিক কর্তব্য।

আইন জানুন, পতাকার মর্যাদা রক্ষা করুন।

✍️
সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

Advocate Saddam & Associates
ঠিকানাঃ
পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটি, শেখেরটেক, রফিক হাউজিং, রোড নং-০৭, বাড়ি নং-৪৮ (৪র্থ তলা), মোহাম্মদপুর, ঢাকা৷
01953-335544 (WhatsApp)

কোন কোন কারণে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল হয়? ✅Advocate Saddam Hossen --------------------------------------------------...
13/06/2026

কোন কোন কারণে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল হয়? ✅
Advocate Saddam Hossen
--------------------------------------------------

অনেকেই মনে করেন একবার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করে দিলে তা আর বাতিল করা যায় না। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২-এর ধারা ১১ অনুযায়ী সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল বা অকার্যকর হয়ে যায়।

#প্রথমত, নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন হলেঃ

যদি কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া হয়, সেই কাজ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়।

#দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হলেঃ

যদি দলিলে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ থাকে, তাহলে সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল বলে গণ্য হবে।

#তৃতীয়ত, বিষয়বস্তু বা সম্পত্তি বিলুপ্ত হলেঃ

যে সম্পত্তি বা বিষয়কে কেন্দ্র করে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করা হয়েছে, সেটি ধ্বংস হয়ে গেলে বা অস্তিত্ব হারালে ক্ষমতাও শেষ হয়ে যায়।

#চতুর্থত, সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রত্যাহারঃ

প্রিন্সিপাল বা ক্ষমতা প্রদানকারী ব্যক্তি নিবন্ধিত ডাকযোগে ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল করতে পারেন। একইভাবে অ্যাটর্নিও ৩০ দিনের নোটিশ দিয়ে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

#পঞ্চমত, ক্ষমতা প্রদানকারীর মৃত্যু, দেউলিয়াত্ব বা মানসিক ভারসাম্যহীনতাঃ

সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল মারা গেলে, দেউলিয়া হলে বা মানসিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে।

অপ্রত্যাহারযোগ্য বা Irrevocable Power of Attorney সহজে বাতিল করা যায় না। ভূমি উন্নয়ন বা আর্থিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিশেষ ক্ষেত্রে করা অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নির্ধারিত মেয়াদের পূর্বে বাতিল করা যায় না। তবে শর্ত ভঙ্গ বা উদ্দেশ্য ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

তাই কোনো পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল করার আগে অবশ্যই দেখতে হবে এটি সাধারণ নাকি অপ্রত্যাহারযোগ্য, এবং দলিলের শর্তাবলি কী।

পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন এবং আইন বিষয়ক আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেতে পেজটি ফলো করুন।

✍️
সাদ্দাম হোসাইন আবির
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

Advocate Saddam & Associates
ঠিকানাঃ শেখেরটেক, রফিক হাউজিং, রোড নং ০৭, বাড়ি নং-৪৮ (৪র্থ তলা), মোহাম্মদপুর, ঢাকা৷
01953-335544 (WhatsApp)

13/06/2026

বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষায় পাশ করেছে মোট ৯২০১ জন। পাশের হার প্রায় ২৫%।

চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলেই তালাক অকার্যকর নয়: হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়।
10/06/2026

চেয়ারম্যানকে নোটিশ না দিলেই তালাক অকার্যকর নয়: হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়।

Address

Shekertake, Road No. 7, Holding No. 48, Rofiq Housing, Mohammadpur
Badda
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাড. সাদ্দাম হোসাইন আবির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অ্যাড. সাদ্দাম হোসাইন আবির:

Share