জায়গা ক্রয় বিক্রয় এবং বাড়ি নির্মাণ ধারণা

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • জায়গা ক্রয় বিক্রয় এবং বাড়ি নির্মাণ ধারণা

জায়গা ক্রয় বিক্রয় এবং বাড়ি নির্মাণ ধারণা জমি জমা ক্রয় বিক্রয়ের বিশ্বস্ত মাধ্য?

নতুন ভূমি আইন: জানুন কোন ৭ ধরনের দলিল বাতিল হবে?বাংলাদেশে দ্রুতই কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভূমি আইন, যার মধ্যে রয়েছে ‘ভূমি...
29/12/2025

নতুন ভূমি আইন: জানুন কোন ৭ ধরনের দলিল বাতিল হবে?

বাংলাদেশে দ্রুতই কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভূমি আইন, যার মধ্যে রয়েছে ‘ভূমি ব্যবহার স্বত্ব আইন’ এবং ‘ভূমি অপরাধ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’। নতুন এই আইন প্রণীত হলে সাত ধরনের দলিল বাতিল হবে এবং জমি জালিয়াতি ও অবৈধ দখলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

বাতিল হতে যাচ্ছে কোন দলিলগুলো?

নতুন আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিবিহীন দলিল, জাল খতিয়ান, জাল দলিল, খাস জমি দখল করে তৈরি দলিল, ওয়ারিশদের বঞ্চিত করে সম্পত্তি বিক্রির দলিল—all বাতিল হবে। এছাড়া হেবা বা দানকৃত জমি জালভাবে গ্রহণ করলেও সেই দলিল কার্যকর হবে না।

জমি রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশে জমি ক্রয়-বিক্রির সময় বিক্রয় দলিল, বায়না দলিল, হেবা বা দানপত্র, বন্ধক দলিল, উত্তরাধিকার ভিত্তিক বাটোয়ারা বা আপোস বণ্টননামা সবকিছুই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমির সম্পূর্ণ বিবরণ, দাতা-গ্রহীতার পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা, ছবি, মালিকানা ধারাবাহিকতা, এবং চারপাশের সীমানা ও নকশা উল্লেখ থাকতে হবে।

রেজিস্ট্রি ফি ও কর

আইন অনুযায়ী, রেজিস্ট্রি ফি, ভ্যাট ও উৎসে কর বিক্রেতার দায়িত্ব। আয়কর আইনের অধীনে করের পরিমাণ বিক্রেতার আয়ের ওপর নির্ভর করবে। অন্যান্য সকল কর ক্রেতার দায়িত্বে থাকবে।

নতুন আইন অনুযায়ী শাস্তি

জমি জালিয়াতি, প্রতারণা বা অবৈধ দখলের ক্ষেত্রে নতুন আইন কঠোর শাস্তির বিধান রেখেছে।

কারাদণ্ড: ৩ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত

জরিমানা: ১০ হাজার থেকে ১০ লক্ষ টাকা

আইন অনুযায়ী, ওয়ারিশদের বঞ্চিত করে সম্পত্তি বিক্রির দলিল বাতিল হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধে দায়ী হবেন।

নতুন ভূমি আইন প্রয়োগের গুরুত্ব

নতুন আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশের জমি বাজারে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, জালিয়াতি হ্রাস, এবং ভূমি লেনদেনে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রতারণা প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

https://www.facebook.com/share/p/157HY3YXSp/
20/10/2024

https://www.facebook.com/share/p/157HY3YXSp/

ইসলামে মজুতদারির কুফল

অস্বাভাবিকভাবে মুনাফা লাভের আশায় মজুতদারি করা অভিশাপ বা গুনাহের কাজ। মূলত একদল মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ী অবৈধভাবে মুনাফা লাভের আশায় এ ঘৃণিত কাজটি করে থাকে। হানাফি মাযহাবের মতে এটি মাকরুহে তাহিরমি আর অন্যান্য মাযহাবের মতে সম্পূর্ণরূপে হারাম।

মজুতদারির ফলে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ক্ষুণ্ণ হয় ও বাজারে পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়। এজন্য ইসলামি শরি’আতে একে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেননা এর ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং বেশির ভাগ মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়। এ প্রসঙ্গে হযরত মা’মার ইবনে আবদুল্লাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন। রসুল (সা.) বলেছেন, ‘জনগণের জীবিকা সংকীর্ণ করে যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য গুদামজাত করবে, সে বড় অপরাধী।’ আরও জেনে রাখো, ‘সে পাপী হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াবে।’ (সহিহ্ মুসলিম :১৬০৫)। রসুলুল্লাহ্ (সা.) মজুতদারকে পাপী বলে আখ্যা দিয়েছেন। যেমন নবি (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পণ্যদ্রব্য আটক করে অধিক মূল্যে বিক্রয়কারী অবশ্যই পাপী।’ (ইবনে মাজাহ্: ২২৩৮, মিশকাত শরিফ, পৃ. ২৫০)

এছাড়াও হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রসুল (সা.) বলেছেন, ‘মূল্য বাড়ার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত খাদ্যশস্য মজুদ রাখে, সে ব্যক্তি আল্লাহর দায়িত্ব থেকে মুক্ত এবং আল্লাহ্ তার প্রতি অসন্তুষ্ট। সে মজুতকৃত সম্পদ দান করে দিলেও তার গুনাহ্ মাফের জন্য যথেষ্ট হবে না।’ (মিশকাত শরিফ :২৭৭২)

নবি (সা.) মজুদদার ও কালোবাজারিদের অভিশপ্ত উল্লেখ করে বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমদানি করবে সে রিজিকপ্রাপ্ত হবে। আর যে গুদামজাত করবে, সে অভিশপ্ত হবে।’ (ইবনে মাজাহ্ : ২১৪৪)

অবৈধভাবে অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে দ্রব্যমূল্যের মূল্য বৃদ্ধি করাকে ইসলামে অত্যন্ত গর্হিত কাজ। এ জন্য তাদের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। তা-ই নবি (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি মুসলমানদের লেনদেনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ ঘটালে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তাআলা আগুনের ওপর তাকে বসিয়ে শাস্তি দেবেন।

এছাড়াও হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে তিনি বলেন, ‘আমি নবি (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘মজুতদার ব্যক্তি খুবই নিকৃষ্টতম ব্যক্তি। যদি জিনিসপত্রের দর হ্রাস পায়, তখন সে চিন্তিত হয়ে পড়ে। আর যদি দর বেড়ে যায়, তখন আনন্দিত হয়।’ (মিশকাত শরিফ : ২৭৭১)

মজুতদারি করা মানব সম্প্রদায়ের ওপর এমন একটি জুলুমকার্য, যার কারণে আল্লাহ্ তাআলা মজুতদারদের মহামারি ও দরিদ্রতায় নিক্ষেপ করেন। তা-ই নবি (সা.) মজুদদারদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘কেউ যদি মুসলমানদের থেকে নিজেদের খাদ্যশস্য আটকিয়ে রাখে (মজুতদারি করে), তবে আল্লাহ্ তা’আলা তার ওপর মহামারি ও দরিদ্রতা চাপিয়ে দেন।’ (আবু দাউদ : ৫৫, ইবনে মাজাহ : ২২৩৮)

লেখক :সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ, শেরপুর

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জায়গা ক্রয় বিক্রয় এবং বাড়ি নির্মাণ ধারণা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category