বিজ্ঞান সাময়িকী

বিজ্ঞান সাময়িকী জ্ঞান-বিজ্ঞানের নিত্য নতুন কিছু শিখতে /জানতে
ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন

10/10/2025

আবাসন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা যোগাযোগসহ রয়েছে বহু সমস্যা।
এ সমস্যাগুলো সমাধান করে শিক্ষার্থীদের একটি প্রাণের ক্যাম্পাস গড়ে উঠুক আপনাদের হাত ধরে

আপনাদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা 🌼

#সম্প্রীতিরশিক্ষার্থীজোট

২রা অক্টোবর - জেরুজালেম পুনরুদ্ধার!১১৮৭ খ্রিস্টাব্দের এইদিনে প্রায় দুই সপ্তাহের অবরোধ শেষে সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী (রহ...
05/10/2025

২রা অক্টোবর - জেরুজালেম পুনরুদ্ধার!

১১৮৭ খ্রিস্টাব্দের এইদিনে প্রায় দুই সপ্তাহের অবরোধ শেষে সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী (রহ.) জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করেন।

এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৮৮ বছর পর জেরুজালেম খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের দখল থেকে মুক্ত হয়ে মুসলমানদের অধীনে ফিরে আসে।

ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই মুসলিমরা আবারো জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করবে। আল্লাহ যেন আমাদেরকে সেই দিনটি দেখার তৌফিক দান করেন। আমীন।💚

17/09/2025

কি একটা অবস্থা... 😎😎


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
বিজ্ঞান সাময়িকী

🦖 এক গ্যালাকটিক বছর আগের পৃথিবীএক বছর আগে পৃথিবীতে ডাইনোসরদের বিচরণ ছিল। তারা ছিল বিশাল, ভয়ঙ্কর, আবার কিছু ছিল শান্ত, উদ...
12/09/2025

🦖 এক গ্যালাকটিক বছর আগের পৃথিবী
এক বছর আগে পৃথিবীতে ডাইনোসরদের বিচরণ ছিল। তারা ছিল বিশাল, ভয়ঙ্কর, আবার কিছু ছিল শান্ত, উদ্ভিদভোজী। তারা ছিল পৃথিবীর রাজা, প্রকৃতির ছন্দে চলা এক মহাজীব। আজ তারা নেই। আজ তারা শুধু ফসিল, পাথরের গভীরে ঘুমিয়ে থাকা ইতিহাস।

এই “এক বছর” শুনে চমকে উঠতে হয়। কারণ এটা আমাদের পরিচিত ৩৬৫ দিনের বছর নয়। এটা হলো এক গ্যালাকটিক বছর—যা হয় প্রায় ২২৫ মিলিয়ন বছরের সমান।

গ্যালাকটিক বছর মানে হলো, সূর্য তার নিজস্ব কক্ষপথে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসতে যত সময় লাগে। আমাদের সৌরজগত শুধু সূর্যকে ঘিরে ঘোরে না, সূর্য নিজেও এক মহাজাগতিক নৃত্যে অংশ নেয়।
সে ঘুরছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে, যেখানে রয়েছে এক বিশাল সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল—Sagittarius A*।

এই গ্যালাকটিক যাত্রা শুরু হয়েছিল সূর্যের জন্মের সময়, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে। তখন থেকে এখন পর্যন্ত সূর্য মাত্র ২০ বার গ্যালাক্সির কেন্দ্রকে ঘুরে এসেছে। ডাইনোসররা পৃথিবীতে ছিল ঠিক সেই ১৯তম গ্যালাকটিক বছরে। তাদের বিলুপ্তি ঘটেছে এক গ্যালাকটিক বছর আগেই।

এই সময়ের স্কেল এত বিশাল যে, আমাদের পরিচিত ইতিহাস সেখানে এক বিন্দুর মতো। মানুষের সভ্যতা, শিল্প, বিজ্ঞান—সবকিছু মিলিয়ে আমরা এখনো গ্যালাকটিক বছরের এক সেকেন্ডও পার করিনি।

সূর্য এই যাত্রায় ছুটছে প্রায় ৮৩০,০০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে। তবুও তাকে একবার ঘুরে আসতে লাগে ২২৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন বছর। এই গতিতে চলেও সে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৫,০০০–২৮,০০০ আলোকবর্ষ দূরে থাকে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, আর তিন গ্যালাকটিক বছর পরেই সূর্য তার জীবনের শেষ অধ্যায়ে প্রবেশ করবে। সে হয়ে উঠবে এক রেড জায়ান্ট—এক বিশাল, ফুলে ওঠা, আগুনে গ্রহ। তখন পৃথিবী হয়তো আর বাসযোগ্য থাকবে না। সম্ভবত সে গ্রাস করবে আমাদের গ্রহকে, অথবা পৃথিবী হবে এক মৃত, পাথুরে গোলক।

এই ভাবনা আমাদের সময়বোধকে বদলে দেয়। আমরা যাকে “দীর্ঘ সময়” ভাবি—যেমন ১০০ বছর, ১০০০ বছর—তা গ্যালাকটিক স্কেলে এক মুহূর্তের মতো। ডাইনোসরদের বিলুপ্তি, মহাসাগরের জন্ম, পর্বতের উত্থান—সবকিছুই এই গ্যালাকটিক ঘড়ির টিকটিক শব্দের অংশ।

গ্যালাকটিক বছর আমাদের শেখায়, সময় শুধু ঘড়ির কাঁটা নয়।
এটা মহাবিশ্বের ছন্দ, তারার নৃত্য, জীবনের উত্থান ও পতনের গল্প।
আমরা সবাই সেই গল্পের অংশ—এক মহাজাগতিক যাত্রার ক্ষণিক যাত্রী।

তাই, যখন তুমি আকাশের দিকে তাকাবে, মনে রেখো—তুমি শুধু একটা রাত দেখছো না। তুমি দেখছো এক চলমান ইতিহাস, যেখানে এক বছর আগে মানে ডাইনোসরের যুগ, আর তিন বছর পরে মানে সূর্যের শেষ।

© Galactixia STEM Education

🌌 Boötes Void:  মহাশূন্যের বুকে এক নীরব একাকী শূন্যস্থানযেখানে একাকিত্বও ভীষণ রকম এমানুষ যখন একাকিত্ব অনুভব করে, তখনো চা...
12/09/2025

🌌 Boötes Void: মহাশূন্যের বুকে এক নীরব একাকী শূন্যস্থান
যেখানে একাকিত্বও ভীষণ রকম এ
মানুষ যখন একাকিত্ব অনুভব করে, তখনো চারপাশে থাকে আলো, বাতাস, শব্দ, আর পৃথিবীর নিরন্তর গতি। আমাদের একাকিত্ব কখনোই সম্পূর্ণ একা নয়; প্রকৃতি সর্বদা আমাদের সাথে থাকে। কিন্তু মহাবিশ্বে এমন এক শূন্যতা আছে, যেখানে একাকিত্বেরও কোনো সঙ্গী নেই—যেন একাকিত্ব নিজেও সেখানে একা হয়ে পড়ে। সেটিই হলো Boötes Void, মহাবিশ্বের বুকে লুকিয়ে থাকা নীরবতার এক বিশাল রাজ্য।

এই অঞ্চলের বিস্তৃতি কল্পনার সীমা ছাড়িয়ে যায়। এটি ৩৩০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ জুড়ে বিস্তৃত, যেখানে আলো এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে লাগবে কয়েকশো কোটি বছর। তুলনা করলে দেখা যায়, আমাদের আকাশগঙ্গা, যা আমাদের কাছে অসীম বিস্তৃত বলে মনে হয়, সেই গ্যালাক্সি Boötes Void-এর ভেতরে হারিয়ে যাবে এক ক্ষুদ্র বিন্দু হয়ে। অথচ এত বিশাল জায়গায় যেখানে হাজার হাজার গ্যালাক্সি থাকার কথা, সেখানে আছে মাত্র কয়েক ডজন।

১৯৮১ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট কিরশনার ও তার টিম প্রথম এই রহস্যময় শূন্যতাকে চিহ্নিত করেন। তাঁরা যখন গ্যালাক্সির বন্টন মানচিত্র তৈরি করছিলেন, হঠাৎ করেই চোখে পড়ে বিশাল এক ফাঁকা অঞ্চল। প্রথমে ভেবেছিলেন এটি হয়তো পর্যবেক্ষণের ভুল, কিন্তু ধীরে ধীরে প্রমাণিত হয়, সত্যিই মহাবিশ্বের মধ্যে আছে এমন এক অঞ্চল যা প্রায় ফাঁকা।

কেন এই শূন্যতা? বিজ্ঞান বলছে, মহাবিশ্ব সমানভাবে ভরাট নয়। এটি যেন জালের মতো, যেখানে গ্যালাক্সিগুলো মুক্তোর মতো ছড়িয়ে আছে ফিলামেন্ট বরাবর, আর মাঝখানে তৈরি হয়েছে বিশাল ফাঁকা স্থান। Boötes Void সেই ফাঁকার মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভুত ও রহস্যময় উদাহরণ। কারো মতে এটি প্রাথমিক মহাবিশ্বের প্রসারণের ফল, কারো মতে সময়ের সাথে গ্যালাক্সিগুলো ধীরে ধীরে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সরে গেছে। আবার অনেকে মনে করেন, হয়তো সেখানে এমন কিছু আছে যা আমাদের চোখে ধরা পড়ে না—অজানা ডার্ক ম্যাটার কিংবা অন্য কোনো রহস্যময় পদার্থ। বিজ্ঞানীরা এই জন্যই হয়তো একে- The Great Nothingness বলেও ডাকে।

তবে এই শূন্যতাকে কেবল বিজ্ঞান দিয়ে মাপা যায় না। এর মধ্যে আছে এক গভীর দার্শনিক তাৎপর্যও। যেমন মানুষ নিজের ভেতরে ফাঁকা অনুভব করলে এক ধরণের কষ্ট জন্ম নেয়, তেমনি মহাবিশ্বও হয়তো নিজের বুকে এমন শূন্যতা রেখে দিয়েছে, যা তাকে অন্যভাবে পূর্ণ করে। Boötes Void যেন মহাবিশ্বের ধ্যানমগ্নতা—এক অদৃশ্য নিঃশ্বাস, যেখানে নীরবতা নিজেই কথা বলে।

মানুষের একাকিত্বের কাহিনি যেমন কবিতা, সাহিত্য আর দর্শনে ফিরে আসে, তেমনি মহাবিশ্বের এই একাকিত্ব আমাদের কল্পনাকেও জাগিয়ে তোলে।

Boötes Void আমাদের শুধু বৈজ্ঞানিক তথ্য দেয় না, এটি আমাদের মনের গভীরে এক ধরণের স্পর্শ জাগায়। এটি আমাদের সামনে খোলা এক আয়না, যেখানে আমরা আমাদের নিজের একাকিত্ব, প্রশ্ন, আর অজানার প্রতি আকর্ষণকে খুঁজে পাই। এটি প্রমাণ করে যে মহাবিশ্ব কেবল গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, আর আলোয় ভরা নয়; এর ভেতরে লুকিয়ে আছে এক অদৃশ্য নীরবতা। শূন্যতাও একধরনের সত্তা। হয়তো আমরা কখনো এর রহস্য উদঘাটন করব, হয়তো কখনোই পারব না। তবু এর ভেতরে লুকানো নীরবতা আমাদের কল্পনাকে উসকে দিয়ে যায়, আর মনে করিয়ে দেয়—মহাবিশ্বের রহস্য আমাদের কল্পনারও অনেক দূরে বিস্তৃত।

© Galactixia
ফলো:বিজ্ঞান সাময়িকী

আগামীর দিন সম্ভাবনা অভিনন্দন
10/09/2025

আগামীর দিন সম্ভাবনা

অভিনন্দন




তথ্যটি পুরোপুরি সঠিক নয়! কারণ প্রকৃতপক্ষে ১ লিটার কোকাকোলায় সাধারণত ১০৬-১১৩ গ্রাম চিনি থাকে। বাংলাদেশ বা উপমহাদেশীয় টে...
30/07/2025

তথ্যটি পুরোপুরি সঠিক নয়! কারণ প্রকৃতপক্ষে ১ লিটার কোকাকোলায় সাধারণত ১০৬-১১৩ গ্রাম চিনি থাকে। বাংলাদেশ বা উপমহাদেশীয় টেস্ট অনুযায়ী, ৫-৬ গ্রাম পর্যন্ত চিনি চা এ দিতে পারেন। এর বেশি দিলে অকালে ডায়বেটিস হবে ভেবে খান না। তাই এবার একটু অঙ্ক কষাকষি করি।

১১৩ ÷ ৫ = ২২.৬

তার মানে মোটামুটি ২২ থেকে ২৩ কাপ চা বানানো যাবে। তাই। ২৫ কাপ বলাটা উচিত নয়! আর কেউ যদি ২৫ কাপ বানানোর জন্য চা এ চিনি কম দেন তাতে আমার আপত্তি নাই। তবে একজন গবেষকের এভাবে বলাটা উচিত না। এর জবাবদিহিতা করতে হবে—কীভাবে একজন গবেষক হয়েও অসঠিক তথ্য দেন😒

20/07/2025
২০ জুলাই, ১৯৬৯—মানব ইতিহাসে আজকের এই দিনে অ্যাপোলো ১১ মিশনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মানুষ চাঁদের মাটিতে পা রাখে। নিল আর্...
20/07/2025

২০ জুলাই, ১৯৬৯—মানব ইতিহাসে আজকের এই দিনে অ্যাপোলো ১১ মিশনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মানুষ চাঁদের মাটিতে পা রাখে। নিল আর্মস্ট্রং ছিলেন চাঁদের বুকে পা রাখা প্রথম ব্যক্তি। চাঁদের বুকে পা রেখেই তিনি বলেন, "That's one small step for man, one giant leap for mankind.” আর তার কিছুক্ষণ পর বাজ অলড্রিন দ্বিতীয় মানুষ হিসেবে সেখানে নামেন। এ সময় মাইকেল কলিন্স চাঁদের কক্ষপথে থাকা কমান্ড মডিউল ‘Columbia’ তে অবস্থান করছিলেন। তিনি চাঁদের মাটিতে নামেননি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে একা চাঁদের কক্ষপথে ঘুরতে থাকেন। এই সময় মাইকেল কলিন্সকে ‘মানব ইতিহাসের সবচেয়ে নিঃসঙ্গ মানুষ’ আখ্যা দেওয়া হয়।

কিছু ফ্যাক্ট—

১. যখন ল্যান্ডার 'Eagle' চাঁদের মাটিতে নামছিল, তখন তার ডিসেন্ট ইঞ্জিন বন্ধ করার মুহূর্তে ট্যাঙ্কে মাত্র ২০-৩০ সেকেন্ডের জ্বালানি অবশিষ্ট ছিল। স্বয়ংক্রিয় অবতরণ সম্ভব ছিল না কারণ নির্ধারিত জায়গাটি ছিল পাথরে ভর্তি। নিল আর্মস্ট্রং তখন নিজ হাতে ল্যান্ডার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ম্যানুয়ালি অবতরণ সম্পন্ন করেন। এই নাটকীয় মুহূর্তে উত্তেজনা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে সেই সময় তাঁর হৃদস্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল ৭৫ থেকে ১৫০ বিট প্রতি মিনিটে!

২. অবতরণের ঠিক আগে Apollo Guidance Computer এর স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘1201’ ও ‘1202’ এরর কোড। যা ছিল কম্পিউটারের ওভারলোডের সংকেত। তবে MIT এর প্রোগ্রামার মার্গারেট হ্যামিল্টনের নেতৃত্বে তৈরি সফটওয়্যার ছিল এতটাই দক্ষ যে, সিস্টেম সেসময় অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ রেখে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো প্রাধান্য দিয়ে ল্যান্ডিং চালিয়ে যায়। ফলে অ্যাপোলো ১১ সফল হয়। (বিজ্ঞান্বেষী)

৩. অবতরণের পর অলড্রিন ও আর্মস্ট্রংকে কিছু সময় ক্যাবিনে অপেক্ষা করতে বলা হয়। সেই ফাঁকে অলড্রিন একাই পালন করেন খ্রিস্টীয় ধর্মীয় রীতি কমিউনিয়ন। গ্লাস ও ওয়াইন নিয়ে এক নিঃশব্দ প্রার্থনা করেন তিনি। এটি চাঁদের বুকে হওয়া প্রথম ধর্মীয় অনুষ্ঠান। নাসা এটিকে রেডিওতে সরাসরি প্রচার করেনি, কারণ তখন ধর্মীয় পক্ষপাত নিয়ে মামলা চলছিল।

৪. চাঁদের মাটি সম্পর্কে নীল আর্মস্ট্রং ও অলড্রিন জানান, এর গন্ধ অনেকটা পোড়া আতশবাজি বা গানপাউডারের মতো। তবে সেই গন্ধ পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা মাটিতে আর পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের ধারণা চাঁদের মাটি লুনার মডিউলে থাকা অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে গন্ধটি হারিয়ে যায়।

৫. পৃথিবীতে ফেরার সময় প্রায় ২১.৬ কেজি চাঁদের পাথর ও মাটি সঙ্গে করে আনেন নভোচারীরা। গবেষণায় বেরিয়ে আসে তিনটি সম্পূর্ণ নতুন খনিজ:

Armalcolite (Armstrong, Aldrin, Collins নাম থেকে)

Tranquillityite

Pyroxferroite

৬. চাঁদ থেকে ফেরার সময় লুনার মডিউলের একটি সুইচ ভেঙে যায়, যার মাধ্যমে ইঞ্জিন চালু করার কথা ছিল। তখন বাজ অলড্রিন তার নিজের ফেল্ট-টিপ কলম দিয়ে বোতামটি চাপেন এবং ইঞ্জিন চালু হয়। টেকনিক্যালি একটি সাধারণ কলম পুরো মিশনকে সফল করে তোলে।

৭. অ্যাপোলো ১১ মিশনে চাঁদের মাটিতে বসানো হয় একটি লেজার রেট্রোরিফ্লেক্টর। এখনো বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে লেজার পাঠিয়ে চাঁদের দূরত্ব নির্ণয় করতে পারেন মিলিমিটার স্কেলে! এটি পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার গতি ও কক্ষপথ বোঝার গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৮. যদি চাঁদের বুকে আটকে পড়তেন আর্মস্ট্রং ও অলড্রিন, তাহলে হোয়াইট হাউস থেকে একটি শোকবার্তা প্রচার করা হতো:

> “Fate has ordained that the men who went to the moon to explore in peace will stay on the moon to rest in peace…”
These brave men… পুরোটা কমেন্ট বক্স থেকে পড়ে নিবেন।

এমনকি ঠিক করা ছিল এক যাজক, যিনি সমুদ্র সমাধির মতো একটি রীতিতে তাঁদের আত্মাকে চাঁদের বুকে সমর্পণ করতেন।

তথ্য: বিজ্ঞান্বেষী
ফলোঃবিজ্ঞান সাময়িকী
#বিজ্ঞান্বেষী

ইঞ্জিনিয়ার মনে হয়  ডুবাই (বর্জ খলিফার) ডিজাইন করেছিল আমি সিওর
18/07/2025

ইঞ্জিনিয়ার মনে হয় ডুবাই (বর্জ খলিফার) ডিজাইন করেছিল আমি সিওর

Address

Chittagong

Telephone

+8801646349937

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিজ্ঞান সাময়িকী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বিজ্ঞান সাময়িকী:

Share

Category