21/12/2023
মুজিবুর রহমান সিআইপির আলোয় আলোকিত হোক প্রিয় বাঁশখালী
একটি সমাজের চিত্রপট বদলাতে অনেক মানুষের দরকার পড়েনা, আবার আহামরি ক্ষমতারও প্রয়োজন হয়না, শুধু দরকার সদিচ্ছা আর মনোবল। আর সেই সদিচ্ছার উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত রেখেই যাচ্ছেন সিআইপি পরিবার। হাটি-হাটি পা-পা করে বাঁশখালীতে জ্ঞানের মশাল নিয়ে এগিয়ে চলছে এই পরিবার। প্রশাসনিক ক্ষমতা ছাড়াও জনগণের সেবা করা যায় তা মাঠ পর্যায়ে প্রমাণ করেছেন বহুবার এবং প্রতিনিয়তই করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে যত রকম শিক্ষার ধারা রয়েছে তার অধিকাংশই সিআইপি পরিবার বাঁশখালীতে প্রতিষ্ঠা করেছে।পিছিয়ে পড়া বাঁশখালীকে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান আলাদিনের চেরাগের মত কাজ করছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এক মহা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।যেখানে মেয়েরা আগে এসএসসি শেষ হতে না হতেই পাঠ চুকিয়ে ফেলত সেখানে এখন মেয়েরা গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করার স্বপ্ন আর সাহস বুনছে গ্রামে থেকেই।
স্কুল, কলেজ, দাখিল মাদরাসা, কওমী মাদরাসা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করে অপার এক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে শিক্ষার্থীদের সামনে। ঘরের কাছে এসব প্রতিষ্ঠান হওয়াই শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীরা সানন্দে পড়াশুনা করছে। সে সাথে যারা গরীব তাদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রেখেছেন। আর মেধাবীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন। কোনো শিক্ষার্থী যেন ঝরে না পড়ে তার সবদিক বিবেচনা করে এগিয়ে যাচ্ছে নজির আহমেদ কলেজ আর মাদ্রাসা।
করোনাকালে যখন পুরো পৃথিবী স্তব্ধ, মানুষের বোবা কান্নায় যখন আকাশ ভারি হয়ে উঠছে, অমানুষের অমানবিকতায় পরিবেশ যখন দূষিত ঠিক সে মুহূর্তেও মানবতার প্রকৃষ্ট উদাহারণ রেখেছে সিআইপি পরিবার। কী করেনি??
*ডাক্তার-নার্সদের জন্য মাস্ক সরবরাহ।
*ডাক্তার-নার্সদের জন্য পিপিই সরবরাহ।
*করোনা রোগীদের জন্য অনুধান।
*ত্রাণ বিতরণ।
এসব কাজ সিআইপি পরিবার করতে বাধ্য নয়, চাইলে কেবল নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি ব্যবসার ঊর্ধ্বে একজন মানুষ সেটার পরিচয় দিয়েছেন। মানুষের কান্নাকে তিনি নিজের কান্নার মত করে অনুভব করেন।
তিনি কখনো মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ করেননি। যদিও তিনি একজন মুসলিম কিন্তু কখনো অপর ধর্মের লোক তার কাছে সহায়তার জন্য গিয়ে হতাশ হয়নি। যখন যারা গিয়েছে তাদেরকে সামর্থ্যানুযায়ী সাহায্য করেছেন। মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধদের বিভিন্ন উৎসবে অনুদান দিয়েছেন।
প্রতি বছর দেশ-বিদেশের বিখ্যাত ক্বারীদের দিয়ে কোরানের জলসা আয়োজন করেন। সমাজের মধ্যে আধ্যাত্মিকতার একটা আবহ তৈরি করার চেষ্টা করেন। রমজানে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের জন্য ইফতার সরবরাহ করেন। গরীবদের জন্য ঈদের জামা সরবরাহ করেন। একজন মানবিক মানুষ যা যা করে থাকেন তার সবই আমরা তার মধ্যে দেখতে পাই।
এত কিছুর পরেও কিছু দুষ্টু লোক তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেন। তার চলমান রথকে থামিয়ে দিতে চায়। কিন্তু তিনি থামার নয়। তাই তিনি এবার বাঁশখালীর মানুষের স্বপ্ন পূরণে আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে এমপি নির্বাচন করছেন। তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও কখনো নিজেকে সেরকম রাজনৈতিক পরিচয়ে হম্বিতম্বি করেননি। মারামারি-ধরাধরির মত নোংরা কোনো কাজ করাননি যাতে আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি তার কারণে নষ্ট হয়। তিনি গণ মানুষের মাঝে একজন মুজিব হয়ে ধরা দিয়েছেন।
যারা তাকে অপবাদ দিয়ে দমাতে চায় তারা নিজের অর্থে একটা কিন্ডার গার্ডেন প্রতিষ্ঠাও করেনি।পড়াশুনা থেকে মাঝপথে ঝরে পড়া একটা শিক্ষার্থীর হাতে ১০০ টাকার নোটও তোলে দেয়নি। তারা চায় সিআইপি মুজিব শহরে আয়েশের জীবন কাটাক, আর তারা গ্রামে ত্রাসের রাজত্ব করবে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আলোর বদলে অন্ধকারে ছেয়ে ফেলবে। কিন্তু তিনিই তো সেই পিতারই সন্তান যার বাবা একজন শিক্ষক। আর একজন যোগ্য শিক্ষক তার সন্তানকে যোগ্য করেই তোলে। তাইতো আজ সিআইপি পরিবার দেশ পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে স্বমহিমায় ভাস্বর।
পরিশেষে একটা কথা বলতে চাই, সময় কেটে যাবে, মানুষেরও আয়োজন বিয়োজন হবে। কিন্তু যদি মুজিবুর রহমান সিআইপির মত একজন মানবিক মানুষ আমাদের মধ্য থেকে বিয়োগ হয় তাহলে সেটা হবে আমাদের পোঁড়া কপাল।একজন যোগ্য নাবিকই পারে প্রতিকূল পরিবেশে তার নৌকাকে তীরে পৌঁছাতে। তাই আসুন ব্যক্তি নয়, কাজের মাধ্যমে ব্যক্তিকে চিনি। কর্মই হোক ব্যক্তির পরিচয়।
তারুণ্যের ভোট হোক মুজিবের,
শিক্ষিতদের ভোট হোক মুজিবের,
নারীদের ভোট হোক মুজিবের,
স্বপ্নবাজদের ভোট হোক মুজিবের।
মুজিবুর রহমান সিআইপি সমর্থক গোষ্ঠী