24/04/2026
পর্যায় সারণিতে ১৭টি 'বিরল মৃত্তিকা ধাতু' রয়েছে, যা প্রকৃতিতে খুবই কম পাওয়া যায়।
২০২৫ সালে যমুনা ও ধরলা নদীর বালুতে এসব বিরল ধাতুর সন্ধান পায় বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর। এর মধ্যে স্যামারিয়াম, ইউরেনিয়াম, গ্যাডোলিনিয়াম, টারবিয়াম ও ডিসপ্রোসিয়ামই বেশি।
গবেষকদের মতে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির পললের সাথে এসব ধাতু আসতে পারে। দেশের সব নদীতেই এগুলো পাওয়া যাবে। কিন্তু কতটুকু উত্তোলন করা যাবে এবং দেশের ভেতর পাওয়া এসব বিরল ধাতুর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কতটুকু, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
স্মার্টফোন, যুদ্ধাস্ত্রসহ কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসই বিরল ধাতু ছাড়া তৈরি সম্ভব নয়। এলইডি, লেজার, রাডার, সোলার প্যানেল, জেট ইঞ্জিন, মিসাইল, উইন্ড টারবাইন, হাইব্রিড গাড়ি এমনকি কাঁচ ও সিরামিক শিল্পেও বিরল ধাতু ব্যবহার করা হয়।
বিরল খনিজের লড়াই একুশ শতকের ভূ-অর্থনৈতিক যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। চীনে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এসব খনিজ। ২০২৫ সাল থেকে চীনের সকল পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করায় যুক্তরাষ্ট্রে বিরল ধাতু রপ্তানী বন্ধ রেখেছে চীন। এতে সংকট দেখা দিয়েছে অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্ট ও মার্কিন ডিফেন্স সিস্টেমে।
বিরল মৃত্তিকা উত্তোলনে দেশে এখনও কোনো সরকারি উদ্যোগ নেই। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।