Real Estate & Housing Association Of Bangladesh - REHAB

Real Estate & Housing Association Of Bangladesh - REHAB Real Estate & Housing Association of Bangladesh (REHAB) real estate & housing association of Bangladesh

12/08/2026

দুটি ফ্ল্যাট এক করে একটি বানালে সার্ভিস চার্জ কত হবে?

ধরুন, একটি আবাসিক ভবনে মোট ৩২টি ফ্ল্যাট। মিস্টার রবিন পাশাপাশি দুটি ফ্ল্যাট কিনলেন। পরে দুটি ফ্ল্যাটের মাঝের দেয়াল সরিয়ে তিনি একটি বড় ফ্ল্যাট হিসেবে ব্যবহার শুরু করলেন।

এখন প্রশ্ন হলো—তিনি কি একটি ফ্ল্যাটের হিসাবে সার্ভিস চার্জ দেবেন, দুটি ফ্ল্যাটের হিসাবে সার্ভিস চার্জ দেবেন, নাকি একটি ও দুটির মাঝামাঝি কোনো হিসাব হবে? এই বিষয়ে আপনাদের মতামত ও যুক্তি জানতে চাই। কারণ অনেক বিল্ডিং এ এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

নবনিযুক্ত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিবের সঙ্গে রিহ্যাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎনবনিযুক্ত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব জনাব মো. ওবায়দ...
09/08/2026

নবনিযুক্ত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিবের সঙ্গে রিহ্যাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নবনিযুক্ত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব জনাব মো. ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর একটি প্রতিনিধি দল।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজালের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দেশের আবাসন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, বিদ্যমান সমস্যা, সম্ভাবনা এবং খাতের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।
সাক্ষাৎকালে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট-৩ এ.এফ.এম ওবায়দুল্লাহ এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।
রিহ্যাব নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবনিযুক্ত সচিবের নেতৃত্বে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রিহ্যাবের সমন্বয় আরও জোরদার হবে এবং দেশের আবাসন খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

28/07/2026
অনেকেই সারাজীবন শুধু সম্পদ গড়ার পেছনে ছুটে যান, কিন্তু প্রয়োজনের সময়ে হাতে নগদ অর্থ থাকবে কি না, সেই পরিকল্পনা করেন না। ...
28/07/2026

অনেকেই সারাজীবন শুধু সম্পদ গড়ার পেছনে ছুটে যান, কিন্তু প্রয়োজনের সময়ে হাতে নগদ অর্থ থাকবে কি না, সেই পরিকল্পনা করেন না। ফলাফল?
কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েও জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনে টাকার জন্য হিমশিম খান।

শুধু সম্পদশালী হলেই আর্থিকভাবে নিরাপদ হওয়া যায় না। আর্থিক নিরাপত্তা তখনই আসে, যখন আপনার সম্পদের পাশাপাশি প্রয়োজনের সময়ে ব্যবহারযোগ্য নগদ অর্থেরও সঠিক পরিকল্পনা থাকে।

আগামী ১২ থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত শহীদ আবু সাইদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ( হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল এর উত্তর পাশে) অনুষ্ঠিত হবে ‘রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০২৬’। মেলায় নিমন্ত্রণ রইলো ...........

26/07/2026
ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং রিহ্যাব-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর সংক্রান্ত সংবাদ...........
26/07/2026

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং রিহ্যাব-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর সংক্রান্ত সংবাদ...........

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং রিহ্যাব-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরআজ শনিবার ঢাকা রিজেন্সি হোটেল ...
25/07/2026

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং রিহ্যাব-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর
আজ শনিবার ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের গ্র্যান্ড সামিট-২ হলে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে রিহ্যাবের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, তাদের কর্মীবৃন্দ ও আইনগত নির্ভরশীলগণ, এবং রিহ্যাব সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও তাদের নির্ভরশীলগণ ৫-তারকা মানের এই হোটেলে সারাবছর ব্যাপী বিশেষ আতিথেয়তামূলক সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তি অনুযায়ী, উপকারভোগীরা হোটেলের রুম বুকিংয়ে (অ্যাকোমোডেশন) ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় এবং খাবারের ক্ষেত্রে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি সুবিধা পাবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট (২) আবু খালিদ মোঃ বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো: হারুন অর রশিদ, রিহ্যাব পরিচালক এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী এবং হাবিবুর রহমান হাবিব। এছাড়া ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হোটেলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিদ্দিকী ও উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শেষে সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর ও ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে আতিথেয়তা ও রিয়েল এস্টেট খাতের মধ্যে এই নতুন অংশীদারিত্বের সূচনা হয়, যা রিহ্যাব সদস্যদের জন্য সারাবছর অতিরিক্ত মূল্য সংযোজনে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে রিহ্যাব প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎআবাসন খাতের উন্নয়নে ৬ দফা প্রস্তাবনা উপস্থাপন...
22/07/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে রিহ্যাব প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
আবাসন খাতের উন্নয়নে ৬ দফা প্রস্তাবনা উপস্থাপন
দেশের আবাসন খাতের উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সাধারণ মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। এ উপলক্ষে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল আবাসন খাতের উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। আজ বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।। সাক্ষাতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, ও মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (দিপু), এমপিসহ অনান্যা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, রিহ্যাব সরকার স্বীকৃত দেশের একমাত্র আবাসন খাতের ট্রেডবডি হিসেবে গত ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও আবাসন উন্নয়নে কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, আবাসন খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। বর্তমানে এ খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং জিডিপিতে এ খাতের ১৫% অবদান রয়েছে। পাশাপাশি সিমেন্ট, রড, ইট, সিরামিক, টাইলস, কাচ, রং, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, স্যানিটারি, ফার্নিচার, পরিবহনসহ ৩০০-এর বেশি লিংকেজ শিল্প আবাসন খাতকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেসব প্রস্তাবনা তুলে ধরেন, তার মধ্যে রয়েছে—
১। পরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন ।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সীমিত ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২১০০ সাল পর্যন্ত সম্ভাব্য জনসংখ্যা, নগরায়ণ, আবাসনের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন খুবই জরুরী। সারা দেশের জমিকে কৃষি, বনাঞ্চল, জলাশয়, আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পাঞ্চল ও সংরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে শ্রেণিবিন্যাস করতে হবে এবং প্রতিটি জোনের জন্য পৃথক ব্যবহারবিধি নির্ধারণ করতে হবে। এতে অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার রোধ হবে, কৃষিজমি, শিল্পায়ন ও আবাসন উন্নয়ন সুশৃঙ্খল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সহজ হবে। পরিকল্পিত ও উলম্ব (Vertical) নগরায়ণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন। সেই বাস্তবতায় বর্তমান ড্যাপ (DAP) ও নির্মাণ বিধিমালা পুনর্মূল্যায়ন ও যুগোপযোগী সংস্কার করা প্রয়োজন।
২। নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের জন্য পিপিপি ভিত্তিক আবাসন কর্মসূচি।
নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ফ্ল্যাট ও আবাসন নির্মাণ কর্মসূচি গ্রহণের সুপারিশ করছি। সরকারের জমি, নীতিগত সহায়তা ও বেসরকারি খাতের দক্ষতা ও বিনিয়োগের সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
৩। মধ্যবিত্তের জন্য সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং লোন চালু।
দেশের মধ্যবিত্ত মানুষের নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং লোনের একটি বিশেষ স্কিম চালুর সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি। উন্নত বিশ্বের মতো সহজ শর্তে গৃহঋণ চালু হলে লাখো পরিবার নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসনের সুযোগ পাবে এবং আবাসন খাতেও ইতিবাচক গতি সঞ্চার হবে।
৪। নিবন্ধন ব্যয়, ভ্যাট ও কর কাঠামো যৌক্তিকীকরণ।
আমাদের দেশের নিবন্ধন ব্যয় এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি। মালয়েশিয়া, চায়না, থাইল্যান্ড ও হংকং এর মত আমাদের দেশের নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশ করার জন্য অনুরোধ করছি। করের হার বাস্তবসম্মত হলে ক্রেতারা প্রকৃত লেনদেনমূল্য নিবন্ধনে উৎসাহিত হবেন ও অপ্রদর্শিত অর্থ সৃষ্টির প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। আমরা বিশ্বাস করি, কর ছাড়া একটি দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে করব্যবস্থা হওয়া উচিত বাস্তবসম্মত, বিনিয়োগবান্ধব, ন্যায়সংগত, ঝামেলামুক্ত ও সম্পূর্ণ ডিজিটাল।

৫। জমির মালিকদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহার।
চলতি অর্থবছরে জমির মালিকদের ওপর ফ্ল্যাট নির্মাণে আরোপিত ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহারের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। একজন ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে আর্থিক সুবিধা অর্জনের আগেই এই করের দায় সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের মূল্য বৃদ্ধি করে সাধারণ ক্রেতার আবাসন ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
০৬। পরিকল্পনা অনুমোদন প্রক্রিয়ার পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন।
বিল্ডিং তৈরির প্ল্যান অনুমোদন এবং জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ কমাতে প্ল্যান পাস-সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে সেবা হবে দ্রুত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং হয়রানিমুক্ত, যা আবাসন খাতের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।
ড. আলী আফজাল প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রিহ্যাব সবসময় সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রার দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও করতে আগ্রহী। এসব প্রস্তাবনা বাস্তবায়িত হলে আবাসন খাত আরও গতিশীল হবে এবং মধ্যবিত্তের আবাসনের স্বপ্ন পূরণ সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎ শেষে রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাতের বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এমন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নগরায়ণ শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক হলে চলবে না; দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে কৃষি জমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজউক বা সরকার নিজে আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করুক—এমনটি তিনি চান না। বরং সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP) ভিত্তিক আবাসন কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজালের বক্তব্য ও প্রস্তাবনাগুলো শোনেন। তিনি উপস্থাপিত যৌক্তিক দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
সাক্ষাতে রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মোঃ বরকাতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো: হারুন অর রশিদ, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল করিম সিদ্দিকী, ইউনাইটেড গ্রুপের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজামউদ্দিন হাসান রশিদ, ইউনাইটেড গ্রুপের ম্যানেজার মুশফিকুল আলম খন্দকার, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খান, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মো. রেজাউল করিম, ইউএস-বাংলা অ্যাসেটস লিমিটেডের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জালাল ঘানি খান, স্বদেশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. কাইয়ুম এবং এবং সেঞ্চুরি গ্রুপের চেয়ারম্যান এমজিআর নাসির মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

Address

House 1/G, National Plaza, Level 5-6, Free School Street, Sonargoan Road
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801755555321

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Real Estate & Housing Association Of Bangladesh - REHAB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share